মেন্যু


প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ

কভার: হার্ড কভার
পৃষ্ঠা: ১৬৮

বর্তমান যুগ হলো প্রেজেন্টাশানের যুগ। একটা জিনিসকে আপনি কিভাবে, কতোটা সহজে, কতোটা সাবলীলভাবে, কতোটা মাধুর্যতায় প্রেজেন্টেশান করছেন তার উপর কিন্তু অনেক কিছুই নির্ভর করে। ন্যাচারালি, মানুষের একটা স্বভাব হচ্ছে – এরা তত্ত্বকথা খুব কম হজম করতে পারে। এরা চায় সহজবোধ্যতা। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ এর লেখক আরিফ আজাদ ঠিক এই পদ্ধতিই বেছে নিয়েছেন। তিনি গতানুগতিক লেকচার বা তত্বকথার ধাঁচে না গিয়ে, বক্তব্যের বিষয়গুলোকে গল্পের ধাঁচে ফেলে সাজিয়েছেন। প্রতিটি গল্পের শুরুতেই আছে মজার, আগ্রহ উদ্দীপক একটি সূচনা। কোথাও বা গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সাজিদের সাথে তাঁর বন্ধু আরিফের খুনসুটি, কোথাও বা মজার কোন স্মৃতির রোমন্থন, কোথাও বা আছে সিরিয়াস কোন ব্যাপারে সিরিয়াস কোন হুশিয়ারি। গল্পে মজা আছে, আনন্দ আছে। মোটামুটি, সার্থক গল্পে যা যা উপাদান থাকা দরকার, যা যা থাকলে পাঠকের গল্প পাঠে বিরক্তি আসেনা, রুচি হারায় না- তার সবকিছুর এক সম্মিলিত সন্নিবেশ যেন লেখক আরিফ আজাদের এই সিরিজের একেকটি এপিসোড।
গল্পে গল্পে যুক্তি খন্ডন, পাল্টা যুক্তি ছুঁড়ে দেওয়া, পরম মমতায় অবিশ্বাসের অন্ধকার দূরীকরণে এ যেন এক বিশ্বস্ত শিল্পী।

পরিমাণ

200 

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

24 রিভিউ এবং রেটিং - প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ

5.0
Based on 24 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    সময় পরিবর্তন হচ্ছে, পরিবর্তন হচ্ছে মানুষ।
    সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হচ্ছে সবকিছুই।
    এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে সময়ের তালে
    তালে পরিবর্তন ঘটছে মানুষের বিশ্বাসেও।
    বিবর্তনবাদ বা বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে
    স্রষ্টার উপস্থিতির নিখাঁদ বিশ্বাসেও
    পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে সুচারু রূপে।
    বিজ্ঞানের অপ্রতিষ্ঠ সূত্র যা সময়ের
    ব্যবধানে নিজেই নিজেকে চ্যালেঞ্জ করে
    বা বিবর্তনবাদের বানর থেকে মানুষে
    বিবর্তনের কাল্পনিক গল্প বা এথিইসমের
    ভেলকিবাজির অসারতা নিয়ে দারুণ কিছু গল্প
    গুচ্ছ এই “প্যারাডক্সিকাল সাজিদ”…
    লেখক আরিফ আজাদ এবং তার বন্ধু সাজিদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু মজার  ঘটনা কে ঘিরে পুরো বইটি ।চমৎকার সব যুক্তি আর বিজ্ঞানের সংমিশ্রণে খন্ডন করেছেন একের পর এক প্রশ্ন ।স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করল?,আল কুরআন কি মানব রচিত? একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস? ভেল্কিবাজির সাতকাহন? একটি ডিএনএ’র জবানবন্দী?ইত্যাদি শিরোনামে  প্রশ্নের উত্তর করেছেন খুব সূক্ষ্ম ভাবে এবং যুক্তি সহকারে ।বিভিন্ন শিক্ষক, বন্ধু ,পরিচিত এবং অপরিচিত লোকজনের সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে বইটি কে করেছেন জীবন্ত ও গ্রহণযোগ্য ।মূলত বইটিতে একজন অবিশ্বাসী ব্যক্তির মনে যতসব প্রশ্ন আসে তার অনেকটা ই  যুক্তি সহকারে আলোচিত হয়েছে ।

