মেন্যু
rater adhare provur sanniddhe

রাতের আধাঁরে প্রভুর সান্নিধ্যে

প্রকাশনী : আয়ান প্রকাশন
পৃষ্ঠা : 144, কভার : পেপার ব্যাক

অনুবাদ: আব্দুল আহাদ তাওহীদ
সম্পাদনা: ফেরদাউস মিক্বদাদ

“তারা কি দেখে না যে, আমি রাত্রি সৃষ্টি করেছি তাদের বিশ্রামের জন্য এবং দিনকে করেছি আলােকময়। নিশ্চয় এতে ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। প্রিয় পাঠক! রাত যখন ঘাের হয়, নিকষ কালাে অন্ধকার যখন ঢেকে নেয় সমগ্র পৃথিবীকে তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলার আহবান “কে আছ এমন যে, আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছ এমন যে, আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে তা দিব। কে আছ এমন যে, আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব। (সহীহ বুখারী: ১১৪৫)

দোআ সব সময়ই করা যায়। তবে নির্জন রাতের নিস্তব্ধ পরিবেশে তাহাজ্জুদের সালাতে আল্লাহর কাছে দোআ করার বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।

রাসূলের ভাষ্য:
তাহাজ্জুদ সালাত তােমাদের নিয়মিতভাবে পড়া উচিত, কেননা এটা অতীতকালের সৎকর্মশীলদের পদ্ধতি ছিল এবং স্রষ্টার নৈকট্য লাভের মাধ্যম ছিল। এই অভ্যাস পাপকর্ম থেকে বিরত রাখে, মন্দকর্ম দূর করে আর শারীরিক রােগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে। (তিরমিজি)

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা তাঁর বান্দার প্রতি বিভিন্ন সময়ে গাফফার-গফুর, রহমান-রহীম নামের উসিলায় ক্ষমার অদৃশ্য হাত সম্প্রসারিত করেন। বিশেষ করে পবিত্র মাহে রামাদানে। কারণ, এ মাসটি হচ্ছে রহমত ও কুরআন অবতীর্ন হওয়ার মাস, ক্ষমা ও শবে কদরের রজনীর ফজীলতপূর্ণ মাস।

রাসূল সা. বলেন:
“দুর্ভাগা তারা, যারা মাহে রামাদান পেয়েও মাগফিরাত বা ক্ষমা লাভ করতে পারল না।”

পবিত্র মাহে রামাদানের শুরুতে আল্লাহ তাআলা জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেন, জান্নাতের দরজা খুলে দেন এবং শয়তানকে শিকলবদ্ধ করে রাখেন। তাই শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়। নেক কাজে অগ্রগামী হতে পারে। বান্দা যখন উপবাস থেকে দিবসের শেষ প্রহরে উপনীত হয় তখন তার মাঝে বয়ে যায় অনাবিল সুখ-শান্তি। কেননা সে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জন করেছে।

হাদিস শরিফে বিতর সালাত পড়ার কয়েকটি পদ্ধতি আমরা দেখতে পাই। সেগুলাের আলােকে বিভিন্ন মাজহাবে একাধিক পন্থায় বিতর সালাত আদায়ের পদ্ধতি পরিলক্ষিতি হয় এবং তারাবী সালাতের সংখ্যা নিয়েও আমাদের সমাজে দেখা যায় তুমুল বিতর্ক-মতানৈক্য।

প্রিয় পাঠক! আর উপরােল্লিখিত এই সকল বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে বিশদভাবে উল্লেখ করে মানুষের হৃদয়ে লালিত অসার মতানৈক্য নিরসন করে ইসলামের সঠিক জ্ঞান-ভাবনা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে গেঁথে দেয়ার জন্য দলীল-প্রমাণ দিয়ে উত্থাপন করেছেন আরবের বিশিষ্ট দাঈ, গবেষক, কলামিষ্ট সাইদ ইবনে ওহাফ আল কাহতানী রহ.

