মেন্যু
প্রত্যাবর্তিত নক্ষত্র

প্রত্যাবর্তিত নক্ষত্র

প্রকাশনী : আয়ান প্রকাশন
সম্পাদক : মুফতি আরিফ মাহমুদ
পৃষ্ঠা : 161, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2022
আইএসবিএন : 9789849599876, ভাষা : বাংলা
—যদি পেতে চান এই বিপর্যস্ত সমাজে একটি সুখী জান্নাতি জীবন। —যদি পেতে চান চতুর্দিক কোনঠাসা এই সমাজে একটি প্রশান্তির জীবন। —যদি পেতে চান এই পাপ-পঙ্কিল আবহে একটি পুণ্যময় জীবন। —যদি পেতে চান এই... আরো পড়ুন
পরিমাণ

174  300 (42% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

5 রিভিউ এবং রেটিং - প্রত্যাবর্তিত নক্ষত্র

4.4
Based on 5 reviews
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    kamrun Nahar:

    রাতের পরিবেশ।জগতের সকল প্রাণী ঘুমের ঘোরে আচ্ছন্ন।গুনাহগার এক বান্দা জায়নামাজে বসে অঝোরে চোখের পানি ফেলছে রবের দরবারে আর বলছে,’হে আমার রব,কতই না পাপী আমি,কতোই না নাফরমানী করেছি তোমার।হে জগতের প্রতিপালক,আমাকে তুমি আলোর পথ দেখাও।আমি সব ছেড়ে তোমার নিকট প্রত্যাবর্তন করেছি।তোমার ভালোবাসায় সিক্ত হতে চাই।’গুনাহগার এক বান্দার করুণ আকুতি মিনতি রবের দরবারে। অতীতের সকল পাপের অধ্যায়কে মুছে ফেলে রবের নিকট সে প্রত্যাবর্তন করেছে।দুনিয়ার সকল মানুষ যখন নিদ্রায় নিমগ্ন, তখন সে জায়নামাজে বসে রবকে খুঁজতেছে।
    হে আদমসন্তান,এখনো কি তোমার ফিরবার সময় হয়নি,এখনো কি প্রত্যাবর্তন করবে না তুমি। আর কতো এভাবে চলবে।কাল থেকে ভালো হয়ে যাবো বলে বলে,কতো কাল যে পিছনে ফেলে চলে এসেছো,তার কি কোনো খবর আছে তোমার।আর দেরি না করে এখনই ফিরে আসুন রবের নিকট।মুছে ফেলুন অতীতের সব পাপের অধ্যায়। রবের ভালোবাসায় সিক্ত হন। এটাই তো সময় প্রত্যাবর্তন হওয়ার। চোখের পাতা চিরতরে বন্ধ হয়ে গেলে আর কখনো ফিরতে পারবেন না,তখন শুধু আফসোসই করবেন।
    মানুষ ভুল-ত্রুটিমুক্ত নয়। যে কোনো কাজেই ভুল-ত্রুটি হওয়া স্বাভাবিক। কাজেই সব সময় ভুল-ত্রুটি থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করাই উত্তম।আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের রবের ক্ষমা ও সেই জান্নাতের দিকে ধাবমান হও; যার প্রশস্ততা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর ন্যায়। যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে মুত্তাকি তথা আল্লাহ ভিরুদের জন্য। যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল উভয় অবস্থায় ব্যয় করে এবং যারা রাগ সংবরণকারী আর মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল। আল্লাহ নেককারদেরকে ভালবাসেন। (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১৩৩-১৩৪)
    ‘প্রত্যাবর্তিত নক্ষত্র’ বইটি আল্লাহর সাথে ভালোবাসার এক বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত। বইটিতে রবের নিকট প্রত্যাবর্তন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। বইটি পড়ার মাধ্যমে আপনি গুনাহে জর্জরিত জীবন থেকে মুক্তি পেয়ে এক জান্নাতি জীবন লাভ করবেন,ধূসর মরুভূমির বুকে আপনি পানির ফোয়ারা খুঁজে পাবেন,ঘুটঘুটে অন্ধকারে পাবেন আলোর দিশা। তাওহিদা তাবাসসুমের এই অসাধারণ বইটি রবের নিকট প্রত্যাবর্তন করার জন্য সহায় হবে। রবের নিকট প্রত্যাবর্তিত হওয়ারই তাগিদ দেওয়া হয়েছে বইটিতে।
    আদমসন্তানরা সবাই পাপী,কেউ পাপের উর্ধ্বে নয়।সবচেয়ে উত্তম হলো, আল্লাহট নিকট প্রত্যাবর্তন। তাহলে আর দেরি কিসের, ছিড়ে ফেলুন অতীতের সব পাপের অধ্যায়,ফিরে আসুন রবের ভালোবাসায়।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 4 out of 5

