মেন্যু


রাসূলের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ) (হার্ড কভার)

দুনিয়া এক রহস্যঘেরা জায়গা। এখানে মানুষ আসে। শৈশব, কৈশোর আর তারুণ্যের সিড়ি বেয়ে বার্ধক্যে পৌঁছে। তারপর হঠাৎ একদিন চলে যায়। এই স্বল্পতম সময়ে দুনিয়াবি সফলতার সিঁড়ি বেয়ে উপারে উঠার জন্য মানুষের কি নিরন্তর চেষ্টা। অথচ সে জানে না উপরে উঠতে গিয়ে সে কতটা নিচে নেমে যাচ্ছে।

দুনিয়ার সাথে আমাদের সত্যিকার সম্পর্ক কী? দুনিয়ার ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত? প্রকৃত সফলতা কিসে? নবী রাসূলদের জীবন ও বক্তব্য থেকে এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়ুন ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) রচিত এক কালজয়ী গ্রন্থ ‘কিতাব যুহুদের’ অনুবাদ এই ‘রাসূলের চোখে দুনিয়া’

পরিমাণ

192  275 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

21 রিভিউ এবং রেটিং - রাসূলের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ) (হার্ড কভার)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    দুনিয়া এক রহস্য-ঘেরা জায়গা।এখানে মানুষ আসে।শৈশব,কৈশোর ও তারুণ্যের সিঁড়ি বেয়ে বার্ধক্যে উপনীত হয়।তারপর হঠাৎ একদিন চলে যায়।কোত্থেকে এলো, কেন এলো,কোথায় গেলো-এসব প্রশ্ন প্রত্যেক মানুষের মনে বারবার উঁকি দিয়ে বেড়ায়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দুনিয়ার মোহ ,সুখ আর ভোগের নেশা এসব চিন্তাকে স্তিমিত করে দেয়। এই নেশার কঠিন আচ্ছাদন ভেদ করে যারা চিন্তার জগতে বিচরণ করে বেড়ায় তারা কখনো কখনো খোঁজে পেয়ে যায় অনন্ত অসীম গন্তব্যের পথ, সিরাতুল মুস্তাকীম।

    রাসুল সা. এর জীবন ছিল দ্বীনের জন্য কোরবান।অধিক ঐশ্বর্যশালী হওয়ার অন্ধ প্রতিযোগীতায় তিনি নিজের জীবনের মুল্যবান সময় নষ্ট করেন নি।এই এক ঘৃন্য প্রতিযোগীতা আমাদের বিপথে ফেলে দিচ্ছে।অধিক সম্পদ, ভাল কাপড়ের নেশা আর বাহারি খাবারে উদরপূর্তি আমাদের জীবনের মুখ্য উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনে হারিয়ে বসেছি অনন্ত অসীম জিন্দেগীর পরম পাথেয় উপার্জনের নিঃশেষ শক্তিটুকুন।

    দুনিয়ার মোহাবিষ্টতা,অঘাত প্রাচুর্য কি রাসুলগন কে কাবু করতে পেরেছিল? -পারেনি। কারন তাদের আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের নমুনা এরুপ ছিল যে, এক খন্ড পাথর, একটা সোনার টুকরা আর এক টুকরা মাটির মুল্যে কোন তারতম্য নেই। অর্থাৎ, দুনিয়ার প্রাচুর্য তাদের কাছে কোন মুল্যই রাখতো না।

    দুনিয়ার সাথে রাসুল সা. এর সম্পর্ক কেমন ছিল তা একটি হাদিস থেকে সহজেই অনুমেয়। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্নিত রাসুল সা. বলেছেনঃ-“এ দুনিয়ার সাথে আমার কি সম্পর্ক? এ দুনিয়ার সাথে আমার দৃষ্টান্ত হলো এমন এক অশ্বারোহীর ন্যায় যে প্রচন্ড গরমের একদিন একটি গাছের ছায়ায় ঈষৎ নিদ্রা গেলো, তারপর কিছুক্ষন বিশ্রাম নিয়ে সেখান থেকে চলে গেলো। ”

    ভাগাড়ে পড়ে থাকা একটি মৃত ভেড়াকে দেখিয়ে রাসুল সা. বলেছেন- “ফেলে দেওয়া মালিকের নিকট এ ভেড়াটি যত তুচ্ছ মনে হয়েছে, আল্লাহ তা’য়ালার নিকট দুনিয়া তার চেয়েও অধিক তুচ্ছ।” [প্রাগুক্ত-১১৯]

    ○ বই সম্পর্কে-
    বইটির সবচেয়ে চমকপ্রদ অংশটি হলো সম্পুর্ন বইটিই হাদিসের এক অনন্য সংকলন। প্রথমে লেখক এনেছেন রাসুল সা. এর চোখে দুনিয়ার গুরুত্ব ও মর্যাদা কতটুকু ছিল। যে রাসুলের শানে মক্কার কুরাইশগন অঢেল সম্পদ,আরবের আধিপত্য অর্পণ করেছিল, সে রাসুল স. দুনিয়াকে কতটুকু তুচ্ছ ভেবে নিয়ে খন্দকের যুদ্ধে পেটে পাথর বেঁধেছিলেন।

    বইটিতে শেষ নবী সা. ছাড়াও অন্যান্য রাসুলের চোখে দুনিয়ার চাকচিক্য কত নগন্য সেটা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এক কথায়, হাদিস প্রেমীদের জন্য এক অনবদ্য সংস্করণ।

    ○ বইটি কাদের জন্য ?
    বইটি প্রত্যেক মুসলিম নর ও নারীর জন্য। যারা তাগুতের মোকাবিলায় নিজের ঈমান ও আমলকে হেফাযত করতে চান তাদের প্রত্যেকের জন্যই বইটি একান্ত প্রয়োজন। সত্যিকারের আশেকে রাসুল যারা তাদের জন্য বইটি হাইলি রিকমেন্ডেড।

    ○ বইটি কেন পড়বেন?
    বইটিতে শেষ নবী মুহাম্মদ সাঃ সহ আরো কয়েকজন প্রখ্যাত রাসুলদের অমূল্য বানী ও জীবনবৃত্তান্ত ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে রাসুলুল্লাহ্ সঃ এর ব্যক্তিজীবন ও পারিবারিক জীবন, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন সহ দুনিয়া বিরাগী অসংখ্য হাদিসের আলোকে বিভিন্ন ঘটনা ফুটে উঠেছে। যা থেকে শিক্ষণীয় বিষয় হলো,রাসুলের চোখে তুচ্ছ দুনিয়ার মত নিজের বা নিজেদের তুলনা করে তাদের মত জীবনযাপন করে আখেরাতের পুঁজি অর্জন করা। লোভ-লালসা আমিত্তহীন জীবনযাপন করে একমাত্র মহান আল্লাহকে রাজি খুশি করাই যে জীবনের মুখ্য উদ্দ্যেশ্য হবে।

    ○ লেখক সম্পর্কে-
    বইটির মূল লেখক ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ। মুসলিম উম্মাহর পূণ্যবান মুজতাহিদ প্রসিদ্ধ চার ইমামের একজন তিনি। ইমাম আবু হানিফা র. এর প্রধান ছাত্র হিসেবে তার পাঠচক্রেও হাজির ছিলেন তিনি।

    হাদিস চর্চার পাশাপাশি অজস্র আইনগত প্রশ্নেরও জবাব তিনি দিয়েছে,যা তার ছাত্রবৃন্দ সুবিন্যস্ত করে প্রকাশ করেছেন। আর এর ভিত্তিতেই গড়ে উঠেছে “হাম্বলি মাযহাব” নামে ইসলামি আইনশাস্ত্রের গ্রহনযোগ্য আরেকটি মাযহাব।

    ○ অনুবাদ সম্পর্কে-
    বইটির সম্পুর্ন অনুবাদটি বইটিকে আরো পাঠকপ্রিয় করে তুলেছে। যথাসাধ্য নির্ভুল বানানে বইটি পাঠক সমাজে খুব সহজেই গৃহীত হবে।তাই বলা যায়, গ্রন্থটি একটি সুখপাঠ্য গ্রন্থ।

    ○ আমার অনুভূতিঃ
    কাগজের পাতায় কলমের আচড় কেটে এ অনুভূতি ব্যক্ত করা অসম্ভব। বইটির প্রথম দিকে রাসুলুল্লাহ সঃ এর জীবনে কিছু ঘটনা অন্তরকে নাড়া দেওয়ার মত। বইটি কোন মুসলিমের চোখ অশ্রুসজল হবে না, তা কল্পনায় আনাও দুষ্কর। কাঠিন্যতায় পর্যবসিত প্রায় নিষ্প্রাণ অন্তরেও অশ্রুর প্লাবন উর্বরতা সৃষ্টি করবে।

    ○ পছন্দের কিছু উক্তিঃ
    ০১.সুলাইমান আঃ তার ছেলেকে উপদেশ দিতে গিয়ে বলেছেন,”সিংহ ও কালো সাপের পিছু নিও,তবুও নারীর পিছু নিও না।”

    ০২. “দুনিয়ার রুপ হল মনোহর সবুজ উদ্যানের ন্যায়,যা মানুষকে সহজে আকৃষ্ট করে। অতএব, দুনিয়াকে ভয় করো।”

    পরিশেষে, ‘রাসুলের চোখে দুনিয়া’ বইটি পড়ার আমন্ত্রণ জানিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ যেন বইটি থেকে সবাইকে উত্তম জ্ঞান আহরণের মাধ্যমে দুনিয়া ও আখেরাতের মূল পুঁজি সঞ্চয়ের তাওফিক দেন। আমিন।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    ‘যে জীবন ফড়িং য়ের দোয়েলের,মানুষের সাথে তার হয় নাকো দেখা।’

    বস্তুবাদী মানবদের জীবনের শেষ চাহিদা এরকমই হয়ে উঠে।একসময় এরাই বলবে,

    …হায় !
    আমি যদি মাটি হতাম !

