মেন্যু
mrittu theke kiamot

মৃত্যু থেকে কিয়ামাত

কুরআনে পরকালের বিস্তারিত বিবরণ আছে; তবে প্রায় অধিকাংশ বর্ণনা জুড়ে রয়েছে কিয়ামত পরবর্তী অবস্থা। মৃত্যু থেকে কিয়ামত পর্যন্ত- এ বিশাল সময় সম্পর্কে কুরআনে খুব বেশী আলোচনা পাওয়া যায় না। নবি... আরো পড়ুন
পরিমাণ

196  265 (26% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

5 রিভিউ এবং রেটিং - মৃত্যু থেকে কিয়ামাত

5.0
Based on 5 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    জনৈক:

    কবরের শাস্তি এবং পরিত্রাণের উপরে আয়াত-হাদীস-দোয়া এবং (মূল লেখক) একজন মুজতাহিদ ইমামের মৃদু ব্যাখ্যাসহ অতি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন। মৃত্যু ইসলামের একটা মৌলিক আলোচনা; যে কবরে নিজের অবস্থার ব্যাপারে সচেতন তার কাছে জীবনের অর্থ, গতি এবং প্রগতির উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা। মৃত্যু, তার শাস্তি, তার প্রশান্তি – দুটোই মানুষের খুবই কাছে। আতঙ্ক হোক বা আশা; দুটোই দূর মহাসাগরের ধেয়ে আসা প্রকাণ্ড জোয়ার। স্থূল ভোগবাদের দৌড় এবং রাজনৈতিক তত্ত্বচিন্তার দূরাশা যেন আমাদের পরকাল সম্পর্কে বেমালুম করে না দেয়।

    এই বইয়ের সবচে’ ভালোলাগার অংশ হলো, অনুবাদক একজন সম্ভাবনাময় তরুণ; দীর্ঘদিনের বানান-বিভ্রাট এবং বানান নিয়ে গোঁয়ারগিরি তিনি খুব সুন্দরভাবে সমাধান করেছেন। আর ভাষারীতি এবং অনুবাদের মান অসাধারণ, সেকুলার বাংলাভাষী অথবা উর্দু শব্দের মওলানা – সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে নির্দ্বিধায়। পুরো বইটা জুড়ে মানে ছাপা, কভার, অনুবাদ, বানান সব মিলিয়ে কাজটা নিখুঁত হওয়ার ব্যাপারে একটা সামগ্রিক মনোযোগ স্পষ্ট। যারা বইটা পড়বেন তারা বইয়ের কলাকুশলীদের জন্য গোপনে দোয়া করবেন যাতে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

    4 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    SUMMA JAHAN:

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_মার্চ_২০২০
    ।।।ব‌ইপরিচিতি।।।
    ব‌ই : মৃত্যু থেকে কিয়ামত
    মূল (আরবি):ইমাম বাইহাকি (র:)
    অনুবাদ: জিয়াউর রহমান মুন্সী
    মূল্য: ২৬৫ টাকা
    প্রকাশনী: মাকতাবাতুল বায়ান

    ।।। লেখক পরিচিতি।।।
    ইমাম বাইহাকি। যে কজন মহান বিদ্বান হাদীস ও ফিক্হ-উভয় শাস্ত্রে সমান পারদর্শিতা অর্জন করেছিলেন, তিনি তাদের মধ্যে একজন।তার লিখিত ব‌ই-পুস্তকের সংখ্যা অনেক; খন্ড সংখ্যা প্রায় এক হাজার।

