মেন্যু
jemon chilen tini

যেমন ছিলেন তিনি ﷺ (দুই খণ্ড)

অনুবাদ: আব্দুল্লাহ ইউসুফ
সম্পাদনা: মুফতি তারেকুজ্জামান
পৃষ্ঠা: ১১৪৬ (অফসেট হোয়াইট, হার্ড কভার)

আরবের প্রথিতযশা আলেমে দ্বীন ও প্রখ্যাত দাঈ শাইখ সালিহ আল মুনাজ্জিদের এক অপূর্ব সিরাত সংকলস (كَيْفَ عَامَلَهُمْ) ‘যেমন ছিলেন তিনি’।

এই গ্রন্থকে আসলে সিরাত বললেও ভুল হবে। সিরাতের বিন্যাসের সঙ্গে এর কোনো মিল নেই। কারণ ইতিহাস বর্ণনা, আবহ নির্মাণ, ঘটনার ধারাবাহিকতা রক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয়াদির আলোচনা ইত্যাদি করতে গিয়ে সিরাতগ্রন্থের সর্বত্র সরাসরি রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর ওপর আলোকপাত করা হয় না। তাই সিরাত খুললেই আপনি দেখবেন সমসাময়িক আরবের ভৌগোলিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক চিত্র, কুরাইশ বংশের ইতিহাস, সাহাবিদের বিভিন্ন ঘটনা, হিজরতে হাবশা, বিভিন্ন লড়াইয়ের ঘটনা ইত্যাদি।

পক্ষান্তরে ‘যেমন ছিলেন তিনি’ গ্রন্থে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনি দেখবেন কেবল রাসুলুল্লাহর আলোচনা। সর্বত্র কেবল রাসুলুল্লাহর ওপরই সরাসরি আলোকপাত করা হয়েছে। তিনি কী বলছেন, কীভাবে বলছেন, কেন বলছেন, কী করছেন, কীভাবে করছেন, কেন করছেন, কার সঙ্গে কেমন আচরণ করছেন, কোন পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দিচ্ছেন ইত্যাদির মতো মূল্যবান ও জীবনঘনিষ্ঠ উপাদান নিয়ে ধাপে ধাপে নির্মাণ করা হয়েছে পুরো বইটি। প্রতিটি অধ্যায়, প্রতিটি পরিচ্ছেদ, প্রতিটি পৃষ্ঠায় আপনি দেখবেন রাসুলুল্লাহময় একটি আবহ ছড়িয়ে আছে। অন্য কোনো কথা নেই, ভিন্ন কোনো আলোচনা নেই—কেবল রাসুলুল্লাহ ও রাসুলুল্লাহর জীবন, রাসুলুল্লাহর সুন্নাহ ও তাঁর আদর্শ। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

পরিমাণ

938  1,340 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

10 রিভিউ এবং রেটিং - যেমন ছিলেন তিনি ﷺ (দুই খণ্ড)

