মেন্যু


টাইম ম্যানেজমেন্ট

লেখক : Ismail Kamdar

অনুবাদক : মুহাম্মাদ ইফাত মান্নান
পৃষ্ঠা : ১২০ (ক্রিম অফসেট)
কভার: পেপার ব্যাক

ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর রেশমি কাপড়ের কাজ করার একটি বড় ঘর ছিল। তাঁর কাছে অনেক পোশাক শ্রমিক ও কারিগর থাকত। অর্থাৎ তিনিও প্রায় ব্যস্ত ছিলেন। ইবনুল মুবারক রহ.-ও একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। আবার তিনি ফিকহ, হাদীস ও জুহদের ইমামও ছিলেন।

হামজা ইবনে হাবিব আজ-জাইয়্যাত রহ. । তিনি সাত কারিদের একজন ছিলেন। তিনি কুফা থেকে হালওয়ানে তেল আমদানি করতেন। ইমাম নববি রহ. তাঁর বাবাকে দোকানের কাজে সহায়তা করতেন। এই কাজ তাঁকে সে অল্প বয়সেও পবিত্র কুরআন হিফয করায় বাধা দিতে পারেনি।

ওপরে যাদের উদ্বৃতি দেয়া হয়েছে, তাঁরা সবাই মানুষ ছিলেন, যান্ত্রিক রোবট নয়। তাদের পরিবার ছিল, সন্ন্যাসীর জীবন নয়। দুনিয়াবি প্রয়োজন ছিল, পেটের ক্ষুধা ছিল, পরিবারের চাহিদা ছিল। সব-ই তারা সাধ্য মতো পূরণ করতেন। তথাপি প্রায় সকলেই হয়েছেন যুগশ্রেষ্ঠ আলিম। কেউ বলতে পারে, ‘ভাই এগুলো এ্যাক্সেপশনাল কেইস।’ কিন্তু ইসলামের ইতিহাস বলে, মুসলিমরা এরকমই কর্মমুখোর ছিল। তারা সময়ের কদর করতেন, তাই সময় তাদের নিকট কল্যাণের অজস্র বারিধারা সহ হাজির হয়েছে। তাঁরা সত্যিকারের ইলমপিয়াসু ছিলেন, ইলমের ওপর আমল করতেন, তাই ইলম তাদের উভয় জাহানে করেছে সম্মানিত।

সময় ব্যবস্থাপনা স্রেফ অমুসলিমদের জন্যই না, বরং আমাদের নেককার পূর্বপুরুষদেরও জীবনের একটি অংশ ছিল। তারা সময় ব্যবস্থাপনা শিখতেন, এবং সেখাতেন। সেই লক্ষ্য থেকেই ইসমাইল কামদার কুরআন সুন্নাহর আলোকে অসাধারণ এই বইটি বই রচনা করেছেন। এতে তিনি সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে কার্যকরী নানান কৌশল আলোচনা করেছেন এবং রকমারি রুটিন তৈরির দ্বারা পাঠকের জন্য অত্যন্ত সহজ করে দেয়া হয়েছে।

পরিমাণ

152  218 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

19 রিভিউ এবং রেটিং - টাইম ম্যানেজমেন্ট

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 4 out of 5

    :

    অনুবাদ বেশ ভালো হয়েছে। ঝরঝরে ভাষার অনুবাদ। তবে কনটেন্টের তুলনায় দাম আমার কাছে একটূ বেশি মনে হয়েছে।
    বইটা সময়ের সদ্ব্যবহার নিয়ে। এরকম বই বাংলায় তেমন পাওয়া যায় না। আর ইসলামী ধাঁচে তো নয়ই। সেদিক দিয়ে বইটি অনন্য। তবে বইটিতে বেশ কিছু অংষ রিপিট হয়েছে। সারাংশের মধ্যে তো বটেই, অন্য অধ্যায়ের মধ্যেও একই কথা একই ভাবে এসেছে। অনেকটা যেন কপি-পেস্ট করা হয়েছে, অথবা লেখক ভালোভাবে রিভাইস করেন নি। আল্লাহ ভালো জানেন।
    তবুও, বইটা থেকে উপকৃত হয়েছি মেনে নিচ্ছি। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে এসব টিপস পাওয়া গেলেও সেগুলো একসাথে এক মলাটে এনে আর মুসলিম জীবনধারার কথা মাথায় রেখে এরকম বইয়ের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    ধন্যবাদ বইটি সময় মত পৌঁছানোর জন্য। আমার কাছে বইটি ভালো লেগেছে।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    Dear, Wafi family
    Assalamu alai kum

    Alhamdulillah I am really really grateful to those who engage there a single moment for the book “Time management”. May Allah reward them. it is such a book whenever you read you bound to think it is suppose written for me. It is a wonderful book i ever read regarding self motivation written with a huge example of muslim scholar.
    i suggest every one to read it once in your life please please please.

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    আমি গতকাল এই বইটি নিয়েছি। মাশাআল্লাহ বইটা পড়ে খুব ভালো লেগেছে। সব থেকে ভালো লাগার বেপার হলো আমাকে অজুপাড়া গায়ে এসে বইটি দিয়ে গেছে।
    আর সব থেকে বেশি ভালো লাগার বেপার হলো কথা কাজে মিল আছে।
    2 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    :

    অসাধারণ এক বই। কিনে ফেলুন, এখনই। এলোমেলো জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে যারা চান, তারা আর দেরী করবেন না, প্লিজ। সময় চলে যাচ্ছে।
    আল্লাহ পাক বিশেষ করে এর লেখক কে, এর অনুবাদককে, এবং এই বই এর সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে কবুল করুন, আমীন।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  6. 5 out of 5

    :

    আসসালামু আলাইকুম, আমি ওয়াফি লাইফ এর একজন রেগুলার এবং পুরাতন কাস্টমার। আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের সাইট এ বই কেনার জন্য ভিজিট করলে অনেক মানসিক প্রশান্তি লাগে। আপনাদের সাইটটি অনেক গোছানো, মাশা আল্লাহ। আমি মাঝে মাঝে অবাক হয় এই ভেবে যে আপনারা এতো কম্পিটিটিভ প্রাইজ এ কিভাবে বই বিক্রি করছেন। কেননা, অন্যান্য শপ থেকে আমার বই কেনার অভিজ্ঞতা বলে অন্য কথা। আল্লাহ আপনাদের ওয়াফি পরিবারকে জাযায়ে খাইর দান করুন।

