মেন্যু
rater adhare provur sanniddhe

রাতের আধাঁরে প্রভুর সান্নিধ্যে

প্রকাশনী : আয়ান প্রকাশন
পৃষ্ঠা : 144, কভার : পেপার ব্যাক

অনুবাদ: আব্দুল আহাদ তাওহীদ
সম্পাদনা: ফেরদাউস মিক্বদাদ

“তারা কি দেখে না যে, আমি রাত্রি সৃষ্টি করেছি তাদের বিশ্রামের জন্য এবং দিনকে করেছি আলােকময়। নিশ্চয় এতে ঈমানদার সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। প্রিয় পাঠক! রাত যখন ঘাের হয়, নিকষ কালাে অন্ধকার যখন ঢেকে নেয় সমগ্র পৃথিবীকে তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলার আহবান “কে আছ এমন যে, আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে আছ এমন যে, আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে তা দিব। কে আছ এমন যে, আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করব। (সহীহ বুখারী: ১১৪৫)

দোআ সব সময়ই করা যায়। তবে নির্জন রাতের নিস্তব্ধ পরিবেশে তাহাজ্জুদের সালাতে আল্লাহর কাছে দোআ করার বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।

রাসূলের ভাষ্য:
তাহাজ্জুদ সালাত তােমাদের নিয়মিতভাবে পড়া উচিত, কেননা এটা অতীতকালের সৎকর্মশীলদের পদ্ধতি ছিল এবং স্রষ্টার নৈকট্য লাভের মাধ্যম ছিল। এই অভ্যাস পাপকর্ম থেকে বিরত রাখে, মন্দকর্ম দূর করে আর শারীরিক রােগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করে। (তিরমিজি)

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা তাঁর বান্দার প্রতি বিভিন্ন সময়ে গাফফার-গফুর, রহমান-রহীম নামের উসিলায় ক্ষমার অদৃশ্য হাত সম্প্রসারিত করেন। বিশেষ করে পবিত্র মাহে রামাদানে। কারণ, এ মাসটি হচ্ছে রহমত ও কুরআন অবতীর্ন হওয়ার মাস, ক্ষমা ও শবে কদরের রজনীর ফজীলতপূর্ণ মাস।

রাসূল সা. বলেন:
“দুর্ভাগা তারা, যারা মাহে রামাদান পেয়েও মাগফিরাত বা ক্ষমা লাভ করতে পারল না।”

পবিত্র মাহে রামাদানের শুরুতে আল্লাহ তাআলা জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেন, জান্নাতের দরজা খুলে দেন এবং শয়তানকে শিকলবদ্ধ করে রাখেন। তাই শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়। নেক কাজে অগ্রগামী হতে পারে। বান্দা যখন উপবাস থেকে দিবসের শেষ প্রহরে উপনীত হয় তখন তার মাঝে বয়ে যায় অনাবিল সুখ-শান্তি। কেননা সে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে প্রভুর সন্তুষ্টি অর্জন করেছে।

হাদিস শরিফে বিতর সালাত পড়ার কয়েকটি পদ্ধতি আমরা দেখতে পাই। সেগুলাের আলােকে বিভিন্ন মাজহাবে একাধিক পন্থায় বিতর সালাত আদায়ের পদ্ধতি পরিলক্ষিতি হয় এবং তারাবী সালাতের সংখ্যা নিয়েও আমাদের সমাজে দেখা যায় তুমুল বিতর্ক-মতানৈক্য।

প্রিয় পাঠক! আর উপরােল্লিখিত এই সকল বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহর মাধ্যমে বিশদভাবে উল্লেখ করে মানুষের হৃদয়ে লালিত অসার মতানৈক্য নিরসন করে ইসলামের সঠিক জ্ঞান-ভাবনা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে গেঁথে দেয়ার জন্য দলীল-প্রমাণ দিয়ে উত্থাপন করেছেন আরবের বিশিষ্ট দাঈ, গবেষক, কলামিষ্ট সাইদ ইবনে ওহাফ আল কাহতানী রহ.

পরিমাণ

132  240 (45% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী

48 রিভিউ এবং রেটিং - রাতের আধাঁরে প্রভুর সান্নিধ্যে

5.0
Based on 48 reviews
5 star
95%
4 star
4%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
Showing 46 of 48 reviews (5 star). See all 48 reviews
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে বইটির নাম শুনেই বুঝা যায় গভীর রাতে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের উপায় । বইটিতে মোট তিনটি পরিচ্ছেদে ভাগ করা হয়েছে । এই তিনটি পরিচ্ছেদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত সম্পর্কে বলা হয়েছে । বইটিতে আলোচনা শুরু হয়েছে তাহাজ্জুদের সালাতের মাধ্যমে । রাত্রি জাগরণের মাধ্যমে তাহাজ্জুদের ফজিলত , আদব, এবং কারণ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে । মূলত বইটির প্রথম পরিচ্ছেদ জুড়ে তাহাজ্জুদের সালাত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে । এর পরবর্তী পরিচ্ছেদ অর্থাৎ দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে তারাবি সালাত সম্পর্কে । তারাবির সালাত সম্পর্কে সমস্ত বিধি বিধান , সময়, রাকাআত সংখ্যা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে । সর্বশেষে আলোচনা করা হয়েছে বিতিরের সালাত সম্পর্কে । অর্থাৎ বিতিরের সালাতের গুরুত্বপূর্ণ , সময় , রাকাআত সংখ্যা ইত্যাদি বিতিরের সালাতের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে তৃতীয় পরিচ্ছদের মধ্যে । আমরা জানি যে , এই তিনটি ইবাদত শুধুমাত্র রাত্রি জাগরণের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে । আর এর শুদ্ধ নিয়ম ও গুরুত্ব এবং এই ইবাদতগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে রাতের আঁধারে প্রভুর সান্নিধ্যে বইটিতে ।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top