মেন্যু
ma, ma, ma ebong baba

মা, মা, মা এবং বাবা

বিষয় : আদব, আখলাক
কভার : পেপার ব্যাক
সম্পাদনা : আরিফ আজাদ পৃষ্ঠা : ১৭৬ মা, মা, মা এবং বাবা’ বইটির ফ্ল্যাপ থেকেঃ পিতা-মাতা এবং সন্তানের মধ্যকার সম্পর্কটাই পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর এবং সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্ক। এই সম্পর্কের কোথাও কোনো খাঁদ নেই।... আরো পড়ুন
পরিমাণ

182  260 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

19 রিভিউ এবং রেটিং - মা, মা, মা এবং বাবা

4.9
Based on 19 reviews
5 star
89%
4 star
10%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    আয়েশা সিদ্দিকা:

    লেখক আরিফ আজাদ মা,মা,মা এবং বাবা বইটি তে ৪৭ টি অধ্যায়ে আমাদের মা বাবার গুরুত্ব বুঝিয়েছেন। শুরুতে প্রকাশকের দোয়া দিয়ে বই শুরু করেন,২য় তে লেখকের অনুভূতি বইটি নিয়ে লেখকের মনের গহীনে জমানো কথা উল্লেখ করেছেন।লেখক আরো বলেছেন এই বইটি টাইপ করতে গিয়ে ওনার লেপটপের কিবোর্ড ভিজে গেছে।
    একজন সন্তান জন্ম নেওয়া গড়ে উঠার মাঝে মা বাবার দায়িত্ব গুরুত্ব কত টুকো তা সালেম ১ও২ দিয়ে বুঝিয়েছেন। একজন মানুষ অন্য একজন মানুষ কে হিংসা,কটাক্ষ করলে আল্লাহ তাকে ও ফিরিয়ে দেন। সালেম অধ্যায়ে অতি সাবলীল ভাবে উল্লেখ করেছেন লেখক।এও উল্লেখ করেছেন আল্লাহ চান তো যাকে তাকে যে কোন মুহূর্তে হেদায়াত দান করতে পারে।যেমন টি সালেমের বাবা লাভ করেছেন।

    লেখক এই বইটিতে মায়ের আকুতি নিয়ে লেখা চিঠি উপস্থাপন করেছেন।ছেলে কে ভালো খাবার খাওয়ানোর জন্য মায়ের উপোস থেকে মিথ্যা বলে সন্তানের প্রতি অগাধ ভালবাসার সুন্দর মুহূর্ত উপস্থাপন করেছেন। এ ছাড়া ও উল্লেখ করেছেন সন্তান বড় হয়ে মা বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে বসার মর্মান্তিক দৃশ্য। এবং আরো রয়েছে প্রেমিকা কে পাওয়ার জন্য মা কে খুনের মতো নির্মম ঘটনা।তবে ঐ সন্তান পরবর্তী তে আল্লাহর একজন পরহেজগার বান্দা হয়ে যান তওবা করে। লেখক এই বইয়ে বর্তমান সন্তানদের উপমা স্বরূপ একদিন রেস্টুরেন্টে নিয়ে একটা ঘটনা উল্লেখ করেন।যেটা আমার কাছে অনেক অনেক মধুর লেগেছে।

    সর্বশেষে বলবো লেখক আরিফ আজাদের মা, মা,মা এবং বাবা বইটি সকল সন্তান এর পড়া উচিত।সবার জানা উচিত মা বাবার মূল্য কতটুকু আমাদের জীবনে।ওনাদের অবদান আকাশ ছোঁয়া তা অনুধাবন করুক সকল সন্তান। আমি মনে করি আল্লাহ চান তো এই বইটি পড়ে সকল সন্তান তাদের বাবা মায়ের দায়িত্ব পালনে যথাযথ ভুমিকা পালন করবে ইনশাআল্লাহ।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    সাইমা করিম মোহনা:

    সত্যি অসাধারণ একটা বই।বইটি পড়তে সময় লেগেছে। একটা গল্প পড়ি আর অঝোরে কঁাদি।আল্লাহ লেখকের নেক হায়াত দান করুক।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    মোঃ রবিউল ইসলাম:

    আরিফ আজাদ ভাইকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    arnobniloy3131:

    দিন দিন আমরা ভীষণ যান্ত্রিক হয়ে উঠছি। ভূলে যাচ্ছি মা বাবাকে। বর্তমান সময়ে খুব পরিচিত ঘটনা ছেলের পিছনে সব ব্যয় করে তাকে উচ্চশিক্ষিত করে বৃদ্ধ বয়সে ছেলের কাছে এখন মা-বাবা অবহেলার শিকার। কিন্তু এতটুকু আসার অবদান কার সে উত্তর খুজি না। যে মা নিজে খাওয়ার আগে আপনার মুখে খাবার তুলে দিলো, অথচ সে মাকে আপনি কাঁদিয়ে যাচ্ছেন।আর মাকে কাঁদিয়ে ভাবছেন আপনি সুখী হতে পারবেন?ছোটবেলায় যে বাবা আপনাকে কাঁধে করে নিয়ে ঘুরেছে, আপনার সকাল বয়না মিটাতে পারলেই যার মুখে হাসি ফুটতো। আর এখন সে বাবার দিকে তাকানোর সময় ও কি আপনার নেই? আপনার মনুষ্যত্ব আজ কোথায় হারিয়ে গেল যে জীবনসাথী পেয়ে তাদের ভূলেই যাচ্ছেন। মা তুমি কেমন আছো? বাবা তোমার ঔষধ আছে কি এতটুকু খোঁজ নিতে কি আপনার কষ্ট হয়। তারা তো আপনার সব ইচ্ছা পূরণ করল অফিস থেকে ফিরার পথে কখনো কি জানতে ইচ্ছে করে না তাদের কিছু লাগবে কি না? কখনোতারা যখন হারিয়ে যাবে কিভাবে ক্ষমা করবেন নিজেকে? আসলে চলে যাওয়ার পর সবাই হা-হুতাশ করে।আপনার মা-বাবা যদি জীবিত না থাকে তবে তাদের জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করুন, কুরআন পড়ুন, সদকা করুন তাদের নামে,। আর যদি বেঁচে থাকে তাহলে আজই ক্ষমা চেয়ে নিন। আপনার চোখের পানি দেখে তারা আপনাকে ক্ষমা না করে থাকতে পারবে না। আচ্ছা ভাই আপনি না শিক্ষিত আপনি কি এ কথা কখনো শুনেন নি, ‘মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত’। আর‘ বাবার সন্তষ্টিতেই আল্লাহর সন্তুষ্টি’।আপনি জানেন তারপর ও সেবা করছেন না। আচ্ছা কেমন শিক্ষিত আপনি? রাগ করবেন না আমার ভাই আপনার ভালোর জন্যই বলছি। তারা যতই আপনার সাথে রাগারাগি করুক, ভূল বুঝুক তারপর তাদের কষ্ট দিবেন না।একটু ধৈর্য ধরুন এবং তাদের সাথে উত্তম আচরণ করুন।তাদের থেকে যদি প্রতিদান না ও পান, আপনার মহান রবের কাছ থেকে অবশ্যই পাবেন। মা, বাবা ও সন্তানদের জন্য অতি উত্তম একটি বই। এই বই পড়াবে আর চোখের পানি বের হবে না এটা মনে হয় অষ্টম আশ্চর্য হবে। সন্তান লালন পালনের কিছু টিপস যেমন পাওয়া যাবে তেমনি মা বাবার কাছে চক্ষু শীতলকারী হওয়ার উপায় মিলবে এই বইয়ে। বইটি এমন একটি বই যা সবার ঘরে থাকা উচিত। আপনি যদি ছেলে/মেয়ে হোন তাহলে মা বাবাকে আর যদি বাবা মা হয়ে থাকেন তাহলে ছেলে মেয়েকে উপহার দিতে পারেন। সদ্য বিবাহিত স্বামী হলে স্ত্রীকে আর স্ত্রী হলে স্বামীকে উপহার দিতে পারেন।

    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    Hasnain Islam Emon:

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুন_২০২০
    ❀[[ বুক রিভিউ ]]❀
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    বইয়ের নামঃ মা, মা, মা এবং বাবা
    প্রকাশনীঃ সমকালীন প্রকাশন
    বিষয়ঃ আদব, আখলাক
    সম্পাদনাঃ আরিফ আজাদ
    পৃষ্ঠাঃ ১৭৬
    বিনিময়মূল্যঃ ১৮৮ টাকা (২০% ছাড়ে)
    ∎ বিসমিল্লাহির রহমানীর রাহীম
    বাবা-মা আমাদের জীবনে আল্লাহর দেওয়া সবচেয়ে বড় নিয়ামত। তাঁরা আমাদের অতি আপনজন। পিতামাতা এবং সন্তানের মধ্যকার স্বার্থহীন,মধুর সম্পর্ক পৃথিবীতে আর দুটি নেই।
    মায়ের গর্ভকালীন কষ্ট,প্রসবের পরে আমাদের লালন-পালনে নির্ঘুম রাত্রিযাপন, বাবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অক্লান্ত পরিশ্রম এসবেই ঋণ কি আর একজীবনে শোধ করা সম্ভব?
    মা-বাবা শব্দটা খুবই ছোটো। কিন্তু আমাদের জীবন তাদের ছাড়া অর্থহীন। মা-বাবা নামক যে বটবৃক্ষের ছায়ায় আমার, আপনার অস্তিত্ব বেড়ে উঠেছে, আজ বড় হয়ে যখন নিজের পায়ে দাড়াই তখন তাদের আদেশ,উপদেশ,নিষেধ যেনো আমাদের কাছে বিরক্তিকর হয়ে ওঠে।চকচকে রঙিন এ দুনিয়ায় যেনো বাবা মা কে বড্ড সেকেলে মনে হয়,উটকো ঝামেলা ভাবতে শুরু করি। মনে করি ভাবি যে এদের হাত থেকে বাঁচতে পারলেই বুঝি শান্তি!
    ∎এটা সত্যি অনেক ক্ষেত্রেই তারা আমাদের থেকে যথাযথ মূল্যায়ন পায় না। তাই আরিফ আজাদের সম্পাদিত এই বইটির উদ্দেশ্যই হলো, বাবা মায়ের প্রতি ভালোবাসাকে আমাদের হৃদয়ে নতুন করে জাগিয়ে তোলা।শুধুমাত্র পৃথিবীর সকল বাব-মা কে নিয়েই বইটি লেখা।
    ♦বিশ্লেষনঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    ∎বইটি শেষ করার পর থেকেই বইয়ের বিষয়বস্তুগুলো মাথার ভেতর ঘোরপার পাচ্ছে।
    এমন বইয়ের রিভিউ করা খুবই কঠিন,সে অনুভূতি লিখে ব্যক্ত করা সম্ভব না।
    ∎ কিছু টুকরো টুকরো গল্প দিয়ে সাজানো হয়েছে বইটি। মোট ৪৪ টা গল্প আছে বইটিতে। প্রতিটি গল্পই আমাদের চারপাশে মা-বাবাকে নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার নিদর্শন রয়েছে।কয়েকটা গল্পের স্বল্প ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করছি-
    ♦মায়ের চিঠিঃ এই গল্পটা পড়ে চোখে পানি এসে গিয়েছিলো নিজের অজান্তেই। এখানে এক মা তার সন্তানকে বৃদ্ধাশ্রম থেকে চিঠি লিখে ছেলেকে কতোটা মিস করে সেটা জানায়।গর্ভকালীন কষ্ট,প্রসব যন্ত্রনা, লালনপালন সহ সন্তানের সাথে মায়ের সকল স্মৃতি মা তুলে ধরেন।হৃদয় বিদারক এক গল্প।
    ♦সালেমঃ
    প্রতিবন্ধী ছেলে(সালেম) জন্মানোর ফলে বাবা ছেলের মুখ অবদিও দেখেন না। কিন্তু মা খুব যত্নে ছেলেকে বড় করতে থাকেন। একদিন এই সালেম তার বাবার ভুল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন।