    এবার আসি, টাইম ম্যানেজমেন্ট বই সম্পর্কে। এই বইটি কেনার পর বইটি শেষ করতে আমার সময় লেগেছে মাত্র ২ দিন। যখনি যেই অধ্যায় পড়েছি , মনে হয়েছে, আরেহ! এতো আমার কথাই বলছে! আমিতো এভাবে কাজ পিছিয়ে রাখি। ঠিকমতো কাজের গুরুত্ব বুঝে, কাজ করতে পারিনা। সবচেয়ে বড় ধাক্কা লাগে, যখন আমি অনুধাবন করলাম যে আমার জীবনের লক্ষ্য নিয়ে আমি এখনো সন্দিহান! এর আগে “জীবনের একটি লক্ষ্য আছে” – মাওলানা মুহাম্মাদ জাকারিয়া আব্দুল্লাহর বইটি পড়ে লক্ষ্যটা ক্লিয়ার হয়ে গিয়েছিলো। “কর্মক্ষেত্রে নারী – ইসলাম কি বলে?” মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ মাদানীর ওই বইটা পড়ে কিভাবে একজন নারী হিসেবে আমি কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে পারবো বা পারলেও সেটা কতুটুকু সীমার মধ্যে থেকে করতে হবে, কোন কোন পরিস্থিতিতে করা যাবে বা কেনো করা যাবে না; এই বিষয়টাও জানা হয়েছিল। তাই, জীবন নিয়ে, জীবনের লক্ষ্য নিয়ে ইলমতো ছিল, কিন্তু প্রায়োগিক কোনো ইলম ছিল না। বুঝতে পারছিলাম না কিভাবে ইলম অনুযায়ী আমল করবো। বাসায় ডেল কানের্গি বইতো ছিল ঠিকই কিন্তু আমার প্রয়োজন ছিল স্মার্ট এন্ড টাইমলি ইসলামিক গাইডেন্স।

    একদিন এক বইয়ের গ্রুপে ইসমাইল কামদার স্যার এর “টাইম ম্যানেজমেন্ট” বইটির সন্ধান পাই। সাথে সাথেই প্রিয় শপ ওয়াফিতে ভিজিট করি এবং ভালো কিছু রিভিউ পড়েই বইটি অর্ডার করে ফেলি।

    বইটি পড়ার সময়কালীন এবং পড়া শেষে অনুধাবন :

    ১. বইটি পড়ার সময় আমি হাইলাইটার এবং কালো, সাদা কালী ব্যবহার করেছি গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো মার্ক করার জন্য।

    ২. প্রত্যেক চ্যাপ্টার এর শেষে “যা যা করবো” বিভাগটি পড়েছি এবং তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ টিপস নিয়ে আমার ডায়েরিতে লিখে রেখেছি জেনো সহজেই আমি ডায়েরি খুলেই আমার জন্য জরুরি টিপস খুঁজি পাই। উদাহরণ – আলহামদুলিল্লাহ, আমার আছে উদ্যোক্তা হওয়ার গুণাবলী, আছে কনটেন্ট রাইটিং স্কিল, টিচিং এবং ব্যবসায়ের সফল অভিজ্ঞতা। কিন্তু, একজন মুসলিম নারী হিসেবে আল্লাহর হক এবং বান্দার হক আদায় করার পর অন্য সব কাজ মেইনটেইন করা অনেক চ্যালেন্জিং। তাই, বাস্তবসমত্ব উপায়ে আল্লাহকে খুশি রেখে কিভাবে আমি বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করে, ছোট ছোট লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে বড় লক্ষ্য অর্জন করতে পারি, তা এই বই থেকে শিখেছি।

    ৩. মুসলিম হিসেবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। সেই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য জানলেওয়ালা ইলম এর উপর করতে হবে আমল। এখন এই ইলম শেখা নিয়েই যদি আমরা প্রাত্যহিক জীবনে কোনো সময় না বরাদ্দ করি তাহলে আমল করবো কিভাবে? যখন আমি একি সাথে ডায়েট, বাসার কাজ, ক্লাস নেয়া এসব করে হাফিয়ে উঠছিলাম; তখন এই বইটি আমাকে জানান দিলো ‘বারাকাহ’ নিয়ে। আমরা প্রায়ই জোহর এর ফরজ আদায় করি কিন্তু সুন্নাতে মুয়াক্কাদা ছেড়ে দেই কাজের দোহাই দিয়ে, অনেকসময় একদম শেষ ওয়াক্ত এর কিছু আগে নামাজে দাঁড়াই! আল্লাহুম্মাগফিরলী! এভাবে ইবাদাতকে অবহেলা করার কারণে আমরা সময় এবং কাজের বারাকাহ হারাই এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হই। “টাইম মানাজেমেন্ট” বইয়ে দেখানো হয়েছে কিভাবে আমরা নামাজের শিডিউল এ কাজকে বসাবো নট নামাজকে কাজের শিডিউল এ!

    ৪. আমি যখন পড়াশোনা এবং বাসার কাজের চাপে নিজের উন্নয়ন এর জন্য কোনো সময় বরাদ্দ করছিলাম না ঠিক তখনি একধরণের বিরক্তি ভাব আমার আচরণে প্রকাশ পাওয়া শুরু করলো। “টাইম ম্যানেজমেন্ট” বইটিতে জানতে পারলাম যে সেলফ ডেভেলপমেন্ট এর জন্য সময় বরাদ্দ করতে হবে তাহলে কাজের মানও বাড়বে এবং শারীরিক, মানসিক শান্তি পাওয়া যাবে।

    ৫. এই বইয়ের হাইব্রিড শিডিউলিং পদ্ধতি দেখে আমি সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছি। আলহামদু লিল্লাহ!

    আমি সবাইকে এই বইটি কেনার জন্য সাজেস্ট করছি। বিশেষত, তাদেরকে যারা সবসময়েই ব্যস্ত থাকেন এবং এতো ব্যস্ত থাকার পরও ‘বারাকাহ’ নামক সোনার হরিণ খুঁজে পাচ্ছেন না! বইটি আমলের নিয়তে পড়ুন! উপকৃত হবেন, ইংশা আল্লাহ!

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  7. 5 out of 5

    :

    বিসমিল্লাহ..

