মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

রাসূলের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ) (হার্ড কভার)

দুনিয়া এক রহস্যঘেরা জায়গা। এখানে মানুষ আসে। শৈশব, কৈশোর আর তারুণ্যের সিড়ি বেয়ে বার্ধক্যে পৌঁছে। তারপর হঠাৎ একদিন চলে যায়। এই স্বল্পতম সময়ে দুনিয়াবি সফলতার সিঁড়ি বেয়ে উপারে উঠার জন্য মানুষের কি নিরন্তর চেষ্টা। অথচ সে জানে না উপরে উঠতে গিয়ে সে কতটা নিচে নেমে যাচ্ছে।

দুনিয়ার সাথে আমাদের সত্যিকার সম্পর্ক কী? দুনিয়ার ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত? প্রকৃত সফলতা কিসে? নবী রাসূলদের জীবন ও বক্তব্য থেকে এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়ুন ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) রচিত এক কালজয়ী গ্রন্থ ‘কিতাব যুহুদের’ অনুবাদ এই ‘রাসূলের চোখে দুনিয়া’

পরিমাণ

192.00  275.00 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

9 রিভিউ এবং রেটিং - রাসূলের চোখে দুনিয়া (কিতাবুয যুহদ) (হার্ড কভার)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলাম। ইসলাম কেবলমাত্র একটি ধর্মই নয় বরং এটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। এখানে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে করণীয়- বর্জনীয় সব কিছু আলোচনা করা হয়েছে। ইসলামের এমন কোন বিধান নেই যা মানব সভ্যতার জন্য অকল্যাণকর। ইসলামী বিধান পালনে করলে কোন ক্ষতিকর সাইড ইফেক্ট নেই । দুনিয়ায় ইসলামের সকল বিধিবিধান পালনের মাধ্যমেই কেবল আখিরাতে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। কিন্তু মানুষকে যেহেতু আল্লাহ তায়ালা স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দিয়ে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তাই এই স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির বদৌলতে আজ মানুষ আল্লাহর দেখানো পথ থেকে সরে যেতে শুরু করে। তাদেরকে পেয়ে বসে সমাজের অশ্লীলতা, অন্ধ গোড়ামী, সহ নানা রকম ইস্যু। কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ে খুন, রাহাজানি, ডাকাতির সাথে। যেকোনো ভাবেই হোক আজ মানুষকে যেন সম্পদ আরোহণ করতেই হবে। কিন্তু এসবই কি দুনিয়া? পরককেে শান্তিময় জীবন পেতে হলে তো এসবের কিছুই কাজে আসবে না।
    অথচ এর বিপরীতে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনে নবী রাসূলগণ কত সাধারণ ভাবেই না জীবনযাপন করেছেন। নবী রাসূলদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল সেই আলোকে লেখা একটি অন্যতম বই হলো “কিতাবুয যুহদ্” । যা  আজ থেকে প্রায় সাড়ে এগারোশত বছর পূর্বে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রচিত এক মহামূল্যবান গ্রন্থ। বইটি মূলত একটি হাদীসের বই। এখানে স্থান পেয়েছে হযরত মুহাম্মদ (সা:) সহ ১১ জন নবী রাসূলের দুনিয়াবী কর্ম ও দৃষ্টিভঙ্গি সংক্রান্ত হাদীসগুলো।
    জিয়াউর রহমান মুন্সী কতৃক বাংলায় অনুবাদের পর যার নাম হয়েছে “রাসূলের চোখে দুনিয়া” !!
    .
    ▶লেখক পরিচিতিঃ-
    আহমাদ বিন হাম্বল (র:) ছিলেন হিজরি দ্বিতীয় শতকের খ্যাতিমান হাদীসবিশারদ।  তিনি ১৬৪ হিজরি/৭৮০ খৃষ্টাব্দে বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন । তিনি আইন,হাদীস ও অভিধানশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা করেন। হাদীসের সন্ধানে তিনি মক্কা, মদিনা, কুফা, বসরা, ইয়েমেন, সহ পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চল ভ্রমণ করেন। হাদীস চর্চার পাশাপাশি তিনি অজস্র আইনগত প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। তাঁর দেয়া জবাবের ভিত্তিতে গড়ে উঠে ‘হাম্বলি মাযহাব’ নামে ইসলামী আইনশাস্ত্রের আরেকটি গ্রহণযোগ্য মাযহাব।
