মেন্যু
salafder siam

সালাফদের সিয়াম

প্রকাশনী : আযান প্রকাশনী
পৃষ্ঠা : 112, কভার : পেপার ব্যাক
ভাষান্তরঃঃ মুহিবুল্লাহ খন্দকার সম্পাদনা ও সংযোজনঃঃ রাজিব হাসান "সালাফদের সিয়াম" বইটিতে মূলত: সাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া আজমাঈন), তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈন (রাহিমাহুমুল্লাহ) কীভাবে সিয়াম পালন করতেন, কীভাবে রমাদ্বানের রজনীগুলো অতিবাহিত করতেন, কুরআনের সাথে... আরো পড়ুন
পরিমাণ

120  164 (27% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

7 রিভিউ এবং রেটিং - সালাফদের সিয়াম

5.0
Based on 7 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    আফরিন শিফা:

    🍁বই পরিচিতি

    বইঃ সালাফদের সিয়াম
    মূলঃ ড. সাইদ বিন ওয়াহফ আল ক্বাহতানী (রহ.) ও উম্মে আব্দ মুনীব।
    ভাষান্তরঃ মুহিবুল্লাহ খন্দকার
    সম্পাদনা ও সংযোজনঃ রাজিব হাসান
    প্রচ্ছদ ডিজাইনঃ মাহামুদুর রহমান
    প্রচ্ছদঃ পেপারব্যাক
    পৃষ্ঠাঃ ১১২
    প্রচ্ছদ মূল্যঃ ১৬৪/-

    🍁পাঠকদের জন্য “সালাফদের সিয়াম” বইটির শর্ট পিডিএফ উন্মুক্ত করা হয়েছে। যেখানে আমরা দেখতে পেয়েছি বইটি ৩ টি অংশে ভাগ করে আলোচনা করা হয়েছে।

    🌾প্রথম অংশে –
    ★রমাদ্বানে দান ও সদকার আধিক্য।
    ★ মা আয়িশা (রা:) এর চোখে নবীজির রমজান।
    ★ কিয়ামুল লাইল।
    ★ লাইলাতুল কদরের তালাশ।
    ★সালাফদের কুরআন তিলাওয়াত।

    🌾দ্বিতীয় অংশে –
    ★রমাদ্বানের বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা।
    ★অপেক্ষার প্রহর।
    ★সালাফদের গ্রীষ্মকালীন ও শীতলালীন রমাদ্বান।
    ★ সালাফদের শেষ দশক।

    🌾তৃতীয় অংশে –
    ★ রমাদ্বান কড়া নাড়ে।
    ★ রমাদ্বান আসার আগে।
    ★ সালাফদের সিয়ামসাধনা।
    ★ সিয়ামের মাসে দূর্ভাগা যারা।
    ★ সিয়ামের অভ্যন্তরীণ শিক্ষা।
    ★ রমদ্বানের শেষ দশ রাতের আমল।
    ★ রমাদ্বানের শেষের দশকে লাইলাতুল কদরের তালাশ।

    🍁শর্ট পিডিএফ পড়ে আমার অনুভূতিঃ

    সালাফেরা সর্বদা আমাদের নাবী কারীম (সা) এর আদর্শকে নিজেদের মডেল হিসেবে রাঙিয়ে তুলতেন। নবীজি (সা) যেমন রমজান মাস আসলে ইবাদাতের ব্যাপারে কোমর বেধে নেমে পড়তেন তেমনি তার সাথীরাও তাকে সর্বদা অনুসরণ করতেন। তারা রমজানের ৬ মাস আগে থেকেই আল্লাহর কাছে এই ফরিয়াদ জানাতেন,,,,

    ” হে আল্লাহ! আমাকে রমাদ্বন পর্যন্ত নিরাপদে পৌঁছিয়ে দিন, রমাদ্বনকে আমার পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিন এবং আমার কাছ থেকে কবুল করুন”

    রমাদ্বনে তারা তাদের দান সদাকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতেন। একে অপরকে কুরআন পড়ে শোনাতেন। সারা মাস আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সিয়াম পালন করতেন। দীর্ঘ সময় কিয়ামূল লাইল এ দাঁড়িয়ে স্বলাত আদায় করতেন। কোন কোন রাত চলে যেত কিয়ামুল লাইলেই কাটিয়ে দিতেন। রমজানের শেষ দশদিন ক্বদরের রাত্রির তালাশ করে বেড়াতেন সাথে নিজের পরিবারকেও সেই তাগিদ দিতেন।

