মেন্যু
bishaser jouktikota

বিশ্বাসের যৌক্তিকতা

পৃষ্ঠা : 136, কভার : পেপার ব্যাক
ভাষা : বাংলা
বইয়ের ভূমিকায় আরিফ আজাদ লিখেছেন, . আল্‌হামদুলিল্লাহ। রাফান আহমেদ ভাইয়ের বিশ্বাসের যৌক্তিকতা (Reasons To Believe) বইটি পড়ার সুযোগ হয়েছে। আমি আদতে কুর্‌আনের ভাষায় ‘শুনলাম এবং মেনে নিলাম’ দলের সদস্য হবার চেষ্টায় থাকলেও,... আরো পড়ুন
পরিমাণ

161  217 (26% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী প্রসাধনী

5 রিভিউ এবং রেটিং - বিশ্বাসের যৌক্তিকতা

4.8
Based on 5 reviews
5 star
80%
4 star
20%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। আমি বয়সে ও জ্ঞানে উভয়তেই খুব ক্ষুদ্র। আর এই ক্ষুদ্র জ্ঞান নিয়ে রাফান আহমেদ ভাইয়ের “বিশ্বাসের যৌক্তিকতা ” বইটির সক্ষমতা আমার নেই। তবু কিছু বলি যাতে মানুষ বইটা পড়তে আগ্রহ পোষণ করে।

    এককথায় খুবই তথ্যমূলক ও গবেষণা মূলক বইয়ের পাশাপাশি এটি রেফারেন্স আর পরীক্ষামূলক কথার ভারে অনেক ভারী।সত্যিই লেখকের কথার আঙ্গিক আর সাজানো গোছানোর আঙ্গিক বেশ প্রশশংসা প্রাপ্য। কেউ যদি সত্যি সত্য অনুসন্ধান করে আর নিরপেক্ষভাবে সত্যকে বুঝতে চায় তাহলে এই ছোট্ট বইটি অবশ্যই আপনার সত্য খোঁজার পথ সহজ করে দেবে। আপনি সেই চিরসত্যের কাছাকাছি অবশ্যই যেতে পারবেন। আল্লাহ তায়ালা লেখক ভাইকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    আলহাদুলিল্লাহ, বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বই টি আমার পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে। বর্তমানে আমরা তওহীদ এর বিষয় নিয়ে মোটেও সচেতন নই। কি পারিবারিক বা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো অবস্থান থেকেই আমাদের এই বিষয় proper education দেওয়া হয়না। In this situation আমাদের যুব সমাজ সংশয়বাদী এমনকি নাস্তিকতার দিকে divert হয়ে যাচ্ছে। এমনি সময় আরিফ আজাদ, কামরুল আহমেদ, আশরাফুল আলম, ইয়াসির মিশুক, ডক্টর শামসুল আরেফিন এবং রাফান আহমেদের মতো কিছু বিচক্ষণ মানুষ কিছু অসাধারণ বই উপহার দিচ্ছেন যা আমাদের যুব সমাজকে কিছুটা হলেও রিভার্ট করবে ইন শাহ্ আল্লাহ।

    বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বইটি আমার নলেজ এর পরিধি কে আরো সমৃদ্ধ করেছে আলহামদুলিল্লাহ।

    বইটিতে রাফান ভাই স্রষ্টার প্রতি প্রতিটি মানুষের যে প্রাকৃতিক বিশ্বাস (ফিতরাহ) ইমরান হুসেইন লেকচার অবলম্বনে আমাদের মতো অতি সাধারণ মানুষের কাছে চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন। এজন্য তাকেসহ অন্যদের বিশেষকরে আরিফ আজাদ ভাই কে আল্লাহ উত্তম প্রতদান দান করুন।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    ◉বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।