    ******ব‌ইটির সারমর্ম*******
    মৃত্যু থেকে কিয়ামত পর্যন্ত জীবনকে বলা হয় বারযাখের জীবন। মৃত্যুর মূহুর্ত,কবরের প্রশ্ন উত্তর পর্ব, মৃত্যুর পর দেহে রূহ ফিরে আসা, কবরের জীবন, পুনরুত্থান পর্ব এসব নিয়ে আমারা কি ভাবি? একজন মুমিন বান্দাকে এই প্রশ্নেগুলো সব সময় তাড়া করে বেড়ায়।এই প্রশ্নেগুলো যত ভাবাবে ইবাদত এ তার ততো মনযোগ আসবে, আল্লাহর প্রতি আকর্ষণ বারবে, দুনিয়া ক্ষিন্ব হয়ে যাবে। মৃত্যু দুনিয়ার জীবনের সমাপ্তি ঘটায় আর আখেরাতের জীবনের সূচনা।নিথর দেহটার মধ্যে আবার রূহ ফিরে আসবে জবাব দিতে হবে প্রশ্নের, মুখোমুখি হতে হবে কঠিন মূহুর্তের,হয় শাস্তি না হয় মহা আনন্দ। জানি না সে দিন কি করবো?কি হবে?যার ঈমান মজবুত তার মৃত্যু সহজ করা হবে, কবরের প্রশ্নের উত্তর সে দিতে পারবে।

    মুমিন ও কাফির উভয়ের তিনটি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কি?এ ব্যাক্তি {মোহাম্মদ (স:)} সম্পর্কে তুমি কি জানো? মুমিন বান্দা হলে সে পারবে প্রশ্নের উত্তর দিতে,তার কবর হয়ে যাবে জান্নাতের বাগিচা। আর কাফির হলে বলবে আমি জানি না লোক সকলকে কিছু একটা বলতে শুনেছি আমিও তাই বলতাম। শুরু হয়ে যাবে জাহান্নামের আজাব।হে আল্লাহ তুমি কবরের শাস্তি থেকে আমাদের রক্ষা করো।
    মৃত্যুর সময় ফেরেশতার আগমন ঘটে বান্দা মুমিন না কাফির সেই অনুযায়ী রূপ নিয়ে। বান্দা মুমিন হলে ফেরেশতা সুন্দর রূপ নিয়ে সামনে বসে, আত্মা বের করে রেশমী কাপড়ের উপর রাখে। আর কাফির হলে ভয়ংকর রূপ নিয়ে সামনে বসে, আত্মা বের করে খসখসে কাপড়ের উপর রাখে। কবরে রাখার পড়ে শুরু হয় প্রশ্ন। প্রশ্ন উত্তর শেষে মৃতব্যক্তিকে তার চুড়ান্ত গন্তব্য দেখানো হয়।
    যে ব্যক্তি আল্লাহর স্মরণ এরিয়ে চলে, সে কিয়ামতের দিন শাস্তি পাওয়ার আগে কবরে শাস্তি পাবে। যারা দুনিয়া ছেড়ে চলে যায়, আল্লাহ তায়ালা তাদের জন্য এমন অবস্থা সৃষ্টি করেন,যা আমরা দেখতে পাই না, অনুধাবন‌ও করতে পারি না। সেখানে একদল থাকে রকমারি অনুগ্রহের মধ্যে আর অপর দল থাকে নানা কস্টে।
    এই ব‌ইটিতে আছে কি কি কারণে কবরে শাস্তি দেয়া হবে,আর কোন আমলে সুরক্ষা পাওয়া যাবে, আলোকিত হবে কবর। পুনরুত্থান কিভাবে হবে।তাই এই ব‌ইটি পড়ে বিস্তারিত জানুন। ঈমানদার ভাইবোনেরা ত‌ওবা করার সুযোগ এখনো আছে,আমল করার সময় এখনো আছে, জানি না কার সময় কখন শেষ হয়ে যাবে,,,,,,?আসুন আমরা সবাই বারযাখের জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।নেক আমল করার তৌফিক আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের দান করেন। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের নেক হায়াত বারিয়ে দেন।

    3 out of 4 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    Khaleda Mubasshera:

    মহান প্রভুর স্মরণে শুরু করছি,,,,,,,,
    “মৃত্যু থেকে কিয়ামাত”
    ●লেখক পরিচিতি :ইমাম বায়হাকী রহিমাহুল্লাহ।যে কয়জন মহান বিদ্বান হাদিস ও ফিকহ উভয় শাস্ত্রে সমান পারদর্শীতা অর্জন করেছিলেন, তিনি তাদের একজন।জ্ঞান অর্জনেরজন্য বহু দেশ সফর করেছেন।তাঁরলিখিত পুস্তকের সংখ্যা অনেক;খন্ড সংখ্যা প্রায় এক হাজার।তার মধ্যেই একটি হলো “ইসবাতু আযাবিল কবর”।বক্ষমান গ্রন্থটি এরই বাংলা অনুবাদ।
    _______________________________
    ●বইটির আলোচ্য বিষয় :এ গ্রন্থে কুরআনের আয়াত,হাদীসের বিবরণী ও এ উম্মাহর পূর্বসূরিদের বক্তব্যের মাধ্যমে কবরের শাস্তি ও শারীআতে উল্লিখিত দু’ ফেরেশতার জিজ্ঞাসাবাদ প্রমাণ করার পাশাপাশি দেখানো হয়েছে যে,পবিত্র সত্তা আল্লাহ তা’আলার শক্তিমত্তা বিবেচনায় এসব বিষয় বুদ্ধিবৃত্তিকভাবেও সম্ভব।
    ___________________________
    ●পাঠ অনুভূতি:গ্রন্থটি কুরআন ও হাদিসের আলোকে মৃত্যুর বিষয়টি এমনভাবেতুলে ধরা হয়েছে যা মুহূর্তেই পাঠককে মনে করিয়ে দেবে মৃত্যু নামক মহা সত্যের কথা।কবরের জীবন কতটা ভয়াবহ,আবার কতটা শান্তিদায়ক তা নিবিড়ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক।বইটি পড়ার মাধ্যমে আমরা নিজেদের খুব সহজে কল্পনা করতে পারবো অন্য জগতে।সম্পূর্ণ গ্রন্থটিতে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে মৃত্যু এবং কবরের জীবনকে।বইটি বারবারই আমাদের মনে করিয়ে দেবে মৃত্যুর কথা,,,আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা:) বলেছেন, “সকল স্বাদ ধ্বংসকারী [মৃত্যু]_কে বেশি বেশি স্মরণ করো।”(আহমাদ)
    “আর যে ব্যক্তি আমার স্মরণ এড়িয়ে চলে, তার জন্য হবে সংকীর্ণ জীবন, এবং কিয়ামাতের দিন আমি তাকে ওঠাবো অন্ধ করে।”(সুরা ত্ব -হা ২০:১২৪)
    আবু সাঈদ খুদরি (রা) থেকেবর্ণিত, তিনি বলেন, “সংকীর্ণ জীবন মানে __কবরে তার উপর নিরানব্বইটি সরীসৃপ লেলিয়ে দেওয়া হবে, যেগুলো তাকে দংশন করে ছিন্নভিন্ন করে ফেলবে।(ইবনু হিব্বান)
    এরূপ অসংখ্য কুরআনের আয়াতের আলোকে ২০৬ টি হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে গ্রন্থটিতে।
    ___________________________________
    ●কাদের জন্য বইটি:আমরা অনেকেই আছি দ্বীন ছেড়ে দুনিয়ার কাজে ব্যস্ত।দুনিয়ার কাজে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছি প্রায়।আল্লাহকে স্মরণ করার যেন প্রয়োজনই অনুভব করি না,তাদের জন্য বইটি নিদারুণ সহযোগী।গ্রন্থটি আপনাকে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার পাশাপাশি, আমল নিয়ে আপনাকে ভাবাবে।কবরের আযাবের কথা জানলে হয়তোবা গুনাহমুক্ত জীবন গড়তে পারবো আমরা।
    _____________________________
    ●বইটির বিশেষত্ব:গ্রন্থটিতে যেমন ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়েছে,,,,,,,তেমনি সহীহ হাদিস ও বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সাজিয়ে তোলা হয়েছে।এছাড়া বিশিষ্ট সাহাবীদের মৃত্যুপরবর্তী জান্নাত লাভের কিছু আলামত পেশ করা হয়েছে যা পাঠকদের হৃদয়ে সাড়া জাগাবে।
    _______________________________
    ●ভালোলাগা:ব্যক্তিগতভাবে বইয়ের বাইন্ডিং খুব ভালো লেগেছে,,,,,,,পেজগুলোও সুন্দর।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    Mansura Chowdhury:

    ক্ষণস্থায়ী এই জীবন শেষে অপেক্ষা করছে অনন্ত এক জীবন।যে জীবনে শুধুই শান্তি নয়ত শুধুই আফসোস!দুনিয়ার এ জীবন শেষ হওয়ার সাথে সাথেই চিরস্থায়ী সে জগতের প্রথম ধাপ বা পরীক্ষা শুরু হয়ে যায়।মালাকুল মউতের সাথে সাক্ষাৎ থেকে শুরু করে রুহ বের হয়ে আসা…উর্ধে গমন শেষে দুনিয়ার মাটিতে ফিরে আসা…কিয়ামাতের পূর্ব পর্যন্ত কবরের বাসিন্দা হওয়া-এই চিরসত্যের বিষয়গুলো সম্পর্কে আমরা অবগত হই আল্লাহ বানীর মাধ্যমে,রাসূল(স)এর হাদীসের দ্বারা।কিন্তু এই বিশাল এক সময় সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য কুরআনে পাওয়া যায় না।হাদীসেও তা বিক্ষিপ্তভাবে স্থান পেয়েছে।এই বিষয় সম্পর্কিত কুরআনের বর্ণণা ও হাদীসগুলোকে একত্রিত করে প্রথম আলাদা গ্রন্থ রচনা করেছেন ইমাম বাইহাকি।তাঁর ‘ইসবা তু আযাবিল কবর’ গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ ‘মৃত্যু থেকে কিয়ামাত’ বইটি।

    মৃত্যু তো চিরসত্য। মুসলিম হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের মৃত্যু পরবর্তী জীবন সম্পর্কে জানা উচিত,চিন্তাভাবনা করা উচিত।রাসূল(স) বলেছেন,”আমি যা জানি,তোমরা যদি তা জানতে তবে হাসতে কম।কাঁদতে বেশি।”।
    ‘মৃত্যু থেকে কেয়ামত’ বইটিতে কবরের দুই ফেরেশতার প্রশ্নোত্তর,সেখানে মৃত ব্যক্তির জীবন কেমন হবে,মুমীন,কাফির,মুনাফিকদের জন্য কি অপেক্ষা করছে,বিভিন্ন অপরাধের জন্য কবরের শাস্তির আশংকা,কবরের পরীক্ষা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার বিভিন্ন সম্ভাব্য কারন,শাস্তি ও পুরস্কার,কবরের পরীক্ষা থেকে আশ্রয় ও সুরক্ষা পাওয়ার দুআ ইত্যাদি বিষয়গুলো কুরআন ও হাদীসের আলোকে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

    বইটি দুখপাঠ্য।স্মরণ করিয়ে দিবে এ জীবন কতটা তুচ্ছ!প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে সেই অসীম জগতের জন্য।ইন শা আল্লাহ।

    অনুবাদক জিয়াউর রহমান মুন্সী একজন তরুন গবেষক।অনুবাদে তিনি ইতোমধ্যেই মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন।সীরাতুন নবী,রাসূলের চোখে দুনিয়া,মাযহাবঃঅতীত,বর্তমান,ভবিষ্যৎ,আপনার প্রয়োজন আল্লাহকে বলুন ইত্যাদি বইগুলো তাঁরই অনুবাদ করা।বইয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে,জাযাকুমুল্লাহু খইরান।

    বইটির প্রচ্ছদ,বাঁধাই,পৃষ্ঠার মান সবই ভালো।কিন্তু অনেক পৃষ্ঠা অপচয় করা হয়েছে।এক,দুই লাইনের জন্য একটা পুরা পেইজ ব্যবহার করা হয়েছে,বিষয়টা দৃষ্টিকটু।

    আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের মৃত্যু পরবর্তী জীবন উপলব্ধি করার এবং দুনিয়ার জীবনকে কাজে লাগানোর তাওফীক দান করুন।আমীন।

    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    rrahman1210:

    যথা সময়ে সরবরাহ করা হয়েছে। ধন্যবাদ। ভালো বই।
    5 out of 5 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No