মেন্যু
rater adhare provur sanniddhe

রাতের আধাঁরে প্রভুর সান্নিধ্যে

প্রকাশনী : আয়ান প্রকাশন
পৃষ্ঠা : 144, কভার : পেপার ব্যাক
অনুবাদ: আব্দুল আহাদ তাওহীদ সম্পাদনা: ফেরদাউস মিক্বদাদ "তারা কি দেখে না যে, আমি রাত্রি সৃষ্টি করেছি তাদের বিশ্রামের জন্য এবং দিনকে করেছি আলােকময়। নিশ্চয় এতে ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। প্রিয় পাঠক!... আরো পড়ুন
পরিমাণ

157  270 (42% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

- ৫৯৯ টাকা অর্ডারে ১টি ফ্রি আমল চেকলিষ্ট।

- ৮৯৯ টাকা অর্ডারে ১টি ফ্রি বই।

50 রিভিউ এবং রেটিং - রাতের আধাঁরে প্রভুর সান্নিধ্যে

5.0
Based on 50 reviews
5 star
96%
4 star
4%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
Showing 48 of 50 reviews (5 star). See all 50 reviews
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    Sumaiya yasmin:

    #ইসলামিক_ব‌ই_পরিচিতি_প্রিভিউ_প্রতিযোগিতা_আয়ান_প্রকাশন

    ◾”রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে” ব‌ইয়ের প্রিভিউ

    ◼️ প্রাক কথন:

    প্রতিদিন শেষ রাতে আমাদের রব প্রথম আসমানে নেমে আসেন এবং বলেন-

    “কে আছো এমন যে, আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দেব। কে আছো এমন যে, আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে তা দেব। কে আছো এমন যে, আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।”
    (সহীহ বুখারী: ১১৪৫)

    আমরা কতজন সৌভাগ্যবান আছি, যারা আল্লাহ তা’আলার এই ডাকে সাড়া দিতে পারি! কতজন পারি, নিজের আকুতি মিনতি গুলো আরশে আজীমের কাছে পৌঁছাতে! অথচ, দুনিয়ার এই সামান্যতম যশ, খ্যাতির জন্য কত কিছুই না করি- পরীক্ষার আগে আগে খুব সকালে উঠে পড়তে বসি, চাকরির পরীক্ষার সময়গুলোতে দিনরাত ব‌ইয়ের উপর মুখ গুঁজে থাকি। অনন্তকাল জীবনের সঞ্চয়ের জন্য খুব কম সময় দেওয়া হয়।

    ◼️ ব‌ই সজ্জা:

    অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন কভার দিয়ে মোড়ানো এই ব‌ইয়ের ভেতরের লেখা বাক্য গুলি এমন ভাবে সাজানো, যাতে পাঠকের স্বাচ্ছন্দ্যবোধ হয়। ব‌ইটি তিনটি পরিচ্ছেদে বিভক্ত, যথা-
    ১. তাহাজ্জুদ ও রাত্রি জাগরণ,
    ২. তারাবির সালাত, ও
    ৩. বিতিরের সালাত।

    প্রত্যেকটি পরিচ্ছেদ বেশ কিছু পাঠে বিভক্ত, যেমন –

    ১. তাহাজ্জুদ ও রাত্রি জাগরণ:
    – তাহাজ্জুদের গুরুত্ব
    – তাহাজ্জুদের সালাত সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ
    – রাত্রি জাগরণের আদব
    – তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার সবচেয়ে উত্তম সময় ( রাতের শেষ তৃতীয়াংশ ), ইত্যাদি।

    ২. তারাবির সালাত:
    – তারাবির সালাতের তাৎপর্য ও এর নামকরণের কারণ
    -তারাবি
    – রমাদানের শেষ দশকে রাত্রি জাগরণের সাধনা করা, ইত্যাদি।

    ৩. বিতিরের সালাত:
    – বিতির সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ
    – বিতির সালাত আদায় করার ফযীলত
    – বিতির সালাতের সময়

