মেন্যু
sultan aorongojeb alomgir

সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির

পৃষ্ঠা : 240, কভার : হার্ড কভার
সম্পাদক: আবদুর রশীদ তারাপাশী ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে পানিপথের যুদ্ধে ইবরাহিম লোদিকে পরাজিত করে সম্রাট বাবরের হাতে প্রতিষ্ঠিত হয় হিন্দুস্থানের ইতিহাসে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রভাবশালী সাম্রাজ্য—ইতিহাসের পাতায় যা ‘মোগল সাম্রাজ্য’ নামে চির ভাস্বর... আরো পড়ুন

Out of stock

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

16 রিভিউ এবং রেটিং - সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির

4.9
Based on 16 reviews
5 star
87%
4 star
12%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
Showing 14 of 16 reviews (5 star). See all 16 reviews
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    jibonmahmudperfectboy:

    দু:খিত রিভিউটি উমর ইবন খাত্তাবে দিতে গিয়ে এখানে পড়ে গেছে।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    jibonmahmudperfectboy:

    দু:খিত রিভিউটি উমর ইবন খাত্তাবে দিতে গিয়ে এখানে পড়ে গেছে।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    Jebon Mahmud:

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    📚বই:আমিরুল মুমিনিন উমর
    ইবনুল খাত্তাব।
    ধরন: জীবনী ও কীর্তি ।
    ✍লেখক:শায়খ আলি মুহাম্মদ
    সাল্লাবি।
    ⌨অনুবাদক:কাজী আবুল কালাম
    সিদ্দিক।
    🧾প্রচ্ছদ: শাহ ইফতেখার তারিখ।
    🖨প্রকাশানী:কালান্তর প্রকাশনী।
    📂পৃষ্ঠা সংখ্যা:প্রথম খন্ড
    ৪৯৬,দ্বিতীয় খন্ড ৫৭৬।
    💷₹মুদ্রিত মূল্য:১ম খন্ড ৪৮০,২য়
    খন্ড ৫২০।

    রাসূলুল্লাহ (স) জন্মের ১৩ বছর পর ‘আবু হাফস’ নামক একটি ছেলের পিতা হন খাত্তাব ইবনে নুফাইল। কে এই ‘আবু হাফস’ ? এই ‘আবু হাফস’ হলেন, ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ও হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) জলিলে কদর সাহাবী আমিরুল মুমিনিন হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) । হযরত উমর (রাঃ) এর বাবা খাত্তাব ইবনে নুফাইল ছিলেন কুরাইশ বংশের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তাঁর মায়ের নাম হানতামা বিনতে হাশিম ইবনে মুগিরা। তিনি ছিলেন আবু জাহল ইবনে হিশামের চাচাতো বোন।উল্লেখ্য যুবক বয়সে হযরত উমর রাসূল (সাঃ) হত্যা কে হত্যার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন কিন্তু আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে হেদায়েত দান করেন এজন্য তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হেদায়েত কামনা করে আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করেছিলেন। হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত : রাসুল (সা.) দোয়া করেছেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি উমর অথবা আবু জাহেলের মাধ্যমে ইসলামের মর্যাদা সমুন্নত করুন।’ প্রত্যুষেই হজরত উমর নবী (সা.)-এর দরবারে হাজির হয়ে ইসলাম কবুল করেন, অতঃপর (সর্বপ্রথম) প্রকাশ্যে হারাম শরিফে নামাজ আদায় করেন। (তিরমিজি) ইসলাম গ্রহণ পরবর্তীতে কাফের মুশরিকদের বিরুদ্ধে এক অবিচল নাম হয়ে ওঠেন হযরত উমর।আবু বকর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এর মৃত্যুর পর তিনি দ্বিতীয় খলীফা হিসেবে দায়িত্ব নেন। উমর রাদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ইসলামী আইনের একজন অভিজ্ঞ আইনজ্ঞ ছিলেন। ন্যায়ের পক্ষাবলম্বন করার কারণে তাকে আল-ফারুক (সত্য মিথ্যার পার্থক্যকারী) উপাধি দেওয়া হয়। আমীরুল মু’মিনীন উপাধিটি সর্বপ্রথম তার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা) তার সম্পর্কে বলেন, ‘আমার পরে যদি কেউ নবী হতেন, তবে তিনি উমর বিন খাত্তাবই হতেন।’ (মিশকাত )রাসুল (সা.) আরো বলেছেন, ‘হে উমর! নিশ্চয়ই শয়তান তোমাকে ভয় পায়। (তিরমিজি)প্রখ্যাত সাহাবী মুগীরা ইবন শু’বার (রা) অগ্নি উপাসক দাস আবু লুলু ফিরোজ ফজরের নামাযে দাড়ানো অবস্থায় এ মহান খলিফাকে ছুরিকাঘাত করে। আহত হওয়ার তৃতীয় দিনে হিজরী ২৩ সনের ২৭শে জিলহজ্জ বুধবার তিনি ইন্তেকাল করেন।হযরত সুহায়িব জানাজার নামাজ পড়ান। রওজায়ে নববীর মধ্যে হযরত সিদ্দিকে আকবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তাঁর খিলাফতকাল দশ বছর ৬ মাস ৪ দিন।