5.0
Based on 10 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    এই বইটা একটি Must Have টাইপের বই, বিশেষ করে যারা সুন্নাহকে ভালোবাসেন এবং অনুসরণ করেন। আমরা সাধারণত রাসুলুল্লাহ সাঃ কে অনুসরণ করতে সীরাহ গ্রন্থ পড়ি এবং সেখানে ইতিহাসের বিষয়গুলি জানতে পারলেও রাসুলকে সাঃ অনুসরণের বিষয়গুলি সেভাবে জানা যায় না। এই বইটি সফলভাবে এই শুন্যস্থানটি পুরণ করেছে। অত্যন্ত সুবিন্যস্তভাবে রাসুলের সাঃ জীবনের অনুসরণীয় দিকগুলি তুলে ধরেছেন, islamqa.com এর প্রধান মুফতি শায়খ সালেহ আল মুনাজ্জিদ।
    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    যিনি আমাকে না দেখেও ভালোবেসেছেন সেই ১৪০০ বছর আগে। যিনি আমাকে দেখার জন্য কান্না করেছেন। যার কান্না দেখে একদিন তাঁর সাহাবীরা জিজ্ঞেস করল ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ) আপনি কেন কান্না করছেন, তখন তিনি জবাব দিলেন “আমার ভাইদের খুব দেখতে ইচ্ছে করছে”। তখন সাহাবীরা জবাব দিলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ) আমরা কি আপনার ভাই নই? তখন তিনি জবাব দিলেন, “না তোমরা তো আমার সাহাবী, আমার ভাই তো তারা যারা আমার পরে আসবে কিন্ত তারা আমাকে না দেখেও বিশ্বাস করবে ভালোবাসবে”। ইয়া রাসুলুল্লাহ (সঃ) আপনি আমাদের না দেখে ভালোবেসেছেন। তাইলে আপনাকে কিভাবে আমরা ভালো না বেসে থাকতে পারি। আপনি তো মৃত্যুশয্যায় আমাদের জন্য কান্না করতে করতে” ইয়া উম্মতি, ইয়া উম্মতি” বলতে আল্লাহর কাছে চলে গিয়েছেন। আপনাকে কিভাবে আমরা ভালো না বাসতে পারি? যদি আমার নিজের জীবন, পিতা মাতা সন্তান থেকে আপনাকে বেশি ভালো না বাসতে পারি তাইলে যে আমি মুমিন হওয়ার শর্ত পুরন করতে পারব না। আপনাকে ভালোবাসার জন্য, আপনার আদর্শকে অন্তরে লালন করার জন্য, এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনাকে অনুসরন করার জন্য আমরা আপনাকে কতটুকো জানার চেষ্টা করি? সেই চেষ্টা থেকেই এই বইটি রাসুল (সঃ) কে পুংখানুপুঙ্খুরুপে জানার জন্য একটা আদর্শ বই। আরবের বিখ্যাত মুহাদ্দিস মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ রাসুল (সঃ) জীবনের প্রত্যেকটি ছোটখাট ঘটনা গুলাকে চ্যাপ্টার ও অনুচ্ছেদ অনুযায়ী খুবই সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। শাইখ যিনি ইসলামকিউএ. ইনফো ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠার জন্য পরিচিত তিনি শুধু সহীহ এবং হাসান হাদীসগুলার আলোকে রাসুলের জীবন এর সব বিবরন গুলাকে অন্যন্ত অসাধারন ভাবে তুলে এনেছেন বইটির মধ্যে। তাই আমি সবাইকে বইটি পড়ার জন্য স্ট্রংলি রিকমেন্ট করব। বইটা যে কত অসাধারন তা বুঝার জন্য বইটির সুচিপত্রের দিকে একবার চোখ বুলিয়ে দেখতে পারেন। বইটি আমি যত পড়েছি তত অসাধারন লেগেছে। পড়তে পড়তে কল্পনার জগতে হারিয়ে যেতাম চিন্তা করতাম আমার প্রানের থেকে ও প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সঃ) কিভাবে কথাগুলো বলেছেন, কিভাবে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন। এই বইটার মতন এত তথ্যবহুল আর সুক্ষ উপস্থাপন আমি এর আগে আর কোন বইতে পাইনি। এর আগে আমি সীরাহ রেইন্ড্রপস, আর রাহিকুল মাখতুম, সিরাতুর রাসুল (সঃ) পড়েছি। ওগুলাও অসাধারন লেগেছে। কিন্ত ঐ বইগুলাতে আরবের ততকালিন সব ঘটনা তুলে আনার কারনে সরাসরি রাসুল (সঃ) ফোকাস করতে পারে নি। তাই আমাদের প্রিয় নবী ব্যক্তিজীবিনে, পারিবারিক জীবনে, রাষ্টীয়জীবনে কার সাথে কেমন আচরন করেছে তা সুক্ষভাবে তুলে আনতে সক্ষম হয়নি।