মেন্যু
obadhotar itihas

অবাধ্যতার ইতিহাস

পৃষ্ঠা : 256, কভার : পেপার ব্যাক, সংস্করণ : 1st Published, 2022
যেভাবে আর যে কারণে ধ্বংস হয়েছে পূর্বের অনেক সভ্যতা, যেভাবে মানুষকে বরণ করতে হয়েছিলো আল্লাহর অনিবার্য আযাব—তার আদ্যোপান্ত জানতেই ‘অবাধ্যতার ইতিহাস’ বইটি। মোটকথা, কীভাবে আমরা ইউরোপীয় চিন্তাগুলোকে গ্রহণ করে আমাদের দ্বীন... আরো পড়ুন
পরিমাণ

277  385 (28% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

7 রিভিউ এবং রেটিং - অবাধ্যতার ইতিহাস

4.9
Based on 7 reviews
5 star
85%
4 star
14%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    আব্দুর রাজ্জাক মিন্টু:

    আল্লাহ যেন লেখক কে তৌফিক দেন এমন আরও বই পাঠকদের উপহার দিতে যাতে সেকুলারদের মাথায় পেরেক ঠুকিয়ে কিছু বোঝানো যায়।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    smshaheen97:

    সময়ের আবর্তে ঘুরতে ঘুরতে আমরা এমন একটা জায়গায় এসে আজ উপনীত হয়েছি—যখন আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের অবাধ্যতাকে আধুনিকতার মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিষয়টি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে—তুমি যতটুকু আল্লাহ ও রাসূলবিরোধী হয়ে উঠবে, তোমাকে ততটুকুই আধুনিকমনস্ক বলে প্রচার করা হবে। আর এই প্রচারণার জন্য মিডিয়া তো রয়েছেই!

    ‘ধর্ম’ বিষয়ে পূর্ব এবং পশ্চিমের অভিজ্ঞতা একেবারে বিপরীত দুই মেরুর। প্রাচ্য যখন ইসলামের আলোয় আলোকিত হয়ে সারা দুনিয়ায় ছড়ি ঘুরিয়ে বেড়াচ্ছে—রাজনীতি, সমরনীতি, অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও জাগতিক সকল বিষয়ে; ঠিক তখনই পাশ্চাত্যে (বিশেষ করে ইউরোপ) বিকৃত খ্রিষ্টবাদের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে লক্ষ লক্ষ জনতা। চার্চের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে যখন তাদের অবস্থা অবর্ণনীয়; ঠিক তখনই ডাক এলো ‘এনলাইটমেন্টের’—ধর্মের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য। মানুুষ বিদ্রোহ ঘোষণা করলো ধর্মের বিরুদ্ধে, স্রষ্টার বিরুদ্ধে।

    ধর্ম নিয়ে তাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা থাকলেও আমাদের সেসবের বালাই নেই। ধর্ম আমাদের জন্য সব সময় রক্ষাকবচের মতো কাজ করেছে। ফলে ইউরোপের অভিজ্ঞতার ফলাফল প্রাচ্যে এসে প্রয়োগ করার সুযোগ নেই। কিন্তু মানবতার (!) ফেরিওয়ালা পশ্চিমা ডাকাতেরা মুসলিম শাসনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বস্তুগত সকল কিছু যেমন লুটে নিয়েছে এ অঞ্চল থেকে, তেমনি তাদের ভ্রান্ত চিন্তার বীজও বুনে দিয়ে গেছে মানুষের চিন্তা ও মননে। ফলে আধুনিক হওয়ার নামে আজকে আমরা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের সঙ্গে ধৃষ্টতা দেখাতেও পিছপা হচ্ছি না। বিষয়টি এমন এসে দাঁড়িয়েছে—আমাদের শরীর এখানে অবস্থান করলেও চিন্তা ও বিবেক নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে পশ্চিম থেকে।


    ডা. শামসুল আরেফীন এদেশে তরুণদের চিন্তার বাঁক বদলে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন। তার লেখা ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ বইটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। অসাধারণ যুক্তিতর্কের আদলে তিনি নব্য নাস্তিকদের করা প্রশ্নগুলোর সমুচিত জবাব দিয়েছিলেন। এরপর ওই ধারার আরও কয়েকটি বই তিনি লিখেছেন। তবে আমাদের আলোচনার বইটির বিষয়বস্তু একেবারে ভিন্ন। এখানে যেমন রয়েছে ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ—ইউরোপে খ্রিষ্টবাদের ইতিহাস ও ই/হু-দিবাদ নিয়ে আলোচনা, তেমনি রয়েছে মুসলিম যুবকদের চিন্তাকে শাণিত করে দেওয়ার মতো কিছু বিষয়।

    আধুনিক সময়ে এসে যে মতবাদগুলো বিশ্বে খুব প্রসার লাভ করেছে—গণতন্ত্র, নারীবাদ, সমকামী আন্দোলন, স্যেকুলারিজম, পুঁজিবাদ এগুলো নিয়ে দারুণ আলোচনা এসেছে। একজন পাঠক বইটি পাঠ করতে গিয়ে এই বিষয়গুলোর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি এর সমস্যা এবং তা থেকে উত্তরণের পথও খুঁজে পাবে সহজেই। যেহেতু বইটি একাডেমিক ধাঁচে লেখা, তাই প্রচুর রেফারেন্স রয়েছে; যা পাঠককে আরও গভীরে গিয়ে পড়াশোনা করতে উদ্বুদ্ধ করবে।

    ‘অবাধ্যতার ইতিহাস’ বইটিকে আমার কাছে ইতিহাস, দর্শন, ইসলামি মূল্যবোধ ও নানান মতবাদ সম্পর্কে জানার জন্য একটা স্পেশাল ‘প্যাকেজ’ বলে মনে হয়েছে। আমি মনে করি—প্রতিটি সচেতন তরুণ-তরুণীর জন্য বইটি অপরিহার্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কারণ, আমাদের জানা দরকার ঠিক কোন্ সময়ের মধ্য দিয়ে আমরা এগিয়ে চলছি।

    0 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top