মেন্যু
quraner soundorjo

কুরআনের সৌন্দর্য

পৃষ্ঠা : 144, কভার : পেপার ব্যাক
কুরআন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। এর সৌন্দর্য এতটাই অনুপম যে, তার অনুরূপ কোনো গ্রন্থ আজ অবধি কেউ রচনা করতে পারেনি, অনাগত দিনেও পারবে না। কিন্তু কেন? এই প্রশ্নের উত্তর আরবি না-জানা... আরো পড়ুন
পরিমাণ

170  230 (26% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

1 রিভিউ এবং রেটিং - কুরআনের সৌন্দর্য

5.0
Based on 1 review
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    abdullaafnan25:

    কুরআন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন্ত মুজিযা। কুরআন কাফিরদের চ্যালেঞ্জ করে রেখেছে, তোমরা পারলে এর মতো একটি গ্রন্থ রচনা করো, পুরোটা না পারলে দশ আয়াত, তাও না পারলে অন্তত ছোট একটি সূরা সদৃশ কিছু রচনা করে নিয়ে আসো। আজ পর্যন্ত পৃথিবীর  কেউ পারেনি, পারবেও না।

    লেখক ভূমিকাতে জানিয়েছেন, কুরআনের এই চ্যালেঞ্জের মূল বিষয়টি শুধুমাত্র ভাষাগত ব্যাপারেই সীমাবদ্ধ নয়। এর পরিধি আরও ব্যাপক ও বিস্তৃত। ভাষাগত সৌন্দর্যের বাইরেও ভবিষ্যতবাণী, হৃদয়ে প্রভাব বিস্তারকারীসহ আরও বেশকিছু অলৌকিক শক্তির অধিকারী এই কুরআন; যার মোকাবিলা করা কোনো জিন-ইনসানের পক্ষে কখনো সম্ভব নয়।

    এই বইতে লেখক কুরআনের ভাষাগত সৌন্দর্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। দেখিয়েছেন কুরআনে শব্দচয়ন কত সূক্ষ্ম, সুচিন্তিত। এক হরফের এদিক-সেদিকে কত ব্যাপক-বিস্তৃত অর্থের পার্থক্য হয়। খুবই সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন কুরআনের নান্দনিক বিন্যাসের চিত্র, বুঝিয়ে দিয়েছেন কুরআন যথাস্থানে কী সুন্দরভাবে যথা শব্দ, বাক্য ব্যবহার করেছে। বইটি পাঠে আরবী না জানা মানুষরা কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারবে— কুরআন কত উচ্চাঙ্গের অলঙ্কারসমৃদ্ধ ভাষা দিয়ে সুসজ্জিত।

    একটুখানি লোভ:

    ভূমিকা বাদে বইটিতে রয়েছে ৩৮টি ছোট ছোট আলোচনা। কুরআন সম্পর্কিত অসংখ্য মজার মজার তথ্য রয়েছে প্রতিটি আলোচনায়। নমুনাস্বরূপ দু-তিনটে তথ্য দিয়ে আপনাদের লোভ জাগিয়ে যাই।

    ★ বাতাস আল্লাহর তায়ালার অনেক বড় একটি নিয়ামত। এই নিয়ামত আবার কখনও কখনও ঝড়-তুফানের আকারে এসে শাস্তির উপকরণও হয়।

    কুরআনে বাতাস/ঝঞ্ঝাবায়ু বুঝানোর জন্য আল্লাহ তায়ালা ‘রীহ’ (الريح) শব্দটি ব্যবহার করেছেন, যার বহুবচন হলো ‘রিয়াহ’ (الرياح)। মজার তথ্যটা হলো, আল্লাহ তায়ালা যেখানেই বাতাসের জন্য এককভাবে  রিয়াহ (বহুবচন) ব্যবহার করেছেন, সেখানেই বাতাস দ্বারা রহমত ও কল্যাণ বুঝিয়েছেন। আর যেখানেই এককভাবে রীহ (একবচন) উল্লেখ করেছেন সেখানেই আযাব উদ্দেশ্য নিয়েছেন ।

    তথ্যটা তো খুবই মজার। কিন্তু বহুবচনের সাথে নেয়ামতের আর একবচনের সাথে আযাবের সম্পর্কটা কী? এমনভাবে ব্যবহারের রহস্যটাই বা কী? সেটা জানতে হলে আপনাকে পড়তে হবে বইটি!

    ★ কুরআনে আল্লাহ তায়ালা মুসা আ. এর লাঠি সাপ হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেছেন। লাঠি সাপ হওয়ার ঘটনা বলতে গিয়ে আল্লাহ তায়ালা  দুটো শব্দ ব্যবহার করেছেন— ‘হাইয়াতুন’ (حية) এবং সু’বানুন (ثعبان)। একই লাঠি সাপ হওয়ার জন্য দুই শব্দ কেন? কখন কোনটা?

    কুরআনে যেখানেই আল্লাহ তায়ালা কান ও চোখের নেয়ামতের কথা আমাদের স্মরণ করিয়েছেন, সেখানেই কানের কথা আগে বলেছেন— ব্যাপারটা আশ্চর্যের না?

    শেষ কথা:

    আমার বিশ্বাস, বইটি আমাদের সামনে কুরআনকে জানা ও অনুধাবন করার নতুন কিছু দিক উন্মোচন করবে। কুরআনকে আমাদের কাছে আরও জীবন্ত, জীবনঘনিষ্ঠ ও মাধুর্যময় করে তুলবে। কুরআন তিলাওয়াতে ও তাদাব্বুরে আমরা ভিন্নরকম এক স্বাদ অনুভব করতে পারব ইনশাআল্লাহ।আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে তার কুরআনের জন্য কবুল করুন। আমিন।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top