মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ

কভার: হার্ড কভার
পৃষ্ঠা: ১৬৮

বর্তমান যুগ হলো প্রেজেন্টাশানের যুগ। একটা জিনিসকে আপনি কিভাবে, কতোটা সহজে, কতোটা সাবলীলভাবে, কতোটা মাধুর্যতায় প্রেজেন্টেশান করছেন তার উপর কিন্তু অনেক কিছুই নির্ভর করে। ন্যাচারালি, মানুষের একটা স্বভাব হচ্ছে – এরা তত্ত্বকথা খুব কম হজম করতে পারে। এরা চায় সহজবোধ্যতা। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ এর লেখক আরিফ আজাদ ঠিক এই পদ্ধতিই বেছে নিয়েছেন। তিনি গতানুগতিক লেকচার বা তত্বকথার ধাঁচে না গিয়ে, বক্তব্যের বিষয়গুলোকে গল্পের ধাঁচে ফেলে সাজিয়েছেন। প্রতিটি গল্পের শুরুতেই আছে মজার, আগ্রহ উদ্দীপক একটি সূচনা। কোথাও বা গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সাজিদের সাথে তাঁর বন্ধু আরিফের খুনসুটি, কোথাও বা মজার কোন স্মৃতির রোমন্থন, কোথাও বা আছে সিরিয়াস কোন ব্যাপারে সিরিয়াস কোন হুশিয়ারি। গল্পে মজা আছে, আনন্দ আছে। মোটামুটি, সার্থক গল্পে যা যা উপাদান থাকা দরকার, যা যা থাকলে পাঠকের গল্প পাঠে বিরক্তি আসেনা, রুচি হারায় না- তার সবকিছুর এক সম্মিলিত সন্নিবেশ যেন লেখক আরিফ আজাদের এই সিরিজের একেকটি এপিসোড।
গল্পে গল্পে যুক্তি খন্ডন, পাল্টা যুক্তি ছুঁড়ে দেওয়া, পরম মমতায় অবিশ্বাসের অন্ধকার দূরীকরণে এ যেন এক বিশ্বস্ত শিল্পী।

পরিমাণ

210.00  300.00 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

24 রিভিউ এবং রেটিং - প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    সময় পরিবর্তন হচ্ছে, পরিবর্তন হচ্ছে মানুষ।
    সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হচ্ছে সবকিছুই।
    এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে সময়ের তালে
    তালে পরিবর্তন ঘটছে মানুষের বিশ্বাসেও।
    বিবর্তনবাদ বা বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে
    স্রষ্টার উপস্থিতির নিখাঁদ বিশ্বাসেও
    পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে সুচারু রূপে।
    বিজ্ঞানের অপ্রতিষ্ঠ সূত্র যা সময়ের
    ব্যবধানে নিজেই নিজেকে চ্যালেঞ্জ করে
    বা বিবর্তনবাদের বানর থেকে মানুষে
    বিবর্তনের কাল্পনিক গল্প বা এথিইসমের
    ভেলকিবাজির অসারতা নিয়ে দারুণ কিছু গল্প
    গুচ্ছ এই “প্যারাডক্সিকাল সাজিদ”…
    লেখক আরিফ আজাদ এবং তার বন্ধু সাজিদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু মজার  ঘটনা কে ঘিরে পুরো বইটি ।চমৎকার সব যুক্তি আর বিজ্ঞানের সংমিশ্রণে খন্ডন করেছেন একের পর এক প্রশ্ন ।স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করল?,আল কুরআন কি মানব রচিত? একজন অবিশ্বাসীর বিশ্বাস? ভেল্কিবাজির সাতকাহন? একটি ডিএনএ’র জবানবন্দী?ইত্যাদি শিরোনামে  প্রশ্নের উত্তর করেছেন খুব সূক্ষ্ম ভাবে এবং যুক্তি সহকারে ।বিভিন্ন শিক্ষক, বন্ধু ,পরিচিত এবং অপরিচিত লোকজনের সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে বইটি কে করেছেন জীবন্ত ও গ্রহণযোগ্য ।মূলত বইটিতে একজন অবিশ্বাসী ব্যক্তির মনে যতসব প্রশ্ন আসে তার অনেকটা ই  যুক্তি সহকারে আলোচিত হয়েছে ।

    বইটির পজিটিভ দিক_____
    প্যারাডক্সিকাল সাজিদ বইটার পজিটিভ দিক
    আমার কাছে মনে হয়েছে বাংলা সাহিত্যে
    বইটার সংযোজন। নাস্তিকদের ইসলামকে
    নিয়ে কুযুক্তি, বানোয়াট, মনগড়া অহরহ বই
    বেরুলেও তার জবাবে বিজ্ঞান ভিত্তিক
    জবাব নিয়ে কোনো বই এতদিন ছিল না। সাজিদ সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে। যদিও লেখক বা সাজিদ বার বার বলেছে, কুরআন কোনো বিজ্ঞানের বই নয় যে তা বিজ্ঞান শেখাবে।
    বিজ্ঞান শেখাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়নি বরং
    মানুষের মুক্তির পথ হিসাবেই কুরআনকে
    অবতীর্ণ করা হয়েছে।
    আর তাই চলার পথে এমন অনেক বিজ্ঞান
    কুরআনের সাথে মিলে যাবে। দাগ কাটবে
    অবিশ্বাসীদের মনে। যেমন দাগ কেটেছিলো  বিজ্ঞানী ড. মরিস বুকাইলির মনে।

