মেন্যু
iman o bostubader shongghat

ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত

অনুবাদক: মাওলানা সাদ আব্দুল্লাহ মামুন (শিক্ষক, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জামিয়া ইমদাদিয়া দারুল উলুম মুসলিম বাজার, মিরপুর ১২, ঢাকা) ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত এটি সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.-এর লেখা আস-সিরাউ বাইনাল ঈমানি... আরো পড়ুন
পরিমাণ

144  240 (40% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

7 রিভিউ এবং রেটিং - ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত

4.3
Based on 7 reviews
Showing 3 of 7 reviews (5 star). See all 7 reviews
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published.

  1. 5 out of 5

    mr.tahmid:

    বইয়ের বিষয়বস্তুঃ
    বইটি যখন সংগ্রহ করি তখন জানতাম না যে সূরা কাহাফের শিক্ষার উপরে আলোকপাত করেই এই বইটি লেখা হয়েছে। পড়ার পর দ্বিতীয় ধাক্কাটা খাই তখন যখন বুঝতে পারি, এতদিন সূরা কাহাফকে যে এপ্রোচে বুঝেছি, মাওলানা নদভী রাহিমাহুল্লাহ এই বইয়ে তা আমূল বদলে দিয়েছেন। লেখক সূরা কাহাফের শিক্ষাগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি যে শিক্ষার উপর জোর দিয়েছেন তা হচ্ছে বস্তুবাদের নেতিবাচক প্রভাব থেকে বেঁচে থাকার কৌশল নিয়ে।
    .
    আমি অর্থনীতির একজন উৎসুক ছাত্র হওয়ার কারণেই হয়ত, বইটি পড়ার উৎসাহ ও উদ্দীপনা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। বস্তুবাদ! ইংরেজীতে বলে ম্যাটারিয়ালিজম। সোজা বাংলায় আমি বলি, আরো খাওয়ার অভিলাষ! সময়টা বস্তুবাদী জীবনব্যবস্থার। এখন আর আইফোন ৪ কিংবা আইফোন ৫ এ আর চলে না, আইফোন এক্স প্রো লাগে। দুইদিন আগে কেনা নতুনের মত জামাটার ফ্যাশন এখন আর নেই, নতুন জামা কিনতে হবে। কম্পিউটারের সিআরটি মনিটরে সমস্যা না থাকলেও বদলে নেয়া সময়ের দাবী। কারণ, সবাই তো তাই করছে। বস্তুর প্রতি সমাজে তৈরি করা হয়েছে এক কৃত্রিম চাহিদা। অর্থনীতির ভাষায় একে বলে আর্টিফিসিয়াল ডিমান্ড। আইওইউতে ইসলামী ফিন্যান্সের উপর একটা কোর্স করছিলাম তখন উস্তাদ বলেছিলেন, ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় আর্টিফিসিয়াল ডিমান্ডের অস্তিত্ব ছিল না। উল্টো অপ্রয়োজনে বস্তু কেনা বা টাকা জমিয়ে রাখা বা বিলাসদ্রব্যে অপচয় করাকে খারাপ চোখে দেখা হত, প্রতিরোধও করা হত। আর এখন? এখন তো মার্কেটিংয়ের আগ্রাসী প্রচারণায় মিডিয়ার সাহায্যে বাজারে শুধু নতুন নতুন পণ্য কেনার বায়বীয় চাহিদা তৈরি করা হয়।
    .
    এর ফলে কী সমস্যা হয় জানেন? মুসলিমদের অন্তর আর অল্পে তুষ্ট থাকে না। মনের শান্তি চলে যায়। টাকার পিছনে দুনিয়াদার কাফেরদের মতই হন্য হয়ে ছোটে। পরকালের জীবনের প্রস্তুতি নিতে পারে না। তার যে অল্পে চলে না, আরো চাই, আরো চাই। ঠিক এই জীবনব্যবস্থারই স্বরুপ যেন সূরা কাহাফের আলোকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে রাহনুমা থেকে প্রকাশিত সাইয়িদ আবুল হাসান আলী নদভী রাহিমাহুল্লাহ রচিত ‘ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত’ বইয়ে।