    সিরাজাম:

    ◾প্রারম্ভিকা:

    রাতের আকাশ দেখেছেন কখনো? আকাশজুড়ে তারার হাট বসে। খেয়াল করলে দেখবেন, প্রত্যেকটা তারা মিটিমিটি জ্বলছে। খুব বেশি আলোকিত করতে পারে না তাদের চারপাশ তবে নিজেকে উজ্জ্বল দেখাতে যেটুকু আলো দরকার সেটুকু আলো থাকে। অনেকগুলো জ্বলজ্বলে তারার সমন্বয়ে পুরো আকাশটাই সেজে উঠে। অপূর্ব সুন্দর হয়ে উঠে অন্ধকারে ঢেকে যাওয়া রাতের আকাশ।

    একটা মানুষকে একটা তারা বা নক্ষত্রের সাথে তুলনা করা যায়। সমাজের নানা কলুষতার মাঝেও যে নিজেকে কলুষমুক্ত রাখে, নিজের মনের জোর দিয়ে, ঈমান দিয়ে, ইচ্ছাশক্তি দিয়ে নিজেকে আলোকিত রাখে। আকাশের মিটিমিটি জ্বলা নক্ষত্রের মতোই। নক্ষত্রের মতো জ্বলতে থাকা মানুষগুলোর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আমাদের সমাজটাও বদলে যায়।

    ◾বই সম্পর্কে:

    “প্রত্যাবর্তিত নক্ষত্র” বইয়ের প্রতিটা গল্পের চরিত্রও একেকটা নক্ষত্র। যারা নিজের ঈমান, মনের জোর, ইচ্ছাশক্তি দিয়ে নিজেকে আলোকিত রাখতে চেষ্টা করে। চেষ্টা করে তার চারপাশের মানুষজনের কাছেও আলোটুকু যেন ছড়িয়ে পড়ে। বইয়ের লেখিকা তাওহিদস তাবাসসুম। বইটিতে ফুটিয়ে তুলেছেন বন্ধুত্বের অনন্য উপাখ্যান।

    বইটিতে মোট দশটি গল্প রয়েছে। তিনটি গল্পের সামান্য কিছু অংশ শর্ট পিডিএফে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। গল্পাংশ পড়ে ভালো লেগেছে, আলহামদুলিল্লাহ! এবার পুরো দেখার পালা। গল্পের শিরোনামগুলো দেখেও ভালো লেগেছে।

    আসলে বইয়ের শিরোনাম পড়ে ভাবছিলাম বইটি কোন টপিকের হতে পারে! বইটি গল্পের সংকলন এটা আগে ভাবিনি। অন্যকোনো টপিক হবে ভেবেছিলাম।

    যারা গল্প পড়তে ভালোবাসেন তারা বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। গল্পে গল্পে কিছু সময় সুন্দর কেটে যাবে আর জানবেনও প্রয়োজনীয় কিছু কথা।

    বইয়ে উল্লিখিত লেখিকার কথাটুকুও ভালো লেগেছে। একটি ভালো বই একজন বন্ধুর সমান। আর একজন ভালো বন্ধু একটি লাইব্রেরীর সমান। আশা করি, বইয়ের গল্পগুলো আমাদের জন্য শিক্ষণীয় হবে। কারো কারো দ্বীনে ফেরার প্রথম আহ্বানও হতে পারে এই বই।
    ইন শা আল্লাহ!

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    মো: সাব্বীর আহম্মেদ:

    _______
    ঘুটঘুটে অন্ধকার।একা একাই চলছি কোন এক অপরিচিত পথে। যেখানো কোন আলো নেই। মাঝে মাঝে কিছু অদ্ভুত আওয়াজও কানে ভেসে আসছে। সেগুলোও যেন কেমন কেমন মনে হচ্ছে। জনমানবহীন এক অজানা পথে একাকি হেঁটে চলছি, তাও আবার অমাবস্যার রাতে। মনে হচ্ছে, কেউ যদি একটু আলো নিয়ে পাশে দাঁড়াতো এই অন্ধকারাচ্ছন্ন রজনীতে। একাকীর সঙ্গী হয়ে বাকি পথটা সঠিক গন্তব্যের নিরিখে দেখিয়ে দিত কিংবা শেষ সফরের ক্লান্তিলগ্ন পর্যন্ত সঙ্গ দিত- তাহলে কতই না ভালো হত।