    কেনো বইটি অন্যদের পড়া উচিৎ_____
    আমি বলব, ইসলাম নিয়ে, কুরআন নিয়ে, আল্লাহ নিয়ে সংশয়বাদী বা সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা কারো জন্য বইটা বেশ সহায়ক। তবে যারা
    দীনের ওপর মুত্তাকী, পরিপূর্ণ দীনে আছেন
    তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। (ব্যক্তিগত অভিমত)

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5

    :

    বর্তমানে আমরা বিজ্ঞানের পৃথিবীতে বসবাস করছি। যেখানে বিশ্বাস নামক জিনিসটার বড়ই অভাব। চারিদিকে শুধু শোনা যায় অবিশ্বাসীদের হাঁকডাক। ওদের বিভৎস চিৎকার শুনে মনে হয়, যেন ওরা আর ওদের যুক্তিই সত্য। আর বাকি সবকিছুই মিথ্যে। স্রেফ রূপকথা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    সমাজে ওদেরকে ‘নাস্তিক’ বলা হয়। কীভাবে মানুষের মন থেকে স্রষ্টার বিশ্বাস উঠিয়ে দেওয়া যায়— এটাই ওদের সর্বক্ষণের চিন্তা। মোদ্দাকথা, এটাই ওদের মিশন। আর এই মিশন সাকসেসফুল করতে ওরা যারপরনাই চেষ্টা করে। মাঝে ওরা বেশ সফলতা অর্জন করলেও— দিনশেষে ওরা পরাজিত হয়। হেরে যায় বিশ্বাসী যুক্তির কাছে।

    বেশ কয়েকবছর আগেও বাংলাদেশে এইসব কুলাঙ্গার নাস্তিকদের তোরজোড় ছিল দেখার মতো। আমি তখন বেশ ছোটো ছিলাম। মাদরাসায় পড়তাম বলে অনেকের কাছেই এধরণের (নাস্তিক মার্কা) অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছিলাম। কিন্তু— তখন তো আর এসব বিষয় জানতাম না। তাই হুজুরদের শিখিয়ে দেওয়া বুলি “আমি তো এখন ছোটো ক্লাসে পড়ছি। তাই এসব বিষয়ে তেমন কিছু জানি না”—বলে কোনোমতে হাঁফ ছেড়ে বাঁচতাম।

    নিজেকে তখন খুব অসহায় লাগতো। মনে হতো, আমাদেরকে কেন এসব বিষয় নিয়ে পড়ানো হয় না। কেন আমরা এই কুলাঙ্গারদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে পারি না। মনের ভেতর এসব প্রশ্নই বারবার দংশন করতো।

    তারপর হিফয শেষ করে কিতাব বিভাগে উঠলাম। কিতাব বিভাগে উঠার পর মাঝে মাঝেই নিকটস্থ মাকতাবায় যাওয়া হতো। বেছে বেছে পছন্দের বইগুলো কিনে আনতাম সেখান থেকে। তখন থেকেই আমার বই পাঠের হাতেখড়ি।

    ‘প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ’—বইটি আমি সেবারই প্রথম দেখেছিলাম। কিনতে চেয়েও কেনা হয়ে উঠেনি। ভেবেছিলাম পরে কিনবো। কিন্তু— পরে কিনবো কিনবো করে আর কেনাই হলো না। (শেষমেশ গতমাসে কেনার সৌভাগ্য হয়েছে।)

    পরে অবশ্য আমার এক সহপাঠীর কাছ থেকে নিয়ে পড়েছিলাম বইটি।

    পাঠ্য-অনুভূতিঃ—

    বইটি আজ দ্বিতীয়বারের মতো পড়ে শেষ করলাম। পড়ে বেশ মজা পেয়েছি। আমি তো আগে ‘সাজিদ’ চরিত্রটিকে বাস্তব মনে করেছিলাম। কিন্তু এবার আমার ভুল ভাংলো। বুঝলাম, ‘সাজিদ’ মূলত একটি কাল্পনিক চরিত্র। কিন্তু লেখক চরিত্রটিকে এমনভাবে উপস্থাপন করেছেন যে, মনেই হয় না ‘সাজিদ’ একটি কাল্পনিক চরিত্র।

    যা কিছু ভালো লেগেছেঃ—

    লেখকের উপস্থাপন-ভঙ্গি, বইয়ের প্রচ্ছদ, উন্নত পৃষ্ঠা ও মজবুত বাঁধাই।

    Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5

    :

    ” সভ্যতার শুরু থেকেই সত্য ও মিথ্যার লড়াই ৷ আধুনিক সভ্যতার এই সময়ে দাঁড়িয়েও সেই ধারা অব্যাহত আছে ৷ সোশ্যাল মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান পরিসরকে ব্যাবহার করে ইসলাম বিদ্বেষী মহল সুকৌশলে তরুণ প্রজন্মের চিন্তার রাজ্যে সন্দেহের বীজ বপন করছে ৷ সন্দেহ থেকে সংশয়,সংশয় থেকে অবিশ্বাস ৷ জাহেলিয়াতের চ্যালেঞ্জ যেখানে, সেখানেই বিশ্বাসী প্রাণের যৌক্তিক লড়াই ৷”

