মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

ঈমান ভঙ্গের কারণ

ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব (রহঃ)-এর “নাওয়াকিদুল ইসলাম। যেখানে তিনি বলেছেন এমন দশটি বিষয় যার কারণে একজন মুসলিমের ঈমান নষ্ট হয়ে যায়। আর সেই ১০টি কারণ সবিস্তারে ব্যাখ্যা করেছেন শাইখ সুলায়মান ইবনু নাসির আল উলওয়ান। সেই মূল্যবান ব্যাখ্যাগ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ হয়ে আসছে “ঈমান ভঙ্গের কারণ” শিরোনামে।
.
প্রতিটি ঘরে, দ্বীনি মজলিসে, দ্বীনি ভাই-বোনদের সার্কেলে এই কিতাবের দারস হোক। সকলেই নিজেদের ঈমান নিয়ে সচেতন হোক। ঈমানের সাথে যেন আমরা বেঁচে থাকতে পারি, আর ঈমানের সাথেই যেন আমাদের মৃত্যু হয়। এটাই আমাদের আন্তরিক চাওয়া। এই বই সেই পথেই একটি প্রচেষ্টা। আলহামদুলিল্লাহ।
.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১২

পরিমাণ

125.00  167.00 (25% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - ঈমান ভঙ্গের কারণ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5
    Rated 5 out of 5

    :

    Done. cintaporadh, boro jodi hote caw, lion of the desert, bipod jokhon niyamot, guraba, iman O bostubader,muslimder potone, hariye jawa mukto, srosta dhormo jibon, qiyamul lail, , ilm onneson, ma ma and baba, vul songshodhone, aiyubi, atmar porichorja, sesh ratrir golpogulo, sofolotar jonno chai, muhammod fateh, porte valobasi, amra abrahar jug e noi, nifak

    This Month: leadership lessons,shoytaner cokranto,
    eman vonger karon,dui monishir golpo,cholo sonali otit paney etc.

    Next Month: kostipathor, sopno theke ostoprohor

    রাদ সাহেবের মন খারাপ। কারণ, উনার সহকর্মী মুরারীচাদ মারা গেছেন। বড্ড অমায়িক লোক ছিলেন। দুজন একই স্কুলে পড়াতেন। মুরারীচাদ ব্রাহ্মণ পরিবারের লোক, হিন্দু ধর্মের সকল রীতিনীতি আজীবন পালন করে মুশরিক হিসেবেই মারা গেছেন।মুরারীচাদের মৃত্যু উপলক্ষে করা স্কুলের শোকসভায় রাদ সাহেব বক্তৃতা রেখে বললেন, “আমি আশা করি মুরারী সাহেব এখন বেহেশতে আরাম করছেন। উনি যেখানেই থাকেন ভালো থাকবেন।” উনার এক ছাত্র ক্লাসের পর জিজ্ঞেস করলো, “আচ্ছা, মুরারী স্যার তো হিন্দু। উনি কীভাবে বেহেশতে যাবেন?” ; জবাবে রাদ সাহেব বললেন, “আরে, ভালো মানুষদের জন্যই তো বেহেশত। উনি উনার স্বর্গে যাবেন। আর আমরা যাবো আমাদের জান্নাতে!”

    শুধু রাদ সাহেবই নন, আজকাল অনেক লোকই মনে করেন যে মুশরিকরাও জান্নাতে প্রবেশ করতে পারে। অথচ এটা ঈমান ভাঙ্গার একটা কারণ।
    ☞ “মুশরিকদের কাফের মনে না করা, তাদের কুফরির ব্যাপারে সন্দেহ করা কিংবা এমন বিশ্বাস রাখা যে তাদের ধর্ম সঠিক। এটা ঈমান ভাঙ্গার তৃতীয় কারণ।”

