মেন্যু


সালাফদের আখলাক

প্রকাশনী : আযান প্রকাশনী
বিষয় : আদব, আখলাক
পৃষ্ঠা : 120, কভার : পেপার ব্যাক

ভাষান্তর ও সম্পাদনাঃঃ রাজিব হাসান
শারঈ সম্পাদনাঃঃ শাইখ আব্দুল্লাহ মাহমুদ

উত্তম আখলাক একজন মুসলিমের শক্ত হাতিয়ার। পরকালের উত্তম পাথেয়। এজন্য ঈমান ও আমলের সাথে আখলাক শিক্ষা করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারাক (রহ.) বলতেন, আদব ও শিষ্টাচার দ্বীনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ। আদব ও শিষ্টাচার শিক্ষা করাটা এজন্য খুবই জরুরী। আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারাক ত্রিশ বছর ধরে আদব শিখেছেন আর জ্ঞান চর্চায় সময় দিয়েছেন বিশ বছর। অর্থাৎ ইলম অর্জনের সাথে সাথে আদব – আখলাক শিক্ষা করার গুরুত্ত্ব অনেক বেশী।

বিজ্ঞজনেরা বলেন, আক্বিদা শিক্ষার আগে আখলাক শেখা জরূরী। এ কারণেই সম্ভবত ঈমাম শাফেয়ীদের মা’রা সন্তানদেরকে দ্বীনি ইলম অর্জনের আগে আদব শিক্ষা দিয়েছিলেন। আদব ও আখলাকে সবাইকে ছাড়িয়ে যাওয়া এক সোনালী প্রজন্ম গড়ে তুলেছেন। সেই প্রজন্মের সলেহীন বান্দাদের আদব ও আখলাক নিয়ে মিশরের আলেমে দ্বীন শাইখ ফরীদ আহমাদ একটি কিতাবটি রচনা করেছেন। কিতাবটির নাম দিয়েছেন “মিন আখলাকুস সালাফ।” বাংলা ভাষায় যার নামকরণ করা হয়েছে, “সালাফদের আখলাক।”

এই বইটি পড়লে সালাফদের সোনালী অতীতের সাথে পাঠকবৃন্দ পরিচিত হতে পারবেন। উত্তম আখলাক গঠনে উত্তম নাসীহা হিসেবে এই বইটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশা করি। সালাফগণ আল্লাহর সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে কেমন ছিলেন? আত্মশুদ্ধির ক্ষেত্রে কেমন ছিলেন? মুমিনদের সাথে কেমন আচরণ করতেন? গুনাহগারদের ব্যাপারে উনাদের অবস্থান কেমন ছিলো? দুনিয়া ও আখিরাতকে উনারা কীভাবে পরিমাপ করতেন – ইত্যাদি জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়গুলো লেখক তুলে এনেছেন কলম ও কাগজের মোহনীয় বর্ণনা ভঙ্গিতে।

আশা করি এই ক্রান্তি লগ্নে উম্মাহ এই বইটি থেকে উপকৃত হতে পারবে৷ উত্তম আখলাকের গুরুত্ব সম্পর্কে সোনালী যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষদের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারবে।

পরিমাণ

116  178 (35% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

4 রিভিউ এবং রেটিং - সালাফদের আখলাক

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    “কিয়ামতের দিনে উত্তম চরিত্রের চেয়ে অন্য কিছু পাল্লায় বেশি ভারী হবে না।”– (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২০০৩)

    আখলাক মানুষের অমূল্য সম্পদ। উত্তম আখলাক একজন মুমিনের শক্ত হাতিয়ার। আল কুরআনে আখলাকের উপর আয়াত এসেছে মোট আয়াতের চার ভাগের প্রায় এক ভাগ।
    সালাফাদের আখলাক কেমন ছিলো তা নিয়ে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করা হয়েছে শুধু তাই নয় এমনকি কুরআন সুন্নাহের আলোকে সালাফগনের আখলাক আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ এ নিয়েই আযান প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হচ্ছে “সালাফদের আখলাক” বইটি।

    💢সূচী থেকে এক ঝলক➡

    ১২০ পৃষ্ঠার বইয়ে অনেকগুলো অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে। তার মাধ্যে আমার কাছে যে গুলো উল্লেখযোগ্য মনে হলোঃ-