    প্রত্যেকটি পাঠের ই বিষদ বিবরণ রয়েছে।

    ◼️ পাঠ উপলব্ধি:
    “রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে” ব‌‌ইটির শর্ট পিডিএফে প্রথম পরিচ্ছেদ তথা ‘তাহাজ্জুদ ও রাত্রি জাগরণ’ অংশের কয়েকটি পাঠের বিবরণ রয়েছে। এখান থেকে তাহাজ্জুদ সম্পর্কে ধারনা পেয়েছি।
    রাসূল (সাঃ) রাত্রিকালিন এবাদাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন, তিনি বলেন-

    “পবিত্র মাহে রমাদানের পর সর্বোত্তম নফল সিয়াম হলো মুহাররম মাসের সিয়াম। আর ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হলো তাহাজ্জুদ।” (সহীহ মুসলিম: কিতাবুস সিয়াম: ১১৬৩)

    আল্লাহ তা’আলা কুরআন কারীমে অনেক জায়গায় আমাদেরকে রাতের সালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা’আলা বলেন-

    “হে বস্ত্রাবৃত(রাসূল)! রাতে দণ্ডায়মান থাকুন, কিছু অংশ ছাড়া, অর্ধরাত অথবা তা থেকে কিছু কমান, কিংবা তার চেয়ে বাড়িয়ে নিন এবং কুরআন পাঠ করুন ধীরে ধীরে ও স্পষ্ট করে।” (সূরা মুজ্জামিল:১-৪)

    মহান রবের এবাদাত দিনে – রাতে, সবসময়েই করা যায়, তাকে যে কোনো মুহূর্তেই স্মরণ করা যায়। তবে রাতের আঁধারে চারিদিকে যখন নিরব, নিভৃত, তখন নিজের জীবনে করা ভুল গুলির হিসাব মেলানো সহজ হয়, অনুশোচনা বৃদ্ধি পায়। নবী – রাসূলগণ রাতের আঁধারে অধিকাংশ সময় ই এবাদাতে মগ্ন থাকতেন। রাতে অধিক সময় ধরে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার কারণে রাসূল (সাঃ) এর পা দ্বয় ফুলে যেত।

    রমাদান মাস ইতোমধ্যেই আমাদের কাছে চলে এসেছে। এই মাসে প্রত্যেকটি মুমিন হৃদয় যেন বসন্ত ফিরে পায়। এই মাসে রাত্রি জাগরণ করে এবাদাতের গুরুত্ব অপরিসীম। আশা করি এই ব‌ইটি সকল মুমিনের রাত্রিকালীন এবাদাতের সম্পর্কে সুষ্ঠু জ্ঞান দান করবে।

    ◼️ এক নজরে ব‌ই পরিচিতি:

    📗ব‌ই- রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে
    🖋মূল লেখক – শাইখ সাঈদ ইবনে আলী আল কাহতানি (রহি.)
    🖋ভাষান্তর – আব্দুল আহাদ তাওহীদ
    সম্পাদক – আয়ান টিম
    প্রকাশনায় – আয়ান প্রকাশক
    বাইন্ডিং – পেপারব্যাক
    পৃষ্ঠা সংখ্যা – ১৪৪
    মুদ্রিত মূল্য – ২৪০ টাকা মাত্র

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    ইসরাত জাহান আশরাফি:

    সূচনা:
    ___________

    একটা নিশ্চুপ, নিরব রাত। আলো-ছায়ার লুকোচুরি আর ঝিঁঝিঁপোকার পাখনা ঘষার শব্দের মাঝেও যেন চারিদিকে থমথমে ভাব।দূরের চাঁদটা সাধ্যমতো আলো দিয়েও ভাঙতে পারছেনা আঁধারের সমাবেশ।

    কেউ ঘুমে বিভোর কেউবা ফেসবুকের নীল-সাদা জগৎ বিরচণে। হঠাৎ মনে হলো, “আরে এখন তো দোয়া কবুলের উত্তম সময়, এখন তো গভীর রাত। সাত আসমানের বাদশা তো এখন সকলের আর্জি শুনতে নেমে এসেছেন প্রথম আসমানে!” পরক্ষণেই মনটা বেঁকে বসলো, “আজ থাক। কাল থেকে একেবারে রাতের নামাজ পড়বো। তাহাজ্জুদে মশগুল হয়ে যাবো।”

    এভাবেই কেটে গেলে অনেকগুলো রাত, অনেকগুলো মাস, অনেকগুলো যুগ। রাতের ইবাদত? সে আর করা হয়ে ওঠেনি!