    মহান রব আল্লাহ তা’আলার সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলো মানুষ।
    মহান রব অত্যন্ত সুনিপুণভাবে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন
    এবং বিবেক,বুদ্ধি,বিবেচনাবোধ দান করে মানুষকে
    করেছেন এই সৃষ্টি জগতের অনন্য। আল্লাহ তা’আলার
    অস্তিত্বে বিশ্বাস হচ্ছে সবচেয়ে মৌলিক বিশ্বাস।
    কেননা,একটা শিশু জন্ম থেকেই এই বিশ্বাস নিয়ে
    জন্মায়।বড় হবার সাথে সাথে সেই শিশুটি বিভিন্ন
    ভ্রান্তির মাধ্যমে নিজেকে সংশয়ের জালে জড়িয়ে
    ফেলে।
    বিজ্ঞান স্রষ্টার আরেকটি সৃষ্টি। কিন্তু একদল মানুষ এই বিজ্ঞানকে ধর্মের সাথে সাংঘর্ষিক করে তুলেছে।
    তারা বৈজ্ঞানিক ব্যাখা,প্রমানের মতো স্রষ্টার
    অস্তিত্বেরও প্রমান চায়, স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসের
    যৌক্তিকতা নিয়া প্রশ্ন তোলে। তারা মনে করে এই
    বিশ্বজগৎ শূন্য থেকে সৃষ্টি হয়েছে এবং একা একা
    পরিচালিত হচ্ছে। বিজ্ঞান সীমাবদ্ধ- এই প্রকৃতির সব
    রহস্য বিজ্ঞান জানতে পারে নি। তাই স্রষ্টার
    অস্তিত্বের প্রশ্নও বিজ্ঞানের আওতার বাইরে।এটা
    বিজ্ঞানের অক্ষমতা নয়।এটাই বিজ্ঞান। আপনার আগে পরের সমস্ত বিশ্বাস,ভ্রান্ত ধারনা,স্রষ্টাকে অস্তিত্ব নিয়ে সংশয়, ধোয়াশা আশা করি এই রিসার্চধর্মী স্মার্ট বইটির মাধ্যমে দূর হবে ইনশাআল্লাহ্।

    ♦বইটিতে যা যা আছেঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    বইটি পরে আপনি এমন অনেক তথ্য পাবেন যেসব বিষয়ে
    আপনি এতো সূক্ষ্মভাবে ভাবেন ভাবেন নি কখনই।এখানে
    রয়েছে-
    ফিতরাহ-আল্লাহর অস্তিত্ব,নিজের অস্তিত্বকে
    অস্বীকার,সেক্যুলার বিজ্ঞান, মৌলিক বিশ্বাস, বিবর্তনের দূর্বলতা ,শূন্য থেকে মহাবিশ্বয় সৃষ্টি হয়নি,আমরা কি
    ম্যাট্রিক্স বা পরাবাস্তব জগতে আছি?, DNA এর কোড
    সৃষ্টি সহ পবিত্র কোরআন থেকে স্রষ্টার অস্তিত্বের
    স্বপক্ষে জোরালো প্রমানাদি।

