মেন্যু
hujur hoye hasho keno

হুজুর হয়ে হাসো কেন

পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২০ একটা সময় ছিল যখন অনলাইন জগত ছিল সেকুলাঙ্গারদের কবলে, ইন্টারনেটে কেউ ইসলাম নিয়ে কথা বললে সবাই ছেঁকে ধরত। এরপর আসলো একটা সময় যখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা চাইলেন তাঁর দ্বীনের... আরো পড়ুন
পরিমাণ

131  175 (25% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী প্রসাধনী

7 রিভিউ এবং রেটিং - হুজুর হয়ে হাসো কেন

5.0
Based on 7 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    – আসছে বড়ো হুজুর! এইরকম কতো দেখছি।
    – হুজুর হয়ে এটা করো কেন, ওটা করো কেন?
    – হুজুর হইছো নাকি?

    দাড়ি রাখলে, টাখনুর ওপর কাপড় পড়লে, পর্দা করলে আপনাকেও শুনতে হয় নাকি এমন কথা? কথা শুনতে শুনতে ত্যক্ত-বিরক্ত-হতাশ? তাহলে আর নয় হতাশা, আপনার জন্য থাকছে সমর্পণ প্রকাশনের “হুজুর হয়ে হাসো কেন?”। এক ফাইলই যথেষ্ট। মাত্র ১৭৫ ৳। আর নিশ্চিত ৩০-৩৫% ডিসকাউন্ট তো থাকছেই।

    রম্য রচনার রিভিউতে যদি একটু রম্য না থাকে তাহলে চলে না। অন্তত এই ১১৮ পৃষ্ঠার বইটা পড়ার পরও যদি লেখায় একটু রসবোধ না আসে তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করার দরকার।

    হুজুর কথাটির কীভাবে সমাজে প্রচলন তা আমার জানা নেই। একসময় তালিবুল ইলম/ আলেমদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হলেও, এখন দাড়িয়ালা দেখলেই হুজুর আর পর্দা করা মেয়ে দেখলেই হুজুরনী বলে ডাক দেয়। প্রশংসার উদ্দেশ্যে যে বলা হয় না তা তো স্পষ্ট। তবে, আমাদের হুজুরদের বয়েই গেছে ওনাদের কথায় মাইণ্ড খাইতে।

    বইটিকে তিনভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। বিটিভি সমগ্র, নাটিকা এবং ফুলান সিরিজ। বিটিভি সমগ্র মূলত হলে বিটিভিতে প্রকাশিত তথাকথিত দর্শক নন্দিত কিছু অনুষ্ঠানের ইসলামিক ভার্সন। যেমনঃ মীনা, নানা-নাতি ইত্যাদি। তবে, এখানে হিমুর নামেও একটা লেখা আছে ” হিমুর মুখে ১০৮ টি আজওয়া খেজুর”। এর সাথে বিটিভির কি সম্পর্ক বোধগম্য হয়নি। তবে, প্রত্যেকটি লেখাই খুব উপভোগ করেছি।

    দ্বিতীয় অংশ ছিল নাটিকা। হুজুর এবং গায়ক সম্ভবত এক মেসে থাকে। হুজুরের জ্বালায় গায়কের জীবন পুরাই ত্যানা-ত্যানা অবস্থা। গায়ক যখনই কোনো গান ধরে, তখন হুজুর কীভাবে যেন সেখানে ইসলাম ঢুকিয়ে দেয়। একটা উদাহরণ দিই।

    বাগানে একটা ভ্রমর খুঁজছিল গায়ক। না পেয়ে শেষে একটা মৌমাছিকে একটা কৌটায় আটকাল। তারপর সেটাকে নাকের কাছে ধরে গান গাইতে লাগল, “ভ্রমর কইয়ো গিয়াআআআআ…”
    পেছন থেকে হুজুর গেয়ে উঠল, “জাহান্নামের গরম অনলেএএএ…”
    গায়কের অসাবধানতায় কৌটা থেকে মৌমাছি বেরিয়ে গায়কের গায়ে হুল ফুটিয়ে চলে গেল। “অঙ্গ যায় জ্বলিয়া রে” বলে চিৎকার করতে করতে সারা বাগানে দৌড়াতে লাগল গায়ক।

    না, না এখনই হাসবেন না। মূল আকর্ষণ এখনো বাকি। জি, হ্যাঁ ফুলান সিরিজ। রিপোর্টার আবু ফুলান এবং ইবনে ফুলান। একের পর এক ধরাশায়ী করে ভ্যালেন্টাইনস ডে, পয়লা বৈশাখ, নিউ ইয়ারসহ আরও বিভিন্ন সামাজিক ব্যাধিকে। বইয়ের সব থেকে ভালো অংশ হলো এটি। কারণ, এখানে সৃজনশীল কাজ করা হয়েছে। ১ম অংশে প্যারোডির মতো কাজ ছিল, ২য় অংশেও গানের ব্যবহার হয়েছে। কিন্তু ৩য় তথা ফুলান সিরিজের অংশটি সম্পূর্ণ মৌলিক। অনুরোধ থাকবে “হুজুর হয়ে টিম” যেন এই ফুলান সিরিজটি চলমান রাখে।