    ওদিকে প্রতিরাতে রহমানুর রাহিম এসে এসে ডাকছেন, চাইছেন তাঁর বান্দারা মন ভরে প্রার্থনা করুক তাঁর কাছে। চেয়ে নিক যা চাওয়ার আছে। কিন্তু চাওয়ার মানুষগুলো তো জানেই না রাতের ইবাদতের মাহাত্ব্য!

    তাই আজ সংক্ষেপে জেনে নেয়া যাক রাতের ইবাদাতে গুরুত্ব। জেনে আসা যাক রাতের ইবাদত জীবনকে কোথা থেকে কোথায় পৌছে দিতে পারে এবং কিভাবে। ভাবছেন তো, কোথা থেকে জানবো?

    ‘আয়ান প্রকাশন’ থেকে প্রকাশিত বই ‘রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্য’ থেকে। যার লেখক ড. সাইদ ইবনে ওয়াহাফ আল কাহতানী (রহঃ)। ‘হিসনুল কিতাব’ সহ ৮০ টি কিতাবের এই লেখকের বই হতে আমরা অনেক উপকৃত হবো ইনশাআল্লাহ।

    রাতের রাজাধিরাজ:
    ______________________
    ছোট বেলায় রূপকথার অনেক গল্প পড়েছি। শুনেছি রাজারা যুদ্ধ করে বিশ্বজয় করতেন। যখন বড় হলাম, পরিচয় হলো ইসলামের বীর সৈনিক আর শাসকদের সাথে তখন জানলাম তারা ছিলেন রাতের রাজা। কেমন??

    তাঁরা সারাদিন ঘোড়া ছুটিয়ে, তরবারি চালিয়ে যুদ্ধ জিতে রাজা হতে পারেননি। পেরেছিলেন গভীর রাতে রবের কাছে সিজদাবনত হয়ে। কারণ তাঁরা জানতেন, সব চাওয়াগুলো কখন পূর্ণতা পেতে পারে। তাঁরা জানতেন, রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্য লাভই তাঁদের করতে পারে বাদশাহ, বাহাদুর আর রাজাধিরাজ। দিতে পারে সমস্ত পাপ হতে মুক্তি।

    বই সমাচার[শর্ট পিডিএফ হতে]:
    __________________________
    বইটির শর্ট পিডিএফ থেকে যা জানা যায় যে বইটি রাতের ইবাদতের মাহাত্ব্য,গুরুত্ব, ইবাদতের আদব ও তদসম্পর্কীয় বিষয়াদির মেলবন্ধনের কাগুজে রূপ। রাত হোক বা দিন, সালাত যেহেতু ইবাদতের প্রাণ তাই বইটিতে রাতের সালাত ‘তাহাজ্জুদ’ -কে বিশেষ ভাবে হাইলাইট করা হয়েছে। কারণ নফল ইবাদত হিসেবে তাহাজ্জুদের তাৎপর্য কতোটা তা আমরা কিছু হলেও জানি। এবার সবিস্তর জানতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

    আসন্ন রমজান মাসে আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা থাকে তারাবিহ নিয়ে। রাকাআত সম্পর্কিত বিতর্কের ভীড়ে অনেকে হারিয়ে ফেলে এই গুরুত্ববহ সালাত আদায়ের উৎসাহ। যা নিশ্চয় গর্হিত কাজ। বইটিতে ‘তারাবিহ সালাত’ নিয়েও আলোকপাত করা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।

    এরপর আছে বিতরের সালাতের আলোচনা। বিতরের সালাত সম্পর্কেও খুব সুন্দর আলোকপাত করা হয়েছে।

    মোটকথা, বইটিতে তিনটি অনুচ্ছেদে

    ১. তাহাজ্জুদের সালাত
    ২. তারাবিহের সালাত
    ৩. বিতরের সালাত নিয়ে আলোচনা করেছেন লেখক ড.সাইদ ইবনে ওয়াহাফ আল কাহতানী (রহঃ) [তারঁ রুহের উপর রহম বর্ষিত হোক]।

    এছাড়াও রাত্রি জাগরণ, এর আদব, রাত্রের আমলের ফজিলত সহ বিভিন্ন বিষয়ের আলোচনা বইটিকে অনন্য করে তুলেছে।

