মেন্যু


আমি তাওবা করতে চাই….কিন্তু

দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ মানুষটাও দিনের একটা সময়ে এসে চিন্তা করে “সব ছেড়ে দেয়া উচিত”..
পার্টিতে গা ভাসিয়ে দেয়া মেয়েটাও মাঝে মাঝে বান্ধবীকে বলে “আর কত? ভাল হওয়া দরকার রে”..
আড্ডাবাজি কিংবা গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে বেড়ানো ছেলেটার মন কখনো কখনো বলে উঠে “এসবে শান্তি নেই”..
.
এই উপলব্ধির জন্য প্রয়োজন দুনিয়ার তুচ্ছতা জানা, হারামকে মন থেকে ঘৃণা করা, পাপ থেকে তাওবাহ করা। তাই ফিরে আসুন শান্তির স্রস্টার পথে, গ্রহণ করুন তাঁর ভালোবাসা। তাওবার গুরুত্ব, তাওবার পদ্ধতি, তাওবা নিয়ে পূর্ববর্তী নেককারদের নসিহত, ইত্যাদি নিয়ে এই বইটি রচিত।
.

Out of stock

পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন
পছন্দের তালিকায় যুক্ত করুন

4 রিভিউ এবং রেটিং - আমি তাওবা করতে চাই….কিন্তু

5.0
Based on 4 reviews
5 star
100%
4 star
0%
3 star
0%
2 star
0%
1 star
0%
 আপনার রিভিউটি লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

  1. 5 out of 5

    :

    দুনিয়ার মোহে পড়ে আমরা বিভিন্ন পাপকার্যে লিপ্ত রয়েছি। এত পরিমাণ পাপ করেছি যে হৃদয় হয়ে উঠেছে পাথরের মত। এত পাপ করার পরেও একসময় অনেকের অনুশোচনা হয় যে আল্লাহ কি আমার পাপ এত পাপ ক্ষমা করবে? এই অনুশোচনা অন্তরে জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথে প্রয়োজন সকল হারামকে পরিত্যাগ করে একনিষ্ঠ মনে তওবা করা। কিন্তু যারা মনে করেন তওবা করবো কিভাবে? তাদের জন্যই তাওবা ও তওবা সম্পর্কিত অন্যান্য নানান কথা নিয়ে লেখা এই তথ্যবহুল বইটি হলো “আমি তওবা করতে চাই, কিন্তু”। বইটি লিখেছেন শায়খ সালিহ আল মুনাজ্জিদ রহিমাহুল্লাহ।
    .
    ➤ কি আছে বইতেঃ-
    বইয়ের শুরুতে পাপকে তুচ্ছজ্ঞান করার ভয়াবহতা সম্পর্কে এক বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। কেননা আজকাল অনেকে রাতদিন পাপকার্যে লিপ্ত থাকেন। আবার অনেকে গুনাহকে ছোট বা হালকা ভাবার ব্যাধিতে লিপ্ত। অথচ বুখারী শরীফের হাদীসে হযরত আনাস (রা:) বলেছেন “নিশ্চয় তোমরা এমন অনেক কর্ম কর যা তোমাদের দৃষ্টিতে হালকা। অথচ আমরা রাসূল (স:) এর সময়ে এগুলোকে মুবিক্বাত হিসেবে গণ্য করতাম। মুবিক্বাত হলো ধ্বংসকারী।
    এরপরেই বইতেআন্তরিক তাওবার করার জন্য ১১টি শর্তের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। বইতে আরো পাবেন ১০০ লোক হত্যাকারীর তাওবা, পাপ করে ফেললে কি করবো, তাওবাকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফৎওয়া, তাওবার গুরুত্ব, ফযীলত ও মর্যাদা ইত্যাদি।
    .
    ➤ বইটি কেন আমাদের সকলের জন্যই পড়া জরুরীঃ-
    দেখা যায় আমরা অনেক সময় ছোট গুনাহগুলোকে হালকা মনে করি। অথবা তাওবা করলে যদি আল্লাহ আমার এত পাপ ক্ষমা না করেন এ নিয়ে সন্দেহ পোষন করি। কিংবা তাওবা করার পরেও পাপ করে ফেললে কি করবেন বুঝতে পারছেন না। তাদের জন্য বইটি অবশ্যই পড়া উচিত। তাওবার মাঝে যে এত মর্যাদা আর এত পুরস্কার আছে তা জানা জরুরী। তাহলেই আমাদের ইহকাল ও পরকাল হয়ে উঠবে শান্তি সুখের এবং স্বাচ্ছন্দ্যময়।
    .
    ➤ ব্যক্তিগত অনূভুতিঃ-
    বইয়ের ছোট তাওবা সম্পর্কে বেশ ফলপ্রসু আলোচনা এসেছে। বইটি মাঝে মাঝেই পড়ি। যা আমার জন্য রিমাইন্ডার হিসেবে কাজ করে। তাই সকল দ্বীনদার মু’মিনের জন্য এই বই অসাধারণ ও অনবদ্য একটি রচনা হবে বলে আশা করি।
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  2. 5 out of 5

