মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২

চতুর্দশ প্রকাশ: জানুয়ারি ২০২০
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৪০
কভার: পেপার ব্যাক

ইসলাম কারও শত্রু হতে আসেনি। ইসলাম এসেছে মানুষকে ভুলে যাওয়া ওয়াদা স্মরণ করিয়ে দিতে, যে ওয়াদা আমরা প্রত্যেকেই দিয়ে এসেছি আল্লাহর কাছে রূহের জগতে। এবং আমাদের আসল শত্রু ইবলিশ শয়তানকে চিনিয়ে দিতেই আল্লাহ্‌ পাঠিয়েছেন যুগে যুগে নবি রসূল। কিন্তু কিছু লোক সেই শত্রুকে ছেড়ে ইসলামকেই শত্রু হিশেবে নিয়েছে! এর পেছনে একাধিক কারণ থাকলেও অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, নষ্ট হওয়া ফিতরাতি বুঝ। সহজাত বিবেক যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেবার কথা অনায়াসে, সে বিষয়েই সে সংশয়গ্রস্ত বিভিন্ন যুক্তিতে। কখনো বিজ্ঞান, কখনো জাতীয়তাবাদ, কখনও-বা পশ্চিমাদের বুলির প্রতিফলন ঘটে তাদের মাঝে।
আপাদমস্তক এদেরকে যুক্তিবাদী মনে হলেও বস্তুত এদের অধিকাংশই স্রেফ বিদ্বেষ পোষণকারী। সত্য-মিথ্যার মানদণ্ডকে ঘুরিয়ে দেয়া, অতঃপর জেনে বুঝে ইসলামের সাথে শত্রুতায় লিপ্ত হওয়া—এটাই এদের উদ্দেশ্য। নাস্তিক্যবাদের আড়ালে এভাবে ইসলাম বিদ্বেষ লালন শুরু হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগেই। তথাপি এদের কথার মারপ্যাঁচে পড়ে অনেক বুদ্ধিদীপ্ত যুবক-যুবতী ধরছে নাস্তিকতার পথ। এদের অনেকেই সত্য-সন্ধানী।
সত্যের প্রতি বিনয়ী সেই যুব সমাজের জন্য আরিফ আজাদ নিয়ে আসে এই বাংলার জমিনে ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’। গল্পের আঙ্গিকে, যুক্তি এবং বিজ্ঞানের আলোকে সংশয়বাদীদের মাঝে প্রচলিত সকল প্রশ্নের জবাব তিনি লিখেছেন বইটিতে। ইতিপূর্বে পাঠক সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এই বই। ছাত্র-শিক্ষক থেকে শুরু করে মানুষ দলে দলে কেনা শুরু করে বইটি এবং সংশয়ের পথ ছেড়ে ইসলামের পথে ফিরে আসে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ-২

পরিমাণ

235.00  336.00 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

15 রিভিউ এবং রেটিং - প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুন_২০২০
    Book: প্যারাদক্সিক্যাল সাজিদ-০২
    Author: আরিফ আজাদ

    লেখক প্যারাদক্সিক্যাল সাজিদ নামে প্রথমে একটি বই বের করার পর তা মাশআল্লাহ পাঠকসমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। এরপরেই আসে প্যারডক্সিক্যাল সাজিদ-০২ যা ঐ প্রথম বইটিরই ২য় খণ্ড।

    বইটি বলা যায় সম্পূর্ণই আগের বইটির মত করে লেখা হয়েছে। কিন্তু আমার কাছে প্রথম খণ্ডের তুলনায় ২য় খণ্ড বেশি ভালো মনে হয়েছে সাহিত্যের দিক বিবেচনায়, যদিও যুক্তির দিক দিয়ে এটিও আগের বই এর মতই মাশআল্লাহ অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপিত।

    এটির আলোচ্য বিষয়বস্তু ছিল “ইসলাম কি অমুসলিমদের অধিকার নিশ্চিত করে?”, “রাসূলের(সা.) একাধিক বিবাহের নেপথ্যে”, “সূর্য যাবে ডুবে”, “সমুদ্রবিজ্ঞান”, “কুরআন কেন আরবি ভাষায়?”, “কাবার ঐতিহাসিক সত্যতা”, “নিউটনের ঈশ্বর” ছাড়াও আরও নানা বিষয়।

