মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

সহিহভাবে কুরআন শিক্ষা তাজওইদ

পৃথিবীর সবচে শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হলো পবিত্র কুরআনুল কারীম। আর এই গ্রন্থ সহিহ ও শুদ্ধভাবে পড়ার মাধ্যম হলো তাজওইদ সম্পর্কে অবগত থাকা। এটি মূলত ইলমুল কিরাতের সাথে সম্পর্কিত। এই শাস্ত্রের সাথে পরিচয় না থাকলে একজন মানুষের জন্য শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত করাটা প্রায় অসম্ভব।

বাংলাভাষায় তাজওইদ সম্পর্কে তেমন একটা বইপত্র রচিত হয় নি। যেগুলো হয়েছে সেগুলো আবার খুব বেশি সংক্ষিপ্ত। দুই-একটা আছে খুব বেশি বিস্তারিত। ফলে সংক্ষিপ্ত আর বিস্তারিত- এর গোলকে পড়ে বাংলাভাষী পাঠক যথাযথ উপকার লাভ করতে সক্ষম হয় না। কিন্তু এই বইটিকে সংক্ষিপ্ত আর বিস্তারিত- এর মাঝামাঝি অবস্থানে রেখে রচনা করা হয়েছে। ফলে একজন পাঠকের জন্য তা অন্যান্য তাজওইদ-গ্রন্থের তুলনায় অনেক বেশি ফায়দাজনক ও উপকারী বলে মনে হয়েছে। এখানেই এই বইটির সাথে বাংলাভাষায় রচিত অন্যন্য তাজওইদ-গ্রন্থের পার্থক্য।

পরিমাণ

110.00  147.00 (25% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

3 রিভিউ এবং রেটিং - সহিহভাবে কুরআন শিক্ষা তাজওইদ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুন_২০২০
    #পাঠ_প্রতিক্রিয়া

    সহিহভাব

    তাজওইদ।
    কুরআনের শিক্ষার্থীদের কাছে অতি পরিচিত একটা শব্দ। শব্দই শুধু নয়, এটা ইলমের এমন এক প্রতিষ্ঠিত শাস্ত্র যা সরাসরি কুরআনুল কারীমের সাথে সম্পর্কিত। গুরুত্বের বিবেচনায় ‘তাজওইদ’কে কুরআনের চাবি বললেও অত্যুক্তি হবে না।

    মূলত তাজওইদ এমন এক শাস্ত্র যা কুরআন মাজীদ বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করার প্রক্রিয়া ও এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিধানাবলি নিয়ে সম্যকভাবে আলোচনা করে। বলা যায়, তাজওইদের জ্ঞান ব্যতীত কুরআন মাজীদ শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা অসম্ভব। এদিক দিয়ে বিবেচনা করলে এ শাস্ত্রকে কুরআন পাঠের ব্যাকরণও বলা যেতে পারে।

    কুরআন বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত না করলে এর হক্ব আদায় করা হয় না। আর কুরআনের হক্ব আদায় করতে না পারলে এ তিলাওয়াত থেকে ফায়দা লাভ করার চিন্তা শুধুই দুরাশা। কারণ, অশুদ্ধ তিলাওয়াতে কখনোই কুরআনের নূর ক্বলবকে আলোকিত করবে না। তাই কুরআন শুদ্ধভাবে তিলাওয়াতের নিমিত্তে ‘তাজওইদ’ এর জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক মুসলিমের জন্যই অপরিহার্য। আর সে জরুরতকে সামনে রেখেই অত্যন্ত সরল ভাষায় রচিত হয়েছে “সহিহভাবে কুরআন শিক্ষা: তাজওইদ” বইটি।

    বইটিতে যা আছে____________
    বইটিকে মোট ১৪ টি অধ্যায়ে ভাগ করে তাজওইদের নানা বিষয়বস্তুকে ক্রমান্বয়ে তুলে ধরা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের আলোচনায় প্রথম ৫ টি অধ্যায়ে তাজওইদের একেবারে প্রাথমিক স্তরের আলোচনা করা হয়েছে। যাতে রয়েছে-
    তাজওইদের পরিচয়,
    তিলাওয়াতের প্রকারভেদ,
    আল-ইস্তিয়াজাহ,
    আল-বাসমালাহ ইত্যাদির পরিচয় ও বিধিবিধান।

    দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনায় ৬ষ্ঠ থেকে ১৩শ অধ্যায়ে স্থান পেয়েছে তাজওইদের মৌলিক বিষয়গুলো; যেখানে পর্যায়ক্রমিকভাবে আলোচিত হয়েছে-
    মাখরাজ,
    সিফাত,
    নূন সাকিন,
    তানওইন,
    তাফখিম,
    তারকিক,
    ওয়াকফ,
    ইবতিদা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।

    তৃতীয় পর্যায়ে শুধু একটি অধ্যায়ে অর্থাৎ ১৪শ অধ্যায়ে কুরআন মাজীদে ব্যবহৃত ওয়াকফ চিহ্নসমূহের বিবরণ দেয়া আছে।

    কেন পড়া উচিত____________
    তাজওইদের মতো একটি জটিল বিষয়কে সহজ ভাষায়, বোধগম্য পদ্ধতিতে এবং যথেষ্ট সরলীকরণ করে লেখিকা উপস্থাপন করেছেন এ বইতে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এখানে যেমন অনেক খুঁটিনাটি আলোচনা বাদ দেয়া হয়েছে, তেমনি বোঝার সুবিধার জন্য আলোচনার মাঝে উপযুক্ত স্থানে টেবিল, চার্ট ও চিত্র সন্নিবেশিত হয়েছে । উপরন্তু সহজে দৃষ্টিগোচর করার জন্য এবং গুরুত্ব বোঝাবার জন্য পুরো বইতেই হরফগুলোতে লাল কালি ব্যবহার করা হয়েছে- যা উপস্থাপন দক্ষতাকে বাড়িয়েছে বহুগুণ। প্রতিটি অধ্যায়ের শেষে শিখনফল যাচাইয়ের নিমিত্তে উল্লেখ করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নও।

    আরো কিছু কথা____________
    সংক্ষিপ্ত কলেবরের এ বইটি মূলত প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্যই রচিত। আর সে কারণেই এতে বিস্তারিত কোন আলোচনা স্থান পায়নি। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় লক্ষণীয়- বইটি নিজে নিজে পড়ে তাজওইদ শেখার জন্য নয়। বইটির প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনাগুলো অর্থাৎ প্রথম ৫ টি অধ্যায় নিজে পড়ে বোঝা সম্ভব হলেও বাদবাকি অধ্যায়গুলো ভালোভাবে বুঝতে হলে অবশ্যই কোন উস্তাযের শরণাপন্ন হতে হবে। কারণ, তাজওইদ নিজে নিজে পড়ার মতো কোন শাস্ত্র নয়। যেহেতু ইলমের এই শাখায় উচ্চারণ ও উচ্চারণ স্থান ইত্যাদি ব্যাপার অতি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়, তাই প্রত্যেক সচেতন শিক্ষার্থীরই উচিত হবে একজন যোগ্য উস্তাযের কাছে এ বইটি থেকে নিয়মিত তা’লিম নেয়া। তবেই তাজওইদের পূর্ণ শিখনফল অর্জিত হবে ইনশা আল্লাহ।

    কুরআনের ইলম অর্জনের একেবারে শুরুর ধাপ হিসেবে সবারই তাজওইদের জ্ঞান থাকাটা অপরিহার্য। তাই, তাজওইদের প্রাথমিক জ্ঞানলাভের জন্য যেকোনো সাধারণ শিক্ষার্থীরই উচিত বইটি সংগ্রহে রাখা।

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ। বইটি ভালো এবং সহজবোধ্য। অযথা কথার ফুলঝুরি নেই।
    Was this review helpful to you?
  3. 4 out of 5
    Rated 4 out of 5

    :

