মেন্যু
the legend

দ্য লিজেন্ড (সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি)

অনুবাদ: মুজিব তাশফিন সম্পাদনা: আবদুর রশীদ তারাপাশী খলিফা মনসুর, হারুনুর রশিদ, মামুনুর রশিদ ও মুতাসিম বিল্লাহের পর খেলাফতে আব্বাসিয়ার প্রতিটি স্তম্ভ ও কড়িকাঠে পতনের যে ঘুনপোকা লেগেছিল, তা নিঃসাড় ও নিষ্প্রাণ করে... আরো পড়ুন
পরিমাণ

70  100 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী

5 রিভিউ এবং রেটিং - দ্য লিজেন্ড (সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি)

4.4
Based on 5 reviews
5 star
40%
4 star
60%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 4 out of 5

    :

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ
    কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মুসলমান জাতি। তবে বেখবর, পাগল প্রায়, আনন্দ ও খোসগল্পে মজে থাকা, কৌতুক প্রিয় জাতিতে পরিণত সমাজ থেকে আপনি আর কী আশা করেন?

    খলিফা মনসুর, মামুনুর রশিদ, হারুনুর রশিদ, মুতাসিম বিল্লাহের নামাংকিত ইতিহাস পর্যালোচনা করলে এই জাতির পরিণতি নিয়ে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা নিশ্চয় হাসাহাসি করে। কিন্তু আমাদের চৌকাঠে এর আগেও আগুন লেগেছে, উঠানের স্তম্ভ ও কড়িকাঠে এর আগেও লেগেছে ঘুণপোকা।
    তখন বীর বিক্রমে কোন সিংহ গর্জন করে উঠেছিল? নিঃসাড়-নিষ্প্রাণ খেলাফতের কাঠামোকে ক্রুসেডারের কবল থেকে, এক কঠিন পরাজয়মুখী গৃহযুদ্ধ থেকে মুসলমানদের জয়ের ঝান্ডা যিনি সগৌরবে উচু করে রেখেছিলেন সেই সুলতান মালিকশাহের প্রধান সেনাপতি কাসিমুদ্দৌলাহর সন্তান আবুল মুজাফফার ইমাদুদ্দিন জিনকিকে নিয়ে এই বইয়ে বিস্তর আলোচনা।
    ক্রুসেডারদের তখন জয় জয় রব। চারিদিকে এই ভয়ংকর শৃগালের থাবা থেকে রক্ষা পাওয়ার যেন প্রতিযোগিতা। কিন্তু ১০ বছরের গৃহযুদ্ধের চক্রব্যূহ ভেদ করে উদ্ধার করেন শক্তিশালী দুর্গ ‘আর-রাহা’।
    তিনিই ‘দ্য লিজেন্ড’।

    যুদ্ধের দামামা, অস্ত্রের ঝনঝনানি আর এক আল্লাহর বিজয়ের জন্য জানবাজ এক কিংবদন্তীর জীবন রণাঙ্গনে কতটা বর্নাঢ্যময় হতে পারে, আর স্বরূপ বিশ্লেষণ করলে প্রত্যক নবীপ্রেমী যুবক উদ্দমী হয়ে উঠবে।

    যুবকদের মাঝে মুমিনের চেতনা জাগ্রত করতে বইটি অসামান্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা রাখি।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    বর্তমানকে অতীতের সাথে জুড়ে দেয় যে মোক্ষম পাঠ তার নাম ইতিহাস। ইতিহাসের কালো ঘোড়ার মতো অক্ষরে চেপে বর্তমানে ফিরে আসে আমাদের ঐতিহ্য, পূর্ববর্তীদের বীরত্বগাঁথা। আমাদের মর্দে মুজাহিদদের রেখে যাওয়া লিগ্যাসিতে দাঁত বসাতে চায় ষড়যন্ত্রের জাল বোনা অরিয়েন্টালিস্টের দল। নিজের শেকড়কে চিনতে তাই নিজেদের বিশুদ্ধ ইতিহাস পাঠের বিকল্প খুব একটা নেই।

    কালান্তর সেই বিশুদ্ধ ইতিহাস পাঠকের সামনে তুলে আনতে যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে তারই একটা মাস্টারপিস হলো সুলেখক আসলাম রাহি বিরচিত “দ্যা লিজেন্ড – সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি” গ্রন্থটি।