    নবীজি (সা) লাইলাতুল ক্বদরের রাত্রির জন্য চমৎকার একটি দোয়া শিখিয়ে দিয়ে গেছেন।

    اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

    “হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাকারী, তুমি ক্ষমা করতেই ভালোবাসো। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও”।

    সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩৮৫০।

    সালাফেরা এ রমজান মাসকে তাদের জীবনের বসন্তকাল মনে করে ইবাদাতের ক্ষেত্রে একে অপরের সহযোগী হয়ে প্রতিযোগিতায় নেমে পড়তেন।

    “সালাফদের সিয়াম” বইটিতে লেখক অত্যন্ত সুচতুরভাবে সালাফদের সিয়াম সম্পর্কে পাঠকের নিকট ফুটিয়ে তুলেছেন যা পাঠকের অন্তরে বসন্তের ছোঁয়া লাগাতে সক্ষম।। ইন শা আল্লাহ।

    🍁বইটি কেন পড়ব বা পড়া উচিতঃ

    “সালাফদের সিয়াম” বইটি প্রত্যেক পাঠকের পড়া উচিত। এ বই থেকে আমরা যা যা জানতে ও শিখতে পারব সাথে নিজের জীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাঙিয়ে তুলতে পারব সেগুলো হলো–

    ‌🌾রমাদ্বনের গুরুত্ব অন্তর থেকে উপলব্ধি করা।
    🌾দান সদাকার ব্যাপারে কার্পণ্য না করা।
    🌾কিয়ামুল লাইলের মনোযোগের সাথে দীর্ঘতম করা।
    🌾একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সিয়াম পালন করা।
    🌾ক্বদরের রাত্রির তালাশ করা।
    🌾বেশি বেশি আমলের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া।
    🌾নিজে বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করা ও অন্যকে পড়ে শোনানো।
    🌾একে অপরের সহযোগী হয়ে আমলের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করা। ইন শা আল্লাহ।

    আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে রমাদ্বন অবদি পৌঁছানোর তৌফিক দান করুন। ( আমীন ইয়া রব্বুল আলামীন)

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    MD Sazol:

    🔅প্রারম্ভিকাঃ
    ______________

    ইসলামের মূল স্তম্ভ বা খুঁটি গুলোর মধ্যে সিয়াম (রোজা) অন্যতম ।সুবহে সাদিকের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম।
    রাসূল ﷺ যেভাবে রমাদানে সিয়াম পালন সহ অন্যান্য আমল করতেন তা সাহাবায়ে কেরাম ও সালাফগণদের ইবাদাতের দিকে তাকালে আরও স্পষ্ট বুঝা যায়। আর তাই সালাফগণ কিভাবে পবিত্র রমাদান মাস উদযাপন করেছেন এ নিয়েই আযান প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হচ্ছে “সালাফদের সিয়াম” বইটি।

    ⛔শর্ট পিডিএফ পড়ে বইটির পর্যালোচনা:
    _______________________________

    প্রকাশের পূর্বেই প্রকাশনী কতৃক পাঠকদের জন্য মূল বইয়ের একটি শর্ট পিডিএফ উন্মুক্ত করা হয়েছে। যেখানে স্থান পেয়েছে বইয়ের ৩টি সূচিপত্র সহ বেশকিছু অংশ।যার মাধ্যমে উল্লেখযোগ যে বিষয়গুলো জানতে পারলামঃ-
    🔹অধ্যায় ভিত্তিক আসলাফদের রমজান মাসের কর্মপন্থা ।
    🔹আমি কি ভাবে কাটাবো এই রমজান কে তার জন্য দিকনির্দেশনা ও নিত্যকার্যসূচি।
    🔹রমজানের প্রয়োজনীয় দোয়া,মাসাআলা—মাসায়েল।
    🔹রামাদানে দান ও সাদকার আধিক্য।
    🔹নিজে কোরআন পড়া ও কোরআন শোনানোর ফযিলত সমূহ উঠে এসেছে বইটিতে।
    🔹সালাফদের রামাদানের প্রথম রাত ও শেষ দশ রাতের আমল সমূহ সম্পর্কে জ্ঞান লাভ।