    ??? পবিত্র আল-কোরআন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব। আল- কোরান পাঠে আমরা বুঝতে পারি আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আনহু আমাদের কি আদেশ করেছেন আর কি নিষেধ করেছেন। মোটকথা হলো, প্রত্যেক মুসলমানের জীবনের চলার পথে গাইড লাইন স্বরূপ। বাংলা অর্থ সহ আল কোরআন পড়তে পারাটা জরুরী কেননা বাংলা অর্থ ছাড়া আরবি ভাষা বুঝা আমাদের জন্য কঠিন (যারা আরবি জানি না তাদের জন্য) । কোরআন মাজিদ সহিহ শুদ্ধভাবে না পড়তে পারাটা লজ্জা এবং গুণাহ। আর শুদ্ধভাব পড়তে পারলে প্রতিটা হারফের জন্য নেকি বরাদ্দ করে দিয়েছেন আল্লাহ সুবাহানাহু তায়ালা আনহু। আল-কোরআন পাঠে মনে এক অনাবিল প্রশান্তির বাতাস বয়ে যায়।তাই সামর্থ্যানুযায়ী শুদ্ধভাবে আরবী পড়তে পারাটা প্রত্যেক মুসলিম ও মুসলিমার জন্য ফরজে আইন।

    ? এই বইটি আমার মতো জেনারেল লাইনে পড়ুয়াদের জন্য খুবই উপকারী একটি বই।আমার ইখফার হারফগুলো ঠিক মতো উচ্চারণ হতো না লেখিকার অনলাইন এ ক্লাস গুলো করে এবং বইটি পড়ে আমার এই ভুল গুলো ধরা পরে। এছাড়াও আরো অনেক ভুল গুলো শুধরানোর চেষ্টায় আছি। বইটিতে আরবি প্রতিটি হারফ এর উচ্চারণ মুখের কোন দিক থেকে করতে হবে, কোন হারফ কতটা ভিতর থেকে উচ্চারণ হবে সব কিছু চিত্র একে খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।এছাড়াও সব গুলো অধ্যায়েরই বর্ননা খুব সুন্দর, সাবলীল ভাবে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। বইটি বারো (১২)টি অধ্যায়ে বিভক্ত।

    ♻️ অধ্যায় গুলোর নাম ও কিছু উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট নিম্নে সংক্ষেপে দেয়া হলো :

    ? ১. তাজওইদ এর পরিচয়, হুকুম ও উদ্দেশ্য-
    এই অধ্যায়ের শুরুতে অভিধানিক অর্থ, পারিভাষিক অর্থ, হুকুম, উদ্দেশ্য, ফায়েদা, উদ্ভাবক এবং শেষে অনুশীলন পয়েন্ট করে পর্যায়ক্রোমে বর্ণনা করা হয়েছে।আমি কয়েকটা লাইন উল্লেখ করছি। তাজওইদের অর্থ “আত-তাহসিন”। অর্থাৎ কোন কিছু শুদ্ধ ও সুন্দর করা। কুরআনের প্রতিটি হারফকে তার যথাযথ হক আদায় করে মাখরাজ ও সিফাত ঠিক রেখে সঠিক এ শুদ্ধ নিয়মে উচ্চারণ করা হলো এর পারিভাষিক অর্থ। আর বাকি গুলি সুন্দর করে বলা আছে পড়লে বুঝতে পারবেন।

    ? ২. লাহান ও এর প্রকারসমূহ-
    এই অধ্যায়ে লাহান, এর প্রকার ও হুকুম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিলাওয়াতের সঠিক নিয়ম কানুন ভঙ্গ করে তিলাওয়াত করা হলো লাহান এর পারিভাষিক অর্থ। লাহান দুই প্রকার :
    # লাহান জালি- স্পষ্ট ভুল
    # লাহান খাফি- অস্পষ্ট ভুল
    এগুলোর বর্ননা এবং শেষে অনুশীলন তো আছেই।

    ? ৩. তিলাওয়াতের প্রকারভেদ-
    এই অধ্যায়ে তিলাওয়াতের ৩টি প্রকারভেদ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।তিলাওয়াতের সুস্পষ্ট ধারণা পাবেন এখানে। এবং যথারীতি শেষে অনুশীলন পার্ট তো আছেই।

    ? ৪. আল-ইস্তিয়াজা এর পরিচয় ও বিধিবিধান-
    আল-ইস্তিয়াজা এর পারিভাষিক অর্থ হচ্ছে আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রাজীম পড়ার মাধ্যমে শয়তানের সমস্ত অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা। সূরা নাহলের ৯৮ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
    “যখন তুমি কোরান পাঠ করবে তখন অভিশপ্ত শয়তান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করবে”। এরপর এখানে এর বিধি মালা সম্পর্কে আলোচনার করা হয়েছে।