    তিনি ২৪১ হিজরী / ৮৫৫ খ্রিস্টাব্দে ইন্তেকাল করেন। তাকে বাগদাদের “মাকাবিরুশ শুহাদা” কবরস্থানে দাফন করা হয়।
    .
    ▶সার-সংক্ষেপঃ-
    ‘যুহদ্’ শব্দের আভিধানিক অর্থ ” দুনিয়া-বিরাগ”।
    বইটিতে হযরত আদম ( আ) থেকে হযরত মুহাম্মদ (সা:)  পর্যন্ত দশজন নবী রাসূলের দুনিয়াবী জীবনের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। যাদের কাজকর্ম, জীবনযাপন সবটাই ছিল আখিরাতকে কেন্দ্রিক । নিম্নে তাদের সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।
    .
    * হযরত মুহাম্মদ (স:) ও দুনিয়া:-
    বইয়ের বেশিরভাগ অংশজুড়ে নবী (সা:) এর আলোচনা স্থান পেয়েছে। তিনি দুনিয়ায় খুব সাধারণভাবে জীবন-যাপন করতেন। কখনো সুন্দর পোশাক পড়েননি , আরামদায়ক বিছানায় ঘুমাননি। 
    রাসূল (সা:) এর পূর্ব ও পরের সকল গুনাহ আল্লাহপাক ক্ষমা করে দিয়েছেন, তবুও তিনি আল্লাহর কাছে অধিক পরিমাণে ক্ষমা  চাইতেন। রাতে এমনভাবে  ইবাদত করতেন যে দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থাকার  কারনে দু পা ফুলে যেত।
    একবার হযরত উমর (রা:) রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর কক্ষে প্রবেশ করলেন। আল্লাহর রসুল (সাঃ) তখন একটি মাদুরে শোয়া। তার পার্শ্বদেশে মাদুরের ছাপ লেগে গিয়েছে। তা দেখে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, “হে আল্লাহ রাসূল (সাঃ), আপনি যদি এর চেয়ে আর একটু নরম বিছানা গ্রহণ করতেন। একথা শুনে রসূল (সাঃ) বললেন, ” উমর তুমি কি জানো এ দুনিয়ার সাথে আমার কিসের সম্পর্ক? এ দুনিয়ার সাথে আমার দৃষ্টান্ত হলো; নিছক এমন এক অশ্বারোহীর নেয়, যে প্রচন্ড গরমের দিনে একদিন ভ্রমণে বের হয়ে, দিনের কিছুক্ষণ একটি গাছের নিচে ছায়া গ্রহণ করলো, তারপর বিশ্রাম নিয়ে সেখান থেকে চলে গেলো । ”
    নবী (স:) তার ৬৩ বছরের দুনিয়াবী জীবনে আমাদের শিখিয়েছেন দুনিয়ার সাথে আমাদের সম্পর্ক কেমন হবে? কিভাবে দুনিয়ার জীবন কাটানো উচিত? কিভাবে জীবন অতিবাহিত করলে পরকালে সফলতা আসবে। দুনিয়ার জীবনে কি পরিমান ভোগ বিলাস করা যাবে?
    নবী (স:) বলেছেন “জীবনের নিগূঢ় রহস্য জানতে পারলে মানুষ অল্প হাসতো ও অধিক কাঁদতো”।
    .
    * হযরত আদম (আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে জান্নাত থেকে বিতাড়িত হয়ে  আদম (আ:) পৃথিবীতে আসেন। এর পর তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন। বর্ণিত আছে যে জান্নাত থেকে নামিয়ে দেয়ার ফলে হযরত আদম ( আ:) যে পরিমাণ চোখের পানি ফেলেছেন দাউদ – আলাইহিস সালাম সহ পৃথিবীর সকল অধিবাসীর কান্না জড়ো করা হলেও তা তার সমান হবে না।
    আদম আলাইহিস সালাম তার আয়ু থেকে ৪০ বছর দাউদ আলাইহিস সালাম কে দিয়ে দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। কেননা দাউদ ( আ:) এর আয়ুকাল ছিল মাত্র ৬০ বছর।
    .
    * নূহ (আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    নূহ (আ:) এর জাতির লোকেরা তার উপর অনেক অত্যাচার নির্যাতন করতো। তবুও তিনি বলতেন ” হে আল্লাহ আমার জাতিকে ক্ষমা করে দাও, কারণ তারা অজ্ঞ।
    নূহ (আ:)সর্বাবস্থায় আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেন। তিনি তিনশত বছর কান্না করেছিলেন। আর এ কান্নার ফলে তার দু চোখের নিচে পানির নালার মত দাগ পড়ে যায়।
    .