    আব্বাসি খিলাফাহ যখন অন্তর্দ্বন্দ্বে কাবু, ঘুণেধরা হয়েছে ভেতরে ভেতরে তখন সুযোগসন্ধানী ক্রুসেডারের দল হামলে পড়েছে মুসলিমভূমিতে! শত্রুকে না চিনে মুসলমানরা নিজেরা নিজেরাই অনর্থক গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়ে। শরীরের এক অঙ্গকে অন্য অঙ্গের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দেখে একের পর এক অঞ্চল দখল করে নেয় শৃগালের দল। সেই দুর্যোগের সময়ের এক আশার আলো, এক ভরসার নাম – সিংহপুরুষ সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি।

    বইটিতে লেখক নিপুণ বর্ণনার সাথে আমাদের ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন ইতিহাসের সেই শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে। পাতায় পাতায় পাঠকের মনে হবে তেজস্বী ঘোড়ায় চেপে নিজেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মসুল, বাগদাদ, আর-রাহা। কেবলমাত্র আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল এবং মুসলিম উম্মাহের প্রতি ব্যথাতুর হৃদয়ের অধিকারী এক মহানায়কের সেনা কাফেলার অংশ হয়ে ছুটে যেতে ইচ্ছে করবে যুদ্ধপ্রান্তরে।

    লেখক দেখিয়েছেন উম্মাহের ফাটলে, শাসকদের আত্নগৌরবে কীভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় উম্মাহ স্বয়ং আর ফায়দা লোটে কুচক্রী শত্রুরা।
    উপাখ্যান বলে যাবার পাশাপাশি ইতিহাস থেকে শিক্ষার পাঠ দিতে ভুল করেননি প্রাজ্ঞ লেখক। জিহাদের ময়দানে জীবনের দীর্ঘসময় কাটিয়েও সুলতানের ভেতরে এতটুকু ঘাটতি ছিলো না প্রজাবাৎসল্যের, ন্যায়পরায়ণতার। এমনকি কোনো ইহুদীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুসলিম প্রভাবশালী সেনাপতিকেও তিরষ্কার করতে তিনি পিছপা হোন নি৷
    তিনি ছিলেন যোগ্য পিতাও, পুত্র নুরুদ্দিন জিনকি পরবর্তীতে প্রতিটি দৃপ্ত পদক্ষেপে প্রমাণ করে গেছেন সেটা।

    একজন উত্তম শাসকের জীবনের কেবল একটি দিক নয়, বরং তার চরিত্রের পারিবারিক, রাজনৈতিক, সামরিকসহ সামগ্রিক রূপ লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন সুনিপুণভাবে।

    আসলাম রাহির লেখার সাহিত্যমান অত্যন্ত উঁচুদরের। তাই অনুবাদককে পরিশ্রমও করতে হয়েছে সমানতালে। মুজিব তাশফিন ভাইয়ের ঝরঝরে অনুবাদে হোচট খেতে হয়নি কোথাও। তরতর করে পেরিয়ে গেছি ছোট্ট এই স্বর্ণখনিটি।

    কালান্তরের পড়া প্রথম বই এটিই। প্রোডাকশন একটা পেপারব্যাক যেমন হবার কথা তেমনই। এমন চমৎকার একটা বই দিয়ে আমার কালান্তর জার্নি শুরু হলো এজন্য মহান আল্লাহর কাছে জানাই হাজার শুকরিয়া।

    বিশুদ্ধ ইসলামি ইতিহাসভিত্তিক পাঠকসমাজ বিনির্মাণে কালান্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখুক এই দুয়া করি।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা
    পোস্ট : ০৩
    📖 বই : সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি দ্যা লিজেন্ড
    🖊 মূল : আসলাম রাহি
    📁 ভাষান্তর : মুজিব তাশফিন
    🔳সম্পাদনা : আবদুর রশীদ তারাপাশী
    ⏹️ প্রকাশনা : কালান্তর প্রকাশনী

