মেন্যু
sultan jalaluddin khawarism shah

সুলতান জালালুদ্দিন খাওয়ারিজম শাহ

পৃষ্ঠা : 272, কভার : হার্ড কভার, সংস্করণ : 1st published 2020

অনুবাদক : ইমরান রাইহান

ইতিহাস বিজয়ী আর বিজয়কেই ফলাও করে; পরাজয় আর পরাজিতকে ঢেকে রাখে বিস্মৃতির আড়ালে; কিন্তু কোনো কোনো পরাজয় ও পরাজিত পক্ষ এতই মহিয়ান হয়, তা গৌরবের দিক দিয়ে অনেক বিজয়কে ছাড়িয়ে যায়—দূর বহু দূর। ইতিহাসের তেমনই পরাজিত এক মহানায়ক সুলতান জালালুদ্দিন খাওয়ারিজম শাহ।
জালালুদ্দিন ছিলেন খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের শেষ সুলতান। তিনিই তাতারদের প্রথম প্রতিরোধকারী। গ্রন্থটি তাঁকে নিয়েই রচিত। তবে খাওয়ারিজম সাম্রাজের ইতিহাসও সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে গ্রন্থটিতে।
তাতারঝড়ে যখন গোটা মুসলিম বিশ্ব লন্ডভন্ড, ঠিক সে মুহূর্তে ধুমকেতুর ন্যায় আবির্ভূত হয়েছিলেন মুসলিমবিশ্বের ত্রাতা হিসেবে। তাতারদের মোকাবিলায় তাঁর প্রতিরোধযুদ্ধ অসফল হলেও ব্যর্থ ছিল না মোটেও। অন্তত সাত-আটটি বছর তিনি আটকে রেখেছিলেন তাদের বিজয়ের স্রোত। দৌড়ের উপর রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন সেই বিশ্বত্রাস শক্তিকে। অনেক ক্ষেত্রে নাকানি-চুবানিও খাইয়েছিলেন পিশাচ তাতারদের। এই রক্তপিপাসুদের নিজের সঙ্গে ব্যস্ত রেখে দিয়ে গেছেন বাগদাদের খিলাফত, হারামাইন, মুসলিমবিশ্বসহ মানবসভ্যতার সুরক্ষা। সিন্ধু নদের তীরে বীরত্বের যে মহাকাব্য রচনা করেছিলেন এই অমর বীর, তা চিরকাল মুসলিম মুজাহিদদের জন্য হয়ে থাকবে প্রেরণার উৎস। ইতিহাসের মাজলুম সেই মহান সুলতানের জীবনালেখ্যই ফুটে উঠেছে এই গ্রন্থে।

গ্রন্থটি রচনা করেছেন পাকিস্তানের খ্যাতনামা আলিম, ইতিহাসবিদ ইসমাইল রেহান। দীর্ঘদিন তিনি জামিয়াতুর রশিদ করাচিতে অধ্যাপনা করেছেন। লিখেছেন ইতিহাস বিষয়ে জনপ্রিয় অনেক গ্রন্থ। তাঁর রচিত আফগানিস্তানের ইতিহাস গ্রন্থটিসহ আরও কিছু গ্রন্থ প্রকাশ করবে কালান্তর প্রকাশনী।

গ্রন্থটি অনুবাদ করেছেন ইমরান রাইহান। পড়াশোনা কওমি মাদরাসায়। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে লেখালেখিকেই ব্যস্ততা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আগ্রহ ইতিহাস বিষয়ে। তার রচিত ও অনূদিত আরও কিছু গ্রন্থ কালান্তর থেকে প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ।

 

 