    * ইবরাহিম (আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    ইবরাহিম ( আ:) এর কওমের লোকেরা তাকে আগুনে নিক্ষেপ করলেও তিনি কারো নিকট সাহায্য চাননি; সাহায্য চেয়েছেন কেবল আল্লাহর নিকট।
    আল্লাহর আদেশ পালনের ক্ষেত্রে তিনি এতটাই অগ্রগামী ছিলেন যে আল্লাহর হুকুম আসা মাত্রই তিনি একমাত্র পুত্র ইসমাইল ( আ:) কে কুরবানী করতে উদফত হয়েছিলেন।
    কিয়ামতের দিন ইবরাহিম ( আ:) কে সর্বপ্রথম সূতি বস্ত্র পরানো হবে।
    .
    * ইউসুফ (আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    আল্লাহ ব্যতীত মানুষের কাছে সাহায্য কামনা করায় আল্লাহ তাআলা তাকে তিরস্কার করেন এবং এজন্য তাকে দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দি থাকতে হয়।
    ইউসুফ (আ:) এর শোকে তার শ্রদ্ধেয় পিতা হযরত ইয়াকুব (আ:) ৮০ বছর কেদেছিলেন। অথচ ইয়াকুব (আ:) তখন ছিলেন দুনিয়াবাসীদের মধ্যে আল্লাহর সবচেয়ে সন্মানিত ব্যক্তি।
    .
    * আইয়ুব (আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    হযরত আইয়ুব (আ:)  সাত বছর যাবত বিভিন্ন  বিপদ-মুসিবতে নিপতিত ছিলেন। তার উপর এসব বিপদে আপতিত হওয়ার কারন হলো তিনি একবার পানি পান করে আলহামদুলিল্লাহ বলেন নি। শত বিপদেও তিনি ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন নি বরং এই সময়েও তিনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।
    অতঃপর আল্লাহ তায়ালা তাকে স্বীয় অনুগ্রহে ক্ষমা করে দেন এবং অঢেল সম্পদ ও প্রাচুর্য দান করেন।
    দুনিয়ার জীবনে তিনি ছিলেন ধৈর্য ও সহনশীলতার অনন্য নিদর্শন।
    .
    * ইউনুস (আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    ইউনুস (আ:) তিমি মাছের পেটে চল্লিশ দিন ছিলেন। এরপর আল্লাহ তাকে স্বীয় অনুগ্রহে তিমি মাছের পেট থেকে মুক্ত করেন। আল্লাহ তাআলার প্রশংসা বর্ণনা না করলে ইউনুস (আঃ) কে কিয়ামত পর্যন্ত তিমির পেটে থাকতে হতো
    .
    * মূসা (আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    মূসা (আ:) সর্বাবস্থায় আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতেন। তার জাতির লোকদেরকে সর্বাবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করার নির্দেশ দিতেন।
    মুসা (আ:) কওমের লোকদের সবসময় পিতা মাতার সাথে উত্তম আচরণ ও পৃথিবীর ভোগ-বিলাস থেকে দূরে থাকার জন্য উপদেশ দিতেন।
    .
    * দাউদ ( আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    দাঊদ আঃ আল্লাহর ভয়ে অধিক কান্নাকাটি করতেন এক্ষেত্রে তিনি কারো তিরষ্কারকে গ্রাহ্য করতেন না। কেননা সারা জীবন শুকরিয়া আদায় করে আল্লাহর একটি নিয়ামতেরও শুকরিয়া আদায় করা সম্ভব নয়।
    তিনি আল্লাহর ভয়ে অধিক পরিমানে কান্নাকাটি করতেন।এত কান্নাকাটির ফলে চোখের পানি খাবারে মিশে যেত।
    তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধৈর্যশীল ও সহিষ্ণু। সর্বাবস্থায় তিনি এভাবে দুআ করতেন যে “হে আল্লাহ আমাকে এতোটা দারিদ্রে নিপতিত করো না যার ফলে আমি তোমাকে ভুলে যাবো; আবার এতোটা প্রাচুর্য দিও না যার ফলে আমি সীমালঙ্ঘন করবো”।
    .
    * সুলাইমান ( আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    সুলাইমান ( আ:) মনে করতেন দুনিয়াতে বেচে থাকার জন্য স্বল্প জীবনোপকরণই যথেষ্ট।
    সুলাইমান ( আ:)তার ছেলেকে এই বলে উপদেশ দিতেন যে ” হে আমার ছেলে মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর ব্যাপারে সাবধান! কারণ তা তরবারির ধারের ন্যায় বিপদজনক।
    সুলাইমান ( আ:) সমস্ত পৃথিবী শাসন করেছেন। কেননা তিনি আল্লাহর কাছে এমন রাজত্ব চেয়েছিলেন যা তার পর আর কেউ লাভ করবে না।
    .
    * ঈসা ( আলাইহিস সালাম) ও দুনিয়া:-
