মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

শেষ চিঠি(হার্ডকভার)

পরিমাণ

110.00  180.00 (39% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

1 রিভিউ এবং রেটিং - শেষ চিঠি(হার্ডকভার)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 4 out of 5
    Rated 4 out of 5

    :

    মিজান সাহেব ব্যবসায়ী মানুষ। দুই মেয়ে, এক ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসার। মিজান সাহেব একটু ধার্মিক মনোভাব এর হলেও সৎ উদ্দেশ্য রেখে বড় মেয়ে নওশিনকে মেডিকেল এ পড়াচ্ছেন। তিনি চান ছেলে মেয়ে ধর্মীয় ধ্যান ধারণায় বেড়ে উঠুক। তবে বড় মেয়ে এর বিপরীত। সে চায় পশ্চিমা-সংস্কৃতিতে নিজেকে সাজাতে।
    একজন প্রতারক, নারী পাচার কারির সাথে তাঁর ভালবাসা।
    অন্যদিকে তরুণ আলেম লেখক আহসান। অপসংস্কৃতির বিপরীত স্রোতে লিখে চলে একের পর এক মানুষকে আলোর পথে আনতে। স্বনামধন্য এই লেখককেই পাত্র হিসেবে পছন্দ করে মিজান সাহেব। বিয়েও হয়। কিন্তু বিয়ের পর নওশিন তাঁর ভালবাসার মানুষকে ভুলতে পারে না। এক সময় কিডন্যাপ ও হয় পাচার এর উদ্দেশ্যে ভালবাসার মানুষটির দ্বারা। সেখান থেকে অনেক চড়াই উৎরাই পার করে মুক্তিও পায় সে। মুক্তি পেয়ে স্বামী আহসানকে কল করে সব বলতে সাহস না পেয়ে চিঠি লিখে। যে চিঠির ডাকবক্স কখনো খুলাই হয়না।

    এদিকে নওশিন নিজেকে দোষী ভাবে। ভাবে স্বামী হয়তো টাকে আর গ্রহণ করতে রাজি নয়, তাই যোগাযোগ করে না। এদিকে নওশিনকে না পেয়ে এক সময় অন্য একজন এর সাথে বিয়েও ঠিক হয়ে যায় আহাসান এর।

    বিয়ের ঠিক হবার পর হঠাৎ করেই নওশিন এর সাথে আবার দেখা হয় আহসান এর। কিন্তু ততদিনে…
    যেদিন আহসানের বিয়ে সেদিন নওশিন নিজেকে ঠিক রাখতে পারছে না…নিজের মনের ভিতর নানা প্রশ্ন উকি দিয়ে যাচ্ছে তাঁর। কেন এমন হলো?

    শেষ পর্যন্ত কি হলো এই শেষ চিঠিতে…জানতে হলে পরে ফেলুন বইটি।।

    প্রতিক্রিয়াঃ
    অনেক ভুলের মাঝে আমাদের বাস। কথা বলার মাধ্যমে খুব সহজেই যেখানে ভুল বুঝাবুঝি দূর করা সম্ভব সেখানে আমাদের মনে অনেক সঙ্কোচ ও দ্বিধা কাজ করে। এই দ্বিধার জন্যই দেখা যায় সম্পর্কগুলোই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে না। যেকোন বিষয়ে কথা বলে সমাধান করাই উত্তম। আমাদের ও পশ্চিমা-সংস্কৃতিতে থেকে বের হয়ে নিজেদের ঐতিহ্যকে ধারণ করার মানুষিকতা সৃষ্টি করা দরকার।

    Was this review helpful to you?