    আমাদের অবস্থা এমন হয়েছে যে, আমরা ওযু, নামাজ বা রোযা ভঙ্গের কারণ তো জানি, কিন্তু ঈমান ভঙ্গের কারণ সম্পর্কে গাফেল। অথচ ঈমান দুনিয়াতে মুসলমানের সবচেয়ে অমূল্য সম্পদ। ঈমান যদি না থাকে, তবে আমাদের ওযু, নামাজ, রোযা – সব আমলই বৃথা।
    আজকের রিভিউয়ের বইটি হচ্ছে ঈমান ভঙ্গের কারণগুলোর প্রাঞ্জল, সংক্ষিপ্ত এবং অনবদ্য এক ব্যাখ্যাগ্রন্থ।
    বইতে ঈমান ভঙ্গের দশটি কারণ সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে। আমি এখানে অল্প কয়েকটি কারণ নিয়ে আলোচনা করব যা বইটি পড়ার সময় আমার মনে দাগ কেটেছে।
    • ☞ ঈমান ভঙ্গের ১ম কারণ হচ্ছে আল্লাহর সাথে শিরক করা।
    যেহেতু এই মৌলিক কারণই ঈমান ভঙ্গের অন্যান্য কারণের পেছনে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। তাই এ কারণের ব্যাখ্যা বিশদভাবে করা হয়েছে। এখানে বড় শিরক আর ছোট শিরকের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    • ☞ ঈমান ভঙ্গের ২য় কারণ- বান্দা ও আল্লাহর মাঝে মাধ্যম বানানো, তাদেরকে ডাকা, তাদের কাছে দুয়া করা, তাদের উপর আস্থা রাখা। যে এমন করবে সে কাফের।
    শাফায়াত কেবল আল্লাহর কাছে চাওয়া যাবে। দুইটি শর্ত আছে। এক, আল্লাহর অনুমতি। দুই, সুপারিশকৃত ব্যক্তির উপর আল্লাহর সন্তুষ্টি।

    • ☞ ঈমান ভঙ্গের ৩য় কারণ- মুশরিকদের কাফির মনে না করা, তাদের কুফরির ব্যাপারে সন্দেহ করা কিংবা তাদের ধর্মকে সঠিক মনে করা।
    মুশরিকদের ধর্ম সঠিক মনে করা ও তাদের গুমরাহিকে উত্তম ভাবা ব্যাক্তি কাফের। মুশরিকরা আল্লাহর দুশমন, তাদের সাথে নমনীয়তা নেই। তাদের আমলকে বর্জন ও ঘৃণা করা, তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করা ও তাদের কাফের বলা তাগুতকে অস্বীকার করার উপায়।
    যারা মুশরিকদের ভালোবাসে ও তাদের সাথে সখ্যতা রাখে – তাদেরকেও ঘৃণা করতে হবে। এজন্য আবশ্যক কাফেরদের মাঝে অবস্থান না করা, কাফের দেশে না থাকা।
    কাফেরদের মত-আদর্শ যেমন গণতন্ত্র, কমিউনিজম এগুলোকেও সঠিক বলা ঈমান ভঙ্গের কারণ।

    • ☞ ঈমান ভঙ্গের ৪র্থ কারণ- রাসূলের ﷺ আনীত দ্বীন ব্যাতীত অন্য জীবন ব্যবস্থা বা আইনকে উত্তম মনে করা, প্রাধান্য দেয়া; অন্য মতকে অধিক পরিপূর্ণ মনে করা কিংবা তালাশ করা।
    কেউ যদি বিশ্বাস করে অন্য আইন মুহাম্মাদ ﷺ এর আনীত আইন অপেক্ষা উত্তম – এমন কাজ কুফরি, যে করবে সে কাফের।
    কেউ যদি মনে করে ইসলামের আইন চুরির শাস্তি হাত কাটা এ যুগের সাথে মানানসই না – সেও কাফের।
    কেউ যদি ভাবে এ যুগে আল্লাহর আইনকে মানবরচিত আইন দ্বারা বদলে দেয়া জায়েয সেও কাফের। কারণ সে মনে করে হালাল কে হারামে বদলে দেয়া বৈধ।

    • ☞ ঈমান ভঙ্গের ৮ম কারণ- মুসলিমদের বিরুদ্ধে মুশরিকদের সহায়তা করা।
    কাফেরদের প্রতি বাহ্যিক বিদ্বেষ, অন্তরে ভালোবাসা রাখা মুনাফেকী।

    কাফেরদের সাথে কারো বাহ্যিক একতা, কিন্তু অন্তরে বিদ্বেষ থাকলে কী হবে? এক্ষেত্রে দুইটি ব্যাপার রয়েছে।
    ক) জীবননাশের আশংকায়, প্রহার বা বন্দীত্বের কারণে এমন করলে তা জায়েজ আছে। শর্ত হলো, অন্তরে পরিপূর্ণ ঈমান রাখতে হবে। অন্তর তো আর ভয় দেখিয়ে কেউ দখল করতে পারবেনা।
    খ) ক্ষমতা, সিকিউরিটি, সম্মান বা সম্পদের লোভে এমন করলে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে।

