মেন্যু
imam series

ইমাম সিরিজ (৬টি বই)

সম্পাদনা: আকরাম হোসাইন
কভার: পেপার ব্যাক
পৃষ্ঠা: ১ম খণ্ড ১৬৮, ২য় খণ্ড ১৬০, ৩য় খণ্ড ১৬০, ৪র্থ খণ্ড ১৬৮, ৫ম খণ্ড  ১১২,৬ষ্ঠ খণ্ড ১৭৬

জ্ঞানের রাজ্যে ডুব দেবার এক নিরন্তর অভিযান, এক অদম্য জীবনের গল্প। কখনো কেবল একটি হাদিসের জন্য তারা ছুটে গিয়েছেন এক দেশ থেকে অন্য দেশে, কখনো-বা রাতের পর রাত কাটিয়ে দিয়েছেন কোনো একটি আয়াতের নিগূঢ় অর্থ উদ্ভাবনে। তারা ছিলেন প্রাণবন্ত। সদা উৎফুল্ল। তাদের রাতগুলো ছিল ইবাদতময়। দিনগুলো কর্মমুখর। কুরআনের সাথে তাদের যেন গভীর এক মিতালি। নিঃসন্দেহে তারা সুন্নাহর অতন্দ্র প্রহরী। সত্যের এক প্রকৃত বন্ধু। মিথ্যার ঘোরতম শত্রু। তারা আমাদের মহান ইমাম। আমাদের পূর্বসূরি। সেই মানুষগুলো, যারা আলোকিত করে গেছেন আঁধারকালো পথ; দেখিয়েছেন সহজ-সরল পন্থা। আমাদের জন্য জ্ঞানরাজ্যের সকল দ্বার উন্মুক্ত করে যাওয়া সেই মহান মানুষগুলোর জীবনী নিয়েই আমাদের ‘ইমাম সিরিজ’।

এই সিরিজে যে বইগুলো থাকছে:

১ম খণ্ড: ইমাম আবু হানিফা রাহি.
২য় খণ্ড: ইমাম মালিক রাহি.
৩য় খণ্ড: ইমাম শাফিয়ি রাহি.
৪র্থ খণ্ড: ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল রাহি.
৫ম খণ্ড: ইমাম হাসান আল-বাসরি রাহি.
৬ষ্ঠ খণ্ড: ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক রাহি.

Clear
পরিমাণ

 

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
- ৪৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি প্রিমিয়াম বুকমার্ক ফ্রি!

- ৬৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি একটি আমল চেকলিস্ট ফ্রি!

- ৮৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি বই ফ্রি!

- ১,১৯৯+ টাকার অর্ডারে একটি আতর ফ্রি!

- ১,৪৯৯+ টাকার অর্ডারে সারাদেশে ফ্রি শিপিং!

প্রসাধনী

72 রিভিউ এবং রেটিং - ইমাম সিরিজ (৬টি বই)

5.0
Based on 72 reviews
5 star
95%
4 star
4%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    #ইমামসিরিজ_সমকালীন_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা।
    বইঃ আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহ)। ( ইমাম সিরিজ-০৫)

    শুরুর কথাঃ
    •তাকওয়া ও যুহদ দিয়ে যিনি দুনিয়ার সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন। যার হৃদয় কুঠরিতে ছিল যিকিরের চেরাগ এবং দানের গুদাম। যাঁর মধ্যে সমাবেশ ঘটেছিল সব ধরনের ভালো ও কল্যাণমূলক কাজ। এমন এক ব্যক্তি যাঁর অন্তরে দুনিয়ার সুখ্যাতি শক্তি হারিয়ে আহত শার্দূলে পরিণত হয়েছিল। যাঁর চোখের সামনে সুনামের অনুপ্রেরণা-সরোবর শুকিয়ে গিয়েছিল। মুত্তাকীদের প্রধান, প্রাচ্যের প-িতপ্রবর ব্যক্তি এবং ইমামুল মুসলিমীন।
    যিনি একাধারে হাফিযে হাদীস, বীর মুজাহিদ ও ব্যবসায়ী। বিশ বছর বয়স থেকে ইলম তলব শুরু করেছিলেন। হজ্ব ও জিহাদের সফর করে জীবনকাল কাটিয়েছেন। ফিকহশাস্ত্র, ইলমুল হাদীস, আরবী ভাষা এবং লোকসাহিত্য ও লোককাহিনী বিষয়ে যিনি অনন্য সাধারণ ব্যুৎপন্ন ছিলেন। ফোকাহা কেরামের আসরের প্রতি লালায়িত ছিলেন। জ্ঞান-সাগরে নিজেকে যিনি সঁপে দিয়েছিলেন। তাকওয়া-বাগানে যার বিচরণ ছিল অবাধ।
    তিনিই হলেন,আবদুল্লাহ বিন মুবারাক বিন ওয়াদহি আল হানযালী আত তামীমী। যিনি হিজরি১১৮ সনে
    খোরাসানের (বর্তমান মধ্য এশিয়া ও আফগানিস্তান) মারো শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