    -[সুরা আন নাবা ৭৮ আয়াত ৪০]-[সুরা আন নাবা ৭৮ আয়াত ৪০]

    দুনিয়া বড়ই রহস্যময়। যে দুনিয়ার পিছে ছুটে চলে দুনিয়া তার কাছে ধরা দেয় না,যে দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে সেই দুনিয়াতে সফলকাম হয়।

    দুনিয়ার সাথে আমাদের সম্পর্ক কীরূপ হবে,দুনিয়ার সম্পদ,মোহ থেকে কীভাবে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা যাবে,দুনিয়াকে আহরণের তৃষ্ণা , দুনিয়াকে আবাদ করার বাসনা থেকে বাঁচতে নবী রাসূলগণের জীবনাচরণ ও উপদেশবাণীর এক অনন্য সংকলন ইমাম আহমদ বিন হাম্বল(রহ.) রচিত ‘কিতাবুল যুহদ’ এর অনুবাদ গ্রন্থ ‘রাসূলের চোখে দুনিয়া’।

    আরবী ‘দানিউন’ থেকে দুনিয়া শব্দের উৎপত্তি । দানিউন অর্থ- ইতর, তুচ্ছ, দুর্বল, নিকটবর্তী ইত্যাদি । প্রচলিত অর্থে দুনিয়া বলতে ইহকাল বা পার্থিব জগতকে বুঝায় । প্রকৃত অর্থে- যা অচিরেই ধ্বংসশীল তা-ই দুনিয়া ।

    মহান আল্লাহ তা’য়লা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেনঃ

    يٰۤاَيُّهَا النَّاسُ اتَّقُوْا رَبَّكُمْ وَاخْشَوْا يَوْمًا لَّا يَجْزِيْ وَالِدٌ عَنْ وَّلَدِهٖ ۫ وَلَا مَوْلُوْدٌ هُوَ جَازٍ عَنْ وَّالِدِهٖ شَيْئًا ؕ اِنَّ وَعْدَ اللّٰهِ حَقٌّ فَلَا تَغُرَّنَّكُمُ الْحَيٰوةُ الدُّنْيَا ٝ وَلَا يَغُرَّنَّمْ بِاللّٰهِ الْغَرُوْرُ

    হে মানুষ, তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর এবং সেই দিনকে ভয় কর যেদিন পিতা তার সন্তানের কোন উপকার করতে পারবে না এবং সন্তানও তার পিতার কোন উপকারে আসবে না। নিশ্চয় আল্লাহর ওয়াদা সত্য। সুতরাং দুনিয়ার জীবন যেন কিছুতেই তোমাদেরকে ধোকা দিতে না পারে এবং মহাপ্রতারক (শয়তান) যেন তোমাদেরকে আল্লাহ সম্পর্কে ধোকায় ফেলতে না পারে।[ সূরা লুকমান ৩১ঃ৩৩]

    وَ فَرِحُوْا بِالْحَیٰوةِ الدُّنْیَا وَ مَا الْحَیٰوةُ الدُّنْیَا فِی الْاٰخِرَةِ اِلَّا مَتَاعٌ

    কিন্তু এরা পার্থিব জীবনে উল্লসিত, অথচ দুনিয়ার জীবন আখেরাতের তুলনায় ক্ষণস্থায়ী ভোগমাত্র। [সূরা রা‘দ ১৩ : ২৬]

    এখন একটা কথা বেশ শোনা যায় ‘দুনিয়া এখন হাতের মুঠোয়’।কিন্তু হাতের মুঠোয় দুনিয়াকে নিয়ে ও দুনিয়ার প্রতি আগ্রহ তো কমেইনি বরং আগ্রহ আরো বেড়েছে। দুনিয়া যেনো লবণাক্ত পানি যতো পান করে তৃষ্ণা ততো আরো বেশী বৃদ্ধি পায়।এই বইটি দুনিয়ার এই অসীম আকর্ষণ থেকে রক্ষা পেতে বেশ সহায়ক। দুনিয়ার আসল হাকিকত বুঝা যায়।

    প্রবৃত্তিকে শৃঙ্খলিত রাখার পুরষ্কার, সাদাসিধে চালচলন, প্রাচুর্য কীভাবে জাহান্নামের দিকে ডাকে, মধ্যরাতে সালাত ও সিজদার মাহাত্ম্য,অভুক্ততা আর অনাহার কীভাবে ব্যক্তিত্বকে সঠিক করে এসব ব্যাপারে বইটি যেনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা।
    রাসূলের জিন্দেগী-দর্শন-দুনিয়াবিমুখতা দেখে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে আল্লাহমুখী করে তোলে।

    “হে আল্লাহ! আমাকে এতটা দারিদ্র্যে নিপতিত করো না—যার ফলে আমি তোমাকে ভুলে যাবো; আবার এতটা প্রাচুর্য দিয়ো না—যার ফলে আমি সীমালঙ্গন করবো।”
    হাদীস নং-৩৩৭, পৃষ্ঠা-১৫৬।
    দুনিয়ার এই পরীক্ষা ক্ষেত্রে ফলন তো এমনি এমনি ফলবে না।বরং যে দুনিয়ার প্রাচুর্য কে সঙ্গী করবে জাহান্নামের লেলিহান আগুনকেই সে যেন নিজের দিকে আহ্বান করলো।

    এই বই শিখায় দুনিয়াতে সেভাবে বাঁচতে যেভাবে চলে এক মুসাফির তার পথ,শিখায় সর্বক্ষেত্রে অহংকার, হিংসা,বিদ্বেষের আগুন থেকে মুক্ত থাকতে,শিখায় সেই মহামহিম সত্তার যিকির কে জীবনের সঙ্গী করতে,কৃতজ্ঞ হতে তাঁর প্রতি আর বিপদে সবর করতে। স্মরণ করিয়ে দেয় সকল স্বাদবিনষ্টকারি মৃত্যু কে।তথাকথিত সেলিব্রিটি হবার বাসনা, দুনিয়ায় পরিচিত হবার আকাঙ্খা কে মাটি দেয়।বিলাস বাসন কে করে দেয় বিস্বাদ। হতাশা কে দূর করে দেয়।এই বই পড়ে কেউ আত্মহত্যা করবে না।সে বুঝতে পারবে দুঃখ কষ্টের মহিমা।

    হাদীসে কুদসিতে আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা বলেন, “আমার বন্ধুদের মধ্যে আমার নিকট সবচেয়ে সৌভাগ্যবান সেই মুমিন—যার পার্থিব অবস্থা নগণ্য, সালাতের পরিমাণ অধিক, যে উত্তমরূপে স্বীয় রবের দাসত্বকারী, মানুষের নিকট সুপ্ত—যার ফলে লোকেরা তাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না, যার মৃত্যু হয় দ্রুত, উত্তরাধিকার সম্পদ থাকে অল্প ও (মৃত্যুর পর) কান্নাকাটি করার লোক থাকে কম।”
    (রাসূলের চোখে দুনিয়া, হাদীস নং : ৫৬)

    আবূ হুরায়রা (রদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
    “সম্মানের আধিক্যে প্রাচুর্য নেই, মনের প্রশস্ততাই প্রকৃত প্রাচুর্য।” ’

    [রাসূলের চোখে দুনিয়া, হাদীস নং : ২২৯]

    রিক্ত কে?দরিদ্র কে?

    আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, ‘নবি (স) বলেছেন,
    তোমরা কি জানো, ‘নিঃস্ব কে?