    ঈসা ( আ:) দুনিয়া ও আখেরাতে  ছিলেন মহা সম্মানের অধিকারী এবং আল্লাহর একান্ত প্রিয়জনদের অন্যতম । তিনি বনু ইসরাইল সম্প্রদায়ের  প্রতি প্রেরিত হয়েছিলেন। দুনিয়ায় আল্লাহ তাকে অনেক মো‘জেযা দিয়েছিলেন।
    ঈসা ( আ:) বলেন;  “দুনিয়াপ্রীতি হলো পাপের মূল, নারী হলো শয়তানের ফাদ, আর মদ হলো অনিষ্টের চাবি”।
    ঈসা ( আ) কে যত উপাধি দেওয়া হয়েছিল সেসবের মধ্যে তার নিকট সবচেয়ে প্রিয় উপাধি ছিল “মিসকীন”।
    .
    ▶ বইটি কেন পড়বেনঃ-
    ১। আপনি যদি দুনিয়ার চিন্তায় সারাক্ষন ব্যস্ত থাকেন। দুনিয়ায় ব্যস্ততায় আল্লাহর ইবাদত করার মত সময় পাচ্ছেন না। তাহলে বইটি একবার হলেও পড়ুন। জানতে পারবেন নবী রাসূলগণ কত সাধারণ জীবনযাপন করেছেন। কিন্তু তারপরও তারা আল্লাহর ইবাদত করা থেকে পিছপা হননি।
    (২) বইটি এ জন্য পড়বেন যে বইতে পাবেন  নবী-রাসূলদের দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি এবং আখিরাতের প্রতি আসক্তি বিষয়ক অনেক হাদীসের সমাহার।
    (৩) আপনার জন্য বইটি হতে পারে নবী-রাসূলদের যুহদ সম্পর্কে জানার এবং তাদের আদর্শ জীবনে বাস্তবায়ন করার এক অনন‍্য মাধ‍্যম।
    .
    ▶ বইয়ের গুণগত মানঃ-
    বইয়ের কভার, প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং যথেষ্ট ভালো। ভিতরের পৃষ্ঠাসজ্জা ও পেজ কোয়ালিটি উন্নত মানের। দক্ষ অনুবাদক জিয়াউর রহমান মুন্সীর অনুবাদে বইটি হয়েছে সহজ, সাবলীল ও প্রাণবন্ত।  বিষয়সমূহের ধারা বর্ণনা, ভাষাশৈলী ও উপযুক্ত শব্দচয়ন  বইটিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। 
    বইতে বুক মার্কের জন্য ফিতারও ব্যবহার রয়েছে। আপনি চাইলেই যে যায়গায় পড়া বন্ধ করেছিলেন সেখান থেকে বুকমার্কের সাহায্যে আবার পড়া শুরু করতে পারবেন।
    .
    ▶ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
     ব্যক্তিগত অনূভুতি যদি বলতে হয় তাহলে বলবো বইটি এককথায় অসাধারন। দামের দিক থেকেও সাশ্রয়ী।
    বইটি পড়ার পর পাঠক বুঝতে পারবেন নবী রাসূলদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল। জানতে পারবেন তাদের আচার আচরণ ও কর্মপন্থা সম্পর্কে। যা আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
    বইটি পড়ার সময় পাঠকের চিন্তায় ভেসে উঠবে দুনিয়ায় আমরা কি করছি? কেনইবা করছি? আখিরাতের অনন্ত জীবনের জন্যই বা কি করেছি? এসব কথা ভেবে যেকোনো পাঠক কাঁদবেন। চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হয়ে গড়িয়ে পড়বে অশ্রুফোটা । কল্পনায় ভেসে উঠবে  নবী রাসূলদের  সেই সময়ের ইমানদীপ্ত মুহুর্তগুলো।
    এমন খুব কম বই আছে যার প্রতিটি বাক্য ভালো লাগার, প্রতিটি পাতায় মিশে থাকে জ্ঞানের ছোয়া ও শিক্ষণীয় মেসেজ ” রাসূলের চোখে দুনিয়া ” বইটি তার মধ্যে অন্যতম। সত্যি তো নবী রাসূলদের দুনিয়াবী জীবনের চেয়ে  শিক্ষনীয় তো আর কিছু নেই ।
    সব মিলিয়ে বইটি খুবই ভালো এবং উপকারী। তাই সকল পাঠকের প্রতি অনুরোধ বইটি একবার হলেও পড়ুন আর জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন নবী রাসূলদের জীবন ও আদর্শের আলোকে।
    .
    ▶ সমালোচনাঃ-
    একটি বই প্রকাশের পিছনে লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশকের অসংখ্য রাত জাগার ইতিহাস থাকে, বইটিকে নির্ভুল করার জন্য। বইটিকে পঠনোপযোগী করতে প্রকাশনী যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ তাদের খেদমত কবুল করুক। তারপরও কিছু ভুলভ্রান্তি থেকে যায়। যা অনিচ্ছাকৃত। যেমন-
    (১) বইয়ের হাদীসগুলো তাহকীক করা নেই। কোন হাদীস সহিহ, কোনটি যঈফ ইত্যাদি নির্ণয় করা থাকলে ভালো হতো।