এই দিক থেকে “যেমন ছিলেন তিনি” বইটা একটু ভিন্ন আংগিকের। পুরো বইটা জুড়ে কেবল রাসুল (সঃ) ফোকাস করা হয়েছে। তিনি কোন কাজ কিভাবে করেছেন, কেন করেছেন, অমুসলিমদের এবং সাহাবীদের বিভিন্ন প্রশ্নের মধ্যে কার কোন কথার জবাব কিভাবে দিয়েছেন সবগুলা অত্যন্ত নিখুতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আর বইটার বাইন্ডিং এর কথা বলতে গেলে কাগজ টা আমার কাছে খুবই প্রিমিয়াম লেগেছে। মোটা অফসেট পেপার এবং কাগজএর মান খুবই ভালো যেটা বারবার ধরতে ইচ্ছে করবে পড়ার সময়। তবে বাইন্ডিংটা একটু এভারেজ লেগেছে। মোটা বই হওয়ায় পৃষ্টা উল্টাতে গিয়ে পৃষ্টায় ভাজ পড়ে যায় এটা মোটেও ভালো লাগেনি আমার কাছে। আর বইটার কাভারে দড়ি দিয়ে বাধার ফলে ঢালের কোণায় একটু ভাজ পড়ে গিয়েছে যেটা খারাপ লেগেছে। ওয়াফিলাইফ এর ভাইদের বলব বইটা পাঠানোর সময় আরো সাবধানে পাঠাবেন যাতে এমনটা না হয় এবং নিখুঁত বই পাঠানোর চেষ্টা করবেন। আসলে বই হাতে আসার পরে নিখুঁত না হলে মনটা একটু খারাপই লাগে। তাই যাদের সামর্থ আসে তারা বইটা দ্রুত কিনে ফেলার অনুরোধ রইল।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    আমাদের না দেখেও যিনি আমাদের জন্য কেঁদেছেন। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও যিনি আমাদের জন্য রক্ত ঝরিয়েছেন। হাজার বছরের ব্যবধান হলেও যিনি আমাদের জন্য পেরেশান হয়েছেন। যিনি আমাদের মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। দিশা দিয়েছেন চিরসাফল্যের। যিনি আমাদের ভালোবেসেছেন। আমাদের জন্য পার্থিব সব সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়েছেন। তিনি আমাদের জন্য দু’আ করে গেছেন…
    কে তিনি? কে সে মহামানব?? কে করল আলোকিত আজম ও আরব??? …তিনি আর কেউ নন; তিনি হলেন দুজাহানের সরদার, সৃষ্টির সেরা, আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় মুহাম্মাদে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তাঁকে আমরা কতটুকু চিনি? কতটুকু জানি তাঁর চলাফেরা, তাঁর কথাবার্তা, তাঁর আচারআচরণ? যিনি চৌদ্দশ বছর আগে আমাকে নিয়ে ভেবেছেন, আমার জন্য চোখের পানি ফেলেছেন, আমার জন্য রক্ত ঝরিয়েছেন; এমন মহান ব্যক্তিত্বকে কি আমরা ভালো করে চিনতে পেরেছি?
    জানেন, কেমন ছিলেন তিনি? একটু বলি… তিনি নিজের জামা নিজেই সেলাই করতেন, নিজের জুতা নিজেই মেরামত করতেন, নিজেই ঘর নিজেই মুছতেন, নিজেই বকরির দুধ দোহাতেন।, পশু জবেহ করতেন, রান্নার কাজে স্ত্রীকে সহযোগিতা করতেন, মেহমান এলে নিজেই আতিথেয়তা করতেন, সহজভাবে কথা বলতেন, অত্যন্ত উদার ব্যবহার করতেন। সফরে বের হলে পালাক্রমে একবার নিজে সওয়ার হতেন, আরেকবার তার সাথিকে সওয়ার হতে দিতেন। তিনি যবের রুটি খেতেন। চাটাইয়ের বিছানায় ঘুমাতেন। কখনো খালি পায়েও হাঁটতেন। দাস-দাসীদের সাথে মিশতেন। ছোটদের স্নেহ করতেন। বড়দের সম্মান করতেন। কখনো খাবার খেতেন, আবার কখনো উপোষ থাকতেন। অর্থ-সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিতেন। নিজের জন্য পাই পয়সাও জমা করতেন না। এমনভাবে বলতে গেলে শেষ করা সম্ভব না।
    এ মানুষটাকে কি জানতে মন চায় না? চায় না কি মন একটু তার জীবনিটা জানতে? বস্তুত প্রতিটি মুমিনের অন্তরই চায় জানতে, কেমন ছিলেন তিনি? এ প্রশ্নেরই উত্তর থাকছে “যেমন ছিলেন তিনি” বইতে। শাইখ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ হাফিঃ এর অনবদ্য রচনা “কাইফা আ’মালাহুম”-এর সরল অনুবাদ “কেমন ছিলেন তিনি”।
    বইটি এক দেখাতেই অনেকেই হয়ত ভাববেন বইটি সীরাত সংক্রান্ত। সীরাত সংকলন হলেও সীরাত সমগ্র হতে বইটি সম্পূর্ণ আলাদা বৈচিত্র্যের। সীরাতের বিন্যাসের সাথে এর কোন মিল নেই। কারন ইতিহাস বর্ননা, আবহ নির্মাণ, ঘটনার ধারাবাহিকতা রক্ষা ইত্যাদির সংমিশ্রণ বইটি। সাড়ে আটশ পৃষ্ঠার বিশাল এই কলেবরের গ্রন্থটি দুটি ভলিউমের মলাট বন্ধ হয়েছে। যা আমি মনে করি প্রত্যক মুসলিমেরই সংগ্রহে রাখা উচিত।
