মেন্যু
takwa muminer shreshtho obolombon

তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন

প্রকাশনী : আয়ান প্রকাশন
অনুবাদক : মুহিব্বুল্লাহ খন্দকার
পৃষ্ঠা : 192, কভার : পেপার ব্যাক
ভাষা : বাংলা

তাকওয়া শব্দের আভিধানিক অর্থ, বেঁচে থাকা, দূরে থাকা, পরহেজ করা, নিজেকে বাঁচানো ইত্যাদি। পরিভাষায় এটি আল্লাহকে ভয় করার অর্থে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ আল্লাহর শাস্তি ও তাঁর আজাবের ভয়ে গুনাহ ও অবাধ্যতা থেকে মুক্ত থাকার নামই হল তাকওয়া। জাহান্নামের আজাবের ভয়ে গুনাহে লিপ্ত হওয়া থেকে বেঁচে থাকা।
ইমাম রাগেব ইসফাহানি বলেন, ‘তাকওয়া বলা হয় নফসকে সেসব জিনিস থেকে বাঁচানো যেগুলোর ব্যাপারে ভীতি প্রদর্শন করা হয়। তাকওয়ার এই অর্থই সঠিক ও যথার্থ।

মুত্তাকি মানে হলো পরহেজগার ব্যক্তি; যিনি তাকওয়া অবলম্বন করেন। তাকওয়ার বিভিন্ন স্তর রয়েছে। যথা:
১। সাধারণ তাকওয়া। যেমন, কুফর থেকে বেঁচে থাকা।
২। বিশেষ তাকওয়া। যেমন, সন্দেহ-সংশয়মূলক জিনিস বা বিষয় থেকে হারাম হয়ে যাওয়ার ভয়ে বেঁচে থাকা।
৩। সর্বোচ্চ পর্যায়ের তাকওয়া। যেমন, মুবাহ এবং সন্দেহমূলক জিনিস থেকে বেঁচে থাকা।

আল্লাহ ও তাঁর রাসুলদের আদেশ তাকওয়া অবলম্বন করো—

মহান আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মানুষকে তাকওয়া অবলম্বন করার আদেশ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন— ‘তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্বে আমি যাদেরকে কিতাব দিয়েছি তাদেরকে আদেশ করেছি যে, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো।’ (সুরা নিসা: ১৩১)

আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘সুতরাং সে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।’ (সূরা বাকারা: ২৪)

অন্য জায়গায় আরো বলেন, ‘আর সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারো সামান্য উপকারে আসবে না।’ (সূরা বাকারা: ৪৮)

এক হাদীসে এসেছে, হযরত আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের বদৌলতে বেশিরভাগ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেনঃ তাক্বওয়া ও সচ্চরিত্রের বদৌলতে। তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি অংগ- মুখ ও লজ্জাস্থান। [৩৫৭৮]
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৪২৪৬ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস)

       তাকওয়ার স্থান হল হৃদয়। নীরবে নিভৃতে, একাকী সর্বদা অন্তরে আল্লাহর ভয় থাকার নামই হল তাকওয়া। প্রতিটি আমলের ক্ষেত্রে বান্দার নিয়ত খালেস হওয়া শর্ত। যদি বান্দার নিয়ত থাকে প্রসিদ্ধি অর্জন এবং লোক দেখানো তাহলে তাকওয়া সামান্যও অর্জিত হবে না। তাকওয়া অবলম্বন করা ব্যতীত প্রকৃত মুমিন হওয়া অসম্ভব। জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে হলে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে হলে আবশ্যিকভাবে তাকওয়া অর্জন করতে হবে। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা তা জানেন যা তোমাদের অন্তরে রয়েছে।’
(সূরা মায়িদা: ৭)

তাকওয়া তথা খোদাভীতির ফায়দা ও উপকারিতা এবং আবশ্যকীয়তা সহ মুত্তাকিদের ঘটনা এবং তাদের উত্তম পরিসমাপ্তির ব্যাপারে জানতে হলে পড়ুন ‘তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন’ ।

পরিমাণ

160  320 (50% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ৪৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি প্রিমিয়াম বুকমার্ক ফ্রি!