    তাঁরা বললেন, ‘হে আল্লাহ’র রাসূল, আমাদের মধ্যে সে-ই তো নিঃস্ব যার কাছে টাকা-পয়সা ও জীবনোপকরণ—কিছুই নেই।’

    নবি (স) বললেন, আমার উম্মতের মধ্যে সে-ই নিঃস্ব যে কিয়ামতের দিন প্রচুর সালাত, যাকাত ও সিয়াম নিয়ে হাজির হবে। কিন্তু, [দুনিয়াতে] সে গালমন্দ করে কারো সম্মানহানি করে এসেছে, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, কারো সম্পদ আত্মসাৎ করেছে এবং কাউকে আঘাত করেছে। সে [বিচারের অপেক্ষায়] বসে থাকবে; এমন সময় [দুনিয়াতে তার কাজের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের] একজন এসে তার কিছু সাওয়াব নিয়ে যাবে; আরেকজন এসে আরো কিছু সাওয়াব নিয়ে যাবে। পাপের দেনা শোধ হওয়ার আগেই যদি তার সাওয়াব ফুরিয়ে যায়, তাহলে তাদের পাপ এনে তার উপর নিক্ষেপ করা হবে; পরিশেষে সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।

    [রাসূলের চোখে দুনিয়া, হাদীস নং : ৯৮]

    হতাশার ঔষধ কী জানেন?

    রাসূল (স) বলেছেন, “দুনিয়া-বিরাগ আত্মা ও দেহকে প্রশান্তি দেয়। আর দুনিয়া-প্রীতি উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তাকে বাড়িয়ে দেয়।”

    [রাসূলের চোখে দুনিয়া, পৃষ্ঠা : ৪৬]

    সর্বোপরি এই বই দুনিয়া আখিরাতের কামিয়াবির জন্যে,জীবনের সঠিক উদ্দেশ্য উপলব্ধির জন্য আবশ্যক। আপনি রিযিক নিয়ে চিন্তিত?জীবন সংকীর্ণ? দুনিয়ার পিছনে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত? বইটি হাতে নিন।বইটি আপনাকে নিয়ে যাবে প্রশান্তির জগতে।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    ◾||বই পরিচিতি||

    “রাসূলের চোখে দুনিয়া”

    “এই পার্থিব জীবন তো অস্থায়ী উপভোগের বস্তু এবং পরকাল হচ্ছে চিরস্থায়ী আবাস। ”
    (সূরা আল-মু’মিনঃ ৩৯)

    অস্থায়ী এই দুনিয়ায় সাথে মানুষের সম্পর্ক কি? কেনো মানুষ আসে এখানে? আবার চলে যায়? এখানে তার করনীয় কি? এই স্বল্প সময়ের কতটুকু অংশ গ্রহনীয় ও বর্জনীয় এই সকল দিক নির্দেশনা দিয়ে মহান আল্লাহ যুগে যুগে পাঠিয়েছেন নবী ও রাসূল। তাদের সকলের দাওয়াতের মূল উদ্দেশ্যই ছিলো আখিরাতের জীবন। দিক নির্দেশনা দিয়েছেন জান্নাতের ও সতর্ক করেছেন জাহান্নামের। পার্থিব এই ক্ষুদ্র জীবনের মোহ তাদের আচ্ছন্ন করতে পারে নি। দুনিয়া সম্পর্কে রাসূলদের অভিমত, দৃষ্টিভংগি ও সেই অনুয়ায়ী তাদের জীবন যাপন কে কেন্দ্র করেই রচিত এই বইটি। এটি মূলত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বাল রচিত ‘কিতাবুয যুহদ’ গ্রন্থের নবী-রাসূল অংশের অনুবাদ।

    ◾||লেখক পরিচিতি||

    ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বাল(রহিমাহুল্লাহ)ছিলেন একজন বিখ্যাত ইসলামি ব্যক্তিত্ব, ইসলামি আইন এবং হাদিস বিশারদ। বাগদাদে তিনি আইন, হাদীস ও অভিধানশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা করেন।তখন তিনি কিছুদিনের জন্য ইমাম আবু হানিফার প্রধান ছাত্র এবং ছিলেন ইমাম শাফেয়ির একান্ত ছাত্র। হাদিস চর্চার পাশাপাশি তিনি অজস্র আইনত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন যা তাঁর ছাত্র রা সুবিন্যস্ত করে প্রকাশ করেছেন। আর এর ভিত্তিতেই গড়ে উঠেছে হাম্বালি মাযহাব নামে ইসলামী আইনশাস্ত্রের আরেক্টি গ্রহনযোগ্য মাযহাব।

    ◾||বিষয়বস্তু||

    ➤মূল বিষয়বস্তু হলো রাসূলদের যুহদ বা দুনিয়াবিমুখতা। বিভিন্ন নবী-রাসুলদের দুনিয়াবিমুখী ও আখিরাতমুখী জীবন সংশ্লিষ্ট হাদিসের এক অনন্য সমন্বয় এই বই।

    ➤বইটির শুরুতে তুলে ধরা হয়েছে ব‍্যবহৃত কিছু আরবি বাক‍্যাংশের অর্থ এবং ব্যবহার এবং বাকি অংশে ১১ জন বিখ‍্যাত রাসূলের যুহদ সম্পর্কিত হাদিস।

    ➤বইটিতে যে রাসূলদের যুহদ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ,

    ১) হযরত মুহাম্মদ (ﷺ)
    ২) হযরত আদম (عليه السلام)
    ৩) হযরত নূহ (عليه السلام)
    ৪) হযরত ইবরাহীম (عليه السلام)
    ৫) হযরত ইউসূফ (عليه السلام)
    ৬) হযরত আইয়ূব (عليه السلام)
    ৭) হযরত ইউনুস (عليه السلام)
    ৮) হযরত মুসা (عليه السلام)
    ৯) হযরত দাঊদ (عليه السلام)
    ১০) হযরত সুলাইমান (عليه السلام)
    ১১) হযরত ঈসা (عليه السلام)

    ➤উল্লেখযোগ্য অংশঃ

    আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, ‘একটি মৃত ভেড়ার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবিগণকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমরা কি দেখতে পাচ্ছো, এটি তার মালিকের নিকট কতো তুচ্ছ?” তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, হে রসূল! তারপর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তাঁর শপথ, যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! (ভাগাড়ে) ফেলে দেওয়ার সময় মালিকের নিকট এ ভেড়াটি যতো তুচ্ছ মনে হয়েছে, আল্লাহ তাআলা’র নিকট দুনিয়া তার চেয়েও অধিক তুচ্ছ।”‘
    [কিতাবুয যুহদ্: ১১৯]

    ◾||পাঠ অভিমত||

    “দুনিয়ার সাথে আমার কি সম্পর্ক? বস্তুতঃ আমার ও দুনিয়ার দৃষ্টান্ত হল একজন ঐ আরোহীর ন্যায়, যে একটি গাছের নীচে ছায়ায় কিছু সময়ের জন্য বিশ্রাম নেয়, অতঃপর বৃক্ষটিকে ছেড়ে চলে যায় (আহমাদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৫১৮৮)।

    আখিরাতের অনন্ত জীবনের তূলনায় এই জীবন তুচ্ছ। তাও আমরা ব্যাস্ত এই পার্থিব জীবনের মোহে।এই বইটি নিজেকে চিন্তে শেখায়, যেই মোহ মানুষকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে আখিরাতের চিন্তা থেকে সেই মোহ চুরমার করে দেয়। আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা বাড়ায় , দুনিয়ার বিলাসিতা ভুলে অনন্ত অসীম পরকালের প্রস্তুতির জন্য পাঠক এ চিন্তার খোরাক যোগাবে প্রতিটি পাতায়।

    ➤বইটির ভালোলাগার কিছু অন্যতম কারণ হলো-

    ◑ চমৎকার প্রচ্ছদ
    ◑ হাদীস ভিত্তিক আলোচনা(***তাহকীক সহ)।
    ◑ যেকোনো অংশ থেকে পড়া শুরু করা যাবে।ধারাবাহিকতা ক্ষুন্ন হবার কোনো ঝামেলা নেই।
    ◑লেখনির ধরন(ফন্ট) সন্তোষজনক।
    ◑মূল বর্ণনায় বেশ কিছু বিতর্কিত বিষয় কে পরিহার করা হয়েছে।
    ◑ পাঠকের সুবিধার্থে দেয়া হয়েছে হাদিসের শিরোনাম ও ক্রমিক নং।

    ◾কেনো পড়বেন বইটি?