    প্রিয় পাঠক, বইটি আপনাকে জানাবে,
    অসাধারণ স্মৃতিশক্তি আর দক্ষতা আবদুল্লাহ ইবনু মুবারাককে দিয়েছিলো জ্ঞানার্জন আর ধরে রাখার অনন্য সক্ষমতা। তিনি জ্ঞানের এতোই পিয়াসু ছিলেন যে জ্ঞান আর জ্ঞানীদের তীর্থস্থানগুলো চষে বেড়াতেন। তিনি না বাদ রেখেছেন ইয়েমেন না মিশর, না শাম, না জাজিরাতুল আরব, না বসরা না কুফা।“

    তিনি ফিকহ্, সাহিত্য, ব্যাকরণ, ভাষাবিজ্ঞান, যুহদ, সাহসিকতা, কাব্য ও ভাষার অলংকরণ, তাকওয়া ও অল্পে তুষ্টি, তাহাজ্জুদ এবং ইবাদাহ, জিহাদে অংশগ্রহণ ও তার কৌশল, কথায় মিতভাষী হওয়া, সঠিক মত প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা আর নিজের সঙ্গীদের সাথে মতপার্থক্যে লিপ্ত না হওয়া ইত্যাদি গুণাবলী অর্জন করেছিলেন।

    ইবনুল মুবারাককে তার সময়ের চারজন ইমামের একজন মনে করা হতো; তাঁর অগাধ হাদীসের পান্ডিত্য আর ফিকহের জ্ঞানের কারনে। জারহ ওয়া তা’দীলের আলিমরা নিরঙ্কুশভাবে ইবনুল মুবারাককে বলেছেন শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য আর বিশ্বস্ত মুহাদ্দিস। তিনি ইমাম বুখারীর সহীহার বর্ণনাকারী; যেখানে ইমাম বুখারী হাদীস নেয়ার ক্ষেত্রেই অনেক কড়াকড়ি আরোপ করেছেন।

    বইটি পড়ে আপনি জানবেন যে, ইবনুল মুবারাকের শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন ইমাম আবু হানিফা, হাম্মাদ ইবন যায়দ, হাম্মাদ ইবন সালামা, সুফিয়ান ইবন উয়ানাহ, ইবন জুরাইহ, সুফিয়ান আস-সাওরী, শু’বা, আল-আমাশ, ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ, ইবন শুরাইহ্, মালিক ইবন আনাস সহ আরও অনেক খ্যাতিমান শিক্ষক।

    আরও জানবেন, আবদুল্লাহ ইবনু মুবারাক ছিলেন একজন উঁচুদরের ফকীহ, একজন সফল ব্যবসায়ী যিনি যথার্থ ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহর উদাহরণ, বাতিলের বিরুদ্ধে কলম আর অস্ত্র উভয়েই ধারন করেছিলেন তিনি।

    উম্মাহর নক্ষত্র, মহান এই মনিষী ফোরাত নদীর তীর ঘেঁষে বুহাইত নামক স্থানে ইন্তেকাল করেন। তখন তিনি জিহাদ শেষে গাজী বেশে দেশে ফিরছিলেন। রমাযানের চার তারিখ হিজরী ১৮১ সালে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল তেষট্টি বছর।

