মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

রুকইয়াহ

লেখকের কথা:

যখন দেখতাম জিন শয়তানেরা মানুষকে নিয়ে যেমন ইচ্ছে খেলছে, মানুষ তাদের ভয়ে ফ্যাঁকাসে মুখ নিয়ে রাত কাটাচ্ছে, জীবন থেকে নিরাশ হয়ে যাচ্ছে; অপরদিকে মানুষ শয়তান— কবিরাজ-জাদুকরগুলো আল্লাহর জমিনে ইচ্ছেমত শয়তানি করে যাচ্ছে, এদের জন্য কারও ঘর ভাঙছে, কেউ বছরের পর বছর ধরে অসুস্থ হয়ে থাকছে, কারও বারবার মিসক্যারেজ হচ্ছে, অথবা প্রচণ্ড মেধাবী ছাত্রীর দিনে দিনে সব কিছু শেষ হয়ে যাচ্ছে; এত কিছুর পরেও কবিরাজদের কেউ কিছুই বলছে না। তাদের কুফরী-শিরকী কর্মকান্ডের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপই নিচ্ছে না। সাধারণ মানুষ তো বটেই, সামান্য কিছু হলে মাদরাসাপড়ুয়ারা পর্যন্ত কাফির তান্ত্রিক-কবিরাজের দরজায় ধরণা দিচ্ছে। অবচেতন মনে পুরো সমাজ এই শয়তানগুলোকে বসিয়ে রাখছে রবের আসনে। আল্লাহর পানাহ! তখন এই বিষয়গুলো মেনে নিতে পারতাম না, হিসাব মিলত না, এমন কেন হবে?
আমার কাছে সবচেয়ে বেশী জঘন্য মনে হতো কাউকে নিজের ইচ্ছার বিপরীতে বাধ্য করার বিষয়টা। যেমন ধরুন, একটা মানুষের ওপর জিন ভর করে তার শরীর ব্যবহার করে কথা বলছে, যা খুশি করছে, অথবা কাউকে বশ করে যা ইচ্ছা করানো হচ্ছে, অথবা দুজনের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটানো হচ্ছে। আরও খারাপ লাগত যখন দেখতাম মানুষ সেগুলো চেয়ে চেয়ে দেখছে, কিন্তু কিছুই করতে পারছে না। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কবিরাজদের দরজায় ঘুরে ঘুরে দুনিয়া-আখিরাত সব নষ্ট করছে। এগুলো আমার কাছে মনুষ্যত্বের অবমাননা মনে হতো। অনুভব করতাম এখানে অন্য কিছু হওয়া উচিত, যা হচ্ছে না।
যা হোক, আল্লাহর শোকর! দেরিতে হলেও আমাদের দেশে রুকইয়াহ শারইয়াহ নিয়ে ব্যাপকভাবে কাজ শুরু হয়েছে। আস্তে আস্তে পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। এখন অনেকেই রুকইয়াহ শারইয়াহ বিষয়ে জানছে। ইসলাম সম্মত স্প্রিচ্যুয়াল হিলিং দিনদিন জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য হচ্ছে। তবে এতটুকুতেই সন্তুষ্ট হলে চলবে না, শয়তান বসে নেই, আমাদেরও বসে থাকা যাবে না। সচেতন মানুষের সংখ্যা হাজার থেকে লাখে, লাখ থেকে কোটিতে নিয়ে যেতে হবে।

মানুষের মাঝে এমনই কিছু সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ‘রুকইয়াহ’ বইটি

পরিমাণ

280.00  375.00 (25% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

6 রিভিউ এবং রেটিং - রুকইয়াহ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আমাদের আশেপাশে তাকালেই আমারা অহরহ দেখতে পাই, স্বামী-স্ত্রির ডিভোর্স, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভোগা, বারবার মিস ক্যারেজ হওয়া, সুস্থ বাচ্চা হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে যাওয়া, মেধাবী স্টুডেন্ট অথচ পড়ালেখার প্রতি আগের মতো মনোযোগ নাই। আমরা এই ঘটনা গুলোর শুধু সামনের পার্টটা দেখি কিন্তু ঘটনার পিছনে আরো বিশাল ঘটনা থাকে তা আমরা দেখতে পাই না। এইসব ঘটনার পেছনে বেশিরভাগ কারণ হলো বদ নজর ও ব্লাক ম্যাজিক বা কালো জাদু।
    কবিরাজ বা জাদুকরেরা তাদের কুফরি ও শির্কি কর্মকান্ড দ্বারা এসব ঘটিয়ে থাকেন।

    এসব থকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায় হলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শেখানো পদ্ধতিতে রুকইয়াহ করা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে “রুকইয়াহ” কি?