    :

    #ওয়াফিলাইফ_পাঠকের_ভাল_লাগা_এপ্রিল_২০২০

    বই: আমি তাওবা করতে চাই…কিন্তু।
    লেখক: শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ।
    প্রকাশনি: আর রিহাব পাবলিকেশন
    বিষয়বস্তু: ইবাদত,আত্মশুদ্ধি ও অনুপ্রেরণা।
    .
    ক. নিজস্বকথন:

    ‘তাওবা’ সব ভুলে গিয়ে নতুন করে জীবন আলোকিত করার পথ। ছোট্ট থেকে বড় হতে হতে কত গুনাহের সাক্ষী,ভাগিদার হয়ে বসে আছি। অথচ!তাওবার মূল্য মর্যাদা বুঝে উঠার সময় হলো না। আমার রব তার বান্দাদের বলেছেন,’তোমার গুনাহ যদি আকাশ পর্যন্ত হয়,পাহাড় পরিমাণ ও হয়। আমি ক্ষমা করে দিবো যদি তুমি ক্ষমা চাও। ‘ ওয়াল্লাহি!এ কথা কেনই বা আমরা হালকা করে নিচ্ছি? কেনই ফিরে আসছি না তাওবার পথে? ঘরে বসে বসে অযথা সময় নষ্ট না করে একটু কি রবের কাছে ক্ষমা চাইবার সময় বের করতে পারি না?
    .
    খ. বইয়ের রিভিউ:

    নিজের আত্মশুদ্ধির জন্য বেস্ট। গুনাহ করার ফলে আমাদের মাথায় একটা ‘কিন্তু’ নামক বস্তু চলে আসে। এই কিন্তু নিয়েই যতসত সমস্যা। তাই মূলত তুলে ধরা হয়েছে। ছোট ছোট পাপ গুলো একসময় পাহাড় সমান হয়, তাওবা করার ব্যাপারে অনীহা তৈরি করে। তাছাড়া কিভাবে তাওবাহ করলে কবুল হবে, ছোট পাপকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করা ইত্যাদি ব্যাপারে বলা আছে। কিছু অধ্যায় এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমার মতে। তা একটু উল্লেখ করছি।
    ১) তাওবাহ করলে পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।
    ২) পাপ আমার জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
    ৩) আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?
    ৪) তাওবাহ কবুল হওয়ার শর্ত সমূহ।
    .
    গ. ভাল লাগা ও মন্দ লাগা:

    একজন অন্ধ ব্যক্তি আশার আলো দেখলে পেলে যেমন খুশি হয়। ঠিক তেমনি পাপী ব্যক্তি যখন তার রব্বের ক্ষমার মহত্ত্ব সম্পর্কে ধারনা পায় তখন সে অন্ধ ব্যক্তির ন্যায় হাস্যজ্বল হয়।এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়।এছাড়া বইয়ের পৃষ্ঠা আরেকটু উজ্জ্বল হলে দেখতে ভালো হত।
    .
    ঘ. ইতিকথা:

    যে ভাবছেন কিভাবে তাওবাহ করবেন,কেনই বা করবেন,করলেও আপনি ক্ষমা পাবেন কিনা তাদের জন্য এটা পড়া জরুরি। ইন-শা-আল্লাহ কাজে দিবে।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  3. 5 out of 5

    :

