মেন্যু
in the hand of taleban

ইন দ্য হ্যান্ড অব তালেবান

প্রকাশনী : নবপ্রকাশ
পৃষ্ঠা : 253, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st Published, 2017
আইএসবিএন : 9789849265566
অনুবাদক : আবরার হামীম ২০০১ সালে আমেরিকার সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আফগানিস্তানে তালেবানের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অপহৃত হয়েছিলেন এক খৃস্টান নারী সাংবাদিক এবং পরবর্তীতে মুক্তি পেয়ে গ্রহণ করেছিলেন ইসলাম।... আরো পড়ুন
পরিমাণ

225  300 (25% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

3 রিভিউ এবং রেটিং - ইন দ্য হ্যান্ড অব তালেবান

4.7
Based on 3 reviews
5 star
66%
4 star
33%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    rahenajat7:

    এই বই পড়ে অনেক কিছু জানতে পেরেছি।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 4 out of 5

    MINHAZ KABIR:

    ‘ইন দ্য হ্যান্ড অব তালেবান’ বইটি মূলত ইভন রিডলি এর আংশিক আত্মজীবনী। ইভন রিডলির ব্যক্তিগত জীবন এর বর্ণনা রয়েছে বইয়ের বেশিরভাগ অংশ জুড়ে, যার সাথে তালেবানদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। পশ্চিমাদের উচ্ছৃঙ্খল্ জীবন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাবেন পাঠক বইটি পড়ে। একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলে রাখা উচিত, “ইভন রিডলি কিন্তু তালেবানদের দেখে ধর্মান্তরিত হন নি, তিনি তালেবানদের দেখে ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে উঠেন এবং তার বেশ পরে মুসলিম হন।” বইটি প্রথম দিকে বেশ বোরিং লাগতে পারে, তবে বইটি সবার পড়া উচিত। বইটি পড়লে তালেবান সম্পর্কে পশ্চিমা মিডিয়ার কারসাজি আর তালেবানদের প্রকৃত আচার-ব্যবহার, যা কখনোই মিডিয়া আমাদের দেখায় না, সে সম্পর্কে পাঠকরা জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    tpssaddam9:

    রিভিউ-

    ঘটনার শুরু এভাবে, ‘মঙ্গলবার। ১১ সেপ্টেম্বর ২০০১। অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের তুলনায় এই দিনটির তাৎপর্য অন্য রকম’। হ্যাঁ, আলোচিত ৯/১১ তথা টুইন টাওয়ার হামলার কথা। এই ঘটনার পরপর ব্রিটিশ সাংবাদিক ইভন রিডলির পাকিস্তান অভিযাত্রা শুরু হয়। অতঃপর, পেশাগত কারণে আফগানিস্তান অনুপ্রবেশের শখ……..

    লেখক পরিচিতি

    ইভন রিডলির জন্ম ইংল্যান্ডের ডারহামের স্ট্যানলিতে। ব্রিটিশ নারী সাংবাদিক। বিখ্যাত সব সংবাদ মাধ্যমে সাংবাদিকতার সুযোগ হয়েছে তার। যেমন, দ্য সানডে টাইমস, দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট অন সানডে, দ্য অবজারভার, ডেইলি মিরর ও নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড। ২০০৩ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। এবং ২০১৪ সালে তিনি ব্রিটিশ মুসলিমস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

    বিষয়বস্তু

    ইভন রিডলির আত্মজৈবিক গ্রন্থ। টুইন টাওয়ার হামলা পরবর্তী তাঁর ইসলাম গ্রহণের আগ-পর্যন্ত জীবনের ঘটনাপঞ্জি লিপিবদ্ধ করেছেন। মধ্যখানে তালেবানের হাতে আটক হওয়ার মতো ঘটনা, প্রেক্ষিত গ্রন্থটির সবচে’ মৌলিক বিষয়। ওঠে এসেছে তালেবান এবং অন্যান্য মুসলিমদের প্রতি পশ্চিমাদের ব্লেইম, প্রচার-প্রোপাগান্ডা ও ইভন রিডলির মুসলিম হওয়ার প্রেক্ষিত।

    নির্যাস

    ইভন রিডলি। ব্রিটিশ সাংবাদিক। টুইন টাওয়ার হামলা পরে পেশাগত কারণে পাকিস্তান আসেন। সেখান থেকে আফগানিস্তানে অনুপ্রবেশ করার সময় তালেবানের হাতে বন্দি হন। বন্দি থাকেন দশদিন। পুরো বিশ্ব তাকে নিয়ে টালমাটাল হয়ে যায়। চারদিকে উত্তেজনা, উৎকণ্ঠা। অতঃপর তালেবানরা নিঃশর্ত মুক্তি দেয়।

    মুক্তির পূর্বে রিডলি তালেবানদের সাথে বারবার অসদাচরণ করলেও তারা তাকে পরম শ্রদ্ধা এবং অতিথি হিসেবে সদ ব্যবহার করেছেন। যা তাকে পুলকিত করেছে। একজন তালেবান মোল্লা তাকে ইসলাম গ্রহণ এবং ইসলাম অধ্যয়নের আহ্বান জানান। রিডলি ওয়াদা দেন যে মুক্তির পর ইসলাম অধ্যয়ন করবে।

    বইটির যা যা ভালো
    ১. ঝকঝকে প্রচ্ছদ, উন্নত বাঁধাই।
    ২. সাবলীল ও সহজবোধ্য অনুবাদ।
    ৩. রিডলির মূল লেখার শেষে অনুবাদক কর্তৃক পাদটীকা সংযোজন। যেখানে রিডলির সংক্ষিপ্ত জীবনালেখ্য আলোচনা করা হয়েছে। ইসলাম গ্রহণের পর রিডলি বিভিন্ন কারণে পশ্চিমাদের কাছে আরো বেশি আলোচিত হওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

    কেন পড়বেন?

    তালেবানদের প্রতি বিশ্ব-মিডিয়ায় পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডা সম্পর্কে জানতে এবং ইভান রিডলির মুসলিম হয়ে ওঠার পেছনে তালেবানী ঔষুধের কার্যকারিতা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে বইটি পড়া সবার জন্য জরুরী।

    9 out of 9 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No