    .
    বই আলাপনঃ
    শেষ যামানার ভয়ানক ফিতনা থেকে বাঁচতে সূরা কাহাফের অনন্যসাধারণ ফযিলত ও গুরুত্বই মূলত লেখককে আকৃষ্ট করে এই সূরা নিয়ে গভীর অধ্যায়ন ও গবেষণা করার জন্যে। সূরা কাহাফই কেন নির্বাচন করা হল? কী এমন বিশেষত্ব এ সূরার যে দাজ্জালের ফিতনা থেকেও বাঁচাতে পারে? এ সূরার অন্তর্নিহিত শিক্ষা থেকে শেষ যামানার উম্মত হিসেবে আমাদের জন্যে কোন কোন মূল শিক্ষা লুকায়িত আছে? দক্ষ ডুবুরি যেমন সাগরতলে ডুব দিয়ে মুক্তো নিয়ে আসে, বিদগ্ধ আলেম সাইয়িদ আবুল হাসান আলী নাদভী (রাহি) ও ডুব দিয়েছিলেন সূরা কাহাফের ভেতর, নিজ গবেষণালব্ধ মুক্তো সদৃশ শিক্ষাগুলোই লিপিবদ্ধ করেছেন এই বইয়ে। বইটি গতানুগতিক তাফসীরের ঢংয়ে না লিখে লেখক সূরা কাহাফকে মূলত চারটি ঘটনায় ভাগ করেছেন, সেগুলো থেকে শিক্ষা লিপিবদ্ধ করেছেন। এবং দেখিয়েছেন যে, আধুনিক যুগের সবচেয়ে ভয়াবহ ফিতনা হল ভোগবাদ ও বস্তুবাদ। লেখক এ ধরনের কুফরী জীবনদর্শন থেকে পরিত্রাণের পথও বাতলে দিয়েছেন সুনিপুণভাবে।
    .
    পাঠানুভূতিঃ
    সমগ্র বইতে সাইয়িদ আবুল হাসান আলি নদভীর ইলমি গভীরতা প্রস্ফুটিত হয়েছে এবং অনেক উপকারী রত্নসদৃশ শিক্ষা লিপিবদ্ধ হয়েছে। অনুবাদকের অনুবাদের ধরন খুবই সুন্দর ছিল। সাবলীল বাক্য রচনা বইর প্রতি মনোযোগ ধরে রেখেছিলো। প্রয়োজনীয় অসংখ্য ফুটনোট ও প্রাসঙ্গিক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট অনুবাদক ফুটনোটে তুলে এনেছেন যা থেকে অনুবাদককে তারিফ দিতে হয়। তবে অনুবাদক প্রচুর উর্দু শব্দের বাংলায়ন না করায় অনেক সময়ই বাক্যগুলোর সৌন্দর্যমাধুরতা নষ্ট হয়েছে। সম্পাদকের অন্তত উচিত ছিল এই শব্দগুলো বাংলায়ন করে প্রকাশ করা। আশা রাখি, পুনর্মুদ্রণের সময় খেয়াল রাখা হবে।
    .
    বইটি পড়ে যেসব শিক্ষা পেয়েছিঃ
    লেখক সম্পূর্ণ সূরা কাহাফকেই চিত্রায়িত করেছেন ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাতরুপে। সমগ্র বইতে ভোগবাদী দর্শনের অসাড়তা ফুটিয়ে তুলেছেন। বর্ণনা করেছেন শিক্ষা ও উত্তরণের উপায়। সমগ্র সূরাকে মোট চারটি মূল ঘটনায় ভাগ করে তা থেকে মূল শিক্ষা বের করেছেন।
    .
    ১. আসহাবে কাহাফের ঘটনা থেকে শিক্ষাঃ এই অংশ পড়ে মনে হয়েছে আমাদের সময়কালেও আমরা যারা দ্বীনের পথে আছি তারাও আসহাবে কাহাফের যুবকদের মত সমাজের চোখে ব্রাত্য। আল্লাহ যেন আসহাবে কাহাফের ঘটনা বর্ণনা করে আমাদেরকে সাহস যোগালেন, জানিয়ে দিলেন সামনে এগিয়ে যাওয়ার পাথেয়। যখন পার্থিব সব উপায় উপকরণ শেষ হয়ে যায়, তখন কিভাবে ইমান আকিদার উপর টিকে থাকা যায় তার বাস্তবিক উদাহারণ গুহাবাসী এ যুবকেরা। আমাদেরও উচিত সেই গুহার যুবকদের মত রবের উপর তাওয়াক্কুল করে চাকচিক্যময় আয়েশী বস্তুবাদী জীবনকে অগ্রাহ্য করে ইমানকেই শ্রেষ্ঠ সম্পদ জেনে নিজের ঈমান হেফাজত করা। আল্লাহর সাহায্য তো অতি নিকটে।
    .
