মেন্যু
nobijir podanko onushoron

নবীজির পদাঙ্ক অনুসরণ

অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ সীরাত অনুবাদক টিম পৃষ্ঠাঃ ১৮০ পৃষ্ঠা একদিন প্রিয় নবীজি ﷺ আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসকে (রাঃ) বললেন, 'শোনো হে বালক! আল্লাহকে হেফাজত করো, তিনি তোমাকে হেফাজত করবেন। আল্লাহকে হেফাজত করো, তাহলে তাঁকে... আরো পড়ুন
পরিমাণ

187  250 (25% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

8 রিভিউ এবং রেটিং - নবীজির পদাঙ্ক অনুসরণ

5.0
Based on 8 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    মোঃ ফয়জুল কবির পলাশ:

    এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলা আমরা গুরুত্বহীন মনে করি। কিন্তু সেসব মোটেই গুরুত্বহীন নয়। সেসব বিষয় নিয়েও চিন্তা করার অনেক কিছু আছে। তাই, অজানা, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানতে হলে বইটি পড়ার কোন বিকল্প নেই। বইটি সবার অনেক উপকারে আসবে বলে আশা রাখি।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    মোঃ ফয়জুল কবির পলাশ:

    এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলা আমরা গুরুত্বহীন মনে করি। কিন্তু সেসব মোটেই গুরুত্বহীন নয়। সেসব বিষয় নিয়েও চিন্তা করার অনেক কিছু আছে। তাই, অজানা, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জানতে হলে বইটি পড়ার কোন বিকল্প নেই। বইটি সবার অনেক উপকারে আসবে বলে আশা রাখি।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    M. Hasan Sifat:

    নবীজির পদাঙ্ক অনুসরন
    °°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
    .
    ❀ বইটি কি নিয়ে—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    বালক সাহাবি ইবনু আব্বাস ( রাহিমাহুল্লাহ)- কে নবীজি (ﷺ) ১২টি নসিহত করেন । নবীজির সেই নসীহতনামাকে একটু ভিন্ন ভাবে বিশ্লেষণ করলেন ইবনু রজব হাম্বলী (রাহিমাহুল্লাহ) । আর সেই বিশ্লেষনেরই মলাটবন্দী রূপ “নবীজির পদাঙ্ক অনুসরণ” । বইটি প্রকাশিত হয়েছে সীরাত পাবলিকেশন থেকে ।

    ইবনু রজব হাম্বলী সেই ১২টি নসীহতকে পৃথক পৃথক শিরোনামে ব্যাখ্যা করেছেন । প্রতিটি শিরোনামের অধীনে উল্লেখ করেছেন অন্তত দশটি করে চমৎকার সব বাণী ও কাহিনী । কুরআন সুন্নাহ্ এবং বুজুর্গ ব্যক্তিদের বাস্তব ঘটনা ও উপমা দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন নসীহতগুলোর গুরুত্ব, উপকারিতা ও গ্রহণযোগ্যতা ।
    .
    ❀ বইটিতে যা পাবেন—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    নবীজির দেয়া সেই ১২টি নসীহতকে লেখক অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী করে তুলে ধরেছেন । বলা যায় জীবনগঠনে এ নসীহতগুলো ১২টি সিঁড়ি,১২টি ধাপ । বইটি আপনাকে আল্লাহর সাথে সম্পর্কন্নোয়নে সাহায্য করবে, তাকদীরের প্রতি ঈমান বৃদ্ধি করবে, দুআ করার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে,বিপদে ধৈর্য ধারন করতে সাহায্য করবে, আল্লাহর সাথে হৃদয়ের বন্ধন দৃঢ় করবে, দ্বীনকে আঁকড়ে ধরতে পথ দেখাবে ।
    .
    ❀ ভাল লাগা—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    সীরাত টীম বইটির অনুবাদ করেছে । বরাবরই তাদের কাজগুলো ভাল । মূল বই থেকে অতিরিক্ত ৬টি পরিশিষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে এই বইয়ে । টীকা এবং রেফারেন্স উল্লেখ করাতেও কোনো কার্পন্য করা হয়নি । বইটি ইংরেজি থেকে অনুবাদ করা হয়েছে । যদিও আরবী মূল বইয়ের সাথে সম্পাদক মিলিয়ে দেখেছেন । সম্পাদনা করেছেন আবু মুহাম্মাদ । বইয়ে “সম্পাদকের কথা” থেকে শিক্ষনীয় আছে অনেক কিছু । সচারচর অন্যান্য বইয়ের “সম্পাদকের কথা” থেকে বই সম্পর্কে শুধু তার অনুভূতি জানা যায় । কিন্তু এখানে ব্যতিক্রম । দ্বীনের অনেক গুরুত্বপূর্ন কিছু বিষয় আলোচিত হয়েছে এই অংশে ।
    .
    ❀ খারাপ লাগা—
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    খারাপ লাগার মতো তেমন কিছু পাইনি । তবে ১৮০ পৃষ্ঠার এই বইটি পেপারব্যাক হওয়ায় পড়তে খুবই অসুবিধা হয়েছে । কাভারটি তুলনামূলক পাতলাও মনে হয়েছে ।
    .
    ❀ শেষ কথা–
    ▔▔▔▔▔▔▔▔▔▔
    যদি বলেন, বইটি কাদের জন্য ? উত্তরে বলবো- বইটি আপনার জন্য । কারন নবীজির পদাঙ্ক অনুসরণ করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো পথ আমাদের নেই । কারন এখানেই চূড়ান্ত সফলতা । একটা ভাল বইয়ের সাথে সময় কাটাতে চাইলে এই বইটা সংগ্রহে রাখার অনুরোধ রইল । বইটির প্রচ্ছদমূল্য–২৫০ টাকা ।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    Asma Binte Mustafiz:

    বইটির পরতে পরতে মনিমুক্ত ছড়ানো । কুর’আন, হাদীস আর সালাফদের অভিব্যক্তির অসাধারন সমন্বয় করে উম্মাহের কল্যানের জন্য লিখা শুধুমাত্র সে সব মানুষদের দ্বারা সম্ভব হয় যারা দ্বীনকে হৃদয়ে ধারন করেন। যারা সামান্য লিখালিখি করেন তারা এ ব্যপারে ভালো জানবেন কতটা কষ্টকর ইখলাস ধরে রাখা। আর আপনার কাজ যদি ইখলাস বিহীন হয়ে যায় ,তবে তা সমস্তই বরবার হয়ে গেল! আমাদের রব চিরঞ্জীব ,যা শুধুমাত্র তার জন্য সেগুলোর স্বায়ীত্ব চিরস্থায়ী।

    ইমাম মালিক (রহঃ) যখন মু’য়াত্তা লিখেন তখন সমসাময়িক প্রায় ৮০ জন আলিম মু’য়াত্তা লিখছিলেন। তাঁর এক ছাত্র এ ব্যাপারে জানতে পেরে তাঁকে যখন জানালেন , তিনি বলেলেন, “হে বৎস! যা শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য তাই থাকবে,এবং যা আল্লাহর জন্য না তা নির্মূল হয়ে যাবে”। বর্তমানে ইমাম মালিকের (রহঃ) মু’য়াত্তার ব্যাপারে আমরা সবাই জানি!

    কিন্তু বাকি ৭৯ জনের মু’য়াত্তার খবর আমরা কয়জনই বা জানি!

    ইবনু রজব হাম্বলীর (রহঃ) সৃষ্টিগুলোও এমন, রবের সন্তুষ্টির জন্য কাজ করে গেছেন। আল- হাইউ, আল-ক্বাইয়্যুম কবুল করে নিয়েছেন। এ বইটি পড়তে গিয়ে আপনি ক্ষনে ক্ষনে তাঁর ঈমান আর ইখলাসের তীব্রতা অনুভব করতে পারবেন, যা আপনার ঈমান আর ইস্তিকমাতের সংস্কারের জন্য সহায়ক পাবেন এবং তিনি এর সাথে সমন্বয় করেছেন সালাফদের ইস্তিকমাত আর ইখলাস পূর্ণ আমল ও কাহিনীর, যা বইটিকে ভিন্ন মাত্রায় উন্নীত করেছে।

    বইটি আমার কাছে আমাদের অন্তরের অসুখগুলোর জন্য প্যারাসিটামলের মত মনে হয়েছে, আবার কখনো কখনো লাগত হাই ডোজের পেইন কিলার!