    “রুকইয়াহ” শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ঝাড়ফুঁক, মন্ত্র, সম্মোহন,জাদু ইত্যাদি। তবে ব্যবহারিক অর্থে রুকইয়াহ শব্দটি দ্বারা সাধারণত ঝাড়ফুঁক বোঝানো হয়। কোনো ব্যক্তি যখন কুরআনের আয়াত, দু’আ বা আল্লাহর কোনো নাম দ্বারা নিজের বা অন্যের সুস্থতার জন্য একমাত্র আল্লাহর সাহায্য চেয়ে এগুলো পাঠ করে শরীয়াহর পরিভাষায় তখন সেটাকে রুকইয়াহ বলা হয়।

    শারীরিক, মানসিক এবং আত্মিক রোগের জন্য রুকইয়াহ করা হয়। মেডিকেল সাইন্সে কোনো রোগের চিকিৎসা থাকুক বা না থাকুক। সর্বাবস্থায় যেকোনো রোগের জন্য রুকইয়াহ করা যায়।
    তবে মনে রাখতে হবে রুকইয়াহ মনের আশা পূরণের কোনো জাদুমন্ত্র বা ব্যবসায় লাভ করার কোনো তদবির নয়। এটা একটা চিকিৎসা পদ্ধতি মাত্র, যার মাধ্যমে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হয়।

    জীন, জাদুর সমস্যা গুলো আমাদের সমাজে মহামারির মতো ছড়িয়ে গিয়েছে, শুধু তাই নয় এই রোগের চিকিৎসা দেওয়ার সঠিক চিকিৎসক এর অভাব এখনো অপূরনীয়।
    বদনজর, জাদু, জীনের আছর ইত্যাদির শারঈ চিকিৎসা বিষয়ক এক অনবদ্য গ্রন্থ হচ্ছে “রুকইয়াহ”বইটা। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা লেখক কে উত্তম প্রতিদান দান করুন। লেখক নিজেই একজন রাক্বী (যিনি রুকইয়াহ করেন) তাই রুকইয়াহর প্রতিটা ধাপ ভীষণ বাস্তব সম্মত ভাবে বর্ননা করেছেন। এই বইটিতে সেলফ রুকইয়াহ – তথা প্রফেশনাল কারও সহায়তা ছাড়া, নিজেই নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য রুকইয়াহ করার ওপর সর্বাধিক গুরত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে হ্যাঁ! এর পাশাপাশি প্রফেশনাল রাক্বীদের জন্যও এটি একটি গাইডবুকের কাজ করবে বা কেউ প্রফেশনাল রাক্বী হতে চাইলে তার জন্যও ইনশাআল্লাহ।

    আমার মতে এই বইটা প্রত্যেক মুসলিমের কাছে থাকা উচিত। মানুষ শয়তান ও জীন শয়তান থেকে রক্ষার ঢাল হিসেবে।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আমি কখনো কোন বইয়ের রিভিউ লিখিনি। আজও আমি এই বইয়ের রিভিউ লিখবো না। নিজের কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো শুধু।
    লেখকের ফেসবুকে প্রকাশিত প্রতিটি রুকইয়াহ সম্পর্কিত লেখাই প্রথম থেকেই ফলো করতাম। আর নিজের এবং পরিবারের ভুলগুলো বুঝতে পারতাম। আমি নিজে দুইবার অনেক অসুস্থ ছিলাম। আমার পরিবার তখন যেখানেই কোন কবিরাজের সন্ধান পেয়েছে সেখানেই ধর্ণা দিয়েছে আমাকে সুস্থ করার জন্য। এমনকি এক হিন্দু কবিরাজের কাছেও চিকিৎসা নিয়েছে। নাস্তাগফিরুল্লাহ! এখন আমি বুঝতে পারছি কত ভুল ছিলো! আমি নিজে অনেক ভুগেছি অসুস্থতার সময়।তখন যদি সুন্নাহসম্মত এই রুকইয়াহ কথা জানতাম আল্লাহ চাইলে অনেক সহজ হতো আমার জন্য। আমি মনে করি প্রতিটা ঘরেই রুকইয়াহ বইটার একটা করে কপি থাকা উচিৎ। আমরা নিজের অজান্তেই কত শিরক- কুফরে লিপ্ত হয়ে যাই একটু সুস্থতার আশায় এই বইটা না পড়লে তা বুঝা সম্ভব না।
    আমাকে এখনও একটা সমস্যার জন্য পরিবার অনেক প্রেশার দিচ্ছে আবার ও কবিরাজের কাছে যাওয়ার জন্য। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আমাকে আল্লাহ এখন বুঝ দিয়েছেন।আমি ৭ দিনের ডিটক্স করেছি সমস্যাটার জন্য। আল্লাহ যেনো সহজ করে দেন৷ লেখক এবং এই বইয়ের সাথে সংশিষ্ট সকলকে আল্লাহ উত্তম প্রতিদান দিন।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Alhamdullillah, this book is valuable, effective in our practical life,