    বইটির পজিটিভ দিক_____
    প্যারাডক্সিকাল সাজিদ বইটার পজিটিভ দিক
    আমার কাছে মনে হয়েছে বাংলা সাহিত্যে
    বইটার সংযোজন। নাস্তিকদের ইসলামকে
    নিয়ে কুযুক্তি, বানোয়াট, মনগড়া অহরহ বই
    বেরুলেও তার জবাবে বিজ্ঞান ভিত্তিক
    জবাব নিয়ে কোনো বই এতদিন ছিল না। সাজিদ সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে। যদিও লেখক বা সাজিদ বার বার বলেছে, কুরআন কোনো বিজ্ঞানের বই নয় যে তা বিজ্ঞান শেখাবে।
    বিজ্ঞান শেখাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়নি বরং
    মানুষের মুক্তির পথ হিসাবেই কুরআনকে
    অবতীর্ণ করা হয়েছে।
    আর তাই চলার পথে এমন অনেক বিজ্ঞান
    কুরআনের সাথে মিলে যাবে। দাগ কাটবে
    অবিশ্বাসীদের মনে। যেমন দাগ কেটেছিলো  বিজ্ঞানী ড. মরিস বুকাইলির মনে।

    কেনো বইটি অন্যদের পড়া উচিৎ_____
    আমি বলব, ইসলাম নিয়ে, কুরআন নিয়ে, আল্লাহ নিয়ে সংশয়বাদী বা সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা কারো জন্য বইটা বেশ সহায়ক। তবে যারা
    দীনের ওপর মুত্তাকী, পরিপূর্ণ দীনে আছেন
    তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। (ব্যক্তিগত অভিমত)

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    বর্তমানে আমরা বিজ্ঞানের পৃথিবীতে বসবাস করছি। যেখানে বিশ্বাস নামক জিনিসটার বড়ই অভাব। চারিদিকে শুধু শোনা যায় অবিশ্বাসীদের হাঁকডাক। ওদের বিভৎস চিৎকার শুনে মনে হয়, যেন ওরা আর ওদের যুক্তিই সত্য। আর বাকি সবকিছুই মিথ্যে। স্রেফ রূপকথা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    সমাজে ওদেরকে ‘নাস্তিক’ বলা হয়। কীভাবে মানুষের মন থেকে স্রষ্টার বিশ্বাস উঠিয়ে দেওয়া যায়— এটাই ওদের সর্বক্ষণের চিন্তা। মোদ্দাকথা, এটাই ওদের মিশন। আর এই মিশন সাকসেসফুল করতে ওরা যারপরনাই চেষ্টা করে। মাঝে ওরা বেশ সফলতা অর্জন করলেও— দিনশেষে ওরা পরাজিত হয়। হেরে যায় বিশ্বাসী যুক্তির কাছে।

    বেশ কয়েকবছর আগেও বাংলাদেশে এইসব কুলাঙ্গার নাস্তিকদের তোরজোড় ছিল দেখার মতো। আমি তখন বেশ ছোটো ছিলাম। মাদরাসায় পড়তাম বলে অনেকের কাছেই এধরণের (নাস্তিক মার্কা) অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলাম। কিন্তু— তখন তো আর এসব বিষয় জানতাম না। তাই হুজুরদের শিখিয়ে দেওয়া বুলি “আমি তো এখন ছোটো ক্লাসে পড়ছি। তাই এসব বিষয়ে তেমন কিছু জানি না”—বলে কোনোমতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচতাম।

    নিজেকে তখন খুব অসহায় লাগতো। মনে হতো, আমাদেরকে কেন এসব বিষয় নিয়ে পড়ানো হয় না। কেন আমরা এই কুলাঙ্গারদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে পারি না। মনের ভেতর এসব প্রশ্নই বারবার দংশন করতো।

    তারপর হিফয শেষ করে কিতাব বিভাগে উঠলাম। কিতাব বিভাগে উঠার পর মাঝে মাঝেই নিকটস্থ মাকতাবায় যাওয়া হতো। বেছে বেছে পছন্দের বইগুলো কিনে আনতাম সেখান থেকে। তখন থেকেই আমার বই পাঠের হাতেখড়ি।

    ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’—বইটি আমি সেবারই প্রথম দেখেছিলাম। কিনতে চেয়েও কেনা হয়ে উঠেনি। ভেবেছিলাম পরে কিনবো। কিন্তু— পরে কিনবো কিনবো করে আর কেনাই হলো না। (শেষমেশ গতমাসে কেনার সৌভাগ্য হয়েছে।)