    নাস্তিক ভাইবোনের এসব যুক্তি বহুল প্রচলিত। তাদের যুক্তিগুলো ভুল প্রমানে লেখকের লেখা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

    লেখক মাশাআল্লাহ প্রতিটি যুক্তিকেই অনেক রেফারেন্স দ্বারা প্রমাণ করেছেন। মুসলিম হয়েও ইসলাম সম্পর্কে অনেক কিছুই জানি না। আলহামদুলিল্লাহ্‌ বইটি পড়ে অজানা অনেক কিছু সম্পর্কেই জানতে পেরেছি।

    তাই আপনিও বইটি পড়ে দেখতে পারেন, হয়ত আপনিও অনেক কিছু খুঁজে পাবেন যা আপনার অজানা এখনও।

    Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    নাস্তিক। বর্তমান সময়ের জন্য শব্দটা খুবই পরিচিত। শৈশবে বাক্য সংকোচনে পড়েছিলাম অাল্লাহকে বিশ্বাস করে যে- অাস্তিক, অাল্লাহকে বিশ্বাাস করে না যে- নাস্তিক। কিন্তু কখনো ভিন্নরূপে ভাবার সুযোগ হয়নি। হঠাৎ একদিন রকমারিতে চোখ পড়ে দেখি একটা বেস্টসেলার বই। বইয়ের ভিতরে দেখলাম। দেখে অবাক হয়ে যাই! পুরো বইটা ইসলামিক, তাও অাবার বেস্টসেলার। পড়দিন অামার এক বন্ধুর সাথে বইটা সম্পর্কে কথা বলি। ও বললো বইটা নাকি চিনে। এরপর একদিন প্যারাডক্সিক্যাল সজিদ বইটা উপহার দিলো। বাসায় এসে বইটা হাতে নিয়ে পড়া শুরু করলাম। যতই পড়ি ততই অবাক হই।কখনো চিন্তাও করতে পারিনি কুরঅানে এত বিষ্ময়কর বিষয় অাছে। অথচ অামি এই কুরআন সারাজীবন শুধু তোতা পাখির মত পরেই গেছি। এটা যে পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা বই কখনো এই চিন্তা মাথায়ই আসেনি। মূলত তোতা পাখির মত সারাজীবন অাওরাণোর জন্যই মুসলিম হয়েও নিজের ধর্ম গ্রন্থ সম্পর্কে কিছুই জানি না। না জানার দরুন অনেকেই একটা সময় এসে বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কতিপয় মানুষের পাল্লায় পড়ে নাস্তিক হয়। সমস্যা একটাই কুরঅান না বুঝে তিলাওয়াত করা। যাহোক, একসময় বইটার ১ম খন্ড শেষ করি। এরপর শুরু করি ২য় খন্ড পড়া। সেটা পড়েও অামি বাকরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছিলাম। এরপর থেকেই শুরু হয় নতুন করে দ্বীনের পথে চলা। যদিও অাগে নামাজ -রোজা সবই করা হতো, কিন্তু খাপছাড়াভাবে। যাহোক সাজিদ সিরিজটি শুধু অামার না অনেকের হেদায়েতের মাধ্যম হয়েছে। একসময় মামুষ হিমু হতে চাইত অার এখন হতে চায় সজিদ।
    এবার নাস্তিকদের প্রশ্নগুলোর দিকে লক্ষ করলে দেখা যাবে প্রশ্নগুলো খুবই দুর্বল। একদম কাঁচা ইটের মত। তবুও মানুষ নাস্তিক হয় এর একটাই কারণ ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব। কিন্তু অামরা বিষয়টি বুঝি না অথবা বোঝার অাগেই অঘটন হয়ে যায়। অার অামাদের মা-বাবারও কিছু করার থাকে না। তাই অবহেলা না করে শৈশব থেকেই ইসলামের সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। ইসলামি শিক্ষা ছাড়া নাস্তিকতা দমানো সম্ভব না। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বইটি নাস্তিকদের সমূলে উৎপাটন করতে সাহায্য করবে বলে অামার প্রত্যাশা। সাথে সাথে অনেকের হেদায়েতের উসিলাও হবে। কিন্তু সবাই তো অার হেদায়েতের অালো পাবে না। “অাল্লাহ যাকে চান তাকে হেদায়াত দান করেন।” বইটি লিখেছেন সময়ের তরুন লেখক অারিফ অাজাদ। এটিই তার লেখা প্রথম বই এবং প্রথম সিরিজ।
    ‘অার কতকাল উর্দ্ভান্ত হয়ে পথে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়াবে?অাজই ফেরা হোক তীরে।’

