মেন্যু
salafder khuda

সালাফদের ক্ষুধা

অনুবাদ: মাসউদ আলিমী পৃষ্ঠা: ১৪৪ পৃষ্ঠা বাঁধাই: পেপার ব্যাক কভার একজন দাঈ এই একবিংশ শতাব্দীর মানুষের খাবার দাবার নিয়ে বলেন, "We eat, because we are bored". আসলেই। কিছু করার নেই-- চলো কিছু খাই,... আরো পড়ুন
পরিমাণ

150  200 (25% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - সালাফদের ক্ষুধা

3.0
Based on 2 reviews
5 star
50%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
50%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 1 out of 5

    ফারুক:

    বইটি পড়ে ভাল লাগেনি, কোনভাবে অনুপ্রাণিত হলাম না
    1 out of 12 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    Umm Ahmad:

    #বিষয়
    আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা রিযিক পাওয়ার জন্য হেঁটে যেতে বলেছেন আর তাঁর দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য রুদ্ধশ্বাসে ছুঁটতে বলেছেন। অথচ আজকাল আমরা রিযিকের জন্য রুদ্ধশ্বাসে ছুঁটি আর আল্লাহর দিকে? হেঁটে যাওয়ার মতো সুযোগও হয়তো হয়ে উঠে না! রিযিক বিশেষত খাবার অন্বেষণই হয়ে উঠেছে আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য। আমরা এমন জীবনযাপন করি যেন আমরা খাওয়ার জন্যই বাঁচি। অথচ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা তো আমাদের খাওয়ার জন্য সৃষ্টি করেননি, সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদাত করার জন্য। আমরা ভুলে যাই ‘খাওয়া’টাও আমাদের জন্য এক প্রকার পরীক্ষা। ইমাম হাসান আল বাসরি (রহি) বলেছেন, “তোমাদের পিতা আদম (আ) এর পরীক্ষা ছিল খাওয়া। এই খাওয়াই তোমাদের জন্য কিয়ামত পর্যন্ত পরীক্ষা।”
    খাবার সম্পর্কে আমাদের সালাফগণ কেমন মনোভাব পোষণ করতেন – সেটাই ‘সালাফদের ক্ষুধা’ বইটির বিষয়বস্তু।

    #লেখক/অনুবাদক
    বইটির মূল লেখক হাফিয আব্দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু উবাইদ ইবনু সুফিয়ান ইবনু কায়েস আল কুরাশি, আবু বকর ইবনু আবিদ দুনিয়া আল বাগদাদি। তিনি ইবনু আবিদ দুনিয়া নামেই প্রসিদ্ধ। জন্ম ২০৮ হিজরিতে বাগদাদ শহরে। তাঁর শিক্ষিকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাঈদ ইবনু সুলাইমান আল ওয়াসীতি, ইবরাহিম ইবনু মুনযির আল হিযামিন,খালিদ ইবনু খিদাশ মুহাল্লবি, আলি আঁতকে ইবনু জা’দ জাওহারি প্রমুখ।
    অনুবাদকের নাম মাসউদ আলিমী। তিনি ২০১৮ সালে ইফতা কোর্স সমাপ্ত করেন জামিয়া কোরআনিয়া আরাবিয়া লালবাগ মাদ্রাসা থেকে। বর্তমানে তিনি মিরপুর-২ জামিয়া হুসাইনিয়া দারুল উলূম রূপনগরে শিক্ষকতা করছেন।

    #বইটির_ভালো_লাগা_মন্দ_লাগা
    বইটির প্রচ্ছদ যেমন ভালো লেগেছে পড়তে ভালো লেগেছে তারচেয়ে বেশি। নতুন করে অনেক সালাফের নাম জানতে পারার বিষয়টি আনন্দ দিয়েছে। বানান ভুল, প্রিন্টিং মিস্টেকের বালাই নেই বললেই চলে। মন্দ লাগার মতো কিছু চোখে পড়েনি আলহামদুলিল্লাহ।

    #কেন_পড়বো?
    হালাল খাবার খাওয়া বিষয়টা নিশ্চয় নাজায়েজ কিছু নয়, কিন্তু অন্য কাজের মতো খাওয়ার বিষয়েও আমাদের সুন্নাহকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত, সালাফদের অনুসরণ করা উচিত। বিশেষ করে আমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ, আমাদের শিক্ষক রাসুলুল্লাহকে (সা) ভালোবাসার যেই দাবিটা আমরা করি সেই দাবি রক্ষার্থে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরতে হবে। উমার (রা) যথাযথ ভাবেই তার প্রিয় মানুষদের ভালোবাসার দাবী রেখেছিলেন। তাঁকে (রা) উত্তম পোশাক ও খাবার গ্রহণের কথা বলা হলে তিনি রাসুলুল্লাহ (সা) ও আবু বকর (রা) এর জীবনযাপন স্মরণ করে বলেন, “আমার পূর্বের দুই সাথী একটি পথ অবলম্বন করেছেন। এখন আমার ভয় হয় তাঁদের বিপরীত করতে। তাহলে তো আমার সাথে বিপরীত আচরণ করা হবে।” অন্য বর্ণনায়, “যদি সম্ভব হতো, কঠিন জীবনযাপনে আমিও তাঁদের শরিক হতাম। যাতে করে আমি তাঁদের সাথে প্রশান্তিময় ভবিষ্যৎ জীবনে শরিক হতে পারি।”
    কোনো কিছু মানতে গেলে তো আগে জানতে হবে। তাই খাওয়ার বিষয়ে মুহাম্মাদ (সা) এর সুন্নাহ, সালাফদের আচরণ জানতে হলে ‘সালাফদের ক্ষুধা’ বইটি পড়তে হবে।

    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No