মেন্যু
mazhab birodhitar khondon

মাযহাব বিরোধিতার খণ্ডন

প্রকাশনী : সুবুত

এই দ্বীন পরিপূর্ণ। জীবনের সার্বিক পরিচালনায় সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা আছে এতে। আর এই দ্বীনের সার্বিক দিক-নির্দেশনার মূল উৎস হচ্ছে কুরআন ও সুন্নাহ্‌। যুগ যুগ ধরে মহান উলামা হাক এই দ্বীনের প্রচার ও প্রসারে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন। অন্য কোনো দ্বীন বা মতবাদের প্রচার ও সংরক্ষণে এতো সাবধানতা ও ইখলাসের নমুনা ইতিহাস প্রত্যক্ষ করেনি। কুরআন ও সুন্নাহ্‌র গাঠনিক সংরক্ষণের নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোই হলো ফিকহ বা মাযহাব। মাযহাব কোনো দ্বীন নয়, বরং দ্বীন পালনের সহজতম পথ ও পদ্ধতিই হচ্ছে মাযহাব। কালের ক্রমান্বয়ে উম্মাহ্‌ আজ চারটি সুবিন্যস্ত মাযহাবের গর্বিত অধিকারী। দুঃখজনক ব্যাপার, এই মাযহাবকে কেন্দ্র করে আমাদের মাঝে রয়েছে চরম গোঁড়ামি ও অন্ধত্ব। কেউ কেউ মাযহাবকে হারাম কিংবা শির্‌ক বলে দিচ্ছেন, কেউ বা নির্দিষ্ট একটি মাযহাব মানাকেই ওয়াজিব বা ফরজ বলে দিচ্ছেন; প্রতিপক্ষকে এজন্য রীতিমতো ফাসিকও বলে যাচ্ছেন। ফলে প্রান্তিকতা কমছে তো নয়ই, বরং বেড়েই চলেছে।
.
ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি— হাম্বলি মাযহাবের বিদগ্ধ একজন ফকিহ্‌, মুজতাহিদ ইমাম। এ বিষয়ের ওপর তাঁর লেখা ‘اَلرَّدُّ عَلٰى مَنِ اتَّبَعَ غَيْرَ الْمَذَاهِبِ الْأَرْبَعَة’ এর অনুবাদই হলো ‘মাযহাব বিরোধিতার খণ্ডন’।

Out of stock

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

1 রিভিউ এবং রেটিং - মাযহাব বিরোধিতার খণ্ডন

5.0
Based on 1 review
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    নিঃসন্দেহে আল্লাহ এই উম্মাহর জন্য তাদের দ্বীনকে এমনভাবে হেফাজত করেছেন, যেমনটি অন্য কোনো উম্মাহর দ্বীনের ক্ষেত্রে করেননি৷ কারণ, এ উম্মাহর মাঝে পুনরায় আর কোনো নবির আবির্ভাব ঘটবে না, যিনি এসে দ্বীনের নিশ্চিহ্নপ্রায় অংশের সংস্কার করবেন; যেমনটা আমাদের পূর্ববর্তী নবিগণের দ্বীনের ক্ষেত্রে হতো— যখনই কোনো নবির তিরোধানের পর তাঁর দ্বীন বিলুপ্তপ্রায় হয়ে যেতো, তখনই পরবর্তী কোনো নবি এসে পুনরায় সেই দ্বীনের সংস্কার করতেন৷

    তাই আল্লাহ নিজেই এই দ্বীন হেফাজতের দায়িত্ব নিয়েছেন৷ প্রতি যুগেই এ দ্বীনের জন্য এমন কিছু ধারক-বাহক সৃষ্টি করেছেন, যারা এই দ্বীনের ইলমকে ধারণ করবেন৷ তাঁরা একে সীমালঙ্ঘনকারীদের বিকৃতি, বাতিলপন্থীদের মিথ্যাচার এবং মূর্খদের অপব্যাখ্যা থেকে মুক্ত রাখবেন৷

    এই দ্বীন পরিপূর্ণ৷ জীবনের সার্বিক পরিচালনায় সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা আছে এতে৷ আর এই দ্বীনের সার্বিক দিক-নির্দেশনার মূল উৎস কুরআন ও সুন্নাহ৷ কুরআন ও সুন্নাহর গাঠনিক সংরক্ষণের নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোই হলো ফিকহ বা মাযহাব৷ মাযহাব কোনো দ্বীন নয়, বরং দ্বীন পালনের সহজতম পথ ও পদ্ধতিই হচ্ছে মাযহাব৷

