মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

ইতিহাসের দর্পণে খলিফা আল-মামুন

প্রকাশনী : দারুল ওয়াফা

অনুবাদক: মাহদি হাসান
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪০

প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ ও গবেষক প্রফেসর আল্লামা শিবলি নুমানি রহ. রচিত, আব্বাসি খেলাফতের প্রভাবশালী ও ইতিহাসখ্যাত শাসক, ইসলামি খেলাফতের নন্দিত-নিন্দিত খলিফা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক খলিফা মামুনুর রশিদের জীবনী, শাসন ও ইতিহাস নিয়ে লিখিত বই ‘ইতিহাসের দর্পণে খলিফা আল-মামুন’।

বাগদাদ। ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নগরী। মুসলিম ইতিহাসের বহু স্মরণীয় অধ্যায়ের সাক্ষী এই প্রাচীন নগরী। এক সময় এই শহরজুড়ে ছিল ইলম এবং আলেম-উলামার প্রাচুর্য। ইমাম ফাররা, ইমাম কাসায়ি, খলিল ইবনে আহমদ; মোটকথা, ইসলামি জ্ঞানচর্চার আকাশে যে-নক্ষত্রগুলোর নাম জ্বলজ্বল করছে, তাদের এক বিরাট অংশের জীবনের উত্থান-পতন এই সমৃদ্ধ নগরী বাগদাদে। ইলমের উরুজ তথা উন্নতির সেই যুগে বাগদাদের সম্মানিত খলিফা ছিলেন মামুনুর রশিদ। তার জীবনবৃত্তান্ত নিয়েই রচিত এই গ্রন্থটি।

 

পরিমাণ

230.00  400.00 (42% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - ইতিহাসের দর্পণে খলিফা আল-মামুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    ১৬ রবিউল আউয়াল, ১৭০ হিজরি। সেই অবিস্মরণীয় রাত। সে রাতে আব্বাসি সাম্রাজ্যে চলছিল এক নাটকীয় পালাবদল। সে রাতে আব্বাসি খলিফা হাদি ইন্তেকাল করেন, খলিফা হারুনুর রশিদ সিংহাসনে আরোহণ করেন, এবং খলিফা মামুনুর রশিদ জন্মগ্রহণ করেন।

    ★গ্রন্থ পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণঃ

    সকল খলিফা এবং সুলতানের তালিকায় স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিক দিয়ে মামুন এক বিশেষ অবস্থানে উন্নীত ছিলেন।সাহিত্য,হাদিস,আরব্য সময়ের গল্প,কবিতা,বংশধারা,দর্শন,শারীরিক শিক্ষা —-যে-দিকেই লক্ষ্য করা হবে, সেখানে তাকে শীর্ষে পাওয়া যাবে।তার সাহসী বিজয়সমূহ তাকে সবার মাঝে স্মরণীয় করে রেখেছে।তার বাহাদুরির লড়াইয়ে তার তেজস্ক্রিয়া দেখে কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না যে,এ-দুটি হাত তলোয়ারের পাশাপাশি কলমকেও ছুঁয়েছে।তার স্বভাবচরিত্রও এমন পুত পবিত্র যে,শুধু সুলতানগণই নন;বরং ফকির দরবেশদের মধ্যেও মাত্র এমন দু-চার লোকের দৃষ্টান্ত পাওয়া যাবে।এত গুণ থাকা সত্ত্বেও তার শাসনকালে তার হাতে এমন কিছু অন্যায়ও সংঘটিত হয়েছে, যেগুলোর কথা ভাবলে অন্তর কেঁপে উঠে এবং তার সকল গুণ আড়ালে চলে যায়।তা সত্ত্বেও সমষ্টিগত দিক দিয়ে ইসলামি নায়কদের মধ্যে তিনি এক প্রসিদ্ধ নায়ক ছিলেন।