    (২) বইতে হাদিসগুলোর অনুবাদ দেয়া আছে কিন্তু কোন আরবী ইবারত দেয়া নেই । এক্ষেত্রে আরবী ইবারত সহ থাকলে ভালো হতো।
    .
    ▶ শেষ কথাঃ-
    আল্লাহ তা’আলা বইটির সাথে জড়িত লেখক, প্রকাশক, অনুবাদক সহ সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করুন। দুনিয়া ও আখিরাতে সাফল্য দান করুন। এ কাজে বারাকাহ দিন এবং আমাদের সবাইকে আখিরাতের সাফল্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে দুনিয়ার জীবনে চলার তৌফিক দান করুন। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর, তাঁর পরিবার বর্গ ও সাহাবিগণের ওপর।
    Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আল্লাহর নিকট একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলাম। ইসলাম কেবলমাত্র একটি ধর্মই নয় বরং এটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান। এখানে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে করণীয়- বর্জনীয় সব কিছু আলোচনা করা হয়েছে। ইসলামের এমন কোন বিধান নেই যা মানব সভ্যতার জন্য অকল্যাণকর। ইসলামী বিধান পালনে করলে কোন ক্ষতিকর সাইড ইফেক্ট নেই । দুনিয়ায় ইসলামের সকল বিধিবিধান পালনের মাধ্যমেই কেবল আখিরাতে মুক্তি লাভ করা সম্ভব। কিন্তু মানুষকে যেহেতু আল্লাহ তায়ালা স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি দিয়ে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তাই এই স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির বদৌলতে আজ মানুষ আল্লাহর দেখানো পথ থেকে সরে যেতে শুরু করে। তাদেরকে পেয়ে বসে সমাজের অশ্লীলতা, অন্ধ গোড়ামী, সহ নানা রকম ইস্যু। কেউ কেউ জড়িয়ে পড়ে খুন, রাহাজানি, ডাকাতির সাথে। যেকোনো ভাবেই হোক আজ মানুষকে যেন সম্পদ আরোহণ করতেই হবে। কিন্তু এসবই কি দুনিয়া? পরককেে শান্তিময় জীবন পেতে হলে তো এসবের কিছুই কাজে আসবে না।
    অথচ এর বিপরীতে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবনে নবী রাসূলগণ কত সাধারণ ভাবেই না জীবনযাপন করেছেন। নবী রাসূলদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল সেই আলোকে লেখা একটি অন্যতম বই হলো “কিতাবুয যুহদ্” । যা  আজ থেকে প্রায় সাড়ে এগারোশত বছর পূর্বে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রচিত এক মহামূল্যবান গ্রন্থ। বইটি মূলত একটি হাদীসের বই। এখানে স্থান পেয়েছে হযরত মুহাম্মদ (সা:) সহ ১১ জন নবী রাসূলের দুনিয়াবী কর্ম ও দৃষ্টিভঙ্গি সংক্রান্ত হাদীসগুলো।
    জিয়াউর রহমান মুন্সী কতৃক বাংলায় অনুবাদের পর যার নাম হয়েছে “রাসূলের চোখে দুনিয়া” !!
    .
    ▶ বইটি কেন পড়বেনঃ-
    ১। আপনি যদি দুনিয়ার চিন্তায় সারাক্ষন ব্যস্ত থাকেন। দুনিয়ায় ব্যস্ততায় আল্লাহর ইবাদত করার মত সময় পাচ্ছেন না। তাহলে বইটি একবার হলেও পড়ুন। জানতে পারবেন নবী রাসূলগণ কত সাধারণ জীবনযাপন করেছেন। কিন্তু তারপরও তারা আল্লাহর ইবাদত করা থেকে পিছপা হননি।
    (২) বইটি এ জন্য পড়বেন যে বইতে পাবেন  নবী-রাসূলদের দুনিয়ার প্রতি অনাসক্তি এবং আখিরাতের প্রতি আসক্তি বিষয়ক অনেক হাদীসের সমাহার।
    (৩) আপনার জন্য বইটি হতে পারে নবী-রাসূলদের যুহদ সম্পর্কে জানার এবং তাদের আদর্শ জীবনে বাস্তবায়ন করার এক অনন‍্য মাধ‍্যম।
    .
    ▶ বইয়ের গুণগত মানঃ-
    বইয়ের কভার, প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং যথেষ্ট ভালো। ভিতরের পৃষ্ঠাসজ্জা ও পেজ কোয়ালিটি উন্নত মানের। দক্ষ অনুবাদক জিয়াউর রহমান মুন্সীর অনুবাদে বইটি হয়েছে সহজ, সাবলীল ও প্রাণবন্ত।  বিষয়সমূহের ধারা বর্ণনা, ভাষাশৈলী ও উপযুক্ত শব্দচয়ন  বইটিকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। 
