মেন্যু
jouboner moubone

যৌবনের মৌবনে

প্রকাশনী : মাহফিল
বিষয় : বিবিধ বই
পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩০৪ আলোচ্য বিষয়: লজ্জা ও শালীনতাবোধ কুদৃষ্টি থেকে বাঁচার কিছু ফলপ্রসূ টিপস পর্দাহীনতার ভয়াবহ পরিণতি পর্দাশীলতার বরকত নারী-পুরুষের প্রকৃতি ব্যাভিচারের উপকরণ ব্যাভিচারের প্রকারভেদ ব্যাভিচারের ক্ষতিসমূহ ব্যাভিচারের সাজা যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে কোরআনি মহৌষধ যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে নববি মহৌষধ যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে ফকিরি... আরো পড়ুন
পরিমাণ

220  400 (45% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - যৌবনের মৌবনে

5.0
Based on 2 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    abdur0rahman99:

    যৌবনকাল হলো জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এই সময়ে মানুষের যে শক্তি সামর্থ, উদ্যম ও মনোবল থাকে তা তুলনাহীন। কিন্তু সমাজের অধিকাংশ মানুষের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় তারা যৌবনকালকে অযথা নষ্ট করে ফেলছে। জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অপকর্মে। একটুখানি স্বচ্ছলতা ও প্রাচুর্যের নেশায় আজ তারা হন্যে হয়ে ঘুরছে। তারপর একসময় বার্ধক্যে উপনীত হলে মানুষ বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। তখন মানুষ বুঝতে পারে এখন ইচ্ছে থাকলেও আল্লাহর ইবাদত করা সম্ভব হচ্ছে না। যা ইবাদত করার তা যৌবনকালেই করতে হতো। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়।
    আর তাইতো যৌবনকালে নিজেকে আল্লাহর ইবাদতে অটুট রাখতে হলে জীবনে কি করতে হবে, কিভাবে চলতে হবে এ নিয়ে জুলফিকার আহমদ নকশাবন্দী রচনা করেছেন “যৌবনের মৌবনে” বইটি। বইটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন জহির উদ্দিন বাবর।
    .
    ➤ সার-সংক্ষেপঃ-
    বইটিকে লেখক মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশাবন্দি ১০ টি অধ্যায়ে বিভক্ত করে আলোচনা করেছেন। প্রতিটি অধ্যায়ে আবার যুক্ত করেছেন অসংখ্য পরিচ্ছেদ। একজন মানুষ কিভাবে যৌবনকাল অতিবাহিত করবেন, কিভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে নিজের প্রবৃত্তিকে দমন করতে হবে এবং এর বিপরীতে আল্লাহর নিকট কি পুরষ্কার রয়েছে। আরো আলোচিত হয়েছে নারী-পুরুষের পর্দার গুরুত্ব, ব্যাভিচারের ক্ষতি, গাইরে মাহরামদের সাথে পরস্পরে কথা বলার মূলনীতি, সমকামিতার ভয়াবহ শাস্তি, যৌন উত্তেজনা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং যদি কোন কারণে গুনাহ হয়েই যায় তাহলে তাওবা করার পদ্ধতি সহ আরো অনেক কিছু আলোচিত হয়েছে। মোটকথা যৌবনকালকে কিভাবে আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে ফলপ্রসু করে তুলবেন তার সবকিছুই বইতে লেখক আলোচনা করেছেন।
    .
    ➤ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
    বইটি পড়ার পর মনে হয়েছে এটি সবসময় হাতের কাছে রাখার মত একটি বই। এর প্রতিটি লেখায় যেন আমাকে ছুয়ে যাচ্ছে। কারন আমি নিজেও যৌবনে পদার্পণ করেছি। তাইতো লেখাগুলো অনুধাবন করতে পেরেছি হৃদয়ের গভীর থেকে। বইতে লেখক শুধুমাত্র যৌবনের গুনাহ সমূহ নিয়ে আলোচনা করেই ক্ষ্যান্ত হননি বরং এসব গুনাহ থেকে তাওবা করে কীভাবে ফিরে আসবেন সেটাও আলোচনা করেছেন। তাই সকলের প্রতি অনুরোধ “যৌবনের মৌবনে” বইটি একবার হলেও পড়ুন এবং যৌবনকাল আল্লাহর পথে ব্যয় করার চেষ্টা করুন। কারন পরকালের তুলনায় এই দুনিয়া খুবই ক্ষণস্থায়ী। মৃত্য উপস্থিত হলে আর কিছুই করার থাকবে না।
    8 out of 8 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    আব্দুর রহমান:

    যৌবনকাল হলো জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। এই সময়ে মানুষের যে শক্তি সামর্থ, উদ্যম ও মনোবল থাকে তা তুলনাহীন। কিন্তু সমাজের অধিকাংশ মানুষের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় তারা যৌবনকালকে অযথা নষ্ট করে ফেলছে। জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অপকর্মে। একটুখানি স্বচ্ছলতা ও প্রাচুর্যের নেশায় আজ তারা হন্যে হয়ে ঘুরছে। তারপর একসময় বার্ধক্যে উপনীত হলে মানুষ বিভিন্ন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে। তখন মানুষ বুঝতে পারে এখন ইচ্ছে থাকলেও আল্লাহর ইবাদত করা সম্ভব হচ্ছে না। যা ইবাদত করার তা যৌবনকালেই করতে হতো। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়।
    আর তাইতো যৌবনকালে নিজেকে আল্লাহর ইবাদতে অটুট রাখতে হলে জীবনে কি করতে হবে, কিভাবে চলতে হবে এ নিয়ে জুলফিকার আহমদ নকশাবন্দী রচনা করেছেন “যৌবনের মৌবনে” বইটি। বইটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন জহির উদ্দিন বাবর।
    .
    ➤ সার-সংক্ষেপঃ-
    বইটিকে লেখক মাওলানা জুলফিকার আহমদ নকশাবন্দি ১০ টি অধ্যায়ে বিভক্ত করে আলোচনা করেছেন। প্রতিটি অধ্যায়ে আবার যুক্ত করেছেন অসংখ্য পরিচ্ছেদ। একজন মানুষ কিভাবে যৌবনকাল অতিবাহিত করবেন, কিভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে নিজের প্রবৃত্তিকে দমন করতে হবে এবং এর বিপরীতে আল্লাহর নিকট কি পুরষ্কার রয়েছে। আরো আলোচিত হয়েছে নারী-পুরুষের পর্দার গুরুত্ব, ব্যাভিচারের ক্ষতি, গাইরে মাহরামদের সাথে পরস্পরে কথা বলার মূলনীতি, সমকামিতার ভয়াবহ শাস্তি, যৌন উত্তেজনা কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং যদি কোন কারণে গুনাহ হয়েই যায় তাহলে তাওবা করার পদ্ধতি সহ আরো অনেক কিছু আলোচিত হয়েছে। মোটকথা যৌবনকালকে কিভাবে আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে ফলপ্রসু করে তুলবেন তার সবকিছুই বইতে লেখক আলোচনা করেছেন।
    .
    ➤ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
    বইটি পড়ার পর মনে হয়েছে এটি সবসময় হাতের কাছে রাখার মত একটি বই। এর প্রতিটি লেখায় যেন আমাকে ছুয়ে যাচ্ছে। কারন আমি নিজেও যৌবনে পদার্পণ করেছি। তাইতো লেখাগুলো অনুধাবন করতে পেরেছি হৃদয়ের গভীর থেকে। বইতে লেখক শুধুমাত্র যৌবনের গুনাহ সমূহ নিয়ে আলোচনা করেই ক্ষ্যান্ত হননি বরং এসব গুনাহ থেকে তাওবা করে কীভাবে ফিরে আসবেন সেটাও আলোচনা করেছেন। তাই সকলের প্রতি অনুরোধ “যৌবনের মৌবনে” বইটি একবার হলেও পড়ুন এবং যৌবনকাল আল্লাহর পথে ব্যয় করার চেষ্টা করুন। কারন পরকালের তুলনায় এই দুনিয়া খুবই ক্ষণস্থায়ী। মৃত্য উপস্থিত হলে আর কিছুই করার থাকবে না।
    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No