মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

মনের ওপর লাগাম

অনুবাদ: মাসুদ শরীফ
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-মাসউদ
পৃষ্ঠা: ১০৩
কভার: হার্ড কভার

বিবেক আছে বলেই মানুষ পশুপাখি থেকে আলাদা। বিবেকের কাজ খায়েশের পিছু পিছু যাওয়া থেকে বারণ করা। আপনি যদি বিবেককে পায়ে ঠেলে খায়েশের গোলামি করেন, আপনি তখন জন্তু-জানোয়ারের চেয়েও নিকৃষ্ট হবেন। শিকারি কুকুর আর রাস্তাঘাটে ঘোরাঘুরি করা কুকুর দেখলেই বিষয়টা বুঝবেন। শিকারি কুকুরের আলাদা সম্মান আছে। দাম আছে। কারণ, ইচ্ছার ওপর লাগাম টানার ক্ষমতা আছে তার। শাস্তির ভয়ে কিংবা মনিবের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তারা মনিবের শিকার নিজের কাছে নিরাপদে রাখে।

নাবিকহীন জাহাজ যেমন স্রোতের টানে উদ্দেশ্যহীন ভেসে যায়, খায়েশ ঠিক সেরকম মানুষের স্বভাবকে ইচ্ছেমতো নাচায়। সমঝদার মানুষ হিসেবে বলুন তো: খায়েশের লেজ ধরে একবার চলা শুরু করলে, ভবিষ্যতে এর যে খারাপ পরিণাম হবে সেটা সহ্য করা সহজ, নাকি শুরুতেই খায়েশ চেপে ধরার কষ্ট সহ্য করা সহজ?

খায়েশের অনুসরণের সবচেয়ে করুণ পরিণাম হচ্ছে মানুষ সেই খারাপ কাজটা করতে একসময় আর কোনো মজা পায় না। কিন্তু অভ্যাসবশত করে যায়। নিজেকে সেখান থেকে উদ্ধার করতে পারে না। এ ধরনের খারাপ কিছুতে অভ্যস্ত হলে তা আসক্তিতে রূপ নেয়। মদপান কিংবা অবাধ যৌনসম্পর্কে যারা আসক্ত তাদের অবস্থা এমনই। খায়েশের মুখে লাগাম আঁটবেন কীভাবে?
.
মনের লিমিটলেস খায়েশের উপর লাগাম আঁটার নানান কলাকুশল নিয়ে প্রত্যেক যুগেই বিজ্ঞ আলিমরা তাদের জাতিকে ওয়াজ নসিহত করে গিয়েছেন। এমনি এক আলিম, ইমাম ইবনুল জাওযী রহ., যিনি তাঁর যুগের মানুষদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ নসিহত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রচনা করেছেন অসংখ্য কিতাব। তাঁর সেই অসংখ্য রচনার ভিতর একটি বিখ্যাত কিতাব হচ্ছে ‘আত-তিব্বুর রুহানী’, বাংলায় যা রূপ নিয়েছে ‘মনের ওপর লাগাম’।

বইয়ের ৩০টি অধ্যায়জুড়ে এসব অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হয়েছে।

পরিমাণ

116.00  156.00 (26% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

11 রিভিউ এবং রেটিং - মনের ওপর লাগাম

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    ইবনু মাসউদ(রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “ যার মনে বিন্দু পরিমান অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।” একজন বল্লেন,”কিন্তু মানুষ তো তার পোশাকআশাক সুন্দর দেখতে পছন্দ করে।জুতোজোড়া সুন্দর দেখতে পছন্দ করে।” তিনি বল্লেন,”আল্লাহ সুন্দর। তিনি সৌন্দর্য ভালবাসেন।অহংকার মানে সত্যকে ছুড়ে ফেলা।লোকজনদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা।” (মুসলিম-১৩৬) মনের উপর লাগাম-46 সত্যি ইবনুল জওযী (রহঃ) এর এই বইটি দারুন
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 4 out of 5

    :

    আইনুদ্দিন আল আজাদ (র.) তার এক সংঙ্গীতে বলেছিলেন –
    “অ–দেশের ভাইরে বলনা কোথায় যাইরে,একটু শান্তি বল কোথায় গিয়ে পাইরে”