    বইয়ে বানান ভুল সংক্রান্ত তেমন কোনো ভুল ছিল না। তবে, ৫৯ পৃষ্ঠায় বড়দিন পর্ব শুরু করা হয়েছে। আবার ৬০ পৃষ্ঠায়ও আবারও বড়দিন পর্ব শুরু করা হয়েছে। “সমর্পণ প্রকাশন” এর কাছে অনুরোধ থাকবে পরবর্তী সংস্করণে যেন এ বিষয়টি সংশোধন করা হয়।

    যারা এতোক্ষণ কষ্ট করে পড়লেন আপনাদেরকে অবশ্যই বলবো বইটা পড়তে। শুধু সময় কাটানোর জন্যই না বরং কিছু বিষয় জানার এবং এখনই সচেতন হওয়ার জন্য। কারণ, আমাদের সমাজে এমন অনেক অপসংস্কৃতি সংস্কৃতির নাম নিয়ে ঢুকে গেছে যে কোনটা কুফফারদের অনুষ্ঠান আর কোনটা আমাদের ঐতিহ্য বুঝে ওঠা দায়। এ সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় জানার জন্য হলেও বইটা পড়া দরকার। পরিচিত হওয়া দরকার হুজুর আবু ফুলান আর ইবনে ফুলানের সাথে। জাযাকুমুল্লাহ খাইর।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    মজাদার হাস‍্যরস আর ব‍্যঙ্গাত্মক পদ্ধতিতে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার রীতিটা অনেক পুরনো।প্রহসনমূলক নাটিকাগুলো এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
    কিন্তু ইসলামের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের কারণে মুসলমানের পক্ষে উক্ত দুটি প্রক্রিয়ায় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার ভাবনাটা একসময় অসম্ভব মনে হতো। কিন্তু বাস্তবে তা নয়।
    হাস‍্যরসের মাধ‍্যমেও সত‍্যকে উপস্থাপন করা যায়‌।
    আল্লামা আশরাফ আলী থানভী রহ. এর “মুসলমানের হাসি” নামক বইটি আমি পড়েছি। অনেক হেসেছি এবং শিক্ষাও গ্রহণ করেছি,যারা পড়েছেন তারা ঠিকই বুঝতে পারবেন।
    এর পর থেকে হাস‍্যরসের মাধ‍্যমে ইসলামের সত‍্যকে প্রকাশ করার পদ্ধতিটা ক্রমশঃ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। ফেসবুক ব‍্যবহারকারীদের কাছে তা প্রকাশ‍্য দিবালোকের মতো সত‍্য।

    সেই পদ্ধতিটা ব‍্যবহার করেই কতক হুজুর-যারা প্রকৃতপক্ষে হুজুর নন,হুজুদের মতো লেবাস ধরেন মাত্র! যাদেরকে লোকেরা হুজুর বলেই সম্বোধন করে থাকে-“হুজুর হয়ে” নামক একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করেন। পেজটিতে উনারা হাস‍্যরসাত্মক ভাবে ইসলামের সত‍্যকে উপস্থাপন করে থাকেন।

    সে পেজটিতে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত বিভিন্ন ইসলাম বিরোধী কার্যকলাপের হাস‍্যরসাত্মক জবাবের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টপিক নিয়ে “হুজুর হয়ে হাসো কেন?” বইটি সংকলন করা হয়েছে‌।

    পাঠকপ্রিয় এই মজাদার বইটিকে কয়েকটি অধ‍্যায়ে ভাগ করে অনেক মজা করে সত‍্য উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।
    প্রথম অধ‍্যায়টির নাম হলো বিটিভি সমগ্ৰ। এতে বাংলাদেশ টেলিভিশন অর্থাৎ বিটিভিতে প্রচারিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের প্রধান চরিত্রকে হুজুর বানিয়ে সে সকল অনুষ্ঠানের ভঙ্গিতেই সত‍্য উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।
    চরিত্রগুলোর হুজুরায়ন(!) দেখে অনেক হেসেছি। এই অধ‍্যায়টি পড়েই হুজুর হয়ে টিমের হুজুরদের প্রখর মেধা সম্পর্কে আচ করতে পেরেছি।
    দ্বিতীয় অধ‍্যায়টি হলো নাটিকা। হুজুরের জ্বালায় গায়ক অতিষ্ট। না পারেন গাইতে,না পারেন কথা বলতে। হুজুর দোষ ধরবেনই।
    একটু শান্তিতে গান তো দূরের কথা,কথাটাও বলতে পারেন না। গায়ক সারা ঘর তন্ন তন্ন করে খুঁজেও হুজুরকে পাননি।যেই না নিশ্চিন্তমনে গানের সুর ধরলেন,অমনি ফ‍্যানের উপর থেকে হুজুর ভুল ধরে বসলেন! হুজুরের জ্বালায় অতিষ্ট গায়ক এখন যেকোনো হুজুর দেখলেই দৌঁড়ে পালান!