    বইয়ের কিছু আকর্ষণীয় দিকঃ
    ১। মূল বইতে লেখক সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে লিখেছেন। তাই লেখার ধরন সহজবোধ্য।
    ২। বইয়ে প্রচুর পরিমাণে টীকার ব্যাবহার করা হয়েছে। অনুবাদক নানা তথ্যবহুল সূত্র যোগ করে আলোচনাকে বোধগম্য ও প্রাসঙ্গিক রাখতে চেষ্টা করেছেন। অনুবাদের ভাষা সরল রেখেছেন, যা প্রশংসনীয়।
    ৩। বইয়ের প্রচ্ছদ সম্পূর্ণ প্রাসঙ্গিক ও আকর্ষণীয়।ক্রিম কালারের পেজ কোয়ালিটি দেখে মনে হয় যেন বিদেশী বই। দাম অনেক কম।
    ৪। রিয়া করলে কখন আমল বরবাদ হবে সে ব্যাপারে সুন্দর আলোচনা এসেছে।
    i) যখন আমলের মূল উদ্দেশ্যই লোক দেখানো, আল্লাহর সন্তুষ্টি নয় – তখন আমাল বরবাদ।
    ii) আমল আল্লাহর জন্যে করার নিয়ত করা হয়েছে। পরে রিয়া ঢুকেছে। এমন হলে যদি আমলের শুরুতেই ইখলাস না থাকে, রিয়া ঢুকে যায় তবে তা বাতিল।
    তবে যদি আমল ইখলাসের সাথে শুরু করার পরে হঠাৎ হঠাৎ রিয়ার ভাব চলে আসে, তবে আমল বাতিল হবে কিনা এ ব্যাপারে ইখতিলাফ আছে।

    বইটির কিছু বিস্ময়কর দিকঃ
    বইটি পড়ে এমন কিছু বিষয় জেনেছি যা আগে জানতাম না বা ভাসা ভাসা জানতাম। কিছু জিনিস জেনে অবাক হয়েছি।যেমন-
    ১। যাদু দ্বারা ভালো কাজ করলেও তা কুফরি। যেমন যাদু দ্বারা সংসারে মিল করে দেয়া বা অন্য কারো যাদু কাটানোও কুফরি।
    হায়! আমাদের সমাজে কত মানুষ যাদু কাটানোর জন্য যাদুকরের কাছে যায় এবং এভাবে ঈমান ভেংগে ফেলে।
    ২।যাদুতে কুফরি থাকলে যাদুকর কাফের এবং ইসলামে তা হত্যাযোগ্য অপরাধ- এটা জানতাম। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো ইমাম শাফেঈ (রহ) ছাড়া বেশিরভাগ আলেমগণ এমনকি যেসব জাদুকর হাত সাফাই বা ভেলকিবাজির যাদু করে (যেমন জুয়েল আইচ) তাদেরকেও কাফির বলে ওয়াজিবুল ক্বতল বলেছেন। এ থেকে বুঝা যায়, ইসলামে জাদু কতটা নিন্দনীয়।
    আর ইমাম শাফেঈ (রহ) বলেছেন, যাদুতে আইওয়াশ কেবল যদি থাকে, কুফরি না থাকে তবে যাদুকর কাফের না। তবে তার কাজটি হারাম। সে যদি যাদু করা হালাল বলে দাবী করে তখন আবার সে কাফের হয়ে যাবে। কারণ সে হারামকে হালালে বদলে দিচ্ছে।
    ৩। গণতন্ত্র কেন আলাদা একটি দ্বীন, ইসলামের সাথে গণতন্ত্রের কী কী পার্থক্য আছে তা নিয়ে সুন্দর দশটি পয়েন্ট আলোচনা করা হয়েছে বইয়ের টীকাতে।
    ৪। শুধু তাই নয়, মিল্লাতে ইবরাহীম নিয়েও আলোচনা এসেছে। বাদ যায়নি ন্যাশনালিজম বা সেকুলারিজম নিয়েও আলোচনা।

