মেন্যু
universitir cantene

ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

প্রকাশনী : হুদহুদ প্রকাশন
ড.মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আরিফী রচিত ﺻﺮﺧﺔ ﻓﻲ ﻣﻄﻌﻢ ﺍﻟﺠﺎﻣﻌﺔ এর বংলা অনুবাদ "ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে" In the Cantteen of the University নারী অধিকার ও পর্দা সম্পর্কে লেখা ।বইটিতে অনেক যত্নের... আরো পড়ুন
পরিমাণ

150  300 (50% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

5 রিভিউ এবং রেটিং - ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে

3.8
Based on 5 reviews
Showing 1 of 5 reviews (1 star). See all 5 reviews
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 1 out of 5

    আজহার আহমেদ:

    বইয়ের নাম : ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে
    লেখক : ড.মুহাম্মদ বিন অাব্দুর রহমান অারিফি
    অনুবাদক : মাওলানা মাহমুদুল হাসান
    প্রকাশনী : হুদহুদ প্রকাশন
    মুদ্রিত মূল্য : ২৪০ টাকা
    পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৮

    ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে বইটির নাম দেখে প্রথমে যেকোন পাঠক মনে করবেন এটি মনে হয় ইউনিভার্সিটি কেন্দ্রিক কোন গল্প উপন্যাসের বই। কিন্তু পড়ার পর এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হবে। কেননা এটি এটি গতানুগতিক ইউনিভার্সিটির কোন গল্প নয়। বরং বইটি গল্প আকারে মহিলাদের পর্দার উপরে লেখা। যে পর্দা প্রথা মহিলাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বইটি লিখেছেন প্রখ্যাত লেখক ও গবেষক আব্দুর রহমার আরেফি। অনুবাদ করেছেন মাওলানা মাহমুদুল হাসান।

    ▶ সার-সংক্ষেপঃ-
    গল্পের প্রধান চরিত্র সারা। সে কানজ দ্বীপের বাসিন্দা। দ্বীপের অধিকাংশ মহিলা পর্দা পালনের ক্ষেত্রে খুব সচেতন ছিল । একদিন সারা তার অন্তঃসত্ত্বা মাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। হাসপাতালে গিয়ে সারার সাথে পরিচয় হয় উরাইজ নামে এক মেয়ের সাথে। যার পরনে ছিল সাদামাটা বোরকা। চেহারা ছিল অনাবৃত।
    কথায় কথায় সারা জানতে পারলো পর্দা সম্পর্কে উরাইজের মনে অনেক সংশয় রয়েছে। সারা একে একে উরাইজের পর্দা ও নারী স্বাধীনতা নিয়ে উরাইজের সকল সংশয়ের উত্তর দিতে লাগলো। পথিমধ্যে তাদের আলোচনায় যোগ দিলো উরাইজের বোন মিহা। মিহার পরিধেয় বোরকাটিও ছিল খুবই সংকুচিত ও অন্তর্শোভা পরিদৃশ্যকারী। এসময় সারা ও উরাইজের আলোচনায় মিহাও যোগ দেয়।
    তাদের আলোচনা হাসপাতালে শুরু হলেও পরে একদিন তারা আলোচনার জন্য ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনেও উপস্থিত হয়। সেখানেও তাদের মধ্যে পর্দা বিষয়ক বিভিন্ন আলোচনা হয়। সারা একসময় উরাইজ ও মিহা কে বুঝাতে সমর্থ হয় যে পর্দার ব্যাপারে কোন অজুহাতেই কখনো শিথিলতা দেখানো উচিত নয়। বরং পরিপূর্ণভাবে পর্দা করাই হলো ইমানের দাবী।

    বইটি কেন পড়বেন এবং কি পাবেন?
    (১) যারা মনে করেন মেয়েদের পর্দা করতে হলে মুখমন্ডল ঢেকে রাখার প্রয়োজন নেই তারা বইটি একবার হলেও পড়ুন। জানতে পারবেন মহিলাদের পর্দার ব্যাপারে ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনা কি।
    (২) বইতে লেখক গল্পাকারে খুবই চমৎকারভাবে ও অকাট্যভাবে দলীল সহকারে নারীর পর্দা সম্পর্কিত যাবতীয় বিধি-বিধান তুলে ধরেছেন।
    (৩) যারা মনে করেন পর্দা কি শুধুই মেয়েদের জন্য, নাকি পুরুষদের জন্যও পর্দা রয়েছে। কুরআন হাদিসে কি কি নির্দেশ আছে পর্দার ব্যাপারে? মুখমন্ডল খোলা রাখার ব্যাপারে আলিমগণের মতামত কি? এসব নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দে ভুগেন তারা বইটি অবশ্যই পড়ুন।

    ▶ সমালোচনাঃ-
    বইতে সমালোচনা করার মত তেমন কিছু নেই। তবে-
    (১) বইয়ের মূল কন্টেন্ট খুব সুন্দর হলেও অনুবাদের মান ততটা ভালো হয় নি।
    (২) বইয়ের প্রত্যেক পাতা বিভিন্ন ছবি দ্বারা কালার প্রিন্ট করা যা আমার কাছে ভালো লাগে নি।
    .
    ▶ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
    মহিলাদের পর্দা নিয়ে এক কথায় অসাধারণ একটি বই হলো “ইউনিভার্সিটির ক্যান্টিনে”। বইটি পড়ার পর পাঠক বুঝতে পারবেন  মহিলাদের পর্দা করে চলাফেরা করা কতো জরুরী। বইতে লেখক গল্পাকারে খুবই চমৎকারভাবে ও অকাট্যভাবে দলীল সহকারে নারীর মুখাবয়ব ঢেকে রাখার আবশ্যিকতার বিষয়টি তুলে ধরেছেন, পাশাপাশি ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনাও তুলে ধরেছেন। যা পড়লে যে কোন মানুষের মনে জমে থাকা  পর্দা সম্পর্কিত সংশয় দূর হবে বলে আমার বিশ্বাস। তাই সকলের প্রতি বইটি পড়ার অনুরোধ রইলো।

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top