- ৬৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি একটি আমল চেকলিস্ট ফ্রি!

- ৮৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি বই ফ্রি!

- ১,১৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি আতর ফ্রি!

- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী

27 রিভিউ এবং রেটিং - তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন

4.7
Based on 27 reviews
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 3 out of 5

    :

    📑তাকওয়া: মুমিনের শ্রেষ্ঠ অবলম্বন:-
    মুত্তাকীদের পরকালের পাথেয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম পাথেয় হলো “তাকওয়া”। যার পারিভাষিক অর্থ হলো ইহসান ভাবে ইবাদত করে যাওয়া। আল্লাহ তাকে সর্বদা দেখছেন এই ভয়ে সমস্ত পাপ প্রবৃত্তিকে দমন করে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকা। সে তখনই এই বিষয়ে পারদর্শী হয়ে উঠবে যখন জানতে পারবে তাকওয়ার মূল সংজ্ঞা। আওল ইবনু আব্দুল্লাহ বলেন-
    “তাকওয়ার পূর্নতা এভাবে হয় যে , বান্দা যে বিষয়ের জ্ঞান অর্জন হয় সেগুলোর মাধম্যে অজানা বিষয়ের জ্ঞান ও অর্জন হয়ে যায়।” বান্দার যদি অজানা থাকে তাকওয়ার সংজ্ঞা তাহলে সে গর্হিত কাজ করে ফেলার পরও কোনো অনুশোচনা কাজ করবে না ।
    “আর তোমরা পাথেয় সঙ্গে নিয়ে নাও, নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। হে বুদ্ধিমান! আর আমাকে ভয় করতে থাকো”[ সূরা-বাকারা: ১৯৭]
    সেই ব্যক্তি কীভাবে মুত্তাকি হতে পারে, যার এই জ্ঞান নেই যে, কীসের ভয় করতে হবে এবং কীসের থেকে বেঁচে থাকতে হবে? তাকওয়া যার মূল ভিত্তি ও বুনিয়াদ, যা মুমিনের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন প্রকৃত মুমিন তাকওয়া দ্বারাই পরিচালিত হয়ে সে তার প্রবৃত্তি দমন করে দূরে এবং সৎকাজে অনুপ্রাণিত হয়। কোরআন কারিমে বলা হয়েছে, ‘’তোমরা যারা ইমান এনেছ, তারা তাকওয়া অর্জন করো।’’ [সুরা-আহজাব: ৭০]।
    আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘’যারা ইমান আনল এবং তাকওয়া লাভ করল, তারা আল্লাহর বন্ধু; তাদের কোনো ভয় নেই, তারা চিন্তিতও হবে না।’’
    [সুরা-ইউনুস: ৬২]
    শরীয়ভাবে তাকওয়ার যে পারিভাষিক অর্থ পাওয়া যায় তার সংক্ষিপ্তরূপ এই যে তাকওয়ার মাধম্যে আল্লাহর ইবাদত করা, তাঁর আদেশসমূহ অনুসরণের মধ্যে দিয়ে নিষেদসমূহ থেকে বিরত থাকা।তাঁর নিয়ামত অর্জনের আশা রাখা।
    তাকওয়ার অন্তস্থল হলো হৃদয়। অন্তরের নিয়ত অনুসারে আমল করা না হলে, তাকওয়া অর্জিত হওয়া অসম্ভব। আল্লাহ বলেন “তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিঃসন্দেহে আল্লাহতায়ালা ভালো জানেন যে তোমাদের অন্তরে রয়েছে।”[সূরা-মায়িদা: ০৭]