    ____________________________________

    ★★★[ রিভিউ ও বিষয়বস্তু ]
    এ প্রজন্মের টকবকে তরুণেরা যখন ব্যাস্ত সোশ্যাল মিডিয়া, মধ্যরাতের বাইক রেইস,হেয়ার স্টাইল, হিমু হওয়ার প্রয়াস যা তাদের নিজেদের তৈরি করা এক ঠুংকো মিথ্যের পৃথিবী ৷ আর সেই পৃথিবীতে অবিশ্বাসীদের আপাত চমকপ্রদ প্রশ্ন ও তাদের কিছু খোড়া যুক্তি যা বিশ্বাসের সুশৃঙ্খল চিন্তার দুনিয়ায় অযাচিত হাজারো প্রশ্নের বুলি যার দরুণ দিকভ্রান্ত হচ্ছে হাজারো তরুণ-তরুণী ৷ আর ঠিক তখনই আরিফ আজাদের ‘সাজিদ সিরিজ ’ সংশয়বাদীদের সেই সকল প্রশ্নের উত্তর যা খুব সহজ ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছে ৷

    যেখানে প্রথমে সাজিদ অবিশ্বাসী ,সংশয়বাদী দলের অন্তভুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে বন্ধু আরিফের সান্ধিধ্যে গায়ে লাগানো অবিশ্বাসীদের তকমা মুছে ফেলে হয়ে ওঠে বিশ্বাসী অর্থাৎ নাস্তিক থেকে আস্তিক ৷ তারপর সাজিদের মধ্যে দিয়ে লেখক প্রতিটা বিষয়ের অবতারণা, যুক্তিতর্ক এতটাই সাবলীল ও সুখপাঠ্য করে তুলেন যা সাহিত্যের প্রচলিত গাম্ভীর্যতা পরিহার করে গল্পোচ্ছলে উড়িয়ে দিয়েছেন একের পর এক মিথ্যের ফানুস ৷
    নাস্তিক তথা সংশয়বাদীদের করা বিভিন্ন সময়ের প্রশ্নে লেখক সাজিদের আশপাশের চরিত্রগুলো দিয়ে মূল আবহ তৈরি করে সাজিদকে সামনে এনে তথ্যপূর্ণ এবং লজিক্যাললি উত্তর দিয়ে লেখক এগিয়ে গেছেন আর শেষ করেছেন ভেল্কিবাজির সাতকাহন দিয়ে ৷
    ‘বাংলাভাষী লাখো পাঠক “প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ” নিয়ে কথা বলছে ৷ কিন্তু কেন ? চলুন, পড়ে দেখি’•••••

    ★★★[ বইটি কেন পড়বেন ]
    যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলার পথে নানান মানুষের, নানান মতের সাথে পরিচিত হচ্ছি প্রতিনিয়ত ৷ আর মুখোমুখি হচ্ছি নানান প্রশ্নের, বিচার-বিশ্লেষণ,দ্বন্দ-প্রতিদ্বন্দিতার মোড়ে এসে পাল্টে যাচ্ছে কারো বিশ্বাস ৷ আর সেই পাল্টে যাওয়া বিশ্বাস ফিরে পেতে আমরা সেইসব প্রশ্নের উত্তর প্রতিনিয়ত খুজেঁ ফিরি বিভিন্ন বইয়ে ৷ তখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুজেঁ পেলেও জন্ম হয় আরেক নতুন প্রশ্নের নতুবা প্রানবন্ত যুক্তি-তথ্যপূর্ণতার ঘাটতি রয়ে যায় পাঠক মানসে ৷ ঠিক সেই সময়ই লজিক্যাল উপস্থাপন, তথ্যপূর্ণ ও বিঞ্জানভিত্তিক যুক্তি দিয়ে বিষয়গুলোকে প্রাণবন্ত করে লেখক উপস্থাপন করছেন সেই সকল সংশয়বাদী প্রশ্নের উত্তর যার রূপ দিয়েছেন গল্পের আকারে ৷ যা তরুণ প্রজন্মের মনোজগতে এক তুমুল আলোড়ন তুলবে ৷

    ★★★[ বইটি কাদের জন্য ]
    ১ ৷ মডারেট মুসলিম অর্থাৎ আধুনিক মুসলিম কারণ এরা আদি ও আসল ইসলামকে সেকেলে মনে কর ৷
    ২ ৷ ইসলামবিদ্বেষী এবং অবিশ্বাসী ৷
    ৩ ৷ ইসলামের নানবিধ বিষয় নিয়ে যারা দ্বিধাগ্রস্ত, নানান ধরনের প্রশ্নের বাকেঁ যারা হারাতে বসেছেন নিজের ইমান ৷ তাদের জন্য অব্যশই বইটি পড়া আব্যশক, যা তাদের ইমান মজবুত এবং তা আরো বৃদ্ধি করতে সহায়তা করবে ৷

    ____________________________________

    বই : প্যারডক্সিক্যাল সাজিদ
    লেখক : আরিফ আজাদ
    বিষয় : অন্ধকার থেকে আলোতে
    প্রকাশনী : গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স
    পৃষ্ঠা সংখ্যা : ১৬৭

    Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুন_২০২০

    Book: প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ
    Author: আরিফ আজাদ

    প্রথমেই একটি কথা পরিষ্কার করে নেই। ইসলামের সব কিছুকেই যুক্তি দিয়ে চিন্তা করতে করতে হবে আমি তার বিরোধী। এর কারণ, আল্লাহ্‌ যা জানেন আমরা তার অনেক অনেক কিছুই জানি না।

    কিন্তু যখন কিছু নাস্তিক ভাইবোন তাদের নানা যুক্তি দিয়ে আমাদের মুসলিমদের মনে নানা ধরণের ধরণের সন্দেহ ঢুকিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে তখন তাদের সেই যুক্তির ভুল ধরিয়ে দেয়াটা এক প্রকার জরুরি ব্যাপার হয়ে পরে। আর সেই দিক দিয়ে লেখক মাশ-আল্লাহ্‌ সফল।