    এরপরের অধ‍্যায় ফুলান সিরিজ। আমার সবচেয়ে ভালো লাগা অধ‍্যায়।
    ভাষ‍্যকার আবু ফুলান আর ক‍্যামেরাম‍্যান ইবনে ফুলান চরিত্র দুটি যেমন হাস‍্যরসের জন্ম দিয়েছে তেমনি সত‍্যকে অপূর্ব ভঙ্গিমায় উপস্থাপন করেছে।সমাজে জেঁকে বসা কাফিরদের কৃষ্টি-কালচারের বিরুদ্ধে এই জুটি সদা জাগ্রত।
    যেমন: ভ‍্যালেন্টাইন ডে,পহেলা বৈশাখ,পহেলা জানুয়ারী,ঈদ-ই-মিল্লাদুন্নবি,এপ্রিল ফুলসহ আরো অনেক কিছু।

    আবু ফুলান মাঝেমধ্যেই নিজের পরিচয় ভুলে যেতেন,বিষয়টা খুবই মজার!
    এভাবেই এই বই হাস্যরসের মাধ্যমে পাঠকদের সত্যের বাণী শুনিয়ে যায়।

    ♐পাঠপ্রতিক্রিয়া:
    যদিও হাস‍্যরসাত্মক ভাবে বইটি লেখা হয়েছে,কিন্তু এর মূল লক্ষ্য সত‍্যকে উপস্থাপন করা। আমাদের মুসলিম সমাজে অনুপ্রবেশ করা কাফিরদের কালচারের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করা এবং তার নিরাময়ের ব্যবস্থা করা।
    আমি মনে করি, “হুজুর হয়ে” টিমের ভাইয়েরা এতে সফল হয়েছেন।উনাদের জন‍্য শুভকামনা।এভাইবেই উনারা সত‍্যকে উপস্থাপন করে যাক সবসময়।

    আর সত্যান্বেষী,জ্ঞানী মুসলিমদের সবাইকে আমি অবশ‍্যয় বইটি পড়ার আমন্ত্রণ জানাবো‌।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    “হুজুর হয়ে হাসো কেন?” বইটির প্রচ্ছদ ও নামকরণ অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এটি যে শুধু ব্যঙ্গ, হাস্যরস বা বিনোদন তা নয়। বরং এর মাধ্যমে পাঠকদেরকে দেখানো হচ্ছে যে‌ বিভিন্ন ইস্যুতে ইসলামিক চিন্তা ভাবনা কেমন ও সেক্যুলারদের চিন্তা ভাবনা কেমন। এই বইটি‌ মূলত তিনটি সিরিজ দিয়ে সাজানো হয়েছে।
    যথা:
    ১. বিটিভি সমগ্র
    ২. নাটিকা
    ৩. ফুলান সিরিজ
    সব গল্প গুলোই খুব ইন্টারেস্টিং। তবে ফুলান সিরিজের গল্পগুলো বেশি জোস। এই সিরিজের গল্প গুলো পড়ে না হেসে পারলাম না। বিশেষ করে ‘এপ্রিল ফুল ডে’ পর্ব টা বেশি এক্সাইটিং ।
    এই বইয়ের গল্পগুলো বিনোদনের পাশাপাশি ইসলামিক চেতনাকে জাগ্রত করে। বিশেষ করে মুসলিম সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন অনৈইসলামিক দিবসগুলো সম্পর্কে সত্য উদঘাটন এবং ইসলামিক চিন্তাভাবনাকে ফুটিয়ে তুলেছে। নিজের সংগ্রহে রাখার জন্য “হুজুর হয়ে হাসো কেন ?”একটি অনন্য ইসলামিক বই।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    সায়েন্স ফিকশন থেকে রম্যগল্প সব ক্ষেত্রে আমাদের লেখা থাকবে এটাই চাই। বইটির লেখক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক মোবারকবাদ।
    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    :

    বইটির ক্যাপশন ও মোড়ক টা ভাল লাগছে।আশা করি পড়ে ও মজা পাব ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ বইয়ের পিছনে যতজন সময়,শ্রম দিয়েছেন সবাইকে উত্তম জাযা দিক।আ-মী-ন।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top