    একটু শান্তির জন্য মানব সন্তানেরা কত কিযে করছে। কেউ অস্থির হয়ে ছোটছেন টাকার পেছনে। সেই টাকায় একটু শান্তি কিনবেন বলে। কেউবা উপার্জিত সম্পদ দেদারসে উড়াচ্ছেন,শান্তির আকাশে একটু পাখা মেলে উড়বেন বলে। কেউবা নেশার রাজ্যের রাজা বনে গেছেন,একটু শান্তি খুঁজে খুঁজে।
    সকাল থেকে বিকাল, বিকাল থেকে রাত শান্তির খুঁজে মানুষের কিযে এক নিরন্তর ছোটে চলা। কিন্তু এসব কৃত্রিমতার মধ্যে শান্তি পাওয়া যায়!!

    শান্তিতো অন্তরে অনুভব করার বিষয়, সেটাকে অন্তরের চক্ষু দিয়েই খুজতে হবে। আর অন্তর দৃষ্টিতেই যদি সমস্যা থাকে, যদি অন্তরটাই হয় নানান দোষে দুষ্ট তাহলে শান্তি খুঁজে পাবেন কি করে।
    আমাদের মত শান্তির খুঁজ করেছিলেন দ্বাদশ শতাব্দীর প্রখ্যাত আলেম ইবনুল জাওযী (র.)। কুরআন ও হাদীসের ভিত্তিতে খুঁজে পাওয়া সেই শান্তিকে তিনি রেখে গেছেন তাঁর বিখ্যাত “আত-তিব্বুর-রূহানী” নামক গ্রন্থে। যার বাংলা অনুবাদ হচ্ছে “মনের উপর লাগম” বইটিতে অনেক সুন্দর ভাবে আলোচনা করা হয়েছে আত্মার নানান ধরনের অসুখ এবং তার চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে। তুলে ধরেছেন মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলোকে যেগুলো আমাদের শান্তির পথের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। কুরআন-হাদীসের অলোকে বলে দিয়েছেন এসব ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে মুক্তি পাবার উপায়। পাঠক যদি ধৈর্য্য সহকারে এসব পদ্ধতি অনুসরণ করেন, তাহলে শান্তির দেখা পাবেন ইনশাআল্লাহু তা’য়লাা।

    পরিশেষে কৃতজ্ঞতা বাইটি পাঠক পর্যন্ত পৌছানোর পেছনের কারিগরদের প্রতি।
    আল্লাহ সকলকে উত্তম বদলা দান করুন।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5

    :

    কথায় বলে-
    “মানুষের মন কুমোরের চাক,
    পলকে দেয় আঠারো পাক।”

