মেন্যু
i lost my way

আই লস্ট মাই ওয়ে

পৃষ্ঠা : 96, কভার : পেপার ব্যাক
অনুবাদক: সানজিদা সিদ্দিকী কথা আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন। আমাদেরকে অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। দেখিয়েছেন সরল-সঠিক পথ। যাকে বলা হয় ‘সিরাতল মুস্তাকিম’। যে পথে রয়েছে চিরশান্তি, রবের সন্তুষ্টি। দুনিয়া ও আখিরাতের... আরো পড়ুন
পরিমাণ

96  132 (27% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

10 রিভিউ এবং রেটিং - আই লস্ট মাই ওয়ে

4.9
Based on 10 reviews
5 star
90%
4 star
10%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    Fahmida Afrin:

    মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে অসংখ্য নেয়ামত দান করেছেন। সিরাতল মুস্তাকিমের দিশা দিয়েছেন। যে পথে রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা। কিন্তু দুনিয়া নামক গোলকধাঁধায় ঢুকে পড়ার পর আমরা সেই পথ হারিয়ে ফেলি। হারিয়ে যাই অতল-আঁধারে। পুরো জীবনটা ঢেকে যায় হতাশা আর বিষন্নতার নিকষ কালো চাদরে। এমনকি কখনো নিজেকে শেষ করে ফেলতেও বুক কাঁপে না!
    .
    দিশেহারা মানুষগুলো কীভাবে পাবে সঠিক পথের দিশা? কোথায় পাবে সে সঠিক নির্দেশনা? দিকভ্রান্ত পথিকদেরকে সহায়তা করার জন্য মুহাম্মদ পাবলিকেশনের এক মহীয়ান উদ্যোগ ❝আই লস্ট মাই ওয়ে – হতাশামুক্ত জীবনের খোঁজে ❞। বইটি ঠিক ঔষধের মতোই কাজ করবে হতাশাগ্রস্ত মানুষদের জন্য, ইনশাআল্লাহ।
    .
    মিশরের প্রতিথযশা লেখিকা ইয়াসমিন মু জা হি দ রচিত ‘আই লস্ট মাই ওয়ে’ ও ‘শ্যাটারড গ্লাস ‘ বই দুটির অনূদিত রূপ ‘ আই লস্ট মাই ওয়ে ‘। বইটি বাংলায় ভাষান্তর করেছেন সানজিা সিদ্দিকী কথা। ভগ্নহৃদয়ের অধিকারীকে আবারও সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে এবং আঁধারের যাত্রীদের আলো দেখাতে লেখিকার প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়।

    ◾আমার অভিব্যক্তিঃ প্রথমেই নাম দেখে আমি আকৃষ্ট হই বইটির প্রতি, ❝আই লস্ট মাই ওয়ে ❞! নাম দেখেই বুঝেছিলাম মোটিভেশনাল বই এটা। একরাশ কৌতুহল নিয়ে বইটা হাতে তুলে নিয়ে পড়তে শুরু করি। যতই পড়ি ততই মুগ্ধ হই। অনূদিত বই হিসেবে এটি চমৎকার একটি বই। লেখিকার চমৎকার ধারাবাহিক বর্ণনা ও অনুবাদকের ঝরঝরে অনুবাদ দুইয়ের মিশেলে এককথায় অসাধারণ। প্রতিটি পৃষ্ঠায় দেখা মিলছে নতুন সব অনুপ্রেরণার, নতুন-নতুন সব কৌশল যা একজন মানসিকভাবে ভেঙে পড়া মানুষকে সহায়তা করবে আবারো উঠে দাঁড়াতে; সহায়তা করবে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে। এমন অনেক কিছুই জেনেছি বইটি পড়ে, যেগুলো আমাদের সমাজে বা জীবনে সম্পূর্ণ উল্টোভাবে এখনো প্রচলিত রয়েছে।
    সাইকোলজিক্যাল নানান ফ্যাক্ট এখানে আলোচনায় উঠে এসেছে, সাথে রয়েছে মহান রব্বুল আলামীনের অমৃতবাণী ও তাঁর নবী-রাসুলদের জীবন থেকে নেওয়া শিক্ষা। বইটি পড়ে বুঝতে পেরেছি কেন আমরা আঘাতপ্রাপ্ত হই, কেন সেই জখম সহজে সেরে ওঠে না, কেনই বা আমরা সুখের দেখা সহজে পাই না।