    বইয়ের কিছু কমতিঃ
    ১। ব্যাখ্যা আরেকটু বিশদ হলে আমার ভালো লাগতো। উদাহারণ দিয়ে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বুঝালে উত্তম হতো।
    ২। ঈমান ভঙ্গের ৮ম কারণ মুসলিমদের বিরুদ্ধে মুশরিকদের সহায়তা করা নিয়ে আলোচনা আরেকটু বড় হবে আশা করেছিলাম। যেহেতু এই জিনিসটা উম্মাহর নেতাদের মাঝে মহামারী আকারে বিরাজমান। সম্ভবত ৩য় কারণে লেখক ইঙ্গিতে অনেক কিছু বুঝিয়ে দিয়েছেন তাই এ নিয়ে আর কথা তেমন বাড়াননি।
    ৩। কিছু প্রিন্টিং মিসটেক হয়েছে। মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহাবের পরিচিতিতে কিছু অংশে উনার নাম লিখতে ভুল করা হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি শব্দচয়ন আরো উন্নত করা যেতো। তবে এটি আমার ব্যাক্তিগত মত।
    ৪। প্রাচীন বানানরীতি ব্যাবহার করা হয়েছে। সীরাতের সব বইয়েই তা করা হয়। যদিও আমার খারাপ লাগেনা, তবে ভালো হতো সকল প্রকাশক যদি একই ধরনের রীতি ব্যাবহার করতেন।
    তথ্যসূত্রঃ কোরআন, হাদীসের প্রসিদ্ধ কিতাবাদি, তাফসীরে কুরতুবি, কিতাবুল ঈমান, ইসলামী আকিদা ও ভ্রান্ত মতবাদ, তাফসীরে সূরা তাওবাহ ইত্যাদি অনেক সূত্রের সাহায্য নিয়েছেন অনুবাদক মূল বইকে সমৃদ্ধ করার জন্য। অনুবাদকের টীকাগুলোর প্রশংসা না করলেই নয়।
    উপসংহারঃ অসাধারণ একটি বই। আমাদের সবার পড়া উচিত। আলেমদের এ নিয়ে বেশি বেশি কথা বলা উচিত। আর সাধারণ মানুষ যারা দ্বীন নিয়ে উদাসীন, তাদের ঈমান ভঙ্গের কারণগুলো নিয়ে ভাবা উচিত। দশম কারণের ব্যাখ্যায় সুন্দর একটি কথা বলা হয়েছে। “ইসলামের বিষয়ে নিউট্রাল থাকা, রাসূলকে দোস্ত দুশমন কোনোটিই না জ্ঞান করা, দ্বীনের ফরজিয়াতের ব্যাপারে পাত্তা না দেয়া – ঈমান ভঙ্গের কারণ।” তাই সাবধান হওয়া উচিত।
    আসুন না, সকল ভ্রান্ত চিন্তা-চেতনাকে জ্বলাঞ্জলি দিয়ে ঈমাদের দীপ্ত মশাল জ্বেলে সমগ্র পৃথিবীকে রাঙ্গিয়ে দেই তাওহীদের রংয়ে!

    Was this review helpful to you?
  2. 4 out of 5
    Rated 4 out of 5

    :

    পড়ছিলাম সীরাত পাবলিকেশন এর “ঈমান ভঙ্গের কারণ” বইটি। বইটা পড়াটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। একজন মুসলিম হলেই যে সে সারাজীবন মুসলিম থাকবে তার কোনো গ্যারান্টি নেই। এমন কিছু কাজ রয়েছে যা করলে একজন মুসলিম, মুরতাদ-কাফিরে পরিণত হতে পারে। তাই কি সেইসব কাজ তা জানার জন্যে এই বইটি পড়া খুবই দরকার। আর আজকাল আমাদের অবস্থা এমন যে আমরা ওযু ভংগের কারণ জানি কিন্তু ঈমান ভংগের কারণ জানিনা। অথচ ঈমানই যদি না থাকে আপনি ওযু করে কি করবেন?
    .
    যাইহোক,বইটি একটি অনুবাদগ্রন্থ। বইয়ের মূল বিষয় গুলো সম্পর্কে বলার তো আমার কিছুই নেই। একজন মুসলিমের জীবনে ঐ বিষয়গুলা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মূল বিষয়ের বাইরে, অনুবাদকের কিছু সংযুক্ত টীকা পড়ে কয়েকটি বিষয় নতুনভাবে জানলাম। এমন কিছু বিষয় জানতে পারলাম যার সম্পর্কে আমার ধারণা ছিল কিন্তু এতটা ক্লিয়ার ছিলনা। বইটির ৩৩,৩৪ আর ৩৫ নম্বর টীকা গুলোর কথা বলছি। ৩৩ নম্বর টীকা নিচে দিলাম ৩৪,৩৫ নম্বরটা পড়ে নিয়েন, লিখতে কষ্ট হয়।
    .
    “সমষ্টিগতভাবে নারীরা পুরুষদের সমপর্যায়ের নয়।”(৩৩)

    এই অংশের টীকায় যা আছে-
    “এখানে তিনটি বিষয়- মর্যাদা,অধিকার ও দায়িত্ব। মর্যাদায় আল্লাহর কাছে নারী-পুরুষ সমান। তারতম্য হবে তাকওয়া ও আমালে সালিহার ভিত্তিতে। অধিকারের দিক থেকে তো ইসলাম নারীকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। প্রায়োরিটির সর্বোচ্চ আসনে সমাসীন করেছে। বাকি রইল দায়িত্ব কিংবা নেতৃত্ব। এক্ষেত্রে পুরুষকে আল্লাহ তা’য়ালা আগে রেখেছেন। কেননা সৃষ্টিগতভাবেই নারীর তনু-মন নরম,কোমল ও আবেগপ্রবণ। “

    Was this review helpful to you?