    _______
    আমরা মানুষ। আর মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যই হলো সে ভুল করবে। তবে শুধু ভুল করে তার ওপর অটল থাকা কোনভাবেই একজন মানুষের বিবেকে সঠিক বলে মনে হওয়া উচিত নয়। কেননা, মানুষ হিসেবে তাকে এমনি এমনি সৃষ্টি করা হয়নি। সৃষ্টির সেরা জীব তো আর এমনি এমনি হওয়া যাবে না। নিজেকে পরিবর্তনের সাথে সাথে অন্যকেও পরিবর্তনের পথে চলতে সাহায্য করতে হবে। তবে সেই পরিবর্তন বা প্রর্তাবর্তন হবে আল্লাহর জন্য। শুধু নিজেকে সঠিক পথে পরিচালনার নাম ইসলাম না। নিজেকে যেমন জাহান্নামের সেই লেলিহান শিখার উত্তাপ থেকে বাঁচাতে হবে ঠিক তেমনি নিজের পরিবারসহ অন্যদেরও সৎ কাজের আদেশ দিতে হবে এবং অসৎ কাজে নিষেধ করতে হবে।

    তবে আমরা প্রতিনিয়ত ভুলের মধ্যে দিয়ে হাঁটছি। এ ভুল থেকে বাঁচতে হলে এমন কিছু বন্ধু দরকার যারা আপনার এ ক্ষতিকর অবস্থা থেকে উত্তরণের পথকে বেছে দিবে এবং সে পথে চলতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে সত্যিকারের একজন দ্বীনি ভাই বা বন্ধু যেটাই বলেন না কেন, যদি পাশে পান তাহলে তো আপনার ভাগ্য সুপ্রসন্ন। কিন্তু আজকাল এমন বন্ধুর দেখা মেলা খুব একটা সহজ নয়। সেক্ষেত্রে এমন বইকে আপনি বন্ধু বানিয়ে নিতে পারেন যেখানে আপনার পরিবর্তনের ঘনঘটা ঘটতে সাহায্য করবে, সাহায্য করবে প্রর্তাবর্তনের সেই পথে। আর প্রর্তাবর্তনের হৃদয়ছোয়াঁ এমন কিছু গল্প নিয়ে আয়ান প্রকাশনির এবারের আয়োজন, তাওহিদা তাবাসসুমের লেখা ‘প্রর্ত্যাবর্তিত নক্ষত্র।’ বইটিতে আমাদের সমাজে সাধারণত অনাকাঙ্ক্ষিত সেসব ঘটনা অহরহ ঘটে, সেসব থেকে প্রর্তাবর্তন বা ফিরে আসার বিষয়টা তুলে আনা হয়েছে। আসলে জীবন আমাদের একটা সুডুকুর কোডটার মতোই। একটি পদক্ষেপ ভুল হলে পরবর্তী অনেক কিছুই আমাকে বিসর্জন দিতে হতে পারে। তাই সময় এখনই জীবনকে সত্যিকার আলোয় রাঙাবার। বইটির গল্পগুলো হতে পারে আপনার ফিরে আসার একটা অসীলা। হয়তো তাদের মতো আপনিও সেই প্রর্তাবর্তনের সুযোগটা পেলেন।তাই তৃষ্ণার্ত পাঠকদেরকে বলবো, হৃদয়ের জ্বলন্ত অগ্নিকে একটু ঠান্ডা করতে এমন বই আপনার পড়া দরকার। হয়তো আপনি আজীবনের জন্য সেই জ্বলন্ত অগ্নির দাহ থেকে রক্ষা পেলেন।

    _______
    এ বইটিও হতে পারে কারো প্রর্তাবর্তনের মাধ্যম।
    আল্লাহ কবুল করুন। আমিন।।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    মুহাম্মদ রুবেল মিয়া:

    “প্রত্যাবর্তিত নক্ষত্র” বইটি গল্পাকারে রচিত হয়েছে। এতে তাওবাহ এর মহিমা, লাভ, উপকারীতা ইত্যাদি সম্বন্ধীত দশটি গল্প সংকলন করা হয়েছে। গল্পগুলো যেমন আমাদের মনের খোরাক জোগাবে তেমনি আমাদেরকে তাওবাহ করার প্রতিও উৎসাহিত করবে। বইটি পড়েই আমরা বুঝতে পারবো আমাদের মানবজীবনে তাওবাহর গুরুত্ব কতটুকু।