    বইটির বিশেষত্ব :
    __________________
    সারাদিন ধুলোবালি গায়ে ঘেমে একাকার হওয়ার পর গোসল যেমন প্রশান্তি এনে দেয়, সারাদিন নানা কাজে কাটিয়ে দেয়ার পর রাতের ইবাদতও তেমন কলবকে প্রশান্ত করে।
    এদিক থেকে দেখতে গেলে বইটি খু্বই দরকারি।

    এছাড়াও ‘রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে’ বইটির সহজ ভাষাবিন্যাস, সাবলীলতা, বাক্যবিন্যাস, বিষয়ভিত্তিক দলিল, প্রচ্ছদ ইত্যাদির সুনিপুণ গাঁথুনি বইটিকে বিশেষত্ব দান করেছে। রাতের আবিদদের একজন হতে গেলে বইটি সংগ্রহে রাখা দরকার বলে মনে করি।

    সাম্প্রতিক সময়ের প্রেক্ষিতে বইটির গুরুত্ব:
    ______________________________________
    বর্তনাম প্রযুক্তির ভয়াল গ্রাসে আমাদের ইলম, আমল, আখলাক সব মূর্ছা যাবার পথে। রাতে নামাজে লুটিয়ে পড়ার বদলে আমরা ডুব দি বস্তাপঁচা উপন্যাস, সিনেমা অথবা ফেইসবুকে।
    উপেক্ষিত হয় রাতের ইবাদত!

    অথচ রাতের ইবাদতে রবের স্মরণে সরে যায় জীবনের অনেক বাধা, সুশোভিত হয় মনোজগৎ, তৃপ্তি পায় অন্তরাত্তা।

    যদিও ইবাদতের জন্য নিয়তের দরকার তবুও নিয়ামকও অনেক বড় ভূমিকা রাখে। তাই বর্তমান সময়ে বইটির গুরুত্ব অনেক বেশি। যার ফলে পাঠকমহল রাতের ইবাদতে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারে ইনশাঅাল্লাহ।

    পরিশেষে:
    ____________
    নবী-রাসুলগণ রাতের ইবাদতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতেন। উম্মাহকেও বলে গেছেন এর যত্ন নিতে। তবে দিকভ্রান্ত উম্মাহ আজ ভুলে গেছে রাতের রহমতের কথা, ভুলে গেলে রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে যাবার কথা।

    তবে আমরা আশা রাখি, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সমস্ত বিভ্রান্তি আর অলসতা থেকে দুরে থেকে ইবাদতে মনোনিবেশ করার তওফিক দিবেন। সাথে এই বইটি পড়লে মনোবল আর নিয়ত আরেকটু পাকাপোক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

    ওয়া মা তওফিকি ইল্লাবিল্লাহ্।

    [ইসরাত জাহান আশরাফি]

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    মোঃ শাহাবউদ্দীন:

    মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিন আমাকে আপনাকে অর্থাৎ সমগ্র মানবজাতিকে তাঁর সৃষ্টিকূলের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। অবশ্যই তিনি কৃতজ্ঞতা পাওয়ার হকদার। কি উপায়ে তাঁর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করব সেই পথ, সেই উপায়ও তিনি বাতলে দিয়েছেন। কোন সময়ে তাঁর খুব কাছাকাছি যেতে পারব সেই সুন্দর মুহুর্তগূলোও তিনি আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁর অসংখ্য নেয়ামতের মধ্যে একটি নেয়ামত হলো রাত্রি, যা তিনি আমাদেরকে আবরন হিসেবে দিয়েছেন। সমগ্র দিন কর্মব্যস্ততার পরে রাত্রিকে তিনি আমাদের জন্য করেছেন বিশ্রামের মাধ্যম। তবে কি শুধুমাত্র রাত্রিকালীন এই আরাম-বিশ্রাম নিয়েই আমরা তাঁর সৃষ্টির সেরা হয়ে যাবো? আশরাফুল মাখলুকাত হয়েও মহান রবের নিকট শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে অবশ্যই তাঁর কাছে যেতেই হবে, পেতে হবে তাঁর একান্ত সান্নিধ্য। আর এই সান্নিধ্য পাওয়ার খুব সুন্দর মুহুর্তটি হচ্ছে রাতের আধাঁর। যখন সমগ্র জাহান ক্লান্তির চাঁদর মুড়িয়ে নিজেকে আড়াল করে রাখে সমস্ত চিন্তা-ফিকির থেকে, সেই মুহুর্তে আমি ক্লান্তির চাঁদর ছুড়ে ফেলে মহান রবের ভালোবাসা পেতে, তাঁর সাথে কথা বলতে ব্যাকুল হয়ে ছুটে আসি জায়নামাজে। কেন? গূনাহ মাফের জন্য, মনের কোনে জমে থাকা অজস্র কথা তাঁর সাথে ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য।
    প্রতি রাতেই তিনি চলে আসেন আমার অনেক কাছে, আরো কাছে, একেবারে প্রথম আকাশে। সুবহে সাদিক পর্যন্ত তিনি আমার জন্য অপেক্ষায় থাকেন আমার গুনাহ মাফ করাবেন বলে, আমার সকল চাওয়াকে পূরন করে দেয়ার জন্য। আমি কিভাবে তাঁকে নিরাশ করতে পারি? তাইতো আমিও ছূটে আসি রাতের আধাঁর ঠেলে দিয়ে আমার প্রভুর একান্ত সান্নিধ্য লাভ করতে।