    • মহান আল্লাহর নিকট তুচ্ছ এই দুনিয়ার জীবনের প্রতি মুসলমান হিসেবে দৃষ্টিভিংগি কেমন হওয়া উচিত তা জানতে।

    • শত ব্যস্ততার মাঝেও আখিরাতের চিন্তায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার গুরুত্ব উপলব্ধি করে আল্লাহএ প্রিয় বান্দা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে।

    “সেই ই তো সফল যে আত্মসমর্পণ করেছে,যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু জীবনোপকরণ লাভ করেছে এবং আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন-তাতেই পরিতৃপ্ত হয়েছে.”।

    [কিতাবুয যুহদ্: ৩৯]

    ◾বইটির অনন্যতাঃ

    প্রায় সাড়ে এগারো শত বছর পূর্বের এক মহামূল্যবান গ্রন্থ ” কিতাবুয যুহদ” এর অদ্যাবধি কোনো ইংরেজি বা উর্দু অনুবাদ প্রকাশিত হয় নি। বাংলা ভাষায় এই অসামান্য গ্রন্থের সাবলীল অনুবাদ এর সুযোগ এর জন্য মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া। তিনি যেনো অনুবাদকের কাজে আরো বারাকাহ দান করেন।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুলাই_২০২০

    বই-রাসূলের চোখে দুনিয়া
    লেখক :ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ)
    অনুবাদক :জিয়াউর রহমান মুন্সী।
    প্রকাশক:মাকতাবাতুল বায়ান

    আমি নিশ্চিত বইটি আপনার মনে দাগ কাটবে, হইতো আপনি কাদাঁবেনও ।
    রাসূলের চোখে দুনিয়া বইটি অনুবাদ করা হয় মূল আরবি গ্রন্থ ‘কিতাবুয যুহ্দ’ থেকে।

    কিতাবুয যুহ্দ:দুনিয়া সম্পর্কে নবি রাসূলের,সাহাবি ও তাবিয়িদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি কী তা নিয়ে হিজরি দ্বিতীয় শতকের খ্যাতিমান হাদীসবিশারদ ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাহুল্লাহ) একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেন।গ্রন্থটির নবি-রাসূলের অংশটি নিয়ে বাংলায় অনুবাদ করা হয়।বিষয়বস্তুর দিকে খেয়াল রেখে বাংলা অনুবাদে উক্ত অংশের নাম দেয় রাসূলের চোখে দুনিয়া।কিতাবুয যুহ্দ গ্রন্থের বাদবাকি অংশ যথাক্রমে সাহাবির চোখে দুনিয়া ও তাবিয়িদের চোখে দুনিয়া শিরোনামে প্রকাশ করা হয়েছে।

    রাসূলের চোখে দুনিয়া বইটি নিয়ে কিছু কথা:-বইটি সাজানো হয়েছে ১১জন নবীর চোখে দুনিয়ার জীবনটা আসলে কি এবং তাঁরা কি রকম করে জীবন নির্বাহ করছেন তা নিয়ে।আল্লাহ প্রতি তাদের ভয়, আশা, ভালোবাসা, নির্ভরতা, তাদের বিপদ, পরীক্ষা, তাদের আখলাক কোন কিছুই বাদ পরেনি সব কিছুই উপস্থাপন করা হয়েছে।এত ভালোভাবে তুলে ধরেছে যে আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে তাহলে আপনি দুনিয়া কি করছেন!!?
    বইটা পড়ে আপনি জানতে পারবেন অজানা কিছু।
    দোয়া: প্রত্যেক নবীর আলোচনায় আপনি দেখবেন কিভাবে তারা সুখে-দুংখে,বিপদে-আপদে আল্লাহ কাছে সাহায্য চেয়েছেন।
    কোন নবীর জীবন বিলাসিতা কাটেনি।বিপদ পরীক্ষা পর পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়ে তারা সবাই তাদের রব কে সন্তুষ্ট করার চেষ্ঠা করেছে।
    প্রত্যেক নবীর কমন ব্যাপর ছিল তারা দুনিয়াকে দুই পয়সার ও দাম দেয়নি দুনিয়ার জীবন তাদের কাছে গ্রীষ্মকালীন সফরের খানিক বিরতির চেয়ে বেশি কিছু ছিল না।

    আবু হুরায়রা (রদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন,”যার হাতে আমার প্রাণ,তাঁর শপথ!আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে,তাহলে অল্প হাসতে এবং অধিক পরিমাণ কাঁদতে। ”
    নবীজির এই কথা চিন্তাশীল মানুষকে আরো চিন্তীত করবে।

    বইটি সবার পড়া দরকার!!কারন নবী-রাসূলের বিপরীত জীবন পরিচালনা করে আমরা জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা স্বপ দেখতে পারি না।

    https://www.wafilife.com/shop/books/subject/sunnat-o-sistachar/rasuler-cokhe-dunya/

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    :

    “সকল প্রশংসা আল্লাহর ও শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর রাসূল মুহাম্মদ (সা)এর উপর”
    ধরণীতে মরুর বুক জুড়ে যখন আবির্ভাব ঘটে এক মহামানবের,,,,,ঠিক সেই মুহূর্তে সারা বিশ্ব থেকে পিপাসার্ত হৃদয়গুলো ছুটে এলো মহাসত্যের বাণী কুঁড়িয়ে নিতে।তিনি ছিলেন মহামানব,সর্বশ্রেষ্ঠ মানব,আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ নবী।তার জীবনীতে রয়েছে আমাদের জন্য নির্দেশনা,,,,যা আমাদের জীবনের সকল সমস্যার সমাধান।তার জীবন ছিল খুবই সাধারণ।কখনো কখনো প্রায় দীর্ঘসময় তাঁর নিকট কোনো খাবার ছিলো না।তবুও পেটে পাথর বেঁধে ইসলামের সৌন্দর্য ছড়িয়ে দিয়েছেন সর্বত্র।
    ____________”দুনিয়া মুমিনদের জন্য জেলখানা আর কাফেরদের জন্য জান্নাতস্বরূপ।”[মুহাম্মদ সা:]_________
    ______”আল্লাহ্ তায়লা কুরআনে বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ্ ও পরকাল দিবস কামনা করে তাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের জীবনে রয়েছে উত্তম আদর্শ”___(সূরা আল-আহযাব)
    _______________________________________
    ⚫কি পাবেন বইটিতে :রাসূলের আদর্শে দুনিয়া মুমিনদের জন্য কেমন, দুনিয়ায় মুমিনদের করণীয় কি,কেমন ছিল রাসুলের দুনিয়াবি জীবন তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা।অতি সাধারণ একজন মানুষ ছিলেন আমার রাসূল (সা:)।একটি খেজুর খেয়েও যিনি মরুভূমির মধ্যে নিরলস ভাবে সারাদিন সাওম পালন করে আল্লাহর ওহী ছড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বব্যাপী।তাঁর জীবনী আমাদেরকে শেখায় দীর্ঘ ত্যাগ-তিতিক্ষা,রবের প্রতি অপ্রতুল ভালোবাসা।
    ________________________________________
    ⚫কেন পড়বেন:লেখক বইটিতে রাসূলের জীবনীকে সহীহ হাদিস থেকে বর্ণনা করেছেন,তাই সবাই বইটি সাদরে গ্রহণ করবে ইনশা আল্লাহ্।যারা ছোট্ট পরিসরে নবিজির জীবনকে জানতে চান তাদের জন্য বইটি।প্রতিটি মুসলিমের জন্য বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা) কে জানা প্রয়োজন।
    _______________________________________
    ⚫অনুভূতি:বইটি থেকে আমি দুনিয়ার জীবন সম্পর্কে বিপুল পরিমাণ ধারণা পেয়েছি।আপনার বই পড়ার উদ্দেশ্যে যদি হয়,অল্প জ্ঞান অর্জন করে অধিক ফলাফল পাবেন তাহলে এটি আপনার জন্য।অসম্ভব ভালোলাগার একটি বই।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  6. 5 out of 5

    :

    Allhamdulillah. Such a great book of Hadis. We are too much addicted to this duniyaa,but it is nothing to us.
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  7. 5 out of 5

    :

    বইটি কি জন্য স্পেশাল?
    দুনিয়া আমাদেরকে মোহগ্রস্থ করে রাখে। এ থেকে সহজে ফিরে থাকা যায় না। দুনিয়া বিমুখতার জন্য কঠোর সাধনা প্রয়োজন হয় আর দরকার হয় মোটিভেশন। এই বিষয়ে অন্যতম শ্রেষ্ঠ বই এটি। নবী, রাসূলরা দুনিয়া কীভাবে দেখতেন তার সুন্দর বর্ননা রয়েছে এর পাতায় পাতায়। প্রতিটি মুমিনের অবশ্যই এই বইটি পড়া উচিৎ তার আখিরাতকে সুন্দর করার জন্য, দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করার জন্য।

    বইয়ে কি কি আছে?
    শুরুতেই আছে অনুবাদকের কথা। দুনিয়ার সাথে মানুষের সম্পর্ক, এখানে করনীয়, বর্জনীয় এসব শিখিয়েছেন নবী রাসূল। তাদের কাছ থেকেই আমাদের শিখতে হবে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। এই বই অনুবাদের ক্ষেত্রে তার কিছু পদ্ধতি এখানে বর্নিত হয়েছে।

    লেখক পরিচিতিতে মহান ব্যক্তিত্ব, আলিম ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বলের কর্মময় জীবনের বর্ননা অল্প কথায় দেয়া হয়েছে।

    মূল আলোচনার আগেই বহুল ব্যবহৃত আরবী বাক্যাংশের অর্থ দেয়া হয়েছে বোঝাত সুবিধার জন্য।

