মেন্যু
quran porichiti quran series 1

কুরআন পরিচিতি (কুরআন সিরিজ ১)

প্রকাশনী : মাকতাবাতুন নূর
পৃষ্ঠা : 192, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st edition 2020

কুরআন হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত এক মহা পবিত্র গ্রন্থ, আর এ কুরআনেই রয়েছে মানবজীবনের সকল সমস্যার সমাধান, এ কুরআন নিয়ে যারা গবেষণা করেছে তারা পেয়েছে হেদায়েতের নূর, পক্ষন্তরে যারা কুরআনের বিরুধিতা করেছে তারা হয়েছে পথভ্রষ্ট ও জাহান্নামি।কুরআন নাযিলের পর থেকে কাফের বেইমান মুশরিকরা কুরআন কে মিথ্যা প্রতিপ্রন্ন করার জন্য এমন কোন পন্থা বাদ রাখেনি যা তারা করেনি,আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন,যদি তোমাদের সন্দেহ হয় সেই বিষয়ে আমি যা নাযিল করেছি তাহলে তোমরা এমন কোন সূরা বানিয়ে দেখাও কুরআনের মত করে, এবং তোমরা তোমাদের পন্ডিতদের ডাক যদি তোমরা না জান।এই সেই কুরআন যাকে সকল কাফের মুশরিকরা মিলে ও একটা আয়াত বানাতে পারে নাই। আল্লাহ তায়া’লা কুরআনের মধ্যে ঘোষণা করেছেন এটা এমন কুরআন যা তোমরা কেয়ামত পর্যন্ত চেষ্টা করলে একটা সূরা তো দূরের কথা একটা আয়াত ও বানাতে পারবে না,এটাই কুরআনের বৈশিষ্ট্য। কুরআন পড়া কুরআন বুঝা এবং এ অনুযায়ী আমল করা আমাদের প্রতিটা মুসলমানের দায়িত্ব। আমরা কি জানি এ কুরআন কিভাবে নাযিল হয়েছে কোথায় কখন নাযিল হয়েছে, কোন সূরা কি প্রেক্ষাপটে নাযিল হয়েছে? এবং কুরআন নাযিল হওয়ার সময় হুজুর সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অবস্থা কেমন ছিল? এ সকল বিষয় নিয়ে মূলত আমাদের এই আয়োজন। কুরআন কে ভালোবেসে কুরআন অনুযায়ী আমাদের জীবন কে সাজানোর জন্য এই বইটি বেশ সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ।

পরিমাণ

236  337 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

3 রিভিউ এবং রেটিং - কুরআন পরিচিতি (কুরআন সিরিজ ১)

4.7
Based on 3 reviews
5 star
66%
4 star
33%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদ করেন কে ?
    অনেকেই বলেন বাবু গিরিশচন্দ্র সেন ৷
    আপনি কি জানেন এ তথ্য ভুল ?
    হ্যাঁ ঠিক তাই ৷ তিনি আল-কুরআনের প্রথম অনুবাদক নন ৷
    শুনুন তাহলে-
    সর্বপ্রথম ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন আংশিক অনুবাদ করেন ‘মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া’ ৷ এরপর ১৮৩৬ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ করেন ‘মৌলভী নঈমুদ্দীন’ ৷ ‘গিরিশচন্দ্র সেন’ শুধু উক্ত অনুবাদ পুস্তক আকারে সন্নিবেশ করেন ৷তার প্রকাশনা থেকে তিনি ছেপেছেন ৷ তাই গিরিশচন্দ্র হলেন প্রকাশক মাত্র ৷ তাও ৫০ বছর পর ১৮৮৬ সালে ৷ সুতরাং কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদ গিরিশচন্দ্র সেন নয় বরং ‘মৌলভী নঈমুদ্দীন’ পূর্ণাঙ্গ কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক ৷ আর ‘মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া’ হলেন বাংলা ভাষায় প্রথম আংশিক অনুবাদক ৷

    পবিত্র আল-কুরআন সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পড়তে পারেন

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 4 out of 5

    :

    ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টিকারী গ্রন্থ হিসেবে ভাস্বর হয়ে আছে পবিত্র আল-কুরআন। এটি অন্ধকারাচ্ছন্ন জাতিকে চিনিয়েছে সফলতার মঞ্জিল, স্থাপন করেছে বান্দা ও আল্লাহর মাঝে অন্যরকম এক সম্পর্ক। এটি মুমিনের হেদায়েতের আলোক মিনার, আঁকড়ে ধরার মজবুত রজ্জু।
    .
    তবুও আমাদের একটা বিরাট অংশ কুরআনের ইতিহাস এবং পরিচয় সংবলিত বিষয়গুলোর ব্যাপারে উদাসীন। এই শ্রেণীর মানুষদের কুরআনকে শেকড় থেকে জানতে উদ্বুদ্ধ করতে ‘মাকতাবাতুন নূরের’ অসাধারণ প্রয়াস ‘কুরআন সিরিজের‘ প্রথম বই-ই হচ্ছে ‘শাইখ আব্দুল্লাহ মাহবুবের’ “কুরআন পরিচিতি” বইটি।
    .
    ‖বিষয়বস্তুর‖
    কুরআনকে একেবারে গোড়া থেকে পরিচয় করিয়ে দেওয়াই বইটির মূল উপজীব্য। বেশকিছু শিরোনামের মোড়কে বইয়ের সম্পূর্ণ আলোচনাকে সর্বমোট সাতটি ভাগে ভাগ করে বিস্তর পর্যালোচনা করা হয়েছে কুরআনের গুণবাচক নামসমূহ, বৈশিষ্ট্য, রাসূল ﷺ এর নিকট ওহী নাযিল এবং কুরআন সংরক্ষণের ঘটনা, তেলাওয়াতের আদব, তরজমা, মাক্কী-মাদানী সূরার বৈশিষ্ট্য এবং সাত হরফের বর্ণনা, তাফসীর, মুফাসসীরিনে কেরামের জীবনী নিয়েও। সহিহ হাদিসের আলোকে কিছু আমলি সূরার ফজিলত মেলে ধরে সেগুলোতে আমলের আগ্রহ সৃষ্টির প্রয়াস চালানো হয়েছে। আমাদের অনেকে কুরআনের সূরাগুলো পড়লেও সেগুলোর শানে নুযুল অর্থাৎ ‘অবতরণের কারণ’ সম্পর্কে ওয়াকেফহাল নই। তাই লেখক এর গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে জ্ঞানপিপাসুদের এসম্পর্কে জানার উৎসও চিনিয়ে দিয়েছেন। পরবর্তী পাতাগুলোতে আছে নাসেখ-মানসূখ সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ আলোচনা।
    .
    ‖পাঠ-পর্যালোচনা‖
    লেখকের লেখনীর অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো আলোচনাকে অহেতুক দীর্ঘ না করে পরিমিত কথায় সমাপ্ত করা। বিশাল বিশাল কিতাবাদি সেঁচে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সহজবোধ্য ভাষাভঙ্গিতে পয়েন্ট আকারে উপস্থাপন করেছেন। মতানৈক্যের বিষয়গুলিতে আলেমদের প্রতিটি মতামতকে তুলে ধরে তন্মধ্যে বিশুদ্ধ মতটি বাতলে দিয়ে পাঠকদের জন্য সঠিক মতটি জানার ব্যবস্থা করা আছে।
    .
    তবে বেশ কিছু জায়গায় টীকার ঘাটতি অনুভব করেছি, যা বইয়ের গ্রহণযোগ্যতা আরো বৃদ্ধি করতো। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরবি পরিভাষার ব্যবহার হয়েছে কিন্তু সেগুলোর ভাবার্থ উল্লেখিত হয়নি, ফলে জেনারেলে পড়ুয়া কিংবা সাধারণ মানুষের তা বুঝতে অসুবিধে হবে; যেমনটি আমার হয়েছে।
    .
    .
    আর কতকাল অজ্ঞতার সাগরে হাবুডুবু খাবেন? যেই কুরআন হতে পারে পরকালীন মুক্তির উসিলা, যেই কুরআন প্রতিনিয়ত পাঠ করে যাচ্ছেন, সেই কুরআনকে জানার থেকেই বিমুখ হয়ে থাকবেন!? কুরআনকে জানার তো শেষ নেই, তবে প্রথমেই বিশাল বিশাল কিতাবাদি না পড়ে সংক্ষিপ্ত পরিসরে কুরআন আদ্যপ্রান্ত জানতে যেকোনো পর্যায়ের যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য বক্ষ্যমাণ বইটি অনবদ্য হবে। তাই দাওয়াহ্’র ক্ষেত্রেও বইটি অগ্রণী ভূমিকা রাখবে, ইন শা আল্লাহ। আসুন বইটিকে সঙ্গী বানিয়ে নেমে পড়ি কুরআনকে জানার এবং জানানোর সফরে।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    ❀বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।
    পবিত্র আল কোরআন হচ্ছে মানব জাতির কল্যাণে আল্লাহর দেয়া জীবন বিধান ।পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে এ পর্যন্ত যত গ্রন্থ সৃষ্ঠি হয়েছে এর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন।
    মানুষের সাথে তার সৃষ্টার সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করছে এ মহাগ্রন্থ আল কোরআন । মানব জাতির জন্য লাওহে মাহফুজ থেকে অবতীর্ণ হওয়া মহাগ্রন্থ আল কোরআন। অতীতে সকল নবীর দাওয়াত ও আসমানী গ্রন্থ সমূহের সার-নির্যাস মহাগ্রন্থ আল কোরআনে অন্তর্নিহিত আছে ।

