মেন্যু
sobuj chade nil josna

সবুজ চাঁদে নীল জোছনা

পৃষ্ঠা : 68
ভাষা : বাংলা

কবিতা সংখ্যাঃ ৩০
কাগজঃ ১০০ গ্রাম অফসেট
বাঁধাইঃ হার্ডকভার বুক বাইন্ডিং

প্রকাশকের কলাম থেকে:

আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব। তরুণ প্রজন্মের বিশ্বাসী কবি, গল্পকার। কলম চালিয়ে যান ক্লান্তিহীন। সত্যের চাষাবাদ করেন কাগজ জমিনে।
ইতোমধ্যই বাংলাভাষী হাজারো পাঠকের কাছে নিজের প্রতিভা উপস্থাপন করতে সক্ষম‍ হয়েছেন স্বভাব যোগ্যতায়। ফররুখ, আল মাহমুদ পরবর্তী বিশ্বাসী সাহিত্যিক মশাল বয়ে নেওয়ার একজন যোগ্য সিপাহসালার আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব।

এবারের বইমেলায় এই মেধাবী কবি আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘সবুজ চাঁদে নীল জোছনা’। গার্ডিয়ান পাবলিকেশন কবিতা নিয়ে এই প্রথম গ্রন্থ প্রকাশ। কেন আমরা এই কাব্যগ্রন্থ পাঠক সমীপে তুলে দিলাম? আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজীব এই কাব্যগ্রন্থেরই একটি কবিতায় বলছেন-

‘সমুদ্রের তৃষ্ণা পেয়েছে,
তাকে জলপান করানোর জন্য
একজন কবি ছাড়া কেউ নেই এখানে।’

পরিমাণ

97  100 (3% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ৪৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি প্রিমিয়াম বুকমার্ক ফ্রি!
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী

2 রিভিউ এবং রেটিং - সবুজ চাঁদে নীল জোছনা

5.0
Based on 2 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    আব্দুল্লাহ মাহমুদ নজিব। যিনি বাংলাদেশের একজন তরুন কবি। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবী বিভাগে অধ্যয়নরত। এছাড়াও তিনি যুক্ত আছেন লিটলম্যাগ সম্পাদনার সাথে।  এ পর্যন্ত তার চারটি কাব্যগ্রন্থ ও বেশ কয়েকটি ইসলামি প্রবন্ধগল্পের বই প্রকাশিত হয়েছে। তার কাব্যগ্রন্থ গুলোতে ফুটে ওঠে ইসলামি চেতনা, সেই সাথে ঐতিহ্য, সংস্কৃতির অপূর্ব সমাগম। “সবুজ চাদে নীল জোছনা” বইটি তার অন্যতম একটি কাব্যগ্রন্থ।
    .
    কি আছে বইতে:-
    ৭১ পৃষ্ঠাব্যপী বিস্তৃত “সবুজ চাদে নীল জোছনা” বইতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ৩০ টি কবিতা রয়েছে। কোন কবিতা লেখা হয়েছে গদ্যছন্দে আবার কোন কবিতায় পাঠক দেখতে পাবেন অন্ত্যমিল ছন্দ।
    তার মাঝে ভালো লাগা দুটি কবিতার কথা না বললেই নয়। একটি হলো “যেখানে জীবন”। এটি বইয়ের সবচাইতে ছোট কবিতা। কবিতার ব্যাপ্তি মাত্র দুই লাইন। কবিতাটি হলো-
    জীবনের অর্থ খুজে পেতে যাও শুধু তার কাছে
    স্মৃতির অত্যাচার সয়ে যে দিব্যি বেচে আছে।
    অপর কবিতাটা হলো “সূর্যাস্তে সূর্যোদয়”। এতদিন পর্যন্ত  বাংলায় আমার পড়া সবচেয়ে বড় কবিতা ছিলো কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী ও জসীম উদ্দিনের কবর কবিতা। বড় কবিতার তালিকায় এবার সূর্যাস্তে সূর্যোদয় কবিতাটিও যুক্ত হলো। কবিতার ব্যাপ্তি ১২ পৃষ্ঠা। লাইন সংখ্যা ২৪৬ । এই কবিতায় উঠে এসেছে মির্জাবাড়ির ছেলের বৈঠাচালিত নৌকায় চড়ে বিয়ে করতে যাওয়া। সেই সাথে বিয়ের আসরকে কেন্দ্র করে হাসি, আনন্দ ও সুখস্মৃতির কথা। এত বড় কবিতা হলেও পড়তে কখনো গিয়ে ক্লান্ত হবেন না বলে আমার বিশ্বাস।
    এছাড়াও বইতে রয়েছে কিছু অনুবাদ কবিতা, যেগুলোতেও লেখকের অনুবাদক সত্ত্বার প্রকাশ ঘটেছে নির্মোহভাবে।
    .
    বইটি কারা পড়বেন, কেন পড়বেন?
    আপনি যদি কবিতা পড়তে ভালোবাসেন, কবিতার মাধ্যমে নিজের বোধসত্ত্বাকে আরো শাণিত করতে চান তাহলে বইটি অবশ্যই পড়ুন। কেননা কবিতা মানুষের মনকে স্বল্প সময়ে উজ্জিবীত করার জন্য অন্যতম নিয়ামক। সেই সাথে সাহিত্য, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
    .
    ব্যক্তিগত অনুভূতিঃ-
    বইয়ের কভার, প্রচ্ছদ, বাইন্ডিং, ও ভিতরের পাতা মাশাআল্লাহ অনেক সুন্দর। কবিতাগুলো পড়তে গিয়ে কখনো মনে হয়নি এই কবিতাটা ভালো নয় । বরং প্রতিটা কবিতাই যথেষ্ট সহজ ও সাবলীল, ও বোধগম্য ভাষায় রচিত রচিত বলে মনে হয়েছে। চাইলে ৩০টি কবিতার প্রত্যেকটি কবিতা নিয়েই একটি করে রিভিউ লেখা সম্ভব।
    সব মিলিয়ে বইটি খুবই ভালো এবং উপকারী। তাই এ জাতীয় কাব্যগ্রন্থ কবিতাপ্রেমী সকলের জন্য একবার হলেও পড়া উচিৎ।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    কবিতা ভালোবাসেন?
    একদম সাধাসিধে পবিত্র কবিতা?
    তাহলে বইটি আপনার জন্য।৩০ টি সুন্দর ও সাবলীল কবিতা দিয়ে বইটি সাজানো।