    ◾কেনো পড়বেন বইটি?
    জীবনের জাতাঁকলে পিষ্ট হয়ে হতাশায় ভুগছেন? জীবন থেকে কাউকে হারিয়ে ডিপ্রেশনে ভুগছেন? মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন? ভেতরে কষ্ট চেপে মুখে মিথ্যে হাসি এঁটে বেড়াচ্ছেন? তাহলে বলবো ” আই লস্ট মাই ওয়ে ” বইটি আপনার জন্য দারুণ উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ । বইটি পড়লে বুঝতে পারবেন কেন হতাশা আপনাকে ঘিরে ধরে, কেন সহজে হতাশা থেকে বের হতে পারেন না, কেন কোনোকিছুতে সুখ খুঁজে পান না, কী করলে মনে শান্তি ফিরবে, কীভাবে চললে সন্তষ্ট থাকতে পারবেন, এছাড়াও আরো নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি মুসলিম ভাই-বোনকে বইটি পড়ার অনুরোধ জানাতে চাই আমি। ভরসা রাখুন, বইটি পড়ে নিশ্চয়ই উপকৃত হবেন, সময় নষ্ট হবে না।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 4 out of 5

    esrat.jahan.esha.khan:

    জীবনের পথে চলতে চলতে কখনো আমরা হারিয়ে যাই, কখনো বা আঘাত প্রাপ্ত হই, কখনো আবার ভেঙে পড়ি, এখন এই ভেঙে পড়া থেকে কীভাবে আবার উঠে দাঁড়াতে পারি, কীভাবে আঘাত সারিয়ে উঠতে পারি এবং কীভাবে হারিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচতে পারি তা নিয়েই সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে।

    যখন কারো পা ভেঙে যায় তখন আশেপাশের সবাই তা দেখতে পায় কিন্তু যখন কারো হৃদয় ভাঙ্গে তখন খুব কম মানুষই তা বুঝতে পারে। যার পা ভেঙে যায় তার যেমন চিকিৎসার প্রয়োজন, সে যেমন হুট করেই হাটাচলা করতে পারে না, ঠিক তেমনি যার হৃদয় ভেঙে যায়, হৃদয়ের ক্ষত সারাবার উদ্দেশ্যে তার জন্যও দরকারি হয়ে পড়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া।

    “আই লষ্ট মাই ওয়ে” বইটি মূলত ইয়াসমিন মুজাহিদ রচিত দুটি বই “I lost my way” ও “Shattered Glass” এর অনুদিত রুপ।

    যার প্রথম পর্বে আলোচনা করা হয়েছে সেই বিষয়গুলো নিয়ে যা আমাদের ক্ষত হৃদয়ের সুস্থতার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়, হৃদয়ের ক্ষত আরো বাড়িয়ে দেয় কিংবা সুস্থতাকে পিছিয়ে দেয়, রোগ প্রতিরোধের উপায় প্রভৃতি নিয়ে এবং ভাঙা হৃদয়ের জন্য নসীহত প্রদান করা হয়েছে।

    আর দ্বিতীয় পর্বে আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে, আল্লাহর ওয়াদার কথা- “আল্লাহ কখনোই তার কোনো বান্দাকে সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেন না”, আশার কথা- “আল্লাহ তো সেই মহান সত্তা, যিনি আত তাওয়াব এবং আল আলা। তিনিই তো আর রহমান এবং আর রাহিম। আর তাই তিনিই ক্ষমা করেন, তিনি দয়া করেন, তিনি পাপ মুছে দেন। আর কে আছে তাঁর মতো করে আমাদের এতটা ভালোবাসবে?”, সুখ কি এবং কৃতজ্ঞতার কথা এবং সবশেষে আমরা কেন হারিয়ে যাই…
    “সূরা তোয়াহাতে বলা আছে যে, যারা আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হয়ে যাবে, তাদের জন্য রয়েছে সংকীর্ণ ও দুর্ভোগময় জীবন এবং তারা কিয়ামতের দিন অন্ধ হয়ে পুনরুত্থান করবে। তারা আল্লাহকে জিজ্ঞেস করবে, ‘আমাকে কেন এভাবে অন্ধ করে পুনরুত্থান করা হলো, যেখানে আমরা দুনিয়াতে দেখতে পারতাম?’
    এটা দুর্ভাগ্য। তারা মনে করত যে, তারা দেখতে পায়। তারা শুধু তাদের চোখ দিয়েই দেখতে পেত কিন্তু মনের দিক থেকে তারা ছিল একেবারেই অন্ধ। আল্লাহ বলেন, ‘আমার নিদর্শনগুলো তোমার কাছে এসেছিল কিন্তু তুমি সেগুলো ভুলে গিয়েছিলে। এজন্য আজ আমি তোমাদেরকে ভুলে যাব।’ এটা সবচেয়ে ভয়ংকর কথোপকথন। এটাই অন্ধত্ব, যখন আপনি সালাত এবং আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হয়ে যাবেন। আল্লাহ বলেন, এটা চোখ নয়, যেটা অন্ধ হয়ে যায়, এটা অন্তর, যেটা বুকের ভেতর থাকে, সেটা অন্ধ হয়ে যায়। সেই অন্ধত্ব আপনাকে আপনার সহজ পথ থেকে ছিটকে ফেলে দেয়। আপনি হারিয়ে যান এবং এভাবেই ঘোর অমানিশা প্রতিফলিত হয় আপনার জীবনে।”