    সাধারণত ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে থাকে বাদশাহদের সিংহাসনে আরোহন,যুদ্ধের বর্ণনা,রাজ্য বিজয়,অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ,কর্মকর্তাদের ছাটাই এবং তাদের পদসমূহের আলোচনা।এ-সমস্ত ঘটনাও এমন সাধারণভাবে বিবৃত হয় যে,এগুলোর পিছনের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায় না।যেমন খলিফা মামুনের সময় অনেকগুলো বিদ্রোহ হয়েছিল।যে কোনো ইতিহাসগ্রন্থেই এ-ব্যপারে বিশদ বর্ণনা পাবেন।কিন্তু যদি এর অভ্যন্তরীণ কারণগুলো খুঁজতে যান,বিদ্রোহ আত্মপ্রকাশের প্রাথমিক এবং পার্ট বাই পার্ট বিবরণ জানতে চান–যেগুলোতে সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা,বিশেষ ব্যক্তিরাও দৃষ্টিপাত করেনি—তাহলে সেই ইতিহাসের পাতাগুলো আপনাকে তেমন সহায়তা দিবে না।আপনাকে নিজস্ব গবেষণার মাধ্যমেই কাজ চালাতে হবে।

    তাই লেখক গ্রন্থটির দুই খন্ডের প্রথমটিতে ঐ সমস্ত সাধারণ ঘটনাবলি বর্ণনা করেছেন যা সাধারণত ইতিহাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ইতিহাসের যে কোনো বইয়েই পাওয়া যাবে।অর্থাৎ মামুনের জন্ম,শাসনামল,ক্ষমতায় আসীন হওয়া,যুদ্ধ, বিদ্রোহ,রাজ্যবিজয় এবং মৃত্যু।দ্বিতীয় খন্ডে আছে সে-সমস্ত স্তরের বিশদ বিবরণ, যার মাধ্যমে মামুনের রাজনৈতিক এবং সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেয়া যাবে।আরো আলোচনা করেছেন তৎকালীন শিক্ষা,সংস্কৃতি,আলেম-উলামা,কবি-সাহিত্যিক ও জ্ঞানীগুণীদের জীবন নিয়ে।

    তার ব্যপারে শিয়া বা মুতাযিলা হওয়ার যে কথা সর্বমহলে প্রসিদ্ধ,লেখক সেদিকটাও ছেড়ে কথা বলেননি।পুরো বইয়েই পয়েন্ট ভিত্তিক ধরে ধরে দেখিয়ে দিয়েছেন শিয়াদের প্রতি তার প্রীতির দিকগুলো।বলেছেন মুতাযিলি মতবাদে তার প্রভাবান্বিত হওয়ার কথা।হকপন্থী আলেমদের উপর তার অমানবিক নির্যাতনের কথাও উল্লেখ করেছেন সবিস্তরে।তাই এ-কথা ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে,লেখক মামুনের প্রশংসার ফুলঝুড়ি নিয়েই কেবল বইটি লিখে গেছেন।না!বরং নিরপেক্ষতার পাল্লায় খলিফাকে রেখেই তিনি ইতিহাস বলে গেছেন।

    বইটির অনুবাদ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।পাঠক বইটি পড়তে গিয়ে একঘেয়েমি আসবে না।কারণ অনুবাদ তার ভাষার জাদু ও সৌন্দর্যে এই সুযোগটাই রাখেননি।যেন লেখকের মনের সাথে মন মিলে গিয়ে লেখকের মনের সঠিক ভাবটাই অনুবাদকের কলম হয়ে বেরিয়েছে।
    আল-মামুন সম্পর্কে অনেক দিকের অনেক কথাই শুনতাম।কেউ করে বাড়াবাড়ি,কেউ করে ছাড়াছাড়ি।বইটার নিরপেক্ষ পর্যালোচনা পড়ে বিষয়গুলো স্পষ্ট হলো।আলহামদুলিল্লাহ!

    প্রথম অধ্যায়ে আলোচিত কিছু আপত্তিকর দিকঃ
    মামুনের শৈশবের যতটা বিচক্ষণতা ও পান্ডিত্বের কথা লেখক উল্লেখ করেছেন, এর সাথে তো ফযল থাকাকালীন মামুনের চিত্র পরস্পর বিপরীতমূখী বলা যায়।এত বিচক্ষণ বাদশাহ রাজ্যের ব্যপারে এতটা উদাসীন কিভাবে থাকতে পারেন!ফযল থাকাকালীন মামুন ছিলেন পুতুলতুল্য।