    অাল্লাহই তৌফিক দাতা।

    Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    ___নীলু’দার কথা অনুযায়ী ‘কুরআন নারীকে শস্যক্ষেত্রের সাথে তুলনা করতে গিয়ে নারীকে অপমানের মুখে ফেলেছে’ একথা সম্পূর্ণভাবে নারীদের জন্য চরম অপমানজনক। নীলু’দার কথার উপর সাজিদ নীলু’দাকে বুঝাতে গিয়ে নানারকম হাদিস, দলিল আর বিভিন্ন প্রমাণ তুলে ধরেছে। যার প্রেক্ষিতে স্পষ্ট একটি আয়াত কুরআনে নাযিল হয়েছে। নিশ্চয়ই আমাদের কুরআনের সবদিক অনুশীলন করা উচিৎ। না জেনে না বুঝে অনেকেই নীলু’দার মতো ভুল অর্থ, ভুল মানে খোঁজার বৃথা চেষ্টা করি। ভুল অর্থ না খুঁজে কুরআনকে ভালোভাবে জানলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। তাই যেকোনো কিছু বলার আগে কুরআনকে ভালোভাবে জানা দরকার।

    ___তিন অন্ধের হাতি দর্শনের গল্পটাও দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে সাজিদ। যার কোনো বর্ণনা হয় না। কোনোকিছু অনুমান করে বলে দেওয়া উচিৎ নয়, ভালো করে দেখেশুনে, সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে জিনিসটার পার্থক্য গণনা করা উচিৎ। অনুমান যে সবসময় সঠিক হবে তার তো কোনো মানে হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনুমান ভুল প্রমাণিত হয়। আমাদের উচিৎ এই আন্দাজে ঢিল ছুঁড়ে মারা বিষয়টা রাতারাতি পরিবর্তন করা।

    একান্ত কিছু কথা বইকে ঘিরে : কুরআনের কোন জায়গায় কোন কথা উল্লেখ আছে সবটাই সাজিদ কুরআনের ভাষা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে। পৃথিবীকে জানতে হলে, সবার আগে আমাদের জানতে এই পৃথিবী কার সৃষ্টি? কে তাঁর পরিচায়ক? কেন এই পৃথিবীর সৃষ্টি? কী উদ্দেশ্য আছে এই পৃথিবী সৃষ্টির পেছনে? আর সেসব প্রশ্নের উত্তর কেবল কুরআনে উল্লেখ আছে। যা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মানুষের হেদায়েতের জন্য নাযিল করা হয়েছে। যা যুগে যুগে অপরিবর্তনীয় এবং যে কিতাব সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ রাসুল অর্থাৎ, হযরত মুহাম্মদ স: এর উপর দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে নাযিল হয়েছিল। এই কিতাবটাই হলো- মহাগ্রন্থ আল কুরআন।
    যাতে উল্লেখ আছে – ‘ذالك الکتاب لا ریب فیه’

    অর্থাৎ, ‘এটা এমন একটি কিতাব যাতে সন্দেহের বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই।’