    পৃথিবীতে একজন মানুষের জন্য কতটুকু সময় বরাদ্দ, এটা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা জানেন।সময়ের একটা গন্ডির ভিতর মানুষকে আবদ্ধ করে পৃথিবীতে বসবাসের জায়গা করে দেন তিনি।কেউ হয়তো সৃষ্টিকর্তার দেওয়া সময়ের স্বদ্যব্যবহার করে আবার কেউ হয়তো এই মূল্যবান সময়কে হেলা-ফেলা করে নষ্ট করে।এমন অনেক ব্যক্তি পৃথিবীতে রয়েছে যারা খুব অল্প সময় বাঁচে কিন্তু এর মাঝেই অনেক কিছু করে যায়।আবার কেউ অনেকদিন বাঁচার পরও তেমন কিছু করে যেতে পারে না।কেন একজন অল্প সময়ে অনেককিছু করে ফেলে আর কেন একজন অধিক সময়ে বাঁচার পরও তেমন কিছু করতে পারে না সেটা হয়তো আপনাদের বুঝানো নিস্রয়োজন।

    আমরা অনেকেই এলোমেলো, অগোছালো জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আর টাইম ম্যানেজমেন্টের একটি অন্যতম সাধারণ নিয়ম হলো যার কাজের জায়গা অগোছালো তার টাইম ম্যানেজমেন্ট খুব একটা ভালো হয় না।অপরদিকে গোছালো কাজের জায়গা কার্যকরী টাইম ম্যানেজমেন্টের সহায়ক হয়।বইটির বিশেষ কয়েকটা বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম একটা বৈশিষ্ট্য হলো লেখক বইটিকে এমনভাবে সাজিয়েছেন যাতে করে আমরা তার বইটি অনুসরণ করে সময়কে নিজের আয়ত্তে নিয়ে আসতে পারি।

    বইটির বিশেষত্বর কথা বলতে গেলে আমি বলব যে বইটি লেখক অত্যন্ত সাবলীল ও প্রাঞ্জল ভাষায় লিখেছেন।অত্যন্ত সরল ভাষা ব্যবহারের কারণে বইটি পাঠকের মনে শক্ত স্থান দখল করে নিয়েছে।লেখক হয়তো সাবলীল ভাষায় নিজেকে প্রকাশ করতো পছন্দ করেন,তাই এই বইটিও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    পরিশেষে আমরা যারা সময়ের বারাকাহ খুঁজে পাই না, জীবনকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে চালাতে অভ্যস্ত নই,জীবনে শৃঙ্খলার অভাব অনুভব করি তাহলে আমাদের জন্য সিয়ান পাবলিকেশনের মুহাম্মদ ইফাত মান্নান অনুদিত ইসমাইল কামদারের লিখা টাইম ম্যানেজমেন্ট বইটি পড়া আবশ্যক।

    টাইম ম্যানেজমেন্ট বইটির মাধ্যমে আপনি ক্রমাগত উন্নতির সোপান বেয়ে চূড়ায় উঠতে পারবেন এবং আবিস্কার করতে পারবেন নতুন নতুন কৌশল, বলে লেখক জানিয়েছেন।লেখক আরো বলেন,তথ্য প্রযুক্তির অক্টোপাসে জড়ানো আধুনিক এই সময়ে যারা জীবনটাকে আরেকটি অর্থবহ করে তুলতে চান, পৃথিবীতে রেখে যাওয়ার মতো কিছু করে যেতে চান তাদের জন্যই মূলত সিয়ানের এই বই “টাইম ম্যানেজমেন্ট”

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  8. 5 out of 5

    :

    ইসলাম ধর্মের আলোকে আর আধুনিক বিজ্ঞানের পরীক্ষিত পদ্ধতিতে সময়ের সার্থক ব্যাবহার করার উপায় সম্পর্কে লেখা বই টি। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজ ভাষায় কিন্তু সংক্ষিপ্তসারে লেখা হয়েছে।
    বইটি সবাই পড়ে দেখতে পারেন। এর উপদেশগুলো জীবনে বাস্তবায়িত করতে পারলে আমরা সবাই উপকৃত হবো, ইন শা আল্লাহ্
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  9. 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি মহান আল্লাহ্‌ তা’আলার কাছে যিনি আমাকে এই বইটি পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন এবং আল্লাহর কাছে Wafi Life এর জন্য দুয়া করি যেন তাদের উত্তম প্রতিদান দান করেন বইটি আমার কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য।

    সময়, আল্লাহ্‌ সুবহানুতা’আলার অগণিত নিয়ামতগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামত। আল্লাহ্‌ যাকে এই উপলব্ধি করালেন ইনশাআল্লাহ্‌ তার জীবন উন্নতির দিকেই যাবে যদি সে আল্লাহর উপর ভরসা করে তার বিধিনিষেধগুলো এই ক্ষনস্থায়ী জীবনে যথাযথভাবে পালনের নিয়ত করেন। টাইম ম্যানেজমেন্ট বইটি এ বিষয়ে সহায়ক। ইসলামের আলোকে সময়ের গুরুত্ব আলোচনা এবং সময়ের সদ্ব্যবহার করার দিক নির্দেশনা বাস্তব উদাহরণের সাহায্যে বইটিতে গুছিয়ে ধাপে ধাপে লিখেছেন লেখক ইসমাইল কামদার। বইটি কত পদ্ধতিতে এবং কীভাবে কাজে লাগাতে পারবেন সে বিষয়েও লেখক শুরুতেই উল্লেখ করেছেন। সব পরামর্শ একেবারে বাস্তবায়ন করা কষ্টসাধ্য, তবে আল্লাহ্‌ চাইলে অসম্ভব নয়। আল্লাহ্‌ আমাদের সবর করার তৌফিক দান করুন এবং বইটির সহায়তায় দুনিয়া ও আখিরাতে উপকৃত হতে সাহায্য করুন। আমিন।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  10. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুন_২০২০

    ব‌ই:টাইম ম্যানেজমেন্ট
    লেখক : Ismail Kamdar
    প্রকাশনী : সিয়ান পাবলিকেশন
    বিষয় : ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা
    অনুবাদক : মুহাম্মাদ ইফাত মান্নান
    পৃষ্ঠা : ১২০
    কভার: পেপার ব্যাক
    মূল্য:২১৮ টাকা-৩০% ছাড়=১৫২ টাকা