    📖 বইয়ে যা আছে
    ____________________
    বক্ষমান বইটির শর্ট পিডিএফের সমগ্র জুড়ে দেখতে পাওয়া যায় কুরআন ও হাদীসের আলোকের মাধম্যে তাকওয়ার সংজ্ঞা, বিস্তারিত পর্যালোচনা,করণীয় ও বর্জনীয় দিক। আল্লাহর অবাধ্যতা থেকে বেঁচে থেকে আখিরাতের পাথেয় সঞ্চায়নের ধারণা আপনাকে দেবে। তাকওয়া অবলম্বনে সালাফদের বক্তব্য তুলে ধরার পাশাপাশি এর করণীয় ও বর্জনীয় দিক গুলো সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে।

    📖 বইটি কেন পড়বেন?
    ____________________________
    প্রত্যেক মুমিনের তাকওয়া সম্ব্ধে জ্ঞান থাকা আবশ্যক। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
    কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের বদৌলতে বেশিরভাগ লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনি বলেনঃ তাক্বওয়া ও সচ্চরিত্রের বদৌলতে। তাকে আরও জিজ্ঞেস করা হলো, কোন্‌ জিনিসের কারণে অধিকাংশ লোক জাহান্নামে যাবে? তিনি বলেনঃ দু’টি অংগ- মুখ ও লজ্জাস্থান। [৩৫৭৮]

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    ⬛️ভূমিকা
    ◼️ছোটবেলা থেকেই আমরা “সততা একটি মহৎ গুন”,”মিথ্যা বলা মহাপাপ” ইত্যাদি বলে আসলেও বাস্তব জীবনে আমরা এর প্রতিফলন দেখাতে পারি না। সততা,বিশ্বস্ততা ইত্যাদি কোন অবহেলিত বস্তুর মতোই আমাদের কাছে বিবেচিত হয়। অথচ আমরা জানি না এসব চারিত্রিক গুনাবলির মহত্ত।আমরা ধরে রাখতে পারি না একটা সুন্দর চরিত্র। এসব বিষয়ের গুরত্ব বোঝা কিংবা এগুলোর চর্চা করা আমাদের তথাকথিত ব্যস্ততাপূর্ণ জীবনের অন্তরালেই রয়ে যায় ।
    ◼️ যেখানে সুন্দর চরিত্রই আমাদের ঈমানের অন্যতম মানদন্ড সেখানে আমরা এর প্রতি অত্যন্ত উদাসীন। তাই সুন্দর চরিত্র গঠন ও আমাদের ঈমানী বন্ধনকে দৃঢ় করার জন্য আয়ান প্রকাশন এর উদ্যেগে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে “মুসঅাদ হুসাইন মুহাম্মদ” রচিত “আহলুল্লাহ মুনীব” অনুদূতি “দ্য বন্ড অফ ফেইথ” বইটি।

    ⬛️যা যা থাকবে বইটিতেঃ
    ৩০ টি আলাদা আলাদা শিরোনামে সুন্দর চরিত্র গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে বইটিতে।যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু শিরোনাম হচ্ছে বন্ধু নির্বাচন,বিশ্বস্ততার প্রাধান্য,কৃত্রিমত্তা পরিহার করো,ভুলগুলো ক্ষমা করো,ভ্রাতৃত্বের শিষ্টাচার ইত্যাদি । গল্প,কুরআন ও হাদিসের আলোকে সহজ ও সাবলীল ভাষায় উক্ত বিষয়গুলো আলোচনার কারণে পাঠকের সবগুলো বিষয় বুঝতে সুবিধা হবে এবং এখান থেকে পুর্নাঙ্গ জ্ঞান লাভ করে বাস্তব জীবনে সেগুলোর প্রয়োগ করে নিজের চরিত্রকে আরো উন্নত করে নিজের ঈমানী বন্ধনকে আরো মজবুত করতে পারবে ইন শা আল্লাহ।
    একনজরে বইটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যঃ
    ◼️ কুরআন ও হাদিসের আলোকে সুন্দর চরিত্র গঠনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বর্ননা।
    ◼️গল্পের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সম্পর্কে পাঠদান।
    ◼️বাস্তব জীবনে সুন্দর চরিত্র চর্চার প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ বিস্তারিতভাবে বিবরণ দেওয়া।
    ◼️সহজ,সরল ভাষায় প্রত্যেকটি বিষয় উপস্থাপন।
    ◼️সুন্দর অলংকরণ ও বিন্যাস।
    ◼️সর্বোপরি, বইটির সরল অনুবাদ বইটিকে পূর্নতা দান করেছে।