    আমার অনুভূতি : অনুভূতি সম্পর্কে যাই প্রকাশ করবো সেটাই কম হবে। বইয়ের ভেতরে খারাপ বা ভুল কোনো ত্রুটি আমার চোখে পড়েনি। তাই লেখক সম্পর্কে খারাপ কিছু তুলে ধরার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নেই। এমন বই পড়লে গহীন অন্ধকারের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিও আলোর দিশা খুঁজে পাবে। আমার মতে; যদি দ্বীনের পথে আসতে চাও, যদি ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে জানতে চাও, যদি আল্লাহর ও তাঁর রাসুলের সান্নিধ্য লাভ করতে চাও তাহলে অবশ্যই প্যারাডক্সিকাল সাজিদ ২ বইটি সংগ্রহ করে নাও। এতে ইসলামের প্রায় সব দিকই তুলে ধরা হয়েছে। যে এই বইটা পড়বে তারই কেবল মনে হবে, ‘সে জ্ঞানের সাগরে সাঁতরে চলেছে প্রবল শক্তি আর সাহসের বেগে।’ আমারও সেটাই মনে হয়েছে। জ্ঞান যেখানে ভরপুর সেখানে ভয় থাকার কথাই না। অসামান্য সৌন্দর্যের অধিকারী এই বই! আর বইয়ের ভেতরে কালো রঙে সাজানো প্রতিটা শব্দের তরঙ্গ যেন বিধাতাকে জানার আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

    পছন্দের চরিত্র : প্যারাডক্সিকাল সাজিদ মানেই আমাদের সবার প্রিয় যুক্তিবাদী সাজিদ। এমন গুছানো কথা, যা মুহুর্তেই মন ছুঁয়ে যায়। হৃদয়ের গভীর থেকে আরো গভীরে তুমুলভাবে ধাক্কা দেয়। ঘুমন্ত হৃদয়কে জাগিয়ে তুলে যার কিছু হাদিস, কিছু অসাধারণ কথার যুক্তি! তাইতো সাজিদ সবার মনেপ্রাণে মিশে আছে। মিশে আছে সাজিদের কিছু জ্ঞান মূলক যুক্তি।

    সমাপ্ত….

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    বইঃ প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২
    লেখকঃ আরিফ আজাদ
    প্রকাশনীঃ সমকালীন প্রকাশন
    গায়ের দামঃ ৩৬৯ টাকা (হার্ডকভার), ৩৩৬ (পেপারব্যাক)
    পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২৩৬

    বইটি কেন পড়বেন?
    ++++++++++++++
    বিশ্বাসের মজা, আনন্দ, জিতে যাওয়ার তীব্র প্রশান্তি পেতে এই বইটি পড়তেই হবে। অণ্যতম বেস্টসেলার বই। নাস্তিক, বিধর্মীদের নানা প্রশ্নের মোক্ষম জবাব পেতে এই জনপ্রিয় বইটি বেশ কাজে দিবে। গল্পের ছলে লেখা বিভিন্ন যুক্তিপূর্ন কথা, রেফারেন্স, আলোচনা বেশ মজা দিবে। একবার বইটি হাতে নিলে গল্পটা শেষ করে উঠতে ইচ্ছা হবে না। পুরা বইটা নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ। সুতরাং যারা একটু দ্বিধান্বিত আছেন, ইসলাম সম্পর্কে নানা প্রশ্ন নিয়ে আছেন তাদের জন্য এই বইটি পারফেক্ট, আর যারা বিশ্বাসী তাদের ঈমানকে আরো দৃড় করবে এই বই।

    বই সম্পর্কে নিজের মন্তব্যঃ
    ++++++++++++++++++
    সাজিদ চরিত্রটি আমার আগে থেকেই পছন্দ। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ পড়ার পর যখন জানলাম যে প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ আসছে তখন থেকেই অপেক্ষায় ছিলাম কবে বইটি পড়বো। আলহামদুলিল্লাহ পড়ে তৃপ্ত হয়েছি। নাস্তিক, বিধর্মীদের নানা প্রশ্ন, কুযুক্তির জবাব যেমন এই বইয়ে আছে তেমনি আল কুরআনের সৌন্দর্য্য, ভাষার মিরাকল ইত্যাদি নিয়েও লেখা আছে যা বিশ্বাসীদের বেশ আনন্দ দিয়েছে। সব মিলিয়ে খুবই তথ্যপূর্ন, ব্যালান্সড, যৌক্তিক একটি বই হয়েছে। সব তরুনের, যুবকের এই বইটি পড়ে বিশ্বাসকে পাকা পোক্ত করা উচিৎ। অন্যদের কে সঠিকভাবে যুক্তি দিয়ে জবাব দেয়ার পদ্ধতি ও এই বই থেকে শেখা উচিৎ।