    ▫️তাওয়াক্কুল
    ▫️বাইরেও যেমন ভেতরেও তেমন
    ▫️তাকওয়া
    ▫️আখিরাতের কাজকে প্রাধান্য দান
    ▫️স্বল্প আমলের ভীতি
    ▫️গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা
    ▫️আল্লাহর যিকির ও নবীর (সাঃ) প্রতি দুরুদ ইত্যাদি।

    💬শর্ট পিডিএফ থেকে এক চিমটি➡

    শর্ট পিডিএফ আলোকে যতটুকু জানতে পেরেছি সালাফদের আখলাক ছিলো নববী চরিত্রের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।তারা ছিলো উম্মার জন্য শিক্ষনীয় প্রজন্ম।তাদের জীবন-যাপন সম্পুর্ন কুরআন,সুন্নাহ ভিত্তিক।তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ-
    ➡️সালাফদের ইলম ও আমলে ইখলাসের পরিমাণ ছিল অকল্পনীয়।রিয়ার ব্যাপারে তারা ছিলো খুবই জাগ্রত।
    ➡️সালাফরা নিফাক থেকে সরে থাকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালাতেন।তারা বাইরে যেমন ভিতরেও তেমন ছিলেন।
    ➡️তারা সবকিছুতেই সবসময় আল্লাহর তাওয়াককুল করতো।
    ➡️সালাফগনরা ইবাদাতের সময় নির্জন পছন্দ করতেন।
    ➡️তাদের চিন্তা ছিলো আমল স্বল্প হলেও যেনো উত্তম হয়।

    সর্বোপরি বইটি পড়ে সালাফদের উত্তম আখলাকের মাধ্যমে তাদের কর্মপন্থা,চলাফেরা ইত্যাদি জানতে পারলাম।

    ♦️কারা পড়বে ও কেন পড়বে▶️

    আমি মনে করি সালাফদের চরিত্রের আলোকে জীবন সাজাতে চাইলে আমাদের সকলেরই বইটি পড়া অত্যাবশ্যক। কেননা তারাই তো আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। তারা কি রকম চরিত্রের অধিকারী ছিলো তা সুন্দর ভাবে গুছিয়ে তুলে ধরা হয়েছে বইটিতে।সুতরাং সালাফদের আলোকে আমাদের উত্তম আখলাকের জন্য এবং নিজের আত্নশুদ্ধির জন্য অনেক সুন্দর একটা বই আসতে চলেছে।

    🎴বই পরিচিতি➡

    বইঃ সালাফদের আখলাক
    মূলঃ শাইখ আহমাদ ফরীদ
    ভাষান্তর ও সম্পাদনাঃঃ রাজিব হাসান
    শারঈ সম্পাদনাঃঃ শাইখ আব্দুল্লাহ মাহমুদ
    প্রচ্ছদ ডিজাইনঃ মাহামুদুর রহমান
    প্রচ্ছদঃ পেপারব্যাক
    পৃষ্ঠাঃ ১২০
    প্রচ্ছদ মূল্যঃঃ ১৭৮/-

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    একবার নবি সা. কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করে কোন আমলের কারণে সবচেয়ে বেশি মানুষ জান্নাতে যাবে?উত্তরে নবি সা. বলেন,উত্তম চরিত্র অর্থাৎ আখলাক।অন্য হাদিসে নবি সা. বলেন,জান্নাতের মানুষগুলো হবে উত্তম চরিত্রের অর্থাৎ উত্তম আখলাকের অধিকারী। আর উত্তম আখলাক একমাত্র নবি সা. এবং সালাফদের অনুসরণেই সম্ভব। সালাফরা ছিলেন বিশ্বের সবথেকে সুন্দর আখলাকের অধিকারী। তাই তাদের অনুসরণ মানে আমাদের মুক্তির পথ।আর যে তাদের অনুসরণ করল না সে কিভাবে উত্তম আখলাকের অধিকারী হবে?আর যে সালাফদের আখলাক সম্পর্কে কোনো জ্ঞান রাখে না সে কিভাবে তাদের অনুসরণ করবে?তাহলে কি পরকালে তাদের মুক্তি সম্ভব?না,তাদের অনুসরণেই দুনিয়ার জীবন ও আখিরাতের জীবন সুন্দর হবে।তারা ছিলেন নবি সা. এর প্রকৃত অনুসারী। তারা নবি সা. এর অনুসরণের জন্য যথেষ্ট সতর্ক থাকতেন এবং অনেক ত্যাগও স্বীকার করতে হয়েছে তাদের।

    এ বইটি কেন পড়বেন?