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    Fahmida Afrin:

    মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে অসংখ্য নেয়ামত দান করেছেন। সিরাতল মুস্তাকিমের দিশা দিয়েছেন। যে পথে রয়েছে দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা। কিন্তু দুনিয়া নামক গোলকধাঁধায় ঢুকে পড়ার পর আমরা সেই পথ হারিয়ে ফেলি। হারিয়ে যাই অতল-আঁধারে। পুরো জীবনটা ঢেকে যায় হতাশা আর বিষন্নতার নিকষ কালো চাদরে। এমনকি কখনো নিজেকে শেষ করে ফেলতেও বুক কাঁপে না!
    .
    দিশেহারা মানুষগুলো কীভাবে পাবে সঠিক পথের দিশা? কোথায় পাবে সে সঠিক নির্দেশনা? দিকভ্রান্ত পথিকদেরকে সহায়তা করার জন্য মুহাম্মদ পাবলিকেশনের এক মহীয়ান উদ্যোগ ❝আই লস্ট মাই ওয়ে – হতাশামুক্ত জীবনের খোঁজে ❞। বইটি ঠিক ঔষধের মতোই কাজ করবে হতাশাগ্রস্ত মানুষদের জন্য, ইনশাআল্লাহ।
    .
    মিশরের প্রতিথযশা লেখিকা ইয়াসমিন মু জা হি দ রচিত ‘আই লস্ট মাই ওয়ে’ ও ‘শ্যাটারড গ্লাস ‘ বই দুটির অনূদিত রূপ ‘ আই লস্ট মাই ওয়ে ‘। বইটি বাংলায় ভাষান্তর করেছেন সানজিা সিদ্দিকী কথা। ভগ্নহৃদয়ের অধিকারীকে আবারও সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে এবং আঁধারের যাত্রীদের আলো দেখাতে লেখিকার প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়।

    ◾আমার অভিব্যক্তিঃ প্রথমেই নাম দেখে আমি আকৃষ্ট হই বইটির প্রতি, ❝আই লস্ট মাই ওয়ে ❞! নাম দেখেই বুঝেছিলাম মোটিভেশনাল বই এটা। একরাশ কৌতুহল নিয়ে বইটা হাতে তুলে নিয়ে পড়তে শুরু করি। যতই পড়ি ততই মুগ্ধ হই। অনূদিত বই হিসেবে এটি চমৎকার একটি বই। লেখিকার চমৎকার ধারাবাহিক বর্ণনা ও অনুবাদকের ঝরঝরে অনুবাদ দুইয়ের মিশেলে এককথায় অসাধারণ। প্রতিটি পৃষ্ঠায় দেখা মিলছে নতুন সব অনুপ্রেরণার, নতুন-নতুন সব কৌশল যা একজন মানসিকভাবে ভেঙে পড়া মানুষকে সহায়তা করবে আবারো উঠে দাঁড়াতে; সহায়তা করবে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে। এমন অনেক কিছুই জেনেছি বইটি পড়ে, যেগুলো আমাদের সমাজে বা জীবনে সম্পূর্ণ উল্টোভাবে এখনো প্রচলিত রয়েছে।
    সাইকোলজিক্যাল নানান ফ্যাক্ট এখানে আলোচনায় উঠে এসেছে, সাথে রয়েছে মহান রব্বুল আলামীনের অমৃতবাণী ও তাঁর নবী-রাসুলদের জীবন থেকে নেওয়া শিক্ষা। বইটি পড়ে বুঝতে পেরেছি কেন আমরা আঘাতপ্রাপ্ত হই, কেন সেই জখম সহজে সেরে ওঠে না, কেনই বা আমরা সুখের দেখা সহজে পাই না।