    পুরো বইটি মুগ্ধকর, হৃদয়স্পর্শী। দ্বীনের মজবুতি, আল্লাহর দ্বীনের উপর ইস্তিকামাত, বিপদে সবর করা, আল্লাহর আদেশ নিষেধের আনুগত্যে বান্দার সুখ-শান্তি কীভাবে অর্জিত হয়, তাকদীরের উপর সন্তুষ্টির ব্যাপারে যেসব আলোচনা বইটিতে এসেছে তা অনবদ্য। আল্লাহ ইবনু রজবের উপর রহম করুন। ক্ষমা করুন বইটির তাহক্বীক কারক এবং ইংরেজি অনুবাদককে। আর সীরাত পাবলিকেশন অনুবাদক টিম এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এর উছিলায় আল্লাহ মাফ করে দিন। আমিন।

    ………………………………………………………………

    ♦ নবীজির ﷺ পদাঙ্ক অনুসরণ থেকে উল্লেখিত কিছু উল্লেখযোগ্য আমল যা আমাদের জন্য আল্লাহর নিকটবর্তী হতে সহায়ক হতে পারেঃ

    ১। ওযুর ব্যাপারে সচেতন থাকার ব্যাখ্যায় ইবনু রজব(রহ) বলেছেন, “বান্দা নিজের অজান্তেই ওযু ভেঙ্গে ফেলতে পারে। ওযু রাখার ব্যাপারে সচেতন থাকার অর্থ হলো অন্তরে ঈমান সঠিকভাবে প্রোথিত হয়েছে”।

    ২। আইয়ুব (আ) যদি কাউকে আল্লাহর নামে কসম করতে শুনতেন, তাহলে অসাবধানবসত গুনাহে লিপ্ত হওয়া থেকে তাকে বাঁচানোর জন্য তার পক্ষ থেকে কাফফারা আদায় করে দিতেন,যে কারনে তিনি যখন স্ত্রীকে প্রহার করার কসম করে বসেন,আল্লাহ তার জন্য এ কসম আদায়ের সহজ পথ বের করে দেন।

    ৩। ইবনে ‘উমার (রা) থেকে বর্ণিত রসূল (সা) ঘুম থেকে উঠার পর ও ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দোয়া কখনোই ত্যাগ করেন নি, “ হে আল্লাহ্‌ আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের ক্ষমা ও নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি………………………”। দোয়াটি হিসনুল মুসলিম এপস এ ২৭.১১ নম্বর দোয়া হিসেবে সকাল ও সন্ধ্যার জিকিরের লিস্টে পেয়ে যাবেন। আরবি না পড়তে ইচ্ছা করলে বাংলা পড়ার মাধ্যমে আমল শুরু করতে পারেন।

    ৪। কুর’আন মুখস্ত করলে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার উন্নতি ঘটে ,তা বুঝে মুখস্ত করা হউক আর না বুঝে!

    ৫। যৌবনে করা গুনাহের কারনে বৃদ্ধ বয়সে তা শক্তিহীনতা ও অসম্মানের কারন হয়। আবুতাইয়্যিব আল তাবারী (রহ) ১০০ বছরের ও বেশি সময় বেঁচে ছিলেন। তাঁর শারীরিক শক্তি ও জ্ঞানবুদ্ধি খুব একটা লোপ পায় নি। একবার তিনি এক বড় জাহাজ থেকে লাফিয়ে নামেন। তিনি বলতেন, “আমরা এই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে যৌবনে গুনাহ থেকে হেফাজত করেছি। তাই বার্ধক্যে আমাদের জন্য আল্লাহ্‌ এগুলোকে হেফাজত করছেন”।

    ৬। কারোর নেক আমল তার বাবা,ভাই,নাতি-পুতিসহ তার পুরো গোত্রের জন্য নাজাতে উছিলা হয়ে যেতে পারে!

    ৭। সালাফরা ‘আল্লাহ্‌ আপনাকে হেফাজত করুন’ অপেক্ষা ‘আল্লাহ্‌ আপনার ঈমান হেফাজত করুন’ এ দোয়া করা্র প্রতি গুরুত্ব দিতেন ও অন্যদের ও এ দোয়া করা শিখেয়ে দিতেন।

    ৮। উমার (রা) একবার এক ব্যক্তিকে দোয়া করতে শুনেন, “হে আল্লাহ্‌! আপনি আপনার বান্দা ও বান্দার অন্তরের মাঝে বাঁধা হয়ে দাঁড়ান। অতএব, আপনি আপনার অবাধ্যতা ও আমার মাঝে বাঁধা হয়ে যান”। উমার (রা) খুশি হয়ে সে ব্যক্তির জন্য দোয়া করে দিলেন।

    ৯। অতীতের এক ব্যক্তি খুব বেশি শাহাদাতের জন্য দোয়া করত। এক কন্ঠ তাকে ডেকে বলল, “তুমি যদি কোনো সামরিক অভিযানে বের হও, তুমি বন্দী হবে এবং বন্দী অবস্থায় তুমি খ্রিষ্টান হয়ে যাবে। অতএব,এ দোয়া বন্ধ কর”। আপনি যদি আল্লাহর সীমা সংরক্ষনে সচেতন না থাকেন, আল্লাহও আপনার হেফাজতের দ্বায়িত নিবেন না। খারাপ মৃত্যু থেকে বাঁচানোর জন্য আপনার দোয়াও আপানর জন্য যথেষ্ট হবে না, অথচ দোয়ার মাধ্যমে তাকদীর পর্যন্ত পরিবর্তিত হয়!