    বইতে বুক মার্কের জন্য ফিতারও ব্যবহার রয়েছে। আপনি চাইলেই যে যায়গায় পড়া বন্ধ করেছিলেন সেখান থেকে বুকমার্কের সাহায্যে আবার পড়া শুরু করতে পারবেন।
    .
    ▶ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
     ব্যক্তিগত অনূভুতি যদি বলতে হয় তাহলে বলবো বইটি এককথায় অসাধারন। দামের দিক থেকেও সাশ্রয়ী।
    বইটি পড়ার পর পাঠক বুঝতে পারবেন নবী রাসূলদের দুনিয়ার জীবন কেমন ছিল। জানতে পারবেন তাদের আচার আচরণ ও কর্মপন্থা সম্পর্কে। যা আমাদের জন্য অনুসরণীয়।
    বইটি পড়ার সময় পাঠকের চিন্তায় ভেসে উঠবে দুনিয়ায় আমরা কি করছি? কেনইবা করছি? আখিরাতের অনন্ত জীবনের জন্যই বা কি করেছি? এসব কথা ভেবে যেকোনো পাঠক কাঁদবেন। চক্ষুদ্বয় অশ্রুসিক্ত হয়ে গড়িয়ে পড়বে অশ্রুফোটা । কল্পনায় ভেসে উঠবে  নবী রাসূলদের  সেই সময়ের ইমানদীপ্ত মুহুর্তগুলো।
    এমন খুব কম বই আছে যার প্রতিটি বাক্য ভালো লাগার, প্রতিটি পাতায় মিশে থাকে জ্ঞানের ছোয়া ও শিক্ষণীয় মেসেজ ” রাসূলের চোখে দুনিয়া ” বইটি তার মধ্যে অন্যতম। সত্যি তো নবী রাসূলদের দুনিয়াবী জীবনের চেয়ে  শিক্ষনীয় তো আর কিছু নেই ।
    সব মিলিয়ে বইটি খুবই ভালো এবং উপকারী। তাই সকল পাঠকের প্রতি অনুরোধ বইটি একবার হলেও পড়ুন আর জীবনকে রাঙিয়ে তুলুন নবী রাসূলদের জীবন ও আদর্শের আলোকে।
    .
    ▶ সমালোচনাঃ-
    একটি বই প্রকাশের পিছনে লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশকের অসংখ্য রাত জাগার ইতিহাস থাকে, বইটিকে নির্ভুল করার জন্য। বইটিকে পঠনোপযোগী করতে প্রকাশনী যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ তাদের খেদমত কবুল করুক। তারপরও কিছু ভুলভ্রান্তি থেকে যায়। যা অনিচ্ছাকৃত। যেমন-
    (১) বইয়ের হাদীসগুলো তাহকীক করা নেই। কোন হাদীস সহিহ, কোনটি যঈফ ইত্যাদি নির্ণয় করা থাকলে ভালো হতো।
    (২) বইতে হাদিসগুলোর অনুবাদ দেয়া আছে কিন্তু কোন আরবী ইবারত দেয়া নেই । এক্ষেত্রে আরবী ইবারত সহ থাকলে ভালো হতো।
    .
    ▶ শেষ কথাঃ-
    আল্লাহ তা’আলা বইটির সাথে জড়িত লেখক, প্রকাশক, অনুবাদক সহ সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করুন। দুনিয়া ও আখিরাতে সাফল্য দান করুন। এ কাজে বারাকাহ দিন এবং আমাদের সবাইকে আখিরাতের সাফল্যের প্রতি লক্ষ্য রেখে দুনিয়ার জীবনে চলার তৌফিক দান করুন। সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর, তাঁর পরিবার বর্গ ও সাহাবিগণের ওপর।
    Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার,সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক রহমাতুল্লিল আলামিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম এর প্রতি।
    দুনিয়া এক আশ্চর্যের জায়গা! আমরা এক রহস্যের জগতে বাস করি। দুনিয়ার সাথে আমাদের সম্পর্ক কি? কি চাই আমরা দুনিয়ার থেকে? এখানে আমাদের করনীয় কী? অনেক প্রশ্ন,,,,
    এই দুনিয়া সম্পর্কে নবি-রাসূল, সাহাবি ও তাবেয়িদের দৃষ্টিভংগি কী _তা নিয়ে হিজরি দ্বিতীয় শতকের খ্যাতিমান হাদীসবিশারদ ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহিমাহুল্লাহ) একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ রচনা করেছেন। নাম “কিতাবুয যুহদ”। ‘যুহদ’ শব্দের আভিধানিক অর্থ ‘দুনিয়া বিরাগ’। বইটি বর্তমানে তিনটা খন্ডে প্রাকিশিত হয়েছে। প্রথম “রাসূলের চোখে দুনিয়া”, দ্বিতীয় ” সাহাবিদের চোখে দুনিয়া” এবং তৃতীয় “তাবেয়ীদের চোখে দুনিয়া”।