    আমাদের নবী (স:) ছিলেন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও সময়ের সদ্ব্য ব্যবহারকারী।
    তিনি সাহাবীদের নসিহা করতেন,কে আজ সাওমের নিয়্যাত করেছে? কে আজ জানাযায় অংশ নিয়েছে?
    কে আজ দরিদ্রকে খাইয়েছ?কে আজ অসুস্থ কাউকে দেখতে গিয়েছ?”
    রাসূল (স:)বলেন, “এই কাজগুলাে যদি কেউ একই দিনে করে তবে আশা করা যায়,
    তাকে জান্নাত দেওয়া হবে”।(সহীহ মুসলিম)

    এরাই ছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষ। কিন্তু আমরা তাদের উত্তরসূরি হয়ে টাইম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পশ্চিমাদের বই খুঁজি। আমরা প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে করা এক যুদ্ধ বিক্রি করে এখনও খাওয়ার ধান্ধা করি। অথচ একেকজন সাহাবি এক জীবনে অনেক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। এমনকি বিশ-পঁচিশ-ত্রিশ কিংবা তারও বেশি। আমরা এমন আত্মনিবেদিত মানুষের জীবনী পড়ার সময় হয়তাে ভাবি, যুদ্ধই হয়তাে ছিল তাদের জীবন ; ঘরসংসার নিয়ে তাদের ভাবতে হয়নি। কিন্তু না। তারা চিরকুমার ছিলেন না; ছিলেন না কাস্তেবিপ্লবীদের মতাে—যারা বিপ্লব বেচে পরনারী ভােগ করে। তাদের প্রায় সকলেরই একাধিক স্ত্রী ছিল এবং সে স্ত্রীরা তাদের স্বামীর প্রতি সন্তুষ্টও ছিলেন। তারা একটি দুটি নয়, অনেক সন্তান নিয়েছেন এবং তাদের লালন-পালন করেছেন। সবই সামলেছেন তারা।

    একটি হাদিস সংগ্রহ করতে মাইলের পর মাইল সফর করতে হতো-
    ঘােড়া-গাধা-উটে চড়ে, তখন ইমাম আহমাদ তার মুসনাদে কম-বেশি ত্রিশ হাজার হাদিস সংগ্রহ করেছেন। ইমাম বুখারি সাত হাজার পাঁচ শ হাদিস সংকলন করেছেন শুধু সহিহ বুখারিতেই। প্রতিটি হাদিস লিপিবদ্ধ করার পূর্বে তিনি দুই রাকা’আত
    ইস্তিখারা সালাত আদায় করেছেন।
    পাখির পালক কালিতে চুবিয়ে লেখার যুগে অনেক মুসলিম বিদ্বান যে রচনা করে
    গিয়েছেন, আমাদের অনেকে এক জীবনে হয়তাে পড়েও শেষ করতে পারব না।।

    তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের সব কাজ সহজ করে দিয়েছে। ক্লিকেই দুনিয়ার তথ্য আমাদের নখের ডগায়। এত সুযােগ সুবিধা ভােগ করেও পূর্বসূরিদের মতাে যােগ্য সন্তান জন্ম দিতে এই জাতি আজ ব্যর্থ। সকাল হয়, দিন গড়িয়ে রাত হয়, আবার সূর্য ওঠে। আলু-পেঁয়াজ আর বিদ্যুৎ-বিলের হিসাব মেটাতেই বেলা শেষ। পৃথিবীকে দিয়ে যাওয়ার মতাে কিছুই করা হয় না। সময় নেই, ব্যস্ত।

    আমরা কি আসলেই ব্যস্ত—নাকি ব্যস্ততার অভিনয় করি, কিছু না করেই নিজেকে
    কিছু একটা প্রমাণ করার কসরতে। একটু বসুন নিজের সাথে। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন।

    তথ্যপ্রযুক্তির অক্টোপাসে জড়ানাে আধুনিক এই সময়ে জীবনটাকে আরেকটু যারা
    অর্থবহ করতে চান; পৃথিবীতে রেখে যাওয়ার মতাে কিছু করতে চান তাদের জন্য
    সিয়ানের এই বই ‘Time Management’।

    ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটির হেড টিউটরিয়াল এসিস্ট্যান্ট উস্তাদ ইসমাঈল কামদার বইটি লিখেছেন।তার বাংলা অনুবাদ এই ব‌ইটি।

    আধুনিক যুগে সময়ের বারাকাহ কত কমে গেছে আর একজন মুসলিমকে সে বারাকাহ ফিরিয়ে আনতে
    প্রতিনিয়ত কতটা সংগ্রাম করতে হয়, তা হয়ত আমাদের অনেকের জানা আছে। ইবাদাত, পড়াশােনা, চাকরি, বিনােদন, ব্যক্তিগত জীবন—সবকিছু একসাথে ম্যানেজ করতে পারাটা অনেক বড় জগ্যতা।
    সে স্কিল আয়ত্ত করা আবার এতটা সহজও না। আমাদের দেখা অনেক বন্ধু আছে, যারা লাষ্ট মােমেন্টে এসে সবকিছু করেও কীভাবে কীভাবে যেন সফলতা পেয়ে যায়। তাদের দেখে আমাদের এই ভ্রান্তি ঘটে যে, টাইম ম্যানেজমেন্টের কী দরকার! এসব ম্যানেজমেন্ট মানেই নিয়ম-কানুন আর মােটিভেশন।
    কিন্তু একজন মুসলিমের জীবনে নিয়ম-কানুন,
    শৃঙ্খলা এসব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হয়তাে একেকজনের জীবনে নিয়ম-কানুন, শৃঙ্খলার মাত্রা বিভিন্ন কিন্তু এটা থাকতেই হবে, আপাতত যতই বােরিং মনে হােক না কেন।

