মেন্যু
islami akida o vranto motobad

ইসলামী আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ

[রিভিউ লেখক : মাশুকুর রহমান ] আজকে যে বই টি নিয়ে আলোচনা করব তা হলো বাংলা ভাষায় লিখিত ঈমান ও আক্বীদার উপর লিখিত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ও বৃহত বইয়ের মধ্যে অন্যতম। এই... আরো পড়ুন
পরিমাণ

420  600 (30% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

3 রিভিউ এবং রেটিং - ইসলামী আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ

1.7
Based on 3 reviews
5 star
0%
4 star
0%
3 star
33%
2 star
0%
1 star
66%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 1 out of 5

    Tahmidul Islam:

    মাওলানা মুহাম্মদ হেমায়েত উদ্দীন এর লেখা “ইসলামী আকিদা ও ভ্রান্ত মতবাদ” বইটিতে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআত এর প্রকৃত আকিদা তুলে ধরা হয়নি ! আশাআরি মাতুরিদী আকিদা আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের ও চার ইমামের আকিদা নয় ! এটি পরবর্তীতে প্রসার লাভ করেছে |
    আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআত এর প্রকৃত আকিদা জানতে ডক্টর আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ এর লেখা ইসলামী আকিদা এবং ইমাম আবূ হানীফা (রাহ:) রচিত আল ফিকহুল আকবার গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ পড়তে পারেন |

    ইমাম আবূ হানীফা (রাহ) ও তাঁর সহচরগণ ‘ইলমুল কালামৎ শিক্ষা করতে ঘোর আপত্তি করেছেন। ইলমুল কালামের প্রসার ঘটে মূলত দ্বিতীয় হিজরী শতকের প্রথমাংশে, বিশেষত ১৩২ হিজরী (৭৫০ খৃ) সালে আববাসী খিলাফতের প্রতিষ্ঠার পর। ইমাম আবূ হানীফা শিক্ষা জীবনে বা তাঁর জীবনের প্রথম ৩০ বৎসরে (৮০-১১০ হি) দর্শনভিত্তিক ইলমুল কালাম সমাজে তেমন পরিচয় লাভ করে নি। তবে দর্শনভিত্তিক বিভ্রান্ত মতবাদগুলো তখন কুফা, বসরা ইত্যাদি এলাকায় প্রচার হতে শুরু করেছে। গ্রীক-পারসিক দর্শন নির্ভর কাদারিয়া, জাবারিয়া, জাহমিয়া ইত্যাদি মতবাদ দ্বিতীয় হিজরী শতকের শুরু থেকেই জন্ম লাভ করে। এ সকল মতবাদ খন্ডন করতে মূলধারার কোনো কোনো আলিম দর্শন ও যুক্তিবিদ্যা নির্ভর যুক্তি-তর্কের আশ্রয় নিতে থাকেন।

    কোনো কোনো জীবনীকার উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম আবূ হানীফা (রাহ) প্রথম জীবনে এরূপ দর্শন ও যুক্তিবিদ্যা নির্ভর বিতর্ক বা ইলমুল কালামের চর্চা করেন। পরবর্তীতে তিনি তা বর্জন করেন এবং তা বর্জন করতে নির্দেশ প্রদান করেন। ইলমুল কালামের প্রাথমিক অবস্থাতেই তিনি এর ক্ষতি ও ভয়াবহতা অনুধাবন করতে সক্ষম হন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন:
    ‘‘কালাম বা দর্শনভিত্তিক বিতর্কে আমার পারদর্শিতা ছিল … আমার জীবনের কিছু সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর আমি চিন্তা করলাম যে, পূর্ববর্তীগণ (সাহাবীগণ ও প্রথম যুগের তাবিয়ীগণ) দীন-ঈমানের প্রকৃত সত্য বিষয়ে অধিক অবগত ছিলেন। তাঁরা এ সকল বিষয়ে বিতর্কে লিপ্ত হন নি। বরং ঈমান-আকীদা বিষয়ক বিতর্ক তাঁরা পরিহার করতেন। তাঁরা শরীয়ত বা আহকাম বিষয়ে আলোচনা ও অধ্যয়নে লিপ্ত হতেন, এগুলোতে উৎসাহ দিতেন, শিক্ষা করতেন, শিক্ষা দিতেন এবং এ বিষয়ে বিতর্ক- আলোচনা করতেন। এজন্য আমি কালাম পরিত্যাগ করে ফিকহ চর্চায় মনোনিবেশ করি। আমি দেখলাম যে, কালাম বা দর্শনভিত্তিক আকীদা চর্চায় লিপ্ত মানুষগুলোর প্রকৃতি ও প্রকাশ নেককার মানুষদের মত নয়। তাদের হৃদয়গুলো কঠিন, মন ও প্রকৃতি কর্কশ এবং তারা কুরআন ও সুন্নাতের বিরোধিতা করার বিষয়ে বেপরোয়া। কালাম চর্চা যদি কল্যাণকর হতো তাহলে অবশ্যই পূর্ববর্তীগণ (সাহাবী-তাবিয়ীগণ) এর চর্চার করতেন।’’[1]

    ইমাম যাহাবী উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম আবূ হানীফার শিক্ষা জীবনে ‘ইলমুল কালাম’-এর অস্তিত্বই ছিল না।[2] অর্থাৎ এ সময়ে দর্শন ভিত্তিক আকীদা চর্চা কোনো পৃথক ‘ইলম’ বা জ্ঞানে পরিণত হয় নি। কারণ ইমাম আবূ হানীফা ১০০ হিজরীর আগেই ফিকহ শিক্ষায় মনোনিবেশ করেন।

