মেন্যু
sultan aorongojeb alomgir

সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির

পৃষ্ঠা : 240, কভার : হার্ড কভার

সম্পাদক: আবদুর রশীদ তারাপাশী

১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে পানিপথের যুদ্ধে ইবরাহিম লোদিকে পরাজিত করে সম্রাট বাবরের হাতে প্রতিষ্ঠিত হয় হিন্দুস্থানের ইতিহাসে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রভাবশালী সাম্রাজ্য—ইতিহাসের পাতায় যা ‘মোগল সাম্রাজ্য’ নামে চির ভাস্বর হয়ে আছে। হিন্দুস্থানের বুকে সর্বশেষ নেতৃত্ব দেওয়া তৈমুরের বংশোদ্ভূত এ মোগলদের হাতেই তদানীন্তন সময়ে জ্ঞানবিজ্ঞান, অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা-দীক্ষা ও সমরবিদ্যা—এককথায় সবকিছুতেই উন্নতি ও সমৃদ্ধির শীর্ষ শিখরে পৌঁছে গিয়েছিল হিন্দুস্থান।
বাবর, হুমায়ুন, আকবর, জাহাঙ্গির ও শাহজাহানের পর সালতানাতের বাগডোর হাতে নিয়েছিলেন এই সাম্রাজ্যের সবচেয়ে ন্যায়পরায়ণ, বিচক্ষণ, দূরদর্শী ও আলোচিত শাসক সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির—যিনি দোর্দণ্ড প্রতাপের সঙ্গে সুদীর্ঘ ৫১ বছর সাম্রাজ্য পরিচালনা করেছিলেন।
বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি এ ন্যায়পরায়ণ সুলতানেরই বর্ণাঢ্য শাসনামলের ঐতিহাসিক ধারাভাষ্য। জন্ম, বেড়ে ওঠা ও সিংহাসনে আরোহণের প্রেক্ষাপট থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত তাঁর ‘জিহাদি-জীবন’-এর প্রতিটি অধ্যায় এতে আলোচিত হয়েছে। বাঙলার কট্টর হিন্দুসম্প্রদায়, আফগানের খাইবার ও আফ্রিদি গোত্রসমূহ, সৎনামি, জাট আর রাজপুতদের বিদ্রোহ দমনসহ প্রাসঙ্গিক সব আলোচনা স্থান পেয়েছে। ইতিহাসের এ মজলুম সুলতানের ওপর উত্থাপিত সব অভিযোগ নিয়েও সরল আলোচনা করা হয়েছে। ধুলোবালি ঝেড়ে আড়ালে থেকে যাওয়া বাস্তবতাগুলো সামনে আনা হয়েছে। সর্বোপরি সুলতানের মৃত্যুর পর সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকার নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত বিবরণও বাদ যায়নি।

পরিমাণ

210  300 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

16 রিভিউ এবং রেটিং - সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির

4.9
Based on 16 reviews
5 star
87%
4 star
12%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    ফাহাদ আব্দুল্লাহ রচিত সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির বইটি পড়ে শেষ করলাম। ভারত উপমহাদেশের একজন মহান সুলতানের জীবনী পড়ে আমি অভিভূত হয়েছি।আর এটি লেখকের মৌলিক রচনা।আর এজন্য বইটি সাবলীল, প্রাঞ্জল এবং সুখপাঠ্য মনে হয়েছে। কি আছে বইটিতে!?

    #যা_নিয়ে_রচিত_এই_বইঃ
    বইটিকে পাঁচটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করা হয়েছে। প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন পরিচ্ছেদ।

    *#প্রথম_অধ্যায়*
    এতে লেখক সুলতান আলমগির র.এর জন্ম, বেড়ে ওঠা,শিক্ষাদীক্ষা,তার জীবনে শায়েখ মির হাশিমের অবদান,সুবেদারিতে অভিষেক, কান্দাহার এবং পারসিকদের বিরুদ্ধে লড়াই করা,দুই বার দাক্ষিণাত্যে সুবেদার হিসেবে নিযুক্ত হওয়া,সুবেদার হিসেবে সুলতানের বিজয়াভিযান,সুলতানের বিরুদ্ধে বড়ভাই দারাশিকোর ষড়যন্ত্র করা,পিতা শাহজাহানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি,-এসমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    *#দ্বিতীয়_অধ্যায়*
    আর এই অধ্যায়ে, বড়ভাই দারার চক্রান্ত, দারার বিরুদ্ধে সমুগড়ের যুদ্ধ এবং বিজয়লাভ করা,সর্বশেষ ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধ এবং সকল ভাইকে পরাজিত করে পিতার জীবদ্দশায় এককভাবে সিংহাসনে আরোহণ করা,শাহজাহানের ইন্তেকাল, এবং বিভিন্ন বিদ্রহ দমন করা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।

    *#তৃতীয়_অধ্যায়*
    এতে সুলতানের ইন্তেকাল, অসিয়ত,ওনার গুনাবলী,রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর কৃতিত্ব ও অবদান নিয়ে লিখা হয়েছে।

    *#চতুর্থ_অধ্যায়*
    সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির র.এর মৃত্যুপরবর্তী সন্তানদের উত্তরাধিকার নিয়ে
    যুদ্ধ করা,মোগল সম্রাজ্যের পতনের সূচনা নিয়ে লিখা হয়েছে।
    *#পঞ্চম_অধ্যায়*
    সর্বশেষ অধ্যায়ে সুলতানের গায়ে যে (অপবাদ)ধূলাবালির আস্তরণ জমেছে তা লেখক সরিয়ে দিয়েছেন।একে মূলত আল্লামা শিবলী নুমানী র. রচিত একটি কিতাবের সারাংশ হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

    #পাঠভাবনাঃঅসাধারণ এই গ্রন্থটি আপনাকে সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির র. সম্পর্কে পূর্ণাংগ ধারণা দিবে।অন্তত আমার কাছে এমনটিই মনে হয়েছে। এই গ্রন্থটি পড়ার পর আমি সুলতানকে ভিন্নভাবে আবিষ্কার করলাম।
    দীর্ঘ ৫০বছর সুনামের সাথে রাজ্য পরিচালনা করে ৯১বছর বয়সে ১৭০৭ সনের ২০ ফেব্রুয়ারি রোজ শুক্রবার এই মহান সুলতান শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
    আল্লাহ তাআলা সুলতানকে ক্ষমা করুন এবং জান্নাতে উঁচু মাকাম দান করুন। পাশাপাশি বইটির লেখক, পাঠক এবং প্রকাশকসহ এতদসংশ্লিষ্ট সকলে আল্লাহ তাআলা উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং সুলতান আওরঙ্গজেব আলমগির র.এর যোগ্য উত্তরসূরী হওয়ার তৌফিক দান করুন।

    আব্দুল্লাহ হানিফ
    খিলগাঁও, ঢাকা

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No