    ♦সারসংক্ষেপঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    বইটি শুরু করার আগে নিজে থেকে বইটি যেমন
    ভেবেছিলাম, এই বইটি তেমন নয়। বইটি অত্যন্ত আধুনিক
    এবং স্মার্ট।
    ▣ বিজ্ঞানে বিশ্বাসের চেয়ে জরুরি হচ্ছে প্রমান,
    ব্যাখা এবং যুক্তি।যুক্তির যেখানে শেষ,সেখান থেকেই
    বিশ্বাসের শুরু।
    বস্তুবাদী দুনিয়ার খপ্পরে পড়ে বর্তমান বিজ্ঞান বড়
    একচোখা হয়ে গেছে। স্রষ্টার সাথে বস্তুবাদী দুনিয়া
    যেনো এক মহাসংগ্রামে লিপ্ত। নাস্তিক বিজ্ঞানীগন
    এবং নাস্তিক সাধারন জনগন,শিক্ষার্থীগন বিজ্ঞানের
    দোহাই দিয়ে ধর্মকে বলছে সেকেলে। কিন্তু বিজ্ঞানের
    কোনো কিছুই ১০০% সত্যি নয়,তারা ধারনা করে সামনে
    আগান। তারা এই তথ্য কোথায় পেলো? কি দিলো এই
    সংখ্যা,মান, সূত্র তাদেরকে।
    ▣ বিজ্ঞান চির নির্মাণাধীন। বিজ্ঞান আজ এটা বলে
    তো কাল ওটা। এখানে কোনো কোনো থিওরি ২০০ বছর
    টিকে থাকে, আবার কোনো কোনো থিওরি ২ মিনিটও
    টিকে না। এটা বিজ্ঞানের অক্ষমতা নয় এটাই বিজ্ঞান।
    ▣অবাক বিশ্বের অদ্ভুত নিয়মানুবর্তিতাই প্রমান করে এর
    পিছনে স্রষ্টার হাত রয়েছে। বিখ্যাত বিজ্ঞানী
    আইনস্টাইন ও বিষয়টি স্বীকার করতে বলেন, “আমরা যতই
    আবিষ্কার করি ততই খুঁজে পাই যে বিশ্ব যৌক্তিক
    নিয়মের দ্বারা পরিচালিত।কাজেই এই সুশৃঙ্খলা স্রষ্টার
    কাজ।”
    ▣আমাদের DNA এর কোষপ্রতি ৬ বিলিয়ন ক্ষার যুগল,
    অন্যভাবে বললে ৬ বিলিয়ন বর্ণ দিয়ে গঠিত এক বাক্য। এই
    তথ্য এই কোড নিশ্চয়ই বিভিন্নরা রেখে আসেন নি।
    রেখেছেন মহান রব আল্লাহ তা’আলা।
    ▣নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী জর্জ ওয়াল্ড প্রাণের
    উৎপত্তির রহস্যে ঐশ্বরিক সৃষ্টির প্রমাণ পাওয়ার পর
    বিষয়টি স্বীকার করেন।
    ▣ বানর থেকে ক্রমাগত মানুষের আকারে রূপ লাভ করার
    যেই ছবিটি আমরা দেখতে পাই সেটি মূলত সঠিক নয়। এটি
    স্বয়ং মূলধারা নাস্তিক,সেক্যুলার, বিবর্তনে বিশ্বাসী
    গবেষকদের বিবৃতির মাধ্যমেই প্রমাণ করা হয়েছে।
    ▣আপনি বর্তমানে আপনার ফোনটা হাতে নিয়ে আমার
    লেখাটা পড়ছেন, চোখটা হঠাৎ বন্ধ করুন।এমতাবস্থায়
    বিশ্বাস বা অনুভূতি ছাড়া আপনি কি প্রমান করতে
    পারবেন যে আপনি বসে/দাড়িয়ে আছেন,আপনার হাতে
    মোবাইল কিংবা আপনি এই পৃথিবীতে নেই, অন্য কোনো
    গ্রহে আছেন। এটাই আমাদের মৌলিক বিশ্বাস। তেমনি
    স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস স্থাপনও মৌলিক এবং সহজাত
    বিশ্বাস। তাহলে তো স্রষ্টার অস্তিত্ব অস্বীকার করা
    মানে নিজের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করা।

    ♦বর্তমান পেক্ষাপট এবং বিশ্বাসের যৌক্তিকতাঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    বর্তমান তরুনদের মাঝে ধর্মীয় যে সংশয় দেখা
    দিয়েছে,তারা নিজেদেরকে বিজ্ঞানমনস্ক প্রমান
    করতে চায়।ধর্মকে সেকেলে মন করে। তাদেরকে ভুল
    প্রমানের জন্য এই বইটিই যথেষ্ট। এখানে বিজ্ঞানের
    মারপ্যাঁচেই বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা কে দেখানো
    হয়েছে। বর্তমান বিজ্ঞানের খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো
    নিয়ে এখানে আলেচনা করা হয়েছে এবং বিজ্ঞানীদের
    বিভিন্ন রিসার্চের মাধ্যমেই স্রষ্টায় বিশ্বাসের
    যৌক্তিকতা দেখানো হয়েছে।

    ♦ভালোলাগা মন্দ লাগাঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    ▣বইয়ের যে বিষয়গুলো ভালো লেগেছে-
    বইয়ের প্রচ্ছদ,
    বইটা যুক্তির চেয়ে রিসার্চধর্মী বেশি,
    লেখার মান অত্যন্ত স্মার্ট, বইটি আপনাকে সত্যের কথা
    শুধু বলবেই না চোখে আঙুল দিয়ে সত্যকে চিনিয়ে দেবে।
    অত্যন্ত শক্তিশালী বিজ্ঞানভিত্তিক রেফারেন্স
    ব্যবহার করেছেন লেখক যা সত্যিই চমৎকার।
    (বিশেষ করে Peer reviewed Journalist)
    স্রষ্টায় বিশ্বাসের যৌক্তিকতার স্বপক্ষে মাস্টারপিস
    একটি বই।
    ▣নেভেটিভ দিকঃ
    বইটির কিছু কিছু ব্যাখা অনেকের মাথার উপর দিয়ে
    যাবে,
    সাধারন পাঠকদের জন্য লেখাগুলো দুর্বোধ্য মনে হবে।
    মস্তিষ্কে বিজ্ঞানের ধারনা না থাকলে সব বিষয় তারা
    ক্লিয়ার করতে পারবে না। আরেকটু সহজবোধ্য করে
    লিখতে বুঝতে সুবিধা হতো।

