মেন্যু
muhammad bin abdullah shishutosh seerah

মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ (সা.) (শিশুতোষ সীরাহ)

প্রকাশনী : আযান প্রকাশনী
পৃষ্ঠা : 132, কভার : পেপার ব্যাক
আমাদের শিশু-কিশোরেরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের তরবিয়ত আমাদের হাতেই নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমানে মোবাইল, গেমস ও ইন্টারনেটের প্রবল আসক্তিতে শিশুরা বাস্তব দুনিয়ায় ফেলে রঙিন বানোয়াট জীবনের দিকে ঝুঁকছে। কখনও কখনও সুপারমান,... আরো পড়ুন

Out of stock

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

2 রিভিউ এবং রেটিং - মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ (সা.) (শিশুতোষ সীরাহ)

4.0
Based on 2 reviews
5 star
0%
4 star
100%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 4 out of 5

    Fahmida:

    বইটি হাতে পাওয়া মাত্রই মনটা আনন্দে বিমোহিত হয়ে গেল আমার। সত্যিই চমৎকার লেগেছে বইটির প্রচ্ছদ, পৃষ্ঠাগুলোর বাহারী ডিজাইন ও সাথে নানানরকম কার্টুন চিত্র( প্রাণির নয়) যা দেখে একটি শিশু খুব সহজেই বইটির প্রতি আকর্ষিত হবে ইনশাআল্লাহ। বাইন্ডিং পৃষ্ঠাসজ্জা সবকিছু মিলিয়ে বেশ ভালো লাগার মতো হয়েছে বইটি।

    এবার আসি ভেতরের কথায়। পুরো বইটা একদমে শেষ করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। একশো বত্রিশটি পৃষ্ঠা একটানা পড়েছি, তবুও একটুও একঘেয়েমি ভাব আসেনি। মনে হচ্ছিল আমিও হাসান আর রুকাইয়ার সাথে বসে দাদুর থেকে গল্প শুনছি। বইটা পড়তে পড়তে স্মৃতিপটে ভেসে উঠল শৈশবের স্মৃতি। ছোটবেলায় বাবার কাছে এভাবে নবীজির গল্প শুনতাম। বাবা কাছে নিয়ে কত গল্প বলতেন। পুরনো স্মৃতি যেন আবার তরতাজা হয়ে উঠলো। মাশাআল্লাহ, লেখিকা চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন নবীজির পুরো জীবনের গল্প। শিশুরা যেন খু্ব সহজেই বুঝতে পারে সেইজন্য সহজ সরল ভাষায় গল্পগুলো তুলে ধরেছেন লেখিকা। আবার তারা যেন বিরক্ত না হয়ে পড়ে তাই দারুণ পন্থা অবলম্বন করেছেন তিনি।

    বইটিতে উঠে এসেছে নানান ঘটনা। নবীজির আগমনে আলোকিত মক্কা, এরপর নবীজির কষ্টমাখা শৈশব, নবুয়ত প্রাপ্তি, ইসলাম প্রচারকালীন বিপদ-আপদ, মক্কা বিজয়, বিদায় হজ্জ! বেশ কিছু জিনিস অজানা ছিলো, যা জানা হলো।

    সবচেয়ে বিস্ময়কর আর সুন্দর লেগেছে বালক সাহাবীদের কাহিনীটুকু। আমি আশা করি এই অংশটুকু অবশ্যই আমাদের শিশুদের জন্য নবীপ্রেমের অনবদ্য উদাহরণ হবে। কীভাবে দু’জন শিশু নবীজির জন্য নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছিলো সেই কাহিনী অবশ্যই তাদের মনে নাড়া দেবে।

    বেশ অনেক জায়গায় টাইপ মিস্টেক দৃষ্টিগোচর হয়েছে। অবশ্য এত সুন্দর প্রচ্ছদ, পৃষ্ঠাসজ্জা, সীরাহ উপস্থাপনের পদ্ধতি এবং সহজ সাবলীল বর্ণনা সব মিলিয়ে অনেক বেশি আনন্দ দিয়েছে। মাশাআল্লাহ, বারাকাল্লাহি ফিক।

    সবশেষে বলবো, অভিভাবকদের উচিত এই সীরাহটি নিজেদের শিশুর হাতে তুলে দেওয়া। ওদের শৈশব কাটুক সত্যিকারের সুপারহিরোর গল্প পড়ে।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 4 out of 5

    ফাহমিদা আফরিন:

    প্রত্যেক সৃষ্টির অন্তরে রয়েছে রহমাতুল্লিল আলামীনের প্রতি অজানা টান ও ভালোবাসা। প্রতিটা অন্তরই ঝুঁকে আছে তাঁর (ﷺ) দিকে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবকে ঘিরে মানবজাতির কতই না আগ্রহ! কত-শত প্রশ্ন! সবাই তাঁর (ﷺ) সম্পর্কে জানতে চায়। উনাকে নিয়ে বড়দের মনেই আগ্রহের কমতি নেই আর সেখানে শিশুদের অবস্থাটা একবার ভাবুন। শিশুরা তো অবুঝ, তারা সবেমাত্র পৃথিবীটাকে জানতে শুরু করেছে। তাদের মন যেন প্রশ্নের খনি! সারাক্ষণ একটা না একটা প্রশ্ন ঘুরতেই থাকে তাদের মাথায়। বাচ্চাদের মন শৈশবে কাঁচা মাটির মতোই থাকে, ওদেরকে যা বোঝানো হবে যা দেখবে ওরা সেটাকেই ভেতরে ধারণা করবে; সেই ধাঁচেই ওরা বেড়ে উঠবে।