    ‘শাইখ সাইদ ইবনে আলী আল কাহতানী’ তার মায়াবী লেখনীতে আমাদেরকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছেন প্রভূর একান্ত সান্নিধ্যে “রাতের আধাঁরে প্রভূর সান্নিধ্যে” বইয়ের মাধ্যমে। তাহাজ্জুদ, বেতের এসকল সালাতে যে কিরাত পাঠ করা হয় তা অধীর আগ্রহে শুনতে মহান প্রভূর সাথে সাথে ফেরেশতাকূলও নেমে আসেন জমীনে। ‘আয়ান প্রকাশন’-এর এই সুন্দর ও চমৎকার বইয়ের আঙীনায় বিচরন করে খুব সহজেই খুঁজে পাবো আমার রবের একান্ত সান্নিধ্য।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    Afia Ibnath Shimki:

    ………..হযরত আবু হুরায়রা(রাঃ)হতে বর্নিত হযরত মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ( সাঃ) বলেছেন,”আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের যখন শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে তখন প্রথম আসমানে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন,হে বান্দা!আমার কাছে প্রার্থনা করো,আমি তোমার প্রার্থনা কবুল করব।আমার কাছে তোমার কি চাওয়ার আছে,চাও,আমি তা দান করব।আমার কাছে তোমার জীবনে গোনাহর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর,আমি তোমার গুনাহ মাফ করে দেব।”………🍂🍂(সহিহ বুখারী-৬৯৮৬)

    🍁প্রাককথনঃ🍁

    আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তাআলার এই অসীম নিয়ামতময় পৃথিবীতে তারই ইশারায় দিনের পর আসে রাত। সমস্ত কোলাহল থেমে যায়।আাধারে ছেয়ে যায় সবকিছু। একমাএ আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় জেগে থাকে গভীর নিশীথে শত শত ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা, যাদের জন্য আল্লাহ বানিয়ে রেখেছেন জান্নাতুল ফেরদৌস আর একমাত্র তাদের মাথায় শেষ বিচারের দিন শোভা পাবে বিজয়ের মুকুট।
    রাত্রিকালিন এবাদাতের মহত্ব ও তাৎপর্য বুঝাতে গিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লার তাঁর নবিকে বলেন:
    يا أيها المؤمل )ا قم الليل إلا قليلا )۴(« يصفه أو انقض منه قليلا ۳ أو زد عليه ورتل القرآن ترتيلا(IV)
    “হে বস্ত্রাবৃত (রাসূল )! রাতে (সালাতে) দণ্ডায়মান থাকুন, কিছু অংশ ছাড়া, (দণ্ডায়মান থাকুন)-অর্ধ রাত, অথবা তা থেকে কিছুটা কমান, কিংবা তার চেয়ে বাড়িয়ে নিন এবং কুরআন পাঠ করুন ধীরে ধীরে স্পষ্ট করে।”