    ✅বইটি কেন পড়বেন?
    _______________________
    বইটি মূলত সালাফগণ রামাদানকে ঘিরে কিভাবে প্রস্তুতি নিতো,এ মাসে কতটা গুরুত্ব নিয়ে আমল করতেন,তারা এ মাসকে কতটা মেহনত করতো তা নিয়ে। সুতরাং বইটি পড়ে প্রতিটি মুসলিম উম্মাহর সিয়াম পালনের সঠিক এবং সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করে তার সুফল ভোগ করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

    🔸নিজস্ব অভিমতঃ
    ______________________
    ১৪ পৃষ্ঠার শর্ট পিডিএফ পাঠপূর্বক আমি আশা রাখি, রামাদানের প্রস্তুতির জন্য সালাফগনের শিক্ষা নেওয়ার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটা বই হবে ইনশাআল্লাহ্।

    ♦️বই বৃত্তান্ত:
    ________________
    বইঃ সালাফদের সিয়াম
    মূলঃ ড. সাইদ বিন ওয়াহফ আল ক্বাহতানী (রহ.) ও উম্মে আব্দ মুনীব।
    ভাষান্তরঃ মুহিবুল্লাহ খন্দকার
    সম্পাদনা ও সংযোজনঃ রাজিব হাসান
    প্রচ্ছদ ডিজাইনঃ মাহামুদুর রহমান
    প্রচ্ছদঃ পেপারব্যাক
    পৃষ্ঠাঃ ১১২
    প্রচ্ছদ মূল্যঃ১৬৪/-

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    ফাহিম:

    আল্লাহর তায়ালার সবথেকে অনুগ্রহের মাস রমাদান।এই মাসেই অবতীর্ণ হয়ে ছিল পবিত্র আল-কুরআন।নবি সা. এই মাসের বিশেষত্ব সম্পর্কে বলেন, এ মাসে প্রত্যেক রাতে অনেক মানুষ জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করে।তাই আমাদের কি উচিৎ নয় এ মাস আমরা আমাদের নবি সা. এবং মুসলিম উম্মাহর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ অর্থাৎ সালাফদের অনুযায়ী পালন করি?জী অবশ্যই। সালাফেরা ৬ মাস আগে থেকেই পবিত্র রমাদান মাসের জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করতেন।আযান প্রকাশনির এ বইয়ে তারা কিভাবে রমাদান মাস পালন করতেন তা উঠে এসেছে।সাথে রয়েছে রমাদান মাস নিয়ে গুরুত্তপূর্ণ হাদিসসমূহ।

    কেন এই বইটি পড়ব?

    এ বইটিতে উঠে এসেছে সালাফদের রমাদান জীবন।তারা কিভাবে এই মহামহিম মাসে জীবন-যাপন করতেন। বইটি পড়ার মাধ্যমে আমরা রমাদান মাসে সালাফদের অনুসরণ করতে পারবো।তাদের পথে হেটেই আমরা মুক্তি পাবো।তারা যেভাবে রমাদান পালন করেছেন সেভাবে পালন করতে শিখবো।তাহলেই হয়তো রমাদানের একরাতে আমাদেরকেও জাহান্নাম থেকে মুক্তি প্রদান করা হবে।কিন্তু সবথেকে দুঃখের বিষয় আমাদের তাদের সম্পর্কে তেমন জ্ঞান নেই।আমরা অনেক ব্যস্ততার মাঝে জ্ঞান আহরণ করতেও চাই না।

    তাই এই ছোট বইটি পড়ার মাধ্যমে আমরা তাদের রমাদান মাসে তাদের অনুসরণ করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

    আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাদের অনুসরণ করার তৌফিক দান করুক।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    তানভীর আহম্মেদ:

    মহান আল্লাহ তায়ালার সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ মাস হলো রমাদ্বান মাস। এই মাসেই মানবজাতির হেদায়েতের জন্য আল্লাহ তায়ালা নাজিল করেছেন মহিমান্বিত কুরআন। রমাদ্বান মাস গুনাহ মাফ করানোর মাস। যে মাসে রয়েছে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম রজনী। রাসূল ﷺ যেভাবে রমাদ্বানে সিয়াম পালন সহ অন্যান্য আমল করতেন তা সাহাবায়ে কেরাম ও সালাফগণদের ইবাদাতের দিকে তাকালে আরও স্পষ্ট বুঝা যায়। আর তাই সালাফগণ কিভাবে পবিত্র রমাদ্বান মাস উদযাপন করেছেন এ নিয়েই আযান প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হচ্ছে “সালাফদের সিয়াম” বইটি।

    রমাদ্বান মাসে আমাদের প্রিয়নবী ﷺ এবং সালাফাগন ইবাদাতে মশগুল থাকতেন।
    আম্মাজান আইশা (রা.) বলেন,
    “রমাদ্বানে রাসূলুল্লাহ ‎ﷺ ঘুমাতেন, জাগতেন এবং সলাত আদায় করতেন। তবে, যখন শেষের দশদিন এসে যেত, তখন তিনি সারারাত জাগতেন, কোমর শক্ত করে বেঁধে নিতেন, স্ত্রীদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতেন, মাগরিব ও ইশার মাঝে গোসল করতেন, অতঃপর সাহরির সময় রাতের খাবার খেতেন।”
    পাশাপাশি রমাদ্বানের পূরে সালাফাগন রমাদ্বানের প্রস্তুতি নিতেন।
    আয়েশা (রা.) বলেন,
    “রাসুলুল্লাহ ﷺ এর নিকট সিয়াম পালনের জন্য শাবান মাস অন্য মাসের তুলনায় বেশি প্রিয় ছিল। অতঃপর তিনি এই মাসে এতো সিয়াম পালন করতেন যে, এটিকে রমাদ্বানে সাথে মিলিয়ে দিতেন।”
    রমাদ্বান সম্পর্কে তারা- ১/কুরআনুল কারিমে বর্ণিত আল্লাহর আকাশবার্তা,
    ২/হাদিসে বর্ণিত রাসূল (সাঃ) এর মর্মবাণী বুঝতে পেরেছিলেন। ফলে সালাফগণ রমাদ্বান মাসে নেক আমলের প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত থাকতেন।আবার, আল্লাহর নিকট কোনো কোনো সালাফদের দুআ এরকম ছিল-
    “️হে আল্লাহ! আমাদের রমাদ্বান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিন।”
    এছাড়াও সালাফাগন ৬ মাস রমাদ্বানের জন্য অপেক্ষা তো করতেনই পাশাপাশি পরবর্তী ৬ মাস ইবাদত কবুল করার জন্য দোয়া করতেন।

    প্রকাশের পূর্বেই প্রকাশনী কতৃক পাঠকদের জন্য মূল বইয়ের একটি শর্ট পিডিএফ উন্মুক্ত করা হয়েছে। যেখানে স্থান পেয়েছে বইয়ের সূচিপত্র সহ বেশকিছু অংশ।

    বইটিকে ৩টি অধ্যায়ে সাজিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

    প্রথম অধ্যায়ে স্থান পেয়েছে-
    🌴রমাদ্বানে দান ও সদকার আধিক্য
    🌴 মা আয়িশা (রা:) এর চোখে নবীজির রমজান
    🌴 কিয়ামুল লাইল
    🌴 লাইলাতুল কদরের তালাশ
    🌴 সালাফদের কুরআন তিলাওয়াত
    🌴 ইতিকাফ এবং সর্বদা মসজিদে থাকা সহ আরও কিছু বিষয়।

    দ্বিতীয় অধ্যায়ে আলোচিত হয়েছে-
    🌴রমাদ্বানের বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা
    🌴 অপেক্ষার প্রহর
    🌴 সালাফদের গ্রীষ্মকালীন ও শীতলালীন রমাদ্বান
    🌴 সালাফদের শেষ দশক ইত্যাদি।