    তিনি তার বইয়ে নাস্তিক ভাইবোনের বহুল প্রচলিত কিছু যুক্তির ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে, “আল্লাহ্‌ কেন মন্দ কাজের দায়িত্ব নেন না”, “মুশরিকদের যেখানেই পাও হত্যা কর- এটি দ্বারা আল-কুরাআনে কি বুঝানো হয়েছে?”, “স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করলো”, “আল-কুরআন কি মানব রচিত নাকি?”, “আল্লাহ্‌ যেহেতু দয়ালু তাহলে জাহান্নাম কেন?”, “কোরআনের মতে পৃথিবী কি সমতল নাকি গোলাকার”।
    এরকম আরও নানা ধরণের প্রশ্নের যুক্তির মাধ্যমে উত্তর দেয়া আছে।

    বইয়ের প্রধান চরিত্র হচ্ছে সাজিদ। যার চমৎকার সব ভাবভঙ্গী বইটি পড়তে পাঠকদের উৎসাহিত করবে ইনশাআল্লাহ্‌।

    বইটির মূল উদ্দেশ্য যেহেতু সাহিত্য তৈরি নয়। তাই যারা বইটি পড়তে চান তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে বইটিকে কেবল গল্পের জন্য না পড়ে বইটির মূল কথাগুলোর দিকে যেন বেশি লক্ষ্য রাখেন। যদিও চাইলে বইটিকে গল্পের ছলেও পড়া যেতে পারে।

    এক কথায় বইটি নাস্তিক ভাইবোনের যুক্তি থেকে মুসলিমদের পরিত্রানের জন্য ইনশাআল্লাহ্‌ যথেষ্ট উপকারী হবে।

    0 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  5. 5 out of 5

    :

    নাস্তিক। বর্তমান সময়ের জন্য শব্দটা খুবই পরিচিত। শৈশবে বাক্য সংকোচনে পড়েছিলাম অাল্লাহকে বিশ্বাস করে যে- অাস্তিক, অাল্লাহকে বিশ্বাাস করে না যে- নাস্তিক। কিন্তু কখনো ভিন্নরূপে ভাবার সুযোগ হয়নি। হঠাৎ একদিন রকমারিতে চোখ পড়ে দেখি একটা বেস্টসেলার বই। বইয়ের ভিতরে দেখলাম। দেখে অবাক হয়ে যাই! পুরো বইটা ইসলামিক, তাও অাবার বেস্টসেলার। পড়দিন অামার এক বন্ধুর সাথে বইটা সম্পর্কে কথা বলি। ও বললো বইটা নাকি চিনে। এরপর একদিন প্যারাডক্সিক্যাল সজিদ বইটা উপহার দিলো। বাসায় এসে বইটা হাতে নিয়ে পড়া শুরু করলাম। যতই পড়ি ততই অবাক হই।কখনো চিন্তাও করতে পারিনি কুরঅানে এত বিষ্ময়কর বিষয় অাছে। অথচ অামি এই কুরআন সারাজীবন শুধু তোতা পাখির মত পরেই গেছি। এটা যে পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা বই কখনো এই চিন্তা মাথায়ই আসেনি। মূলত তোতা পাখির মত সারাজীবন অাওরাণোর জন্যই মুসলিম হয়েও নিজের ধর্ম গ্রন্থ সম্পর্কে কিছুই জানি না। না জানার দরুন অনেকেই একটা সময় এসে বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কতিপয় মানুষের পাল্লায় পড়ে নাস্তিক হয়। বারবার হজ করার পড়েও চাউল চোরের সংখ্যা কমে না উত্তরোত্তর বাড়ে। সমস্যা একটাই কুরঅান না বুঝে তিলাওয়াত করা। যাহোক, একসময় বইটার ১ম খন্ড শেষ করি। এরপর শুরু করি ২য় খন্ড পড়া। সেটা পড়েও অামি বাকরুদ্ধ হয়ে যাচ্ছিলাম। অামি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলাম যে কুরঅানই একমাত্র অাল্লাহর সত্য ঐশি বানী, অন্যসব বিকৃত। এরপর থেকেই শুরু হয় দ্বীনের পথে চলা। যদিও অাগে নামাজ -রোজা সবই করা হতো, কিন্তু খাপছাড়াভাবে। যাহোক সাজিদ সিরিজটি শুধু অামার না অনেকের হেদায়েতের মাধ্যম হয়েছে। একসময় মামুষ হিমু হতে চাইত অার এখন হতে চায় সজিদ।
    এবার নাস্তিকদের প্রশ্নগুলোর দিকে লক্ষ করলে দেখা যাবে প্রশ্নগুলো খুবই দুর্বল। একদম কাঁচা ইটের মত। তবুও মানুষ নাস্তিক হয় এর একটাই কারণ ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব। কিন্তু অামরা বিষয়টি বুঝি না অথবা বোঝার অাগেই অঘটন হয়ে যায়। অার অামাদের মা-বাবারও কিছু করার থাকে না। তাই অবহেলা না করে শৈশব থেকেই ইসলামের সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। ইসলামি শিক্ষা ছাড়া নাস্তিকতা দমানো সম্ভব না। প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বইটি নাস্তিকদের সমূলে উৎপাটন করতে সাহায্য করবে বলে অামার প্রত্যাশা। সাথে সাথে অনেকের হেদায়েতের উসিলাও হবে। কিন্তু সবাই তো অার হেদায়েতের অালো পাবে না। “অাল্লাহ যাকে চান তাকে হেদায়াত দান করেন।” বইটি লিখেছেন সময়ের তরুন লেখক অারিফ অাজাদ। এটিই তার লেখা প্রথম বই এবং প্রথম সিরিজ।
    ‘অার কতকাল উর্দ্ভান্ত হয়ে পথে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়াবে?অাজই ফেরা হোক তীরে।’