    ♦বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসুনঃ এই গল্পে ছেলে মায়ের হাতে একটি চিঠি দিয়ে মাকে সাগর পারে রেখে যান। চিঠিতে লেখা ছিলো, আমার মাকে কেউ যদি পারেন বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবেন।
    ♦মায়ের চোখে দুনিয়াঃ মা একচোখ অন্ধ তাই ছেলে মাকে বোঝা মনে করতো। অথচ পরে জানতে পারে ছোটোবেলায় ওই একটা চোখ মা তার ছেলেকেই দান করেছিলেন।
    ♦ত্যাগ ও বিনিময়ঃ সেরা গল্পগুলোর একটি। আগুন থেকে অসুস্থ মাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের দুধের শিশুকে আগুনের মাঝেই রেখে আসেন এক যুবতী মা।বিনিময়ে আল্লাহ তা’আলা ছোটো শিশুটিকেও সুরক্ষিত রাখেন আগুন থেকে।
    ♦মাকে পাওয়ার মামলাঃ এক মায়ের দুই ছেলে। তারা দুজনেই মাকে ভীষন ভালোবাসেন, মায়ের সেবা করতে চান। শেষে মামলা করেন মাকে পাওয়ার জন্য।
    ♦ উপলব্ধির গল্পঃ আর কি পাবো তারে-ঃ
    বৃদ্ধ বাবা ছেলের সাথে থাকেন। পুত্রবধূ তাকে খুবই ছোটো এবং ময়লাযুক্ত ঘরে থাকতে দেন,প্লাস্টিকের প্লেটে ভাত খেতে দেন। একদিন ছেলের সামনে ছোট্ট নাতি বলেন, সে বড় হয়ে এই প্লাস্টিকের প্লেটেই তার বাবাকে ক্ষেতে দেবেন। বৃদ্ধের ছেলে অনুশোচনায় ভুগতে থাকেন।
    ♦ধনীলোকের মানহানিঃ এক লোক কুয়েত গিয়ে বেশ টাকা কামিয়েছেন। গ্রামে প্রাসাদের মতো বাড়ি,গাড়ি আছে। কিন্তু মা বাবা অসহায়,তাদের খোজ নেন না, ঘৃনা করে বাবা মা কে। পরবর্তীতে তার সংসারে অশান্তি শুরু হয়, ছেলে-মেয়ের সংসারিক জীবন নষ্ট হয়,তার স্ত্রী পাগল হয়ে যান। তার সবকিছুই শেষ হয়ে যায়।
    ♦ সেতুবন্ধনঃ এই গল্পে এক পুত্রবধূ তার স্বামী এবং শ্বশুরের মধ্যকার দীর্ঘদিনের মনমালিন্য মিটিয়ে দিতে সক্ষম হন। অত্যন্ত শিক্ষনীয়।
    ♦ইবরাহীম(আঃ) এর নম্রতাঃ তার বাবাকে তিনি ইসলামের দাওয়াত দেন, উত্তরে তার বাবা তাকে হত্যা করার হুমকী দেন। তিনি কোনোপ্রকার খারাপ ব্যবহার না করে-বাবাকে সালাম দিয়ে নম্রভাবে চলে আসেন।
    ♦ বাবা-মায়ের দুআঃ সন্তান শত্রুদের হাতে আটকা পড়েন। বাবা মায়ের দুআতে তিনি মুক্ত হন এবং উপহার হিসেবে উটও উপহার লাভ করেন।
    ♦ পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    ∎ বইটি কেউ একবার পড়ার পর,তার বাবা মা যদি বেঁচে থাকে,তাঁদের প্রতি এমন অনুগত হবে যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।
    এই বই পড়ে বুকের মধ্যে হাহাকার করবে না, কাঁদবে না,
    মনে মনে মাফ চাইবে না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না।এটা শুধু বই নয়,বইয়ের চেয়েও বেশি কিছু।
    ∎আলহামদুলিল্লাহ আমার মাঝেও অনেক পরিবর্তন এসেছে।
    ♦ ভালোলাগা, মন্দলাগাঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    বই এর যেই বিষয়গুলো আমাকে বেশি মুগ্ধ করেছে-
    ∎বইটির প্রচ্ছদঃ
