মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

কাজের মাঝে রবের খোঁজে

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৮
কভার: পেপার ব্যাক

মেয়েদের জীবন নিয়ে আমাদের কিছু ছকেবাঁধা গতানুগতিক চিন্তা আছে। সেই চিন্তার বাইরে কিছু করতে গেলে বোনেরা বলে বসে, ‘কী দরকার? ফরজ ইবাদত করলেই তো জান্নাত!’ আবার কারও কারও চিন্তা একদম ছকের বাইরে। ফরয ইবাদত থেকে লক্ষ্য সরিয়ে নিয়ে হলেও যেন নফল ইবাদত করা চাই-ই চাই!
.
বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে শাইখ আব্দুল মালিক কাসিম নেক আমলের ঝুলি সমৃদ্ধ করতে এমন সব অভিনব পন্থা বাতলে দিয়েছেন যে, এটা প্রত্যেক পাঠকের কাছে পৌঁছানো উচিত। মেয়েদের কাছে অন্তত এই বার্তাটুকু যাক—ইসলামে কোনো নারীই ‘অনাহূত’ নন। এখানে সব নারীর জন্যই নেক আমলের দুয়ার খোলা

পরিমাণ

98.00  136.00 (28% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

6 রিভিউ এবং রেটিং - কাজের মাঝে রবের খোঁজে

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভালোলাগা_জুলাই_২০২০

    ★বই: কাজের মাঝে রবের খোঁজে,

    ★বইয়ের_বিষয়বস্তুঃ
    কাজের কারণে আমরা রবকে ভুলে যাই। দুনিয়াবি তুচ্ছ করণে রবের কথা মনে থাকে না। কাজের ফাঁকেও রবের সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। এমন অনেক কাজ আছে যা দেখতে ছোট লাগে কিন্তু মহান রবের কাছে অনেক মহৎ। এমন বিষয় গুলো নিয়েই বইটি লেখা। এটি একটি অনুপ্রেরণামূলক বই। বইটি যদিও নারীদের জন্য লেখা তবু অন্যদেরও অনুওপ্রেরণা যোগাবে। বইটি ছোট ছোট প্রবন্ধের আকারে লেখা।

    ★বইটি যেভাবে সাজানোঃ
    আমাদের অনেকেই নফল কাজগুলোকে তুচ্ছ মনে করি। এগুলো করার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি ন। লেখক ঠিক সেই কাজগুলোই প্রবন্ধ আকারে লিখেছেন নারীদের জন্য। তাদেরকে কাজগুলো করার প্রতি উৎসাহ দেয়া হয়েছে।

    ★বইটির বিশেষত্ত্বঃ
    বইটির কলেবর খুবই ছোট। মাত্র ৮৮ পৃষ্ঠায় সমাপ্ত হওয়ায় হাপিয়ে ওঠার সমস্যার সম্মুখীন হবেন না। প্রবন্ধগুলো কম লেখায় বেশি গম্ভীর্য। প্রবন্ধগুলো সাজানোর পদ্ধতি অন্যরকম। প্রবন্ধর সংখ্যা বেশি কিন্তু প্রবন্ধের আকারছোট। অর্থাৎ কম লেখায় বেশি তাৎপর্য বহন করে। লেখাগুলো অনুপ্রেরণা জোগাতে সাহায্য করবে ইনশাআল্লাহ।

    ★মন্তব্যঃ
    বইয়ের প্রবন্ধগুলো ভালো লেগেছে। বইয়ের প্রচ্ছদ সহজ-সরল হওয়ায় কারো নজর নাও কারতে পারে। কিন্তু সহজের ভিতরেও গম্ভীর্যতা বহন করে। ভিতরের লেখার স্টাইল, সাইজ সবই ভালো। বইটির অনুবাদ সহজভাবে করা হয়েছে। ফলে দুরবোধ্যতা সংশ্লিষ্ট সমস্যায় পড়তে হবে না ইনশাআল্লাহ।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  2. 5 out of 5

    :

    মেয়েদের জীবন নিয়ে আমাদের কিছু ছকেবাঁধা গতানুগতিক চিন্তা আছে।
    সেই চিন্তার বাইরে কিছু করতে গেলে আমরা বলে বসি,’কী দরকার?
    ফরয ইবাদাত করলেই তো জান্নাত!’
    আবার কারও কারও চিন্তা একদম ছকের বাইরে।ফরয ইবাদাত থেকে লক্ষ্য সরিয়ে নিয়ে হলেও যেন নফল ইবাদাত করা চাই-ই-চাই।