    পাঠ অনুভূতি: বইটি যখন আমি পড়ছিলাম তখন আমার মনে হচ্ছিল আমি যেন তাকে সরাসরি দেখছি। অন্তরে প্রশান্তি অনুভব করেছি আর ভেবেছি আহ যদি উমরের মতো শাসক এখন থাকতো তাহলে মুসলমান রা আজ মার খেতোনা।

    লেখার মান: লেখকের লেখার মান ছিলো অসম্ভব সুন্দর। ড. সাল্লাবি সবথেকে বিশুদ্ধ উৎস থেকে বইটি লিখেছেন। আল্লাহ লেখককে উত্তম প্রতিদান দান করুন, ‘আমিন’।

    অনুবাদের মান: আবুল কালাম সিদ্দিক ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তার অনুবাদ সবার থেকে ভিন্ন। মাশাল্লাহ অনেক ভালো কাজ করেছেন। আল্লাহ তাকে উত্তম জাজা দান করুক।

    ছাপা ও বাঁধায়: ছাপা ও বাধায় মন কাড়ার মতো ছিলো। তেমন দোষ ত্রুটি নজরে আসেনি।

    বইটি কেন প্রয়োজনীয়? : কীভাবে অন্ধকারে ডুবে থাকা মানুষটি ইসলামী আকাশে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে গেলেন? কেমন করে তিনি তাঁর শাসন ব্যবস্থা কেমন ইসলামের পতাকা পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং কিভাবে অর্ধ জাহানের খলিফা হয়েছিলেন? জানতে হলে অবশ্যই পড়তে হবে ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি রচিত এই বইটি।পরিশেষে বলতে চাই ড. আলি মুহাম্মদ সাল্লাবির লেখা উমর (রা:) এর জীবনী সম্বলিত বইটি প্রত্যেক মুসলমানের ঘরে ঘরে পৌছে যাক। এমন সুন্দর একটি বই পাঠকের সমীপে উপস্থাপন করার জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বইয়ের লেখক, অনুবাদক, প্রকাশক সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কবুল করুন এবং ইসলামের জন্য আরও অধিক পরিমাণে কাজ করার তাওফিক দিন, আমিন।

    0 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    Niloy Imran:

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    আসসালামু আলাইকুম

    ✪ বই পরিচিতি :-

    নাম : সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির
    লেখক : ফাহাদ আবদুল্লাহ
    ধরণ : ইতিহাস ঐতিহ্য ও ইসলামি ব্যক্তিত্ব
    সম্পাদক : আবদুর রশীদ তারাপাশী
    প্রকাশনা : কালান্তর প্রকাশনী
    প্রচ্ছদ : আবুল ফাতাহ
    পৃষ্ঠা : ২৪০
    মুদ্রিত মূল্য : ৩০০ ৳

    সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির –
    মোগল সাম্রাজ্যের এক ন্যায়পরায়ণ শাসকের নাম।
    মোগল সাম্রাজ্যের ভিত গঠনে যিনি দেখিয়েছেন অসীম সাহসিকতা ও দুরদর্শী বিচক্ষণতা। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এবং সামরিক প্রতিভায় মোগল সাম্রাজ্য পেয়েছিল এক নতুন অধ্যায়। মোগল সাম্রাজ্যকে নতুনত্ব দান করায় তিনি বরেণ্য ব্যক্তিদের দ্বারা প্রশংসিতও হয়েছেন বারবার। কুরআনের অনুলিপি এবং দাক্ষিণাত্য ও গুজরাটের সুবেদার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। হাতির লড়াইয়ে জয়লাভের মধ্য দিয়ে ভূষিত হন ‘ বাহাদুর ‘ খেতাবে। অসীম সাহসিকতা ও তাকওয়াপূর্ণ ছিল তার জীবনব্যবস্থা। আজীবন তিনি ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে গেছেন।

    ✪ বই সম্পর্কে :-

    দ্য গ্রেটেস্ট সুলতান অব দ্য মোগল এম্পায়ার আওরঙ্গজেব আলমগির – বইটি লিখেছেন ফাহাদ আবদুল্লাহ। তরুণ লেখকের কলম হতে চমৎকার শব্দের ফুলঝুরি ঝড়ে পড়েছে বইটির প্রতি কলেবরে। লেখক ফাহাদ আবদুল্লাহ পরম যত্ন ও তীক্ষ্ম মেধা খাটিয়ে বইটিতে তুলে ধরেছেন সুলতানের বীরত্বপূর্ণ জীবনগাথা। বইটিতে সুলতানের জন্ম,বেড়ে উঠা থেকে শুরু করে সিংহাসনারোহণের প্রেক্ষাপটসহ আমৃত্যু তার সংগ্রামী জীবন সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।
    মোট পাঁচটি অধ্যায়ের সমন্বয়ে লিখিত এই বইটা। প্রতিটি অধ্যায় আবার পরিচ্ছেদ আকারে বিভক্ত বইটির প্রচ্ছদ ও বাইন্ডিং মাশাআল্লাহ। দেখলেই মনপ্রাণ শীতল হয়ে যায়। পড়ার জন্য মন অস্থির হয়ে পড়ে। একের পর এক ঘটনাবিন্যাস সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে জেগে উঠে, যেকারণে শুধু পড়তেই মন চায়। হৃদয়ে ধারণ করে নিতে ইচ্ছে হয় সুলতানের জীবনাদর্শ থেকে পাওয়া নির্দেশনাসমূহ।

    ✪ পাঠ প্রতিক্রিয়া :-

    ‘সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির ‘ বইটি সকলের কাছেই ভালো লাগার মতো। আমার কাছে যথেষ্ট ভালো লেগেছে। আমি রীতিমতো হতবাক হয়ে গেছি বইটি পড়ে। ইতিহাসকে এতটা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা সত্যিই অনেক বুদ্ধিমত্তার কাজ। বইটির শব্দবিন্যাস যথেষ্ট সুন্দর। এত সুন্দরভাবে ইতিহাসকে তুলে ধরা কোনো সহজসাধ্য কাজ নয়। ইতিহাসকে সহজ ভাবে জানার জন্য এই বইটি অনেকটাই কার্যকর।
    বইটি পড়ে সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির সম্পর্কে যথাযথ ধারণা লাভ করতে পেরেছি। পূর্বে যে সকল সংশয় ছিল তা দূর হয়ে গিয়েছে। বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠাই হৃদয়ে ধারণ করার মতো। বইটি পড়ার মাধ্যমে সুলতানের বীরত্বপূর্ণ জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে অভূতপূর্ব ধারণা লাভ করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।

    ✪ বইটি কেন পড়া উচিত :-

    অসীম সাহসিকতা ও বিচক্ষণতার প্রতীক সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে জানতে এবং সুলতানের বীরত্ব ও তাকওয়াপূর্ণ জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত হতে বইটি পড়ার কোনো বিকল্প নেই। সুলতান সম্পর্কে পুর্বে যেসকল মিথ্যাচার আমরা শুনে এসেছি তার সঠিক জবাব পাবেন এই বইটিতে। কিছু হিন্দুত্ববাদী ইতিহাসবিদ সুলতানের নামে মিথ্যাচার করেছেন। তারা তিলকে তাল বানিয়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন ইতিহাসের পাতায় পাতায়।সুলতানকে বারবার কলঙ্কিত করতে চেয়েছেন । এইসব হিন্দুত্ববাদী ইতিহাসবিদদের মিথ্যাচারের কঠোর জবাব দেয়া হয়েছে এই বইটিতে। সুলতানের সাহসিকতা ও দুরদর্শী বিচক্ষণতা সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত হওয়া যাবে বইটির প্রতিটি কলেবরে চোখ বুলিয়ে।