    এরপর একে একে মুহাম্মাদ (স) কে দিয়ে শুরু করে বিভিন্ন নবী যেমন আদম (আ), নূহ (আ), ইবরাহীম (আ), ইউসুফ (আ), আইয়ুব (আ), ইউনুস (আ), মূসা (আ), দাঊদ (আ), সুলাইমান (আ) এবং ঈসা (আ) এর নানা ঘটনা, কথা দিয়ে বর্ননা করা হয়েছে যে তারা কীভাবে দুনিয়াকে মূল্যায়ন করতেন, দুনিয়ার বুকে চলতেন, অন্যকে কেমন ভাবে এখানে থাকার ও চলার উপদেশ দিতেন।

    মুহাম্মাদ (স) যেহেতু শেষ নবী ও আমাদের আদর্শ তাই তাঁর অধ্যায়টি বেশি বড়। তাঁর অনেক হাদীস আমাদের কাছে এভেইলেবল হওয়ায় দুনিয়া নিয়ে তাঁর বিস্তারিত অবস্থান, পারস্পেকটিভ এখানে বর্নিত হয়েছে। দুনিয়া আসলেই ক্ষনস্থায়ী, এর পিছনে পড়ে থাকা, লোভে পড়া মানেই নিজের ক্ষতি করা। নবী সারা জাহানের শ্রেষ্ঠ মানুষ হয়েও খুবই সাদামাটা ভাবে চলেছেন। দুনিয়া বিমুখতাই জ্ঞানীর লক্ষন ও পরকালে সহজ মুক্তির উপায় হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন।

    অন্যান্য নবীরাও দুনিয়ার প্রতি মোহগ্রস্থ ছিলেন না। তারা সবাই সাদামাটা জীবন যাপন করে তেমনটিই উপদেশ দিয়ে গেছেন। নবীরা আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়া সত্ত্বেও দুনিয়ায় অনেক কষ্ট, পরীক্ষা, বিপদ, সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হয়েছেন তবে তাই বলে কি তারা বিফল? অবশ্যই নয় বরং এই দুনিয়ার চাকচিক্য সফলতা নয়, এটা থেকে দূরে থেকে আখিরাতের জন্য কাজ করাই প্রকৃত সফলতা।

    তারা দেখিয়ে গেছেন কীভাবে দুনিয়া বিমুখ হতে হয়, আমাদেরও তাদের কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে ক্ষনস্থায়ী দুনিয়া নয় বরং চিরস্থায়ী আখিরাতমুখী হতে হবে।

    বইয়ের যা যা ভাল লেগেছেঃ
    অসাধারন কিছু হাদীস পড়ে কান্না থামাতে পারিনি। নবীদের কষ্ট, পরিশ্রম পড়ে নিজেকে বার বার প্রশ্নের সম্মুখীন করতে হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। বইটি পড়ে দুনিয়ার প্রতি লোভ অনেক কমে গিয়েছে, আল্লাহ সবাইকে এই বইটি পড়ার তৌফিক দিন। আমীন

    বইয়ের বাইন্ডিং, লেখার ফন্ট ভাল লেগেছে। প্রচ্ছদটাও দারুন। এক কথায় অসাধারন একটি বই।

    রেটিংঃ ৯.৫/১০

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  8. 5 out of 5

    :

    পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।
    বই:রাসুলের চোখে দুনিয়া
    লেখক:ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহ)
    অনুবাদ:শাইখ জিয়াউর রহমান মুন্সী
    নবী (সা:) বলেন, “এ দুনিয়ার সাথে আমার কি সম্পর্ক?এ দুনিয়ার সাথে আমার দৃষ্টান্ত হলো এমন এক অশ্বারোহীর ন্যায় যে গ্রীষ্মের এক দিন এক বৃক্ষ-ছায়ায় ঈষৎ নিদ্রা গেল,তারপর কিছুক্ষন বিশ্রাম নিয়ে সেখান থেকে চলে গেল।”
    [রাসুলের চোখে দুনিয়া, হাদিস নং ৩৪,৬৪,৭২]
    আমরা কে কতটা দুনিয়া নিয়ে চিন্তা করি।অনেকেই আছি যারা দুনিয়ার খেল তামাশায় মেতে আছি, অথচ যেখানে আমাদের নবী-রাসুল, সাহাবীরা,তাবেয়ীগন,তাবে-তাবেয়ীগন, সালাফগন দুনিয়ার জীবনকে তুচ্ছ করে দিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন দ্বীনের পথে।আমাদের উচিত তাদেরকে অনুসরণ করা।তাদের বৈশিষ্ট্য নিয়েই হাজির হয়েছে আমাদের কাছে ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল এর অন্যন্য অবদান “কিতাবুয যুহদ “গ্রন্থের অনুবাদ “রাসুলের চোখে দুনিয়া”।বইটি সুস্পষ্ট বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেছেন শাইখ জিয়াউর রহমান মুন্সী।তার অনুবাদকৃত প্রতিটি বইই সহজ বোধগম্য।আরবী শব্দাবলির বাংলা প্রতিবর্ণীকরণ এর ক্ষেত্রে আরবী ভাষার মূল স্বরের প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
    ___________________________
    •বইটি কি সম্পর্কে:যুহদ শব্দের অর্থ ‘দুনিয়া-বিরাগ’।দুনিয়ার সাথে মানুষের সম্পর্ক কী?মানুষ কেন এখানে আসে?আবার কেনই বা চলে যায়?এখানে তার করণীয় কি?দুনিয়ার কতটুকু অংশ গ্রহণীয়, আর কতটুকু বর্জনীয়?__এসব প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দেওয়ার জন্য আল্লাহ্ তাআলা মানুষের সূচনালগ্ন থেকেই নবি-রাসুল পাঠিয়েছেন।তারা দুনিয়ার জীবনকে শুধুমাত্র আল্লাহর কাজে ব্যায় করেছেন এবং আমাদের জন্য রেখে গেছেন অসংখ্য উপদেশ।বইটি এরকমই একটি উপদেশ।
    ______________________________
    •বইটিতে কি আছে:দুনিয়া সম্পর্কে নবি-রাসুল, সাহাবী ও তাবেয়িদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি কী? গ্রন্থটির নবি-রাসুল অংশে লেখক মুহাম্মদ (সা:),আদম,নূহ, ইবরাহীম, ইয়াকুব, ইউসুফ, আইয়ুব, ইউনুস, মূসা, দাউদ,সুলাইমান, ইয়াহ্ইয়া ও ঈসা (আলাইহিমুস সালাম) প্রমুখ নবি-রাসুলের দুনিয়া-সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন।
    শেষ কথা: দুনিয়াপ্রেমী মানুষদের জন্য বইটি অসাধারণ কার্যকর।বইটি নিমেষেই পাঠকের হৃদয়কে দুনিয়াবিরাগী করে তুলবে।সকলের কাছে অনুরোধ,,,,,দুনিয়াকে বুঝতে হলে বইটি অবশ্যই পড়ুন।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  9. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_মার্চ_২০২০
    রাসূলের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ)
    লেখক : ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)
    প্রকাশনী : মাকতাবাতুল বায়ান
    বিষয় : সুন্নাত ও শিষ্টাচার

    ‘যুহদ’ মানে দুনিয়া বিমুখতা। সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম অত্যন্ত অনাড়ম্বর জীবনযাপন করতেন। আর তিনি হলেন সকলের আদর্শ। তাই তাঁর যুহদ সম্পর্কে জেনে সে অনুযায়ী যুহদ প্রদর্শন করতে হবে।
    হাদিস:
    وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه،: عَن رَسُولِ اللهِ ﷺ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: «الدُّنْيَا سِجْنُ الْمُؤْمِنِ، وَجَنَّةُ الكَافِرِ ». رواه مسلم

    অর্থ: আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা এবং কাফিরের জন্য জান্নাত।’ [মুসলিম ২৯৫৬, তিরমিযি ২৩২৪, ইবন মাজাহ ৪১১৩, আহমদ ৮০৯০, ২৭৪৯১, ৯৯১৬]
    এ ধরনের হাদিস জানতে “রাসূলের চোখে দুনিয়া”বইটি খুব শীঘ্রই নিয়ে নিন।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  10. 5 out of 5

    :

    নাবিহা মামণি,
    তুমি এখনো খুব ছোটো। যখন বড় হবে দুনিয়াটাকে কিভাবে দেখবে জানি না, তবে চেষ্টা করবে তোমার পূর্ববর্তী পূণ্যবান ও পূণ্যবতীদের মতো দেখতে। ওদের চোখে দেখতে। ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহিমাল্লাহু), কে জানো? একজন গ্রেট স্কলার। পৃথিবীর ইতিহাসে হাতেগোণা যে ক’জন মানুষ শিক্ষা, সংস্কার, সাহিত্য, আইন, ধর্ম ও হাদীস শাস্ত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন, তাদের মধ্য একজন। কিতাবুয যুহদ—তাঁরই অসাধারণ রচনা। দুনিয়াবিমুখ জিন্দেগীর অনন্য সংকলন। তাঁর ‘কিতাবুয যুহদ’ গ্রন্থটিকে বাংলা ভাষাভাষী পাঠকের জন্য ‘মাকতাবাতুল বায়ান’ অনুবাদ করেছে তিনটি ধাপে। রাসূলের চোখে দুনিয়া, সাহাবীদের চোখে দুনিয়া ও তাবেয়ীদের চোখে দুনিয়া।
    আমরা আজ গল্প করবো ‘রাসূলের চোখে দুনিয়া’ নিয়ে, অনুবাদ করেছেন জিয়াউর রহমান মুন্সী—মহান আল্লাহ অনুবাদকের কল্যাণ করুন। অনুবাদকের উপর অনন্ত রহমত বর্ষণ করুন।