    বইয়ের সংক্ষিপ্তসারঃ
    ++++++++++++++
    শুরুতেই আছে প্রকাশকের কথা। প্রতারনা, যুক্তি, ষড়যন্ত্রের জাল ছিড়ে বরাবরই ইসলাম বের হতে পেরেছে, সেটা এই বইয়ে দেখিয়েছেন ও বাস্তবে গল্পের মাধ্যমে প্রমান করে দিয়েছেন লেখক। এই প্রজন্মের জন্য এই ধরনের বই এক একটা মাইলফলকের ন্যায় কাজ করছে বলেই মনে করে সমকালীন টীম।
    লেখকের কথায় লেখক শুকরিয়া জ্ঞাপন করেছেন প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বইটির সাফল্যে। এটি এখন পর্যন্ত একটি অন্যতম বেস্টসেলার বই। তরুন, যুবক মনে জমে থাকা সন্দেহের বীজ অনেকখানি দূর করতে চেষ্টা করে গেছে সাজিদ। এর কারনেই পরের পর্ব লেখার সাহস, উৎসাহ, অনুপ্রেরণা পেয়েছেন তিনি। তিনি এই বইয়ে নাস্তিকদের যুক্তি খন্ডনের পাশাপাশি একঘেমেয়ি দূর করতে ইসলামের নানা সৌন্দর্য্যও তুলে ধরেছেন।
    বইয়ের মূল অংশ তে মোট ১৬ টি গল্প স্থান পেয়েছে। সব ক্ষেত্রেই সাজিদ জবাব দিয়ে প্রশ্নকারী, কুতর্ক কারীদের হারিয়ে দিয়েছে খুব সফলভাবে, সুন্দর উপায়ে, কোন প্রকার বাড়াবাড়ি না করে।
    বনু কুরাইজা নামক গোত্রের প্রতি কথিত অবিচারের জবাব দিয়ে ১ম গল্পের শুরু, আসলে মুহাম্মাদ (স) ও সাহাবীরা সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন সে সময়ে। এরপর এসেছে ইসমাঈল ও ইসহাক (আঃ) কে বড় ছেলে এই নিয়ে কুযুক্তির জবাব, প্রমান করা গিয়েছে যে ইসমাঈল (আঃ) ই ছিলেন বড় ছেলে। ইসলামে অমুসলিমদের অধিকার সংক্রান্ত পরের গল্পটি বেশ আকর্ষনীয়, তাদের বিষয়গুলো সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। তারা বেশ সম্মানের সাথে বিবেচিত হয় ইসলামে। কুরআন এ সময় নিয়ে বর্ননা ভুল আছে তার ব্যাখ্যা এসেছে, ২ রকম কথা আছে আসলে সেটা ঠিক নয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে, পাত্র ভেদে সময়ের পরিমান কম বেশি হয় তা সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। নারীদের শস্যক্ষেত্র বলে অপমান করা হয়েছে এমন ঠুনকো দাবীর বিপরিতে এগিয়ে পরের দুটি গল্পের প্লট। সবগুলোরই যুক্তিপূর্ন জবাবের মাধ্যমে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানো হয়েছে।
    স্যাটার্নিক ভার্সেস বই নিয়েও সালমান রুশদীর বিরুদ্ধে বেশ এক চোট নিয়েছেন লেখক। রাসূল কেন অনেকগুলো বিবাহ করেছেন তা নিয়ে অসাধারন সব যুক্তি জেনেছি পরের গল্প থেকে, সত্যিই তাঁর প্রতিটি বিবাহ ছিল যৌক্তিক, আল্লাহর বেঁধে দেয়া নিয়ম অনুসারে, মানুষকে শেখানোর জন্য। জান্নাতেও মদ থাকবে তবে সেটা হবে ভাল মদ এ বিষয়ে জানা যাবে এই বই থেকে। ডারউইনিজম কীভাবে নাস্তিকদের রসদ জুগিয়েছে চিন্তা, চেতনায়, আরবী ভাষায় কেন আল কুরআন রচিত হলো এবং এতে কি সুবিধা হলো এই বিষয়ে জানা যাবে পরের কটি গল্প পড়লে।
    সমুদ্রবিজ্ঞান সম্পর্কে আল কুরআনের কথা আছে যা সেদিন মানুষ আবিস্কার করতে পারলো কিন্তু আল্লাহ লিখে রেখেছেন কত আগেই, আছে ২৫ শে ডিসেম্বর বড়দিন বা যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন নিয়ে বিভ্রান্তির অবসান, অবাক হয়েছি! আসলেই যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন ২৫ সে ডিসেম্বর নয়! বিজ্ঞানী নিউটন যে ধর্ম সম্পর্কে অনেক গবেষনা করেছেন ও লিখেছেন তা জানা যায় এই সুন্দর বইটি থেকে। কিন্তু তাঁর এই সব গবেষনা খুব একটা প্রচার পায় না কারন তা হলে খ্রীষ্টান ধর্মের ট্রিনিটি প্রশ্নের মুখে পড়ে যাবে নির্ঘাত।
    শেষ দুই টি গল্পে বলা হয়েছে পরমানুর চেয়েও ছোট বস্তু থাকার বিষয়ে আল কুর আন এ উল্লেখ থাকা এবং সূর্য ডুবে যাওয়া বা আল্টিমেটলি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার কথা। অর্থাৎ বিজ্ঞানের অনেক কিছুই আল কুর আনে লেখা আছে যা আস্তে আস্তে আবিস্কার হচ্ছে।