    বিসমিল্লাহির রহমানীর রহীম।

    সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি (রহঃ)।মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং শক্তিশালী সাম্রাজ্য সালজুক সালতানাতের মসুল অঞ্চলের শাসক,সর্বশ্রেষ্ঠ সালজুক সম্রাট সুলতান মালিক শাহ এর প্রিয়তম সৈনিক এবং হালাব অঞ্চলের শাসক কাসিমুদ্দৌলাহর পুত্র,নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র লাশ মুবারকের হেফাজতকারী সুলতান নুরুদ্দিন জিনকি (রহঃ)এর পিতা।

    সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি(রহঃ) ইতিহাসের অন্যতম বীর সেনাপতি যিনি গৃহযুদ্ধ সামলিয়ে ক্রুসেডও পরিচালনা করেছেন। ইউরোপীয় শৃগালদের কাছে তিনি ছিলেন এক মূর্তমান আতংক। খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা মুসলমানদের যেসব শহর ছিনিয়ে নিয়েছিলো, তিনিই একে একে সেগুলো আবার দখল করে নিয়েছিলেন মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত। মৃত্যুর পূর্বে এই মহান চেতনা রেখেছিলেন নিজ পুত্র বিখ্যাত সুলতান নুরুদ্দিন জিনকি এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ বীর সালাহুদ্দিন আইয়ুবির পিতা নাজমুদ্দিন আইয়ুবির মধ্যে। আর তাইতো বিখ্যাত খ্রিষ্টান ঐতিহাসিক মিচার্ড লিখেছেন –
    “ইমাদুদ্দিন জিনকির মৃত্যু খ্রিষ্টানদের নবজীবন দান করে এবং তারা এই পরিমাণ আনন্দ প্রকাশ করে,যেন গোটা ইসলামি সাম্রাজ্য ভেঙে খানখান হয়ে গেছে।”

    সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি (রহঃ) ছিলেন একজন ইবাদত-গুজার, আল্লাহভীরু,সত্যনিষ্ট, কাফেরদের ত্রাস, ক্রুসেডারদের যম, দানশীল, ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ, সাহসী যোদ্ধা এবং আল্লাহর বিধান রক্ষাকারী একজন বীর সেনাপতি।
    উল্লেখ্য-তিনি প্রায়ই বলতেন, “রেশম-কোমল বিছানা অপেক্ষা ঘোড়ার পিঠ, হ্রদয়কাড়া সূর-মূর্চনা অপেক্ষা যুদ্ধের শোরগোল ও সুন্দরী ললনাদের মিষ্টি কন্ঠের চেয়ে অস্ত্রের ঝনঝনানি আমার কাছে অধিকতর পছন্দনীয়।”

    তিনি একাধারে সালজুক সম্রাট মাহমুদ কর্তৃক মসুলের শাসক নিযুক্ত হন, আতাবেক নামক গুরুত্বপূর্ণ এবং মর্যাদা সম্পন্ন সালজুক উপাধীতে ভূষিত হোন। কতিপয় ঐতিহাসিক তাঁকে ‘আবুস সাখাওয়াত’ তথা ‘উদারতার পিতা’ উপাধি দিয়েছিলেন এবং তাঁকে সময়ের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ এবং ব্যক্তিত্ব-সম্পন্ন মুসলমান হিসেবে ঘোষণা করেন।

    মুসলিম শাসকদের জীবনী জানতে সবসময় একটা আগ্রহ কাজ করে নিজের মধ্যে বিশেষ করে যারা ক্রুসেডারদেরকে সারাক্ষণ বিচলিত ও তটস্থ করে রাখতেন।
    সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি (রহ.) ছিলেন তেমনই একজন বীর, একজন আসল লিজেন্ড, আমাদের প্রকৃত আদর্শ। তার পরিচয়, রণকৌশল, ক্ষিপ্র গতি, অদম্য সাহস, প্রচন্ড আত্মমর্যাদা-আত্মবিশ্বাস সম্পর্কে জানতে হলে পড়তে হবে এ বইটি। আরো জানতে পারবেন একজন গভর্নর থেকে শক্তিশালী শাসক হয়ে উঠার গল্প।
    এমন একজন বীরকে নিয়ে কাজ করার জন্য কালান্তর প্রকাশনীর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জাজাকাল্লাহ খাইরান। শ্রদ্ধেয় মুজিব তাশফিন সাবলীলভাবে অনুবাদ করেছেন। বইয়ে তেমন কোনো বানান ভুল পাইনি। আশা করি কালান্তর প্রকাশনী পরবর্তীতে ইতিহাসের এমন আরো অনেক নাম-না-জানা বীরদের বীরত্বগাথা ইতিহাস তুলে আনবেন, যারা আমাদের প্রকৃত রোল-মডেল।