    আজকের দিনে উত্তম আখলাক পাওয়া স্বর্ণের খনি পাওয়ার মতো।যুগটি ফিতনার।তাই ফিতনা থেকে বাচতে হলে সর্বপ্রথম উত্তম আখলাকের দরকার।বইটি খুব ছোট বই।কিন্তু সালাফদের আখলাক সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের জন্য অনেক উত্তম একটি বই।বইটিতে সালাফদের চরিত্র, তাদের দুনিয়াবি জীবন সম্পর্কে তথ্য উঠে এসেছে।আর তাদের আখলাক বাহিরেও যেমন ভিতরেও তেমন।তাই শুধু বাহিরেই শুধু ভালো হলে হবে না।যখন গভীর রাত হয়,সূর্য আলো থাকে না,তুমি কি করছো মানুষ তা জানে না, তখন আবার খারাপ কাজ করা আর বাহিরে মানুষের সামনে ভালো হওয়া মুনাফিকের পরিচয়।

    ইনশাআল্লাহ এই ছোট বইটি পড়ার মাধ্যমে আমরা সালাফদের অনুসরণ করতে ও উত্তম আখলাকের অধিকারী হতে পারবো।

    আল্লাহ আমাদের সবাইকে উত্তম আখলাকের অধিকারী করুন।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    যখন জাহেলিয়াতের বিষে ছিল চারদিক ভরপুর। অন্ধকারে ডুবে ছিল পুরো জাতি। তখন আবির্ভাব হয় মহামানবের ﷺ। পৃথিবীর সর্বোত্তম আখলাকের অধিকারী হযরত মুহাম্মদ ﷺকে পেয়ে নিকৃষ্ট জাতি থেকে তাঁরা পরিনত হয়েছিলেন সর্বোত্তম জাতিতে। কি ছিল সে রাসুলুল্লাহ ﷺ জীবনে? যা তাঁদের এই আমূল পরিবর্তন করে দিল! এবং সালাফাগন কিভাবে তাঁদের জীবন পরিচালনা করে নিজেরাও সর্বোত্তম জাতিতে পরিণত হলেন। আর সেই সোনালী যুগের সালাফাদের জীবনের কর্মকাণ্ড নিয়েই “সালাফাদের আখলাক” বইটি।

    আল্লাহ রাসূল ﷺ সম্পর্কে ইরশাদ করেন,

    “নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত ”

    মহান আল্লাহ আখলাকের এতোই গুরুত্ব দিয়েছেন যে আল-কুরআনে আখলাকের নিয়ে আয়াত আছে ১৫০৪ টি। যা কুরআনের প্রায় ৪ ভাগের ১ ভাগ। আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহ.) বলতেন, আদব ও শিষ্টাচার দ্বীনের দুই-তৃতীয়াংশ । বিজ্ঞজনের বলেন, আক্বিদা শিক্ষার আগে আখলাক শিক্ষা জরুরি।

    আমি পাঠকপ্রিয়তার দিকগুলো বর্ণনা করছি যতটুকু মনে উদয় হচ্ছে শর্ট পিডিএফ পড়ে। দিকগুলো বিবেচনায় রাখবেন আপনিও। পছন্দ করতে বাধ্য হবেন। ইনশাআল্লাহ।

    বইটিতে যা থাকছে –

    ✅ সালাফাদের আখলাক কেমন ছিল?

    ✅ সালাফাদের আখলাক নিয়ে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা।

    ✅ সালাফাগন আল্লাহ সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলো কেমন ছিলেন?

    ✅ আত্মশুদ্ধির ক্ষেত্রে কেমন ছিলেন?

    ✅ মুমিনদের সাথে কেমন আচরণ করতেন?

    ✅ গুনাহগারদের ব্যাপারে উনাদের অবস্থান কেমন ছিল?

    ✅ দুনিয়া ও আখিরাতকে উনারা কিভাবে পরিমাপ করতেন?