    রাসুলুল্লাহ (স:) ,সাহাবায়ে কেরামগণ তারা সবাই মানুষ ছিলেন, যান্ত্রিক রোবট নয়। তাদের পরিবার ছিল, সন্ন্যাসীর জীবন নয়। দুনিয়াবি প্রয়োজন ছিল, পেটের ক্ষুধা ছিল, পরিবারের চাহিদা ছিল। সব-ই তারা সাধ্য মতো পূরণ করতেন।ইসলামের ইতিহাস বলে, মুসলিমরা এরকমই কর্মমুখোর ছিল। তারা সময়ের কদর করতেন, তাই সময় তাদের নিকট কল্যাণের অজস্র বারিধারা সহ হাজির হয়েছে। তাঁরা সত্যিকারের ইলমপিয়াসু ছিলেন, ইলমের ওপর আমল করতেন, তাই ইলম তাদের উভয় জাহানে করেছে সম্মানিত।সময় ব্যবস্থাপনা স্রেফ অমুসলিমদের জন্যই না, বরং আমাদের নেককার পূর্বপুরুষদেরও জীবনের একটি অংশ ছিল। তারা সময় ব্যবস্থাপনা শিখতেন, এবং সেখাতেন।
    সেই লক্ষ্য থেকেই ইসমাইল কামদার কুরআন সুন্নাহর আলোকে অসাধারণ এই বইটি রচনা করেছেন। এতে তিনি সময় ব্যবস্থাপনা নিয়ে কার্যকরী নানান কৌশল আলোচনা করেছেন এবং রকমারি রুটিন তৈরির দ্বারা পাঠকের জন্য অত্যন্ত সহজ করে দেয়া হয়েছে।
    কবরে কোন আমল করার উপায় থাকবে না,তাই এই জীবনেই সময়ের কদর করতে হবে।
    ব‌ইটি পড়লে বুঝতে পারবেন একজন মুমিন বান্দার সময়ের গুরুত্ব কত এবং কিভাবে সময়ের বারাকাত পাওয়া যায়।

    5 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  11. 4 out of 5

    :

    সময় নষ্টের এক ভুত সারাটা জীবন আমাকে জ্বালিয়ে খেয়েছে।বারবার এর পিছু ছাড়াবার চেষ্টা করেছি কিন্তু কিসের কি!
    ‘সময় আমার কাটিয়া যাইত বসিয়া ঘুমাইয়া’।
    ওয়াফিলাইফ থেকে বই অর্ডার করতে যেয়ে টাইম ম্যানেজমেন্ট বইয়ের সাথে পরিচয়।৬টি বই অর্ডার করেছিলাম,হাতে পেয়ে প্রথমেই ‘টাইম ম্যানেজমেন্ট’ দিয়ে পড়া শুরু করলাম।কোনদিন টাইম ম্যানেজমেন্ট এর উপর বই তো দূরের কথা দু চারটা আর্টিকেল দেখেছি কিনা সন্দেহ,তাই তুলনামুলক কোন কিছুই বলতে পারবনা,কিন্তু বইটা পড়ার পর থেকে গত কিছুদিন আমার নিজের মধ্যে একটা পরিবর্তনের চেষ্টা আমি করেছি এবং হ্যাঁ অনেক ক্ষেত্রেই সফল হচ্ছি।
    লেখক ইসমাইল কামদার এই বইয়ে সবচেয়ে বেষ্ট যে কাজটি করেছেন তা হলো একজন মুসলিম এর দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা পুরোটা দিনকে কিভাবে সাজাতে পারি তা খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।
    তো যারা আলসেমি কে নিজের থেকে তাড়াতে পারছেন না বা চাচ্ছেনযে সময় টা আরো যথাযথভাবে ব্যয় হোক,তাদের জন্য এটা একটা মাষ্ট রিড বুক।

    বি,দ্র> লেখার হাত খুব খারাপ কিন্তু তাও এই বইয়ে লেখক আমাকে শিখিয়েছেন কোন কিছুতে অতিরিক্ত নিখুত হতে না চাওয়া,তাই ঝটপট একটা রিভিও দেয়ার চেষ্টা।

    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  12. 5 out of 5

    :

    রিভিউ খানেকটা বড় হবে। তবে ধৈর্য সহকারে ২/৩ টা মিনিট যদি পড়েন ইনশা আল্লাহ্‌ অনেক বড় একটা পরিবর্তন আসবে আপনার জীবনে। আল্লাহ সহজ করে দিক। ওয়ামা তৌফিকি ইল্লা বিল্লাহ।

    বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম–

    ফজরের সালাতের পর রাসূল ﷺ সাহাবিদের খোঁজখবর নিতেন। কেউ কোনাে স্বপ্ন দেখে থাকলে তার ব্যাখ্যা করতেন। বিভিন্ন সময় উৎসাহমূলক বিভিন্ন কথাবার্তা বলতেন।
    একদিন ফজরের পর তিনি উপস্থিত সবাইকে জিজ্ঞেস করলেন, “তােমাদের মধ্যে আজ কে সাওমের নিয়্যাত করে ঘুম থেকে উঠেছ?”
    আবু বকর আস সিদ্দীক(রা.)বললেন, “আমি।”
    এরপর জিজ্ঞেস করলেন, “তােমাদের মাঝে কে আজ জানাযায় অংশ নিয়েছ?”।
    আবু বাকর (রা.) বললেন, “আমি।”
    এরপর জিজ্ঞেস করলেন, “তােমাদের মধ্যে কে আজ দরিদ্রকে খাইয়েছ?”
    আবু বকর (রা.)বললেন, “আমি।”
    এরপর জিজ্ঞেস করলেন, “তােমাদের মধ্যে কে আজ অসুস্থ কাউকে দেখতে।
    গিয়েছ?”
    আবু বাকর আস-সিদ্দীক (রা.) বললেন, “আমি।”
    রাসূল ﷺ বলেন, “এই কাজগুলাে যদি কেউ একই দিনে করে তবে আশা করা যায়,
    তাকে জান্নাত দেওয়া হবে”।(সহীহ মুসলিম)

    এরাই ছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষ। কিন্তু আমরা তাদের উত্তরসূরি হয়ে টাইম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পশ্চিমাদের বই খুঁজি। আমরা প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে করা এক যুদ্ধ বিক্রি করে এখনও খাওয়ার ধান্ধা করি। অথচ একেকজন সাহাবি এক জীবনে অনেক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। এমনকি বিশ-পঁচিশ-ত্রিশ কিংবা তারও বেশি। আমরা এমন আত্মনিবেদিত মানুষের জীবনী পড়ার সময় হয়তাে ভাবি, যুদ্ধই হয়তাে ছিল তাদের জীবন ; ঘরসংসার নিয়ে তাদের ভাবতে হয়নি। কিন্তু না। তারা চিরকুমার ছিলেন না; ছিলেন না কাস্তেবিপ্লবীদের মতাে—যারা বিপ্লব বেচে পরনারী ভােগ করে। তাদের প্রায় সকলেরই একাধিক স্ত্রী ছিল এবং সে স্ত্রীরা তাদের স্বামীর প্রতি সন্তুষ্টও ছিলেন। তারা একটি দুটি নয়, অনেক সন্তান নিয়েছেন এবং তাদের লালন-পালন করেছেন। সবই সামলেছেন তারা। যখন একটি হাদিস সংগ্রহ করতে মাইলের পর মাইল সফর করতে হতো-
    এরােপ্লেনে নয়, ঘােড়া-গাধা-উটে চড়ে, তখন ইমাম আহমাদ তার মুসনাদে কম-বেশি
    ত্রিশ হাজার হাদিস সংগ্রহ করেছেন। ইমাম বুখারি সাত হাজার পাঁচ শ হাদিস সংকলন
    করেছেন শুধু সহিহ বুখারিতেই। প্রতিটি হাদিস লিপিবদ্ধ করার পূর্বে তিনি দুই রাকা’আত
    ইস্তিখারা সালাত আদায় করেছেন।
    পাখির পালক কালিতে চুবিয়ে লেখার যুগে অনেক মুসলিম বিদ্বান যে রচনা করে
    গিয়েছেন, আমাদের অনেকে এক জীবনে হয়তাে পড়েও শেষ করতে পারব না।।