    ✪ ইতিকথা :-

    বইটি সম্পর্কে কি বলে ইতির রেখা টানবো সেই ভাষা খুঁজে পাচ্ছিনা আসলে। ইতিহাসকে এতটা সুন্দর ও সাবলীল ভাষা এবং গঠনবিন্যাসে সাজিয়ে তোলা সত্যিই দুরূহ একটা কাজ। ইতিহাসের এক নতুন স্বাদ পাওয়া যায় বইটিতে চোখ রেখে । হৃদয়ে আসে নতুন উদ্যম, নতুন প্রানচাঞ্চল্যতা।

    সবশেষে বলব যে, ন্যায় ও ইনসাফপুর্ণ সমাজ ও জাতিগঠনে বইটি হতে যথাযথ শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য বইটির প্রতিটি কলেবরে চোখ বুলিয়ে নিন। হৃদয়ে গেঁথে নিন বইটির মাধুর্যতা..।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    Niloy Imran:

    #কালান্তর_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা

    আসসালামু আলাইকুম

    ✪ বই পরিচিতি :-

    নাম : সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির
    লেখক : ফাহাদ আবদুল্লাহ
    ধরণ : ইতিহাস ঐতিহ্য ও ইসলামি ব্যক্তিত্ব
    সম্পাদক : আবদুর রশীদ তারাপাশী
    প্রকাশনা : কালান্তর প্রকাশনী
    প্রচ্ছদ : আবুল ফাতাহ
    পৃষ্ঠা সংখ্যা : ২৪০
    মুদ্রিত মূল্য : ৩০০ ৳

    সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির –
    মোগল সাম্রাজ্যের এক ন্যায়পরায়ণ শাসকের নাম।
    মোগল সাম্রাজ্যের ভিত গঠনে যিনি দেখিয়েছেন অসীম সাহসিকতা ও দুরদর্শী বিচক্ষণতা। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এবং সামরিক প্রতিভায় মোগল সাম্রাজ্য পেয়েছিল এক নতুন অধ্যায়। মোগল সাম্রাজ্যকে নতুনত্ব দান করায় তিনি বরেণ্য ব্যক্তিদের দ্বারা প্রশংসিতও হয়েছেন বারবার। কুরআনের অনুলিপি এবং দাক্ষিণাত্য ও গুজরাটের সুবেদার হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। হাতির লড়াইয়ে জয়লাভের মধ্য দিয়ে ভূষিত হন ‘ বাহাদুর ‘ খেতাবে। অসীম সাহসিকতা ও তাকওয়াপূর্ণ ছিল তার জীবনব্যবস্থা। আজীবন তিনি ন্যায়ের পক্ষে কাজ করে গেছেন।

    ✪ বই সম্পর্কে :-

    দ্য গ্রেটেস্ট সুলতান অব দ্য মোগল এম্পায়ার আওরঙ্গজেব আলমগির – বইটি লিখেছেন ফাহাদ আবদুল্লাহ। তরুণ লেখকের কলম হতে চমৎকার শব্দের ফুলঝুরি ঝড়ে পড়েছে বইটির প্রতি কলেবরে। লেখক ফাহাদ আবদুল্লাহ পরম যত্ন ও তীক্ষ্ম মেধা খাটিয়ে বইটিতে তুলে ধরেছেন সুলতানের বীরত্বপূর্ণ জীবনগাথা। বইটিতে সুলতানের জন্ম,বেড়ে উঠা থেকে শুরু করে সিংহাসনারোহণের প্রেক্ষাপটসহ আমৃত্যু তার সংগ্রামী জীবন সম্বন্ধে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।
    মোট পাঁচটি অধ্যায়ের সমন্বয়ে লিখিত এই বইটা। প্রতিটি অধ্যায় আবার পরিচ্ছেদ আকারে বিভক্ত বইটির প্রচ্ছদ ও বাইন্ডিং মাশাআল্লাহ। দেখলেই মনপ্রাণ শীতল হয়ে যায়। পড়ার জন্য মন অস্থির হয়ে পড়ে। একের পর এক ঘটনাবিন্যাস সম্পর্কে জানতে ইচ্ছে জেগে উঠে, যেকারণে শুধু পড়তেই মন চায়। হৃদয়ে ধারণ করে নিতে ইচ্ছে হয় সুলতানের জীবনাদর্শ থেকে পাওয়া নির্দেশনাসমূহ।