    ✅ সালাফদের দুনিয়াবী ও পরকালীন প্রতিটি স্বরনীয় ও অনুসরণীয় কাজগুলো বর্ণনার মাধ্যমে অলংকৃত হয়েছে বইয়ের প্রতিটি পাতা।

    ✅ প্রতিটি গুনাগুণ অর্জনে সুফল ও বর্জনে কুফল সুবিন্যাস্ত ভাবে বর্ণিত হয়েছে।

    ✅ সে সব গুনাগুণ কুরআন ও সুন্নাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার বিষয়টি ও নিশ্চিত করা হয়েছে

    ✅ রিয়ার ব্যাপারে ভয়, দুনিয়াবিমুখরা, আখেরাতমুখীতা, মরণের স্মরণ, অসুস্থতায় অনুশোচনা, চরিত্র গঠন, আখেরাতের কাজকে প্রাধান্য, বাড়ি তৈরিতে অনিহা, জীবনঘনিষ্ঠ প্রায় সকল অনেক বিষয় তুলে ধরেছেন।

    বইটি কেন পড়বেন?

    🌴সালাফাদের কোন সে সৌন্দর্য যা আজকের দিনে বিরল, অপ্রতুল।

    🌴 কোন সে উজ্জ্বল দিক যা আমাদের মাঝে নেই।

    🌴 উত্তম আখলাক গঠনের জন্য।

    🌴 উত্তম আখলাকের গুরুত্ব সম্পর্কে সোনালী যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে।

    🌴সুন্দর জীবন গঠনের জন্য।

    🌴 দৈনন্দিন জীবনে নানা না জানা বিষয় জানার জন্য হলেও এই বইটি পড়া উচিত।

    অধ্যায় বিন্যাস্ততা ও ভাষা অলংকারের এক প্রশংসাযোগ্য কাজ করেছেন। ভাষার সহজলভ্য হওয়ার খুব সহজেই আপনার পড়তে মন টানবে ইন-শা-আল্লাহ। বইটি ছোট হলেও সুন্দর আখলাক গঠনের জন্য বইটিতে যথেষ্ট তথ্য আছে।

    বইটির বিশেষ দিক হলো সবকিছুর রেফারেন্স হিসেবে নিচে টীকা করে দেওয়া আছে। আলহামদুলিল্লাহ।

    _________________________________

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    ☘️প্রিভিউঃ “সালাফদের আখলাক”☘️
    ——————————————————-
    🔖সম্প্রতি সালাফদের আখলাক সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে ‘আযান প্রকাশনী’ হতে একটি নতুন বই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।ইতোমধ্যে বইটির ২০ পৃষ্ঠার শর্ট পিডিএফ উন্মেচিত হয়েছে।

    🔖”সালাফদের আখলাক” বইটির শর্ট পিডিএফ পড়ে যা জানতে পারলাম-
    ——————————————————-
    🔹”️আখলাক” হলো চরিত্র যা মানুষের অমূল্য সম্পদ।রাসূল সাঃ এর সুহবত পেয়ে সাহাবী রাঃ গণের প্রজন্মের আখলাক হয়ে উঠেছিল আলোকিত।তেমনি তাদের পরবর্তী ২ প্রজন্মও একইভাবে আলোকিত হয়েছে।এই তিন প্রজন্মকে বলা হয় সালাফদের প্রজন্ম। যা উম্মাহর জন্য শিক্ষনীয় প্রজন্ম।বইটির শর্ট পিডিএফ পড়ে দেখলাম, সালাফদের আখলাক কেমন ছিলো তা আলাদা বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করা হয়েছে।
    🔸বইটি যেভাবে মুসলিম উম্মাহর উপকার করবে-
    ———————————————————-
    ১🔖বইটি সালাফদের সোনালী অতিতের সাথে পরিচয় করিয়ে সেই অনুযায়ী আমল করতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    ২🔖ইমান ও আমলের সাথে আখলাক শিক্ষা করতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    ৩🔖মুসলিম উম্মাহকে রিয়া/লৌকিকতার ব্যাপারে সজাগ রাখতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    ৪🔖সালাফদের কথা ও কাজের মাধ্যমে কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ জ্ঞান অর্জন করতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    ৫🔖সালাফদের ন্যায় প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহর উপর ভরসা রাখার মনমানসিকতা তৈরি করবে ইনশা আল্লাহ্।
    ৬🔖সালাফগণের ন্যায় নিফাক হতে বিরত থাকার ফযিলাত জানাতে সাহায্য করবে ইনশা আল্লাহ্।
    🔹সর্বোপরি যখন বইটি সম্পূর্ণ প্রকাশিত হবে তখন বইটি পড়ে সালাফদের ন্যায় আমিও নিজের  আখলাককে উত্তম আখলাকে রূপান্তরিত করতে পারবো ইনশা আল্লাহ্।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No