    #TheMSYR

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 4 out of 5

    :

    সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী এবং নুরুদ্দীন জিনকী(রহঃ)এই দুই মহান সুলতানের বীরত্বের ইতিহাস মোটামুটি সবার কিছু না কিছু জানা আছে।অবশ্যই তারা আমাদের গর্ব এবং কিংবদন্তী মহাপুরুষ।বাইতুল মুকাদ্দাস উদ্ধারে তাদের ভূমিকা,সাহস, জিহাদ -অভিযান আমরা আজও গর্বভরে স্মরণ করি।কিন্তু তাদের মধ্যে এই চেতনা,সাহস,শক্তি কী এমনি এমনিই এসেছে?তাদের পূর্বে কী কেউ খৃষ্টান শক্তির মোকাবিলা করেন নি বা করার প্রয়োজন অনুভব করেন নি?তারাই বা কীসের ভিত্তর উপর দাঁড়িয়ে এই মহান ইতিহাস রচনা করে গেলেন?হ্যা।প্রশ্নগুলোর উত্তর বলছি।একজন ছিলেন যিনি তাদের পূর্বে খৃস্টীয় আগ্রাসনের প্রতিরোধ শুরু করেছিলেন।তিনিই এ দুই মহান সুলতানদের সাহস শক্তি চেতনার উৎস ছিলেন।তার গড়ে দেওয়া ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে সুলতানদ্বয় ইতিহাস রচনা করেছেন।কে তিনি?কী তার পরিচয়?তিনি সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকী(রহঃ)।তার পরিচয়, রণকৌশল, ক্ষিপ্র গতি, অদম্য সাহস, প্রচন্ড আত্মমর্যাদা-আত্মবিশ্বাস সম্পর্কে জানতে হলে পড়তে হবে এ বইটি।তাকে খৃষ্টান রা কী পরিমাণ ভয় করতো তাও জানতে পারবেন। আরো জানতে পারবেন একজন সাধারণ গভর্নর থেকে শক্তিমান শাসক হয়ে উঠার গল্প। বইয়ের অনুবাদ চমৎকার হয়েছে।বইটি ভালো লেগেছে অনেক।তাই আপনিও দেরি না করে সংগ্রহ করে ফেলুন জলদি।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 4 out of 5

    :

    বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

    বইয়ের নাম:সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি দ্য লিজেন্ড
    লেখক:আসলাম রাহি
    অনুবাদক:মুজিব তাশফিন
    সম্পাদক:আব্দুর রশীদ তারাপাশী
    প্রকাশনায়:কালান্তর প্রকাশনী
    মুদ্রিত মূল্য:১০০ টাকা
    পৃষ্ঠা সংখ্যা:৭২
    কভার:পেপারব‍্যাক
    প্রাপ্তিস্থান:প্রায় সকল অনলাইন বুক শপ সহ অভিজাত ইসলামি লাইব্রেরিসমূহ

    “ইমাদুদ্দিন জিনকির মৃত্যু খ্রিষ্টানদের নবজীবন দান করে এবং তারা এই পরিমাণ আনন্দ প্রকাশ করে,যেন গোটা ইসলামি সাম্রাজ্য ভেঙে খানখান হয়ে গেছে।”
    -বিখ্যাত খ্রিষ্টান ঐতিহাসিক মিচার্ড

    বুক রিভিউ:
    সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি রহ.।মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এবং শক্তিশালী সাম্রাজ্য সালজুক সালতানাতের মসুল অঞ্চলের শাসক,সর্বশ্রেষ্ঠ সালজুক সম্রাট সুলতান মালিক শাহ এর প্রিয়তম সৈনিক এবং হালাব অঞ্চলের শাসক কাসিমুদ্দৌলাহর পুত্র,নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র লাশ মুবারকের হেফাজতকারী সুলতান নুরুদ্দিন জিনকি রহ. এর পিতা।

    সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি ছিলেন একজন ইসলাম প্রেমীক,ইবাদত গুজার,আল্লাহর ভয়ে ভীত,কাফেরদের ত্রাস,ক্রুসেডারদের জম,সাহসী যুদ্ধা এবং আল্লাহর বিধান রক্ষাকারী একজন বীর কেশরী।

    তিনি সালজুক সম্রাট মাহমুদ কর্তৃক মসুলের শাসক নিযুক্ত হন এবং আতাবেক নামক গুরুত্বপূর্ণ এবং মর্যাদা সম্পন্ন সালজুক উপাধীতে ভূষিত হন।
    তিনি শাসক নিযুক্ত হওয়ার পরপরই ক্রুসেডার খ্রিষ্টানদের দখলকৃত মুসলিম অঞ্চলসমূহ পুনরুদ্ধারে মনোনিবেশ করেন।
    তিনি তার মেধা ও শ্রম খরচ করে দ্রুতই ক্রুসেড বাহিনীর দখলকৃত অনেক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল বিজয় করতে সক্ষম হন।
    তিনি তার ৬০ থেকে ৭০ বছরের জীবন ইসলাম এবং মুসলিম ভূখন্ডের খেদমতেই ব‍্যয় করেন।
    মুসলমানদের পারস্পরিক যুদ্ধ তিনি খুবই অপছন্দ করতেন এবং তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতেন।
    কিন্তু পরিস্থিতির শিকার হয়েই তাকে এসকল যুদ্ধে যোগদান করতে হয়েছে।
    তিনি তার সারাজীবন উম্মাহর চিন্তায় অতিবাহিত করেছেন এবং নিজের সাধ‍্যমত উম্মাহর সেবা করেছেন।

    অবশেষে আততায়ীর হাতে উনাকে শাহাদাত বরন করতে হয়।

    উম্মাহর এই বীর কেশরীর জীবন কে না জানতে চায়?
    আর তা যদি আসলাম রাহির মতো ব‍্যক্তি জানান তাহলেতো কথাই নেই।

    সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি রহ. কে জানার এবং তার আদর্শ গ্রহণ করার তওফিক আল্লাহ আমাদের দান করুন,আমিন।

    পাঠানুভূতি:

    মুসলিম শাসকদের জীবনী আমার অন‍্যতম ভালোলাগার বিষয়।
    সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি রহ. এর সাহসিকতার কথা অনেক শুনেছি,কিন্তু তার বিস্তারিত জীবন কাহিনী জানতে পারিনি।
    দ‍্য লিজেন্ড বইটি পড়ে আমি তা জানতে পেরেছি।
    তার আদর্শ,উম্মাহর প্রতি দরদ এবং ক্রুসেডারদের মোকাবেলায় সাহসিকতা দেখে অভিভূত হয়েছি।
    এবং পুলক অনুভব করেছি,আমি যদি সেই পবিত্র বাহিনীর একজন সৈনিক হতে পারতাম…!
    বইটিতে ডাক ব‍্যবস্থা সম্পর্কে অসাধারন কিছু তথ‍্য পেরেছি,যা পূর্বে আমার জানা ছিল না।

    পরিশেষে:
    সব মিলিয়ে দারুন একটি বই।
    বইটি সুলতান ইমাদুদ্দিন জিনকি রহ . কে আমাদের সামনে তুলে ধরেছে,যাকে জানার জন‍্য অনেক ইতিহাসপ্রেমী উদগ্রীব ছিল।

    বইটির অনুবাদক জনাব মুজিব তাশফিন সাহেব একজন নতুন ব‍্যক্তি।
    উনার অনুবাদ এই প্রথম পড়লাম।
    অনুবাদ ও সাহিত‍্যমান মাশাআল্লাহ অনেক ভালো ।
    আল্লাহ উনাকে এবং সম্পাদক আব্দুর রশীদ তারাপাশী সাহেবকে উম্মাহর খেদমত করার তওফিক দান করুন,আমিন।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top