মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

সময়ের মূল্য বুঝতেন যাঁরা

(নতুন সংস্করণ)

ইবনুল কায়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) আমার কাছে বর্ণনা করেন যে, “একবার আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম। চিকিৎসক আমাকে বললেন, ‘আপনার এত অধিক অধ্যয়ন ও ইলমী আলোচনা আপনার ক্ষতির কারণ হবে, রোগ আরও বাড়িয়ে দেবে। কিছুদিনের জন্য এ থেকে বিরত ও বিশ্রামে থাকুন’। আমি বললাম, ‘আমি এটা মানতে পারবো না। তবে আমি আপনার কাছে আপনার জ্ঞান অনুযায়ী ন্যায় বিচার দাবী করছি। বলুন তো, মানুষ যখন আনন্দিত ও উৎফুল্ল হয়, মন মেজায কি তখন ভাল হয়ে উঠে না? আর তা কি অসুস্থতা দূর করে দেয় না? সুস্থতা আনয়ন করে না?’ তিনি বললেন, ‘অবশ্যই’। তখন বললাম, ‘আমি আনন্দিত হই কিতাবের মুতাআ’লা দ্বারা, মন মেজায ভাল হয় ইলমের আলোচনা ও চর্চা দ্বারা। আমি তাতে প্রশান্তি ও স্বস্থি বোধ করি। তারপরও কি বলবেন…..?’ তখন চিকিৎসক (নিরুপায় হয়ে) বললেন, ‘এটা আমাদের চিকিৎসা বিদ্যার বাইরের বিষয়’।”
:
[বই: ‘সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা’ – শাইখ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ (রাহিমাহুল্লাহ)]
.
নতুন সংস্করণ
পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩২০

পরিমাণ

220.00  400.00 (45% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

1 রিভিউ এবং রেটিং - সময়ের মূল্য বুঝতেন যাঁরা

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    সময় হলো মানবজাতির জন্য আল্লাহর দেয়া এক অমূল্য নেয়ামত।  আজ বর্তমান পৃথিবীর দিকে তাকালে দেখা যায় যে জাতি সময় সম্পর্কে বেশি সচেতন সে জাতি তত উন্নত। কেননা সময়ের গুরুত্ব অনুধাবন করে যথাযথ ভাবে কাজে লাগানোই সফলতা ও উন্নতির প্রথম সোপান। তাইতো  সময় সম্পর্কে সচেতন কিছু মানুষের সময়গাথা নিয়ে “কায়মিয়াতু জামান ইনদাল ওলামা” নামে একটি বই লিখেছেন শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ। মাওলানা ইমরানুল হক কতৃক বাংলায় অনুবাদের পর যার নাম দেয়া হয়েছে “সময়ের মূল্য বুঝতেন যারা”।
    .
    ➤ সার-সংক্ষেপঃ-
    প্রায় ১২৮ পৃষ্ঠাব্যাপী বিস্তৃত বইটির শুরুতে লেখক ‘সময়ের মূল্য নামে একটি শিরোনাম এনেছেন। যেখানে তিনি দেখিয়েছেন সময়ের মূল্য মানুষভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। যেমন- একজন কৃষক, একজন দার্শনিক, একজন ব্যবসায়ী, একজন আলেম প্রত্যেকের কাছেই সময়ের মূল্য ও প্রকৃতি ভিন্ন ও স্বতন্ত্র।
    সময় সম্পর্কে প্রখ্যাত সাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ বলেন, আমার সবচেয়ে বেশি আফসোস ও পরিতাপ হয় আমন দিনের জন্য যে।দিনের সূর্য ডুবও গেল, আমার হায়াত কমে গেল, অথচ সেদিন আমার নেক আমল বৃদ্ধি পেল না।
    আল্লামা ইবনুল জাওযীর দৌহিত্র আবুল মুজাফফার বলেন, “নানাজানকে আমি শেষ বয়াএ মিম্বরের উপর বলতে শুনেছি, ” আমি এই দুই আঙ্গুলে (প্রায়) দুই হাজার খন্ড গ্রন্থ রচনা করেছি।
    শায়খ আবুল ফারাজের বই সংখ্যা হাজারেরও উপর। তিনি একটা মুহুর্ত সময়ও নষ্ট করতেন না। গ্রন্থ সংকলন, ফতোয়া প্রদান ইত্যাদি কাজের বাইরেও তিনি দৈনিক  ৩০-৪০ পৃষ্ঠা লিখতেন।
    এভাবে পুরো বইতে সময় সম্পর্কে বিভিন্ন আলেম ও তালেবে ইলমের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। যারা দুনিয়ার মোহে মোহগ্রস্ত ছিলেন না। তাদের কাছে সময় ছিল ধন-সম্পদের চেয়েও মূল্যবান।
    .
    ➤ বইটি কেন পড়বেনঃ-
    বইতে পাবেন আলেম ও তালেবে ইলমদের সময়ের মূল্যায়ন ও কর্মকথা, যা আপনাকে সময়ের গুরুত্ব মনের মাঝে উপলদ্ধি করাতে অত্যন্ত কার্যকর হবে বলে আমার বিশ্বাস।
    .
    ➤ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
    বইটি পড়ার পর আমার মুগ্ধতা যেন শেষই হচ্ছে না।  যে সময় কোন ইন্টারনেট সংযোগ ছিল না, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাও ছিল না, তবুও তারা কিভাবে এত জ্ঞান অর্জন করেছেন যা সত্যি অবাক করার মত।
    তাই মহান আল্লাহর অন্যতম নিয়ামত সময়কে আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে ব্যয় করতে বইটি অবশ্যই পড়ুন।
    Was this review helpful to you?