    লেখক পরিচিতি:

    ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি(৭৩৬-৭৯৫ হি.)ইরাকের বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন৷ তিনি ছিলেন— হাম্বলি মাযহাবের বিদগ্ধ একজন ফকিহ্, মুজতাহিদ৷ তার প্রসিদ্ধ উস্তাদ ছিলেন: ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম, ইমাম ইমনুল হাদি৷ কাসায়িনে অবস্থিত মাদ্রাসায়ই তিনি সবসময় পড়ে থাকতেন৷রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তিবর্গ ও কোনো মানুষের কাছে ছুটাছুটি করার অভ্যাস তার ছিলো না৷ তার সম্পর্কে ইনবা-উল-গামর্ -এ ইবন হাজার রহিমাহুল্লাহ্ বলেন, “তিনি হাদীসশস্ত্রে অত্যন্ত দক্ষ ব্যক্তি ছিলেন৷ উসুলুল হাদীস, সনদ-মতন,রিজালশাস্ত্র, হাদীসের ব্যাখ্যা সম্পর্কিত জ্ঞানে পারদর্শী ছিলেন।”

    বই পর্যালোচনা:

    —শুরুর কথা
    —আল্লাহ কর্তৃক দ্বীন সংরক্ষিত
    —আল-কুরআনের সাত হারফ
    —সুন্নাহও কুরআনের মতোই সংরক্ষিত
    —ফিকহ সংকলন
    —কিছু আপত্তি ও খণ্ডন
    —ইমাম আহমাদের ইলমি অবস্থান
    —ইমাম আহমাদের অসাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য
    —আমলের ক্ষেত্রে সালাফদের রীতি
    —তালিবুল ইলমের প্রতি নাসিহাহ্

    এই টপিকগুলোকে কেন্দ্র করেই মূলত বইয়ের সম্প্রসারণ৷ প্রতিটি টপিকেই কুরআন ও সুন্নাহ কে সামনে রেখে আলোচনা করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় টিকা যুক্ত করা হয়েছে এবং শেষ টপিকে লেখক অত্যন্ত দরদমাখা হাতে তালিবে ইলমের প্রতি প্রয়োজনীয় উত্তম নাসিহাহ্ দিয়েছেন৷

    কেন পড়বেন বইটি:

    এক সময়ে অনেক মাযহাব ছিলো৷ কালের ক্রমান্বয়ে উম্মাহ আজ চারটি সুবিন্যস্ত মাযহাবের গর্বিত অধিকারী৷ কিন্তু দুঃখের বিষয় এটাই যে, এই মাযহাবকে কেন্দ্র করে আমাদের রয়েছে চরম গোঁড়ামি ও অন্ধত্ব৷ আবার কেউ কেউ মাযহাব মানাকে হারাম কিংবা শির্ক বলে দিচ্ছেন; প্রতিপক্ষকে এজন্য রীতিমতো ফাসিকও বলে যাচ্ছেন৷ ফলে প্রান্তিকতা কমার বদলে বরং আরও বহুগুণে বেড়েই চলেছে৷ তাই মাযহাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পেতে এবং যারা মাযহাবের বিরোধিতা করে তাদের বক্তব্যের খণ্ডন সম্পর্কে জানতে বইটি পড়ুন৷

    অনুভূতি ও মন্তব্য:

    আলহামদুলিল্লাহ, পুস্তিকা আকারের বই হওয়ায় এক বসাতেই বইটি পড়ে শেষ করেছি৷ বইটি পড়ার পর এটাই মনে হয়েছে যে, যে এই রিসালাহটির ব্যাপারে জানবে, তা পড়বে এবং তার আলোকে আমল করবে তার জন্য এই টপিকে এই রিসালাহ্-ই ইনশাআল্লাহ যথেষ্ট হবে৷

    দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বইটি এখন স্টক আউট৷ প্রকাশনি কর্তৃক বইটি এখন আর ছাপানো হয়না৷ পিডিএফ ও নাই৷ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ বইটি শীঘ্রই আবার বাজারে আনা প্রয়োজন৷

    3 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top