    ♦লেখক পরিচিতিঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    রাফান আহমেদ পড়াশুনা করেছেন সরকারি মেডিকেল
    কলেজে। সত্যকে খোঁজার চেষ্টা করেছেন,চেষ্টা চলছে,
    চলবে ইনশাআল্লাহ। “বিশ্বাসের অযৌক্তিক” তার প্রথম
    গ্রন্থ। তার আগ্রহের বিষয়- তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব,
    হাদীসশাস্ত্র, ফিলোশফি অব সায়েন্স।

    ♦বইটি কাদের জন্যঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    আমাদের বিজ্ঞানমনস্ক ভাই,বোন,বন্ধুসমাজ যারা
    বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে ধর্মকে সেকেলে মনে করেন।
    স্রষ্টায় বিশ্বাস করতে চায় না,বিশ্বাসের অযৌক্তিক
    নিয়ে প্রশ্ন তোলে।তারা একটিবার এই বইটি হাতে নিতে
    পারেন।আশা করি ঠকবেন না বরং আত্মউপলব্ধি /
    আত্মউন্নয়ন হবে। মহান রবের প্রতি বিশ্বাস জাগবে
    ইনশাআল্লাহ।
    আর যারা বিশ্বাস করেন স্রষ্টার অস্তিত্বে,তার ইবাদাত
    করেন তারা আরো অধীর আগ্রহে স্রষ্টার অনুগত্য পালন
    করবেন এবং বিশ্বাসের শেকড়কে আরো শক্তিশালী
    করতে পারবেন বলে আমি মনে করি।

    ♦মন্তব্যঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    লেখক রাফান আহমেদের প্রথম বই এটি।কিন্তু তার
    লেখার অত্যন্ত চমৎকার হাত এবং উপস্থাপন দেখে
    বোঝায় উপায় নেই যে এটা তার প্রথম বই।
    বইটি পড়ে আলহামদুলিল্লাহ আমি অনেক কিছু জানতে
    পেরেছি,উপকৃত হয়েছি।
    বইটি না পড়ে থাকলে অবশ্যই অবশ্যই পড়ুন
    নিজের বিশ্বাসটাকে রি-নিউ করেনিন। বইটি পড়লে
    বিজ্ঞান কি? স্রস্টায় বিশ্বাসের গুরুত্ব এবং যৌক্তকতা
    কতটুকু তা ভালো করে বুঝবেন।
    মহান রব আল্লাহ তা’আলা আমাদের ঈমানকে,আল্লাহর
    প্রতি বিশ্বাসকে আরো শানিত করুক এবং লেখককে এই
    বইয়ের উত্তম প্রতিদান দান করুক আমিন।
    ❝ তারা কি আপনা আপনিই সৃজিত হয়েছে,
    না তারা নিজেরাই স্রষ্টা?
    না তারা নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডল সৃষ্টি করেছে?
    বরং তারা নিশ্চিত নয় ❞
    (সূরা তূর ৫২ঃ ৩৫-৩৬)

    ♦এক নজরে বইটিঃ

    বইয়ের নামঃ ❝ বিশ্বাসের যৌক্তিকতা ❞
    লেখকঃ রাফান আহমেদ
    প্রকাশনীঃ সমর্পণ প্রকাশন
    বিষয়ঃ অন্ধকার থেকে আলোতে
    মূল্যঃ ৮২ টাকা(৩০%ছাড়ে)

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 4 out of 5

    :

    “In the name of Allah, the Entirely Merciful, the Especially Merciful.”