    বইয়ের ভালো দিক/ খারাপ দিকঃ
    +++++++++++++++++++++++
    যুক্তি ও গল্পের গাঁথুনিগুলো চমৎকার লেগেছে। খারাপ দিক আসলে তেমন কিছুই খুঁজে পাইনি। শুধু মনের মধ্যে আক্ষেপ রয়ে গেছে এখনো প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ৩ পেলাম না। বইয়ের বাঁধাই, ছাপা, কাগজ চমৎকার তবে প্রচ্ছদটা খুব ভালো ফোটেনি। আরেকটু উজ্জ্বল কালারের হলে আরো ভাল হতো।

    লেখক পরিচিতি ও কর্মযজ্ঞঃ
    ++++++++++++++++++++
    লেখক আরিফ আজাদ তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে লেখালিখি শুরু করলেও এখন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখছেন। ১ম বই প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ তুমুল জনপ্রিয় হয়ে বেস্ট সেলার বই হয়।

    রেটিংঃ ৯/১০

    Was this review helpful to you?
  5. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ বইটা আমি পড়েছি অসাধারণ একটা বই।আমার মনে হয় এই বইটি পড়া প্রত‍্যেকটি মানুষের পয়োজন।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  6. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    এখনো পড়া শেষ হয় নাই তবে যা কতটুকু পড়েছে অনেক ভালই লাগছে
    Was this review helpful to you?
  7. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    সকলেরএকবার হলেওপড়া উচিত।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  8. 4 out of 5
    Rated 4 out of 5

    :

    ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে বর্তমান সময়ে মানুষের চিন্তা-চেতনা আর আদর্শ সর্বত্র পৌঁছে যাচ্ছে খুব সহজেই। প্রযুক্তির এই ধারা কাজে লাগিয়ে ধর্মবিদ্বেষী একদল মানুষ ইসলাম, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা এবং নবীজী মুহাম্মদ (সাঃ) কে নিয়ে এমন সব কথা ছড়াতে থাকে, যা মুখ বুজে সহ্য করা যেকোনো ঈমানদার ব্যক্তির জন্য অত্যন্ত কঠিন। অসচেতন মুসলিম তরুণদের মনে সন্দেহ সৃষ্টি করে তাদের ধর্মবিমুখ করার লক্ষ্যে তারা আপ্রাণ কাজ করে যাচ্ছে, আর সফলও হতে পেরেছে অনেকটাই।
    কলমের জবাব কলমে আর যুক্তির জবাব যুক্তি দিয়েই দিতে লেখক আরিফ আজাদ নিয়ে এসেছেন সাজিদ চরিত্রটি। পৌঁছাতে চেয়েছেন তাদের কাছে, যাদের খুব বেশি জানাশোনা নেই ধর্ম সম্পর্কে; কিন্তু ধর্মবিদ্বেষীদের ছড়ানো প্রোপাগাণ্ডায় নিজের বিশ্বাস নিয়ে হয়ে পরেছে সন্দিহান।