    ⬛শর্ট পিডিএফ পড়ে আমার পাঠ্যানুভুতিঃ
    বইটির পড়ার শুরুতেই যে বিষয়টি আমাকে মুগ্ধ করেছে সেটি হলো বইটির অলংকরণ ও বিন্যাস। এককথায় চমৎকার। যার কারণে বইটিতে মনোযোগ ধরে রাখা অনেকটাই সহজ হবে। তাছাড়া,বইটির অনুবাদ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। বইটির সহজ ও সরল অনুবাদই বইটিকে পূর্নতা দান করেছে। প্রত্যেকটা অধ্যায়তেই কুরআন ও হাদিসের রেফারেন্স এর কারণে পাঠকের মনেও কোন বিষয় নিয়ে সন্দেহপ্রবনতায় ভোগার সুযোগ নেই। সবাই বইটি থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবে বলে আমি আশাবাদী। প্রত্যেক মুসলিমেরই বইটি একবার হলেও পড়ে দেখা উচিত।

    ⬛ যে কারণে বইটি আপনার পড়া উচিতঃ
    একজন মুসলিম হিসেবে উত্তর চরিত্র থাকা আমাদের সবারই আবশ্যক একটি বিষয়। উত্তম চরিত্র ঈমানী বন্ধন দৃঢ় করে,সবার সাথে সম্পর্ক সুন্দর করে ও আখিরাতের সফলতার পথের দিকে মানুষকে ধাবিত করে। তাছাড়াও একটি সুন্দর সমাজ গঠনের জন্যও এর গুরুত্ব অপরিসীম। উত্তম চরিত্র চর্চার মাধ্যমে বিষাক্ত সমাজকে অনেকটাই পুনর্গঠন করা সম্ভব। এর জন্য সর্বপ্রথম আমাদের নিজেরদেরকে বদলাতে হবে। তবে দিশেহারা পথিকের যেমন একটা নির্দেশনা প্রয়োজন তেমনি আমাদেরও এক্ষেত্রে একটি নির্দেশনা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আয়ান প্রকাশন থেকে প্রকাশিতব্য “দ্য বন্ড অফ ফেইথ” আপনার জন্য একটি দিক নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে। আশা করি বইটিকে অনুসরণ করে আপনারাও পৌছে যেতে পারবেন আপনাদের কাংখিত সফলতায়। ইন শা আল্লাহ।

    ◼️ মুসলিম জাতির জন্য একটি ম্যাসেজ,
    ◾জীবনে চলার পথে আমরা সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি না । অনেক সময় আমরা ভুল লোকের সাথে মিশের আমাদের সুন্দর চরিত্রকে কুলষিত করি । আমরা আল্লাহ তায়লার কাছে সবসময় এধরণের লোকের থেকে পানাহ চাইবো এবং এধরনের মানুষের সাথে বন্ধুত্ব করব না । এজন্য আমাদেরও বন্ধু নির্বাচনের জন্য কিছু জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব । “দ্য বন্ড অফ ফেইথ” বইটির বন্ধু নির্বাচন অধ্যায়টি এক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য করতে পারবে । আমরা সবসময় ভালো মানুষকে আমাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহন করবো এবং এসব মানুষকে আমাদের সাথে মিশতে দিয়ে আমাদের পরকালীন সফলতাকে রহিত করবো না । আল্লাহ তায়লা সবাইকে সফলতা দান করুক । আমীন ।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top