    তথ্যপ্রযুক্তি আমাদের সব কাজ সহজ করে দিয়েছে। ক্লিকেই দুনিয়ার তথ্য আমাদের নখের ডগায়। আমরা পৃথিবীর এক প্রান্তে প্রাতরাশ সেরে অন্য প্রান্তে দুপুরের কাইলুলা করতে পারি। এত সুযােগ সুবিধা ভােগ করেও পূর্বসূরিদের মতাে যােগ্য সন্তান জন্ম দিতে এই জাতি আজ ব্যর্থ। সকাল হয়, দিন গড়িয়ে রাত হয়, আবার সূর্য ওঠে। আলু-পেঁয়াজ আর বিদ্যুৎ-বিলের হিসাব মেটাতেই বেলা শেষ। পৃথিবীকে দিয়ে যাওয়ার মতাে কিছুই করা হয় না। সময় নেই, ব্যস্ত।

    আমরা কি আসলেই ব্যস্ত—নাকি ব্যস্ততার অভিনয় করি, কিছু না করেই নিজেকে
    কিছু একটা প্রমাণ করার কসরতে। একটু বসুন নিজের সাথে। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন।

    তথ্যপ্রযুক্তির অক্টোপাসে জড়ানাে আধুনিক এই সময়ে জীবনটাকে আরেকটু যারা
    অর্থবহ করতে চান; পৃথিবীতে রেখে যাওয়ার মতাে কিছু করতে চান তাদের জন্য
    সিয়ানের এই বই ‘Time Management’।

    বইটি লিখেছেন ইসলামিক অনলাইন ইউনিভার্সিটির হেড টিউটরিয়াল এসিস্ট্যান্ট উস্তাদ ইসমাঈল কামদার। বইটির বাংলা অনুবাদ আপনাদের হাতে তুলে দিতে পেরে সিয়ান পরিবার আনন্দিত। আল্লাহ বইটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে উত্তম বিনিময় দান করুন। আমিন।

    আধুনিক যুগে সময়ের বারাকাহ কত কমে গেছে আর একজন মুসলিমকে সে বারাকাহ ফিরিয়ে আনতে
    প্রতিনিয়ত কতটা সংগ্রাম করতে হয় তা হয়ত আমাদের অনেকের জানা আছে। ইবাদাত, পড়াশােনা, চাকরি, বিনােদন, ব্যক্তিগত জীবন—সবকিছু ইফেক্টিভলি ম্যানেজ করতে পারাটা এ যুগে অনেক বড় একটা স্কিল।
    সে স্কিল আয়ত্ত করা আবার এতটা সহজও না। আমাদের এমন অনেক বন্ধু আছে, যারা লাষ্ট মােমেন্টে এসে সবকিছু করেও কীভাবে কীভাবে যেন সফলতা পেয়ে যায়। তাদের।
    দেখে আমাদের এই ভ্রান্তি ঘটে যে, টাইম ম্যানেজমেন্টের কী দরকার! এসব ম্যানেজমেন্ট মানেই নিয়ম-কানুন আর মােটিভেশন।
    কিন্তু একজন মুসলিমের জীবনে নিয়ম-কানুন,
    শৃঙ্খলা এসব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হয়তাে একেকজনের জীবনে নিয়ম-কানুন, শৃঙ্খলার মাত্রা বিভিন্ন কিন্তু এটা থাকতেই হবে, আপাতত যতই বােরিং মনে হােক না কেন।

    শায়খ ইসমাইল কামদার এ নিয়ম-কানুনকেই এত সহজ করে দেখিয়েছেন যে, অনুবাদ করতে গিয়ে অনুবাদকের মনে হয়নি যে সে গতানুগতিক কিছু অনুবাদ করছে।

    2 minutes rule, S.M.A.R.T goal, to-do-list-এর মতাে টেকনিকের কথা আগেও আমরা পড়েছি কিন্তু সময়ের বারাকাহ কীভাবে পাওয়া যায় এটা নিয়ে হয়তাে আগে তেমন কেউ পড়েননি। যারা জানেন এবং বােঝেন যে, সময়কে স্মার্টলি ব্যবহার করতে পারলে জীবন সহজ হয়ে যায় তাদের জন্য এ বইটা মাস্ট রিড।

    রিভিউ টা এখানেই শেষ নয়। আরো কিছু অংশ ছিল। কিন্তু যারা পড়বে তাদের এতক্ষণ ধরে এত বড় আর্টিকেল পড়ার আগ্রহ থাকবে কিনা এ সন্দেহে বাকি অংশ দিলাম না। তারপরেও যদি কারো একান্ত রিভিউ এর এতটুকু অংশ ভালো লেগে থাকে তাহলে বই টি আজ ই কিনে আনুন আর পড়া শুরু করে দিন। দোয়া করবেন।
    ইনশা আল্লাহ্‌, সফলতা আসবেই——-

    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  13. 5 out of 5

    :

    AlhumduliAllah পড়ার মত একটা বই।এই প্রথম এই লেখকের অনুবাদ করা বই পড়লাম । religious way তে কিভাবে সময়কে কাজে লাগানো যায় তা দিয়ে খুব সুন্দর করে represent করা হয়েছে । yes I recommend this book to my friends and family. Shukran
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  14. 5 out of 5

    :