পরিমাণ

132  240 (45% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী

48 রিভিউ এবং রেটিং - রাতের আধাঁরে প্রভুর সান্নিধ্যে

5.0
Based on 48 reviews
5 star
95%
4 star
4%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    🔰রাত মহান আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত। দিনের আলোয় মানুষ কর্মব্যস্ত সময় কাটিয়ে ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে যায়। আর রাতের অন্ধকার সেই ক্লান্তি দূরীভূত করে শরীর ও মন সতেজ এবং চাঙ্গা করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আল্লাহ কুরআনে ইরশাদ করেন, ‘আমি রাতকে বানিয়েছি ক্লান্তি দূরকারী।’ (সূরা নাবা : ১০)। রাত যখন গভীর হয়, চারদিক নিকষ কালো অন্ধকারে ছেয়ে যায়; কোলাহলে মুখরিত জনবসতিতে যখন নেমে আসে নীরব নিস্তব্ধতা; বনের পশুপাখিও ঘুমের কোলে ঢলে পড়ে; আত্মীয়স্বজন বন্ধু-বান্ধব সবাই যখন তাদের ঘরের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয় মহান রব্বুল আলামিন তখন তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য রহমতের দুয়ার উন্মুক্ত করে দেন। গভীর রজনীতে মানুষ মূলত তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। প্রথম ভাগ : রাতের অন্ধকারকে মোক্ষম সুযোগ মনে করে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে। দ্বিতীয় ভাগ : পূর্ণ রজনী ঘুমের ঘোরে কাটিয়ে দেয়। তৃতীয় ভাগ : রাতের অন্ধকার ও নীরবতাকে স্রষ্টার সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য লাভের বিশেষ সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে নামাজ ও ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে মহান প্রভুর সঙ্গে প্রেমের আলাপনে মশগুল হয়। ইসলামের পরিভাষায় এই নামাজকে সালাতুত তাহাজ্জুদ বলা হয়। প্রিয় নবী (সা.), সাহাবায়ে কিরাম ও স্রষ্টার সান্নিধ্যপ্রাপ্ত মনীষীরা রাতের শেষাংশ নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির ও দোয়ার মাধ্যমে কাটাতেন। যেসব পুণ্যবান বান্দা গভীর রজনীতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে মহান স্রষ্টার আনুগত্যে মশগুল হয়, আল্লাহতায়ালা কুরআনে তাদের প্রশংসা করে বলেন, ‘যে ব্যক্তি গভীর রজনীতে সিজদার মাধ্যমে অথবা দাঁড়িয়ে ইবাদতে মশগুল হয়, পরকালের আশঙ্কা রাখে এবং তার পালনকর্তার অনুগ্রহ কামনা করে, সে কি তার সমান যে এরূপ করে না? আপনি বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা বুদ্ধিমান।’ (সূরা জুমার : ৯)। আল্লাহতায়ালা তাদের সম্পর্কে আরও ইরশাদ করেন, ‘তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে। তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে ভয় ও আশা নিয়ে এবং আমি তাদের যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে তারা ব্যয় করে।’ (সূরা সিজদাহ : ১৬)।
    গভীর রজনী বা রাতের শেষাংশ রব্বুল আলামিনের কাছে বিশেষ রহমতের সময় হিসেবে বিবেচিত। এ সময় আল্লাহ তার রহমতপিয়াসী মুমিন বান্দাদের জন্য রহমতের চাদর বিছিয়ে দেন এবং মাগফিরাতের হাত প্রসারিত করেন। তাই রহমতের সময় মহান রহমানকে স্মরণ করা, তাঁর পবিত্রতা ও গুণগান বর্ণনা করা এবং তাঁর কুদরতি কদমে অশ্রু বিসর্জন দিয়ে মাগফিরাত কামনা করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য বাঞ্ছনীয়।

    এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে আয়ান প্রকাশন হাতে তুলে দিচ্ছে রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে বইটি।