    এসবের মাঝামাঝি কি কিছু নেই?
    ভুলত্রুটি আর বেশুমার গুনাহ ঢাকতে কিছু নফল ইবাদাত করলে ক্ষতি কী?
    আবার ফরয বাদ দিয়ে নফলের পিছে ছুটেই-বা কী লাভ?

    || বই নিয়ে আলোচনা ||

    ছোট আকারে সহজ সরল সাবলীল ভাষায় এবং অতুলনীয় সুন্দর প্রচ্ছদের সন্নিবেশিত বইটি আপনাকে মুগ্ধ করবেই।
    বইটি ২৭ টি গল্পে সাজানো হয়েছে।
    এতো সহজভাবে গল্পগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে যার কারণে যে কেউ গল্পগুলো সহজে বুঝতে ও উপলদ্ধি করতে পারবে।

    মেয়েরা সারাদিন পরিবার নিজের সংসার ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
    কাজের মধ্যে কেটে যায় অনেক মেয়েদের দিনরাত্রী।
    সেই কাজের ফাঁকে ফাঁকে কিভাবে আল্লাহকে স্মরণ করবেন কিভাবে কাজের মধ্যে থেকেও ইবাদাতে লিপ্ত থাকবে সেটাই গল্প আকারে লেখিকা উপস্থাপন করেছেন।

    || বই থেকে শিক্ষা ||

    ১.বাচ্চাদের অনেক খাতা আছে যেগুলা বছর শেষে দেখা যায় লিখে শেষ হলেও অনেক পৃষ্টা ফাঁকাই থাকে।বাচ্চাদের এই ফাঁকা থাকা পৃষ্টাগুলো সংগ্রহ করে নতুন খাতা বানিয়ে গরিব,এতিম,অসহায় শিশুদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

    ২.আমরা বাসে আসা যাওয়ায় গল্প করে যে সময়টা কাটিয়ে দিচ্ছি সে সময়টায় যদি চার-পাঁচটা আয়াত মুখস্ত করা যায় তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে একটা বড় সূরা মুখস্ত হয়ে যাবে।

    ৩.হাসপাতালের করিডোরে একটা বুকশেল্ফের ব্যবস্থা করা।সেখানে যাবতীয় ইসলামি বই থাকবে,বিশেষ করে নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় দাওয়াতি বই।
    জন্ম-মৃত্যু চোখের সামনে দেখার স্থান এই হাসপাতাল।
    কেউ আসছে রোগী হয়ে,কেউ যাচ্ছে লাশ হয়ে,কেউ-বা আবার নবজাতককে বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছে।এ সময়টায় মানুষের মন নরম থাকে,সত্য জানবার জন্য ব্যকুল হয়ে থাকে।

    ৪.মেয়েরা সাধারণত এই সেই কিনে অনেক টাকাই অপচয় করেন।
    এসব অপচয় কমিয়ে সেই টাকা জমানো যেতে পারে।প্রথম প্রথম অসম্ভব মনে হলেও মাস শেষে হিসেব করে চললে টাকা জমানো সম্ভব।
    সেই টাকা দিয়ে ইসলামি বই কিনে পাড়া প্রতিবেশি,আত্মীয়স্বজন কিংবা অনান্যদের মধ্যে বিলি করা যায়।এতে দাওয়াতি কার্যক্রম চালু থাকলো।বছর শেষে কিছু টাকা বাঁচলে সে টাকা দিয়ে এতিমদের স্কুল ব্যাগ কিংবা শ্রেণীর বই কিনে দেওয়া।

    বইটিতে ২৭ গল্পে আলাদা আলাদা শিক্ষণীয় বিষয় আছে।আমি শুধুমাত্র ৪ টি বিষয় আপনাদের সাথে তুলে ধরলাম।
    বইটি পড়লে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন।

    শেষে বইয়ের কয়েকটি ভালোলাগা বাক্য দিয়ে শেষ করছি।

    // আল্লাহ তাঁর পথে ডাকার দায়িত্ব দিয়ে আমাদের দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।এই দায়িত্ব পালনের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও হেলায় হারাতে চাচ্ছ?

