মেন্যু
oloshotar biruddhe juddho

অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ

অনুবাদ: রিফাত হাসান সম্পাদনা: মাহদি হাসান, জাবির মুহাম্মদ হাবীব পৃষ্ঠা:১৬৮ (হার্ড কভার) ব্যক্তিজীবন তো বটেই, আমাদের সামাজিক-জীবনও স্থবির হয়ে পড়েছে; দিনকে দিন আমাদের দেশের বিশাল সংখ্যক তরুণ বেকার হয়ে পড়ছে; শিক্ষিত বেকার তরুণের... আরো পড়ুন
পরিমাণ

146  200 (27% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ

5.0
Based on 2 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    Sariful Islam:

    The book was much better and made me motivate. The delivery was really good.
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    দ্বীন মুহাম্মাদ:

    ◾ বইয়ের বিষয়বস্তু :

    এক কথায় বললে, বইটি একটি মোটিভেশলান বই। অলসতার উত্তরীয় ছুড়ে ফেলে বইটি আপনাকে কর্মঠ হওয়ার সবক দিবে এবং কীভাবে অলসতা কাটাবেন, তার টিপ্সও শিখিয়ে দিবে। ইনশাআল্লাহ।
    .

    ◾ বইয়ের আদ্যোপান্ত :

    অলসতা। জীবনের এক গুপ্ত ঘাতক। সাজানো-গোছানো সম্ভাবনাময় জীবনকে নিয়ে যায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। মূলত এ অলসতা কী? কেন আসে এ অলসতা? এর ক্ষতি কী কী? এর থেকে বাঁচার উপায়ই বা কী? প্রশ্নগুলোর উত্তর দিবে “অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ” বইটি।

    বইটির শুরুর দিকেই লেখক সংক্ষেপে অলসতার সংজ্ঞা দিয়েছেন, এর কারণ চিহ্নিত করেছেন এবং এর ক্ষতি দেখিয়েছেন।

    অলসতার সংজ্ঞা, কারণ এবং ক্ষতি জানার পর, এবার আপনার দায়িত্ব হচ্ছে অলসতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়া। এ যুদ্ধে আপনি কীভাবে আগাবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিবে আলোচ্য বইটি।

    অলসতা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য লেখক এখানে ১০টি পদক্ষেপ বর্ণনা করেছেন। এ ১০টি পদক্ষেপ আপনাকে অলসতার বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে জয়ী হতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ। কী সেই ১০ পদক্ষেপ? পাঠকের উদ্দেশ্যে নিম্নে তার কয়েকটি উল্লেখ করছি।

    • প্রথম পদক্ষেপ : দুআ। যেকোনো যুদ্ধে দুআ মুমিনের সবচে’ বড় হাতিয়ার। অলসতার বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে জয়ী হতে চাইলে আল্লাহর দরবারে কায়মনোবাক্যে দুআ করার কোনো বিকল্প নেই। তাই লেখক প্রথম পদক্ষেপ হিসেবেই দুআর কথা উল্লেখ করেছেন।

    • তৃতীয় পদক্ষেপ : প্রতিদানে নিশ্চিত বিশ্বাস। অলসতা ঝেড়ে ফেলে একনিষ্ঠভাবে ইবাদতে আত্মনিয়োগ করার প্রতিদান জান্নাত। যে ব্যক্তি এ প্রতিদানে নিশ্চিত বিশ্বাস রাখে, সে কীভাবে অলসতা করতে পারে? পাশাপাশি অলসতায় ডুবে থাকার শাস্তি সম্পর্কে যদি নিশ্চিত বিশ্বাস থাকে, তাহলেও ব্যক্তি অলসতায় গা ভাসাতে পারবে না।

    • লেখক বইয়ে অলসতা থেকে মুক্তির চতুর্থ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ‘অবিচল লক্ষ্য’। একটি অবিচল লক্ষ্য স্থির করা ব্যতীত আপনি কখনোই সফলতার মানযিলে পৌঁছোতে পারবেন না। তাই লেখক এখানে অবিচল সুউচ্চ লক্ষ্য নির্ধারণ করার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন। এর সাথে লক্ষ্যপূরণের কিছু অন্তরায়ও উল্লেখ করেছেন।

    • ষষ্ঠ পদক্ষেপ হিসেবে লেখক পরিশ্রমীদের জীবনচরিত পাঠে গুরুত্বারোপ করেছেন। সেসব মহান মনীষীদের জীবনাচার যখন আমরা জানবো, তখন আলস্যকে পায়ে দলে সক্রিয়তাকে সাথে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাবো। তাই পরিশ্রমী সফল মনীষীদের জীবনী পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম।

    রিভিউর কলেবর বৃদ্ধির আশঙ্কায় আর উল্লেখ করছি না এখানে। সম্মানিত পাঠকদের অনুরোধ করবো, বইটি পড়ে বাকি টিপ্সগুলো জেনে নিন এবং অলসতার বিরুদ্ধে এ যুদ্ধে জয়ী হোন। আল্লাহ সাহায্য করুন।
    .