    বৈজ্ঞানিক বিষয়ের সাথে ধর্মকে যুক্ত করে দিয়ে একটি আধুনিক মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার জন্য এই বইটি অনন্যসাধারণ একটি বই। এর জ্ঞানের মূল্য অসীম। ঠিক এইরকম বিষয় বস্তু সম্পন্ন আর কোন বই আছে কিনা জানতে পারলে খুবই উপকৃত হতাম।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  15. 5 out of 5

    :

    আমাদের জীবনের ৮০% সময়গুলো অযথা চলে যাচ্ছে। বাকি ২০% কাজ আমরা করি। আমরা আইডিন্টিফাই করতে পারিনা কোন গুলো করা গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো দরকার নেই।এ পর্যন্ত টাইম ম্যানেজমেন্ট এর যতগুলো বই লেখা হয়েছে তার মধ্য সবচেয়ে ইফেক্টিভ বই ইসমাইল কামদারের লিখিত এই বইটি। বইটিতে লেখক সুন্দর করে সাজিয়েছেন।যেহেতু এটা ইসলামের আলাকে লেখা তাই অন্যান্য বস্তুবাদীদের বই থেকে আলাদা। টাইম ম্যানেজমেন্ট এর যতগুলো পয়েন্ট দরকার লেখক বইতে সেগুলো নিয়ে এসেছেন। সকল পাঠকের বইটি পড়া আবশ্যক বলে আমি মনে করি।
    3 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  16. 4 out of 5

    :

    মানুষের জীবনে আর কিছু সম্মান থাকুক বা না থাকুক একটা জিনিস কিন্তু সবার জন্যই সমান ভাবে বরাদ্দ করা, হোক সে ধনী-গরীব, হিন্দু-মুসলিম। আর তা হলো সময়। আমাদের মুসলিমদের একটা নির্দিষ্ট সময় দেয়া হয়েছে এটা প্রমাণ করার জন্য যে আমরা জান্নাত লাভের উপযোগী। সময়কে গুছিয়ে ব্যবহার করার প্রয়োজনীয় টিপসের জন্য তিন-চারটা বই অথবা দশক টা ইউটিউব ভিডিও দেখতে না বলে মাত্র একটি বই পড়তে সাজেস্ট করব সেটি হলো- সিয়ান পাবলিকেশনের ”টাইম ম্যানেজমেন্ট” বইটি।

    অনেকেই নিজের সময় কে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে পারেন না এবং দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
    আলহামদুলিল্লাহ্ লেখক সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার আর সময় থেকে কিভাবে বারাকাহ্ হাসিল করা যায় সে সম্পর্কে লিখেছেন। এই বইটিকে ৬টি ধাপে সাজানো হয়েছে।

    ★একটি লক্ষ্য নিয়ে বেঁচে থাকাঃ
    জীবনের লক্ষ্য ঠিক করার উপদেশটা সেই ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে আসছি। তবে আমাদের লক্ষ্যটা হওয়া উচিত ইসলামকেন্দ্রিক। কারণ আপনি যাই করেন না, কেন যাই হন না কেন, যেতে তো হবে আপনাকে কবরেই। তাই যে পেশাই বেছে নিন না কেন, তার দ্বারা যাতে ইসলামের সেবা হয়। লেখক লক্ষ্য নির্ধারণ করার জন্য একটি টেকনিকের কথা বলেছেন যা হলো- S.M.A.R.T.

    ★গতানুগতিক জীবন থেকে সুসংগঠিত জীবনেঃ
    প্রতিদিনই আমরা একই কাজের পুনরাবৃত্তি করেই যাচ্ছি। যা করছি তার দ্বারা ভালো কিছু অর্জন করছি কিনা তা জানার সামান্যতম চিন্তাও করি না। বিনা কারণে ইঁদুরের মত দৌড়াদৌড়ি না করে, আগে সুন্দর একটা পরিকল্পনা করুন। তারপর সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করুন। সাপ্তাহিক পরিকল্পনা করুন যাতে প্রতি সপ্তাহে কোন কোন ভালো অভ্যাস গড়েছেন, বদঅভ্যাস ঠিক করেছেন, কোন কাজটি এ সপ্তাহে শেষ করতে হবে তা ভালো ভাবে সাজাতে পারেন। প্রতিদিন সকালে সেইদিন কি কি কাজ করবেন তার একটি লিস্ট বানিয়ে, কোন কাজটা আগে শুরু করবেন এবং কোনটি পরে শুরু করবেন সেই ক্রমান্বয়ে কাজ গুলো কে সাজিয়ে ফেলুন। এবং কাজ করা শুরু করে দিন

    ★কাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেনঃ
    আমাদের বর্তমান সমস্যা হচ্ছে দুনিয়ার কাজকে প্রধান হিসেবে ধরে নিয়ে আল্লাহর বিধান গুলোকে অপশনাল হিসেবে রাখি। আর পরে মিথ্যা আফসোস করেছে আমি নামাজ পড়ার সময় পাই না। প্রতিদিন এমন একটি কাজ করুন যা আপনাকে আপনার ক্যারিয়ারের দিকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। সারাদিন সুসংগঠিতভাবে সব কাজ করলেও যদি পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটানোর জন্যই সময় না থাকে, তবে এত কিছু করেও কোনো মানুষ সুখী হতে পারবে না।
    তাই পরিবারের সাথে সময় কাটানোর জন্য আলাদা সময় নির্ধারণ রাখুন।

    ★পদক্ষেপ নেওয়াঃ
    যতই প্ল্যান করুন না কেন আসল কাজটা হবে তখনই যখন কেউ পদক্ষেপ নিবে। পদক্ষেপ না নিয়ে শুধু কাজটা নিয়ে ভাবতে থাকলে তা একা একা কখনো শেষ হয়ে যাবে না। কোন কাজে একদম নিখুঁত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। আপনি যেখানে আছেন সেখান থেকে শুরু করে দিন। কর্মদক্ষতা ধীরে ধীরে আপনা-আপনি বৃদ্ধি পেতে থাকবে। পরিকল্পনা করার সময় ভালো-খারাপ দুটোই ভালোভাবে ভেবে নিবেন। একবার পরিকল্পনা হয়ে গেলে কাজটি শুরু করে দিতে হবে। কাজ শুরুর পর এটা ভাবা যাবে না- “এমনটা না করে এভাবে করলেই তো পারতাম”। একসাথে একবসায় পুরো কাজ শেষ না করে কাজটাকে আলাদা আলাদা টাস্কে ভেঙ্গে নিন। আর সেই ছোট ছোট টাস্কগুলো পূরণ করুন, তাহলে কাজটি আপনা-আপনি শেষ হয়ে যাবে।