    ◾কেনো পড়বেন বইটি?
    জীবনের জাতাঁকলে পিষ্ট হয়ে হতাশায় ভুগছেন? জীবন থেকে কাউকে হারিয়ে ডিপ্রেশনে ভুগছেন? মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন? ভেতরে কষ্ট চেপে মুখে মিথ্যে হাসি এঁটে বেড়াচ্ছেন? তাহলে বলবো ” আই লস্ট মাই ওয়ে ” বইটি আপনার জন্য দারুণ উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ । বইটি পড়লে বুঝতে পারবেন কেন হতাশা আপনাকে ঘিরে ধরে, কেন সহজে হতাশা থেকে বের হতে পারেন না, কেন কোনোকিছুতে সুখ খুঁজে পান না, কী করলে মনে শান্তি ফিরবে, কীভাবে চললে সন্তষ্ট থাকতে পারবেন, এছাড়াও আরো নানান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি মুসলিম ভাই-বোনকে বইটি পড়ার অনুরোধ জানাতে চাই আমি। ভরসা রাখুন, বইটি পড়ে নিশ্চয়ই উপকৃত হবেন, সময় নষ্ট হবে না।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    সেখ ইমরান:

    সৃষ্টিকর্তার নির্দেশিত পথেই দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা প্রাপ্তি। কিন্তু অনেকসময় শয়তানের ধোঁকায় পরে সে পথ হারিয়ে ফেলি। হারিয়ে যাই অন্ধকারের অতলে। হতাশা, বিষণ্ণতায় ছেয়ে যায় আমাদের জীবন। পথহারা পথিক কি পুনরায় তার দিশা খুঁজে পেতে পারে ? জি পারে। আলোচ্য গ্রন্থটি আপনাকে সেই পথ দেখাবে। লেখিকা বিভিন্ন উদাহরন সহযোগে হতাশা থেকে মুক্তির উপায় বাতলে দিয়েছেন। বইটি পড়ে মনে হচ্ছিল আমার পাশে বসে, মাথায় হাত বুলিয়ে কেউ নসীহা প্রদান করছেন।

    যারা হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পথ হারিয়ে ফেলেছেন বইটি তাদের জন্য অবশ্য পাঠ্য। বইটি কলেবরে ছোট হলেও আপনার জীবনের গতীপথ পরিবর্তনে সক্ষম। হৃদয়ের রোগ সাড়াতে বইটি এক অব্যর্থ ঔষধ।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    মুহাম্মাদ আনাস:

    আমাদের অতি স্বাভাবিক একটি বৈশিষ্ট্য হলো, আমরা ভুলে যাই। তখন আমরা অন্যায় অপরাধ করে বসি। নফসের ধোঁকায় হেদায়াতচ্যুত হয়ে । নিজেকে হারিয়ে ফেলি গভীর অরণ্যের ঘুটঘুটে আঁধারে। সে অন্ধকার থেকে বেড়িয়ে আসতে প্রয়োজন কুরআন হাদিসের আলোকে যথাযথ উপদেশ। উপদেশ মানুষকে ভাবিয়ে তোলে। মানুষের হৃদয়ের কড়া নাড়ে। তখন মানুষ তার ভুলের জন্য অনুতপ্ত হয়। ফিরে আসার চেষ্টা করে। একসময় সে উপদেশের কথাগুলো ভুলে যায়।আবার অন্যায়ের পথে ধাবিত হয়। তখন উপদেশ আবার তাকে সঠিক পথে চলতে অনুপ্রাণিত করে।

    “আই লস্ট মাই ওয়ে” এমনই একটি উপদেশমূলক সংকলন। এতে রয়েছে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে মানবমস্তিকের জন্য কার্যকরী চিকিৎসা। তরুণ প্রজন্মের ত্রাশ ‘ডিপ্রেশন’ থেকে মুক্তির উপায়।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top