    নিত্য পরিবর্তনশীল মানব মনের ইচ্ছা আর খায়েশিয়াত বোঝাতে এই উপমা।
    মন কি যে চায়,কিসে যে সুখী হয় তা সে নিজেই জানে না।মন ভাবে, এটা পেলে সে খুশী হবে।অথচ দেখা যায় পাওয়ার পর আর ভালো লাগছে না।যার কিছুই নেই তার মন সদা সব পাওয়ার জন্য উন্মুখ।আবার যার সব আছে তার রাতে অশান্তি তে ঘুম হয় না।এমনি পাগলা ঘোড়ার মত দিকভ্রান্ত মনের ইচ্ছার লাগাম শক্তভাবে টেনে ধরতে না পারলে তা সুতা কাটা ঘুড়ির মতই এদিক সেদিক গোত্তা খেয়ে বেড়ায়।পাপ করতে করতে পাপকে আর পাপ বলে মনে হয় না।বিবেকবোধ বর্জিত ‘জম্বি’-তে পরিণত হয় মানুষ।
    তাহলে এর থেকে বাঁচার উপায়?উপায় একটাই।মনের এই লিমিটলেস খায়েশকে নিয়ন্ত্রণ করা।মনের ইচ্ছা মানুষের জন্য ক্ষতিকর না বরং ইচ্ছায় মানুষের চালিকা শক্তি।কিন্তু খায়েশ যখন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যায় তখন তা অসুখে পরিণত হয়ে যায়।তখন তার চিকিৎসা করা জরুরী হয়ে পড়ে।
    যেহেতু মনের অনিয়ন্ত্রিত এবং অসুস্থ ইচ্ছা মানুষকে ধ্বংসের চূড়ান্ত সীমায় পৌছে দেয়,তার দুনিয়া-আখিরাত সব বরবাদ করে দেয় তাই আমাদের বিজ্ঞ আলীমগণ সব সময়ই মানুষের মনের রোগ সারানের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখেছেন।মানুষকে ওয়াজ-নসিহত করেছেন,পুস্তক রচনা করেছেন।তেমনই একটি বই হলো ‘আত তিব্বুর-রুহানী’।ইমাম আল্লামা ইবনুল জাওযী রহ: রচিত বইটি যুগে যুগে মুমিনের আত্মিক উন্নয়নে দিক নির্দেশক হিসেবে চর্চিত হয়ে আসছে।১০৩ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট বইটির -ই সফল বাঙলায়ন ‘মনের ওপর লাগাম’।অনুবাদ করেছেন মাসুদ শরীফ।শারঈ সম্পাদনায় আবদুল্লাহ আল-মাসঊদ।
    ৩০টি ভিন্ন অধ্যায় নিয়ে বইটি সাজানো হয়েছে।হিংসা,আক্রোশ,রাগ,অতিরিক্ত চিন্তার মত মনের রোগ থেকে শুরু করে স্ত্রী,সন্তান,কাজের লোককে কিভাবে ট্রিট করতে হবে তাও এই বইয়ের আওতায় চলে এসেছে।মানুষের নেতিবাচক স্বভাব গুলোকে চিন্হিত করে কুরআন, হাদীসের আলোকে সেগুলোর সবিস্তার সমাধান দেয়া হয়েছে।
    আল্লামা জাওযী রহ: বইটি রচনার পেছনে তিনটি উদ্দেশের কথা উল্লেখ করেছেন:
    ১।মনকে সঠিক সুন্দর ভাবে নিয়ন্ত্রন
    ২।খায়েশের মুখে লাগাম পরানো
    ৩।অসুস্থ ইচ্ছার চিকিৎসা।

    আমাদেরও এই তিনটি নিয়তেই বইটি চর্চা করতে হবে।
    বইটি পড়ে রেখে দিলে হবে না,প্রতিনিয়ত পড়তে হবে এবং চর্চার মাধ্যমে প্রয়োজন মাফিক মনের লাগাম টানা শিখতে হবে।
    মনে রাখতে হবে,শরীরের অসুখের চিকিৎসা না হলে তা বড় জোর মৃত্যু ডেকে আনে কিন্তু মনের অসুখের চিকিৎসা না করলে তা মানুষকে জাহান্নাম পর্যন্ত পৌছে দেয়।

    আল্লাহ আমাদের মনকে তাঁর ইচ্ছার অধীন করে দিন।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5

    :

    The book is very helpful to be good Muslim. I have brought more than 10 copies for my relatives and friends. Thanks Wafi Life. May Allah give all of you the best reward.
    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  5. 5 out of 5

    :

    বইঃ মনের উপর লাগাম
    লেখকঃ ইবনুল জাওযী
    অনুবাদঃ মাসুদ শরীফ
    প্রকাশনীঃ ওয়াফি পাবলিকেশন

    বইটি কেন পড়বেন?
    ————————-
    দেহের অসুখ সারাতে সবাই ডাক্তারের কাছে যান কিন্তু মনে অসুখ সারাতে কার কাছে যাওয়া যায়? কি করবেন? হ্যাঁ, এই বইটি পড়বেন। একজন বড় মাপের আলেমের লেখা এই বইটি আপনার মনের অসুখসমূহ সারিয়ে একজন সত্যিকারের মুমিন হিসাবে গড়ে তুলবে।

    আকর্ষনীয় দিকঃ
    ———————-
    কয়েকটি অধ্যায়ে ভাগ করে মনের অসুখগুলোর গতি প্রকৃতি, সমস্যা ও সমাদান নিয়ে সুন্দর, ইফেকটিভ আলোচনা করা হয়েছে। আলাপী ঢং এ বর্নিত কথাগুলো হৃদয়ে দাগ কেটে যাবে, রোগ সারাবে।

    প্রকাশকের কথায় মানুষের মনের চিকিৎসার্থে এই বইটি সবার জন্য কার্যকর হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
    লেখকের কথায় লেখক বইটি ৩০ টি অধ্যায়ে মনের রোগগুলোকে তিনি আলোচনা করে সমাধান দেয়ার চেষ্টা করেছেন মর্মে উল্লেখ করেছেন।