    ২. দুই বাগিচার মালিকের ঘটনা থেকে শিক্ষাঃ আজকের বস্তুবাদী সমাজে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে আল্লাহর নিয়ামত অস্বীকার করার প্রবণতাও যেনো বেড়ে গেছে। অথচ জাগতিক সম্পদ ও ক্ষমতা নশ্বর, ক্ষণস্থায়ী। আমাদের উচিত নিয়ামতের শোকর করা, পরকালকেই প্রাধান্য দেয়া আর যাবতীয় সফলতার কৃতিত্ব জগতসমূহের অধিপতি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনকেই দেয়া।
    .
    ৩. মুসা ও খিযির আলাইহিস সালামের ঘটনা থেকে শিক্ষাঃ মানুষ যতই চেস্টা করুক না কেনো, জ্ঞানবিজ্ঞানে উৎকর্ষ সাধন করুক না কেনো, সে এ বিশ্বজগতের অতি অল্প রহস্যেরই জট খুলতে পারবে। অনেক সময় আপাতদৃষ্টিতে কোনও জিনিসকে ভুল মনে হতে পারে, কোনও ঘটনাকে খারাপ মনে হতে পারে, কিন্তু হতে পারে তাতে আমাদের জন্য কল্যাণ রয়েছে। সব জিনিসের হেকমত ক্ষুদ্র ইলমে জানা আমাদের জন্যে অসাধ্য। তাই আমাদের সবর করা উচিত, আর যাবতীয় কাজের সফলতার জন্যে আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া উচিত। বস্তুবাদী সভ্যতার অর্জনে আমরা যেন ধোঁকা না খাই।
    .
    ৪. যুলকারনাইন বাদশার গল্প থেকে শিক্ষাঃ পূর্ব-পশ্চিমের মহা প্রতাপশালী বাদশাহ জুলকারনাইন প্রভূত ক্ষমতা ও সাম্রাজ্যের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর প্রাপ্তি ও অর্জনকে আল্লাহর দান হিসেবেই স্বীকার করলেন। নিজের বড়ত্ব জাহির না করে আল্লাহকেই বড় বলে স্বীকার করলেন, দাওয়াতি কাজে নিবিষ্ট হলেন। পক্ষান্তরে, দাজ্জালকেও ক্ষমতা দেয়া হবে, কিন্তু সে তা ব্যায় করবে সমাজে কুফরি ছড়িয়ে দিতে। তাই আমরা যদি বস্তুবাদী জীবনদর্শনের মোহে পড়ে যাই, তবে আমরা দাজ্জালের ফিতনায় নিপতিত হব। এটাই সূরা আল কাহাফের শিক্ষা। ঈমান বাঁচাতে বস্তুবাদ থেকে বাঁচতে হবে।
    .
    .
    শেষকথাঃ
    এ দুনিয়ার ইতিহাসের পরতে পরতে আছে সত্য মিথ্যার চিরন্তন দ্বন্দ্বের কাহিনী। ঈমান বনাম বস্তুবাদের মোড়কে এই সুপ্রাচীন দ্বৈরথেরই শেষ অধ্যায় রচিত হচ্ছে শেষ জামানায়। এই বস্তুবাদী ও ভোগবাদী জীবনদর্শনের জন্যেই মানুষ দাজ্জালের ফিতনায় পড়ে যাবে। তাইতো সূরা কাহাফ যেন ওই জীবনদর্শনকেই অপনোদন করে দেখিয়ে দিচ্ছে উত্তরণের উপায়। আমরা যেন সবসময় আখিরাতকেই প্রাধান্য দেই। দুনিয়ার কোনও রহস্য বুঝে না আসলে আল্লাহর দিকেই যেন নিবিস্ট হই। কাফির তাগুতদের সাহায্য না করি। ঠিক যেমনটি সূরার একদম শেষে বলা হয়েছেঃ
    .
    ‘ব্যস, যে-ই তাঁর পরওয়ারদিগারের সঙ্গে মিলিত হওয়ার বাসনা রাখে, তাঁর উচিত সে যেন নেক আমল করে এবং তাঁর রবের ইবাদাতে অন্য কাউকে শরীক না করে।’ [সূরা কাহফঃ১১০]
    .
    একনজরেঃ
    বইঃ ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত
    লেখকঃ সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.
    অনুবাদকঃ মাওলানা সাদ আব্দুল্লাহ মামুন
    প্রকাশেঃ রাহনুমা প্রকাশনী
    প্রকাশকালঃ অক্টোবর ২০১৭
    পৃষ্ঠাঃ ১৭৬ (পেপারব্যাক)
    মুদ্রিত মূল্যঃ ২০০ টাকা
    6 out of 6 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    তামান্না জাহান:

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_জুলাই_২০২০

    দুনিয়া পাগল মানুষের নিজের জ্ঞান ও মেধার ওপর থাকে বাড়াবাড়ি রকমের ভরসা-বিশ্বাস এবং তার বাইরের আর সবকিছুকে অস্বীকার করার এক ধরনের প্রবণতা। মানুষের এই অহংকার, দাম্ভিকতা, আত্মপ্রশংসা, চিন্তা-ভাবনার সংকীর্ণতা ধীরে ধীরে বস্তুবাদের গভীরে প্রথমে শেকড় গাড়ে এবং এর সকল লহ্ম্য ও উদ্দেশ্য এবং কথা ও কাজে প্রকাশ পেতে থাকে যা তাকে ভ্রষ্টতা, নাফরমানি, পাপাচার এমনকি শিরকের দিকে ঠেলে দেয়। আদিকাল থেকেই চলছে ঈমান আর বস্তুবাদের সংঘাত। কুদরতিভাবে ঈমানিশক্তি সব সময়ই বিজয়ী হয়েছে, বস্তুবাদ হেরে গেছে এবং তারই প্রেহ্মাপট তাফসীর, হাদীস, ইতিহাস এবং আধুনিক তথ্যাবলি ও বর্তমান অবস্থার আলোকে সূরা কাহাফের অধ্যয়ন ফুটে উঠেছে ‘ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত’ বইটিতে।

    ভূমিকাঃ
    ‘ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত’ বইটি সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.- এর লেখা আস-সিরাউ বাইনাল ঈমানি ওয়াল মাদ্দিয়াত – এর অনুবাদগ্রন্থ। আরবী কিতাবটির উর্দু সংস্করণের নাম মাআরেকায়ে ঈমান ও মাদ্দিয়াত। ১৩৯০ হিজরী(১৯৭১ ঈ.) সনে কিতাবটি কুয়েতের দারুল কলম থেকে প্রকাশিত হয়। এ কিতাবে অধিকাংশ আয়াতের তরজমা নেওয়া হয়েছে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ রহ.- এর তরজমানুল কুরআন থেকে।