    3 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    মানুষ স্বভাবতই অনুকরণপ্রিয়। অন্যের দেখাদেখি নিজেকে গড়ে তুলতে চায়। তবে হালাল যেখানে বিলীন হয় হারাম সেখানে নিজের জায়গা করে নেয়। যেমনটা বর্তমানের মানুষগুলো করছে হলিউড, বলিউডের তারকাদের আদর্শ বানিয়ে ফলো করে। কিন্তু মুমিন মাত্রই চায় রাসূল ﷺ কে অনুসরণ করে তাঁর অনুসৃত পথে চলতে। এই চলার পথে জ্ঞানের স্বল্পতা এবং সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে মানুষ বিভ্রান্তির শিকার হয়। সেই বিভ্রান্তি নিরসনেই নবীজির আদর্শ এবং আখলাকের দৃষ্টান্তগুলোর সংকলন করে শাইখ ‘মুহাম্মাদ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ’ রচনা করেছেন “কাইফা আমালাহুম” গ্রন্থটি; যার বঙ্গানুবাদই হলো “যেমন ছিলেন তিনি” বইটি।
    .
    ‖বিষয়বস্তু‖
    নবীজি ﷺ এর রেখে যাওয়া আদর্শের বিভিন্ন দিককে চয়ন করেই ৬টি অধ্যায়ে সজ্জিত হয়েছে বক্ষ্যমাণ বইটি। নবীর দাম্পত্য জীবনের একদম ভেতরকার বিষয়গুলোও স্থান পেয়েছে বইটিতে। যেমন: স্ত্রীদের ভুলগুলোকে শুধরে দেওয়া, মনোরঞ্জন করা, আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলা প্রভৃতি। পরবর্তী পাতাগুলোতে উঠে এসেছে সন্তান এবং নাতি-নাতনিদের সাথে মহানবীর আচরণ, প্রতিবন্ধীদের সামলানোর দৃশ্যপট, সাহাবীদের আমলে উৎসাহী করা, বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে হ্যান্ডেল করার ঘটনাও। সুখপাঠ্য গদ্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নবীজির পছন্দ-অপছন্দীয় বিষয়গুলোকে। বইটি রাসূল (ﷺ) এর গুণাবলি এবং আখলাকের সম্পূর্ণ একটা ইনসাইক্লোপিডিয়ার মতো, তবে সমসাময়িক সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পরিবেশ নিয়ে তেমন আলোচনা হয় নি। কীভাবে তিনি জটিল থেকে জটিলতর বিবাদগুলোর সমাধান করে দিতেন, বিরোধিতা সত্ত্বেও কেন কোনো কাফের নবীজির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে পারেনি, অন্যের ভুলগুলোকে কিভাবে কোমলতার ছোঁয়ায় শুধরে দেওয়া যায়— প্রায় সবকটি গুণাবলীর চিত্রকল্প সুনিপুণভাবে নির্মিত হয়েছে। মানব জীবনের এমন কোনো দিক নেই যেখানে রাসূল ﷺ উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে যাননি, আর হয়তো এমন কোনো গুণাবলী-আদর্শ বাকি নেই যা শাইখ এই কিতাবে উল্লেখ করতে ভুল করেছেন।
    .
    ‖ভালোলাগা‖
    বইয়ের প্রতিটি আলোচনাই দলিল সমৃদ্ধ এবং প্রয়োজনে ব্যাখ্যাও সংযোজন করা হয়েছে। অনিন্দ-সুন্দর বর্ণনাশৈলী তুলে ধরবে মহানবীর সাফল্যভরা জীবনের নিখুঁত মানচিত্র। এর মত সুবিশাল ও সহিহ বর্ণনার আলোকে কেবল নবীজির আদর্শ ও আচরণবিধির নমুনায় ভরপুর এমন কোনো বই বাংলায় নেই বললেই চলে। উপরন্তু আদর্শ দাম্পত্য, প্যারেন্টিং, দাওয়াহ’র পদ্ধতি, মানুষের মন জয়, নিজেকে আদর্শ স্বামী রূপে গড়ে তোলা, উত্তম গুণাবলী ও আখলাকের নমুনা— এত এত টপিকের সবগুলোই শেখা হয়ে যাবে দুই খণ্ডের এই বইটি পড়লেই। তাও আবার শিখছি সর্বশ্রেষ্ঠ মানবের জীবনী থেকে।
    .
    ‖মন্তব্য‖
    একটি ট্রেনকে তার গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য যেমন প্রয়োজন সঠিক দিকনির্দেশনার, তেমনি আমাদের গন্তব্য ‘জান্নাতে পৌঁছানো, আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য’ও প্রয়োজন দিকনির্দেশনার। আর সেই দিকনির্দেশনা পাওয়া যায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর আচরণ-চরিত্রে। নিজেকে তাঁরই আদর্শে গড়ে তুলে নিজ গন্তব্যের দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য হলেও বইটি সকলের পড়ে দেখা উচিত।
    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  5. 5 out of 5