    দ্বিতীয় হিজরী শতক থেকে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে গ্রীক, ভারতীয় ও পারসিক দর্শন প্রচার ও প্রসার লাভ করে। সাহাবীগণের অনুসারী মূলধারার তাবিয়ীগণ ও তাঁদের অনুসারী আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের আলিমগণ ঈমান বা আকীদার বিষয়ে বা গাইবী বিষয়ে দার্শনিক বিতর্ক কঠিনভাবে অপছন্দ করতেন। কারণ তাঁর বিশ্বাস করতেন যে, গাইবী বিষয়ে ওহীর উপর নির্ভর করা এবং ওহীর নির্দেশনাকে সর্বান্তকরণে মেনে নেওয়াই মুমিনের মুক্তির পথ। প্রসিদ্ধ চার মুজতাহিদ ইমাম সহ দ্বিতীয় ও তৃতীয় হিজরী শতকের সকল প্রসিদ্ধ আলিম, ইমাম, ফকীহ ও মুহাদ্দিস অত্যন্ত কঠোর ভাষায় ইলমুল কালামের নিন্দা করেছেন।[1] যেমন ইমাম আবূ ইউসূফ রাহ. (১৮৯ হি) তাঁর ছাত্র ইলমুল কালামের পন্ডিত ও মু’তাযিলী আলিম বিশর আল-মারীসীকে বলেন:

    العلم بالكلام هو الجهل والجهل بالكلام هو العلم، وإذا صار الرجل رأسا في الكلام قيل: زنديق.

    ‘‘কালামের জ্ঞানই হলো প্রকৃত অজ্ঞতা আর কালাম সম্পর্কে অজ্ঞতাই হলো প্রকৃত জ্ঞান। ইলমুল কালামে সুখ্যাতির অর্থ তাকে যীনদীক বা অবিশ্বাসী-ধর্মত্যাগী বলা হবে।’’[2]

    ইমাম আবূ ইউসুফ (রাহ) আরো বলেন:

    من طلب العلم بالكلام تزندق

    ‘‘যে ব্যক্তি ইলমুল কালাম শিক্ষা করবে সে যিনদীক পরিণত হবে।’’[3]

    ইমাম শাফিয়ী রাহ. (২০৪ হি) বলেন,

    حكمي في أهل الكلام أن يضربوا بالجريد والنعال ويطاف بهم في العشائر والقبائل ويقال: هذا جزاء من ترك الكتاب والسنة وأقبل على الكلام.

    ‘‘যারা ইলমুল কালাম চর্চা করে তার বিষয়ে আমার বিধান এই যে, তাদেরকে খেজুরের ডাল ও জুতা দিয়ে পেটাতে হবে, এভাবে মহল্লায় মহল্লায় ও কবীলাসমূহের মধ্যে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়াতে হবে এবং বলতে হবে: যারা কিতাব ও সুন্নাত ছেড়ে ইলমুল কালামে মনোনিবেশ করে তাদের এ শাস্তি।’’[৪]

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 1 out of 5

    kawsarahmed2003mohammad:

    বইটি পড়া হয়নি। কিন্তু সূচিপত্র থেকে ভিতরে যেয়ে যতটুকু পড়েছি তাতে দুঃখিত হযেছি। এমন একটি বই লেখার জন্য সন্মানিত লেখক মহোদয়কে আরো নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকাই শ্রেয় ছিল। আল্লাহ লেখকের কর্মে বরকত ও উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।
    ৩০:৩২
    مِنَ الَّذِیۡنَ فَرَّقُوۡا دِیۡنَهُمۡ وَ کَانُوۡا شِیَعًا ؕ کُلُّ حِزۡبٍۭ بِمَا لَدَیۡهِمۡ فَرِحُوۡنَ
    যারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে, প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল। -মুজিবুর রহমান
    ভ্রান্ত মতবাদ চিহ্নিত করতে হলে নিজেকে চরম নিরপেক্ষ অবস্থানে নিয়ে নিজেকে সকল দল, মত, মাযহাব, ও তরিকার সংকীর্ণতার উদ্ধে হওয়া জরুরী।
    3 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 3 out of 5

    s80alam:

    বইটি সম্পূর্ণ পড়া হয়নি। কিন্তু সূচিপত্র থেকে ভিতরে যেয়ে যতটুকু পড়েছি তাতে দুঃখিত হযেছি। এমন একটি বই লেখার জন্য সন্মানিত লেখক মহোদয়কে আরো নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকাই শ্রেয় ছিল। আল্লাহ লেখকের কর্মে বরকত ও উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।
    ৩০:৩২
    مِنَ الَّذِیۡنَ فَرَّقُوۡا دِیۡنَهُمۡ وَ کَانُوۡا شِیَعًا ؕ کُلُّ حِزۡبٍۭ بِمَا لَدَیۡهِمۡ فَرِحُوۡنَ
    যারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে, প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল। -মুজিবুর রহমান

    ভ্রান্ত মতবাদ চিহ্নিত করতে হলে নিজেকে চরম নিরপেক্ষ অবস্থানে নিয়ে নিজেকে সকল দল, মত, মাযহাব, ও তরিকার সংকীর্ণতার উদ্ধে হওয়া জরুরী।

    5 out of 9 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No