    Thanks the writer, publisher, wafi life.

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    বইটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
    **********************
    মোট সাতটি অধ্যায়ে বইটিকে বিন্যস্ত করা হয়েছে।

    প্রথম অধ্যায়ে ‘রুকইয়াহ’ আসলে কী এই নিয়ে আলোচনা এসেছে। রুকইয়ার স্তর, এর গুরুত্ব, জিজ্ঞাসিত কিছু প্রশ্নের জবাব , একজন রাক্বীকে কীভাবে চিনবেন , তাঁর বৈশিষ্ট্য কী এইসকল বিষয় প্রথম অধ্যায়ে স্থান পেয়েছে। রুকইয়াহ করার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কীভাবে সামলাবেন তাঁর আলোচনাও আছে এই অধ্যায়টিতে। অধ্যায়টির নামকরণ করা হয়েছে ‘রুকইয়াহ পরিচিতি’।

    দ্বিতীয় অধ্যায় হচ্ছে বদনজর নিয়ে। বদ-নজরের ব্যাপারে ইসলামে আক্বীদা কী, কুরআন এবং হাদীছ থেকে বদ-নজরের অস্তিত্বের দলিল, পূর্বের সালাফরা এই বিষয়টাকে কীভাবে দেখতেন এই বিষয়গুলো অধ্যায়টির প্রথম দিকে স্থান পেয়েছে। তারপরে বদনজর থেকে কীভাবে বাঁচতে পারবেন, বদনজরে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ , এর চিকিৎসা নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। বদনজর সংক্রান্ত কিছু ঘটনাও উঠে এসেছে এই অধ্যায়টিতে।

    তৃতীয় অধ্যায় জিনের স্পর্শ নিয়ে। এইখানেও আগের অধ্যায়ের প্যাটার্ন ফলো করা হয়েছে। অর্থাৎ জিন আসরের ব্যাপারে ইসলামের আক্বীদা, কুরআন-সুন্নাহ থেকে প্রমাণ , জিনের আসর নিয়ে সালাফদের ঘটনা এই বিষয়গুলো দিয়ে তৃতীয় অধ্যায় শুরু হয়েছে। জিন মানুষের উপর কেন আসর করে, ঠিক কোন সময়ে মানুষ জীন দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে, আক্রান্ত ব্যক্তিকে কীভাবে চিনবেন, তাঁর লক্ষণ-ই বা কী; এইগুলোর বিস্তারিত আলোচনা পাবেন এই অধ্যায়ে। তারপর আলোচনা এসেছে জিন আছরের চিকিৎসা নিয়ে। এই ধরণের রোগীদের রুকিয়া করার বিস্তারিত পদ্ধতি বলা আছে এই অধ্যায়টিতেই। এই অধ্যায় মনোযোগ দিয়ে অনুধাবন করা বেশ জরুরি। এই ধরণের চিকিৎসায় জিনের সাথে কথা বলে তাকে আপোষে আনতে হয়। কিন্তু জিন আপোষে না আসলে করনীয় কি সে ব্যাপারে একটি পরিচ্ছেদ এই অধ্যায়ে স্থান পেয়েছে। জিনে আছরকৃত রোগীদের চিকিৎসায় রাক্বীর কী কী জানা থাকতে হবে, কীরকম সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে , জিনের প্রসঙ্গে কয়েকটি বাস্তব ঘটনা, বাড়ি থেকে জিন কীভাবে তাড়াবেন, জিনের ক্ষতি থেকে বাচার বিভিন্ন টিপস দিয়ে এই অধ্যায় শেষ হয়েছে।