    আফসোসের বিষয় হচ্ছে, ওদের শৈশবটা জুড়ে থাকছে বানোয়াট সব গল্পে থাকা সুপার হিরো। আবার কারও শৈশব ডুবে যাচ্ছে গেইমস আর কার্টুনে আসক্তিতে। মিথ্যা বানোয়াট যত গল্প ও জিনিসে ভরে যাচ্ছে তাদের বিশুদ্ধ কল্পনার জগৎ-টা। শিশুরাই আমাদের জাতির ভবিষ্যত। তাদেরকে এমন অন্ধকারে ডুবে যেতে দেওয়া যায় না, তাই তাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিন সত্যিকারের সুপারহিরোর। যিনি মানবজাতির প্রতি রহমত স্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন। হযরত মুহাম্মাদ ﷺ।

    বর্তমানে শিশুদেরকে মিথ্যা জগৎ থেকে ফিরিয়ে পৃথিবীর সত্যিকারের সুপারহিরোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে আযান প্রকাশনীর চমৎকার আয়োজনে প্রকাশিত হলো লেখিকা মোরশেদা কাইয়ুমী-রচিত পুর্নাঙ্গ শিশুতোষ সীরাহ ❝ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ﷺ একজন সত্যিকারের সুপারহিরোর গল্প❞ বইটি।
    .

    বইটি হাতে পাওয়া মাত্রই মনটা আনন্দে বিমোহিত হয়ে গেলো। সত্যিই চমৎকার লেগেছে বইটির প্রচ্ছদ, পৃষ্ঠাগুলোর বাহারী ডিজাইন ও সাথে নানানরকম কার্টুন চিত্র( প্রাণির নয়) যা দেখে একটি শিশু খুব সহজেই বইটির প্রতি আকর্ষিত হবে ইনশাআল্লাহ। বাইন্ডিং পৃষ্ঠাসজ্জা সবকিছু মিলিয়ে বেশ ভালো লাগার মতো হয়েছে বইটি।

    এবার আসি ভেতরের কথায়। পুরো বইটা একদমে শেষ করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। একশো সাতাশটি পৃষ্ঠা একটানা পড়েছি, তবুও একটুও একঘেয়েমি ভাব আসেনি। মনে হচ্ছিল আমিও হাসান আর রুকাইয়ার সাথে বসে দাদুর থেকে গল্প শুনছি। বইটা পড়তে পড়তে স্মৃতিপটে ভেসে উঠলো শৈশবের স্মৃতি। ছোটবেলায় বাবার কাছে এভাবে নবীজির গল্প শুনতাম। বাবা কাছে নিয়ে কত গল্প বলতেন। পুরনো স্মৃতি যেন আবার তরতাজা হয়ে উঠলো। মাশাআল্লাহ, লেখিকা চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন নবীজির পুরো জীবনের গল্প। শিশুরা যেন খু্ব সহজেই বুঝতে পারে সেইজন্য সহজ সরল ভাষায় গল্পগুলো তুলে ধরেছেন লেখিকা। আবার তারা যেন বিরক্ত না হয়ে পড়ে তাই দারুণ পন্থা অবলম্বন করেছেন লেখিকা আপু।

    বইটা পড়তে গিয়ে সবকিছু যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছিলো৷ সেই জাহেলি যুগে আরবের অবস্থা, নবীজির আগমনে আলোকিত মক্কা, এরপর নবীজির কষ্টমাখা শৈশব, নবুয়ত প্রাপ্তি, ইসলাম প্রচারকালীন বিপদ-আপদ, মক্কা বিজয়, বিদায় হজ্জ! বেশ কিছু জিনিস অজানা ছিলো, যা জানা হলো।

    সবচেয়ে বিস্ময়কর আর সুন্দর লেগেছে বালক সাহাবীদের কাহিনীটুকু। আমি আশা করি এই অংশটুকু অবশ্যই আমাদের শিশুদের জন্য নবীপ্রেমের অনবদ্য উদাহরণ হবে। কীভাবে দু’জন শিশু নবীজির জন্য নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছিলো সেই কাহিনী অবশ্যই তাদের মনে নাড়া দেবে।

    বেশ অনেক জায়গায় টাইপ মিস্টেক দৃষ্টিগোচর হয়েছে। অবশ্য এত সুন্দর প্রচ্ছদ, পৃষ্ঠাসজ্জা, সীরাহ উপস্থাপনের পদ্ধতি এবং সহজ সাবলীল বর্ণনা সব মিলিয়ে অনেক বেশি আনন্দ দিয়েছে। মাশাআল্লাহ, বারাকাল্লাহি ফিক।

    সবশেষে বলবো, অভিভাবকদের উচিত এই সীরাহটি নিজেদের শিশুর হাতে তুলে দেওয়া। ওদের শৈশব কাটুক সত্যিকারের সুপারহিরোর গল্প পড়ে। তারা জানুক শ্রেষ্ঠ সেই মানুষটিকে, তাদের অন্তর জুড়ে থাকুক রহমাতুল্লিল আলামীন।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top