    অাল্লাহই তৌফিক দাতা।

    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  6. 5 out of 5

    :

    নাস্তিক্যবাদ একটি দর্শনের নাম যেখানে নাস্তিকরা তাদের প্রবৃদ্ধিকে নিজেদের স্রষ্টা হিসেবে ধরে নেয়। এটি অবিশ্বাস এবং যুক্তিহীন সব যুক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।

    নাস্তিকরা স্রষ্টায় বিশ্বাস করে না বলে দাবি করলেও সিংহভাগ নাস্তিক ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাব পোষণ করে। ইসলামের কোন কিছু বুঝতে না পারলে সেটাকে তারা ইসলামের ত্রুটি বলে বিবেচনা করে এবং ভিত্তিহীন ও হাস্যকর সব প্রশ্ন ইসলামের দিকে ছুঁড়ে ইসলামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে।সতত পরিবর্তনশীল বিজ্ঞান দিয়ে তারা স্রষ্টার মনোনীত ধর্ম ইসলামকে বিচার করতে চায়!এই আধুনিক যুগে সোশ্যাল মিডিয়া কে তারা এই অপপ্রচারের জন্য বেছে নিয়েছে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক তরুণ এবং যুবকের বিচরণ রয়েছে।তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব প্রশ্ন দেখে তরুণ এবং যুবকদের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং অনেক সময় তারা এগুলোর যথার্থ উত্তর খুঁজতে চেষ্টা না করে এগুলোকে সত্য ধরে নিয়ে ভুল পথে পা বাড়ায়।

    আরিফ আজাদ বিজ্ঞানসম্মত যুক্তিতর্কের মাধ্যমে এসব ভিত্তিহীন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সেসব কুযুক্তির খন্ডন করেছেন এবং হাজার হাজার তরুণ ও যুবকের হৃদয়ের অন্ধকার ঘরে নিভে যাওয়া মোমবাতিতে আলো জ্বালিয়ে দিয়েছেন।আজ তরুণ ও যুবকরা কেউ হিমু,শুভ্র,ফেলুদা,কাকাবাবু,তপু হতে চায় না তারা হতে চায় সাজিদ,যুক্তিবাদী সাজিদ!

    বইটিতে নাস্তিকদের তাকদীর সম্পর্কিত ভ্রান্ত ধারণা , রাসূল(সা.)এর বৈবাহিক জীবন, প্রসঙ্গ ছাড়া ইসলামের বিরুদ্ধে করা বিভিন্ন প্রশ্ন,কুরআনের বিভিন্ন আয়াতের বিরুদ্ধে করা প্রশ্ন,পরিবর্তনশীল বিজ্ঞান দিয়ে অনাদি-অনন্ত স্রষ্টার অস্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা ইত্যাদি বিষয়ে অত্যন্ত গঠনমূলক বিজ্ঞানসম্মত যুক্তিতর্কের মাধ্যমে উত্তর দেয়া হয়েছে।

    জনমহলে গ্রহণযোগ্যতার স্বীকৃতিস্বরূপ এটি পেয়েছে ২০১৭সালের বেস্ট সেলার বইয়ের তকমা।

    তাই আপনার এবং আপনার আশেপাশের কারো মনে যদি এই ধরনের কোন প্রশ্নের উদ্ভব হয় বা কেউ যদি আপনার দিকে এই ধরনের কোন প্রশ্ন ছুড়ে দেয় তাহলে তার অবিশ্বাসের বাণ চুরমার করে দেয়ার জন্য এখনই পড়ে নিতে পারেন বইটি!

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  7. 5 out of 5

    :

    এই বইটি পড়ে এত অনুপ্রাণিত হয়েছি, সেটা বলে বুঝানো যাবেনা, আমিও ঠিক সাজিদের মত হতে চাই। শুধু যুক্তির দিক থেকে নয় সাজিদ যেভাবে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে এমন আকৃষ্ট আমিও হতে চাই। ঈমান কে মজবুত করতে চাই। এই প্রাডক্সিক্যাল সাজিদ পড়ার পর আমিও প্রাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ টাও পড়তেছি আরিফ আযাদ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন বই ঊপহার দেয়ার জন্য। আর ওয়াফি লাইফের সকল সদস্যদের প্রতি রইল আমার সালাম ও প্রানঢালা অভিনন্দন আল্লাহ্‌ আপনাদের সাহায্য করুন। আপনারা যেন দ্বিনের দাওয়াত এই ভাবেই মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে পারেন কেয়ামত পর্যন্ত আল্লাহ্‌ আপনাদের সেই তৌফিক দান করুন, আমিন, আমিন, ছুম্মা আমিন।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  8. 5 out of 5

    :

    বইটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো। এটা পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে লেখকের পরবর্তী বইটি পড়া শুরু করলাম।
    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  9. 5 out of 5

    :