    //এমন হতেই পারে,তোমার আত্মীয়দের দ্বীনের আলোয় আলোকিত করতে আল্লাহ তোমাকেই মনোনীত করেছেন।তুমি কি এ সুযোগ গ্রহণ করবে না?

    Was this review helpful to you?
  3. 5 out of 5

    :

    মাশা’আল্লাহ্‌ অসাধারণ কিছু গল্পের মাধ্যমে দাওয়াতের শিক্ষা প্রধান করা হয়েছে। বেশ ভালো লেগেছে ।।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  4. 5 out of 5

    :

    “আর কে আছে তার থেকে উত্তম যে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে,সৎকর্ম করে আর বলে আমি মুসলমান”(সূরা হা-মীম সাজদাহ,আয়াতঃ৩৩)
    বর্তমানে মানুষের প্রতিনিয়ত দ্বীন থেকে দূরে যাওয়ার প্রতিকার এবং প্রতিরোধ উভয় ক্ষেত্রেই দাওয়াহ দেয়ার কোনো বিকল্প নেই।দ্বীনের দাওয়াহ দেয়া নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য অবশ্যই কর্তব্য। উম্মাহর কল্যাণে শুধু পুরুষকে নয় বরং নারীদেরও শারঈ সীমারেখার মধ্যে এগিয়ে আসতে হবে।বইটির মধ্যে লেখিকা seed of righteous বইয়ের অনুবাদের মূল রচনাকে নতুন মোড়কে গল্পের মাধ্যমে রুপ দেয়ার চেষ্টা করেছেন।

    ***বইয়ের বিষয়বস্তুঃ

    মানুষের জীবন হলো কাজের সমষ্টি।দৈনন্দিন জীবনের সকল কাজগুলোর মধ্যে যদি মহান রবের সন্তুষ্টিকেও প্রাধান্য দেয়া হয় তাহলে তা আমাদের জন্যই কল্যাণকর।কিভাবে নারীরা ঘরে-বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই প্রতিটি কাজের মাধ্যমে সহজেই দ্বীনের দাওয়াহ দিবে সেটাই খুব সুন্দরভাবে গল্প আকারে এই বইয়ে বলা হয়েছে।অপচয় রোধ,অবসরকে কাজে লাগানো,বিভিন্ন দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে সাবলম্বী হওয়া,দান সাদাকাহ করা,অমায়িক ব্যবহার,সবর ও শোকর করা।বিভিন্ন সাদাকায়ে জারিয়াহ প্রজেক্টে কাজ করা ও অন্যদের উদুদ্ধ করা,সুসন্তান গড়ে তোলা,চক্ষু শীতলকারী নারী হওয়া,অন্যের উপকার করা এমন অনেক দ্বীনি কাজকেই লেখিকা ফুল হিসেবে নিয়ে গেঁথেছেন এক পরিপূর্ণ মালা।

    ****বইটি নিজে এবং অন্যদের পড়তে কেনো উৎসাহিত করবেনঃ

    অনেক বোনেরাই পুরুষদের মতো দাওয়াহ দিয়ে সওয়াব অর্জন করতে না পারার আফসোস করেন।ফরজ ইবাদতের পাশাপাশি নফল ইবাদত করে যারা নিজেদের আমলের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে চান,ইসলামকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চান মূলত তাদের জন্যই এই বইটি।বইটিতে কুরআনের কিছু সুন্দর আয়াত উল্লেখ করা হয়েছে যেগুলো সহজেই মানুষকে চিন্তা করতে শিখাবে তার জীবন সম্পর্কে,তাকে দ্বীনের পথে উৎসাহিত করতে।আত্নশুদ্ধির জন্য ও এটি দারুণ সহায়ক হবে।

    ****ভালো লাগাঃ

    বইটির সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে সহজ-সরল ভাষায় অনূদিত যা সকলের জন্য বোধগম্য।কিভাবে ছোটো-খাটো কাজের দ্বারাও নেক আমলের ঝুড়ি সমৃদ্ধ করা যায় তারই কিছু অভিনব পন্থা খুবই সহজভাবে অল্প ভাষায় লেখিকা তুলে ধরেছেন।প্রচ্ছদের রং আমার কাছে স্নিগ্ধকর লেগেছে।