    🍁বইকথনঃ🍁
    পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহ তাআলাকে সকল প্রশংসা আরোপ এবং রাসুলুল্লাহ( সাঃ) এর প্রতি দরুদ ও সালাম বর্ষনের মাধ্যমে বইটির পথযাত্রা শুরু হয়।

    📖 বইটি তিনটি পরিচ্ছেদে সাজানো পর্যায়ক্রমে-
    -তাহাজ্জুদ সালাত
    – তারাবিহর সালাত
    -বিতর সালাত
    সহজ ও সাবলীল ভাষাশৈলী বইটিতে নতুন মাএা যোগ করেছে।এখানে আলোকপাত করা হয়েছে-
    (তাহাজ্জুদ সালাতের মাহাত্ম্য, তাৎপর্য, রাত্রি জাগরণের ফযীলত, আদায় করার শ্রেষ্ঠ সময়, আদায়ের আদবসমূহ)।

    বিতর সালাত পড়ার পদ্ধতি নিয়ে আমাদের সকলের মধ্যেই মতভেদ রয়েছে ।এর ফলে কোন সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছাতে আমরা সক্ষম হই না।আমাদের মধ্যে বিভিন্ন মতানৈক্য সপরিলক্ষিতি হয়। তারাবির রাকাআত সংখ্যা নিয়েও আমরা নিশ্চিত নই।

    এই সকল বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে বিশদভাবে উল্লেখ করে সাবলীল ভাষায় সুণিপুনভাবে তুলে ধরেছেন আরবের বিশিষ্ট দাঈ,কিংবদন্তি গবেষক, কলামিষ্ট সাইদ ইবনে ওহাফ আল কাহতানী রহ.।

    🍁শর্ট পিডিএফের বিষয়ববস্তুঃ🍁
    বইটিতে আলোকপাত করা বিষয়গুলো শর্ট পিডিএফে উল্লেখ আছে যার সুচিপএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।(পরিচ্ছদ আকারে আলোচিত)
    সুচিপএের বিষয়াবলিঃ
    🍂তাহাজ্জুদ সালাতের গুরুত্ব,তাহাজ্জুদ সালাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,তাহাজ্জুদ ও রাত্রী জাগরনের ফযীলত,তাহাজ্জুদ সালাতের উত্তম সময়,তাহাজ্জুদ সালাতের রাকাত সংখ্যা সম্পর্কে আলোচনা, রাত্রি জাগরণের আদবসমূহ,রাত্রি জাগরণের কারনসমূহ,বসে নফল নামাজ পড়া জায়েজ কিনা,তারাবির সালাত বিস্তারিত,বিতরের সালাত বিস্তারিত,রুকু ও সিজদার মধ্যে কিয়াম দীর্ঘ করা ইত্যাদি। সহজবোধ্য ভাষা ও বস্তুনিষ্ঠ শব্দ চয়নের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিষয়গুলােকে যা বইটি পাঠের প্রতি আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দেয়।

    🍁শর্ট পিডিএফের তাৎপর্যঃ
    মাশাআল্লাহ।
    সালাত সম্পরকিত যেকোন বই-ই অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। রাতের এবাদত সমুহ সহজ সাবলিল ভাবে তুলে ধরার সর্বোত্তম চেষ্টা করা হয়েছে যা সত্যিই সহজবোধ্য ও প্রশংসার দাবিদার
    ইসলামী ভাবাদর্শ,পূর্ণ ঈমানদার হওয়ায় পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। ইনশাআল্লাহ।

    🍁বইটির গুরুত্বঃ🍁
    – রাতের এবাদতের নিয়মকানুন (রাকাআত, সময়) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা আমাদের ইসলামি ভাবাদর্শে দীক্ষিত করবে।
    -আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করতে সহায়তা করবে।
    -শয়তানের কুপ্ররোচনা থেকে মুক্তি লাভে সহায়তা করবে।
    -পুর্নাঙ্গ মুমিন হওয়ার পথে ধাবিত করবে
    -নফল এবাদত পালনে উদ্বুদ্ধ করবে।