    আমাদের সমাজে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষ আছে।সবার কাছে ইসলাম প্রচার করার পন্থা হয়ত এক নয়।
    বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম যাদের অনেকেই যুক্তি ছাড়া কিছু মেনে নিতে চাইবে না, তারা অনেকেই মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির চেতনায় বিশ্বাসী। প্যারাডক্সিকাল সাজিদ বইটি এদের জন্য খুব ভাল মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে ইসলাম প্রচারে। যারা গতানুগতিক পদ্ধতি তে অনেক কিছু বুঝতে পারছিল না তাদের জন্য এটি অনেক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
    এমন অনেকেই রয়েছে যারা কেবল সন্দেহ ও সংশয় দূর না হওয়ায় নামাজ ছেড়ে দেয়। এ ধরনের বিষয়গুলোর জন্য আমাদের আরও অনেক ”প্যারাডক্সিকাল সাজিদ” প্রয়োজন।
    Was this review helpful to you?
  10. 5 out of 5

    :

    সেই সময়টা বেশ আনোগোনা ও কাটতি চলছিল নাস্তিকতার। নাস্তকতা যেন একটা উপর ক্লাসের বিষয় হয়ে উঠেছিল। সেই সময়ে হাজির হলো সাজিদ। এর পর বাকিটুকু ইতিহাস। হ্যাঁ বলছি প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বই এর কথা!

    বইঃ প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ
    লেখকঃ আরিফ আজাদ
    প্রকাশনীঃ গার্ডিয়ান পাবলিকেশন
    গায়ের মূল্যঃ ৩০০ টাকা
    পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৬৭

    গল্পের ছলে নাস্তিকদের বিভিন্ন যুক্তির উপর আঘাত হেনে বিজয় অর্জন করার এক অনন্য বই এটি। এটি পথ দেখিয়ে যাবার পর অন্যান্য অনেক লেখক এই বিষয়ে লিখেছেন। নাস্তিকপাড়া আজ নিস্তব্ধ। যুক্তির দোহাই দিয়ে যারা আগে জোর গলায় কথা বলতো তারা আজ কথা হারিয়ে বাকহারা।

    সাজিদ নামক ছেলেটি তাঁর বন্ধুদের, স্যারদের ও অন্যান্য মানুষদের নানা প্রশ্ন, নানা যুক্তির পালটা যুক্তি দিয়ে তাদের কনভিন্সড করতে সক্ষম হয়। বইটি পড়তে পড়তে আপনি নিজেকে একজন বিজয়ী হিসাবে দেখতে পাবেন। মনে হবে যেন যুদ্ধে জয়ী এক গাজী আপনি। ধোয়া, ছায়া লাগা দূর্বল সব যুক্তি যখন আলোর ক্ষুরধার যুক্তিতে পরাজিত হতে থাকে তখন মনের কোনে কোথায় যেন একটু সুখ জেগে উঠতে থাকে।

    মোট ২২ টি গলে সাজানো এই বইটি। বেসিক কিছু ভুল ধারনা, নাস্তিকদের ঠাট্টার জবাব এখানে পাবেন। কিছু যুক্তি জানা না থাকার কারনে যুব সমাজের মনে কিছু কিছু বিষয়ে সন্দেহ দেখা দিত যা লেখক খুব সাফল্যের সাথে সমাধান করে দিয়েছেন।

    বেস্ট সেলার এই বইটি তুমুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে; কয়েক লাখ কপি বিক্রি হয়েছে। এরপর প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ ও বেরিয়েছে। আপনি যদি এই বইটি না পড়ে থাকেন তাহলে পড়ে দেখুন। অনেকের স্বপ্নের নায়ক এই সাজিদকে আপনিও উপলব্ধি করুন।

    1 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  11. 5 out of 5

    :

    সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে বেশি আলোচিত বইগুলোর একটা এই বইটা।
    সমগ্র বিশ্বেই বিশ্বাসী আর অবিশ্বাসীদের দ্বন্দ্ব চলে আসছে সৃষ্টির প্রাথমিককাল থেকেই। আবার তর্কাতর্কির সূত্র ধরে আস্তিকতা বনাম নাস্তিকতা, ইসলাম বনাম অন্যান্য ধর্ম, ইসলাম বনাম বিজ্ঞান – এগুলো হয়ে ওঠে দ্বন্দ্বের বিষয়বস্তু। স্রষ্টা আসলেই আছেন না নাই, মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন আসলেই স্রষ্টা নাকি মানব রচিত, – এমন নানাবিধ বিষয়ে মুখরোচক তর্ক প্রায়শই হয়ে থাকে। মুসলিমদের আটকে দেবার মত কিছু প্রশ্ন বিশ্বাসীরা সব সময় পকেটে নিয়ে ঘুরে, আর যখন যেখানে সুযোগ পায়, মুসলিমদের ঘায়েল করার জন্য এই প্রশ্নগুলো ছুড়েও দেয়।

    তেমনই বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে এই বইটিতে।
    বইটিকে সাজানো হয়েছে গল্পের আকারে, যেখানে কেন্দ্রীয় চরিত্র অবশ্যই সাজিদ নামক বিজ্ঞানমনস্ক, তুখোড় মেধাবী আর ইসলামিক জ্ঞান সম্পন্ন এক ছেলে। কিছু পার্শ্ব চরিত্র দেখানো হয়েছে, সাজিদের জীবনে যাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    এই গল্প থেকে সাজিদের বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য গুণাবলী লক্ষ্য করা যায়, যা তরুণ মুসলিম সমাজের অনুকরণীয় হতে পারে। সাজিদের নিয়মিত ডাইরী লেখার অভ্যাস লক্ষ্যণীয়। বন্ধু হিসেবে আমরা আসলে কাদের সাথে মিশছি, আর তাদের কি কি প্রভাব আমাদের উপর পরছে, – তা খেয়াল করা উচিত প্রত্যেকের।