    চতুর্থ অধ্যায় জাদু নিয়ে। এই অধ্যায়েও উপরের প্যাটার্ন ফলো করা হয়েছে। জাদুর ব্যাপারে ইসলামের আক্বীদা, কুরআন-সুন্নাহ থেকে দলীল, জাদু নিয়ে সালাফদের মতামত নিয়ে অধ্যায়টি শুরু হয়েছে। তারপরে জাদুর প্রকারভেদ, চিকিৎসা নিয়ে কিছু আলোচনা পাবেন। এর পরেই পাবেন জাদুবিদ্যা অনুসরণকারী কবিরাজ চেনার উপায়, জাদুর জিনিসপত্র বা তাবিজ কীভাবে নষ্ট করবেন সেই প্রক্রিয়া। কিছু নির্দিষ্ট ব্যাপারের জাদু নিয়ে খন্ড খন্ড আলোচনা পাবেন এই অধ্যায়টিতে। যেমন বিয়ে ভাঙ্গার জাদু, সম্পর্ক বিচ্ছেদ এর জাদু, কাউকে বশ করার জাদু, পাগল বানানো বা পড়ালেখা নষ্টের জাদু, কাউকে অসুস্থ করা বা হত্যার জাদু, মেয়েদের অনিয়মিত স্রাবের সমস্যা , সহবাসে অক্ষম করার জাদু , গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জাদু। এই সবগুলো জাদুর চিকিৎসা এই অধ্যায়টিতে পেয়ে যাবেন। সকাল সন্ধ্যার কিছু নিয়মিত মাসনূন দোয়ার আমল বর্ণনা করার পরে এই অধ্যায়টি সমাপ্ত হয়েছে।

    পঞ্চম অধ্যায় ওয়াসওয়াসার সমস্যা নিয়ে। এই অধ্যায়টির প্যার্টান একটু ভিন্ন। ওয়াসাওয়াসা রোগ নিয়ে একটু হালকা-পাতলা পরিচিতি , ওয়াসওয়াসা রোগে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ, কীভাবে মুক্তি পাবেন এই সমস্যা থেকে; এই বিষয় নিয়েই এই অধ্যায়ে আলোচনা এসেছে।

    ষষ্ঠ অধ্যায় হচ্ছে সাধারণ অসুস্থতার রুকিয়া নিয়ে। এইখানে জিন বা জাদুর কিছু নেই। ব্যথা, মানসিক সমস্যা, চোখের সমস্যা, তোতলামির সমস্যা, অলসতা, ক্লান্তি এই ধরণের কিছু সমস্যার জন্য রুকিয়ার দোয়া নিয়ে এই অধ্যায়টি সাজানো হয়েছে। কুরআন থেকে কিছু প্রসিদ্ধ রুকিয়াও এই অধ্যায়ে দিয়ে দেয়া হয়েছে।

    সপ্তম অধ্যায়ের নাম হচ্ছে ‘পরিশিষ্ট’। প্যাকেজ টাইপ দুই ধরণের রুকিয়ার প্রোগাম নিয়ে এই অধ্যায়ের শুরু। এই প্যাকেজ গুলোকে চব্বিশ ঘণ্টার রুকিয়ার প্রোগাম বলতে পারেন। কখন কোন সময় কি খেতে হবে , কীভাবে খাবেন, কোন দোয়া পড়ে ফুঁ দিবেন ইত্যাদির বিস্তারিত বর্ণনা এই প্রোগ্রাম দুটোতে দেয়া আছে। সর্বশেষ আছে রুকিয়া নিয়ে কিছু বইয়ের সাজেশন, বিভিন্ন আয়াত, কিছু রুকইয়ার উপযোগী দোয়া।
    ****************************

    আমি খুবি সংক্ষেপে সূচি থকে বইটিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। এইখানে উল্লেখ করা প্রত্যেকটা পয়েন্ট নিয়ে বইটিতে রয়েছে বিস্তর আলোচনা। ফলে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা হয়ে গিয়েছে ২৮৪। এটা মাথায় রাখবেন।
    *****************************
    বইটার আউটলুক, বাইন্ডিং অনেক ভালো। ভিতরের পৃষ্ঠা-সজ্জা, লেখার ধরণ, ফন্ট গ্যাপ, লাইন গ্যাপ সব কিছুই খুব ভালো লেগেছে। লেখায় কাঠিন্যতা নেই, যেকোন সাধারণ মানুষ আরামে পড়ে যেতে পারবে।

    3 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  5. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    ভালো।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  6. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    অসাধারন একটি বই। রূকইয়াহ নিয়ে এমন একটা বই এর জন্যই দীর্ঘকাল ধরে অপেক্ষা করছিলাম। আলহামদুলিল্লা। আল্লাহ এই বই এর সাথে জড়িত সকলকে উত্তম প্রতিদান দিন।
    1 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?