    🍁লেখক পরিচিতিঃ🍁
    শাইখ ড. সাঈদ ইবনে ওয়াহাফ আল কাহাতানী। তিনি ১৯৫১ সালে মক্কার আল-আরীনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৪০৪ হিজরিতে’কুল্লিয়াত উসূলিদ দ্বীন’ বিষয়ে শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটান। ১৪১৯ হিজরিতে তিনি ‘ফিকহুদ দাওয়াহ ফি সাহিলিল ইমামিল বুখারী’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লিখিত কিতাবের সংখ্যা ৮০। উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘হিসনুল মুসলিম।’ ১ই অক্টোবর ২০১৮ তিনি ইন্তেকাল করেন।

    মন্তব্যঃ আলহামদুলিল্লাহ।বইটি মানবসম্প্রদায়ের আলোরদিশারী হবে বলে আশা রাখছি এবং ইসলামি ভাবাদর্শে ও ধ্যানজ্ঞানে সকলকে পর্যবসিত করবে।ফিআমানিল্লাহ।। কোনোপ্রকার ভুলত্রুটি দৃষ্টিগোচর হয়নি।সকলের জন্য সহায়ক হবে এই কামনা করি ইনশাআল্লাহ।।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    Afia Ibnath Shimki:

    📖প্রিভিউ📖
    ………..হযরত আবু হুরায়রা(রাঃ)হতে বর্নিত হযরত মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ( সাঃ) বলেছেন,”আমাদের প্রতিপালক প্রতি রাতের যখন শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকে তখন প্রথম আসমানে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন,হে বান্দা!আমার কাছে প্রার্থনা করো,আমি তোমার প্রার্থনা কবুল করব।আমার কাছে তোমার কি চাওয়ার আছে,চাও,আমি তা দান করব।আমার কাছে তোমার জীবনে গোনাহর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর,আমি তোমার গুনাহ মাফ করে দেব।”………🍂🍂(সহিহ বুখারী-৬৯৮৬)

    🍁প্রাককথনঃ🍁

    আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তাআলার এই অসীম নিয়ামতময় পৃথিবীতে তারই ইশারায় দিনের পর আসে রাত। সমস্ত কোলাহল থেমে যায়।আাধারে ছেয়ে যায় সবকিছু। একমাএ আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় জেগে থাকে গভীর নিশীথে শত শত ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা, যাদের জন্য আল্লাহ বানিয়ে রেখেছেন জান্নাতুল ফেরদৌস আর একমাত্র তাদের মাথায় শেষ বিচারের দিন শোভা পাবে বিজয়ের মুকুট।
    রাত্রিকালিন এবাদাতের মহত্ব ও তাৎপর্য বুঝাতে গিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লার তাঁর নবিকে বলেন:
    يا أيها المؤمل )ا قم الليل إلا قليلا )۴(« يصفه أو انقض منه قليلا ۳ أو زد عليه ورتل القرآن ترتيلا(IV)
    “হে বস্ত্রাবৃত (রাসূল )! রাতে (সালাতে) দণ্ডায়মান থাকুন, কিছু অংশ ছাড়া, (দণ্ডায়মান থাকুন)-অর্ধ রাত, অথবা তা থেকে কিছুটা কমান, কিংবা তার চেয়ে বাড়িয়ে নিন এবং কুরআন পাঠ করুন ধীরে ধীরে স্পষ্ট করে।”

    🍁বইকথনঃ🍁

    পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহ তাআলাকে সকল প্রশংসা আরোপ এবং রাসুলুল্লাহ( সাঃ) এর প্রতি দরুদ ও সালাম বর্ষনের মাধ্যমে বইটির পথযাত্রা শুরু হয়।

    📖 বইটি তিনটি পরিচ্ছেদে সাজানো পর্যায়ক্রমে-
    -তাহাজ্জুদ সালাত
    – তারাবিহর সালাত
    -বিতর সালাত
    সহজ ও সাবলীল ভাষাশৈলী বইটিতে নতুন মাএা যোগ করেছে।এখানে আলোকপাত করা হয়েছে-
    (তাহাজ্জুদ সালাতের মাহাত্ম্য, তাৎপর্য, রাত্রি জাগরণের ফযীলত, আদায় করার শ্রেষ্ঠ সময়, আদায়ের আদবসমূহ)।