    সাজিদের ইসলাম-বিজ্ঞান-সাহিত্য সহ অন্যান্য বিষয়ে যে প্রজ্ঞা দেখানো হয়েছে, তা সত্যিই ঈর্ষণীয় হলেও অর্জন করা অসম্ভব নয় বোধোয়।
    মুসলিমরা নিজেদের অজ্ঞতার কারণে যেভাবে অবিশ্বাসী-নাস্তিকদের সাথে তর্কে গিয়ে নাকানিচুবানি খায়, ব্যাপারটা সব মুসলিমের জন্যই লজ্জার।
    একটা যথোপযুক্ত রোল মডেলের অভাবে দিগ্বিদিকশূন্য হয়ে ঘোরা হাজারো মুসলিম তরুণের আদর্শ হতে পারে এই সাজিদ চরিত্রটি।

    বইটিতে উত্তর দেয়া হয়েছে অনেক প্রশ্নের; ‘তাকদির বনাম স্বাধীন ইচ্ছা’, ‘স্রষ্টা কেন মন্দ কাজের দায় নেন না?’, ‘মুশরিকদের যেখানেই পাও হত্যা করো…..’, ‘স্রষ্টাকে সৃষ্টি করলো কে?’, ‘আল-কুরআন কি মানবরচিত?’, ‘আয়িশা (রাঃ) ও মুহাম্মদ (সাঃ) এর বিয়ে এবং কথিত নাস্তিকদের কানাঘুষা ‘, ‘স্রষ্টা যদি দয়ালুই হবেন তাহলে জাহান্নাম কেন?’, – সহ আরও বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে। উত্তর উঠে এসেছে ‘আল-কুরআন কি আসলেই সাম্প্রদায়িক নাকি অসাম্প্রদায়িক, বৈজ্ঞানিক নাকি অবৈজ্ঞানিক? ‘ – এগুলোরও। যেই বিজ্ঞানের যুক্তি দিয়ে কুরআনের ভুল ধরার চেষ্টা করা হয়, সেই বিজ্ঞান যে ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তিত হয়, প্রতিষ্ঠিত তত্ত্বগুলোও ভুল প্রমাণিত হয়, ধারণা পাল্টে যায়, আর শেষ পর্যন্ত এসে কুরআনের সাথে মিলেও যায়; ১৪০০ বছর আগে কুরআন যা বলেছে বিজ্ঞান এই শতাব্দীতে এসেও এখনো সেগুলোই আবিষ্কার করছে – সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো হয়েছে। অবিশ্বাসীদের দর্পচূর্ণ করেছে সাজিদ, তার যৌক্তিক আর বিজ্ঞানভিত্তিক উত্তরের মাধ্যমে। আবার বিজ্ঞানের আলোচনা এত সহজ-সুন্দরভাবে করা হয়েছে যে, যে কোনো সাধারণ মানুষেরও বুঝতে অসুবিধা হবে না।

    শেষে এসে বলা যায়, যারা বুঝতে চায় না, তারা কখনোই বুঝবে না। কারণ ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগানো যায়, জেগে চোখ বন্ধ করে রাখা ব্যক্তিকে না। এই বিষয়েও একটা আলোচনা আছে এই বইতে, ‘ তাদের অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দেন। সত্যিই কি তাই?’

    তবে আপনি বিশ্বাসী হোন বা অবিশ্বাসী, বইটি পড়ে ফেলুন। বিশ্বাসীদের বিশ্বাস আরও পোক্ত হবে, অবিশ্বাসীরা পাবেন নতুন চিন্তার খোরাক।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  12. 5 out of 5

    :

    খুব ভালো একটি বই
    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  13. 5 out of 5

    :

    সবাই হয়ত বইটি পরে বলবেন এটা নাস্তিকদের জন্য তাদের কথার উত্তর দেয়ার জন্য উত্তম একটি বই কিন্তু বইটি পরার পর আমার কাছে মনে হয়েছে একজন মুসলিম এর হ্রদয় এ ও এমন কিছু প্রশ্ন জাগতে পারে হয়ত সে আল্লাহ কে ভয় করে বলেই সেটার উত্তর না পেলেও অন্য কিছু ভেবে সান্ত্বনা পায় কিন্তু আপনি যত বেশি বুজে বিশ্বাস করবেন আপনার ঈমান কিন্তু ততই মজবুত হবে ইনশা আল্লাহ আর এই বইটা পরে অনেক উত্তর পেয়েছি যেটা আল্লাহ না করুক কোন অমুসলিম প্রশ্ন করলে চুপ করে থাকা ছারা কিছুই হয়ত বলতে পারতাম না। এমন একটি বই আমাদের খুব দরকার ছিল। লেখক কে সুধু ধন্যবাদ নয় অনেক দোয়া করবেন সবাই। এমন বিশ্লেষণ ধর্মী লেখা আমাদের খুব প্রয়োজন। সব ভাই বোন দের প্রতি অনুরধ সবাই একবার হলেও বইটি পরবেন।
    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  14. 5 out of 5

    :

    প্রথমে আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই এত দ্রুত বই দুটি পৌছে দেয়ার জন্য। বই দুইটি এখনো পড়া শেষ হয় নি। তবে যতটুকু পড়েছি তাতে নিজের ভিতর অনুপ্রেরণা কাজ করছে।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  15. 5 out of 5

    :