    ◾পাঠানুভূতি :

    বইটি পড়েছি। অনুপ্রাণিত হয়েছি। ভেবেছি নিজেকে নিয়ে। বইটির প্রতিটি ছত্রে আছে অনুপ্রেরণার উপাদান। অলসতা শয়তানের বড় অস্ত্র। বইটি পড়ে অলসতার প্রতি ঘৃণার উদ্রেক বেড়েছে। নিজেকে সত্যিই এক যুদ্ধক্ষেত্রের যোদ্ধা মনে হচ্ছে, যে যুদ্ধে আমার শত্রু ‘অলসতা’। দুআর গুরুত্ব বিবেকে নাড়া দিয়েছে; দুআ করার প্রেরণা বেড়েছে আরো। লক্ষ্য স্থির করার সংজ্ঞা জেনেছি, লক্ষ্যে অবিচল থাকার প্রেরণা পেয়েছি বইটি থেকে। আপনি যদি বইটির ১২১ থেকে ১৪১ পেইজ পর্যন্ত পড়েন, আমার মতো আপনার অন্তরও নড়ে উঠবে মৃত্যুর স্মরণে। কেননা এখানে “মৃত্যুর স্মরণ এবং কল্পনা” শিরোনামে এমন কিছু আলোচনা উপস্থাপিত হয়েছে, যা যে কারো হৃদয়ে কম্পন ধরাবে, ইনশাআল্লাহ।
    .

    ◾ ভালো লাগা – মন্দ লাগা :

    বিষয়বস্তুর বিবেচনায় অত্যন্ত জরুরি একটি বই। সুতরাং বিষয়বস্তু নির্বাচনে তাজকিয়া পাবলিকেশন প্রশংসার দাবিদার। কভার এবং পৃষ্ঠা মান খুবই উন্নত। প্রচ্ছদও বেশ। বাইন্ডিং আরেকটু ভালো হতে পারতো, তবে একদম খারাপ না। অনুবাদ বেশ ঝরঝরে। পূর্ব ধারণা না থাকলে আপনার পক্ষে বোঝা কষ্টকর হয়ে যাবে যে, এটা অনুবাদকের প্রথম কাজ। বানান বিভ্রাট খুব একটা নেই। যেটুকু আছে, তা টাইপিং মিস্টেক।

    এতো এতো ভালো লাগার মধ্যেও কয়েকটি অতৃপ্তিকর বিষয় আছে।

    • বইয়ে বিভিন্ন শিরোনাম লেখার ক্ষেত্রে অক্ষরের যে ফন্ট ব্যবহার করা হয়েছে, তা ভালো লাগেনি। নতুনত্ব আনতে গিয়ে এখানে বরঞ্চ অস্পষ্টতা এসে গেছে।

    • লেখক পরিচিতি নেই। ড. খালিদ আবু শাদি পাঠক মহলে খুব বেশি পরিচিত মুখ নন। সুতরাং বইয়ের শুরুতে তাঁর সম্পর্কে দু’কলম লেখা যেত।

    • ‘অনুবাদকের কথা’ও নেই বইটিতে। এটা খুব বেশি জরুরি না হলেও রিফাত ভাই যেহেতু পছন্দের মানুষ, তাই তাঁর মুখ থেকে দুই চারটে কথা শোনার আগ্রহ ছিল।

    • তবে সবচেয়ে বড় দৃষ্টিকটু বিষয় হচ্ছে – সূচীপত্রে বিষয় শিরোনাম আছে ঠিকই, তবে পৃষ্ঠা নাম্বার উল্লেখ নেই। জানি না প্রকাশনী নতুনত্ব আনার মানসে ইচ্ছাকৃত এটা করেছে কি না, নাকি অনিচ্ছাকৃত ভুল। তবে যাই হোক, পরবর্তী সংস্করণে এটার সংশোধন আবশ্যক বলে আমি মনে করি।
    .

    8 out of 11 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No