    খেলাফতের সংক্ষিপ্ত সিলসিলা বলতে গিয়ে লেখক খুলাফায়ে রাশেদীন বিশেষত উসমান রা. এর রাজ্য পরিচালনার ইতিহাস যেভাবে টেনেছেন তাতে উসমান রা. এর ব্যক্তিত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।মুআবিয়া রা. এর দিকেও অভিযোগের তীর নিক্ষেপ না করার ভুলটুকু তিনি করেননি।বাক্যের বাচনভঙ্গিতে অন্যরকম গন্ধ আসে।মামা আর বাবার শালা এক ব্যক্তি হলেও শব্দচয়নে তো খেয়াল রাখা চাই।বর্ণনাভঙ্গির ব্যবধানে কথার মোড় পূর্ব থেকে পশ্চিমমূখী হয়ে যেতে পারে।এমন বর্ণনায় পাঠকের মনে জলিলুল কদর সাহাবীদের ব্যপারে বিরুপ প্রভাব সৃষ্টি হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়ে যায়।তাছাড়া সমালোকরাও ছিদ্রান্বেষণের খোরাক খুঁজে নিতে পারবে এখান থেকে।

    Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    ১৬ রবিউল আউয়াল, ১৭০ হিজরি। সেই অবিস্মরণীয় রাত। সে রাতে আব্বাসি সাম্রাজ্যে চলছিল এক নাটকীয় পালাবদল। সে রাতে আব্বাসি খলিফা হাদি ইন্তেকাল করেন, খলিফা হারুনুর রশিদ সিংহাসনে আরোহণ করেন, এবং খলিফা মামুনুর রশিদ জন্মগ্রহণ করেন।

    ★গ্রন্থ পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণঃ

    সকল খলিফা এবং সুলতানের তালিকায় স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিক দিয়ে মামুন এক বিশেষ অবস্থানে উন্নীত ছিলেন।সাহিত্য,হাদিস,আরব্য সময়ের গল্প,কবিতা,বংশধারা,দর্শন,শারীরিক শিক্ষা —-যে-দিকেই লক্ষ্য করা হবে, সেখানে তাকে শীর্ষে পাওয়া যাবে।তার সাহসী বিজয়সমূহ তাকে সবার মাঝে স্মরণীয় করে রেখেছে।তার বাহাদুরির লড়াইয়ে তার তেজস্ক্রিয়া দেখে কেউ বিশ্বাস করতে চাইবে না যে,এ-দুটি হাত তলোয়ারের পাশাপাশি কলমকেও ছুঁয়েছে।তার স্বভাবচরিত্রও এমন পুত পবিত্র যে,শুধু সুলতানগণই নন;বরং ফকির দরবেশদের মধ্যেও মাত্র এমন দু-চার লোকের দৃষ্টান্ত পাওয়া যাবে।এত গুণ থাকা সত্ত্বেও তার শাসনকালে তার হাতে এমন কিছু অন্যায়ও সংঘটিত হয়েছে, যেগুলোর কথা ভাবলে অন্তর কেঁপে উঠে এবং তার সকল গুণ আড়ালে চলে যায়।তা সত্ত্বেও সমষ্টিগত দিক দিয়ে ইসলামি নায়কদের মধ্যে তিনি এক প্রসিদ্ধ নায়ক ছিলেন।

    সাধারণত ইতিহাস গ্রন্থগুলোতে থাকে বাদশাহদের সিংহাসনে আরোহন,যুদ্ধের বর্ণনা,রাজ্য বিজয়,অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ,কর্মকর্তাদের ছাটাই এবং তাদের পদসমূহের আলোচনা।এ-সমস্ত ঘটনাও এমন সাধারণভাবে বিবৃত হয় যে,এগুলোর পিছনের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায় না।যেমন খলিফা মামুনের সময় অনেকগুলো বিদ্রোহ হয়েছিল।যে কোনো ইতিহাসগ্রন্থেই এ-ব্যপারে বিশদ বর্ণনা পাবেন।কিন্তু যদি এর অভ্যন্তরীণ কারণগুলো খুঁজতে যান,বিদ্রোহ আত্মপ্রকাশের প্রাথমিক এবং পার্ট বাই পার্ট বিবরণ জানতে চান–যেগুলোতে সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা,বিশেষ ব্যক্তিরাও দৃষ্টিপাত করেনি—তাহলে সেই ইতিহাসের পাতাগুলো আপনাকে তেমন সহায়তা দিবে না।আপনাকে নিজস্ব গবেষণার মাধ্যমেই কাজ চালাতে হবে।