    তৃতীয় অধ্যায়ে রয়েছে-
    🌴 রমাদ্বান কড়া নাড়ে
    🌴 রমাদ্বান আসার আগে
    🌴 সালাফদের সিয়ামসাধনা
    🌴 সিয়ামের মাসে দূর্ভাগা যারা
    🌴 সিয়ামের অভ্যন্তরীণ শিক্ষা
    🌴 রমদ্বানের শেষ দশ রাতের আমল
    🌴 রমাদ্বানের শেষের দশকে লাইলাতুল কদরের তালাশ

    বইটি কেন পড়বেন?
    ✅ সালাফাগনের আমল দেখে নিযে আমল করার জন্য।
    ✅ গুনাহ মাফের উত্তম পন্থা অবলম্বন করার জন্য।
    ✅ রমাদ্বানে লাইলাতুল কদর পাওয়ার জন্য।

    📖 বইটি পড়লে আপনার পরিবর্তন আসবে এবং আমল বৃদ্ধি পাবে ইন-শা-আল্লাহ। বইটিতে ভাষার ব্যবহার প্রসংশার দাবি রাখে। পাশাপাশি সবকিছুর রেফারেন্স টীকা হিসেবে নিচে দেওয়া হয়েছে।

    রমাদ্বানকে সামনে রেখে ছোট অথচ গুরুত্বপূর্ণ বইটি সকলের জন্য পড়ে নেওয়া উত্তম।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    Sumayyah Amatullah:

    🌺️প্রিভিউঃ”সালাফদের সিয়াম”🌺
    —————————————————
    রমাদ্বান মাসটি যেভাবে অতিবাহিত করা উচিত এবং আমাদের পূর্ব-প্রজন্মের নেককার “সালাফে সালেহীন” গণ যেভাবে রমাদ্বান মাসের প্রতিটি দিন অতিবাহিত করতেন তা আমাদের জানানোর সুবিধার্থে “সালাফদের সিয়াম” সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে ‘আযান প্রকাশনী’ হতে “সালাফদের সিয়াম” নামক বইটি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বইটির ১৪ পৃষ্ঠার শর্ট পিডিএফ প্রকাশিত হয়েছে।বইটির বিষয়সূচিকে ৩ টি অংশে সাজানো হয়েছে।

    🔖”সালাফদের আখলাক” বইটির শর্ট পিডিএফ পড়ে যা জানতে পারলাম-
    —————————————————-🔸সাহাবীদের (রাঃ) প্রজন্ম এবং তাদের পরবর্তী ২ প্রজন্মের সালাফে সালেহীন (রহি.) দের অবস্থা ছিল বড়ই শানদার। রমাদ্বান সম্পর্কে তারা- ১/কুরআনুল কারিমে বর্ণিত আল্লাহর আকাশবার্তা,
    ২/হাদিসে বর্ণিত রাসূল (সাঃ)  এর মর্মবাণী বুঝতে পেরেছিলেন।
    ফলে সালাফগণ রমাদ্বান মাসে নেক আমলের প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত থাকতেন।আবার, আল্লাহর নিকট কোনো কোনো সালাফদের দুআ ছিল-
    ▪”️হে আল্লাহ! আমাদের রমাদ্বান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিন”।
    🔸বইটি যেভাবে মুসলিম উম্মাহর উপকার করবে-
    ———————————————————-
    ১🔖সালাফগণের ন্যায় রমাদ্বান মাসকে আল্লাহর ইবাদাতে পরিপূর্ণে হালতে পৌঁছাতে সাহায্য করবেন ইনশা আল্লাহ্।
    ২🔖রমাদ্বানের বরকতময় মাসে দানশীল হয়ে উঠতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    ৩🔖রমাদ্বানে একে অপরকে কুরআন পাঠ করে শোনানোর ফযিলাত জানাতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    ৪🔖রমাদ্বানের শেষ দশকে বেশী বেশী ইবাদাতের ফযিলাত সম্পর্কে জানাতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    ৫🔖যদি আমরা লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জানতে পারি তবে সে রাতে ক্ষমা চাওয়ার ফযিলাত সম্পর্কে জানাতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    🔹বইটি যখন সম্পূর্ণ প্রকাশিত হবে তখন বইটি পড়ে আমি আগের চেয়েও উত্তম রূপে রমাদ্বান অতিবাহিত করতে পারবো ইনশা আল্লাহ্। 

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top