    এই বইতে আছে নাস্তিকদের প্রশ্নের জবাব, আছে খ্রিস্টান মিশনারিদের উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবও। এর পাশাপাশি স্থান পেয়েছে কুরআনের অলৌকিক কিছু ব্যাপার, ভাষাতাত্ত্বিক মিরাকল, যা মানুষকে সত্যিই বিস্মিত করবে; কুরআনের প্রতি সৃষ্টি করবে গভীর ভালোবাসা।

    ‘বনু কুরাইজা হত্যাকাণ্ড – ঘটনার পেছনের ঘটনা’ – চ্যাপ্টারটিতে দেখা যায় নাস্তিকরা কিভাবে এই হত্যকান্ডকে অমানবিক আখ্যায়িত করে নবীজী মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপর মানবতাবিরোধী অপরাধের দোষ চাপায়, যেখানে সাজিদ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, তাদের শাস্তি আসলে তাদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেল অনুযায়ীই হয়েছে, বেড়িয়ে আসে আসল ঘটনা। বিপরীতে, নাস্তিকতার মূল ভিত্তি ডারউইনবাদ যে বস্তুবাদীদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বড় হত্যাযজ্ঞগুলো চালাতে উদ্বুদ্ধ করেছে, সেটা উঠে এসেছে ‘গল্পে জল্পে ডারউইনিজম’ অধ্যায়ে।

    ইসলামে অমুসলিমদের অধিকার এবং নারীদের সম্মান – উঠে এসেছে পৃথক দুটি অধ্যায়ে।
    আছে কুরআনের বৈপরীত্য আর স্যাটানিক ভার্সেস বিষয়ে আলোচনার সত্যাসত্য।
    সংক্ষিপ্ত আলোচনা আছে ‘ইলুমিনাতি’ বিষয়ে।
    নাস্তিকদের আলোচনার মুখরোচক বিষয় নবীজী (সাঃ)-এর বহুবিবাহের পেছনে যৌক্তিক কারণগুলো আলোচিত হয়েছে ‘রাসূলের একাধিক বিবাহের নেপথ্যে’ অধ্যায়ে।

    ‘জান্নাতেও মদ?’, ‘কুরআন কেন আরবী ভাষায়’, ‘সমুদ্রবিজ্ঞান’, ‘পরমাণুর চেয়েও ছোট’ আর ‘সূর্য যাবে ডুবে’ – অধ্যায়গুলো বারবার প্রমাণ করেছে কুরআনের অলৌকিকতা, মাহাত্ম্য। আল-কুরআন যে বিশ্বজগতের স্রষ্টা আল্লাহতালার বাণী, কোন মানুষের রচনা নয়, তা যে কোনো চিন্তাশীল মানুষের পক্ষেই স্পষ্টভাবে বোঝা সম্ভব এই অধ্যায়গুলো পড়ে। সমুদ্রের তলদেশের অন্ধকার, পরমাণুর চেয়ে ছোট ইলেক্ট্রনের অস্তিত্ব আর সূর্য যে ভবিষ্যতে আলো-তাপ হারিয়ে শ্বেতবামনে পরিণত হবে সেই তথ্য – যা বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করলো হাল আমলে, এগুলো সবই আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে বলে দিয়েছেন ১৪০০ বছর আগেই, যা কেবল এগুলোর স্রষ্টার পক্ষেই জানা সম্ভব।