    :

    আমরা অনেকে চুল কাটাতে গেলে নাপিত কে বলি অমুক নায়ক/খেলোয়াড় এর মতো চুল কেটে দিন। আমাদের আউটলুক এর ক্ষেত্রে নায়ক/খেলোয়াড় কে আদর্শ হিসাবে মানি যেহেতু তাদেরকে আমরা দেখি টিভিতে বা ছবিতে বা সামনা-সামনি। এটা অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আমরা আমাদের শেষনবীকে আদর্শ হিসেবে নিতে পারিনি। অনেকে যুক্তি দেন যে উনাকে তো আমরা সামনা-সামনি দেখিনি। তাদের কথার সমাধান হলো ‘যেমন ছিলেন তিনি’ বইটি। আমাদের প্রিয়নবীর জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি কী করতেন, কিভাবে একটা সমস্যার সমাধান করতেন এই বইটিতে আছে। ওনাকে আদর্শ হিসাবে নিতে হলে ওনার জীবনের এই দিকগুলো জানা আবশ্যক যা লেখক সাঈদ আল মুনাজ্জিদ সুন্দরভাবে রেফারেন্সসহ তুলে ধরেছেন। আল্লাহ লেখককে উত্তম প্রতিদান দিন। ইনশা আল্লাহ বইটি আমাদের সবার মনে রাসূল (সাঃ) কে এমনভাবে উপস্থাপন করবে যেন আমরা তাঁকে সামনে থেকেই দেখছি। 
    2 out of 3 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No