    ★গতি বেগ ধরে রাখাঃ
    কোন কিছু শুরু করার আগেই আমরা ফল নিয়ে চিন্তা করি, তেমনি কাজটি শুরুর কিছু মুহূর্তের মধ্যে আমরা তার ফিডব্যাক পেতে চাই। আর যখন আমরা নগদ ফিডব্যাক না পাই কাজটি থেকে, তখন আমরা হার মেনে নিই। এক্ষেত্রে আমাদের ধৈর্য ধরে একনাগাদ করে যেতে হবে। আর ব্যর্থ হলে বারবার চেষ্টা করে যেতে হবে, যদি আপনি জানেন যে আপনি যা করছেন তা ঠিক। যখন একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করে ফেলবেন তখন মাঝপথ থেকে ফিরে আসা যাবে না এজন্য নিজেকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রাখতে হবে।

    ★এড়িয়ে চলবেন যাদেরঃ
    এই অধ্যায় লেখক অনেকগুলো ডিস্ট্রাকশন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এবং সেগুলো থেকে বাচ্চার টিপস ও দিয়েছেন।

    পাঠ-প্রতিক্রিয়াঃ
    সময়ে বারাকাহ বৃদ্ধি করার জন্য নিজের অনেক সময় নষ্ট করেছি ইউটিউবে ঘাটাঘাটি করে আর পশ্চিমাদের বই পড়ে। তবে সেগুলা পড়ে সময়কে কাজে লাগাতে গিয়ে উল্টো আরো বেশি সময় নষ্ট করে ফেলেছি। আবার সেই বইগুলো ইসলামের দিকে আহ্বান করে নি। কিন্তু যখন এই বইটি পড়লাম, এবং বইয়ে উল্লেখিত পদ্ধতিগুলো মানা শুরু করলাম। আলহামদুলিল্লাহ তখন আগে থেকে ভালোভাবে টাইম ম্যানেজ করতে পারি। রামাদানের টাইম ম্যানেজমেন্ট অধ্যায়টি অসাধারণ লেগেছে।

    আপনিও কিছু সুন্দর সুন্দর অভ্যাস ও কৌশল শিখতে পারবেন, যেগুলো অনুসরণ করে আপনি আপনার সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারবেন। সময় গোছাতে এবং জীবনের লক্ষ্য পূরণে এগুলো আপনার জন্য সহায়ক হতে পারে।

    সমালোচনাঃ
    ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে লিখা বিধায় সময় এবং বারাকাহ সংক্রান্ত আয়াত,হাদিস ও সালাফদের বাণী আরো বেশি উল্লেখ করা থাকলে ভালো হত। অনুবাদটি সম্ভবত আক্ষরিক অনুবাদ। আক্ষরিক অনুবাদ না হয়ে যদি ভাবানুবাদ হতো,দেশের প্রেক্ষাপটের কিছু উদাহরন, ঘটনা, আলোচনা ইত্যাদি আসতো তাহলে বইটি পড়ে আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পেত।

    কিছু বিষয় বাদ দিলেই বইটি সেরা বইগুলোর একটি। মুমিনের হাতে সময় নষ্ট করার সময় নেই। কারণ তাকে খুব দ্রুতই ফিরে যেতে হবে তার রবের কাছে। তাই সময়কে সুন্দরভাবে কাজে লাগানোর জন্য বইটির কোনো বিকল্প হতে পারে না।

    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  17. 3 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_মার্চ_২০২০

    সময় দামি এক সম্পদ। একে তাই ধার্মিকতার কাজে লাগানো উচিত। আমি যথাসম্ভব লোকজনের সান্নিধ্য এড়িয়ে চলি কিন্তু একেবারেই এড়িয়ে যাওয়া তো আর সম্ভব না। তাই কেউ আমার সাথে কথা বলতে এলে কথোপকথন যথাসম্ভব সংক্ষেপ করার চেষ্টা করি। একই সময়ে আমার লেখালেখির জিনিসগুলো ঠিক করে রাখি। ছোটখাটো যেসব কাজ না করলেই নয় আবার যেগুলো কথা বলতে বলতেই করে ফেলা যায়, সেগুলোও করে ফেলি। এই কাজগুলো প্রয়োজনীয় আবার খুব বেশি মনোযোগের দরকার নেই।
    © ইবনু জাওযী

    সময় খুবই দামি একটা সম্পদ আমাদের প্রত্যেকের কাছেই। এই সময় টা কত হেলায় কাটিয়ে দিচ্ছি দিনের পর দিন। এই সময় কে তো ধরে রাখার ক্ষমতাও আমাদের নেই। তাহলে সময়কে কিভাবে ধরে রাখা যায়! সময়কে ধরে রাখতে চাইলে এর সদ্ব্যবহার করা শিখতে হবে আমাদের। এজন্য চাই কিছু টিপস্। এই টিপস্ এর জন্য আমাদের কাছে অনেক ধরনের টাইম ম্যানেজমেন্ট এর বইও বাজারে রয়েছে। বেশ কয়েকদিন যাবত আমি ইসমাইল কামদার এর টাইম ম্যানেজমেন্ট বই টি বেশ যন্ত সহকারে পড়েছি। বেশ ভালই লেগেছে। বই এর লেখার মান আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে। আমি আশা করবো আপনারা এই বইটি একবার হলেও পড়ে দেখবেন। হতাশ হবেন না ইনশাআল্লাহ্। বই টি পড়ে নিজের সময় নষ্ট করার অনেক কারণ খুঁজে পেয়েছি। এখন শুধু ভাবি যে কত্তো সময় আমি জীবনে নষ্ট করেছি। বইটি পড়ে সময় এর সঠিক ব্যবহার করার একটা চিন্তা খুঁজে পাবেন ইনশাআল্লাহ।
    #MRHR

    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  18. 4 out of 5

    :

    Very good book
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  19. 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ। অনেক উপকারী একটি বই। সারাদিনের সময়টা যখন ঠিকভাবে গুছিয়ে নেয়া হচ্ছিলো না তখন এই বইটি যেন আশার আলো হয়ে এল। আমি মনে করি এই বইটি আমার মতো অন্য ভাইবোনদের জন্যও উপকারী হবে। আল্লাহ আমাদের প্রত্যেক মুসলিমের সময়ের বারাকাহ দিন এবং সময়ের মূল্য দিতে পারার সামর্থ্য দিন। আমীন।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No