    বইটির প্রচ্ছদ(কভার পেইজ) অনেক সুন্দর হয়েছে। কভার পেইজের ছবিটার দিকে গভীর ভাবে তাকান, কিভাবে এই মানুষদুটো (মা-বাবা) আমাকে আপনাকে আগলে বড় করেছেন,কতোটা গুরুত্ব দিয়েছেন আমাদের প্রতি সেটা স্পষ্টভাবে বুঝতে পারবেন।
    ∎বই এর নামকরণঃ
    নবীজীকে একব্যক্তি জিজ্ঞেস করেছিলেন,”কে আমাদের সবচেয়ে উত্তম আচরন পাওয়ার হকদার? ”
    উত্তরে নবীজী প্রথম ৩ বার মায়ের কথা বলেন এবং ৪র্থ বার বাবার কথা বলেন। সেই হাদিস থেকেই বইটির নামকরন হয়েছে।
    ∎বইয়ে লেখার ভাষা অত্যন্ত সুন্দর এবং সাবলীল।
    আলহামদুলিল্লাহ বইটির কোনো নেতিবাচক দিক নেই।
    ♦ বইটি কাদের জন্য এবং কেন পড়বেনঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    ∎যারা বাবা-মায়ের প্রতি উদাসীন,যার হৃদয় কঠিন,হৃদয়ে বাবা মায়ের জন্য ভালেবাসার ঘাটতি দেখা দিয়েছে – তাদের অনুর্বর মৃত আত্মাকে জালিয়ে তুলতে অন্যতম টনিকের কাজ করবে এই বইটি।
    ♦সম্পাদক পরিচিতিঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    বইটির সম্পাদনা করেছেন আরিফ আজাদ। তিনি জন্মেছেন চট্টগ্রামে।ইসলামি সাহিত্য নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন। বইটি সম্পাদনায় ৬ মাস লেগেছে তার।তার সম্পাদনায় প্রকাশ পেয়েছে- “আরজ আলী সমীপে,প্রত্যাবর্তন” এবং ৪টি মৌলিক বইও রয়েছে তার।
    ♦মন্তব্যঃ
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    ∎ জীবনে প্রথম যাদের হাত ধরে হেটেছি,ব্যাথা পেয়ে যাদের বুকে মুখ লুকিয়েছি। আজকে নিজের পায়ে দাড়িয়ে কিংবা নতুন সংসার শুরু করে তাদেরকেই ঝামেলা মনে করছি?
    আমরা কি ভুলে গেছি, “মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত”। বৃদ্ধ বয়সে তারা সন্তান, নাতি,নাতনির সঙ্গ চান।অনেকেই কোনো অনুষ্ঠানে, রেস্টুরেন্টে বৃদ্ধা বাবা-মা কে নিয়ে যেতে লজ্জা পান- কই ছোটোবেলায় আমি আপনি যখন কেনো অনুষ্ঠানে গিয়ে বায়না ধরেছি,কারনে অকারনে কেঁদেছি,কোলে করে ঘুরেছি, মা-বাবার জামাকাপড় নষ্ট করেছি, কই তখন তো তারা লজ্জাবোধ করেন নি।
    একটা কথা চিরন্তন সত্যি,” আপনি আপনার বাবা মায়ের সাথে যেমন আচরন করবেন,আপনার বৃদ্ধবয়সে আপনার সন্তানও আপনার সাথে ঠিক তেমন আচরনই করবে।নিশ্চয়ই মহান রব আল্লাহ তা’আলা শ্রেষ্ঠ বিচারক!
    পরিশেষে, বইটি পড়ার পরে যাদের বাবা মা বেচে আছেন,তারা কখনোই তাদের মা বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবে না,পরম যত্ন করবে।আর যাদের মা বাবা মৃত তারা সালাতে কাঁদবে এবং দুআ করবে। আল্লাহ তা’আলা আমাদের সবার মা বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুক! আমিন <3
    বইটি এখানে পাবেনঃ
    https://www.wafilife.com/shop/home-product/ma-ma-ma-ebong-baba/?ivrating=5#tab-reviews
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top