    মহাগ্রন্থ আল কোরআনের আয়াত বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর নিকট জিবরাঈল (আ.) এর মাধ্যমে হেরা গুহায় অবতীর্ণ হয় ।
    দুনিয়ার সকল জ্ঞান-বিজ্ঞান ও ইলম বিদ্যার সমাবেশ ঘটেছে এ পবিত্র আল কোরআনে।
    কোরআনের ভাষা আরবী এবং আরবী ভাষায় প্রথম অনুদিত হয়। প্রথমে আয়াতগুলো বিক্ষিপ্ত পাতায়,ছালে,পাথরে কিংবা চামড়ায় লিপিবদ্ধ ছিল। সাহাবায়ে কেরামের সোনালি যুগ থেকে তাবেয়ীন ও ইমামগন যুগে যুগে কুরআন সংরক্ষনের কাজে নিয়োজিত ছিলেন।তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমেই কুরআন আজ অবদি সহীহভাবে আমাদের মাঝে পৌছেছে।

    সেই সোনালি যুগ আজ আর নেই। আজ আমরা পাশ্চাত্য সভ্যতার লেন্সে দুনিয়াকে দেখতে দেখতে কুরআন থেকে যোজন যোজন দূরে সরে যাচ্ছি। কুরআন পরিচিতি, কুরআনের ইতিহাস, নাযিলের প্রেক্ষাপট আজ হয়তো আমরা অনেকেই জানি না।

    তাই আমাদের কুরআন বিষয়ক অজ্ঞতাকে দূর করতে মাকতাবাতুন নূর প্রকাশনী এবং শাইখ আবদুল্লাহ মাহবুব ভাই এগিয়ে এসেছেন
    ❛ কুরআন পরিচিতি ❜ বইটি নিয়ে। আমাদের আজকের আলোচনা এই বইটি নিয়েই।

    ♦সংক্ষেপে বইটিতে যা যা রয়েছেঃ

    লেখক বইটিকে মোট পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত করেছেন। প্রত্যেকটি অধ্যায়ে রয়েছে বিস্তারিত আলোচনা।
    এখানে জানা যাবে, কুরআন সংকলন এবং সংরক্ষনের ইতিহাস,কুরআনের শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ,কুরআনের মৌলিক ও গুনবাচক নামসমূহ, লাওহে মাহফুয থেকে কুরআন যেভাবে নাজিল হয়েছে,রাসূল(সঃ) এর কাছে কিভাবে ওহী আসতো,তাফসীরের মূল উৎস,শানে নুযুলের পরিচয় ও গুরুত্ব,আরবি ভাষায় কুরআন নাযিল হওয়ার কারন,কুরআন ও হাদিসে কুদসীর মধ্যকার পার্থক্য, কুরআন সংরক্ষনের স্তরসমূহ,রাসূল (সঃ) এর যুগে কুরআন সংরক্ষন কেমন ছিলো,বিভিন্ন সূরাহের ফযীলতসহ এমন না জানা অনেক জরুরি বিষয় নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে।

    ♦আমার অনুভূতিঃ

    এবারের অনুভূতি একদমই অন্যরকম। শর্ট পিডিএফ এ মাত্র ৩০ পৃষ্ঠা পড়ে পুরো বইটি পড়ার ইচ্ছে বহুগুনে বেড়ে গিয়েছে।
    প্রথমেই বইটির সূচিপত্রে মুগ্ধ হই। কুরআনের সংরক্ষন সম্পর্কে আমার নিজেরই অনেক প্রশ্ন ছিলো,মাত্র ৩০ পৃষ্ঠা পড়েই আমি নতুন অনেক কিছু জেনেছি,কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরও পেয়েছি। কতো কিছু অজানা ছিলো।কুরআনের মৌলিক বিষয়বস্তু, সংকলন, সংরক্ষন আমরা কয়জনই বা জানি। কুরআনের মৌলিক এবং গুনবাচক নামসমূহ গুলোর বিষয়টি অনেক ভালো লেগেছে।যেমনঃ আল-কুরআন(অধিক পঠিত),আল-কিতাব(মহাগ্রন্থ),
    আল ফুরকান (মানদণ্ড),
    আন-নূর(আলো),মুবিন(স্পষ্টকারী)।
    মাত্র ৩০ পৃষ্ঠাতেই যদি এতো কিছু বিস্তারিত জানতে পারা যায়,তাহলে আমি মনে করি পুরো বইটি একটি জাগরন হতে যাচ্ছে।বইটি হতে পারে মাস্টরিড এবং মাস্টারপিস একটি বই।