    বইয়ের সারমর্মঃ
    ———————–
    বইটি তে অনেকগুলো মনের রোগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। কুরআন, হাদীস, সালাফদের জীবনের কাহিনী ইত্যাদির উদাহরন টেনে সহজ ভাষায়, বিজ্ঞজনের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখক সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। এগুলো পড়ে যে কেউ ইনশা আল্লাহ তার নিজের দূর্বলতা ধরতে পারবে এবং নিজের চিকিৎসা নিজেই করতে পারবে।
    উল্লেখযোগ্য কয়েকটি অধ্যায়ঃ বিবেক, কামনা, প্রেম, শারাহ, দুনিয়াবী লোভ, রাগ, মিথ্যা, হিংসা, অহংকার ইত্যাদি।

    লেখক পরিচিতিঃ
    —————————
    আল্লামা ইবনুল জাওযী (রহঃ) অনেক সেক্টরেই অবদান রেখে গেছেন তিনি ৩০০ টির মত রচনা ও ২০০ খন্ডের উপরে বই লিখেছেন।ধর্ম, গনিত, ইতিহাস, জোতির্বিদ্যা, চিকিৎসা, ভাষাতত্ত্ব, ইত্যাদি বিষয়ে ছিল অগাধ পান্ডিত্য। তাঁর কাছে অনেকে তাওবা করেছেন, মুসলমান হয়েছেন।

    সবশেষে শারয়ী সম্পাদকের পরিচিতি দিয়ে বইটি শেষ করা হয়েছে।

    অনুভূতিঃ
    ————–
    বিজ্ঞ একজন আলেমের বই পড়ে খুব ভাল লেগেছে। আশেপাশের অনেক রোগীর মত আমার নিজেকেও রোগী মনে হয়েছে। তবে রোগ তাড়ানোর চেষ্টায় যুদ্ধরত আছি আলহামদুলিল্লাহ।

    রেটিংঃ ৯/১০

    2 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  6. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভালোলাগা_মে_২০২০
    .
    অন্তর আক্রান্ত হয় বিভিন্ন ব্যাধিতে। এগুলোর গতিপ্রকৃতি বোঝাও দায়! এই ধরনের ব্যাধির কারণ, তত্ত্ব ও পথ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কুরআন-সুন্নাহর রন্ধ্রে রন্ধ্রে। ইমাম ইবনুল জাওযী (রহঃ) সেগুলোকে কুড়িয়ে এনে একত্রিত করেছেন। এরপর অবতারণা করেছেন সৃষ্টিশীল কালজয়ী রচনা “আত-তিব্বুর রুহানী”। এর সফল অনূদিত বই’ই হচ্ছে “মনের উপর লাগাম”। শত বছর পূর্বের লিখিত হলেও, বইটি অদ্যাবধি মানুষের উপকারের জন্য বলবৎ।

    [বিষয়বস্তু ও রিভিউঃ]
    অন্তরের এই বিচিত্র রোগবালাইয়ের কারণ গুলো লেখক উপস্থাপন করেছেন সুনির্দিষ্ট ভাবে। আলোচনা করেছেন, অন্তরে খায়েশের তীব্রতার প্রভাব সম্পর্কে। সার্বজনীন মারাত্মক রোগগুলো যা কিনা অন্তর সংকীর্ণ করে তুলে, তার পথ্য লিখেছেন দক্ষ হাতে। দিয়েছেন বাস্তবিক সমাধান।