    তাই লেখক গ্রন্থটির দুই খন্ডের প্রথমটিতে ঐ সমস্ত সাধারণ ঘটনাবলি বর্ণনা করেছেন যা সাধারণত ইতিহাসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ইতিহাসের যে কোনো বইয়েই পাওয়া যাবে।অর্থাৎ মামুনের জন্ম,শাসনামল,ক্ষমতায় আসীন হওয়া,যুদ্ধ, বিদ্রোহ,রাজ্যবিজয় এবং মৃত্যু।দ্বিতীয় খন্ডে আছে সে-সমস্ত স্তরের বিশদ বিবরণ, যার মাধ্যমে মামুনের রাজনৈতিক এবং সামাজিক অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেয়া যাবে।আরো আলোচনা করেছেন তৎকালীন শিক্ষা,সংস্কৃতি,আলেম-উলামা,কবি-সাহিত্যিক ও জ্ঞানীগুণীদের জীবন নিয়ে।

    তার ব্যপারে শিয়া বা মুতাযিলা হওয়ার যে কথা সর্বমহলে প্রসিদ্ধ,লেখক সেদিকটাও ছেড়ে কথা বলেননি।পুরো বইয়েই পয়েন্ট ভিত্তিক ধরে ধরে দেখিয়ে দিয়েছেন শিয়াদের প্রতি তার প্রীতির দিকগুলো।বলেছেন মুতাযিলি মতবাদে তার প্রভাবান্বিত হওয়ার কথা।হকপন্থী আলেমদের উপর তার অমানবিক নির্যাতনের কথাও উল্লেখ করেছেন সবিস্তরে।তাই এ-কথা ভাবার কোনো সুযোগ নেই যে,লেখক মামুনের প্রশংসার ফুলঝুড়ি নিয়েই কেবল বইটি লিখে গেছেন।না!বরং নিরপেক্ষতার পাল্লায় খলিফাকে রেখেই তিনি ইতিহাস বলে গেছেন।

    বইটির অনুবাদ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে।পাঠক বইটি পড়তে গিয়ে একঘেয়েমি আসবে না।কারণ অনুবাদ তার ভাষার জাদু ও সৌন্দর্যে এই সুযোগটাই রাখেননি।যেন লেখকের মনের সাথে মন মিলে গিয়ে লেখকের মনের সঠিক ভাবটাই অনুবাদকের কলম হয়ে বেরিয়েছে।
    আল-মামুন সম্পর্কে অনেক দিকের অনেক কথাই শুনতাম।কেউ করে বাড়াবাড়ি,কেউ করে ছাড়াছাড়ি।বইটার নিরপেক্ষ পর্যালোচনা পড়ে বিষয়গুলো স্পষ্ট হলো।আলহামদুলিল্লাহ!

    প্রথম অধ্যায়ে আলোচিত কিছু আপত্তিকর দিকঃ
    মামুনের শৈশবের যতটা বিচক্ষণতা ও পান্ডিত্বের কথা লেখক উল্লেখ করেছেন, এর সাথে তো ফযল থাকাকালীন মামুনের চিত্র পরস্পর বিপরীতমূখী বলা যায়।এত বিচক্ষণ বাদশাহ রাজ্যের ব্যপারে এতটা উদাসীন কিভাবে থাকতে পারেন!ফযল থাকাকালীন মামুন ছিলেন পুতুলতুল্য।

    খেলাফতের সংক্ষিপ্ত সিলসিলা বলতে গিয়ে লেখক খুলাফায়ে রাশেদীন বিশেষত উসমান রা. এর রাজ্য পরিচালনার ইতিহাস যেভাবে টেনেছেন তাতে উসমান রা. এর ব্যক্তিত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।মুআবিয়া রা. এর দিকেও অভিযোগের তীর নিক্ষেপ না করার ভুলটুকু তিনি করেননি।বাক্যের বাচনভঙ্গিতে অন্যরকম গন্ধ আসে।মামা আর বাবার শালা এক ব্যক্তি হলেও শব্দচয়নে তো খেয়াল রাখা চাই।বর্ণনাভঙ্গির ব্যবধানে কথার মোড় পূর্ব থেকে পশ্চিমমূখী হয়ে যেতে পারে।এমন বর্ণনায় পাঠকের মনে জলিলুল কদর সাহাবীদের ব্যপারে বিরুপ প্রভাব সৃষ্টি হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়ে যায়।তাছাড়া সমালোকরাও ছিদ্রান্বেষণের খোরাক খুঁজে নিতে পারবে এখান থেকে।

    Was this review helpful to you?