    ****শেষ কথাঃ

    মৃত্যুর পর সাদাকায়ে জারিয়ার জন্য উম্মাহর কল্যাণে দাওয়াহ দেওয়াতে অবশ্যই আমাদের সবাইকেই অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করা উচিৎ।সেজন্য বোনদের এই বইটি পড়া অত্যাবশ্যক বলে মনে করি এবং ভাইদেরও উচিৎ এতে উৎসাহিত করা এবং দ্বীনের খেদমত করতে সহায়তা করা।

    ***রেটিংঃ৯/১০

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  5. 5 out of 5

    :

    আসসালামু আলাইকুম। এই বইটির রিভিউ লিখতে যেয়ে প্রথমেই মনে পড়লো যে বইটি আমি আমার স্ত্রীকে উপহারস্বরূপ দিয়েছি। যেদিন বইটি তার হাতে আমি দেই সেদিনের পর থেকে তাকে প্রায়ই ঐ বই নিয়ে বসে থাকতে দেখতাম। দেখতাম খুব আগ্রহ সহকারে আমার স্ত্রী বইটি পড়ছে। একদিন আমিও ভাবলাম বইটি পড়ি। আলহামদুল্লিাহ বইয়ের অনেকগুলো পৃষ্ঠা আমি পড়েছি। আমার বইটি পড়ার পর মনে হলো বইটি আমার স্ত্রীকে উপহার দিয়ে আমি বিন্দু পরিমাণ ভুল করিনি। তাই সব মুসলিম ভাইদেরকে বলবো আপনার প্রিয়তমা স্ত্রীর হাতে এই বইটি তুলে দিন। আর বইটির লেখিকার জন্য রইলো আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক দোয়া। আল্লাহ যেন আপনার মনের সকল নেক আশা পূরণ করেন।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
  6. 5 out of 5

    :

    বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথমে লিখতে চেয়েছিলাম, ‘আমরা মেয়েরা গতানুগতিক কয়েকটা কাজ ছাড়া অন্য কাজের মাধ্যমে দ্বীনের খেদমত করার কথা ভাবতে পারি না। ঘর-সংসারের কাজ ছাড়াও উম্মাহর প্রতি দায়িত্ব আছে সে কথা আমরা ভুলে যাই। অথচ ছোট ছোট কাজ করেও সে দায়িত্ব পালন করা যায়। এমনই কিছু কাজের কথা বলা আছে এই বইতে।’ পরে মনে হল, না, এতটুকুই নয়। আরও বেশি কিছু আছে। একটি মেয়ে ঘরে বাইরে যেখানেই যাবে কীভাবে দাওয়াহর বীজ বুনে আসবে সেই উপায় বাতলে দেওয়া আছে। বলা আছে এমন ছোট ছোট পদক্ষেপের কথা যেগুলো একজনকে জান্নাতের দরজায় পৌঁছে দিতে পারে। স্বস্তি এনে দিতে পারে সেদিন, যেদিন নেক আমল ছাড়া অন্য কিছু কাজে আসবে না।
    অন্যদের কাছে কী মনে হবে জানি না, আমার কাছে আদব শেখানোর বই বলেও মনে হয়েছে। আবার ঘরে বাইরে চলার গাইডলাইনও মনে হয়েছে।সবমিলিয়ে ‘কাজের মাঝে রবের খোঁজে’ নামটা পারফেক্ট ।
    বইটি মূলত ইংরেজি ‘Seeds OF Righteousness’ বইয়ের অবলম্বনে লেখা। মূল বইটি লেখা হয়েছে বেশ কিছু সত্য ঘটনাকে নিয়ে। সেই ঘটনাগুলোই গল্প আকারে আনা হয়েছে ‘কাজের মাঝে রবের খোঁজে’ বইয়ে। গল্প লেখার কাজটি করেছেন লেখিকা আফিফা আবেদীন সাওদা। লেখিকার এটাই প্রথম একক বই। কিন্তু লেখালেখির সাথে তার সম্পর্ক অনেক দিনের। ‘রৌদ্রময়ী’, ‘গল্পগুলো অন্যরকম’ বইয়ে তার লেখা গল্প রয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু বইয়ের সম্পদনাও করেছেন তিনি। অন্য বইগুলোর মতো এই বইয়েও তার লেখনী প্রশংসা পাওয়ার দাবি রাখে। ‘Seeds OF Righteousness’ বইটিও আমি পড়েছিলাম, সেটার চেয়ে ‘কাজের মাঝে রবের খোঁজে’ বইটি বেশি ভালো লেগেছে আমার কাছে।
    Was this review helpful to you?