পরিমাণ

210  300 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

9 রিভিউ এবং রেটিং - সুলতান জালালুদ্দিন খাওয়ারিজম শাহ

4.9
Based on 9 reviews
5 star
88%
4 star
11%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    ঠিক এই বইটাই খুঁজতে ছিলাম। আহ্হাম্মক কওম বাহুবলি দেখে কিন্তু জালাল উদ্দিন মিংবার্নুকে চেনে না !!!!!!
    তবে অনুবাদক বর্তমান কিছু প্রেক্ষাপটকে টেনে এনেছেন। যা না হলে আরো সুন্দর হতো। যে জালাল উদ্দিনকে চিনবে সে সাম্প্রতি ইস্যু গুলোকে ভালো ভাবেই বুজতে পারবে।
    0 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    বইটি পড়ে খুব সহজে খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের পতন। আব্বাসিদের হটকারিতা এবং সেই সময়ের সুলতানদের ক্ষমতা প্রীতি খুব সুন্দরভাবেই ফুটে উঠেছে এই বইটিতে।
    সেই সাথে শাহাজাদা জালালুদ্দিন খাওয়ারিজম শাহ এর বীরত্ব এবং মুসলিম উম্মাহ এর জন্য অবদানের ইতিকথা পরিষ্ফুটিত।
    সংক্ষেপে জানতে, বইটি পড়ার অনুরোধ রইল।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলার মত একটি বই। ইতিহাসের এক মজলুম সুলতান, যিনি বীরের মত রুখে দাঁড়িয়েছিলেন মংগোলদের বিরুদ্ধে। মহান আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    বইয়ের নাম “সুলতান জালালুদ্দিন খাওয়ারিজম শাহ”। বইটি হাতে নিয়েই পড়া শুরু করে দিন। এটি এমন একটি ইতিহাসের বই যা আপনার মনযোগ এমনভাবে ধরে রাখবে যে আপনি পড়তে বসলে অসম্পুর্ন রেখে উঠতে পারবেন না। আর যখন পড়া শেষ করবেন তখন আপনি অবশ্যই বুঝতে পারবেন যে এই বইয়ের মুল নাম এর প্রথমে কেন “শেরে খাওয়ারিজম” সুংযোজন করা হল।
    যদিও বইটি সংক্ষিপ্ত অনুবাদ কিন্তু অনুবাদকের গভীর অনুধাবন ও সৃজনশীলতার ফলে বইটিকে কোনো ভাবেই অসম্পুর্ন মনে হয় নি। ইতিহাস প্রেমীদের জন্য এই বইটি সহজেই আর দশটি বই থেকে আলাদা করা সম্ভব। বইএর প্রচ্ছদ, বাধাই এবং অনুবাদ সব কিছু মিলে বইটি সয়ংসম্পুর্ন।
    ****প্রশ্ন-বইটি কেন পড়বেন?
    *****উত্তর- যে জাতি ইতিহাসের প্রতি মনোযোগি নয়, তারা ধীরে ধীরে অন্যান্য জাতির আজ্ঞাবহ দাসে পরিনত হয়। আর ইতিহাস পাঠ কোনো ঐচ্ছিক বা অতিরিক্ত বিষয় নয়, ইতিহাস অধ্যয়নের উদ্দেশ্য কেবল জ্ঞানভান্ডারে নতুন কিছু তথ্য সংযোজন ও জ্ঞানের পরিধিকে বিস্তৃত ও পূর্ণাঙ্গকরণ নয়; প্রকৃতপক্ষে ইতিহাস অধ্যয়ন সুস্থ-শক্তিশালী জাতিগঠন ও শ্রেষ্ঠ জাতিসত্তা বিনির্মাণের অন্যতম ভিত্তি-কাঠামো।
    পুরো বইটি অধ্যয়ন করে সুলতান জালালুদ্দিন খাওয়ারিজম শাহ এর জীবণি থেকে একটি কথাই মনে পড়ছিল – “মুসলিম এমন এক সম্প্রদায়, যারা জীবনের চেয়ে মৃত্যুকে বেশী ভালোবাসে।
    বইয়ের কিছু ধারনা দিতে “সুলতান জালালুদ্দিন খাওয়ারিজম শাহ” বইয়ের ১০৭ পৃষ্ঠার একটি উদাহারন — “ সুলতান আলাউদ্দিন ক্রমেই সরেছেন তার রাজত্বের সীমানা থেকে। দরদভরা কন্ঠে তিনি বলে উঠলেন, হায়! আমার বিশাল সম্রাজ্যে দাফন হওয়ার জন্য দু-গজ জমিও মিলল না আমার ভাগ্যে। … সুলতান আলাউদ্দিন এর ৬০০ বছর পর হুবহু এমন কথাই বলেছিলেন আরেকজন শাসক। তিনি দিল্লির শেষ মোগল শাসক বাহাদুর শাহ জাফর। রেঙ্গুনের কারাগারে বসে তিনি লিখেছিলেন, ‘কতটা হতভাগ্য তুমি হে জাফর! জমিনের বাদশা হয়েও দেখো, মৃত্যুর পর দুই গজ মাটির মালিকানা তোমার ভাগ্যে জুটছে না।”
    বুক রিভিউটি পড়েও যারা সিদ্বান্ত নিতে পারবেন না যে, বইটি এখনই কিনবেন না পরে কিনবেন তাদের জন্য বই থেকেই এক কথায় উত্তর–
    *** “সুগন্ধি সেটাই যে নিজেই তার পরিচয় দে, বিক্রেতাকে পরিচয় করিতে দিতে হয় না।”
    বইয়ের শিক্ষা–
    *** “সাহসিকতা আয়ু কমায় না এবং ভীরুতা আয়ু বাড়ায় না”
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top