    মামণি, কখনোই দুনিয়াটাকে রঙিন-চকচকে-মোহগ্রস্থের চোখে দেখবে না। দেখবে রাসূলের চোখে। ‘সিরাতুল মুস্তাক্বিম’-এর পথে হেঁটেছেন যারা, তাদের চোখে। বইটি তুমি অবশ্যই পড়বে, তোমার কান্না পাবে। তোমার ভাবনা খেলবে। পৃথিবীকে অন্য চোখে দেখতে শিখবে। তোমার বিশ্বাস সুদৃঢ় হবে। তোমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হবে সুস্থির।
    নাজাত লাভের সহজতম উপায় শেখাতে আল্লাহর রাসূল তোমাকে বলবেন-
    “তোমার জিহ্বাকে আটকে রাখো, ঘরে যা কিছু আছে তাতেই সন্তুষ্ট থাকো, আর নিজের ভুল স্মরণ করে কাঁদো।”
    হ্যাঁ মামণি, নিজের ভুল স্মরণ করবে বেশি বেশি। দুনিয়ার শ্রেষ্ঠতম মানুষটি সর্বোচ্চ নিষ্কলুষ হওয়ার পরও, মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন। তুমিও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে। পানাহ চাইবে।

    বইটি তোমাকে অনেক কিছু শেখাবে। এটা তোমার অবশ্য-পাঠ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে দিলাম। প্রাচুর্য্য কিভাবে জাহান্নামের পথে ডাকে, প্রবৃত্তি দমিয়ে রাখার পুরষ্কার, অভুক্ত আর অনাহার কেমন হয়ে উঠে ব্যক্তিত্বের রাজতিলক, সাদাসিধে চালচলন, মধ্যরাতে সালাত ও সিজদার মাহাত্ম্য; জানবে সব। রাসূলের জিন্দেগী-দর্শন-দুনিয়াবিমুখতা স্পষ্ট হবে তোমার সামনে। টপটপ করে চোখের জল গড়িয়ে পড়বে তোমার। বৃষ্টি যেমন প্রতিটি ফোঁটায় ফসল ফলায় যমীনে, ঠিক তেমনি তোমার চোখের প্রতিটি ফোঁটা অন্তরে শুদ্ধতার আবাদ করবে। পবিত্রতার ফলন হবে। তুমি হয়ে উঠবে দুনিয়াবিমুখ ও আল্লাহমুখী একজন।

    তুমি অনেক রাসূলকে পাবে এখানে। দাউদ আলাইহিস সালাম-এর কামনা ও প্রার্থনা ঢেউ তুলবে তোমার মনে।
    “হে আল্লাহ! আমাকে এতটা দারিদ্র্যে নিপতিত করো না—যার ফলে আমি তোমাকে ভুলে যাবো; আবার এতটা প্রাচুর্য দিয়ো না—যার ফলে আমি সীমালঙ্গন করবো।”

    মহান আল্লাহ দাউদ আলাইহিস সালাম-কে কৃতজ্ঞ হতে বললে দাউদ আলাইহিস সালাম কি বলেছিলেন জানো?
    “রব আমার! আমি কীভাবে তোমার শুকরিয়া আদায় করে শেষ করবো? তুমিই আমাকে অজস্র অনুগ্রহ দিয়ে যাচ্ছো, তুমিই অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সামর্থ্য দিচ্ছো, আবার তুমিই আমাকে একের পর এক নতুন অনুগ্রহ দিয়ে চলেছো। হে আমার রব! অনুগ্রহরাজি (আসে) তোমার নিকট থেকে, আবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সামর্থ্যও তোমার দেওয়া! তাহলে আমি কীভাবে তোমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেষ করবো?”

    মা-রে! আল্লাহর অনুগ্রহ এমন যে, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেষ করা যাবে না। এমনকি শেষ বিচার দিবসেও তাঁর করুণা ছাড়া কোনো উপায় নেই। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-
    “আমিও আমলের ভিত্তিতে নাজাতে যেতে পারবো না। যতক্ষণ না আল্লাহ আমাকে তাঁর করুণা দিয়ে আচ্ছাদিত করে দেবেন।”

    বইটি পড়লে তুমি বুঝবে আল্লাহর করুণা ও অনুগ্রহ কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কীভাবে তা পাওয়া যায়। বইটি থেকে আরো একটি ঘটনা উল্লেখ করি। একবার উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে দেখে কেঁদে ফেলেন। তিনি দেখলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শক্ত বিছানায় শুয়ে পিঠে দাগ ফেলে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, উমার! কাঁদছো কেনো?
    উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন- আল্লাহর শপথ! আমি শুধু এই কারণেই কাঁদছি যে আমি জানি, আপনি (পারস্য সম্রাট) খসরু ও (রোমান সম্রাট) সিজারের তুলনায় আল্লাহর নিকট অধিক সম্মানিত। তারা দুনিয়ার প্রাচুর্যে ডুবে আছে, আর আপনি আল্লাহর রাসূল হয়েও যে অবস্থায় আছেন তা তো নিজের চোখেই দেখতে পাচ্ছি!
    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও—তাদের জন্য দুনিয়া, আর আমাদের জন্য আখিরাত?

    এই বোধ যদি অন্তরে ধারণ করতে পারো, জীবন-দর্শন পছন্দে তোমার বেগ পেতে হবে না মোটেও। দুনিয়ার চাকচিক্য আর তোমার মধ্যে প্রভাব ফেলবে না। অহঙ্কার-কঠিন-বিলাসপূর্ণ জীবনের বদলে তুমি বেছে নেবে বিনয় ও নম্রতার সাদামাটা জিন্দেগী।

    একদিন বইখানি পড়ে আমাকে তোমার অনুভূতি জানাবে এবং তোমার চোখে-মুখে থাকবে মুগ্ধতার বিশুদ্ধ উচ্ছ্বাস, সেই প্রত্যাশায়-
    তোমার মামা

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  11. 5 out of 5

    :

    Masha Allah what an amazing book.. May Allah grant everyone the opportunity to read this book at least once in their lifetime.. Ameen..
    It’ll help us to see the things which we are unable to see because of the glitters of this world.. In Shaa’ Allah..
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  12. 3 out of 5

    :

    I am happy and pleased by purchasing this type of books, information of this book really inspiring. Allah grant us, specially imam Ahmad ibnu hambal, wafilife.
    0 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  13. 5 out of 5

    :

    আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলাম। ইসলাম কেবলমাত্র একটি ধর্মই নয় বরং এটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। এখানে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে করণীয়- বর্জনীয় সব কিছু আলোচনা করা হয়েছে। ইসলামের এমন কোন বিধান নেই যা মানব সভ্যতার জন্য অকল্যাণকর। ইসলামী বিধান পালনে করলে কোন ক্ষতিকর সাইড ইফেক্ট নেই । দুনিয়ায় ইসলামের সকল বিধিবিধান পালনের মাধ্যমেই কেবল আখিরাতে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। কিন্তু মানুষকে যেহেতু আল্লাহ তায়ালা স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দিয়ে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তাই এই স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির বদৌলতে আজ মানুষ আল্লাহর দেখানো পথ থেকে সরে যেতে শুরু করে। তাদেরকে পেয়ে বসে সমাজের অশ্লীলতা, অন্ধ গোড়ামী, সহ নানা রকম ইস্যু। কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ে খুন, রাহাজানি, ডাকাতির সাথে। যেকোনো ভাবেই হোক আজ মানুষকে যেন সম্পদ আরোহণ করতেই হবে। কিন্তু এসবই কি দুনিয়া? পরককেে শান্তিময় জীবন পেতে হলে তো এসবের কিছুই কাজে আসবে না।
    অথচ এর বিপরীতে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনে নবী রাসূলগণ কত সাধারণ ভাবেই না জীবনযাপন করেছেন। নবী রাসূলদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল সেই আলোকে লেখা একটি অন্যতম বই হলো “কিতাবুয যুহদ্” । যা  আজ থেকে প্রায় সাড়ে এগারোশত বছর পূর্বে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রচিত এক মহামূল্যবান গ্রন্থ। বইটি মূলত একটি হাদীসের বই। এখানে স্থান পেয়েছে হযরত মুহাম্মদ (সা:) সহ ১১ জন নবী রাসূলের দুনিয়াবী কর্ম ও দৃষ্টিভঙ্গি সংক্রান্ত হাদীসগুলো।
    জিয়াউর রহমান মুন্সী কতৃক বাংলায় অনুবাদের পর যার নাম হয়েছে “রাসূলের চোখে দুনিয়া” !!
    .
    ▶ বইটি কেন পড়বেনঃ-
    ১। আপনি যদি দুনিয়ার চিন্তায় সারাক্ষন ব্যস্ত থাকেন। দুনিয়ায় ব্যস্ততায় আল্লাহর ইবাদত করার মত সময় পাচ্ছেন না। তাহলে বইটি একবার হলেও পড়ুন। জানতে পারবেন নবী রাসূলগণ কত সাধারণ জীবনযাপন করেছেন। কিন্তু তারপরও তারা আল্লাহর ইবাদত করা থেকে পিছপা হননি।
    (২) বইটি এ জন্য পড়বেন যে বইতে পাবেন  নবী-রাসূলদের দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি এবং আখিরাতের প্রতি আসক্তি বিষয়ক অনেক হাদীসের সমাহার।
    (৩) আপনার জন্য বইটি হতে পারে নবী-রাসূলদের যুহদ সম্পর্কে জানার এবং তাদের আদর্শ জীবনে বাস্তবায়ন করার এক অনন‍্য মাধ‍্যম।
    .
    ▶ বইয়ের গুণগত মানঃ-
    বইয়ের কভার, প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং যথেষ্ট ভালো। ভিতরের পৃষ্ঠাসজ্জা ও পেজ কোয়ালিটি উন্নত মানের। দক্ষ অনুবাদক জিয়াউর রহমান মুন্সীর অনুবাদে বইটি হয়েছে সহজ, সাবলীল ও প্রাণবন্ত।  বিষয়সমূহের ধারা বর্ণনা, ভাষাশৈলী ও উপযুক্ত শব্দচয়ন  বইটিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। 
    বইতে বুক মার্কের জন্য ফিতারও ব্যবহার রয়েছে। আপনি চাইলেই যে যায়গায় পড়া বন্ধ করেছিলেন সেখান থেকে বুকমার্কের সাহায্যে আবার পড়া শুরু করতে পারবেন।
    .
    ▶ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
     ব্যক্তিগত অনূভুতি যদি বলতে হয় তাহলে বলবো বইটি এককথায় অসাধারন। দামের দিক থেকেও সাশ্রয়ী।
    বইটি পড়ার পর পাঠক বুঝতে পারবেন নবী রাসূলদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল। জানতে পারবেন তাদের আচার আচরণ ও কর্মপন্থা সম্পর্কে। যা আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
    বইটি পড়ার সময় পাঠকের চিন্তায় ভেসে উঠবে দুনিয়ায় আমরা কি করছি? কেনইবা করছি? আখিরাতের অনন্ত জীবনের জন্যই বা কি করেছি? এসব কথা ভেবে যেকোনো পাঠক কাঁদবেন। চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হয়ে গড়িয়ে পড়বে অশ্রুফোটা । কল্পনায় ভেসে উঠবে  নবী রাসূলদের  সেই সময়ের ইমানদীপ্ত মুহুর্তগুলো।
    এমন খুব কম বই আছে যার প্রতিটি বাক্য ভালো লাগার, প্রতিটি পাতায় মিশে থাকে জ্ঞানের ছোয়া ও শিক্ষণীয় মেসেজ ” রাসূলের চোখে দুনিয়া ” বইটি তার মধ্যে অন্যতম। সত্যি তো নবী রাসূলদের দুনিয়াবী জীবনের চেয়ে  শিক্ষনীয় তো আর কিছু নেই ।
    সব মিলিয়ে বইটি খুবই ভালো এবং উপকারী। তাই সকল পাঠকের প্রতি অনুরোধ বইটি একবার হলেও পড়ুন আর জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন নবী রাসূলদের জীবন ও আদর্শের আলোকে।
    .
    ▶ সমালোচনাঃ-
    একটি বই প্রকাশের পিছনে লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশকের অসংখ্য রাত জাগার ইতিহাস থাকে, বইটিকে নির্ভুল করার জন্য। বইটিকে পঠনোপযোগী করতে প্রকাশনী যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ তাদের খেদমত কবুল করুক। তারপরও কিছু ভুলভ্রান্তি থেকে যায়। যা অনিচ্ছাকৃত। যেমন-
    (১) বইয়ের হাদীসগুলো তাহকীক করা নেই। কোন হাদীস সহিহ, কোনটি যঈফ ইত্যাদি নির্ণয় করা থাকলে ভালো হতো।
    (২) বইতে হাদিসগুলোর অনুবাদ দেয়া আছে কিন্তু কোন আরবী ইবারত দেয়া নেই । এক্ষেত্রে আরবী ইবারত সহ থাকলে ভালো হতো।
    .
    ▶ শেষ কথাঃ-
    আল্লাহ তা’আলা বইটির সাথে জড়িত লেখক, প্রকাশক, অনুবাদক সহ সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করুন। দুনিয়া ও আখিরাতে সাফল্য দান করুন। এ কাজে বারাকাহ দিন এবং আমাদের সবাইকে আখিরাতের সাফল্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে দুনিয়ার জীবনে চলার তৌফিক দান করুন। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর, তাঁর পরিবার বর্গ ও সাহাবিগণের ওপর।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  14. 5 out of 5

    :

    আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলাম। ইসলাম কেবলমাত্র একটি ধর্মই নয় বরং এটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। এখানে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে করণীয়- বর্জনীয় সব কিছু আলোচনা করা হয়েছে। ইসলামের এমন কোন বিধান নেই যা মানব সভ্যতার জন্য অকল্যাণকর। ইসলামী বিধান পালনে করলে কোন ক্ষতিকর সাইড ইফেক্ট নেই । দুনিয়ায় ইসলামের সকল বিধিবিধান পালনের মাধ্যমেই কেবল আখিরাতে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। কিন্তু মানুষকে যেহেতু আল্লাহ তায়ালা স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দিয়ে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তাই এই স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির বদৌলতে আজ মানুষ আল্লাহর দেখানো পথ থেকে সরে যেতে শুরু করে। তাদেরকে পেয়ে বসে সমাজের অশ্লীলতা, অন্ধ গোড়ামী, সহ নানা রকম ইস্যু। কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ে খুন, রাহাজানি, ডাকাতির সাথে। যেকোনো ভাবেই হোক আজ মানুষকে যেন সম্পদ আরোহণ করতেই হবে। কিন্তু এসবই কি দুনিয়া? পরককেে শান্তিময় জীবন পেতে হলে তো এসবের কিছুই কাজে আসবে না।
    অথচ এর বিপরীতে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনে নবী রাসূলগণ কত সাধারণ ভাবেই না জীবনযাপন করেছেন। নবী রাসূলদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল সেই আলোকে লেখা একটি অন্যতম বই হলো “কিতাবুয যুহদ্” । যা  আজ থেকে প্রায় সাড়ে এগারোশত বছর পূর্বে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রচিত এক মহামূল্যবান গ্রন্থ। বইটি মূলত একটি হাদীসের বই। এখানে স্থান পেয়েছে হযরত মুহাম্মদ (সা:) সহ ১১ জন নবী রাসূলের দুনিয়াবী কর্ম ও দৃষ্টিভঙ্গি সংক্রান্ত হাদীসগুলো।
    জিয়াউর রহমান মুন্সী কতৃক বাংলায় অনুবাদের পর যার নাম হয়েছে “রাসূলের চোখে দুনিয়া” !!
    .
    ▶ বইটি কেন পড়বেনঃ-
    ১। আপনি যদি দুনিয়ার চিন্তায় সারাক্ষন ব্যস্ত থাকেন। দুনিয়ায় ব্যস্ততায় আল্লাহর ইবাদত করার মত সময় পাচ্ছেন না। তাহলে বইটি একবার হলেও পড়ুন। জানতে পারবেন নবী রাসূলগণ কত সাধারণ জীবনযাপন করেছেন। কিন্তু তারপরও তারা আল্লাহর ইবাদত করা থেকে পিছপা হননি।
    (২) বইটি এ জন্য পড়বেন যে বইতে পাবেন  নবী-রাসূলদের দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি এবং আখিরাতের প্রতি আসক্তি বিষয়ক অনেক হাদীসের সমাহার।
    (৩) আপনার জন্য বইটি হতে পারে নবী-রাসূলদের যুহদ সম্পর্কে জানার এবং তাদের আদর্শ জীবনে বাস্তবায়ন করার এক অনন‍্য মাধ‍্যম।
    .
    ▶ বইয়ের গুণগত মানঃ-
    বইয়ের কভার, প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং যথেষ্ট ভালো। ভিতরের পৃষ্ঠাসজ্জা ও পেজ কোয়ালিটি উন্নত মানের। দক্ষ অনুবাদক জিয়াউর রহমান মুন্সীর অনুবাদে বইটি হয়েছে সহজ, সাবলীল ও প্রাণবন্ত।  বিষয়সমূহের ধারা বর্ণনা, ভাষাশৈলী ও উপযুক্ত শব্দচয়ন  বইটিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। 
    বইতে বুক মার্কের জন্য ফিতারও ব্যবহার রয়েছে। আপনি চাইলেই যে যায়গায় পড়া বন্ধ করেছিলেন সেখান থেকে বুকমার্কের সাহায্যে আবার পড়া শুরু করতে পারবেন।
    .
    ▶ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
     ব্যক্তিগত অনূভুতি যদি বলতে হয় তাহলে বলবো বইটি এককথায় অসাধারন। দামের দিক থেকেও সাশ্রয়ী।
    বইটি পড়ার পর পাঠক বুঝতে পারবেন নবী রাসূলদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল। জানতে পারবেন তাদের আচার আচরণ ও কর্মপন্থা সম্পর্কে। যা আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
    বইটি পড়ার সময় পাঠকের চিন্তায় ভেসে উঠবে দুনিয়ায় আমরা কি করছি? কেনইবা করছি? আখিরাতের অনন্ত জীবনের জন্যই বা কি করেছি? এসব কথা ভেবে যেকোনো পাঠক কাঁদবেন। চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হয়ে গড়িয়ে পড়বে অশ্রুফোটা । কল্পনায় ভেসে উঠবে  নবী রাসূলদের  সেই সময়ের ইমানদীপ্ত মুহুর্তগুলো।
    এমন খুব কম বই আছে যার প্রতিটি বাক্য ভালো লাগার, প্রতিটি পাতায় মিশে থাকে জ্ঞানের ছোয়া ও শিক্ষণীয় মেসেজ ” রাসূলের চোখে দুনিয়া ” বইটি তার মধ্যে অন্যতম। সত্যি তো নবী রাসূলদের দুনিয়াবী জীবনের চেয়ে  শিক্ষনীয় তো আর কিছু নেই ।
    সব মিলিয়ে বইটি খুবই ভালো এবং উপকারী। তাই সকল পাঠকের প্রতি অনুরোধ বইটি একবার হলেও পড়ুন আর জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন নবী রাসূলদের জীবন ও আদর্শের আলোকে।
    .
    ▶ সমালোচনাঃ-
    একটি বই প্রকাশের পিছনে লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশকের অসংখ্য রাত জাগার ইতিহাস থাকে, বইটিকে নির্ভুল করার জন্য। বইটিকে পঠনোপযোগী করতে প্রকাশনী যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ তাদের খেদমত কবুল করুক। তারপরও কিছু ভুলভ্রান্তি থেকে যায়। যা অনিচ্ছাকৃত। যেমন-
    (১) বইয়ের হাদীসগুলো তাহকীক করা নেই। কোন হাদীস সহিহ, কোনটি যঈফ ইত্যাদি নির্ণয় করা থাকলে ভালো হতো।
    (২) বইতে হাদিসগুলোর অনুবাদ দেয়া আছে কিন্তু কোন আরবী ইবারত দেয়া নেই । এক্ষেত্রে আরবী ইবারত সহ থাকলে ভালো হতো।
    .
    ▶ শেষ কথাঃ-
    আল্লাহ তা’আলা বইটির সাথে জড়িত লেখক, প্রকাশক, অনুবাদক সহ সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করুন। দুনিয়া ও আখিরাতে সাফল্য দান করুন। এ কাজে বারাকাহ দিন এবং আমাদের সবাইকে আখিরাতের সাফল্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে দুনিয়ার জীবনে চলার তৌফিক দান করুন। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর, তাঁর পরিবার বর্গ ও সাহাবিগণের ওপর।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  15. 5 out of 5

