মেন্যু
১০০০ টাকার পণ্য কিনলে সারা দেশে ডেলিভারি একদম ফ্রি।

ইযহারুল হক (২য় খণ্ড)

অনুবাদ- ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ.
সম্পাদনা – শায়খ ইমদাদুল হক
পৃষ্ঠা – ৫১২

১৮২৯ সালে খ্রিস্ট ধর্মীয় প্রচারক মি. কার্ল গােটালেব ফান্ডার খ্রিস্টান পাদরিদের গতানুগতিক মিথ্যাচার, বিকৃতি, অপপ্রচার ও বিষেদাগার সম্বলিত মীযানুল হক (Scale of Truth) নামক একটি গ্রন্থ রচনা করেন। মূল গ্রন্থটি জার্মান ভাষায় রচিত হলেও তা উর্দু ও ফারসি ভাষায় অনুবাদ করে এ উপমহাদেশের মুসলমানদের মাঝে ব্যাপক প্রচারণা চালানাে হয়। এমনকি তারা এটাও দাবি করতে থাকে যে, এ গ্রন্থের যুক্তিগুলাে খণ্ডন করার সাধ্য কোনো মুসলমান আলিমের নেই। এসময় আল্লামা রাহমাতুল্লাহ কিরানবী মিশনারিদের এই অপতৎপরতার জবাবে এগিয়ে আসেন। তিনি মীযানুল হক এর জবাবে ইযহারুল হক (সত্যের বিজয়) গ্রন্থটি রচনা করেন।বইটি প্রকাশিত হবার কিছুদিন পরেই লন্ডন টাইমস পত্রিকায় বলা হয়, “মানুষ যদি এ গ্রন্থটি পড়া অব্যাহত রাখে, তবে দুনিয়ায় খ্রিস্টধর্মের উন্নতি ও প্রসার বন্ধ হয়ে যাবে”। এই কালজয়ী বইটা অনুবাদ করেছেন, শায়খ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহ.। ঈসায়িয়্যাত নিয়ে কাজ করা লেখক, গবেষক, দায়ীদের জন্য বইটা উত্তম পাথেয় হবে বলে আমরা মনে করি।
.
আলহামদুলিল্লাহ! তিন খণ্ডে সমাপ্ত ইযহারুল হকের অনুবাদের ২য় খণ্ডটি আসসুন্নাহ পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
.
প্রথম খণ্ড অর্ডার করতে ক্লিক করুন

পরিমাণ

258.00  430.00 (40% ছাড়ে)

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

1 রিভিউ এবং রেটিং - ইযহারুল হক (২য় খণ্ড)

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    উপমহাদেশে খ্রিষ্টান মিশনারিদের দৌরাত্ম্য উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছিল। ভারতবর্ষে তো তখন ইংরেজদের শাসন চলে। কার্ল পিফেন্ডারকে বলা হত ভারতে আসা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মিশনারী। সে প্রচুর মুসলমানকে খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষিত করে। সে ‘মিযান আল হক’ নামে একটি প্রতারণামূলক বই লিখে কুযুক্তির আশ্রয় নিয়ে মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করত এবং আলেমদের সাথে সর্বসম্মুখে বিতর্কের আসর বসাত।
    .
    ১৮৫৪ সালের এমনই এক বিতর্কে উসমান (রা) এর সরাসরি বংশধর আল্লামা রহমাতুল্লাহ কিরনবি তার মোকাবেলা করে তাক লাগিয়ে দেন। তিনি সমকালীন খ্রিস্টান ও ইউরোপিয়ান উৎস থেকেই দেখিয়ে দেন যে খ্রিষ্টবাদে কত ভুল আছে। এরই ফলশ্রুতিতে তিনি ১৮৬৪ সালে কালজয়ী ‘ইযহারুল হক’ গ্রন্থ রচনা করেন।
    .
    বইটি যেন খৃষ্টবাদের বিরুদ্ধে আরোপিত অভিযোগের এক বিশদ এনসাইক্লোপিডিয়া। এতে আরো রয়েছে তাবারি, ইবনে হাযম ও ইবনে তাইমিয়ার মত যুগশ্রেষ্ঠ ইসলামী মনীষীদের নানা উক্তির সমাহার। মিশনারীদের বিরুদ্ধে এই এক বইই এত দুর্দান্ত অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে যা ভাবলে অবাক হতে হয়
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?