মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

দা ডিভাইন রিয়ালিটি (হার্ড কভার)

অনুবাদ: মাসুদ শরীফ
সম্পাদনা : আরিফ আজাদ

পৃষ্ঠা : ৩২৪

নাস্তিকদের প্রধান অস্ত্র হলো বিজ্ঞান এবং দর্শন। এ দুটো বিষয়ের মারপ্যাঁচে তারা এমন একটা ভাব দাঁড় করাতে চায় যেন দুনিয়ার তাবত বিজ্ঞান আর দর্শনের মূলমন্ত্র হলো একটাই—ধর্ম হটাও। আসলেই কি তা-ই? বিজ্ঞান কি সত্যিই খেদিয়ে বিদেয় করে দেয় ধর্মকে? দর্শন কি আসলেই অবান্তর বলে মানুষের ধর্ম বিশ্বাসকে?

বিজ্ঞানের যে ব্যাপারগুলোকে রংচং মাখিয়ে, দর্শনের যে বিষয়গুলোকে ধর্মের বিরুদ্ধে নাস্তিকেরা দাঁড় করাত, ঠিক সেই বিষয়গুলোকে সামনে রেখে একে একে সেগুলোর অপনোদন করা হয়েছে এই বইতে। সেই সাথে সত্য ধর্ম আর সত্য উপাস্যের দিকেও আহ্বান করা হয়েছে এখানে।

‘দি ডিভাইন রিয়ালিটি’ নাস্তিকতা বিষয়ক একাডেমিক বই। কোন্দল-দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে অতি সুচারু রূপে নাস্তিকদের যাবতীয় প্রশ্ন, ভণ্ডুল মতামত এবং বিতর্ক অপনোদন করেছেন ইংরেজি ভাষার লেখক উস্তাদ হামজা জর্জিস। বাংলাভাষায় এবং বাংলাদেশে নাস্তিকদের বিষয়াদি নিয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক বই প্রকাশের নিমিত্তে আপাত-দৃষ্টিতে নাস্তিকেরা কিছুটা দমে থাকলেও এখনো পুরোপুরি ‘নিষ্কাশণ’ সম্ভব হয়ে ওঠেনি; কোনো একটা মতবাদ সমাজে স্থান পেয়ে গেলে তার ভ্রান্তির রেশ ধরে সমূলে উপড়ে ফেলা সম্ভবও না। এই নিমিত্তে উস্তাদ হামজা জর্জিসের বইটি শুধু নাস্তিকদের দমাবার জন্য নয়, আমাদের ঘরে-বাইরে ভাই-বন্ধুরা যারা সংশয়ে ভুগছে, নাস্তিকদের প্রোপাগাণ্ডাগুলো শুনে শুনে প্রভাবিত হয়ে পড়ছে, তারা ‘দা ডিভাইন রিয়ালিটি’ পড়ে ঠাণ্ডা মাথায় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ইসলামের সুমহান জীবনদর্শন ও সুমার্জিত ব্যবস্থাপনায় নিজেকে সঁপে দিয়ে নিশ্চিন্ত হবার প্রয়াস গ্রহণ করতে ‘দা ডিভাইন রিয়ালিটি’ হবে উত্তম সহযোগী।

পরিমাণ

385.00  550.00 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

3 রিভিউ এবং রেটিং - দা ডিভাইন রিয়ালিটি (হার্ড কভার)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হামজা জর্জিসের তুমুল আলোড়ন জাগানো বইটির বাংলা অনুবাদ শেষ করলাম।এটার বাংলা অনুবাদ এতদিন পরে বের হওয়া বাংলাভাষীদের জন্যে দুঃখজনক।

    কারন অনেক নাস্তিকতা বিরোধী বই বের হয়েছে।
    কিছু বই নাস্তিকতার মূলে কুঠারাঘাত করেছে,কিছু বই মূল উৎপাটন করেছে,কিছু বই নাস্তিকতার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকেছে।তবে এই বইটি দিয়ে নাস্তিকতার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এবং এই জানাজা রূপক অর্থে নয় বাস্তবিক অর্থেই অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বইটিতে নাস্তিকতার প্রায় সব বিষয় উল্লেখপূর্বক খন্ডন করা হয়েছে।আবার সেই খন্ডনের বিরুদ্ধে কোন যুক্তি থাকলে সেটাকেও খন্ডন করা হয়েছে।
    তাই এটা বলার কোন ভাবেই সুযোগ নাই রিফিউটেশনের রিফিউট থাকে।সেই পথও এই বই রুদ্ধ করে দিয়েছে।
    তবে বাস্তবতার প্রেক্ষিতে কোন বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে আবার কোন বিষয় ছোট করে।তাই কেউ যদি দাবি করে নাস্তিকতার অমুক বিষয় এড়িয়ে গেছে বইটিতে সেটা হবে মিথ্যাচারের চরমতম উদাহরণ।