    পরে অবশ্য আমার এক সহপাঠীর কাছ থেকে নিয়ে পড়েছিলাম বইটি।

    পাঠ্য-অনুভূতিঃ—

    বইটি আজ দ্বিতীয়বারের মতো পড়ে শেষ করলাম। পড়ে বেশ মজা পেয়েছি। আমি তো আগে ‘সাজিদ’ চরিত্রটিকে বাস্তব মনে করেছিলাম। কিন্তু এবার আমার ভুল ভাংলো। বুঝলাম, ‘সাজিদ’ মূলত একটি কাল্পনিক চরিত্র। কিন্তু লেখক চরিত্রটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন যে, মনেই হয় না ‘সাজিদ’ একটি কাল্পনিক চরিত্র।

    যা কিছু ভালো লেগেছেঃ—

    লেখকের উপস্থাপন-ভঙ্গি, বইয়ের প্রচ্ছদ, উন্নত পৃষ্ঠা ও মজবুত বাঁধাই।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    ” সভ্যতার শুরু থেকেই সত্য ও মিথ্যার লড়াই ৷ আধুনিক সভ্যতার এই সময়ে দাঁড়িয়েও সেই ধারা অব্যাহত আছে ৷ সোশ্যাল মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান পরিসরকে ব্যাবহার করে ইসলাম বিদ্বেষী মহল সুকৌশলে তরুণ প্রজন্মের চিন্তার রাজ্যে সন্দেহের বীজ বপন করছে ৷ সন্দেহ থেকে সংশয়,সংশয় থেকে অবিশ্বাস ৷ জাহেলিয়াতের চ্যালেঞ্জ যেখানে, সেখানেই বিশ্বাসী প্রাণের যৌক্তিক লড়াই ৷”

    ____________________________________

    ★★★[ রিভিউ ও বিষয়বস্তু ]
    এ প্রজন্মের টকবকে তরুণেরা যখন ব্যাস্ত সোশ্যাল মিডিয়া, মধ্যরাতের বাইক রেইস,হেয়ার স্টাইল, হিমু হওয়ার প্রয়াস যা তাদের নিজেদের তৈরি করা এক ঠুংকো মিথ্যের পৃথিবী ৷ আর সেই পৃথিবীতে অবিশ্বাসীদের আপাত চমকপ্রদ প্রশ্ন ও তাদের কিছু খোড়া যুক্তি যা বিশ্বাসের সুশৃঙ্খল চিন্তার দুনিয়ায় অযাচিত হাজারো প্রশ্নের বুলি যার দরুণ দিকভ্রান্ত হচ্ছে হাজারো তরুণ-তরুণী ৷ আর ঠিক তখনই আরিফ আজাদের ‘সাজিদ সিরিজ ’ সংশয়বাদীদের সেই সকল প্রশ্নের উত্তর যা খুব সহজ ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছে ৷

    যেখানে প্রথমে সাজিদ অবিশ্বাসী ,সংশয়বাদী দলের অন্তভুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে বন্ধু আরিফের সান্ধিধ্যে গায়ে লাগানো অবিশ্বাসীদের তকমা মুছে ফেলে হয়ে ওঠে বিশ্বাসী অর্থাৎ নাস্তিক থেকে আস্তিক ৷ তারপর সাজিদের মধ্যে দিয়ে লেখক প্রতিটা বিষয়ের অবতারণা, যুক্তিতর্ক এতটাই সাবলীল ও সুখপাঠ্য করে তুলেন যা সাহিত্যের প্রচলিত গাম্ভীর্যতা পরিহার করে গল্পোচ্ছলে উড়িয়ে দিয়েছেন একের পর এক মিথ্যের ফানুস ৷
    নাস্তিক তথা সংশয়বাদীদের করা বিভিন্ন সময়ের প্রশ্নে লেখক সাজিদের আশপাশের চরিত্রগুলো দিয়ে মূল আবহ তৈরি করে সাজিদকে সামনে এনে তথ্যপূর্ণ এবং লজিক্যাললি উত্তর দিয়ে লেখক এগিয়ে গেছেন আর শেষ করেছেন ভেল্কিবাজির সাতকাহন দিয়ে ৷
    ‘বাংলাভাষী লাখো পাঠক “প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ” নিয়ে কথা বলছে ৷ কিন্তু কেন ? চলুন, পড়ে দেখি’•••••