    ‘লেট দেয়ার বি লাইট’ অধ্যায়ে উঠে এসেছে কিভাবে প্যাগানদের দেবতা ‘মিথ্রাস’ এর জন্ম তারিখ ২৫শে ডিসেম্বর হয়ে গেছে খ্রিস্টানদের ঈশ্বর যীশু খ্রিস্টের জন্মদিন, আদতে যে তারিখের আশেপাশের কোনো তারিখেও তিনি জন্ম গ্রহণ করেন নি! ইতিহাসের প্রমাণ আর যুক্তিতে হেরে যাওয়া খ্রিস্টান অ্যালেন এ পর্যায়ে বলে, যে কারণেই হোক যেহেতু ক্রিসমাস ডের রিচ্যুয়াল চলে আসছে, তা পালন করে যাওয়াই উচিত। দাবি তোলে, মোটামুটি সব ধর্ম, এমনকি ইসলামেও নাকি এরকম রিচ্যুয়াল পাওয়া যায়! দাবি জানায় নন-ইসলামিক সোর্স থেকে কাবার অস্তিত্বের ঐতিহাসিক সত্যতা প্রমাণের। সাজিদ তাও প্রমাণ করে নন-ইসলামিক সোর্স থেকেই!

    আমি সবচেয়ে অবাক হয়েছি ‘নিউটনের ঈশ্বর’ অধ্যায়টি পড়ে। বিজ্ঞানী নিউটন সম্পর্কে এমন সব তথ্য এখানে উঠে এসেছে, যা ষড়যন্ত্র করে মানুষের থেকে আড়ালে রাখা হয়েছে। উঠে এসেছে – একজন আগাগোড়া খ্রিস্টান হয়েও বিজ্ঞানী নিউটন ক্যানো চার্চের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন, কলমযুদ্ধ চালিয়েছিলেন বিকৃত ক্রিশ্চিয়ানিটির বিরুদ্ধে, ঈশ্বরের অবস্থা বোঝানোর জন্য আবিষ্কার করেছেন মোট ১২টি সূত্র, যিশু খ্রিস্ট তথা ঈসা(আঃ) ঈশ্বর হিসেবে না মেনে মেনেছেন শুধু মাত্র ঈশ্বরের দূত হিসেবে, যা ইসলামের সাথে মোটামুটি পুরোটাই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    সবশেষে, সাজিদকে প্রতিনিয়ত ‘মি. আইনস্টাইন’ বলে ব্যঙ্গ করা তার শিক্ষক মুহাম্মদ মফিজুর রহমান, যে ঘোর অবিশ্বাসী লোকের সাথে সাজিদের সবসময় চলতো ঠাণ্ডা যুদ্ধ, তার বিশ্বাসী শিবিরে প্রত্যাবর্তনের চেষ্টার চিঠি আপনার দুই নয়নকে করতে পারে অশ্রুসিক্ত।

    ইসলামের বিপরীতে ধেয়ে আসা যুক্তির ভঙ্গুরতা, প্রশ্নগুলোর অবান্তরতা খুব সহজ-সরল ভাষায় লেখক আরিফ আজাদ তুলে ধরেছেন। কুরআনের অনন্যতা আর নবীজী (সাঃ) এর নব্যুওয়াতের সত্যতার সব অকাট্য প্রমাণ এক জায়গায় করে মানুষের অন্তরে বইয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন বিশ্বাসের ফল্গুধারা।

    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  9. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Alhamdulillah.Excellent..
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  10. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Nice
    2 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  11. 1 out of 5
    Rated 1 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ্‌ আরিফ আজাদ ভাইয়ার প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ প্রথম পর্বটা আমি পরেছি অনেক সুন্দর বই, এই বইটা থেকে অনেক কিছু শিখার আছে। নাস্তিকের যুক্তিকে খণ্ডন করার মত অনেক শিক্ষনীয় বিষয় আছে। আলহামদুলিল্লাহ্‌, আমি দোয়া করি আরিফ আজাদ ভাই আরও অনেক বই লিখবে ইনশাআল্লাহ্‌।
    8 out of 9 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  12. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  13. 4 out of 5
    Rated 4 out of 5

    :

    excellent
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  14. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Good job
    1 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  15. 3 out of 5
    Rated 3 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?