    ♦️সূচিপত্রঃ
    বইটির মূল বক্তব্য যেহেতু রাতের ইবাদত নিয়ে, তাই রাতের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের তাৎপর্য এবং নিয়মকানুন দিয়েই বইটি সাজানো হয়েছে। সূচিতে স্থান পেয়েছে ৩ টি পরিচ্ছেদ।
    ★প্রথম পরিচ্ছেদঃ তাহাজ্জুদ ও রাত্রি জাগরণ
    ★দ্বিতীয় পরিচ্ছেদঃ তারাবির সালাত
    ★তৃতীয় পরিচ্ছেদঃ বিতিরের সালাত
    প্রতিটি পরিচ্ছেদভুক্ত হয়েছে কয়েকটি করে উপশিরোনাম। এখান থেকেই পুরো বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে এবং যার জন্য যে অংশ বেশি কার্যকরী সে সেই অংশ থেকে সহজেই শিখতে পারবে ইনশাআল্লাহ।
    ♦️বইটির বিশেষত্বঃ
    সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে বইটির সমস্ত তথ্য রেফারেন্স সহ উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং বইটি সম্পর্কে পাঠকের কোনোরকম কোনো সন্দেহের অবকাশ রাখা হয়নি।
    একদিকে যেমন রাতে ইবাদত করার প্রতি অনুপ্রেরণামূলক কথা রয়েছে, অন্যদিকে তেমন ইবাদত করার সমস্ত নিয়মকানুন এবং কোন ইবাদতের জন্য কোন সময় বরাদ্দ তার পরিস্কার উল্লেখ রয়েছে।
    নতুন বছরের রমাদানের জন্য মুসলিম মাত্রই অপেক্ষমান থাকে। ব্যকুল হয়ে থাকে রমাদানের পানে। পরিকল্পনাও থাকে আশাব্যঞ্জক। নিজেকে পরিশুদ্ধ করার এমন সুযোগ কে হারাতে চায়! রাতকে কাজে লাগিয়ে সেই সু্যোগ লুফে নিতে বইটি যে কতটা সহায়ক হবে তা চিন্তার বাইরে।
    ♦️লেখক সম্পর্কে কিছু কথাঃ
    কোনো বই পড়ার প্রতি সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তখন-ই তৈরী হয় যখন বইটির লেখক সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা উল্লেখ থাকে এবং তা সন্তুষ্টজনক হয়। এই মহামূল্যবান বইটি এর ব্যতিক্রম নয়।
    সৌদি আরবের অধিবাসী ড. সাঈদ ইবনে আলী ইবনে ওয়াহাফ আল-কাহতানী সৌদি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করে ইসলামের অগাধ জ্ঞানে নিজেকে সমৃদ্ধ করেন। ৮০ টিরও বেশি সংখ্যক কিতাবের রচয়িতা তিনি। তন্মধ্যে হিসনুল মুসলিম বিশ্বজুড়ে বহুল জনপ্রিয়। তাঁর সম্পর্কে আরো বিস্তারিত তথ্য বইটিতে পেয়ে যাবেন।
    ♦️সমস্যা সম্পর্কিতঃ
    শর্ট পিডিএফ থেকে কোনো মেজর সমস্যা চোখে পড়েনি। তবে আকর্ষণীয়ভাবে সুচিপত্রকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তার সাথে পৃষ্ঠা সংখ্যা সংযুক্ত করলে পাঠকের জন্য বেশি সুবিধা হতো বলে মনে হয়েছে। পরবর্তী সংস্কারে বিষয়টি খেয়াল রাখার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ কামনা করছি।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    বই: রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে
    লেখক : শাইখ সাঈদ ইবনে আলী আল কাহতানী
    ভাষান্তর: আবুল আহাদ তাওহীদ
    ধরন ; ইসলামিক বই
    প্রচ্ছদ ও পৃষ্ঠাসজ্জা: ফেরদাউস মিক্বদাদ
    সম্পাদকঃ আয়ান টিম
    প্রকাশনায় ; আয়ান প্রকাশন
    পৃষ্ঠা : ১৪৪
    প্রচ্ছদ মূল্য : ২৪০

    ঐ ব্যক্তি, যে রাতের প্রহরগুলিতে সেজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে
    এবাদতে রত থাকে, আর সে আখেরাতাকে ভয় করে এবং স্বীয় রবের
    রহমতের আশা রাখে (সে কি উল্লিখিত কাফেরের সমান)? আপনি বলুন,
    যারা জ্ঞান-বুদ্ধি রাখে আর যারা জ্ঞান-বুদ্ধি রাখে না, উভয়ে কি সমান? উপদেশ কেবল তারাই গ্রহণ করে, যারা বিবেক-বুদ্ধিসম্পন্ন। রাত্রিকালিন এবাদাতের মহত্ব ও তাৎপর্য বুঝাতে গিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লার তাঁর নবিকে বলেন:
    يا أيها المؤمل )ا قم الليل إلا قليلا )۴(« يصفه أو انقض منه قليلا ۳ أو زد عليه ورتل القرآن ترتيلا 4
    “হে বস্ত্রাবৃত (রাসূল )! রাতে (সালাতে) দণ্ডায়মান থাকুন, কিছু অংশ ছাড়া, (দণ্ডায়মান থাকুন)-অর্ধ রাত, অথবা তা থেকে কিছুটা কমান, কিংবা তার চেয়ে বাড়িয়ে নিন এবং কুরআন পাঠ করুন ধীরে ধীরে স্পষ্ট করে।”
    রাসূল (স) রাত্রিকালিন এবাদাতের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন। উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়েছেন। তিনি বলেন:

    ( 1163 ) ځ ني تيبة بن سعيد، نا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن محمد بن عبد الرحمن الحميري، عن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أفضل الصيام، بعد رمضان، شهر ال له المحرم، وأفضل الصلاة بعد الفريضة، صلاة الليل»

    পবিত্র মাহে রামাদানের পর সর্বোত্তম নফল সিয়াম হল মুহাররম মাসের সিয়াম। আর ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হল তাহাজ্জুদ সালাত।

    শর্ট পিডিএফ আলোচনা: বইটি মূলত রাতের আধারে ইবাদতের মাধ্যমে কিভাবে আমরা রবের আরো সান্নিধ্যে পৌছাবো,কিভাবে আল্লাহ তায়ালার আরো প্রিয় বান্দা হয়ে উঠবো সেই পথ নিয়ে লেখা হয়েছে।শুরুতেই সুন্দর সূচনা দিয়ে বইটি শুরু।এরপর রয়েছে লেখক পরিচিতি। এরপর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোকপাত করা হয়েছে।বইটির মূল লেখক সাঈদ ইবনে আলী ইবনে ওয়াহাফ আল-কাহতানী।তার লেখা বইটির সূচিপত্র রয়েছে যেখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে ধারনা করি।বইটিতে,
    তাহাজ্জুদ সালাতের বিস্তারিত
    তারাবির সালাত বিস্তারিত
    বিতরের সালাত বিস্তারিত
    উপরিউক্ত বিষয় নিয়ে বিষদ আলোচনা করা রয়েছে।

    বইটি কেনো পড়বোঃ
    বইটি পড়ে আমরা নফল ইবাদতের প্রতি আরো বেশী উৎসাহি হবো রাত্রী জাগরনের আদবগুলো সম্পর্কে আরো সচেতন হতে ও জানতে পারবো,
    আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার সান্নিধ্যে লাভের জন্য ও নিজেদের হৃদয় আরো পরিষ্কার এবং ঈমান বৃদ্ধি করতে সহায়তা পাবো ইনশাআল্লাহ।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    #ইসলামিক_বই_পরিচিতি_প্রিভিউ_প্রতিযোগিতা_আয়ান_প্রকাশন

    📚প্রিভিউ📚

    “রহমানের (প্রকৃত) বান্দা তারাই,যারা পৃথিবীর বুকে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং মূর্খরা তাদের সাথে কথা বলতে থাকলে বলে দেয়-তোমাদের সালাম।তারা নিজেদের রবের সামনে সাজদায় অবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে রাত কাটিয়ে দেয়।”
    [সূরা আল-ফুরকান ৬৩-৬৪]
    মহান আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার সাথে,একান্তে,সবচেয়ে সান্নিধ্যে সময় কাটাতে হলে তাহাজ্জুদ কিংবা কিয়ামুল লাইলের বিকল্প নেই।রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “মুমিনের সম্মান হলো তাহাজ্জুদ।”তাহাজ্জুদ একটি নফল ইবাদত যা নফল ইবাদত গুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ।তাহাজ্জুদের সাওয়াব ও তাৎপর্য্য অপরিসীম।