    আল্লাহকে বিশ্বাস করা কেন যুক্তিযুক্ত না করার চাইতে এটি বইটির মূল প্রতিপাদ্য।তবে এই ক্ষেত্রে যুক্তির দ্বারাই মূল কথাটি প্ৰতিষ্ঠা করেছেন লেখক।কোন সাহায্য নেননি ধর্ম বা ধর্ম গ্রন্থের।শুধুমাত্র রিমাইন্ডার বা মনে করিয়ে দেবার জন্যে ব্যবহার করেছেন ধর্মের উক্তি।
    কিভাবে কোরআন আল্লাহর বাণী এবং কিভাবে মুহাম্মদ (সা:) আল্লাহর রাসূল এই দুটি অধ্যায়ে ধর্মের কথা আসছে একটু বেশি যেহেতু কথা গুলো এই বিষয়কে ঘিরেই।এছাড়া খুব বেশি ধর্মকে নিয়ে কথা বলা হয়নি।
    যুক্তি যুক্তি এবং যুক্তিই নাস্তিকতার বিরুদ্ধে প্রধানতম অস্র বইটির প্রতিপাদ্য।
    সত্যিকার অর্থে কোন নাস্তিকের নাস্তিক হবার জন্য মূল অনুপ্রেরণা যদি যুক্তি হয় তবে সে এই বইটি পরে তওবা করে ফিরে আসবে আমি নিশ্চিত।
    আর সে যদি তার অহংবোধকে স্যাটিসফাই করতে চায় তবে সে সাহায্য নিবে বুদ্ধিবৃত্তিক অসততার এবং পলায়ন করবে যুক্তির মাঠ থেকে।যুগে যুগে যা হয়ে আসছে।

    মূল ইংরেজি বইটি পড়িনি আমি।তাই মূল লেখার সাথে অনুবাদ তুলনা মূলক ভাবে কেমন হয়েছে বলার সামর্থ্য নেই আমার।অনুবাদ কেমন লেগেছে সেটাই বলব।
    অনুবাদের মানের ব্যাপারে বলতে গেলে কিছুটা নয় বেশ কিছুটা হতাশ করেছে অনুবাদটি।
    উদাহরণ স্বরূপ নদীকে তটিনী অনুবাদ করলে পড়তে যেমন স্বাচ্ছন্দ্য হয় না তেমনি তটিনী শব্দটি আমাদের সমাজে অপ্রচলিত বলে এটি পাঠকের উপর চাপিয়ে দেওয়াটাও এক প্রকারের অত্যাচার।
    বইয়ের ভিতর থেকে এবার উদাহরণ দিচ্ছি,
    188 পৃষ্ঠার একটি লাইন,”ইসলামে তাই আল্লাহ্কে জানলে সাময়িক দুর্গতিতে পরে যে-কষ্ট পোহাই তা যেন >উজিয়ে< যায়।" এখানে উজিয়ে শব্দটি না শুনতে ভাল লাগছে না প্রচলিত হিসাবে মানিয়েছে।
    অপ্রচলিত মসলা দিলে খাবাররে স্বাদ বেড়ে যাবে এমনটা ভেবে থাকতে পারেন অনুবাদক।স্বাভাবিক প্রচলিত মসলা দিয়ে খাবার তৈরি করাটাই যুক্তিযুক্ত হত পাঠকের জন্যে।এই ক্ষেত্রে অনুবাদ তার সাবলীলতা হারিয়েছে।

    শেষে বলতে চাই বইটি আপনাকে পড়তেই হবে।
    কারন এত সমৃদ্ধ বই আমি এর আগে কখনো পড়িনি।বইটি পড়লে বুঝতে পারবেন যুক্তিতে আপনি কখনই নাস্তিকদের হারাতে পারবেন না।কারন তারা অলরেডি হেরে বসে আছে।

