মেন্যু
muajjin sayiduna bilal ibn rabah

মুয়াজজিন (সাইয়িদুনা বিলাল ইবনে রাবাহ রাযি.)

পৃষ্ঠা: ৬৪

পরিমাণ

94  130 (28% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী প্রসাধনী প্রসাধনী

3 রিভিউ এবং রেটিং - মুয়াজজিন (সাইয়িদুনা বিলাল ইবনে রাবাহ রাযি.)

4.7
Based on 3 reviews
5 star
66%
4 star
33%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    আলহামদুলিল্লাহ nice একটা বই।
    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    মুক্তির স্বাদ কেমন তা পরাধীন না থাকলে বুঝা দায়। অধিকার লাভের আনন্দ কেমন তা বঞ্চিতরাই জানে। এমন স্বাদ আস্বাদনের জন্য চটপট করছিল বিলাল(রাঃ) এর তৃষিত মন। জন্মের আগ থেকে দাস বনে যাওয়া বিলাল ইবনে রাবাহ(রাঃ) কখনো মুক্ত বিহঙ্গের মতো আকাশে ছুটতে পারেনি, পারেনি খোলা মরুদ্যানে উটের মত দৌড়াতে।
    তবুও মনিবের বকরি-ভেড়া চড়াতে গিয়ে আকাশ দেখে মুক্ত হওয়ার আশা পুতে রেখেছিল মনে। সেই আশার বীজ থেকে চারা বের করে আনল মানবতার ধর্ম ইসলাম। মানবতার মহান শিক্ষক মুহাম্মদ(সঃ) তাকে মুক্তির স্বাদ আস্বাদন করাল। ইসলাম তাকে শোষণের কবল থেকে মুক্ত করে আনল।
    সেই ইসলামকে হৃদয়ের মাঝে নিঃস্বার্থভাবে স্থান দিয়েছিলএকটি আজীবন। নবীজি(সঃ) এর তরে জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছিল বিলাল হাবশী(রাঃ)। নিগার মায়ের সন্তান হয়েও তাকওয়ার আয়নায় সচ্ছ ধবধবে ছিল বিলাল(রাঃ)।
    মদিনায় হিজরতের পর নামাজের জন্য আযানের দায়িত্ব পরে বিলালের কাঁধে। ইসলামের ইতিহাসে প্রথম আযান। প্রথম মুয়াজ্জিনও তিনি। কড়কড়ে গলার আযানের ধ্বনি পৌঁছে গিয়েছে মদিনার প্রতিটি ঘরে ঘরে, যেমন ভাবে মক্কার কাফেরদের সামনে একাত্ববাদের ঘোষণা দিয়েছিল, “আহাদুন আহাদ।”
    বইটির একটি বৈশিষ্ট্য হল, রাসুল(সঃ) এর নাম যতবারই এসেছে সব নামই অনন্য। একটি নাম একাধিকবার ব্যবহার করা হয়নি।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 4 out of 5

    :

    মান্যবর সাব্বির জাদিদের “পিতামহ” বইটাই বিলাল ইবনে রাবাহ (রা.) সম্পর্কে জানতে একটা টুইস্ট তৈরী করে দিয়েছেন।

    যার ফলে এই বইটা পড়ে বিলাল সম্পর্কে জানতে পেরেছি অনেক কিছুই।

    কাহিনীকথা-

    রাবাহ আর হামামার পুত্র বিলাল। জন্মসূত্রে দাসের পুত্র দাস ।আফ্রো-আরব রক্তের মিশেলে সুঠামদেহী, মেদহীন, লম্বা গড়নের। গোপনে আবু বকর(রা.) সহায়তায় আল্লাহর প্রতি ইমান আনেন এবং কাবার নিশ্চুপ মূর্তিকে জিজ্ঞেস করেন,
    “তোমার কী ক্ষমতা? তুমি তো পাথরের মূ্র্তি ব্যতীত কিছুই নও। মানুষের ভালো-মন্দে তোমার কোনো হাত নেই। তুমি নিজেকেই রক্ষা করতে পারো না।এ বলে হুবালের গালে সজোরে আঘাত করলেন। ”
    এই একাকী কাজ কেউ একজন দেখে বিলালের মনিব উমাইয়াকে নালিশ করেন। নেমে আসে বিলালের উপর অমানবিক নির্যাতন। চাবুকের আঘাত তার শরীর হয়ে যায় রক্তাক্ত।
    কিন্তু বিলালের মুখ থেকে নিঃসৃত হয় একটি বাক্য “আহাদুন আহাদ, আহাদুন আহাদ ” অর্থাৎ আল্লাহ এক, আল্লাহ এক।

    দিন দিন বিলালের নির্যাতন চক্রবৃদ্ধিহারে বাড়তে থাকে।মরুভূমির উত্তপ্ত বালিতে তাকে পাথর চাপা দিয়ে রাখা হয়।
    কিন্তু বিলাল অনড়, অবিচল। পর্বতের পাদদেশে বকরি চড়াতে গিয়ে বিলাল তো গিরিকে দেখে তাই শিখেছে। প্রকৃতি বিলালকে দিয়েছে সবরের ছবক।উদার হতে শিখিয়েছে আসমানি। মরুঝড় সাইমুম শিখিয়েছে সহিঞ্চু হতে। আর ইমান তাকে দিয়েছে মুক্তির স্বাদ।
    রহমতের নবি আবু বকরকে ডেকে বললেন বিলালকে খরিদ করে নিতে। ১০ স্বর্ণমুদ্রায় তাকে ক্রয় করলেন ইসলামের প্রথম খলিফা এবং তাকে সেবা করে সুস্থ করে তুললেন। মুক্তি মিললো দাসত্ব থেকে।

    একসময় আযান নিয়ে হওয়া সমস্যায় নবীজি(সা.) তাকে আযান দেওয়ার আদেশ দেন। বিলাল আযানে ঘরঘর পৌঁছে যায় ইসলামের সর্বপ্রথম আযানের ধ্বনি। বিলাল হোন ইসলামের প্রথম মুয়াজ্জিন।

    ……..অনেক ছোট ছোট ঘটনা আছে এড়িয়ে গেলাম পাঠকেরা পড়লেই বুঝতে পারবেন………..

    একসময় সিরিয়ায় মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেন।যার পুরো ছিল আল্লাহর দাসত্বের। ।বইয়ের শেষে স্ত্রীর সাথে তার কথোপকথন ছিল এমন –

    -আপনি মৃত্যুশয্যায়। এর চেয়ে বড়ো বিপদ আর কী হতে পারে।
    -বরং বলো আজ কী আনন্দের দিন। মুচকি হাসলেন বিলাল,কারণ আমি শিগগিরই বন্ধুদের সাক্ষাৎ পেতে যাচ্ছি”

    স্বয়ংক্রিয় কথা-

    বইটা খুবই ছোট তবে অনেক কিছু জানতে পারবেন।বইটাই বানানে কিছু সমস্যা চোখে পড়েছে। স্পেস দেয়া হয় নাই কিছু বানানে। নেক্সট সংস্করণে ঠিক করার অনুরোধ রইল। লেখকের বর্ণনা বলতে গেলে চলনসই টাইপ।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top