    ⚫শর্ট পিডিএফ আলোচনা: বইটি মুলত রাতের আধারে ইবাদতের মাধ্যমে কিভাবে আমরা রবের আরো সান্নিধ্যে পৌছাবো,কিভাবে আল্লাহ তায়ালার আরো প্রিয় বান্দা হয়ে উঠবো সেই পথ নিয়ে লেখা হয়েছে।শুরুতেই সুন্দর সূচনাবার্তা দিয়ে বইটি শুরু।এরপর রয়েছে লেখক পরিচিতি।বইটির মুল লেখক ইবনে আলী ইবনে ওয়াহাফ আল-কাহতানী।তার লেখা কিতাব সংখ্যা ৮০, যার মাঝে বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত কিতাব “হিসনুল মুসলিম” একটি। পিডিএফটিতে বইটির সূচিপত্র রয়েছে যেখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে বলে ধারনা করি।বইটিতে,
    ▪️তাহাজ্জুদ সালাতের গুরুত্ব,
    ▪️তাহাজ্জুদ সালাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা,
    ▪️তাহাজ্জুদ ও রাত্রী জাগরনের ফযীলত,
    ▪️তাহাজ্জুদ সালাতের উত্তম সময়,
    ▪️তাহাজ্জুদ সালাতের রাকাত সংখ্যা সম্পর্কে আলোচনা,
    ▪️রাত্রি জাগরণের আদবসমূহ,
    ▪️রাত্রি জাগরণের নির্দিষ্ট কারনসমূহ,
    ▪️বসে নফল নামাজ পড়া জায়েজ কিনা,
    ▪️তারাবির সালাত বিস্তারিত,
    ▪️বিতরের সালাত বিস্তারিত।
    ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা রয়েছে।

    ⚫বইটি কেনো পড়বোঃ
    বইটি পড়ে আমরা আমাদের
    🔸 ঈমান আমলের প্রতি,নফল ইবাদতের প্রতি আরো বেশী উৎসাহি হবো,
    🔸রাত্রী জাগরনের আদবগুলো সম্পর্কে আরো সচেতন হলে সহীহ ভাবে ইবাদত করতে পারবো,
    🔸আল্লাহ সুবহানাহু তা য়ালার সান্নিধ্যে পৌছে নিজেদের ক্বলব আরো পরিষ্কার ও ঈমান দ্বীপ্ত করতে সহায়তা পাবো ইনশাআল্লাহ।

    ⚫বই বৃত্তান্তঃ
    বইঃ রাতের আধারে প্রভুর সান্নিধ্যে
    লেখকঃড.সাঈদ ইবনে আলী ইবনে ওয়াহাফ আল-কাহতানী
    অনুবাদকঃ আব্দুল আহাদ তাওহীদ
    প্রকাশকঃ আয়ান প্রকাশন – Ayan Prokashan
    প্রচ্ছদ মুল্যঃ ২৪০/- টাকা

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    #ইসলামিক_বই_পরিচিতি_প্রিভিউ _প্রতিযোগিতা_আয়ান_প্রকাশন

    ★প্রাককথন:

    ধীরেধীরে নিশিথ গাঢ় হচ্ছে। থেমে যাচ্ছে চারিদিকের কোলাহল। জোসনায় প্লাবিত এ’ধরণীতে বইতে শুরু করছে মৃদুমন্দ হাওয়া। হাস্যোজ্জ্বল চাঁদটা ঢেকে যাচ্ছে মেঘের চাদরে। পুরো ধরণী ছেয়ে যায় আঁধারে। খানিকক্ষণ পর মেঘ কেটে গেলে আবার হেসে ওঠে স্রষ্টার এ’সৃষ্টিজগত।

    কেউ কেউ অপেক্ষা করে কখন ঘুমরাজ্যে পাড়ি দিবে পুরো ধরণী। আর সে মিষ্টি মধুর প্রেমালাপে মত্ত হবার সুযোগ পাবে। কিংবা ডুব দেবে নিষিদ্ধতার নীল পাথারে।

    অপরদিকে কেউ কেউ অপেক্ষা করছে কখন থামবে পৃথিবীর কোলাহল! নফস নামক ফণীকে দাবিয়ে রাখার প্রচেষ্টায় কখনো জয়ী হলে, কখনো হয় বিজিত। সাহায্য চায় শ্রেষ্ঠ সাহায্যকারীর নিকট। তিনিই সকল পাপ মুছে পুণ্যের চাদরে মুড়িয়ে দিতে পারেন। তাইতো, তারা গভীর নিশীথে ভক্তি ও সমীহের ভারে মাথা নুইয়ে দেয় রাজাধিরাজ মহান রব্বুল আলামিনের কাছে। তারা স্বপ্ন দেখে তাদের অশ্রুর প্রতিটি বিন্দুতে একদিন হাসির ঝিলিক ফুটে উঠবে।