    অন্তরের প্রশান্তির অভাবে সৃষ্টিকুল যখন শান্তির খুঁজ করে হন্যে হয়ে, লেখক তখন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন, প্রশান্তির বিচরণ নিজেদের ভেতরেই! আত্মার শুদ্ধিতেই প্রশান্তির বসবাস।
    আত্মার মেরামতের জন্য লেখক তাই দিয়েছেন অসাধারণ কিছু নসীহা। আলোচনা করেছেন, নফস নিয়ন্ত্রণের চমৎকার কিছু কৌশল। জীবনঘনিষ্ঠ মৌলিক বিষয়গুলোর উত্তরণে দিয়েছেন স্বচ্ছ নির্দেশনা। শয়তানের কূটকৌশল ছিন্নভিন্ন করে ফিল্টারের মতো আত্মশোধন করার সর্বময় প্রচেষ্টা উঠে এসেছে বইটিতে।। দুনিয়ার শত বাঁধা অতিক্রম করে রবের ভালোবাসায় আত্মাকে প্রেমাসক্ত করার উপায় বর্ণিত হয়েছে শব্দের ভাস্মরে। সর্বপোরি, মরচে ধরা অন্তরকে পুনঃবার ঝালাই দিতে বইটা অবশ্যপাঠ্য।
    .
    [ভালোলাগা-মন্দলাগাঃ]
    এই বইয়ের অনুদিত “আত্মার পরিচর্যা” নামে আরেকটি বই রয়েছে বাজারে। স্বাভাবিকভাবেই তাই দুটো বইয়ের মধ্যে কম্পেয়ারের প্রশ্ন উঠে। দুটোর মধ্যে তুলনামূলক “মনের উপর লাগাম” বইটির অনুবাদের ভাষাগত মান উন্নত। আর বইয়ে সব বিষয়ের উপর রয়েছে বিস্তারিত আলোচনা। যার ফলে পাঠকের অনুযোগের জায়গা নেই। তার উপর হার্ডকাভার।
    সবমিলিয়ে, বইয়ের সব কিছুই সন্তোষজনক। কেবল প্রচ্ছদের থিমটা ভিন্ন আর স্পষ্ট হলে, ব্যক্তিগতভাবে ভালোলাগার পারদ সর্বোচ্চে থাকতো।

    [পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ]
    ব্যক্তিভেদে অন্তরের রোগে ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে মানুষ হিসেবে বইয়ে আলোচ্য অধিকাংশ ব্যাধিই আমরা অন্তরে বহন করি। এমতাবস্থায় কোনো কাগুজে ডাক্তার যদি অন্তরের ব্যাধির ঔষধ বাতলে দেন, তাহলে আমাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত? এটা বলে বোঝানোর মতো নয়।
    .
    কিছু বই পড়লে নিজেকে নিয়ে নতুন করে ভাবার তাড়না জাগে। এই বইটি তেমনই একটি বই। স্বতঃসিদ্ধ কোনো সূত্র নয়, বরং রবের দেখিয়ে দেওয়া পথ আর লেখকের অভিজ্ঞতালব্ধ আলোচনায় নিজেকে শোধন করার পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে কাগজের জমিনে,কলমের খচখচানিতে।
    অন্তরের কালিমা দূর করে শুদ্ধচিত্ত পাওয়ার জন্য পুরো বইটা একখানা “লিটমাস পেপার”। আদর্শ পাঠকমাত্রই বইটি সংগ্রহে থাকা অত্যাবশ্যক।

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  7. 5 out of 5

    :

    এই বইটি যে কোন মানুষকে ভাবতে শিখাবে। ঘুড়ির নাটাইটা হাতে রাখলে যেমনি করে ঘুড়িটা আকাশে উড়ার সময় সুন্দর দেখাবে , ঠিক তেমনিআভবে আপনার মনের লাগামটা যদি আপানার হাতে থাকে আপনার জীবনটাও সুন্দর দেখাবে। মনের উপর লাগাম দিন – বইটা অনেক জায়গায় খোজার পর অবশেষে ওয়াফিলাইফে পাইলাম। বইটা পড়ার জন্য ব্যাকুল ছিলাম অনেক দিন । সিলেটের প্রতিটি লাইব্রেরিতে খোজলাম কিন্তু পেলাম না। বইটার লেখকের জন্য অফুরন্ত ভালবাসা ও শ্রদ্ধ্যা । আল্লাহ পাক যেন উনাকে সুস্থতার জিন্দেগী দান করেন । যদি এক কথায় বলি , তাহলে বলবো – এই বইটা মানুষের মনের খোরাক জোগায়। এই বইয়ের প্রতিটি বিষয় আমাদের মনের লাগাম সত্যি সত্যিই টেনে ধরে।
    রাগ, অহঙ্কার, মনের উদাসীনতা — এই ব্যাধি গুলো আমাদের জীবনকে ধবংস করে দিচ্ছে যা আমদের মনের অগোচরে।এই বইটা পড়লে যে কেউ বুঝতে পারবে যে তার যাপিত জীবনের অংক । বইটি মানুষকে বাস্তবা শিখাবে । আবেগ আর বাস্তবতার সুন্দর একটা সংমিশ্রন। পরিশেষে ওয়াফিলাইফের পরিবারকেও অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই — কারন আপনারা মানুষের জীবনের উপকারী বই গুলো মানুষের হাতে তুলে দেন । আমার মত অধমকে ভাবতে শিখালেন।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  8. 5 out of 5