    আরও আছে,
    প্রিয় পাঠক, উপরের বর্ণনা গুলো তো আলোচিত বইয়ের সারনির্যাস। এই বইটিতে আরও আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা রাখেন। জ্ঞানের দুনিয়ায় তিনি কিভাবে বিচরণ করেছিলেন?
    তাঁর শিক্ষক কারা ছিলো! তাঁর শিষ্য হয়ে কারা ধন্য হন? জ্ঞান, গবেষণায় তিনি কিভাবে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন, কিভাবে তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন! তাঁর কর্মজীবন এর শুরুটা কেমন ছিলো তাও কিন্ত বোধগম্য ভাষায় আলোকপাত করা হয়েছে।

    •আরও আছে,
    বইটির সংকলক রেফারেন্স উল্লেখ করে আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক (রাহ) এর জীবনের অলৌকিক ঘটনাগুলো তুলে ধরেছেন। সেই সাথে তিনি সংকলিত করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহ) ফিকহশাস্ত্র ও হাদিসশাস্ত্রের অবদান গুলো। তিনি সংকলিত করেছেন বিভিন্ন বিষয়ে তার অর্জন ও কৃতিত্ব। সেই সাথে সাহিত্যে তাঁর অবদান ও সাফল্য, ইসলামের দাওয়াত ও প্রচারে তাঁর অবদান, তাঁর কিছু অমিয় বানী সহ তাঁর জীবনের বেশ কিছু বিস্ময়কর ঘটনাও বইটিতে সংকলিত করা হয়েছে।

    •উল্লেখ্য, সমকালীন প্রকাশনীর ১৭০ পৃষ্টার দারুণ এই বইটির সংকলক আবুল হাসনাত কাসিম (হাফি) এবং বইটি সম্পাদনা করেছেন আকরাম হোসাইন (হাফি)। এই বইটি আব্দুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহ) এর জীবনী গ্রন্থ নয় কিন্ত বইটি ইবনুল মুবারক এর জীবিন এর গুরুত্বপূর্ণ পাঠ গুলোর প্রতিচ্ছবি স্বরুপ। বরাবরের মতোই বই সংশ্লিষ্ট ও সিরিজ সংশ্লিষ্ট সবাইকে রাব্বে কারিম উত্তম প্রতিদান দান করুক। আমিন।

    Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    #ইমামসিরিজ_সমকালীন_ওয়াফিলাইফ_রিভিউ_প্রতিযোগিতা।

    বইঃ হাসান আল বাসরি (রহ) জীবন ও কর্ম। (ইমাম সিরিজ–০৬)

    •মুসলিম উম্মাহ যে সকল মহামানব থেকে আধ্যত্মিকতার পাঠ অর্জন করেছে, যাদের সার্বিক পরিচর্যায় ইসলামের আধ্যাত্মিক শাস্ত্র পূর্ণ অবয়ব পেয়েছে হযরত হাসান বাসরি (রহ) সে সকল সাধক সফল কীর্তিমানের পুরোধা।

    হযরত উমর (রা.) এর খিলাফত কালে মায়াবী চেহারার শিশু হাসান ৬৪২ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর মায়ের সুবাদে তিনি আল্লাহর রসূলের (স.) প্রিয়তমা স্ত্রী উম্মে হাবীবার নূরানী ঘরে শৈশব জীবন কাটান। গৃহস্থলী কাজে ব্যস্ত থাকায় মাকে কাছে না পেয়ে শিশু হাসান কান্না জোড়ে দিলে উম্মে সালামা (রা.) তাকে কোলে তোলে নিতেন। আদর, সোহাগ ও ভালোবাসা দিয়ে শিশু হাসানের কান্না থামাতেন।

    জানা যায়, তিনি সত্তর জন বদরী সাহাবী সহ মোট ১৩০ জন সাহাবীর সুহবত লাভ করে তাবেয়ী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেন। তাদের মধ্যে বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য হলেন, মুসলিম মাতা উম্মে সালামা রা. এবং চতুর্থ খলীফা হযরত আলী রা.।