    পাপের হিসাব টা আকাশচুম্বী,নিজের হালাতের দিকে তাকাতে লজ্জা হয়।রাতের গম্ভীরতা পাপের দিকে আহ্বান জানায়।মন যেন সায় দেয় না,কোথাও যেন অনুতপ্ত হওয়া কাজ করে।ভাবতে থাকি ইসস আমি যদি ক্ষমা চাইতে পারতাম,যদি একটি বার নিজের রবের দরবারে নত হতে পারতাম!কিন্তু আমায় কি ক্ষমা করবেন?
    এসব প্রশ্নের উত্তর বইয়ে দেয়া আছে।পরলে বিফলে যাবে না ইন-শা-আল্লাহ
    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No
  4. 5 out of 5

    :

    ★কিছু কথাঃ বর্তমানে লেখকেরা যুগশ্রেষ্ঠ অনেক বইয়ের অনুবাদ করে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। নিঃসন্দেহে এর প্রসারতা একপ্রকার নীরব দাওয়াহ! আল্লাহ কবুল করুন।
    এবার আসা যাক, আমার পাঠ্য বই প্রসঙ্গে। আরব বিশ্বের নামকরা দাঈ আলেম মুহাম্মদ বিন সালেহ আল মুনাজ্জিদের যতগুলো বই পড়েছি, ততগুলোই আমায় ভাবিয়েছে, অন্তর প্রশান্ত করেছে, আলহামদুলিল্লাহ।

    ★বই বিশ্লেষণঃ ফিতনার যুগে আঁধারে আচ্ছন্ন চারিধার। মানুষগুলো নিমজ্জিত সীমানাহীন পাপ সরোবরে। স্রোতের টানে গা ভাসিয়ে কেউ কেউ রবের দাসত্বের কথা বেমালুম ভুলে গিয়ে আলোর পথ থেকে চলে গেছে যোজন যোজন দূরে। কেউবা আবার চায় একটুখানি আলোর দিশা! জীবনের একটা প্রান্তে এসে থেমে গেছে চলার গতি। অনুশোচনার অনলে হৃদয়রাজ্য দগ্ধ হচ্ছে বারংবার। এমন দুঃসময়ে রাব্বে কারীম ছাড়া আর কে আছে যে তাদের আলোর পথ বাতলে দেবে?
    কতই না সুন্দর আমার প্রভুর বিধান! অভূতপূর্ব এই ইসলাম!
    গোমরাহীর পথ থেকে যারা তাওবা করে প্রত্যাবর্তন করতে চায় এই বইটি তাদের জন্য অনন্য নিয়ামাহ।
    সঠিক তাওবাহ সম্পর্কে আমরা অনেকেই অনবগত। তাই বৃহৎ পরিসরে তাওবা’র সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রে এই বইটি সুখপাঠ্য। কারণ লেখক এই বইটিতে তাওবা সম্পর্কিত যাবতীয় আলোচনা কুরআন ও হাদীসের আলোকে বিশ্লেষণ করে সাবলীল ব্যাখ্যা ও সুষ্ঠু সমাধান দিয়েছেন। যার ফলে, আপনার অভিযোগের কোনো জায়গা থাকবে না। সব শ্রেণির মানুষের বোধগম্য করার জন্য শায়খ বিভিন্ন শিরোনামে ভাগ করে বিষয়ভিত্তিক পরিপাটি আলোচনা করেছেন। এবং শেষে যোগ করেছেন তাওবা সম্পর্কে বাস্তবিক ও জীবনভিত্তিক কিছু প্রশ্ন ও উত্তর যা পাঠকের আগ্রহ ও অনুসন্ধিৎসা’র অন্যতম একটা কারণ।
    .