    আমাদের দেশে শতশত বছর ধরে বিতির পড়ার নিয়ম যখন সহীহ সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তখন অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন। আবার ইবাদাতের মৌসুম রামাদানেও তারাবিহর সালাত নিয়ে শাখাগত দ্বন্ধ-সংঘাত লেগে থাকে। কিন্তু কুরআন, সুন্নাহই আমাদের একমাত্র সত্যের মাপকাঠি। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আমরা পেতে পারি চূড়ান্ত সমাধান।

    ★বইকথন:

    আরবের প্রখ্যাত শাইখ ড. সাঈদ ইবনে ওয়াহাফ আল কাহতানী’র ‘কিয়ামুল লাইল’ পুস্তিকাটির ভাষান্তরিক রূপ ‘রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে।’ অনুবাদ করেছেন, আব্দুল আহাদ তাওহীদ।

    বইয়ের সূচিপত্রে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায়, বইটিতে তিনটি পরিচ্ছেদে পর্যায়ক্রমে তাহাজ্জুদ সালাত, তারাবিহর সালাত, বিতির সালাত নিয়ে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে যাবতীয় আলোচনা করা হয়েছে।

    ঈমাম শাফেয়ী রাহিমাহুল্লাহু তাহাজ্জুদ সম্পর্কে বলেছেন,’ তাহাজ্জুদ সালাতের দু’আর মূল্য হলো এমন যেনো, একটি তীর সফলভাবে লক্ষ্য ভেদ করেছে। মহানবী (সা:) বলেছেন,’ ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম ইবাদাত হচ্ছে তাহাজ্জুদ সালাত।’ তাহাজ্জুদ সালাতের প্রতি মহানবী (সা:) এতই দায়িত্ববান ছিলেন যে তাঁর মুবারকময় পা ফুলে যেতো।

    বইটিতে স্পষ্ট ভাবে আলোচিত হয়েছে, তাহাজ্জুদ সালাতের মাহাত্ম্য, তাৎপর্য, রাত্রি জাগরণের ফযীলত, আদায় করার শ্রেষ্ঠ সময়, আদায়ের আদবসমূহ।

    উল্লেখ্য আছে, তারাবিহ সালাতের গুরুত্ব, বিধি-বিধান, শ্রেষ্ঠত্ব, ফযীলত, রাকাআত সংখ্যা, জামায়াতে আদায় করার বৈধতা।

    অবশেষে, বিতর সালাতের গুরুত্ব, আদায় করার সময়, আদায়ের নিয়ম, রাকাআত সংখ্যা, কেরাত পড়ার নিয়ম, দু’আ কুনুত পড়ার নিয়ম।

    অর্থাৎ রাতের তিন সালাত নিয়ে কুরআন আর সুন্নাহর আলোকে মুসলমানদের জন্য একটা পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন হবে এই বই। ইন শা আল্লাহ!

    ★শর্ট পিডিএফ পড়ে অনুভূতি:

    বইয়ের সূচিপত্রে দৃষ্টি দিলে রাতের সালাতে আগ্রহী যেকোনো মুসলিম/মুসলিমাহ-ই বইটা পড়ার আগ্রহবোধ করবে। সালাত নিয়ে অনেক বই-ই প্রকাশিত হয়েছে আগে। তবে আমার মনে হচ্ছে, শুধুমাত্র রাতের সালাতগুলো নিয়ে সামগ্রিক আলোচনা সমৃদ্ধ বই এটাই প্রথম।

    কুরআন আর সুন্নাহর আলোকে আলোচিত ফযীলতগুলো যেকোনো পুণ্যাগ্রহী ব্যক্তির মনেই রাতের সালাতের ব্যাপারে তৃষ্ণা জন্মাবে। আর সমগ্র নিয়মকানুন জানার মাধ্যমে আমরাও পুণ্যবানদের তালিকায় স্থান করে নিতে পারবো। ইন শা আল্লাহ!