    ১০। ইবনু রজব (রহ) বলেন, “যে কেউ চায় আল্লাহ্‌ তার হেফাজত করুন এবং তার সকল বিষয়ের দেখাশুনা করুন, সে যেন প্রথমে তার নিজের উপর আল্লাহর অধিকারকে হেফাজত করে। যে কেঊ চায় কোনো অপছন্দনীয় বিষয় তাকে স্পর্শ না করুক, সে যেন আল্লাহর অপছন্দনীয় বিষয়গুলো এড়িয়ে চলে”।

    শুধু ১ম দুই অধ্যায়ের খুব সামান্য অংশ হতে এ কথাগুলো সংগৃহীত । বাকি অধ্যায়গুলো থেকে লিখতে শুরু করলে, আরো কয়েকটা রিভিউ লেখা লাগবে!

    ………………………………………………

    ♦প্রচ্ছদ,পৃষ্ঠাসজ্জা ও অনুবাদ সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষনঃ

    ★ বইটির অনুবাদ করা হয়েছে মূল আরবি বই ও অনুদিত ইংরেজী বইয়ের সমন্বয়ে যা প্রশংসার দাবি রাখে, কারন এ কাজটা খুব সহজসাধ্য নয়! অনুবাদের ভাষা প্রাঞ্জল, পড়ার আগ্রহ নষ্ট হয় না আলহামদুলিল্লাহ। পৃষ্ঠাসজ্জা বেশ ভালো।

    ★ তবে কিছু ব্যাপারে সীরাত পাবলিকেশনের সদস্যরা ভালো মনে করলে বইতে সামান্য পরিবর্তন আনতে পারেনঃ

    ১। বইটি হাতে নিয়ে ২-৩ মিনিটের মাথায় বইটির ব্যাপারে কোন ধারণা পাওয়া দুস্কর। কারন বইয়ের শুরুতে বইয়ের বিষয়বস্তুর উপর কোন সংক্ষিপ্ত বর্ণনা সংযোজন করা হয় নি, লেখক পরিচিতিও বইয়ের শেষে , বইয়ের ব্যাপারে প্রাথমিক ধারনা নিতে শার’ঈ সম্পাদকের ৮ পেইজের বর্ণনা পড়তে অনেকেই আগ্রহ বোধ করবেন না। তাছাড়া শার’ঈ সম্পাদকের বর্ণনায় বইয়ের ব্যাপারে খুব ভালো বিস্তারিত বর্ণনা নেই,যদিও তিনি কারামত ও মুজিযার মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারের অবতারণা করেছেন, যা দরকার ছিল।

    তাছাড়া বইয়ের ভূমিকা থেকেও ভালো ধারনা পাওয়া যায় না সহজে! সেখানে মূলত বই সম্পর্কিত তথ্য অপেক্ষা হাদীস বাছাইকরনের ব্যাপারে বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

    ২। বইয়ের মূল বিষয়বস্তু রসূল (সা) এর হাদীসটি হল অন্ধকার রাতে চাঁদের আলোর মত , যে আলোতে মু’মিন দ্বীনের পথে চলা শিখে, অন্তরে প্রশান্তি লাভ করে!

    বইয়ের প্রচ্ছদে এ ব্যাপারটা মিসিং!

    এ বইয়ের প্রচ্ছদ আরো ভালো করার চেষ্টা করা যেতে পারে। এটা যে কেউ ই স্বীকার করবেন ইসলামি অঙ্গনার বই পড়া বেড়েছে বইয়ের পৃষ্ঠাসজ্জা,পৃষ্ঠার মান্নোনয়ন ও প্রচ্ছদের উন্নতির কল্যাণে। অনেকে বিরক্ত হন এ ব্যাপারে কথা বললে! বিশেষ করে মেয়েরা কথা বললে বলেন, মেয়েরা সবকিছুতে কিউটনেস খুঁজে !

    ভাই/বোন, আমাদের রবও সৌন্দর্যের এক্সিলেন্সি পছন্দ করেন!

    ৩। বইয়ে সালাফদের কিছু দোয়ার বাংলা অনুবাদ সংযোজন করা হয়েছে,আরবিটা দিয়ে দিলে ভালো হইতো, শিখা সহজ হত!

    2 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    শেখ সোহেল রানা:

    অসাধারন একটি বই।
    1 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No