    :

    যা একেবারে অজানা ছিল নিজের ব্যাপারে তা জানতে পারলাম। এরকম বই আরো পেলে ভালো হতো।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  9. 5 out of 5

    :

    রোগতো কত ধরনেরই আছে, কিন্তু কিছু দেখা যায় আর কিছু কেবল অনুভব করা যায়। যার মধ্যে একটা হলো মনের রোগ। যা মনকে কুড়ে কুড়ে খায়, ভেতরটা একদম পচিঁয়ে দেয়।
    কিন্তু প্রশ্নের বিষয় হচ্ছে এই রোগের কি কোনো ঔষধ আছে?
    উত্তর হবে, “হ্যাঁ”
    এই রোগের এমন ঔষধ আছে যার কোনো সাইড ইফেক্ট নাই, তা কেবলই রবের সন্তুষ্টির দিকে নিয়ে যায়। রবের অনুগ্রহের পথ বাতলে দেয়।
    এই সব রোগ আর রোগীদের চিকিৎসা দিতে ইমাম ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ লিখেছেন তার অনবদ্য গ্রন্থ “আত তিব্বুর রুহানি”। বিষয় বস্তু অনুসারে বাংলা অনুবাদে নাম দেওয়া হয়েছে “মনের উপর লাগাম”।
    আমাদের পূর্ববর্তী সালাফে সালেহীনদের লেখার মাঝে এক সতন্ত্র তাল থাকতো। তারা অল্প শব্দ দিয়ে বৃহৎ অর্থবহ বাক্য লিখতেন। এ এক বিশেষ গুণ। ইমাম ইবনুল জাওযীও এই গুনের ব্যতিক্রম নন।
    বইটিতে তিনি চমৎকার ভাবে রোগ গুলোকে শনাক্ত করেছেন এবং কিভাবে কি করলে সেই সব রোগ থেকে বেচেঁ থাকা যায় তাও কুরআন এবং হাদিস দ্বারা দেখিয়ে দিয়েছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন ধরনের উপমা দিয়ে বুঝিয়াছেন কি করতে হবে আর কি করতে হবে না।
    এই বইটা পড়লেই যে আপনি রোগ থেকে মুক্তি পাবেন ব্যাপারটা একেবারেই তা নয়। বইটা পড়ার পরে আপনার নিজের রোগ গুলো শনাক্ত করতে হবে তারপর উপদেশ মতো চিকিৎসা দিতে হবে, তবেই মুক্তি আর রবের সন্তুষ্টি, ইনশাআল্লাহ।
    আল্লাহ সুব হানাহু তায়ালা লেখক কে এবং এই বইটা প্রকাশিত হওয়ার পেছনে যারা যারা শ্রম দিয়েছেন তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন, আমিন।
    15 out of 15 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  10. 5 out of 5

    :

    মনের লিমিটলেস খায়েশের উপর লাগাম আঁটার নানান কলাকুশল নিয়ে প্রত্যেক যুগেই বিজ্ঞ আলিমরা তাদের জাতিকে ওয়াজ নসিহত করে গিয়েছেন। এমনি এক আলিম, ইমাম ইবনুল জাওযী রহ., যিনি তাঁর যুগের মানুষদের উদ্দেশ্যে ওয়াজ নসিহত করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রচনা করেছেন অসংখ্য কিতাব। তাঁর সেই অসংখ্য রচনার ভিতর একটি বিখ্যাত কিতাব হচ্ছে ‘আত-তিব্বুর রুহানী’, বাংলায় যা রূপ নিয়েছে ‘মনের উপর লাগাম’।
    9 out of 10 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  11. 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লা। যিনি এই বইটা পড়বে…যদি ওনি অনুধাবন করেন, বইয়ের প্রতিটা কথা, ইনশাআল্লাহ তিনি উপকৃত হবেন।
    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?