মেন্যু


শেষ বিদায়ের আগে রেখে যাও কিছু উত্তম নিদর্শন

অনুবাদক ও সম্পাদক : হাসান মাসরুর
বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১০৪

মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করে দুনিয়া থেকে সবার নিশ্চিত বিদায় নিতে হবে। এ বিদায়কে কেউ অস্বীকার করে না। এ বিদায়কালে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, ধন-সম্পদ কিছুই সঙ্গে রবে না। নিজের জন্য নিজের আর কিছুই করার থাকবে না। কত মানুষই এমন অবস্থায় ওপারে পাড়ি জমিয়েছে, তাদের চলে যাওয়ার পর দুনিয়াতে তাদের জন্য কোনো নিদর্শনই বাকি থাকেনি। ছেড়ে যাওয়া পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ তাদের কোনো কাজে আসেনি। কেননা, পার্থিব ভোগ-বিলাসে বিভোর থাকাই ছিল তাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। তাই তো দুনিয়ার জন্যই কেটেছে তাদের দুনিয়ার জীবন! পক্ষান্তরে যারা পরকালের পাথেয় সংগ্রহে দুনিয়ার ধন-সম্পদকে কাজে লাগিয়েছে, শেষ বিদায়ের আগে উপকারী অবদান রেখে গেছে, রেখে গেছে আমলের পাল্লাকে ভারী করার মতো নেক প্রয়াস আর উত্তম নিদর্শন—তারাই সফল, সার্থক তাদের দুনিয়ার জীবন!

পরিমাণ

94  134 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
জিলহজ্জ স্পেশাল গ্যাজেটস
- ১৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

1 রিভিউ এবং রেটিং - শেষ বিদায়ের আগে রেখে যাও কিছু উত্তম নিদর্শন

5.0
Based on 1 review
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    ‘‘দুজন মানুষ একই ধরণের নেক আমল করে। কিন্তু তাদের মধ্যে যে অধিক বুদ্ধিমান, সে এমন উঁচু থেকে উঁচু স্তরে পৌঁছে যায় যে, উভয়ের মর্যাদার মাঝে আসমান ও যমিনের তফাত হয়ে যায়।’’ বিখ্যাত আবেদ ও জ্ঞানী ব্যক্তি ওয়াহব ইবনু মুনাব্বিহ (রহ.)-এর কথা এটি। শায়খ সালেহ আল মুনাজ্জিদ তাঁর ‘‘শেষ বিদায়ের আগে রেখে যাও কিছু উত্তম নিদর্শন’’ বইতে এমন সব আমলের বর্ণনা এনেছেন, যেগুলো মর্যাদার দিক থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ, কিন্তু সেগুলোকে মানুষ ততটা গুরুত্ব দেয় না।
    .
    বই-পরিচিতি:
    যেসব আমল ব্যাপক ও বিস্তৃত পরিসরে মানুষের উপকার পৌঁছায়, লেখক এই বইতে সেগুলো একে একে সব তুলে ধরেছেন, কুরআন সুন্নাহর দলিলের আলোকে।
    .
    বইটির উল্লেখযোগ্য কিছু শিরোনাম:
    ‘‘সীমাবদ্ধ উপকারী ও বিস্তৃত উপকারী আমলের মধ্যকার পার্থক্য’’, ‘‘কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বিস্তৃত উপকারী আমলের মহান প্রতিদান’’, ‘‘কিছু উপকারী আমলের দৃষ্টান্ত’’, ‘‘মৃত্যুর পর যা অবশিষ্ট থাকবে’’ ইত্যাদি।
    .
    সৃষ্টির সেবা করা, তাদের প্রতি অনুগ্রহ করা, তাদের সমস্যা দূর করা, তাদের দোষ ঢেকে রাখা, তাদের হেদায়াতের জন্য কাজ করা, সাদাকাহ করা- এগুলো সকল নফল ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। নফল নামায, নফল রোযা, যিকরের ফযিলত অবশ্যই আছে, কিন্তু শরিয়তে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে সৃষ্টির সেবাকেন্দ্রিক আমলকে এবং সালাফগণও এগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে আমল করেছেন। নফল নামায, রোযা, তাসবিহাত, তিলাওয়াত এগুলোও জরুরি। কারণ এগুলো দ্বারা আত্মার পরিশুদ্ধি অর্জিত হয় আর খিদমাতুল খালক্ব বা সৃষ্টির সেবা দ্বারা আখিরাত সমৃদ্ধ হয়। মনে রাখা দরকার যে, খিদমাতুল খালক্ব একটি নবীয়ানা বৈশিষ্ট এবং পূর্ববর্তী নেককার ব্যক্তিদের অনুসৃত পদ্ধতি।
    .
    পাঠ-প্রতিক্রিয়া:
    পুরো বইটি জেলপেন আর লাইটার পেন দিয়ে দাগিয়ে দাগিয়ে সুখের সাথে পড়েছি। কারণ সব মণিমুক্তা দিয়ে বইটি সাজানো। এগুলোতে কলমের ছোঁয়া লাগানো জরুরি। মুহতারাম হাসান মাসরুরের অনুবাদ বরাবরই সুখপাঠ্য হয়। এই বইতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বইয়ের বাঁধাই, পৃষ্ঠার মান, প্রচ্ছদ সবই ভালো ছিলো। আলোচ্য কিতাবটি আমাদের জীবনের মিশন এবং ভিশনকে প্রভাবিত করার যোগ্যতা রাখে। বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের উচিত এই গুরুত্বপূর্ণ কিতাবটি সংগ্রহ করা। বইটি পড়ার দ্বারা একজন ব্যক্তি সহজে নিজের পরকালের সম্বলকে সমৃদ্ধ করে নিতে পারবে। আল্লাহ্ মুহতারাম লেখক শায়খ মুনাজ্জিদকে কবুল করুন, হেফাযত করুন।
    .
    বইটির শ্রেষ্ঠ দিক:
    এই বইটি পড়লে নেক আমলে প্রাধান্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সালাফদের সাথে বর্তমান মুসলিমদের দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্যটা সহজেই চোখে পড়বে। নেক আমলের ক্ষেত্রে আমরা কোনগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেই আর তাঁরা কোনগুলোকে দিতেন, তা জানা যাবে।
    .
    বইটিতে উল্লেখ করার মত কোনো নেতিবাচক দিক চোখে পড়েনি। তবে, একেকটি পৃষ্ঠায় লেখার পরিমাণ তুলনামূলক কম। অল্প লেখায় পৃষ্ঠা পূর্ণ হয়ে যায়। এদিকটা ঠিক করা দরকার।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top