    সারা দুনিয়া এক নামে তাকে আধ্যাত্মিক সাধক হিসেবে জানলেও তিনি কিন্তু তাঁর জীবনের সোনালী তারুণ্যের বেশ অনেক অংশ স্বশস্ত্র জিহাদেও ব্যয় করেছেন।
    তিনি কোন ক্ষমতাসীনের অন্ধভক্ত ছিলেন না। যে কোন খলীফা, গভর্ণর, প্রশাসকের অনুচিৎ ও অন্যায় কাজ দেখলে ভদ্রোচিত ভাষায় সমালোচনা করতেন। এ ব্যপারে কারো পরোয়া করতেন না। এমনকি হাজ্জাজ বিন ইউসুফের মতো অতি কঠোর প্রকৃতির শাসকের সমালোচনা করতেও তিনি কুণ্ঠিত হোন নি। খলীফার অন্যায় অত্যাচারের বিরোধিতা করতে অস্ত্র হাতে নেওয়ার মতো সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি। তিনি বলতেন, “শাসকদের অত্যাচার আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের গুনাহর শাস্তি। অস্ত্র দিয়ে এর প্রতিরোধ সম্ভব নয়। ধৈর্য দিয়েই এর মোকাবেলা করতে হবে।”

    ইসলামের আদর্শ প্রচারে তিনি জীবনের বেশি অংশ ব্যয় করেছেন। প্রতি জুমুবারে তিনি মাসজিদে ওয়াজ করতেন। মানুষকে ধর্ম জীবনে উদ্বুদ্ধ করতে ও গুনাহর কাছে নিরুৎসাহিত করতে বিভিন্ন উপমা দিয়ে চমৎকার কথা বলতেন। আরবী ভাষার উপদেশমূলক এমন কোন গদ্য সাহিত্য পাওয়া যাবে না যাতে হযরত হাসান বসরীর উক্তি উদ্ধৃত হয় নি। তাঁর অনেক উপদেশ আরবী ভাষার বিভিন্ন প্রামাণ্য অভিধানে দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থান লাভ করেছে। তিনি বলেন, “মুমিন সে ব্যক্তি যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ যা করতে বলেছে তা করে এবং আল্লাহ যা করতে নিষেধ করেছে তা থেকে বিরত থাকে।”

    ৫ রজব ১১০ হিজরীতে এ মহান সাধক পুরুষ,মহান প্রভুর সান্নিধ্যে চলে যান। কিয়ামতের অপেক্ষায় বসরার মাটিতে আজও তিনি শোয়ে আছেন।

    •আরও আছে
    সুপ্রিয় পাঠক, বইটি আপনাকে হাসান বসরী (রাহ) এর জীবন ও কর্মের গুরুত্বপূর্ণ পাঠ গুলো জানাবে। সেই সাথে আপনি জানবেন, হাসান ইবনু আবিল হাসান আল-বাসরির শিশুকাল থেকে কৈশোরকালে বেড়ে উঠা , তাঁর উত্তম চরিত্র, শিক্ষক ও বড়জন দের সাথে তাঁর ব্যবহার, তাঁর নীতি-নৈতিকতা, তাঁর আমল-আখলাক, দুনিয়া বিমুখতা,ও তাঁর পরহেজগারিতা, আধ্যাত্মিকতা সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করতে পারবেন।

    বই থেকে জানবেন কিভাবে হাসান বাসরি (রাহি) ফাতনার সময় নিজেকে বাচিঁয়ে রেখেছেন, ইবনুল আশআসের ফিতনা, ইয়াযিদ ইবনু মুহাল্লাবের ফিতনার সময় তাঁর প্রতিক্রিয়া কেমন ছিলো? জানবেন, তাঁকে বিশিষ্ট আলেম ও ইমামরা কিভাবে মূল্যায়ন করেছিলেন? তাঁর সম্পর্কে গুণীজনদের ধারণা কি? তার মুখনিঃসৃত বাণী গুলো কি ছিলো! তার দাওয়াহ’র পথচলাটা কেমন ছিলো ইত্যাদি সহজ ও বোধগম্য ভাষায় আপনি এই বইটি থেকে জানবেন।

    •উল্লেখ্য, সমকালীন প্রকাশন থেকে প্রকাশিত ইমাম সিরিজ এর বর্তমানে সর্বশেষ ১০৮ পৃষ্টার এই বইটির সংকলক আব্দুল বারি ও সম্পাদক আকরাম হোসাইন। পরিশেষে বই সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার উপকারী এমন একটি সিরিজ প্রকাশিত করার জন্য। রাব্বে কারিম এই প্রচেষ্টাকে কবুল করুক।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No