    আজকে সমাজের রন্দ্রে রন্দ্রে প্রতারনা, একজনের হক আরেকজন মেরে খাচ্ছে, আমানতের খিয়ানত করছে, কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলছে পরকালের জন্য কোন চিন্তা নেই, সবার নিকট এই দুনিয়ার বিষয়টি আসল। একজন মানুষকেও সঠিক পাওয়া যায়না। সমাজের এই কি অবস্থা?!!! অসুস্থ সমাজ নিয়ে, মানুষের প্রতারনা নিয়ে একটি বই প্রকাশ করুন। ভাল হবে। আর প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ বইটি অনেক ভাল এবং সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাদের এমন বই প্রকাশ করার জন্য।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  16. 5 out of 5

    :

    A Great book
    2 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  17. 5 out of 5

    :

    কিছু বলার নাই। জাস্ট অনেক অনেক দুয়া রইলো। সামনে আরো অনেক কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে।
    পাশেই আছি ইন শা আল্লাহু তায়ালা
    ।।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  18. 5 out of 5

    :

    আরিফ ভাই,আল্লাহ আপনাকে দির্ঘায়ু দান করুন।সাজিদ হোক আধুনিক সমাজের মডেল।আপনার পরবর্তী বইয়ের অপেক্ষায়।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  19. 5 out of 5

    :

    a book that demolishes all athesim…truely a real finder of truth…
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  20. 5 out of 5

    :

    মুক্তবুদ্ধি চর্চা আর বিজ্ঞানমনষ্কতার নামে অবিশ্বাসীদের অযৌক্তিক যুক্তির বিষাক্ত ছোঁবলে যখন বিশ্বাসীরা নীল হয়ে যাচ্ছিল তখনি অনলাইনে আরিফ আজাদ এর সাজিদের উত্থান। কুরআন আর বিজ্ঞানের রেফারেন্সে অবিশ্বাসীদের অযৌক্তিক যুক্তির আয়নাকে ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়ে অনলাইনে অল্প সময়েই ব্যপক জনপ্রিয় হয়ে উঠে সাজিদ নামের হীরে। বিজ্ঞান দিয়ে ইসলামকে যাচাই করা এবং ইসলাম এবং বিজ্ঞানকে সাযুজ্যপূর্ণ প্রমাণের এই প্রয়াস হয়ত স্বল্পমেয়াদে প্রয়োজনীয় এবং সস্তা ‘বিজ্ঞানমনস্ক’ বইয়ের সয়লাব ঠেকাতে অত্যাবশ্যকীয় হলেও দীর্ঘমেয়াদে এর কুফল আছে। বিজ্ঞান পরিবর্তনশীল। আজকে যা ফ্যাক্ট কালকে তা পূর্বধারণায় পরিণত হতে পারে। ইসলাম অপরিবর্তনীয়, সত্য ও শাশ্বত। জাকির নায়েকীয় কায়দায় বিজ্ঞান ও ইসলামকে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রমাণের চেষ্টাটা একটি ডিফেন্সিভ মোড, এথেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। বিজ্ঞানের মত সর্বদা পরিবর্তনশীল অস্থিরচিত্ত একটি বিষয়, যার কোন আদর্শিক ও তাত্ত্বিক ভিত্তি নাই তার সাথে ইসলামের মত সর্বযুগে সর্বস্থানে প্রযোজ্য একটি তাত্ত্বিক ভিত্তিসমেত আদর্শকে কম্প্যাটিবল প্রমাণ অহেতুক খরচা।

    নাস্তিকদের বহু অদ্ভুত প্রশ্নের সম্মুখীন হই আমরা সবাই। নাস্তিকরা বিজ্ঞানের দোহাই দিয়ে ধর্মকে মিথ্যা বানানোর অপচেস্টা করে।আর নাস্তিকদের সেই সকল অদ্ভুত প্রশ্নের উত্তর বিজ্ঞানের আলোকে গুছিয়ে লিখেছেন আরিফ ভাই।আর সেটাই মলাট বন্ধি হয়ে “প্যারাডক্সিয়াল সাজিদ”।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  21. 5 out of 5

    :

    অনেক সুন্দর এবং আমার অনেক প্রতীক্ষার একটা বই।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  22. 5 out of 5

    :

    Alhamdulillah fb post gulo te jototuku porechhi boi tir ongshobishesh khub bhalo legechhe. May Allah give the writer barakah .
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  23. 5 out of 5

    :

    আমি তাকে চিনতাম, উকিল চাচা হিসেবে! অসাধারণ এই মানুষটাকে সেই 12 কি 13 সাল থেকে চিনি! মধ্যখানে আমি তাকে হারিয়ে পেলি। নিজের আইডিটা যেমন হারিয়ে যায়,কালো লিষ্টের তালিকায়! নতুন করে এসে তাকে আর নাহি পায়। তার আইডিটা তখন নতুন নামে আসে, Arif azad নামে। কিন্তু কিছুদিন পর আর তাকে দেখিনি! 2016 সালের মে কি জুন মাসে সুন্দর একটি গল্প সামনে পরে! আমি আমার অভ্যাগত ভাবে লেখককের আইডিটা ভালো করে একবার চেক দেই!
    হঠাৎ মনে হলে এই লেখকের সাথে মনে হয় আমি পরিচিত! নিজের অজান্তেই তার পোষ্টে কমেন্ট করি,
    উকিল চাচা মেট্রিক পাশ!

    আগের মতোই উনি এখনো নাস্তিকদের বাঁশ।
    সত্যি বলতে কি উনি হবেন এই যুগের নতুন ইতিহাস।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  24. 5 out of 5

    :

    অনেক সুন্দর এবং আমার অনেক প্রতীক্ষার একটা বই। অনেক ব্যস্ততার মাঝেও সাজিদ সিরিজ না পড়ে রাতে ঘুমুতে যাই নি।।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?