    ♦বর্তমান সমাজ ও পারিপার্শ্বিক প্রেক্ষাপটে বইটির গুরুত্বঃ

    আধুনিক দুনিয়ায় আমরা কুরআনকে শুধুমাত্র একটা গ্রন্থ হিসেবেই যেন ধরে নিয়েছি।কিন্তু এটি একটি ঐশী গ্রন্থ।বর্তমান বিশ্বের বহু আবিষ্কৃত বিষয় ১৪০০ বছর আগেই কুরআনে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। আমার মনে হয়,বইটি পড়লে কুরআন সম্পর্কে মানুষের যতো প্রশ্ন,সংশয় তার অনেকটাই দূর হয়ে যাবে। নবীজীর যুগ থেকে আজ অবদি কুরআন কিভাবে সংরক্ষিত আছে বর্তমানে তা আমাদের সকলের জানা উচিত। আমি মনে করি,এ বিষয়ে বইটি সকলকে সাহায্য করবে।

    ♦বইটির কিছু বিশেষত্বঃ

    মাত্র ৩০ পৃষ্ঠা পড়েই বইটিকে এতো আলাদা মনে হয়েছে,না জানি পুরো বইটিতে আরো কি কি রয়েছে।

    ▣এমন বই বাংলা ভাষায় খুবই কম রয়েছে বলে আমার মনে হয়।
    ▣নবীজীর যুগে থেকে কুরআন সংরক্ষনের স্তরগুলো অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে,যা আমরা অনেকেই হয়তো জানতাম না।
    ▣আল-কুরআনের নামকরন এবং অর্থের মিল রাখার বিষয়টি অনন্য।
    ▣কুরআন ও হাদিসের মধ্যকার পার্থক্য।
    ▣লাওহে মাহফুয থেকে রমযান মাসে যেভাবে কুরআন নাজিল হয়েছে।
    ▣কুরআন কেন আরবি ভাষায়।
    এমন অনেক মূল্যবান সঠিক তথ্য বইটিতে বিদ্যমান।তাই আমার মনে হয়েছে,বইটি কুরআনের পরিচিতি বিষয়ক অন্য বই থেকে অনেকাংশে আলাদা।

    ♦বইটি কেন পড়বেন এবং কারা পড়বেনঃ

    এটি কোনো তাফসির বা হাদিসের মৌলিক বই নয়। আমার মনে হয়,এটি কুরআনের পরিচিতি,সংকলন,যুগের পর যুগ সংরক্ষন বিষয়ক প্রাথমিক লেভেলের একটি বই যেটি আমার মনে হয় সকলের পড়া উচিত। এখানে আপনি কুরআন সম্পর্কে মৌলিকজ্ঞান আহরন করতে পারবেন।

    যেহেতু কুরআন স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা প্রদত্ত বানী,গ্রন্থ এবং আল্লাহ তা’আলার আদেশ নিষেধ এই কুরআনের মাধ্যমেই আমরা জানতে পারি।তাই কুরআন বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান আমাদের সকলের জানা উচিত। আমার ধারনা এক্ষেত্রে এই বইটি আপনাকে সাহায্য করবে।

    ♦মন্তব্যঃ

    কুরআনের ইলম,জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে মহান রব আল্লাহ তা’আলাকে সন্তুষ্ট করাই হচ্ছে মানুষের জীবনের সর্বশেষ্ঠ কাজ এবং উদ্দেশ্য।সবশাস্ত্রের মূল হলো আল-কুরআনুল কারীম।এতে জীবনের সকল পরিসরের সমস্যার সমাধান রয়েছে।তাই কুরআনুল কারীম সম্পর্কে মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা আমাদের মৌলিক দায়িত্ব। আমার ধারনা, কুরআনের মৌলিক বিষয়াদির জ্ঞানার্জনে এই বইটি হতে পারে আপনার উত্তম সহায়ক।

    অন্যান্য জ্ঞানের উপর কুরআনের শ্রেষ্ঠত্ব, সৃষ্টিজীবের উপর আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্বের মতো। তাই একজন মুমিন হতে হলে কুরআনুল কারীমের জ্ঞান আহরন করা অত্যন্ত জরুরি।

    রাসূল(সঃ) বলেন,
    ❛ তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক উত্তম সপ ব্যক্তি, যে নিজে কুরআন শিখে ও অন্যকে শেখায়।❜
    (সহীহ বুখারী,৫০২৭)

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No