    ★সার সংক্ষেপঃ
    ভূমিকা পর্ব শেষে শায়খ প্রথমে গুণাহকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার পরিণাম তুলে ধরেন।
    বর্তমানে আমরা গুনাহ’কে গুণাহ বলেই মনে করিনা। অপরাধপ্রবণতার অভ্যস্ততা আমাদের অনুধাবনশক্তি গ্রাস করে ফেলেছে। সগীরা গুণাহকে পাত্তা না দেয়া, গুনাহ’র কাজে লাজ-শরম না থাকা কিংবা গুণাহকে স্মাটনেস ট্যাগিং দেওয়ার ট্রেন্ড হয়ে গেছে আমাদের। অথচ সোনালী অতীতে চুল পরিমাণ গুণাহকে সালাফগণ পাহাড়সম মনে করতেন আর আমরা একে স্রেফ উড়িয়ে দিই। এই তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় দিয়েই শায়খ প্রারম্ভিক আলোচনা এবং সতর্ক হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
    এরপর লেখক তাওবার স্বরূপ বর্ণনা করেছেন। শুধু ক্ষমা প্রার্থনাই যে তাওবা নয়, বরং খালেসভাবে আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন আর পাপের পথে ফিরে না যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করাই তাওবা; শায়খ বিষয়টি গোছালো বিশ্লেষণের সাথে উপস্থাপন করেছেন।
    .
    বইটিতে নবীজি (সঃ) এর যুগে সাহাবাগণের তাওবার দৃষ্টান্তকে মহান তাওবা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এর থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজ ও দিয়েছেন শায়খ।
    যেমনঃ গুণাহ জনে-জনে প্রকাশ না করে, অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে পাপের অকপট স্বীকারোক্তি।
    .
    অনেকেই মনে করেন, আমার এতো এতো পাপ। আল্লাহ কি আমায় ক্ষমা করবেন?
    এই প্রশ্নের কুরআন- হাদিসের আলোকে অন্তর জুড়ানো উত্তর দিয়েছেন শায়খ। সালাফদের যুগের চমৎকার সব ঘটনা গেঁথেছেন শব্দের গাঁথুনিতে, যা শুনে কৃতজ্ঞতায় আপনা আপনিই আপনার মাথা নুইয়ে আসবে। কত দয়ালু এই বিশ্ব চরাচরের মালিক!
    আল্লাহ বান্দাদের তার রহমতের উপর আস্থা না হারাতে বলেছেন। আল্লাহ তাওবাকারীকে ভালোবাসেন। তওবাকারীর পূর্বের সকল পাপকে নেকীতে রূপান্তর করে দেন। এতোটাই ফযিলত তাওবাহ’র যার বদৌলতে একশো লোক হত্যাকারী ও পার পেয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ।
    .
    তাওবাহ’র পথে অটল থাকতে অনেক প্রতিবন্ধকতা আসবে। শয়তানের ওয়াসওয়াসা আর নিজের নফসকে সংযত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালাতে হবে আমাদের। নিশ্চয়ই শয়তানের চক্রান্ত খুবই দুর্বল।
    তাছাড়া গোমরাহীর পথে থাকা নিজেদের চারপাশের লোকজন কিংবা বন্ধুবান্ধব তাদের পথে চুম্বকের মতো টানবে, আপনাকে তা ছিড়েখুঁড়ে বেরিয়ে আসতে হবে।
    তারা দুনিয়াদারীকে বাহ্যিক চাকচিক্যে আকর্ষণীয় করে আপনার সামনে উপস্থাপন করবে। অতীতের পাপের ফিরিস্তি তুলে ধরবে। এ অবস্থা ভীষণ নাজুক। তবু আপনাকে হিদায়াতের পথে অটল থাকতে হবে। প্রেমিকের মনভুলানো বুলি কিংবা বন্ধুদের সাহচর্য কিছুতেই আপনার ভেঙ্গে পড়া চলবে না। দরকার হলে এদের চিরতরে ত্যাগ করুন। কাল কিয়ামাতের দিন এরাই আপনার বিরুদ্ধে স্বাক্ষী দেবে। বইটিতে শাইখ আরো
    প্রকৃতপক্ষে, এটাই হলো তাওবার মূলকথা। তাওবা করে পাপ না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। আল্লাহ’ই সব প্রতিবন্ধকতা থেকে আপনাকে পরিত্রাণদাতা।
    শেষাংশে শায়খ তাওবাহকারীদের জন্য ফাতওয়া, দলিলসহ কুরআন,হাদীস এবং আহলুল ইলমের অভিমত অনুসারে কিছু প্রশ্নোত্তরে তাওবাহ’র বিষয় জানাকে পরিপূর্ণতা দিয়েছেন।
    .
    ★শেষকথাঃ তাওবাহ’র এতো ফযিলত, এতো মর্যাদা জানার পরেও আমরা কি করে অত্যাচারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো?
    হ্যাঁ অত্যাচারী’ই! কারন আল্লাহ বলেছেন, “যারা তাওবা করেনা, তারা অত্যাচারী ”
    আমি মনে করি, এই অসাধারণ বইটি সবার সংগ্রহে রাখা ও হাদিয়া দেওয়া উচিত যাতে আমাদের প্রিয়জনদের ও অত্যাচারী’র লিস্টে নাম না লেখানোর বোধোদয় হয়।

    1 out of 1 people found this helpful. Was this review helpful to you?
    Yes
    No