    ? ৫. আল-বাসমালাহ এর পরিচয় ও বিধিবিধান-
    আল-বাসমালা এর অভিধানিক অর্থ হচ্ছে বিসমিল্লাহ বলা। এখানে বিসমিল্লাহ কোথায় পড়া ওয়াজিব এবং কোথায় পরিহার করলে গুণা হবে এবং অন্যান্য নিয়ম কানুন সম্পর্কে বলা হয়েছে।

    ? ৬. মাখরাজের বিবরণ ও প্রকারসমূহ-
    তাজওইদ এ মাখরাজ বলে বুঝানো হয় হারফ উচ্চারণ হওয়ার স্থান। এখানে মাখরাজ এর বিভিন্ন প্রকার সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে। মুখের ভিতর কোথা থেকে কিভাবে কোন মাখরাজ উচ্চারণ হবে তা খুব চমৎকার করে লেখা আছে।

    ? ৭. সিফাতের বিবরণ-
    সিফাত অর্থ হচ্ছে হারফ সমূহের বৈশিষ্ট্য। সিফাত এর বিভিন্ন প্রকারভেদ সম্পর্কে খুব সহজ করে বিস্তারিত বলা আছে এখানে। কোন সিফাত এর কি কি বৈশিষ্ট্য, কিভাবে উচ্চারণ করতে হবে সব সহজ করে লেখা আছে।

    ? ৮. নুন সাকিন ও তানওইন এবং মিম সাকিন এর বিবরণ-
    নুন সাকিন হল যার মাঝে কোনো হারাকাত থাকে না। আর তানওইন দুই জবর, দুই জের, দুই পেশকে বলে। নুন সাকিন ও তানওইন এর হুকুম ও পরিচয় সম্পর্কে গুছিয়ে সুন্দর করে ব্যাখ্যা করা আছে।

    ? ৯. তাফখিম ও তারকিক এর বিবরণ-
    তাফখিম অর্থ ভারি করে উচ্চারণ করা আর তারকিক অর্থ পাতলা করে উচ্চারণ করা। এদের প্রকার ভেদ ও তিলাওয়াতের সময় কখন কোনটা হবে তার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া আছে।

    ? ১০. মাদ এর পরিচয় ও প্রকারভেদ-
    মাদের হারাফ (ى-و-ا) আসলে সে হারাফকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টেনে পড়াকে মাদ বলে। মাদের বিভিন্ন প্রকারভেদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। (মাদ আমার কাছে একটু কঠিন মনে হয়েছে)। কিন্তু অনেক সহজ করেই বলা আছে বইটিতে। অনেকেই খুব সহজেই বুঝে যাবেন।

    ? ১১. ওয়াকফ এবং ইবতিদা এর বিবরণ-
    ওয়াকফ অর্থ থেমে যাওয়া। আর ইবতিদা অর্থ
    হলো ওয়াকফের পর আবার শুরু করা, কোথা থেকে শুরু করলে ঠিক হবে আবার কোথা থেকে শুরু করলে আয়াতের অর্থ বদলে যাবে তা বুঝানো হয়েছে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা আছে। আমি শুধু সংক্ষিপ্ত করে বললাম। বাকিটা পড়লে বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

    ? ১২. ওয়াকফ এর চিহ্নসমূহ এর বিবরণ-
    কোরান তিলাওয়াত করার সময়ে কোথায় অবশ্যই থামতে হবে, কোথায় না থামলেও চলবে আর কোথায় কোনো ক্রোমেই থামা যাবে না সব কিছু চিহ্ন সহ সহজ করে বুঝিয়ে দেয়া আছে।

    ⏳ মাএ ৬৩ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট বইটি আল কোরআন শুদ্ধ ভাবে তিলাওয়াতের জন্য খুবই উপকারী। বইটির মূল্যও তুলনামূলক ভাবে অনেক কম। বইটিতে সহজ, সরল বাক্য প্রয়োগ করায় আমার মতো জেনারেল লাইন এ পড়ুয়াদের জন্য বুঝতে সহজ হবে ইনশাআল্লাহ।

    আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আনহু আমাদের সকলকে কোরআন সহিহ, শুদ্ধ ভাবে তিলাওয়াতের তওফিক দান করুন। আমিন।

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?