    বিতর সালাত পড়ার পদ্ধতি নিয়ে আমাদের সকলের মধ্যেই মতভেদ রয়েছে ।এর ফলে কোন সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছাতে আমরা সক্ষম হই না।আমাদের মধ্যে বিভিন্ন মতানৈক্য সপরিলক্ষিতি হয়। তারাবির রাকাআত সংখ্যা নিয়েও আমরা নিশ্চিত নই।

    এই সকল বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে বিশদভাবে উল্লেখ করে সাবলীল ভাষায় সুণিপুনভাবে তুলে ধরেছেন আরবের বিশিষ্ট দাঈ,কিংবদন্তি গবেষক, কলামিষ্ট সাইদ ইবনে ওহাফ আল কাহতানী রহ.।

    🍁শর্ট পিডিএফের বিষয়ববস্তুঃ🍁

    📖বইটিতে আলোকপাত করা বিষয়গুলো শর্ট পিডিএফে উল্লেখ আছে যার সুচিপএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।(পরিচ্ছদ আকারে আলোচিত)
    সুচিপএের বিষয়াবলিঃ
    🍂তাহাজ্জুদ সালাতের গুরুত্ব,তাহাজ্জুদ সালাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,তাহাজ্জুদ ও রাত্রী জাগরনের ফযীলত,তাহাজ্জুদ সালাতের উত্তম সময়,তাহাজ্জুদ সালাতের রাকাত সংখ্যা সম্পর্কে আলোচনা, রাত্রি জাগরণের আদবসমূহ,রাত্রি জাগরণের কারনসমূহ,বসে নফল নামাজ পড়া জায়েজ কিনা,তারাবির সালাত বিস্তারিত,বিতরের সালাত বিস্তারিত,রুকু ও সিজদার মধ্যে কিয়াম দীর্ঘ করা ইত্যাদি। সহজবোধ্য ভাষা ও বস্তুনিষ্ঠ শব্দ চয়নের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিষয়গুলােকে যা বইটি পাঠের প্রতি আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দেয়।

    🍁শর্ট পিডিএফের তাৎপর্যঃ🍁

    মাশাআল্লাহ।
    সালাত সম্পরকিত যেকোন বই-ই অনেক তাৎপর্যপূর্ণ। রাতের এবাদত সমুহ সহজ সাবলিল ভাবে তুলে ধরার সর্বোত্তম চেষ্টা করা হয়েছে যা সত্যিই সহজবোধ্য ও প্রশংসার দাবিদার
    ইসলামী ভাবাদর্শ,পূর্ণ ঈমানদার হওয়ায় পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। ইনশাআল্লাহ।

    🍁বইটির গুরুত্বঃ🍁

    – রাতের এবাদতের নিয়মকানুন (রাকাআত, সময়) সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে যা আমাদের ইসলামি ভাবাদর্শে দীক্ষিত করবে।
    -আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করতে সহায়তা করবে।
    -শয়তানের কুপ্ররোচনা থেকে মুক্তি লাভে সহায়তা করবে।
    -পুর্নাঙ্গ মুমিন হওয়ার পথে ধাবিত করবে
    -নফল এবাদত পালনে উদ্বুদ্ধ করবে।

    🍁লেখক পরিচিতিঃ🍁

    শাইখ ড. সাঈদ ইবনে ওয়াহাফ আল কাহাতানী। তিনি ১৯৫১ সালে মক্কার আল-আরীনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৪০৪ হিজরিতে’কুল্লিয়াত উসূলিদ দ্বীন’ বিষয়ে শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটান। ১৪১৯ হিজরিতে তিনি ‘ফিকহুদ দাওয়াহ ফি সাহিলিল ইমামিল বুখারী’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লিখিত কিতাবের সংখ্যা ৮০। উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘হিসনুল মুসলিম।’ ১ই অক্টোবর ২০১৮ তিনি ইন্তেকাল করেন।

    মন্তব্যঃ আলহামদুলিল্লাহ।বইটি মানবসম্প্রদায়ের আলোরদিশারী হবে বলে আশা রাখছি এবং ইসলামি ভাবাদর্শে ও ধ্যানজ্ঞানে সকলকে পর্যবসিত করবে।ফিআমানিল্লাহ।। কোনোপ্রকার ভুলত্রুটি দৃষ্টিগোচর হয়নি।সকলের জন্য সহায়ক হবে এই কামনা করি ইনশাআল্লাহ।।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top