    :

    সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার,সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রহমাতুল্লিল আলামিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম এর প্রতি।
    দুনিয়া এক আশ্চর্যের জায়গা! আমরা এক রহস্যের জগতে বাস করি। দুনিয়ার সাথে আমাদের সম্পর্ক কি? কি চাই আমরা দুনিয়ার থেকে? এখানে আমাদের করনীয় কী? অনেক প্রশ্ন,,,,
    এই দুনিয়া সম্পর্কে নবি-রাসূল, সাহাবি ও তাবেয়িদের দৃষ্টিভংগি কী _তা নিয়ে হিজরি দ্বিতীয় শতকের খ্যাতিমান হাদীসবিশারদ ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন। নাম “কিতাবুয যুহদ”। ‘যুহদ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ ‘দুনিয়া বিরাগ’। বইটি বর্তমানে তিনটা খন্ডে প্রাকিশিত হয়েছে। প্রথম “রাসূলের চোখে দুনিয়া”, দ্বিতীয় ” সাহাবিদের চোখে দুনিয়া” এবং তৃতীয় “তাবেয়ীদের চোখে দুনিয়া”।

    আমরা যারা দুনিয়ায় মোহের মাঝে বেচেঁ থেকে নিজেদের অস্তিত্ব হারাতে বসেছি, তাদের জন্য এই বইটা একটা রিমাইন্ডার। কেমন ছিলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের জিবন,কেমন ছিলো সাহাবা রাদিআল্লাহু আনহুদের জিবন আর কেমন আমাদের জিবন??? কি বিস্তর পার্থক্য!!!! নবিদের (আলাইহিস সালাম) দের জিবনের, সাহাবিদের জিবনের পরতে পরতে কিভাবে তারা দুনিয়ার ভোগ বিলাসিতা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন তা এই বইটা না পড়লে এতো সুক্ষ ভাবে কখনোই বুঝতাম না। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা লেখককে এবং এই বইটা প্রাকাশনার জন্য যারা যারা কাজ করেছেন তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এই দুনিয়ার সাথে আমার কী সম্পর্ক? এই দুনিয়ার সাথে আমার দৃষ্টান্ত হলো এমন এক অশ্বারোহীর ন্যায় যে গ্রীস্মের একদিন এক বৃক্ষ-ছায়ায় ঈষৎ নিদ্রা গেল,তারপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে সেখান থেকে চলে গেল।”

    এই হলো সেই দুনিয়া। ভাগাড়ে পড়ে থাকা মৃত ভেড়ার চেয়েও অধিক তুচ্ছ। যার জন্য আমরা এত কিছু করি। বাড়ি,গাড়ী, সোনা-গহনা কত কি! সম্পদের পাহাড় না থাকা মানে আপনি হেরে গেলেন। কি বিকৃত মানসিকতা।

    উসমান ইবনু আফফান (রদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মাথার উপর একটা ছাদ, মেরুদণ্ড সোজা রাখার জন্য যতটুকু খাদ্য আর সতর ঢাকার জন্য যতটা কাপড় প্রয়োজন তাছাড়া অন্য সব কিছুতে আদম সন্তানের কোনো অধিকার নেই।”

    এই হাদিসটা পড়ার পরে রীতিমতো ধাক্কা খেয়েছিলাম। আমরা কি কেবলমাত্র মেরুদণ্ড সোজা রাখার জন্য খাবার খাই? অবশ্যই না, আমাদের ভাব এমন যে খাওয়ার জন্যই বাচিঁ। আর আলমারির দিকে যখন তাকাই, ভাবি এত কাপড়ের হিসেব দেবো কি করে। ইয়া আল্লাহ! আপনি আমাদের হিসাবকে সহজ করে দিন।

    এই বইটা আমার পড়া বই গুলোর মধ্যে অন্যতম। এই বইটা পড়ার পরে আমি নিজের মাঝে যতটা পরিবর্তন খেয়াল করেছি অন্য কোনো বই পড়ে এমনটা অনুভব করিনি। আলহামদুলিল্লাহ।
    আশাকরি আপনারা ও বইটা পড়বেন। ডেইলি রিমাইন্ডার হিসাবে কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ।

    আল্লাহ আয ওয়া যাল্লা ওয়াফি লাইফকে তার নামের যথার্থতা দান করুন। আমিন, ইয়া রব্বুল আলামিন।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  16. 5 out of 5

    :

    Excellent book to escape from this mundane world and concentrate on the real after life world. A must read.
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  17. 5 out of 5

    :

    Alhamdulillah
    This Book (Rasuler ckowkhe Doniya) one kind of surprise for me.
    I recommended for all people please read this book and learn for your daily life , your family , your feature ETC.

    I hope in feature this kind of book WafiLife more and more give us.

    Thank you WafiLife.
    Thank you in advance

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  18. 4 out of 5

    :

    খুব ভাল বইটি পড়লে দুনিয়ার সকল মোহকেটে যাবে।আখিরাতের চেতনা বাড়বে। সকল মুসলিম ভাইদের বইটি পড়া উচিত।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  19. 5 out of 5

    :

    সকল মুসলিম ভাই বোনের এই বইটি একবার হলেও পড়া উচিত। আমি প্রতিদিনই অবসরে অল্প অল্প করে পরছি আর ভাবছি আরও অনেক আগেই আমার এই বইটি পড়া উচিত ছিল।
    যাজাকাল্লাহ
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  20. 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  21. 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ। সবার উপকার হবে আশা করছি। যাজাকাল্লাহ
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No