    ✪ পাঠ প্রতিক্রিয়া :-

    ‘সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির ‘ বইটি সকলের কাছেই ভালো লাগার মতো। আমার কাছে যথেষ্ট ভালো লেগেছে। আমি রীতিমতো হতবাক হয়ে গেছি বইটি পড়ে। ইতিহাসকে এতটা সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা সত্যিই অনেক বুদ্ধিমত্তার কাজ। বইটির শব্দবিন্যাস যথেষ্ট সুন্দর। এত সুন্দরভাবে ইতিহাসকে তুলে ধরা কোনো সহজসাধ্য কাজ নয়। ইতিহাসকে সহজ ভাবে জানার জন্য এই বইটি অনেকটাই কার্যকর।
    বইটি পড়ে সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির সম্পর্কে যথাযথ ধারণা লাভ করতে পেরেছি। পূর্বে যে সকল সংশয় ছিল তা দূর হয়ে গিয়েছে। বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠাই হৃদয়ে ধারণ করার মতো। বইটি পড়ার মাধ্যমে সুলতানের বীরত্বপূর্ণ জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে অভূতপূর্ব ধারণা লাভ করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।

    ✪ বইটি কেন পড়া উচিত :-

    অসীম সাহসিকতা ও বিচক্ষণতার প্রতীক সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে জানতে এবং সুলতানের বীরত্ব ও তাকওয়াপূর্ণ জীবনব্যবস্থা সম্পর্কে অবগত হতে বইটি পড়ার কোনো বিকল্প নেই। সুলতান সম্পর্কে পুর্বে যেসকল মিথ্যাচার আমরা শুনে এসেছি তার সঠিক জবাব পাবেন এই বইটিতে। কিছু হিন্দুত্ববাদী ইতিহাসবিদ সুলতানের নামে মিথ্যাচার করেছেন। তারা তিলকে তাল বানিয়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন ইতিহাসের পাতায় পাতায়। সুলতানকে বারবার কলঙ্কিত করতে চেয়েছেন। এইসব হিন্দুত্ববাদী ইতিহাসবিদদের মিথ্যাচারের কঠোর জবাব দেয়া হয়েছে এই বইটিতে। পাশাপাশি সুলতানের সাহসিকতা ও দুরদর্শী বিচক্ষণতা সম্বন্ধে সুস্পষ্টভাবে অবগত হওয়া যাবে বইটির প্রতিটি কলেবরে চোখ বুলিয়ে।

    ✪ ইতিকথা :-

    বইটি সম্পর্কে কি বলে ইতির রেখা টানবো সেই ভাষা খুঁঁজে পাচ্ছিনা আসলে। ইতিহাসকে এতটা সুন্দর ও সাবলীল ভাষা এবং গঠনবিন্যাসে সাজিয়ে তোলা সত্যিই দুরূহ একটা কাজ। ইতিহাসের এক নতুন স্বাদ পাওয়া যায় বইটিতে চোখ রেখে। হৃদয়ে আসে নতুন উদ্যম, নতুন প্রাণচাঞ্চল্যতা।

    সবশেষে বলব যে, ন্যায় ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ ও জাতিগঠনে বইটি হতে যথাযথ শিক্ষা গ্রহণ করার জন্য বইটির প্রতিটি কলেবরে চোখ বুলিয়ে নিন। হৃদয়ে গেঁথে নিন বইটির মাধুর্যতা।

    সুমিষ্ট মধুরতায় পূর্ণ হবে আপনার জীবন – ইন শা আল্লাহ..।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top