    এই বই থেকে আমার পছন্দের কিছু কবিতার ছোট্ট কিছু লাইন তুলে ধরলাম।

    ১.তোমার হাতে দুইটি গোলাপ।
    আমাকে জিজ্ঞেস করলেঃ
    কোন গোলাপটা বেশি সুন্দর?
    আমার ডান হাতে যেটা নাকি বাম হাতেরটা?
    আমি উত্তর দিলাম; মাঝখানের গোলাপটাই বেশি সুন্দর।

    ২.আচ্ছা বুঝেছি,লালপড়ে শাড়ি এখনও আনিনি,তাই?
    দেবো শিগগির,আর কটা দিন একটু সময় চাই।
    পাটের বাজারে মন্দা নেমেছে,মহাজন চোষে রক্ত,
    মুনাফা তো দূরে,পুঁজি বাঁচাতেই তিন প্রহরের অক্ত।
    তবু কথা দেই,এই সোমবার গঞ্জের হাটে গিয়ে,
    আড়ৎদারের বন্ধকী টাকা বুঝিয়ে সুঝিয়ে নিয়ে।
    লালপেড়ে এক জামদানি শাড়ি কিনে দেবো হাতে তুলে,
    দোহাই এবার,একটু হাসো না সব অভিমান ভুলে।

    ৩.শুকনো পাতায় কার মরমের মর্মর ধ্বনি বাজে,
    লজ্জাবতীর সংকোচ থাকে হৃদয়ের কোন ভাঁজে।
    আকাশের কাছে,না নদীর কাছেই গাঙচিল বেশি ঋণী?
    ঋণের কিস্তি কে করে উশুল,আমি তো তাকেও চিনি।
    সবুজের দামে একমুঠো নীল কার কাছে যায় কেনা-
    একে একে সব চিনলাম,শুধু তোমাকে হলো না চেনা!

    ৪.আমার কবিতা সুগন্ধি রুমাল হয়ে,
    তোমাদের বুকপকেটে লেপটে থাকুক-
    এ আমি চাই না।
    আমার কবিতা হোক ছোঁয়াছে রোগ,
    পোড়া বাতাসের সাথে মিশে পৌছে যাক জরাগ্রস্ত মানুষের নিঃশ্বাসে।

    একদম ছোট বই।কিন্ত কবিতাগুলো অনেক অনেক সুন্দর।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No