    ★লেখক পরিচিত:

    শাইখ ড. সাঈদ ইবনে ওয়াহাফ আল কাহাতানী। তিনি ১৯৫১ সালে মক্কার আল-আরীনে জন্মগ্রহণ করেন। ১৪০৪ হিজরিতে তিনি ‘কুল্লিয়াত উসূলিদ দ্বীন’ বিষয়ে শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটান। ১৪১৯ হিজরিতে তিনি ‘ফিকহুদ দাওয়াহ ফি সাহিলিল ইমামিল বুখারী’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লিখিত কিতাবের সংখ্যা ৮০। উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘হিসনুল মুসলিম।’ ১ই অক্টোবর ২০১৮ তিনি আল্লাহর প্রিয় হয়ে যান।

    ★ এক দৃষ্টিতে বইটি:

    নাম: রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে
    মূল: ড. সাঈদ ইবনে ওয়াহাফ আল- কাহাতানী
    অনুবাদ: আব্দুল আহাদ তাওহীদ
    প্রকাশনী: আয়ান
    পৃষ্ঠাসংখ্যা: ১৪৪
    মূল্য: ২৫০/-

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    :

    📖📖📖📖📖📖 বই প্রিভিউ 📖📖📖📖📖📖📖
    বইয়ের নামঃ রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে, মূল লেখকঃ শাইখ সাঈদ আল কাহতানী, অনুবাদকঃ আব্দুল আহাদ তাওহীদ, প্রকাশনীঃ আয়ান প্রকাশন, কভারঃ পেপারব্যাক, প্রথম প্রকাশঃ মার্চ ২০২১ ইং, পৃষ্ঠাসংখ্যাঃ ১৪৪, প্রচ্চদ মূল্যঃ ২৪০ টাকা,প্রচ্ছদঃ ফেরদাউস মিক্বদাদ,অনলাইন পরিবেশকঃ ওয়াফিলাইফ
    ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
    📘লেখকঃ শায়েখ সাঈদ আল কাহতানী ১৯৫১ সালে সৌদি আরবের মক্কায় জন্মগ্রহন করেন।তিনি তার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করেন ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তিনি ১৪১২ হিজরিতে মাস্টার্স ও ১৪১৯ হিজরিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কর্মজীবনে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা অর্জন করেছিলেন , সেখানেই প্রফেসরের দায়িত্ব পালন করেন। মুসলিম বিশ্বে তিনি পরিচিত ইমাম ও লেখক। তার লেখা হিসনুল মুসলিম বইটি যার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। তিনি তার জীবনে ৮০ টির মতো বই রচনা করেন। তিনি ২০১৮ সালে ৬৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
    ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
    📘অনুবাদঃ শায়েক সাঈদ আল কাহতানীর লেখা অন্যতম একটি বই “কিয়ামুল লাইল”। যার বাংলা অনুবাদ বের করেছে আয়ান প্রকাশন। বইটির অনুবাদক হলেন আব্দুল আহাদ। বইটির বাংলা ভাষায় নাম দেওয়া হয়েছে “রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে”। অনুবাদক বইটি অনুবাদের ক্ষেত্রে দুটি নীতিমালা অবলম্বন করেছেনঃ
    🔹পাঠকের বুঝার সুবিধার্তে আরবি মূল অনুবাদের পরিবর্তে কিছু কিছু জায়গায় ভাবানুবাদ করা হয়েছে।
    🔹অনুবাদের ক্ষেত্রে সাবলীল বাচন ও সরল অনুবাদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হয়েছে।
    এছাড়া বারবার প্রুফ দেখা হয়েছে যেন ভুল না থাকে। এসবকিছু বইটির অনুবাদের ক্ষেত্রে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।
    ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
    📘সূচিপত্র বিশ্লেষণঃ কোন বইয়ের সূচিপত্র ঘাটলে বোঝা যায় বইটিতে কি কি বিষয়, কিভাবে লেখা আছে। এ বইয়ের ক্ষেত্রেও এ কথাটি প্রযোজ্য।
    বইটিতে মোট ৩ টি পরিচ্ছেদ রয়েছে যথাক্রমে
    ১)তাহাজ্জুদ ও রাত্রি জাগরণ, ৯ টি পাঠ