    বইটির লেখক,অনুবাদক,সম্পাদক,প্রকাশক সবাইকে আল্লাহ তার ভালবাসার চাদরে জড়িয়ে রাখুক,এই কামনা করি।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুলাই_২০২০

    বই: দি ডিভাইন রিয়ালিটি
    লেখক: হামজা জর্জিস
    অনুবাদ: মাসুদ শরীফ
    প্রকাশনী: সিয়ান পাবলিকেশন
    মূল্য: ৫৫০/-
    পৃষ্ঠা: ৩২৪

    বই ও লেখক সম্পর্কে:

    ‘দি ডিভাইন রিয়ালিটি: আল্লাহ, ইসলাম ও নাস্তিকতাবাদের মরীচিকা’ হামজা জর্জিস প্রণীত গ্রন্থ। হামজা জর্জিস ব্রিটিশ পাবলিক স্পিকার এবং ইসলামি গবেষক। গ্রীক বংশোদ্ভুত হামজা জর্জিস জীবনের সময় থাকতে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি যুক্তরাজ্যে ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ২০১০ সালে একটি সমীক্ষা গবেষণা প্রকাশের সাথে জড়িত ছিলেন। ২০১৫ সালে তিনি ব্রিটিশ মুসলিম পুরষ্কারে রিলিজিয়াস অ্যাডভোকেট অফ দ্য ইয়ারের চূড়ান্ত প্রতিযোগী ছিলেন। বর্তমানে তিনি iERA-তে ইসলাম সম্পর্কে বিভিন্ন বক্তব্য দেন। তাঁর এই বইটি ভাষান্তর করেন প্রতিশ্রুতিশীল অনুবাদক মাসুদ শরীফ। ভাষান্তরের সম্পাদনা করেন জনপ্রিয় প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদের লেখক আরিফ আজাদ। বাঙলা অনুবাদে ৩২৪ পৃষ্ঠার বইটি প্রকাশ করেছেন সিয়ান পাবলিকেশন।

    বিষয়বস্তু:

    প্রচ্ছদ শিরোনামে ছোট করে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, ‘আল্লাহ, ইসলাম ও নাস্তিকতাবাদের মরীচিকা’। এখান থেকে বুঝতে পারছেন নিশ্চয়, বইটি ইসলাম ও নাস্তিক রিলেটেড।

    বইটিতে যা আছে:

    নাস্তিকতার আড়ালে বিজ্ঞান এবং দর্শনের যে চিত্র তার লাগাম টানতে দ্বীন ইসলামের আলোক-দীপ্ত সৈনিকেরা নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে। ঠিক, এই কাজের ফল হামজা জর্জিসের বইটি। ষোলো অধ্যায়ের পরতে পরতে নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণে সাধনা করেছেন লেখক।

    বিজ্ঞান এবং যুক্তির কষ্টি-পাথরে আল্লাহকে যাছাই করেছেন এবং নাস্তিকতাকে অযৌক্তিক ও অস্বাভাবিক প্রমাণ করেছেন। শুরুতে অর্থাৎ প্রথম অধ্যায়ে নাস্তিকতাবাদের সুনিপুণ সংজ্ঞা দাঁড় করিয়েছেন। এরপরই নাস্তিকতাবাদের অসারতা প্রমাণ করতে অগ্রসর হয়েছেন। নবম অধ্যায় থেকে, বিশেষকরে দশম অধ্যায় হতে এক আল্লাহর পক্ষে এবং বিভিন্ন প্রশ্নমূলক বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে যুতসই বার্তা হাজির করেছেন লেখক। সর্বশেষ ‘তর্ক নয় বিতর্ক করুন: ইসলাম নিয়ে সংলাপ’ শিরোনামে চমৎকার একটি উপসংহার দিয়ে শেষ করেছেন।

    যা ভালো লেগেছে:
    ১. ঝকঝকে ইসলামি লেবাসের প্রচ্ছদ।
    ২. উন্নতমানের কাগজ ও বাঁধাই।
    ৩. লেখকের যুতসই যুক্তি ও বিজ্ঞানের দলিল-দস্তাবেজ উপস্থাপন।
    ৪. সাবলীল অনুবাদ।

    কারা পড়বে:

    দাওয়াতী কাজে জড়িত যারা, আমার মতো যুক্তিপ্রেমি যারা, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব যাদের পছন্দ এবং নাস্তিকতাবাদের প্রতি আকৃষ্ট তরুণ, যুবক ও তাবদ পড়ুয়া সকলে পড়ার মতো এবং অবশ্যই পাঠ্য একটি বই।

    #সাদ্দাম_হোসেন।

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5

    :

    নস্তিকদের মূল হাতিয়ার বিজ্ঞান আার যুক্তি। এই দুটো দিয়ে তারা সব কিছু প্রমাণ করতে চায়। তারা মনে করে বিজ্ঞান দিয়েই পৃথিবীর সব কিছু প্রমাণ করা সম্ভব। তারা বাস্তবে যা দেখে তাকেই সত্য বলে বিশ্বাস করে। তারা বলে অতিপ্রাকৃত ঘটনা বলতে কিছু নেই। কিন্তু বিষয়টা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারা যদি বাস্তব ছাড়া অন্য কিছুকে বিশ্বাস না করে তাহলে নিজের পায়েই নিজে কুঠার মারার মত অবস্থা হবে। কেননা তারা যা দিয়ে স্রষ্টার প্রতি অবিশ্বাস করে অর্থাৎ ‘যুক্তি’ তাই বাস্তব কিছু দিয়ে প্রমান করা যায় না। মূলত নাস্তিকতা বিষয়টা শিকড় ছাড়া গাছের মত।

    #বইয়ের_বিষয়বস্তুঃ
    দা ডিভাইন রিয়ালিটি বইটি মূলত স্রষ্টা থাকার প্রমাণ এবং নাস্তিকতাবাদের অসারতা নিয়ে। প্রথমে লেখক নাস্তিকতার শিকড় উপরে ফেলেছে যুক্তির মাধ্যমে। এরপর তিনি স্রষ্টা থাকার প্রমাণ করেছন। পরবর্তীতে লেখক স্রষ্টার সংখ্যা যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে বুঝিয়েছেন। তারপর প্রমাণ করা হয়েছে আসল এবং অবিকৃত ধর্ম সম্পর্কে এবং প্রমাণ করা হয়েছে যে ইসলামই আল্লাহর একমাত্র মনোনিত ধর্ম। মাঝখানে নাস্তিকদের কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর দেয়া হয়েছে। সর্বোপরি বইটা নাস্তিক, সংশয়বাদী, সাথে সাথে মুসলিম ভাই-বোনদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

    #আমার_ভালোলাগাঃ
    বইটি আমার কাছে এককথায় অসাধারণ লেগেছে। বইটিতে বেশিরভাগ বিষয় যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা হয়েছে সেই সঙ্গে কুরআনের আয়াতের সাথে মিল করিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু সবকিছু যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করা যেমন স্রষ্টার অস্তিত্ব যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করার বিষয়টা আমার কাছে বেখাপ্পা লাগে। তবুও নাস্তিকদের দিক দিয়ে ভাবলে ঠিকই আছে। অনুবাদক সহজ ভাষায় অনুবাদের চেষ্টা করেছেন তবুও কিছু বিষয় বুঝতে বেগ পেতে হয়েছে। আসলে ‘যুক্তি-প্রমাণ’ বিষয়টাই একটু জটিল তাই আমার বুঝতেও সময় লেগেছে।

    #লেখক_সম্পর্কেঃ
    হামজা আন্দ্রেস জর্জিস একজন ব্রিটিশ ইসলামি গবেষক। তিনি একজন গ্রীক বংশোদ্ভুত ছিলেন এবং পরে তিনি ইসলাম ধর্ম ধর্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি iERA -তে ইসলাম সম্পর্কে বিভিন্ন বক্তব্য দেন। তার লিখিত বইয়ের মধ্যে দা ডিভাইন রিয়ালিটি অন্যতম যা বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে।[১]

    #বইটির_লিংকঃ https://www.wafilife.com/shop/books/the+divine+reality/

    #তথ্যসূত্রঃ

    [১]উইকিপিডিয়াঃ হামজা আন্দ্রেস জর্জিস
    https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%BE_%E0%A6%9C%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B8

    লেখকের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজঃ

    https://www.facebook.com/HamzaAndreasTzortzis/

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?