    ভূমিকাঃ
    ••••••••••
    বিশ্বাসের যৌক্তিকতা (Reasons to Believe) বইটি তুলনামূলক অনেক পাতলা হলেও বইটি তথ্যসূত্রে ভরা। স্রষ্টার অস্থিত্ব বিশ্বাস মানুষের একটি মৌলিক বিশ্বাস; এটি তার সহজাত বৈশিষ্ট্য। আর বইটিতে প্রথমেই এই মৌলিক বিশ্বাস টিকে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সুন্দরভাবে উপস্থাপণ করা হয়েছে। অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট, দাঈ, iERA তে উপদেষ্টা ইমরান হুসেইন ইংল্যান্ডের বিশ্বখ্যাত ক্যাম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মনোজ্ঞ আলোচনায় বিজ্ঞান, যুক্তি, দর্শন প্রভিতৃতির দৃষ্টিকোণ থেকে ফুটিয়ে তুলেছিলেন স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসের যৌক্তিকতা। তার সেই বক্তব্যের বিষয়ভিত্তিক শিরোনামে ভাগ করে রেফারেন্সসহ গুছিয়ে পাঠকের হাতে তুলে দিয়েছেন ডা. রাফান আহমেদ।

    বই পরিচিতিঃ
    ••••••••••••••••
    বিশ্বাসের যৌক্তিকতা বইয়ে প্রথমত বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মানুষের সহজাত বৈশিষ্ট্য স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসের উপর। তাছাড়াও বইটিতে আলোচিত হয়েছে বিজ্ঞান, বস্তুবাদ, বস্তুবাদের ব্যর্থতা, মহাকাশবিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ফিলসফি অফ সাইন্স ইত্যাদি বিষয় নিয়ে। একটি প্রচলিত কথা- ❛লোহা দিয়ে লোহা কাটতে হয়❜। আর ডা. রাফান আহমেদ এই কথারই প্রয়োগ করেছেন তার বইটিতে। কিভাবে? তিনি সেইসকল নাস্তিক, মুক্তমনা, সেক্যুলারদের জবাবে মূলধারার নাস্তিক বিজ্ঞানী, সেক্যুলার বিবর্তনবাদী, দার্শনিকদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। তাছাড়া বিজ্ঞানপূজারীদের বস্তুবাদের অসারতা তুলে ধরতে Peer Reviewed গবেষণাপত্রের রেফারেন্স তুলে ধরেছেন উক্ত বইয়ে। বইটি তুলনামূলক অনেক পাতলা তবুও তথ্যসূত্র ও রেফারেন্সে ভরপুর।

    ফিতরাত- তথা স্রষ্টার প্রতি সহজাত বিশ্বাসের স্বপক্ষে বইটিতে যেমন নাস্তিক গবেষক, বিজ্ঞানী দার্শনিকসহ বৈজ্ঞানিক জার্নালের রেফারেন্স তুলে ধরা হয়েছে তেমনি কুরআন-সুন্নাহর আলোকেও তা স্পষ্ট করা হয়েছে। ফিতরাতের ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল ﷺ স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ❝প্রত্যেক নবজাতক ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।❞
    [ সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৩৮৫ ]

    অপবিজ্ঞানের প্রচারকারী নাস্তিক সমাজের জন্য বইটি একটি এন্টি-ভাইরাস হিসেবে কাজ করবে। আর বইটিতে বিবর্তনবাদ নিয়ে স্বল্পপরিসরে আলোচনা করা হয়েছে যাতে বিবর্তনবাদের অসারতা অনেকাংশে তুলে ধরা হয়েছে।

    লেখক পরিচিতিঃ
    •••••••••••••••••••
    ডা. রাফান আহমেদ Sir Salimullah Medical College থেকে MBBS করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে Faculty of Medicine থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। তিনি পেশায় একজন চিকিৎসক। লেখকের আগ্রহের বিষয় হলো- তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, হাদীসশাস্ত্র, ফিলসফি অব সাইন্স, ইভোলিউশনারি বায়োলজি।

    বইটি কারা পড়বেন?
    ••••••••••••••••••••••
    স্কুলগামী থেকে উচ্চশিক্ষার্থী, জেনারেল লাইন থেকে মাদ্রাসা লাইন, বাংলাভাষী সত্যান্বেষী প্রতিটি পাঠকই এই বইটি পড়তে পারেন। তাছাড়া আপনি চাইলে আপনার বিজ্ঞানবাজ, নাস্তিক, মুক্তমনা বন্ধুকে এই ছোট্ট বইটি উপহার দিতে পারেন এতে তার জং ধরা মস্তিষ্ক হয়তো রিফ্রেশ হতে পারে।

    ♦রেটিং : ০৯/১০♦

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    :

    ভালো বই।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No