    আমরা যারা দুনিয়ায় মোহের মাঝে বেচেঁ থেকে নিজেদের অস্তিত্ব হারাতে বসেছি, তাদের জন্য এই বইটা একটা রিমাইন্ডার। কেমন ছিলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের জিবন,কেমন ছিলো সাহাবা রাদিআল্লাহু আনহুদের জিবন আর কেমন আমাদের জিবন??? কি বিস্তর পার্থক্য!!!! নবিদের (আলাইহিস সালাম) দের জিবনের, সাহাবিদের জিবনের পরতে পরতে কিভাবে তারা দুনিয়ার ভোগ বিলাসিতা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন তা এই বইটা না পড়লে এতো সুক্ষ ভাবে কখনোই বুঝতাম না। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা লেখককে এবং এই বইটা প্রাকাশনার জন্য যারা যারা কাজ করেছেন তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “এই দুনিয়ার সাথে আমার কী সম্পর্ক? এই দুনিয়ার সাথে আমার দৃষ্টান্ত হলো এমন এক অশ্বারোহীর ন্যায় যে গ্রীস্মের একদিন এক বৃক্ষ-ছায়ায় ঈষৎ নিদ্রা গেল,তারপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে সেখান থেকে চলে গেল।”

    এই হলো সেই দুনিয়া। ভাগাড়ে পড়ে থাকা মৃত ভেড়ার চেয়েও অধিক তুচ্ছ। যার জন্য আমরা এত কিছু করি। বাড়ি,গাড়ী, সোনা-গহনা কত কি! সম্পদের পাহাড় না থাকা মানে আপনি হেরে গেলেন। কি বিকৃত মানসিকতা।