    ২)তারাবির সালাত
    ৩)বিতিরের সালাত,১৩ টি পাঠ
    বইটিতে ৩ টি পরিচ্ছদে তাহাজ্জুদ, তারাবি, বিতিরের সালাতের অাদ্যপান্ত বর্ণনা করা হয়েছে।
    ★১ম পরিচ্ছেদেঃ-
    🔹তাহাজ্জুদ সালাতের মহত্ত্ব ও তাৎপর্য,
    🔹রাত্রি জাগরণের ফজিলত,
    🔹তাহাজ্জুদ আদায়ের শ্রেষ্ঠ সময় ও রাকাআত সংখ্যা,
    🔹রাত্রি জাগরণের আদব ও তার কারণসমূহ রয়েছে।
    ★২য় পরিচ্ছেদেঃ-
    🔹তারাবি সালাতের গুরুত্ব,
    🔹তার বিধিবিধান,
    🔹শ্রেষ্ঠ সময় ও রাকাআত সংখ্যা,
    🔹তারাবি সালাত জামাতে আদায় করার বৈধতা নিয়ে লেখা।
    ★৩য় পরিচ্ছেদেঃ-
    🔹বিতিরের সালাত ও তার আহকাম,
    🔹গুরুত্ব, সংখ্যা,
    🔹বিতির সালাতের কেরাত পড়া,
    🔹দোয়া কুনুত পড়া নিয়ে লেখা।
    সূচিপত্র দেখে বোঝা যাচ্ছে বইতে প্রতিটি বিষয় কতটা সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা আছে।
    ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
    📘বইটি বিশ্লেষণঃ বইটিতে কিয়ামুর লাইল (রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে) নিয়ে রচিত। অর্থাৎ রাতের আমল নিয়ে লেখা। রাতে আমলের ক্ষেত্রে অন্যতম ইবাদত হলো তাহাজ্জুদ,রমজান মাসে তারাবি,রাতের শেষ নামাজ বিতির অন্যতম। আল্লাহ কাছে রাতের আমল অত্যাধিক পছন্দনীয়। কারণ রাতের আমলে লোক দেখানো থাকে না এবং ঘুম পরিহার করে এ ইবাদত করতে হয়। তাই এ আমলগুলো সম্পর্কে জানা আমাদের একান্ত প্রয়োজন। কারণ এসব সম্পর্কে না জানলে আমরা এসব আমল করতে পারবো না, যার ফলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে ব্যর্থ হবো। তাই কিয়ামুল লাইল সম্পর্কে কুরআন হাদিস অনুসারে জানতে এ বইটি লেখা। ফলে কিয়ামুল লাইল সম্পর্কে আমরা কুরআন হাদিসের আলোকে বিস্তারিত ও সঠিক জ্ঞান অর্জন করে রাতকে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর প্রিয় বান্দা হতে পারবো। এ বইটি কিয়ামুল লাইল সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রে বিশেষ এই কারণে যে, বেশিরভাগ বইতে সকল সালাতের সাথে কিয়ামুল লাইল সম্পর্কে জানা যায়। যার ফলে স্বাভাবতই কিয়ামুল লাইল সম্পর্কে পুরো আলোচনা পাওয়া যায় না। ফলে কিয়ামুল লাইল সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান লাভ করা যায় না। কিন্তু এ বইটি শুধুমাত্র কিয়ামুল লাইল নিয়ে রচিত।যার ফলে কিয়ামুল লাইল সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সম্ভব হবে। বইটিতে প্রত্যেকটি বিষয় গুছিয়ে এবং অনুচ্ছেদ আকারে সাজানো হয়েছে। বইটিতে প্রায় প্রতিটি বিষয় প্রথমে কুরআন এবং তারপর হাদিসের আলোকে রেফারেন্সসহ সাজানো হয়েছে, ফলে বইটি বিশ্বস্ত হবে বলেই আশা করি।
    এছাড়া বইটিতে মূল লেখক ও অনুবাদকের বইটি লেখা ও অনুবাদের কাহিনীও যুক্ত করা হয়েছে ফলে বইটি আরো প্রাণবন্ত হয়েছে। আশা করা যায় শর্ট পিডিএফ এর মতো পুরো বইটিই এভাবেই লেখা হয়েছে।
    ➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
    📘মন্তব্যঃ শর্ট পিডিএফ পড়ে যা বুঝলাম, বইটি পড়ে কিয়ামুল লাইল তথা রাতের আমল সম্পর্কে আমরা সকল প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি জেনে আমল করতে পারবো এবং আল্লাহ নৈকট্য লাভ করতে সক্ষম হবো। তাই সকল বাংলাভাষী মুসলিমদের জন্য বইটি পড়া গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top