    ★★★[ বইটি কেন পড়বেন ]
    যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলার পথে নানান মানুষের, নানান মতের সাথে পরিচিত হচ্ছি প্রতিনিয়ত ৷ আর মুখোমুখি হচ্ছি নানান প্রশ্নের, বিচার-বিশ্লেষণ,দ্বন্দ-প্রতিদ্বন্দিতার মোড়ে এসে পাল্টে যাচ্ছে কারো বিশ্বাস ৷ আর সেই পাল্টে যাওয়া বিশ্বাস ফিরে পেতে আমরা সেইসব প্রশ্নের উত্তর প্রতিনিয়ত খুজেঁ ফিরি বিভিন্ন বইয়ে ৷ তখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুজেঁ পেলেও জন্ম হয় আরেক নতুন প্রশ্নের নতুবা প্রানবন্ত যুক্তি-তথ্যপূর্ণতার ঘাটতি রয়ে যায় পাঠক মানসে ৷ ঠিক সেই সময়ই লজিক্যাল উপস্থাপন, তথ্যপূর্ণ ও বিঞ্জানভিত্তিক যুক্তি দিয়ে বিষয়গুলোকে প্রাণবন্ত করে লেখক উপস্থাপন করছেন সেই সকল সংশয়বাদী প্রশ্নের উত্তর যার রূপ দিয়েছেন গল্পের আকারে ৷ যা তরুণ প্রজন্মের মনোজগতে এক তুমুল আলোড়ন তুলবে ৷

    ★★★[ বইটি কাদের জন্য ]
    ১ ৷ মডারেট মুসলিম অর্থাৎ আধুনিক মুসলিম কারণ এরা আদি ও আসল ইসলামকে সেকেলে মনে কর ৷
    ২ ৷ ইসলামবিদ্বেষী এবং অবিশ্বাসী ৷
    ৩ ৷ ইসলামের নানবিধ বিষয় নিয়ে যারা দ্বিধাগ্রস্ত, নানান ধরনের প্রশ্নের বাকেঁ যারা হারাতে বসেছেন নিজের ইমান ৷ তাদের জন্য অব্যশই বইটি পড়া আব্যশক, যা তাদের ইমান মজবুত এবং তা আরো বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে ৷

    ____________________________________

    বই : প্যারডক্সিক্যাল সাজিদ
    লেখক : আরিফ আজাদ
    বিষয় : অন্ধকার থেকে আলোতে
    প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
    পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৬৭

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুন_২০২০

    Book: প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ
    Author: আরিফ আজাদ

    প্রথমেই একটি কথা পরিষ্কার করে নেই। ইসলামের সব কিছুকেই যুক্তি দিয়ে চিন্তা করতে করতে হবে আমি তার বিরোধী। এর কারণ, আল্লাহ্‌ যা জানেন আমরা তার অনেক অনেক কিছুই জানি না।

    কিন্তু যখন কিছু নাস্তিক ভাইবোন তাদের নানা যুক্তি দিয়ে আমাদের মুসলিমদের মনে নানা ধরণের ধরণের সন্দেহ ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে তখন তাদের সেই যুক্তির ভুল ধরিয়ে দেয়াটা এক প্রকার জরুরি ব্যাপার হয়ে পরে। আর সেই দিক দিয়ে লেখক মাশ-আল্লাহ্‌ সফল।

    তিনি তার বইয়ে নাস্তিক ভাইবোনের বহুল প্রচলিত কিছু যুক্তির ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে, “আল্লাহ্‌ কেন মন্দ কাজের দায়িত্ব নেন না”, “মুশরিকদের যেখানেই পাও হত্যা কর- এটি দ্বারা আল-কুরাআনে কি বুঝানো হয়েছে?”, “স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো”, “আল-কুরআন কি মানব রচিত নাকি?”, “আল্লাহ্‌ যেহেতু দয়ালু তাহলে জাহান্নাম কেন?”, “কোরআনের মতে পৃথিবী কি সমতল নাকি গোলাকার”।
    এরকম আরও নানা ধরণের প্রশ্নের যুক্তির মাধ্যমে উত্তর দেয়া আছে।

    বইয়ের প্রধান চরিত্র হচ্ছে সাজিদ। যার চমৎকার সব ভাবভঙ্গী বইটি পড়তে পাঠকদের উৎসাহিত করবে ইনশাআল্লাহ্‌।

    বইটির মূল উদ্দেশ্য যেহেতু সাহিত্য তৈরি নয়। তাই যারা বইটি পড়তে চান তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে বইটিকে কেবল গল্পের জন্য না পড়ে বইটির মূল কথাগুলোর দিকে যেন বেশি লক্ষ্য রাখেন। যদিও চাইলে বইটিকে গল্পের ছলেও পড়া যেতে পারে।

    এক কথায় বইটি নাস্তিক ভাইবোনের যুক্তি থেকে মুসলিমদের পরিত্রানের জন্য ইনশাআল্লাহ্‌ যথেষ্ট উপকারী হবে।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top