    উসমান ইবনু আফফান (রদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “মাথার উপর একটা ছাদ, মেরুদণ্ড সোজা রাখার জন্য যতটুকু খাদ্য আর সতর ঢাকার জন্য যতটা কাপড় প্রয়োজন তাছাড়া অন্য সব কিছুতে আদম সন্তানের কোনো অধিকার নেই।”

    এই হাদিসটা পড়ার পরে রীতিমতো ধাক্কা খেয়েছিলাম। আমরা কি কেবলমাত্র মেরুদণ্ড সোজা রাখার জন্য খাবার খাই? অবশ্যই না, আমাদের ভাব এমন যে খাওয়ার জন্যই বাচিঁ। আর আলমারির দিকে যখন তাকাই, ভাবি এত কাপড়ের হিসেব দেবো কি করে। ইয়া আল্লাহ! আপনি আমাদের হিসাবকে সহজ করে দিন।

    এই বইটা আমার পড়া বই গুলোর মধ্যে অন্যতম। এই বইটা পড়ার পরে আমি নিজের মাঝে যতটা পরিবর্তন খেয়াল করেছি অন্য কোনো বই পড়ে এমনটা অনুভব করিনি। আলহামদুলিল্লাহ।
    আশাকরি আপনারা ও বইটা পড়বেন। ডেইলি রিমাইন্ডার হিসাবে কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ।

    আল্লাহ আয ওয়া যাল্লা ওয়াফি লাইফকে তার নামের যথার্থতা দান করুন। আমিন, ইয়া রব্বুল আলামিন।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Excellent book to escape from this mundane world and concentrate on the real after life world. A must read.
    Was this review helpful to you?
  5. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Alhamdulillah
    This Book (Rasuler ckowkhe Doniya) one kind of surprise for me.
    I recommended for all people please read this book and learn for your daily life , your family , your feature ETC.

    I hope in feature this kind of book WafiLife more and more give us.

    Thank you WafiLife.
    Thank you in advance

    Was this review helpful to you?
  6. 4 out of 5
    Rated 4 out of 5

    :

    খুব ভাল বইটি পড়লে দুনিয়ার সকল মোহকেটে যাবে।আখিরাতের চেতনা বাড়বে। সকল মুসলিম ভাইদের বইটি পড়া উচিত।
    Was this review helpful to you?
  7. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    সকল মুসলিম ভাই বোনের এই বইটি একবার হলেও পড়া উচিত। আমি প্রতিদিনই অবসরে অল্প অল্প করে পরছি আর ভাবছি আরও অনেক আগেই আমার এই বইটি পড়া উচিত ছিল।
    যাজাকাল্লাহ
    Was this review helpful to you?
  8. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ
    Was this review helpful to you?
  9. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ। সবার উপকার হবে আশা করছি। যাজাকাল্লাহ
    Was this review helpful to you?