    তাই অসাধারণ এই বইটি আমাদের সকলের কাছেই রাখা দরকার। এবং মনোযোগ দিয়ে পাঠ করে তার শিক্ষা আমাদের নিজ জীবনেও বাস্তবায়ন করা দরকার। তাহলেই আমরা সফলকাম হবো ইনশাআল্লাহ।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 3 out of 5

    উম্মে আয়মান লিনা:

    •লেখাঃ উম্মে আয়মান।
    •••
    আমাদের ক্ষুদ্রকায় জীবনের বাঁকে বাঁকে ভুলের সাথে সাক্ষাৎ হয়। ভুলের সমারোহে নিজেকে গুড়িয়ে রেখেও আমরা নিশ্চিন্তে দিন গুজরান করছি।সত্যের ছায়া থেকে আজ সমাজের যুবক-যুবতিরা আধুনিকতার নামে অশ্লীলতা, বেহাপনায় লিপ্ত।মর্ডান হওয়ার প্রচেষ্টায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছি ডাস্টবিং এ পড়ে পঁচে নষ্ট হওয়ার মত ময়লা আবর্জনায়। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে গোটা সমাজ, সংস্কৃতি করছি দূষিত।যেখানে শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হিসাবে আখ্যায়িত।সেই শিক্ষার অপব্যবহার করছি রাস্তা-ঘাটে চাঁদাবাজির মাধ্যমে।এই আধুনিক শিক্ষা শেখানোর পরিবর্তে ভুলিয়ে দিচ্ছে আদর্শ,নম্রতা, শিষ্টাচার। শিখছি, বৃদ্ধদের সম্মানের পরিবর্তে ঝাড়ি-মেজাজ দেখানো‌।আজ এই সোসাইটির সকল পিতা-মাতা যদি সেই ছোট্ট থেকে প্রতিটা সন্তানকে সু-শিক্ষাই শিক্ষিত করতেন,তাহলে আজ তাদের জীবনের শেষ সময় টুকু বৃদ্ধাশ্রমে কাটাতে হতো না।
    •••
    ভুলে ভুলে ভরে গেছে জীবনের প্রতিটি অংশ।হৃদয় জুড়ে চলছে মরিচিকার রাজত্ব্য।আজ মুসলিম নামধারী মাত্র আমরা। অপরিচিত কেউ দেখলে তাদের আমাকে নিয়ে ভাবতে হয় আমি কি মুসলিম নাকি অন্য ধর্মালম্বী। আফসোস! নিজের জন্য।এই সমাজের জন্য।নারী – পুরুষ সম অধিকার এর নামে চলছে অবৈধ মেলামেশা। নারী-পুরুষ সম অধিকারের নামে চলছে নারীদের সম্মান ভক্ষণ,ধর্ষণ।আজ এই নারী জাতির উপর ধিক্কার সম অধিকার,সম অধিকার বলে চিল্লানো নারী গুলোই হচ্ছে পথে ঘাটে অপমান, অপদস্থ, লাঞ্ছনা। আল্লাহ তোমাদের দিয়েছেন পুরুষের থেকে তিন গুণ বেশি মর্যাদা।অথচ তোমরা ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছো আধুনিক সম অধিকারের নামে আজ ধর্ষণের শিকার হচ্ছো প্রতিনিয়ত।“মুক্তদানা বেশি মূল্যবান নাকি উন্মুক্ত পুষ্ফুটিত হওয়া গোলাপ?” নিজেকে প্রশ্ন করো। উত্তর খুঁজে নিও। নিজেকে উন্মুক্ত গোলাপ নয় সমুদ্রের অতলে ঝিনুকের আবরণে ঢাকা মুক্তদানার মত সংরক্ষণ করো।মর্যাদা পাবে উভয় জাহানে।
    •••
    আজ সমাজ যখন অশ্লীলতা,পথ ভ্রষ্টতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে এমন মূহুর্তে লেখিকা তাওহিদা তাবাসসুমের ❝প্রত্যাবর্তিত নক্ষত্র ❞ বইটি গাইড লাইন হিসাবে উপকারী।এই বইটি দ্বীনের পথে ফিরে আসার কান্ডারি। আমার, এই বইয়ের সামান্য কিছু অংশ পড়ে মনে হয়েছে সকলের পড়া উচিত এই বইটি। লেখিকার লেখার ধরন, অনূভুতির প্রকাশের মাধ্যমে অতুলনীয়।
    •••
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No