    বই নির্যাসঃ
    কুরআনের সুরা কাহফে বর্ণিত চারটি ঘটনা হলোঃ ১. আসহাবে কাহাফ ২. দুই বাগিচার মালিক ৩. হযরত মুসা ও খিযির আলাইহিমাস সালাম ৪. যুলকারনাইনের ঘটনা যেগুলো ঈমান ও বস্তুবাদের আলোকে বিশ্লেষণ, ঈমানিশক্তির বিজয়লাভ ও তার নেপথ্যকাহিনি তুলে ধরা হয়েছে এই বইয়ে। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ‘দুনিয়ার মহব্বত সকল অনিষ্টতার মূল’- সূরা কাহাফে এ বিষয়টিই বিশেষভাবে আলোকপাত করা হয়েছে এবং এ সূরায় যতগুলো আশ্চর্যজনক ঘটনা ও বিস্ময়কর বিষয় ও বাস্তবতার উল্লেখ রয়েছে, তা এ বিষয়ের প্রতি লহ্ম রেখেই লেখক বইটি লিখেছেন। বলা যায় এই বইয়ে রয়েছে কুরাআনের অন্যতম মর্যাদাপ্রাপ্ত সূরা কাহাফের সকল তালীম ও শিক্ষা, উপদেশ ও নসীহত এবং বুদ্ধিমত্তা ও হেকমত।

    বইটি কেন পড়বেনঃ
    সূরা কাহাফে যতগুলো ইশারা ও ইঙ্গিত, উপমা ও উপাখ্যান, উপদেশ ও নসীহত, বিবরণ ও ঘটনা রয়েছে- সবগুলো এই একটি বিষয়কেই নির্ণিত ও প্রমাণিত করছে- ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত। বর্তমান দজ্জালি সভ্যতা-সংস্কৃতি, যা ১৭০০ শতাব্দীতে জন্ম নিয়ে ক্রমশ বিস্তার ঘটেছে এবং বিংশ শতাব্দীতে এসে পূর্ণতা লাভ করেছে। আধুনিক বস্তুবাদী সভ্যতা কীভাবে ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে মুসলিম জাতিকে ধ্বংস করে চলছে; দাজ্জালিপনা, কুফুরি, অবিশ্বাস, অশ্লীলতা, অপসংস্কৃতি ও নাস্তিকতা ছড়িয়ে দিচ্ছে অত্যন্ত বিচহ্মণতার সাথে তারই বিবরণ ও স্পষ্ট চিত্র ফুটে উঠেছে বইটিতে। বস্তুবাদ কতটা ভয়ংকর এবং প্রতিদিন কীভাবে আমরা একটু একটু করে বস্তুবাদের ফাঁদে পা বাড়াচ্ছি নিজের অজান্তেই তার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে বইটিতে। বস্তুবাদের এই খোলস থেকে বের হওয়ার অন্যতম পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে চমৎকার এই বইটি।

    পাঠ্যানুভূতিঃ
    যখন থেকে জেনেছি প্রতি জুমায় সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করা ও মুখস্ত করা কতটা ফযীলত তখন থেকেই এ সূরার প্রতি কৌতুহল সৃষ্টি- কী সেই বিশেষত্ব আছে এই সূরাতে? হাদীসে জেনেছি আখেরি যামানার দাজ্জলের ফিতনা থেকে বাঁচার জন্য সূরা কাহাফে হেফাজত ও নিরাপদ থাকার ফজিলত বর্ণিত আছে। কিন্তু কেন এই সূরা? কী সেই ইতিহাস ও এর শক্তিশালী বৈশিষ্ট্য যা শুধু এ সূরার মধ্যেই রয়েছে? আমার সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়েছি এই বইটিতে যা আমার মনকে তৃপ্ত করেছে, অজানা অনেক রহস্যকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে; যা একজন মুসলিম হিসেবে বর্তমান এই বস্তুবাদী ফিতনার যুগে নিজেকে নিরাপদ রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

    2 out of 2 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    মোহাম্মদ:

    আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো ব‌ই । ইনশাআল্লাহ আপনারা ও পড়ে উপকৃত হবেন । আর বস্তুবাদ নিয়ে জানবেন । সূরা কাহফ এর পুরো ঘটনাটা বোঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
Top